কাপ্তাই হ্রদে পানি আশঙ্কাজনকভাবে বেড়ে যাওয়ায় খুলে দেওয়া হয়েছে স্পিলওয়ের ১৬টি জলকপাট।
জনগণকে সঙ্গে নিয়ে অপরাধ দমনের জন্য মাঠ পর্যায়ের পুলিশ কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিয়েছেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির।
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৫ সালের অনার্স প্রথম বর্ষের স্থগিত পরীক্ষার নতুন সময়সূচি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা তথ্য ছড়িয়ে পড়েছে। তবে এসব তথ্য সরাসরি নাকচ করেছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।
গ্যাস, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় সরকার চরম ব্যর্থতার পরিচয় দিচ্ছে অভিযোগ করে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমীর মুফতী সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম বলেছেন, দেশে গ্যাস, বিদ্যুৎ ও জ্বলানির সংকট দিনদিন প্রকট রূপ ধারণ করছে।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেছেন, “আওয়ামী লীগকে যেসব অভিযোগে ক্ষমতা থেকে বিদায় করা হয়েছিল, বর্তমান সরকারও প্রায় একই পথে এগোচ্ছে। চাঁদাবাজি, মাস্তানি, দমন-পীড়ন, লুটপাট ও দলীয়করণ আবারও ফিরে এসেছে। শুধু দলের নাম পরিবর্তন হয়েছে, কাজ একই রয়েছে।”
সানি দেওলের নতুন সিনেমা ‘বাটওয়ারা ১৯৪৭’ ঘিরে প্রত্যাশা থাকলেও মুক্তির পর বক্স অফিসে তেমন সাড়া মেলেনি। সিনেমাটির এমন ফল নিয়ে এবার মুখ খুলেছেন অভিনেত্রী শাবানা আজমি।
আলোচনা সভায় ভুক্তভোগীরা কেঁদেছেন, ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। বর্তমান সরকারের সময়ও নতুন করে গুমের ঘটনা ঘটছে বলে দাবি তাঁদের।
<p>তরুণ উদ্যোক্তাদের অনুপ্রেরণার গল্প নিয়ে বিশেষ আয়োজন: প্রাইম ব্যাংক নিবেদিত ‘লিগ্যাসি উইথ এমআরএইচ : সিজন–৩’। আয়োজনে প্রথম আলো ডটকম।</p><p>এ পর্বের অতিথি ‘কৃষি স্বপ্ন’র প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সৈয়দ জুবায়ের হাসান। শৈশবে দেখা কৃষকদের কষ্ট আর মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য দূর করে ব্লকচেইন প্রযুক্তি ও ডেটার মাধ্যমে ৪০ হাজারের বেশি কৃষকের জীবন বদলে দেওয়ার গল্প শুনিয়েছেন তিনি। সফল করপোরেট ক্যারিয়ার ছেড়ে তাঁর কৃষির সঙ্গে যুক্ত হওয়ার এই পথচলা কেমন ছিল?</p><p>বিস্তারিত জানতে দেখুন ভিডিওটি...</p><figure></figure>
<p>সেন্ট মার্টিনে নির্মাণ হচ্ছে নতুন রিসোর্ট–কটেজ। কেয়াবন, বালু ও চুনাপাথর ব্যবহারে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে দ্বীপের পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য। বিস্তারিত দেখুন ভিডিও প্রতিবেদনে… </p><figure></figure>
আজ শনিবার ঢাকার এআইইউবি ক্যাম্পাসে অনুষ্ঠিত হয় তৃতীয় স্পেস এক্সপ্লোরেশন অলিম্পিয়াডের চূড়ান্ত প্রতিযোগিতা। সারা বাংলাদেশ থেকে ২০২ জন শিক্ষার্থী এ অলিম্পিয়াডে অংশ নেয়।
অনুমোদনহীন ডাবল ডেকার স্লিপার বাস চলাচলের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।
শরৎ এলেই বাংলার প্রকৃতি যেন নতুন করে সাজে। সবুজের বুকজুড়ে মাথা দোলাতে থাকে সাদা কাশফুল।
রিয়াল মাদ্রিদের ব্রাজিলিয়ান তারকা ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের বান্ধবী ও ব্রাজিলিয়ান ইনফ্লুয়েন্সার ভার্জিনিয়া ফনসেকাকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। তার প্রশিক্ষকের ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে প্রকাশিত একটি ভিডিওকে কেন্দ্র করে ভক্তদের মধ্যে শুরু হয়েছে নানা আলোচনা ও সমালোচনা। ভিডিওটিতে ভার্জিনিয়াকে তার ট্রেনারের সঙ্গে এমন এক মুহূর্তে দেখা যায়, যা অনেকের কাছে দুজনকে চুম্বনের কাছাকাছি অবস্থানে থাকার মতো মনে হয়েছে। যদিও বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা ব্যাখ্যা ছড়িয়ে পড়েছে, ভিডিওটির ওই অংশই মূলত ভক্তদের নজর কেড়েছে। কেউ কেউ ভার্জিনিয়ার আচরণকে ‘অনুপযুক্ত’ বলে মন্তব্য করেছেন। আবার ভিডিওতে দেখা যায়, একপর্যায়ে ভার্জিনিয়া তার ট্রেনারকে দূরে সরিয়ে দেন। ফলে ভিডিওটির প্রকৃত অর্থ নিয়েও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিন্নমত দেখা দিয়েছে। বিতর্ক আরও তীব্র হয়েছে ভিডিওটির স্থান নিয়ে। অনেক ভক্তের দাবি, ভিডিওটি ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের বাড়ির ভেতরে ধারণ করা হয়েছে। বিশেষ করে বাড়ির জিমে ভার্জিনিয়ার নিয়মিত উপস্থিতি নিয়ে এর আগেও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা হয়েছে। ভিনিসিয়ুসের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে ভক্তদের আগ্রহ নতুন নয়। রিয়াল মাদ্রিদের এই তারকার সঙ্গে ভার্জিনিয়ার সম্পর্ক প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই দুজনকে ঘিরে ব্রাজিলের বিনোদন ও ক্রীড়াঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা চলছে। ভার্জিনিয়া দেশটির অন্যতম পরিচিত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যক্তিত্ব; একই সঙ্গে তিনি উদ্যোক্তা ও টেলিভিশন উপস্থাপক হিসেবেও পরিচিত। নতুন ভিডিও প্রকাশের পর কেউ কেউ প্রশ্ন তুলেছেন, ভিনিসিয়ুসের ব্যক্তিগত বাসস্থান ও জিমকে ভার্জিনিয়া কতটা ব্যক্তিগত পরিসর হিসেবে ব্যবহার করছেন। তবে এসব মন্তব্য মূলত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারীদের প্রতিক্রিয়া; ভিডিওটি কোথায় ধারণ করা হয়েছে বা ঘটনাটির প্রকৃত প্রেক্ষাপট সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট পক্ষের কোনো বিস্তারিত ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি। এদিকে ভিডিওকে কেন্দ্র করে ট্রেনারের যৌনতা নিয়েও অনলাইনে আলোচনা শুরু হয়েছে। তবে কারও যৌন পরিচয় নিয়ে অনুমান করার চেয়ে ভিডিওতে দেখা ঘটনাটির বাস্তব প্রেক্ষাপটের ওপরই গুরুত্ব দেওয়া উচিত বলে মনে করেন অনেকে। ভিডিওতে ঠিক কী ঘটেছিল, সেটি নিয়ে সংশ্লিষ্টদের পক্ষ থেকে পরিষ্কার ব্যাখ্যা না আসা পর্যন্ত নানা দাবি ও মন্তব্যকে নিশ্চিত তথ্য হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। সব মিলিয়ে, ভিনিসিয়ুসের ব্যক্তিগত জীবনকে ঘিরে নতুন এই ভিডিও আবারও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। তবে ভিডিওটির কয়েক সেকেন্ডের দৃশ্যকে কেন্দ্র করে তৈরি হওয়া নানা জল্পনার সত্যতা এখনো স্পষ্ট নয়। আইএইচএস/
নেপালে ভয়াবহ বন্যার মধ্যে ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে ৯৭ বছর বয়সী এক নারীকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। প্রায় চার ঘণ্টা আটকে থাকার পর গুনা মায়া বোহারা নামের ওই বৃদ্ধাকে উদ্ধার করেন পুলিশ, সেনাবাহিনী ও পরিবারের সদস্যরা। বুধবার (২৬ আগস্ট) বন্যার পানির প্রভাবে একটি বৃদ্ধনিবাস ধ্বংসস্তূপে পরিণত হলে সেখানে আটকা পড়েন গুনা মায়া। পরে তাকে উদ্ধারে অভিযান শুরু করে পুলিশ ও নেপাল সেনাবাহিনী। প্রায় চার ঘণ্টার চেষ্টার পর তাকে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। শুক্রবার (২৮ আগস্ট) খননযন্ত্রের বাকেটে করে তাকে নিরাপদ স্থানে নিয়ে যাওয়ার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। কাদামাখা পোশাকে ৯৭ বছর বয়সী ওই নারীর জীবিত ফিরে আসার দৃশ্য নেপালের ভয়াবহ বন্যার মধ্যে আশার প্রতীক হয়ে উঠেছে। গুনা মায়া ওই বৃদ্ধনিবাসেই থাকতেন। বন্যার পানিতে পুরো ভবনটি ধ্বংসস্তূপে পরিণত হলে তার নিচে চাপা পড়েন তিনি। উদ্ধার অভিযানে পুলিশ ও সেনাবাহিনীর পাশাপাশি তার পরিবারের সদস্যরাও অংশ নেন। গুনা মায়ার আত্মীয় দীপক বোহারা জানান, তার ভাই ও ছেলে গাছের সঙ্গে দড়ি বেঁধে ধ্বংসস্তূপের ভেতরে প্রবেশ করেন। তারাই গুনা মায়া এখনও জীবিত আছেন বলে জানতে পারেন। তবে তাকে খুঁজতে গিয়ে আশপাশে আরও অনেক মানুষকে মৃত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন তারা। ভয়াবহ বন্যায় শত শত প্রাণহানি এর আগে বুধবার নেপালের রাসুয়া জেলায় হিমবাহ ধসে ভোতে কোশি নদীতে আকস্মিক বন্যা দেখা দেয়। এরপর দেশের বিভিন্ন এলাকায় ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধস ছড়িয়ে পড়ে। এখন পর্যন্ত অন্তত ৬৭৬ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। নিখোঁজ রয়েছেন প্রায় ৩ হাজার মানুষ। নিখোঁজদের মধ্যে ৩০০ জনের বেশি ভারতীয় নাগরিক রয়েছেন বলে জানা গেছে। এদিকে নেপালের আবহাওয়া বিভাগ নতুন করে বৃষ্টি ও বজ্রঝড়ের সতর্কতা জারি করেছে। এতে উদ্ধার অভিযান এবং নিখোঁজদের সন্ধান কার্যক্রম আরও কঠিন হয়ে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এই ভয়াবহ পরিস্থিতির মধ্যেও ৯৭ বছর বয়সী গুনা মায়াকে জীবিত উদ্ধারের ঘটনা নেপালে নতুন করে আশার সঞ্চার করেছে। সূত্র: এনডিটিভি এমআরএইচ/এমএসএম
নোয়াখালীর সদরে ছাত্রদলের কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে দুই গ্রুপের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয়পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। শনিবার (২৯ আগস্ট) সন্ধ্যায় অশ্বদিয়া ইউনিয়নের দিনমনি বাজারে এ ঘটনা ঘটে। এতে সোনাপুর-বসুরহাট সড়কে প্রায় একঘণ্টা যান চলাচল বন্ধ থাকে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সদ্য ঘোষিত অশ্বদিয়া ইউনিয়ন ছাত্রদলের নতুন কমিটিকে কেন্দ্র করে পদ পাওয়া ও পদবঞ্চিত নেতাকর্মীদের মধ্যে বেশ কিছুদিন ধরে উত্তেজনা বিরাজ করে আসছিলো। শনিবার বিকেলে দুই পক্ষের নেতাকর্মীরা মুখোমুখি হলে কথা-কাটাকাটির এক পর্যায়ে তাতে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। পরে সন্ধ্যায় দেশীয় অস্ত্র ও লাঠিসোঁটা নিয়ে দুই পক্ষে সংঘর্ষ হয়। এতে জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম উজ্জ্বলসহ অন্তত ১০ জন আহত হয়। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. লিয়াকত আকবর বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে এলাকার পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে এবং যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। ইকবাল হোসেন মজনু/কেএইচকে
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জামিয়া ইউনুছিয়া মাদরাসাশিক্ষকদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতারা। শনিবার (২৯ আগস্ট) সকালে এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, ন্যাশনাল ওলামা অ্যালায়েন্সের আহ্বায়ক আশরাফ উদ্দিন মাহদি, কুমিল্লা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আতাউল্লাহ, জাতীয় যুবশক্তির সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার ফরহাদ সোহেল এবং এনসিপি\'র সংগঠক (দক্ষিণাঞ্চল) আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ জিহান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। এ সময় এনসিপি নেতারা জামিয়া ইউনুছিয়া, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মুহতামিম ও জেলা হেফাজতে ইসলামের আমির মাওলানা মুবারাকুল্লাহ, জামিয়ার মুহাদ্দিস ও জেলা হেফাজতে ইসলামের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাওলানা মারুফ কাসেমী, জেলা হেফাজতে ইসলামের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাওলানা শরীফ উদ্দিন আফতাবী এবং জেলা হেফাজতে ইসলামের কোষাধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুল হাফিজের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। সাক্ষাৎকালে পারস্পরিক সৌহার্দ্য, সম্প্রীতি ও মহব্বত অটুট রাখার অঙ্গীকার ব্যক্ত করা হয়।এর আগে এনসিপির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক ও সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহর সংসদের দেওয়া একটি বক্তব্যকে কেন্দ্র করে ক্ষোভ প্রকাশ করে মাদরাসা শিক্ষার্থীরা। এর জেরে শুক্রবার মধ্যরাতে তারা শহরে বিক্ষোভ করেন। মাদরাসা ছাত্ররা শিল্পকলা একাডেমিতে এনসিপি রাজনৈতিক সভাস্থলে ইসলামী সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের ঘোষণা দেন। এর নিয়ে উত্তেজনার মধ্যে জেলা প্রশাসন দুপক্ষকেই শিল্পকলা একডেমিতে সভা না করতে দেওয়ার কথা জানায়। এর মধ্যে শনিবার বিকালে এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বড় মাদরাসা হিসেবে পরিচিত জামিয়া ইসলামিয়া ইউনুছিয়া মাদরাসায় যান। সেখানে তিনি কওমি ছাত্র ঐক্য পরিষদের নেতাদের সঙ্গে কথা বলেন। জেএইচ
প্রতারণার মামলায় কারাবন্দি সুকেশ চন্দ্রশেখরকে ঘিরে বলিউডে বিতর্কের যেন শেষ নেই। অভিনেত্রী জ্যাকুলিন ফার্নান্দেজের সঙ্গে তার সম্পর্ক নিয়ে অতীতে কম আলোচনা হয়নি। এবার সেই আলোচনায় নতুন করে যুক্ত হয়েছে অভিনেত্রী নোরা ফাতেহির নাম। সুকেশের হাতে লেখা বলে দাবি করা একটি চিঠি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। সেখানে জ্যাকুলিনকে ঘিরে নোরার বিরুদ্ধে একাধিক চাঞ্চল্যকর অভিযোগ তুলেছেন সুকেশ। তবে ভাইরাল হওয়া চিঠিটি সত্যিই সুকেশের লেখা কি না, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ফলে চিঠিতে করা অভিযোগগুলোর সত্যতাও স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। ভাইরাল চিঠিতে সুকেশ দাবি করেছেন, জ্যাকুলিন ফার্নান্দেজের সঙ্গে তার সম্পর্ক নিয়ে নোরা ফাতেহি ঈর্ষান্বিত ছিলেন। এমনকি তাদের সম্পর্ক ভেঙে দেওয়ার জন্য নোরা তাকে বারবার উসকানি দিতেন বলেও অভিযোগ করেছেন তিনি। শুধু সম্পর্কের বিষয়েই নয়, নোরার সঙ্গে নিজের কথোপকথন নিয়েও চিঠিতে নানা দাবি করেছেন সুকেশ। তার অভিযোগ, নোরা নিয়মিত ফোনে যোগাযোগ করতেন। এমনকি দিনে প্রায় ১০ বার পর্যন্ত ফোন করে বিলাসবহুল জীবনযাপনের জন্য মোটা অংকের অর্থ দাবি করতেন বলেও দাবি করেছেন তিনি। চিঠিতে নোরাকে দামি উপহার দেওয়ার কথাও উল্লেখ করেছেন সুকেশ। তার দাবি, মরক্কোর কাসাব্লাঙ্কায় একটি বাড়ি কেনার জন্য নোরাকে কয়েক কোটি রুপি দিয়েছিলেন তিনি। এর পাশাপাশি দামি প্রসাধনী, বিদেশি ব্র্যান্ডের ব্যাগ, বিলাসবহুল গাড়িসহ আরও বিভিন্ন মূল্যবান উপহার দেওয়ার দাবিও করেছেন সুকেশ। আরও পড়ুন দ্বিতীয় সন্তান নেবেন অভিষেক-ঐশ্বরিয়া? যে কথায় লজ্জায় লাল অভিষেক সুকেশের দাবি, জ্যাকুলিনের সঙ্গে তার সম্পর্কের বিষয়টি নোরা মেনে নিতে পারতেন না। এ কারণে বিভিন্ন সময় ফোন করে তাকে প্রভাবিত করার চেষ্টা করতেন। চিঠিতে তাদের কথোপকথনের কিছু তথ্য থাকার দাবিও করা হয়েছে। চিঠির শেষদিকে নোরাকে সতর্কও করেছেন সুকেশ। তাকে উদ্দেশ করে লিখেছেন, ‘আমাকে উসকানি দিও না।’ নিজের করা অভিযোগগুলোর পক্ষে তার কাছে প্রমাণ রয়েছে বলেও দাবি করেছেন তিনি। প্রয়োজনে সেই প্রমাণ প্রকাশ্যে আনার হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন সুকেশ। জ্যাকুলিন ফার্নান্দেজের সঙ্গে সুকেশ চন্দ্রশেখরের সম্পর্ক নিয়ে এর আগেও বহুবার আলোচনা হয়েছে। কারাবন্দি অবস্থায়ও জ্যাকুলিনের জন্য দামি উপহার পাঠানোর অভিযোগ ঘিরে একাধিকবার খবরের শিরোনামে এসেছেন সুকেশ। এবার নোরা ফাতেহিকে ঘিরে তার কথিত চিঠি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ায় নতুন করে শুরু হয়েছে আলোচনা। তবে চিঠিটির সত্যতা নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত এতে করা অভিযোগগুলোকে সত্য হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। আরও পড়ুন দুর্যোগের মধ্যেই নেপাল ছাড়লেন অভিনেতা এ বিষয়ে নোরা ফাতেহি কিংবা জ্যাকুলিন ফার্নান্দেজের পক্ষ থেকেও এখন পর্যন্ত কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। ফলে সুকেশের চিঠিতে করা দাবিগুলো ঘিরে তৈরি হয়েছে নতুন জল্পনা ও বিতর্ক। এমএমএফ
দেশে স্বাধীন ও দায়িত্বশীল গণমাধ্যম পরিবেশ গড়ে তুলতে একটি ‘স্বাধীন গণমাধ্যম কমিশন’ গঠনের প্রক্রিয়া দ্রুত এগিয়ে নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন গণমাধ্যম সংশ্লিষ্ট অংশীজনরা। তারা বলেন, এই গণমাধ্যম কমিশন গঠনের মাধ্যমে সরকার স্বাধীন ও জবাবদিহিমূলক গণমাধ্যম কাঠামো গড়ে তোলার যে উদ্যোগ নিয়েছে তা বাস্তবায়নের জন্য এখন প্রয়োজন একটি অংশগ্রহণমূলক ও স্বচ্ছ প্রক্রিয়া। কমিশন গঠনের আগে গণমাধ্যম মালিক, সম্পাদকীয় ও সাংবাদিক সংগঠনের প্রতিনিধি, সম্পাদক, আইন বিশেষজ্ঞ, সাংবাদিকতা বিষয়ের শিক্ষক, গণমাধ্যম উন্নয়ন সংগঠন এবং নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিদের মতামত নেওয়া জরুরি। শনিবার (২৯ আগস্ট) যশোরের স্থানীয় দৈনিক লোকসমাজ ও দৈনিক গ্রামের কাগজের যৌথ উদ্যোগে, মিডিয়া রিসোর্সেস ডেভেলপমেন্ট ইনিশিয়েটিভ (এমআরডিআই) এবং ইন্টারন্যাশনাল মিডিয়া সাপোর্ট (আইএমএস), ডেনমার্কের সহযোগিতায় আয়োজিত ‘গণমাধ্যম কমিশন: সরকারের কাছে প্রত্যাশা’ শীর্ষক এক নীতি সংলাপে এসব মত উঠে এসেছে। গণমাধ্যম সংস্কারে এমআরডিআইয়ের পাঁচ বছর মেয়াদি অ্যাডভোকেসি কার্যক্রম পরিকল্পনার আওতায় আয়োজিত সংলাপে বক্তারা বলেন, একটি স্বাধীন গণমাধ্যম কমিশন গঠনের ক্ষেত্রে এর স্বাধীনতা, কাঠামো, ক্ষমতা ও জবাবদিহির বিষয়ে অংশীজনদের আস্থা নিশ্চিত করা গুরুত্বপূর্ণ। কমিশনটি এমনভাবে গড়ে তুলতে হবে, যেন এটি একদিকে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা সুরক্ষা ও পেশাগত মান নিশ্চিতে ভূমিকা রাখে, অন্যদিকে জবাবদিহি ও জনস্বার্থ নিশ্চিত করার কার্যকর ব্যবস্থা তৈরি করে। সংলাপের শুরুতে এমআরডিআইয়ের নির্বাহী পরিচালক হাসিবুর রহমান বর্তমান সরকার একটি স্বাধীন ও জবাবদিহিমূলক গণমাধ্যম কাঠামো গড়ে তোলার বিষয়ে যে অঙ্গীকার করেছে এবং এ লক্ষ্যে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় যে উদ্যোগ গ্রহণ করেছে তাকে ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, কমিশনের গ্রহণযোগ্যতা ও কার্যকারিতা নিশ্চিত করতে শুরু থেকেই এ প্রক্রিয়ায় গণমাধ্যম অংশীজন ও নাগরিকদের মতামতকে বিবেচনায় নিতে হবে। ২০২৩ সালে বিএনপি ঘোষিত রাষ্ট্রকাঠামো মেরামতের ৩১ দফা কর্মপরিকল্পনা এবং তাদের নির্বাচনি ইশতেহারে একটি স্বাধীন কমিশন গঠনের মাধ্যমে একটি স্বাধীন ও জবাবদিহিমূলক ‘মিডিয়া রেগুলেটরি কাঠামো’ গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতির প্রতিফলন দ্রুতই বাস্তবায়ন হবে বলে আশাবাদ প্রকাশ করেন তিনি। হাসিবুর রহমান বলেন, খসড়া গণমাধ্যম কমিশন আইনে স্ব-নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাকে উৎসাহিত করার যে ধারণা রয়েছে, সেটিকে আরও কার্যকরভাবে এগিয়ে নেওয়া প্রয়োজন। এই কমিশন গণমাধ্যম খাতকে একটি সহায়ক কাঠামো দিতে পারে, যা সাংবাদিকতার পেশাদারত্ব নিশ্চিতের পাশাপাশি এই খাতের জবাবদিহি নিশ্চিত এবং প্রয়োজনীয় নীতিগত সংস্কারে ভূমিকা রাখতে পারে। গণমাধ্যমের মালিকানার ক্ষেত্রে সার্কুলেশন সংখ্যা প্রকাশ এবং অডিটে বড় ধরনের অনিয়ম রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, পাঠকের আস্থা বাড়াতে হলে এসব প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে সাংবাদিকদের জন্য একটি কার্যকর কোড অব কনডাক্ট প্রণয়নও গুরুত্বপূর্ণ। অনুষ্ঠানের শুরুতে এমআরডিআইয়ের পক্ষ থেকে একটি উপস্থাপনায় স্বাধীন গণমাধ্যম কমিশন গঠনের প্রেক্ষাপট, এর প্রয়োজনীয়তা এবং কমিশনের কাছে বিভিন্ন অংশীজনের প্রত্যাশা তুলে ধরা হয়। যেখানে গণমাধ্যমকে নিয়ন্ত্রণ নয় বরং এর স্বাধীনতা, জবাবদিহি ও পেশাগত মানের মধ্যে একটি কার্যকর ভারসাম্য নিশ্চিত করাই স্বাধীন গণমাধ্যম কমিশনের মূল উদ্দেশ্য হওয়া উচিৎ বলে জানানো হয়। গণমাধ্যম সংস্কার কমিশনের সাবেক প্রধান এবং দ্য ডেইলি স্টারের কনসাল্টিং এডিটর কামাল আহমেদ বলেন, জনস্বার্থে সাংবাদিকতা নিশ্চিত করতে এখনই সাংবাদিকতার নৈতিক মানদণ্ড নির্ধারণের সময় এসেছে। এর মাধ্যমে একদিকে সাংবাদিকতার নৈতিকতা ও পেশাগত মান বজায় থাকবে, অন্যদিকে জনগণের সঠিক তথ্য পাওয়ার অধিকারও অক্ষুণ্ন থাকবে। শুধু একটি কমিশন গঠন করলেই কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন আসবে না জানিয়ে কামাল আহমেদ বলেন, এর স্বাধীনতা, কার্যকারিতা এবং সামগ্রিক সংস্কার প্রক্রিয়ার প্রতি রাজনৈতিক ও প্রাতিষ্ঠানিক অঙ্গীকার নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি গণমাধ্যমের নৈরাজ্যজনক অবস্থা সমাধান করতে এবং অপব্যবহার রোধে তিনি সাংবাদিকতার জন্য একটি নূন্যতম জাতীয় মানদণ্ড তৈরি এবং নীতি নৈতিকতার কাঠামো তৈরির ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন। নীতি সংলাপে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও জবাবদিহির মধ্যে ভারসাম্য, কমিশনের কাঠামো ও ক্ষমতা, স্বনিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা, সাংবাদিকদের পেশাগত নিরাপত্তা এবং গণমাধ্যমের প্রতি জনআস্থা পুনর্গঠনের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়। যশোরের স্থানীয় দৈনিক লোকসমাজ পত্রিকার প্রকাশক এবং অনুষ্ঠানের সভাপতি শান্তনু ইসলাম সুমিত বলেন, গণমাধ্যম কমিশন গঠনের বিষয়ে আমরা আশাবাদী। তবে কমিশনকেও জবাবদিহির আওতায় থাকতে হবে। কমিশন যেন নিয়ন্ত্রণের পরিবর্তে সাংবাদিক ও গণমাধ্যমের জন্য সুরক্ষা নিশ্চিত করার ভূমিকা পালন করে এমন একটি কাঠামো প্রয়োজন। তিনি আশা প্রকাশ করেন, সরকার এ বিষয়ে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেবে। দৈনিক লোকসমাজ পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক আনোয়ারুল কবির নান্টু বলেন, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা হরণের পেছনে সরকার ও গণমাধ্যম মালিক উভয়েরই দায় রয়েছে। ভালো সাংবাদিকতার জন্য উপযুক্ত কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করতে সাংবাদিকদের নিয়মিত বেতন-ভাতা প্রদান, বিজ্ঞাপন নীতিমালায় পরিবর্তন এনে স্বাধীন সাংবাদিকতাকে উৎসাহিত করা এবং সাংবাদিকদের নিয়োগ ও ছাঁটাইয়ের ক্ষেত্রে সুস্পষ্ট নীতিমালা নিশ্চিত করা প্রয়োজন। দৈনিক গ্রামের কাগজ পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক মবিনুল ইসলাম মবিন স্বাধীন গণমাধ্যম কমিশন গঠনের ব্যাপারে আশাবাদ প্রকাশ করেন। কমিশন গঠনে জনমত তৈরিতে সবার অংশগ্রহণে এ ধরনের আলোচনা আরও হওয়া প্রয়োজন জানিয়ে তিনি বলেন, বিশেষত জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে কর্মরত সাংবাদিকদের মতামতকেও গুরুত্ব দেওয়া উচিত। সভায় যশোরের স্থানীয় পর্যায়ের সম্পাদক, সাংবাদিক, সাংবাদিক সংগঠনের প্রতিনিধি, শিক্ষক, নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি এবং অন্যান্য অংশীজন অংশ নেন। মতবিনিময় সভায় আরও বক্তব্য রাখেন একরাম-উদ-দ্দৌলা, সম্পাদক, দৈনিক কল্যাণ, যশোর; সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু, সভাপতি, যশোর আইনজীবী সমিতি; ফকির শওকত, সাবেক সভাপতি, প্রেস ক্লাব, যশোর; শাহিন ইকবাল, সাবেক অধ্যক্ষ, উপশহর ডিগ্রী কলেজ, যশোর; আহসান কবির বাবু, সম্পাদক, দৈনিক সুবর্ণভূমি, যশোর; ফারাজি আহমেদ সাঈদ বুলবুল, সাবেক সভাপতি, যশোর সাংবাদিক ইউনিয়ন; আমিনুর রহমান মামুন, ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক, দৈনিক সমাজের কথা, যশোর; সাজেদ রহমান বকুল, সভাপতি, যশোর সাংবাদিক ইউনিয়ন; এসএম তৌহিদুর রহমান, সাবেক সাধারণ সম্পাদক, প্রেসক্লাব যশোর; আকরামুজ্জামান আকরাম, সভাপতি, সাংবাদিক ইউনিয়ন যশোর; শেখ দীনু আহমেদ, সভাপতি, জেলা সাংবাদিক ইউনিয়ন যশোর; এলিন সাঈদ-উর রহমান, সহকারী পরিচালক, জেলা তথ্য অফিস, যশোর; বিথীকা সরকার, ব্যবস্থাপক, আইইডি, যশোর; এবং হাবিবা শেফা, সাবেক সভাপতি, বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ, যশোর। এমকেআর
হঠাৎই চারদিক দিয়ে তুমুলবেগে ধেয়ে আসছে কাদা পানির স্রোত। তীব্র গতিতে ধেয়ে আসা পানির তাণ্ডবে ভেসে যাচ্ছে বাড়ি, গাড়িসহ সব কিছু। ভেঙে পড়েছে আশপাশের বাড়িঘর। এর মধ্যেই হালকা সবুজ রঙয়ের একটি বাড়ির বেলকনিতে দাঁড়িয়ে রয়েছেন একটি পরিবারের কয়েকজন সদস্য।
বাংলাদেশে বিদ্যুতের দাম ধারাবাহিকভাবে বাড়ছে, বাড়ছে লোডশেডিংও। এমন প্রেক্ষাপটে ২০৩০ সালের মধ্যে মোট উৎপাদিত বিদ্যুতের ২০ শতাংশ নবায়নযোগ্য জ্বালানি থেকে উৎপাদনের লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে। এ নিয়ে সরকার যে নীতি প্রণয়ন করেছে সেটি কতটা বাস্তবসম্মত, কী বলছেন বিশেষজ্ঞরা?
নেপালে আকস্মিক বন্যার চতুর্থ দিনের মতো জীবিতদের সন্ধানে উদ্ধার অভিযান চলছে। যদিও সেখানে বৃষ্টিপাত শুরু হয়েছে, যা নতুন করে বন্যার আশঙ্কা তৈরি করেছে। এখন পর্যন্ত ওই বিপর্যয়ে মৃত্যুর সংখ্যা ৬২৬ জনে দাঁড়িয়েছে। এই সংখ্যা আরো বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
পর্যবেক্ষকরা বলছেন সরকার চলমান লোডশেডিংয়ের ভোগান্তি লাঘবে দ্রুত কার্যকর কোনো সমাধান বের করতে পারেনি। বর্তমান সক্ষমতা দিয়েই অতীতে বিদ্যুৎ পরিস্থিতি লোডশেডিং সহনীয় পর্যায়ে ছিল। এমনকি অন্তবর্তী সরকারের সময়ে পরিস্থিতি এত খারাপ হয়নি।
কবির প্রয়াণের পর তার মরদেহ দাফন করার জন্য জন্মস্থান চুরুলিয়ায় নিয়ে আসা যায়নি এবং ভারত ও বাংলাদেশ সরকারের মধ্যে রাষ্ট্রীয় স্তরেও বিষয়টি নিয়ে কোনো আলোচনা হয়নি। কবির পরিবারের বেশিরভাগ সদস্য তখন কলকাতায় বা আসানসোলের কাছাকাছি থাকতেন, তাদের ইচ্ছা ছিল চুরুলিয়ার জন্মভিটেয় স্ত্রী প্রমীলা দেবীর কবরের পাশেই কবিকে সমাহিত করা হোক।
ভেনেজুয়েলার কাছে বিশ্বের সবচেয়ে বড় প্রমাণিত তেল মজুত রয়েছে, যার পরিমাণ আনুমানিক ৩০৩ বিলিয়ন ব্যারেল। গত তেসরা জানুয়ারি, মার্কিন বিশেষ বাহিনীর এক অভিযানে দেশটির প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো এবং তার স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেসকে আটক করে যুক্তরাষ্ট্রে নিয়ে যাওয়া হয়।
<h1>শেরপুর-৩ আসনের জামায়াত প্রার্থী মারা গেছেন</h1> <span><span>rakibul.haque@…</span></span> <span><time datetime="2026-02-04T08:43:57+06:00" title="Wednesday, February 4, 2026 - 08:43">Wed, 02/04/2026 - 08:43</time> </span> <div> <div> <div> <div> <div> <div> <div> <div> <h2> পড়তে পারেন </h2> <div> <div> <div> <h5> <a href="https://bangla.thedailystar.net/news/bangladesh/crime-justice/news-3956651"> ছিনতাইকারীর টানে পড়ে মৃত্যু: চিকিৎসার জন্য ভোরে ঢাকায় পৌঁছান, রাতেই ফেরার পরিকল্পনা ছিল রনজিনার </a> </h5> <div> <span> ১ ঘণ্টা আগে </span> <span> <span></span> অপরাধ ও বিচার </span> </div> </div> </div> <div> <div> <h5> <a href="https://bangla.thedailystar.net/business/news-3956646"> সিআইপি হলে কী সুবিধা, কারা হতে পারবেন, কারা পারবেন না </a> </h5> <div> <span> ২ ঘণ্টা আগে </span> <span> <span></span> বাণিজ্য </span> </div> </div> </div> <div> <div> <h5> <a href="https://bangla.thedailystar.net/news/bangladesh/news-3956656"> ঢাকার যানজট নিরসনে যে ৭ নির্দেশনা দিলেন প্রধানমন্ত্রী </a> </h5> <div> <span> ১ ঘণ্টা আগে </span> <span> <span></span> বাংলাদেশ </span> </div> </div> </div> <div> <div> <h5> <a href="https://bangla.thedailystar.net/international/news-3956671"> নেপাল-তিব্বতে বন্যায় মৃত বেড়ে ৬৮২, আরও যা জানা গেল </a> </h5> <div> <span> ৩৮ মিনিট আগে </span> <span> <span></span> আন্তর্জাতিক </span> </div> </div> </div> <div> <div> <h5> <a href="https://bangla.thedailystar.net/news/bangladesh/news-3956676"> খেলনা বন্দুক হাতে ভিডিও, নারায়ণগঞ্জের সেই ২ তরুণ কারাগারে </a> </h5> <div> <span> ৩৮ মিনিট আগে </span> <span> <span></span> বাংলাদেশ </span> </div> </div> </div> </div> </div> </div> </div> </div> <div> <div> <div> </div> </div> </div> <div> <div> <div> </div> </div> </div> </div> <div> <div> <h1>শেরপুর-৩ আসনের জামায়াত প্রার্থী মারা গেছেন</h1> </div> <div> <span><p><strong>শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী-ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াতে ইসলামের সংসদ সদস্য প্রার্থী মো. নুরুজ্জামান বাদল (৫১) কিডনি জটিলতায় মারা গেছেন।</strong></p><div><div> </div> </div><p>গতকাল মঙ্গলবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে ময়মনসিংহের স্বদেশ হাসপাতালে নেওয়ার সময় মারা যান তিনি।</p><p>মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মাওলানা হাফিজুর রহমান ও মৃতের ভাই মাসুদ রানা। এ ছাড়া জামায়াতের ফেসবুক পেজেও বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।</p><div></div><p>মাসুদ জানান, শেরপুর-৩ আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী, জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মো. নুরুজ্জামান বাদল দীর্ঘদিন কিডনি জটিলতায় ভুগছিলেন।</p><div><div> </div> </div><p>মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে তার তীব্র শ্বাসকষ্ট শুরু হলে প্রথমে তাকে শ্রীবরদী উপজেলা হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহে নেওয়া হলে রাত ৩টার দিকে স্বদেশ হাসপাতালে প্রবেশ করানোর সময় তার মৃত্যু ঘটে।</p><div><div> </div> </div><div><div> </div> </div></span> </div> </div> <div> <div> <div> <div> </div> </div> </div> <div> <div> <div> </div> </div> </div> </div> </div> </div> </div> <div> <div> </div> </div>
শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা। ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে। সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।” জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর। সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।
বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে। চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে। দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।
কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন