জাতীয়

এসএসসিতে অকৃতকার্য, চীনা যুবককে বিয়ে আবিদার

News সেপ্টেম্বর ১২, ২০২৬ 0
এসএসসিতে অকৃতকার্য, চীনা যুবককে বিয়ে আবিদার
এসএসসিতে অকৃতকার্য, চীনা যুবককে বিয়ে আবিদার

 

সামাজিকযোগাযোগ মাধ্যমে পরিচয়ের সূত্র ধরে প্রেমের সম্পর্ক। সেই সম্পর্কের টানে সুদূর চীন থেকে রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার শানেরহাট ইউনিয়নের পাহাড়পুর গ্রামে ছুটে এসেছেন ২৯ বছর বয়সী যুবক ঝাওহুইয়ান।

এরপর পারিবারিকভাবে বিয়ে হয় আবিদা সুলতানা নামে এক কিশোরীর সঙ্গে। বিয়ের পর ঝাওহুইয়ানের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয় আয়ান ইসলাম। আবিদা সুলতানা পাহাড়পুর গ্রামের সোলাইমান মিয়ার মেয়ে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রায় এক বছর আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আবিদা সুলতানার সঙ্গে চীনের ওই যুবকের পরিচয় হয়। একপর্যায়ে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। পরে সেই সম্পর্কের টানে চীন থেকে গত ২৫ আগস্ট বাংলাদেশে আসেন ওই যুবক। এর ১৬ দিনের মাথায় গত ১০ সেপ্টেম্বর আবিদা সুলতানার সঙ্গে তার বিয়ে সম্পন্ন হয়। 

আরও পড়ুন

ভাব তরঙ্গ: বাউল গানে মুখরিত ময়মনসিংহের জয়নুল উদ্যান

স্থানীয়রা জানান, চলতি বছর এসএসসি পরীক্ষায় আবিদা অকৃতকার্য হওয়ার পর পরিবারের পক্ষ থেকে অন্যত্র বিয়ের বিষয়ে কথা চলছিল। তবে এতে রাজি না হয়ে চীনের ওই যুবককেই বিয়ে করার বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেন তিনি। পরে পরিবারের সম্মতিতে তাদের বিয়ে সম্পন্ন হয়। বিয়ের আগে ওই যুবক ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন। এরপর তার নাম আয়ান ইসলাম রাখা হয়।

এদিকে, বিষয়টি এলাকায় জানাজানি হলে স্থানীয়দের মধ্যে কৌতূহলের সৃষ্টি হয়। নবদম্পতিকে দেখতে ওই বাড়িতে ভিড় জমাতে থাকেন আশপাশের এলাকার লোকজন।

শানেরহাট ইউনিয়নের সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের সদস্য রাশেদুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে  বলেন, ছেলেটি চীন থেকে এসেছে এবং গত বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) তাদের বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে।

জিতু কবীর/এমআরএম

Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

ব্যাটিং বিপর্যয়ে দিন শুরু, লড়াইয়ে ফিরতে মরিয়া টাইগাররা

কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন

জাতীয়

View more
মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি শ্রমিকদের অধিকার সুরক্ষায় বিশেষ জোর
মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি শ্রমিকদের অধিকার সুরক্ষায় বিশেষ জোর

মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি অভিবাসী শ্রমিকদের অধিকার ও সুরক্ষা নিশ্চিত করতে নিয়োগকর্তা, শ্রমিক, মালয়েশীয় কর্তৃপক্ষ এবং সংশ্লিষ্ট অংশীজনের মধ্যে সমন্বিত উদ্যোগের ওপর জোর দিয়েছে বাংলাদেশ হাইকমিশন। মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) মালয়েশিয়ার পেনাংয়ে দায়িত্বশীল ব্যবসা জোট (রেসপনসিবল বিজনেস অ্যালায়েন্স আরবিএ) আয়োজিত ‘প্রতিশ্রুতি থেকে বাস্তবায়ন: সরবরাহ ব্যবস্থায় মানবাধিকার যাচাইয়ের উত্তম চর্চা বিনিময়’ শীর্ষক প্যানেল আলোচনায় এ বিষয়গুলো তুলে ধরেন মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশের উপহাইকমিশনার মোছাম্মৎ শাহানারা মনিকা। আলোচনায় তিনি বাংলাদেশি অভিবাসী শ্রমিকদের বাস্তব অভিজ্ঞতা এবং অভিবাসন প্রক্রিয়ার বিভিন্ন পর্যায়ে তাদের মুখোমুখি হওয়া সংকটের চিত্র তুলে ধরেন। এর মধ্যে রয়েছে নিয়োগের সময় সৃষ্ট ঋণের বোঝা, বেতন-ভাতা না পাওয়া, অভিবাসনসংক্রান্ত জটিলতা এবং দেশে ফেরত পাঠানোর পরও অব্যাহত বিভিন্ন সমস্যা। শাহানারা মনিকা বলেন, শ্রমিকদের অধিকার সুরক্ষায় শুধু নিয়োগকালীন পর্যায়ে নজর দিলেই হবে না; পুরো অভিবাসন চক্রজুড়েই মানবাধিকার সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে। এক্ষেত্রে শ্রমিকদের অভিযোগ দ্রুত সমাধান, ক্ষতিপূরণ বা প্রতিকার নিশ্চিত করা, কল্যাণ সহায়তা দেওয়া এবং মর্যাদাপূর্ণভাবে দেশে ফেরার সুযোগ তৈরিতে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সমন্বয় জরুরি। আরও পড়ুন মালয়েশিয়ার পেনাংয়ের শিল্প-বাজারে বাংলাদেশের নজর তিনি বলেন, বাংলাদেশ হাইকমিশন শ্রমিক, নিয়োগকর্তা, মালয়েশিয়ার সরকারি কর্তৃপক্ষ এবং অন্যান্য অংশীজনের মধ্যে সেতুবন্ধ হিসেবে কাজ করছে। এর মাধ্যমে শ্রমিকদের অভিযোগ নিষ্পত্তি, প্রয়োজনীয় প্রতিকার, কল্যাণ সহায়তা এবং নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করার চেষ্টা করা হচ্ছে। হাইকমিশনের তথ্য অনুযায়ী, ২০২২ সালে বর্তমান নিয়োগচক্র শুরুর পর থেকে বাংলাদেশি শ্রমিকদের কাছ থেকে বেতন, ভিসা নবায়নসহ বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে প্রায় ৪৫০টি অভিযোগ পাওয়া গেছে। এর মধ্যে ৩৩০টিরও বেশি অভিযোগ শ্রমিক ও নিয়োগকর্তার মধ্যে মধ্যস্থতা এবং মালয়েশিয়ার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও অন্যান্য অংশীজনের সহযোগিতায় সমাধান করা সম্ভব হয়েছে। আলোচনায় অভিবাসী শ্রমিকদের সুরক্ষায় মানবাধিকার যাচাই বা ‘হিউম্যান রাইটস ডিউ ডিলিজেন্স’-এর গুরুত্বও তুলে ধরা হয়। বিশেষ করে শ্রমিক নিয়োগের শুরু থেকে কর্মসংস্থান, বেতন-ভাতা, বৈধ অভিবাসন নথি, কর্মপরিবেশ এবং দেশে ফেরার পরবর্তী সময় পর্যন্ত সম্ভাব্য ঝুঁকি শনাক্ত ও প্রতিকারের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। বাংলাদেশ হাইকমিশনের পক্ষ থেকে বলা হয়, শ্রমিকদের অধিকার রক্ষায় কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হলে শুধু সরকারি উদ্যোগ যথেষ্ট নয়। নিয়োগকর্তা, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান, সরবরাহ ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত প্রতিষ্ঠান, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এবং শ্রমিকদের সমন্বিত অংশগ্রহণ প্রয়োজন। পেনাংয়ের এ আলোচনায় বাংলাদেশ হাইকমিশনের অভিজ্ঞতা তুলে ধরার মধ্য দিয়ে মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি শ্রমিকদের অধিকার সুরক্ষা, অভিযোগ নিষ্পত্তি এবং মানবিক ও মর্যাদাপূর্ণ অভিবাসন ব্যবস্থাপনায় পারস্পরিক সহযোগিতার বিষয়টি নতুন করে গুরুত্ব পেল। এমআরএম

News সেপ্টেম্বর ১২, ২০২৬ 0
বড় হচ্ছে ইলেকট্রিক স্কুটারের বাজার, মাসে বিক্রি সাড়ে ৩ হাজার

বড় হচ্ছে ইলেকট্রিক স্কুটারের বাজার, মাসে বিক্রি সাড়ে ৩ হাজার

পশু জবাইয়ের নতুন নির্দেশনা, কসাইখানা বন্ধ, এক ফিরোজের দীর্ঘশ্বাস

পশু জবাইয়ের নতুন নির্দেশনা, কসাইখানা বন্ধ, এক ফিরোজের দীর্ঘশ্বাস

যে ভবন রাত হলেই হয়ে উঠছে বিশাল ক্যানভাস

যে ভবন রাত হলেই হয়ে উঠছে বিশাল ক্যানভাস

স্মৃতির মুক্তো
স্মৃতির মুক্তো

অলস দুপুরের ঝলমলে রোদ্দুরেদোয়েলের শিস আর ঘুঘুর ডাকেসহসাই ফেলে আসা দিনগুলোছায়া ফেলে নিষ্প্রভ দুটো চোখে।কল্পনার সমুদ্রে ডুবি আর ভাসিঅতীতের জানালায় কান পাতিস্মৃতির ঝিনুক সেচে মুক্তো কুড়িয়েঅবচেতনই কবিতার মালা গাঁথি।একদিন প্রেম ছিল অধিক প্রগাঢ়মধুর কামনায় ছিল আবেগি সুবাসআজ শুধু হাহাকার অপূর্ণতার ক্ষরণবুক থেকে বেরোয় ধোঁয়াটে দীর্ঘশ্বাস।

News সেপ্টেম্বর ১২, ২০২৬ 0
সমিতির নেতাদের হাতেই জিম্মি পান রপ্তানি

সমিতির নেতাদের হাতেই জিম্মি পান রপ্তানি

বাঙালির ঐশ্বর্যময় চিন্তাধারা

বাঙালির ঐশ্বর্যময় চিন্তাধারা

টিকিট কালোবাজারিতে ৬৮৫ অ্যাকাউন্ট নিষিদ্ধ ইউনাইটেডের

টিকিট কালোবাজারিতে ৬৮৫ অ্যাকাউন্ট নিষিদ্ধ ইউনাইটেডের

মালয়েশিয়ার পেনাংয়ের শিল্প-বাজারে বাংলাদেশের নজর
মালয়েশিয়ার পেনাংয়ের শিল্প-বাজারে বাংলাদেশের নজর

মালয়েশিয়ার অন্যতম প্রধান শিল্প ও বাণিজ্যিক কেন্দ্র পেনাংয়ে বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যের বাজার সম্প্রসারণ এবং মালয়েশিয়ার বিনিয়োগ আকর্ষণে নতুন করে তৎপরতা শুরু করেছে বাংলাদেশ হাইকমিশন। দুই দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্ককে আরও গতিশীল করতে পেনাংয়ের শীর্ষ ব্যবসায়ী ও শিল্পোদ্যোক্তাদের সঙ্গে পৃথক বৈঠক করেছেন মালয়েশিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার মঞ্জুরুল করিম খান চৌধুরী। ৭ ও ৮ সেপ্টেম্বর পেনাংয়ে অনুষ্ঠিত এসব বৈঠকে মালয়েশিয়ার আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও শিল্প চেম্বারের (এমআইসিসিআই) পেনাং শাখার সভাপতি দাতো ব্রায়ান তান গুয়ান হুই এবং বিভিন্ন খাতের ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনা করেন হাইকমিশনার। একই সঙ্গে মালয়েশিয়ান ফেডারেশন অব ম্যানুফ্যাকচারার্সের (এফএমএম) পেনাং শাখার সভাপতি দাতো সেরি লি তেওং লি ও সংগঠনটির সদস্যদের সঙ্গেও বৈঠক করেন তিনি। বৈঠকে বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যের জন্য মালয়েশিয়ার বাজারে নতুন সুযোগ তৈরি, দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য সম্প্রসারণ এবং বাংলাদেশে মালয়েশিয়ার বিনিয়োগ বাড়ানোর সম্ভাবনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। বাংলাদেশের ব্যবসা-বাণিজ্যের জন্য পেনাংকে গুরুত্বপূর্ণ সম্ভাবনাময় বাজার হিসেবে দেখছে হাইকমিশন। বিশেষ করে পেনাংয়ের শিল্প ও উৎপাদন খাতের উদ্যোক্তাদের সঙ্গে বাংলাদেশের ব্যবসায়ীদের সরাসরি যোগাযোগ বাড়ানোর মাধ্যমে নতুন বাণিজ্যিক সম্পর্ক গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। বৈঠকে বাংলাদেশে যৌথ বিনিয়োগের সম্ভাবনাও তুলে ধরা হয়। মালয়েশিয়ার ব্যবসায়ীদের বাংলাদেশে বিনিয়োগে উৎসাহিত করা এবং দুই দেশের উদ্যোক্তাদের অংশীদারত্বে নতুন ব্যবসায়িক উদ্যোগ গ্রহণের বিষয়ে মতবিনিময় করেন সংশ্লিষ্টরা। আরও পড়ুন মানুষের দ্বিতীয় মস্তিষ্ক শুধু আলোচনা নয়, ব্যবসায়ী ও শিল্পোদ্যোক্তাদের সরাসরি এক প্ল্যাটফর্মে আনতে পেনাংয়ে একটি ব্যবসায়িক ফোরাম আয়োজনের বিষয়েও বৈঠকে গুরুত্ব দেওয়া হয়। এ ধরনের ফোরামের মাধ্যমে বাংলাদেশের ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পেনাংয়ের শিল্প ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের সরাসরি যোগাযোগ তৈরি হবে। পাশাপাশি বিনিয়োগ, রপ্তানি ও যৌথ ব্যবসার সম্ভাব্য ক্ষেত্রগুলো চিহ্নিত করা সম্ভব হবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন। দুই দেশের ব্যবসায়ী নেতাদের মধ্যে যোগাযোগ বাড়ানো এবং পারস্পরিক সফর বিনিময়ের বিষয়েও আলোচনা হয়। ব্যবসায়ী প্রতিনিধি দলের সফরের মাধ্যমে একে অপরের বাজার, শিল্প সক্ষমতা ও বিনিয়োগ পরিবেশ সম্পর্কে সরাসরি ধারণা নেওয়ার সুযোগ তৈরির ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। পেনাং শুধু মালয়েশিয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ বন্দর ও শিল্পাঞ্চল নয়, এটি দেশটির প্রযুক্তি, ইলেকট্রনিকস, সেমিকন্ডাক্টর ও উৎপাদনশিল্পের অন্যতম প্রধান কেন্দ্র। বিশ্বের বড় বড় বহুজাতিক ও প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান এ রাজ্যে তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করছে। ফলে পেনাংয়ের ব্যবসায়ী ও শিল্পগোষ্ঠীর সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্যিক যোগাযোগ বাড়াতে পারলে রপ্তানি ও বিনিয়োগ দুই ক্ষেত্রেই নতুন সম্ভাবনার দরজা খুলতে পারে। বৈঠকগুলোতে ব্যবসায়িক চেম্বারের ভাইস চেয়ারম্যানসহ কমিটির অন্যান্য সদস্য এবং বিভিন্ন খাতের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। বাংলাদেশের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন হাইকমিশনের ডেপুটি হাইকমিশনার, পেনাংয়ে বাংলাদেশের অনারারি কনসাল, প্রথম সচিব (বাণিজ্যিক) ও তৃতীয় সচিব (রাজনৈতিক)। বাংলাদেশ হাইকমিশনের এই উদ্যোগকে দুই দেশের বেসরকারি খাতের মধ্যে সরাসরি যোগাযোগ বৃদ্ধির একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। বিশেষ করে পেনাংয়ের শক্তিশালী শিল্পভিত্তির সঙ্গে বাংলাদেশের রপ্তানি ও বিনিয়োগ সক্ষমতার সংযোগ ঘটাতে পারলে মালয়েশিয়ার বাজারে বাংলাদেশি পণ্যের উপস্থিতি বাড়ানোর পাশাপাশি নতুন বিনিয়োগের সুযোগও তৈরি হতে পারে। এমআরএম

News সেপ্টেম্বর ১২, ২০২৬ 0
রাজাউল্লাহর ব্যাটে ইংল্যান্ডকে ১৩০ রানের লক্ষ্য দিলো পাকিস্তান

রাজাউল্লাহর ব্যাটে ইংল্যান্ডকে ১৩০ রানের লক্ষ্য দিলো পাকিস্তান

শারীরিক প্রতিবন্ধী ভাইকে নিয়ে থাকেন বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী বোন, মানুষ দিলে জোটে খাবার

শারীরিক প্রতিবন্ধী ভাইকে নিয়ে থাকেন বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী বোন, মানুষ দিলে জোটে খাবার

একই বৃত্তে ঘুরপাক নারী ক্রিকেটের, সমাধান কী

একই বৃত্তে ঘুরপাক নারী ক্রিকেটের, সমাধান কী

0 Comments