জাতীয়

রাজাউল্লাহর ব্যাটে ইংল্যান্ডকে ১৩০ রানের লক্ষ্য দিলো পাকিস্তান

News সেপ্টেম্বর ১২, ২০২৬ 0
রাজাউল্লাহর ব্যাটে ইংল্যান্ডকে ১৩০ রানের লক্ষ্য দিলো পাকিস্তান
রাজাউল্লাহর ব্যাটে ইংল্যান্ডকে ১৩০ রানের লক্ষ্য দিলো পাকিস্তান

টানা দুই টেস্টে হেরে স্কোয়াডের ৭ ক্রিকেটারকে বদলে ফেলে পাকিস্তান। এরপরও তৃতীয় ও শেষ টেস্টেও শঙ্কা জাগে ইনিংস পরাজয়ের। তবে সেই ঝুঁকি এড়িয়েছে সফরকারীরা অভিষিক্ত রাজাউল্লাহর ব্যাটে। ফলো-অন এড়ানোর পর লিডও নিয়েছে পাকিস্তান। দ্বিতীয় ইনিংসে ৪৪৯ রানে অলআউট হয়ে ইংল্যান্ডকে লক্ষ্য দিয়েছে ১৩০ রানের।

গতকাল শুক্রবার এজবাস্টনে তৃতীয় টেস্টের তৃতীয় দিনের খেলায় চার অর্ধশতকে ইনিংস হারের বিপদ দূর করে পাকিস্তান। আজান আওয়াইজ, শান মাসুদ, বাবর আজম ও অভিষিক্ত রাজাউল্লাহ দেখা পান ফিফটির।

তবে শতকের খুব কাছাকাছি গিয়েও ৫ রানের জন্য মিস করেছেন শান মাসুদ। আউট হয়েছেন ৯৫ রানে। অ্যাটকিনসনের বলে আউট হওয়ার আগে আজান ও বাবরের সঙ্গে গড়েন ১২৫ ও ৮৯ রানের জুটি।

আজান ৫৯ করে ফিরলে তৃতীয় উইকেট হারায় পাকিস্তান। এরপর আউট হন শান মাসুদ। তবে হাল ধরে রেখেছিলেন অধিনায়ক বাবর আজম। কিন্তু তিনিও শেষ পর্যন্ত কাটা পড়েন জশ টাঙের বলে ৭৬ রানে।

এরপরও লেজের ব্যাটাররা লড়াই চালিয়ে যান। অভিষিক্ত রাজাউল্লাহ ও মোহাম্মদ আব্বাদ মিলে গড়েন ১২১ রানের জুটি। ৪২ রান করা আব্বাসের বিদায়ে নবম উইকেটের পতন হয়।

তবে সবাইকে অবাক করে দেয় রাজাউল্লাহর ব্যাটিং। ৮১ রান করেন তিনি ড্যান লরেন্সের বলে। ৪৪৯ রানে অলআউট হওয়া পাকিস্তান লিড নেয় ১২৯ রানের। এরপরই শেষ হয় পাকিস্তানের দ্বিতীয় ইনিংস। ফলে ইংল্যান্ডের সামনে চতুর্থ দিন টেস্ট জিততে লক্ষ্য ১৩০ রান।

ইংলিশদের হয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে সর্বোচ্চ ৩ উইকেট নিয়েছেন অ্যাটকিনসন। সমান দুটি করে রবিনসন, টাঙ ও লরেন্স। একটি আর্চার।

আইএন

Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

ব্যাটিং বিপর্যয়ে দিন শুরু, লড়াইয়ে ফিরতে মরিয়া টাইগাররা

কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন

জাতীয়

View more
স্মৃতি কুড়োলেন প্রিয়ন্তী
স্মৃতি কুড়োলেন প্রিয়ন্তী

আইফেল টাওয়ারের সামনে হাস্যোজ্জ্বল ছবি। ক্যাপশনে লেখা, ‘প্রিয়ন্তী ইন প্যারিস! হা হা হা।’ ৯ সেপ্টেম্বর ছবিগুলো ফেসবুকে পোস্ট করেন অভিনেত্রী প্রিয়ন্তী ঊর্বী। তবে তাঁর ইউরোপ সফর প্যারিসেই সীমাবদ্ধ ছিল না। জীবনের প্রথম ইউরোপযাত্রায় প্রায় ৪৫ দিনে ঘুরেছেন পাঁচটির বেশি দেশ। কখনো নেদারল্যান্ডসের ছবির মতো গ্রাম, কখনো বেলজিয়ামের ঐতিহাসিক স্থাপনা, কখনো স্বামীর সঙ্গে হেঁটে দেখেছেন জার্মানির শহর। সুইজারল্যান্ডের পাহাড়ি সৌন্দর্য দেখে মনে হয়েছে, পৃথিবীর এক টুকরো স্বর্গে এসে পড়েছেন! প্রিয়ন্তী এখন নেদারল্যান্ডসে, আগামী শুক্রবার দেশে ফিরবেন। গতকাল শুক্রবার দুপুরে হোয়াটসঅ্যাপে প্রথম আলোকে তিনি বলেন, ‘এবারের ইউরোপ সফর আমার জন্য একেবারেই অন্য রকম। প্রথমবার ইউরোপে এসে প্রায় ৪৫ দিনে পাঁচ-ছয়টি দেশ ঘুরেছি। আমার পরিবারও এখানে থাকে। তাঁদের সঙ্গে সময় কাটানো, নতুন জায়গা দেখা এবং নিজের মতো কিছুদিন থাকার ইচ্ছা থেকেই এত লম্বা সফর।’তাঁর ইউরোপযাত্রা শুরু হয় নেদারল্যান্ডস দিয়ে। আমস্টারডাম, জ্যানসে স্কানস, রটারডাম, দ্য হেগ, গিথুর্ন, হোক ভ্যান হল্যান্ডসহ বেশ কয়েকটি জায়গা ঘুরেছেন।সমুদ্র বরাবরই টানে প্রিয়ন্তীকে। তাই হোক ভ্যান হল্যান্ডে গিয়ে ছুটেছেন সমুদ্রের কাছে। তিনি বলেন, ‘সেখানে সমুদ্র আর আকাশের মেলবন্ধন দারুণ লেগেছে। আমি সমুদ্র খুব ভালোবাসি, সুযোগ পেলেই তার কাছে চলে যাই।’ নেদারল্যান্ডস থেকে বেলজিয়ামে যান প্রিয়ন্তী। ব্রাসেলস ও গেন্ট ঘুরে মুগ্ধ হয়েছেন দেশটির স্থাপত্যে। দেখেছেন ব্রাসেলসের প্যালেস অব জাস্টিসসহ বিভিন্ন ঐতিহাসিক স্থাপনা। ভালো লেগেছে গেন্টের শান্ত পরিবেশও। চেখে দেখেছেন বেলজিয়ান চকলেট ও ওয়াফল।প্রিয়ন্তী বলেন, ‘কোনো দেশে গেলে শুধু দর্শনীয় জায়গা দেখি না, স্থানীয় খাবারের স্বাদও নিতে চাই। কারণ, খাবারের মধ্য দিয়েও একটি দেশের সংস্কৃতিকে কাছ থেকে জানা যায়।’এরপর তাঁর গন্তব্য ছিল ফ্রান্স। প্যারিস ও ডিজনিল্যান্ড প্যারিস ঘুরেছেন। আইফেল টাওয়ারের সামনে ছবি তোলার অভিজ্ঞতা তাঁর কাছে ছিল বিশেষ। হাসতে হাসতে বললেন, ‘আইফেল টাওয়ারকে কি আর এড়িয়ে যাওয়া যায়! প্যারিস যেন নিজের মতো করেই ডাকছিল। ভাষাগত কিছুটা সমস্যা হলেও শহরটির শিল্প, স্থাপত্য ও পরিবেশ আমাকে মুগ্ধ করেছে।’ ডিজনিল্যান্ডে কাটানো দিনটিকে মনে হয়েছে আনন্দময় ও জাদুকরি।জার্মানির বার্লিন, ব্ল্যাক ফরেস্ট, লান্ডাউসহ বেশ কয়েকটি জায়গায় ঘুরেছেন প্রিয়ন্তী। বার্লিনে স্বামীর সঙ্গে দীর্ঘ সময় হেঁটেছেন। পাশাপাশি হাঁটতে হাঁটতে শহর দেখা ও গল্প করার মুহূর্তগুলো তাঁর কাছে সফরের অন্যতম সুন্দর স্মৃতি। প্রিয়ন্তী বলেন, ‘অনেক হেঁটেছি, শহর দেখেছি, একসঙ্গে সময় কাটিয়েছি। ব্ল্যাক ফরেস্টের প্রকৃতিও মনে রাখার মতো।’প্যারিসে প্রিয়ন্তী উর্বী। অভিনেত্রীর ফেসুবক থেকে প্রকৃতির সৌন্দর্যে তাঁকে সবচেয়ে বেশি বিস্মিত করেছে সুইজারল্যান্ড। ইন্টারলাকেন ও গ্রিন্ডেলওয়ার্ল্ড ঘুরে তাঁর মনে হয়েছে, প্রকৃতি এখানে নিজের হাতে ছবি এঁকেছে। প্রিয়ন্তীর ভাষ্যে, ‘ইন্টারলাকেন যেন পৃথিবীর এক টুকরো স্বর্গ। পাহাড়, সবুজ আর চারপাশের সৌন্দর্য দেখে শুধু মুগ্ধ হয়েছি।’প্রিয়ন্তীর প্রথম বিদেশভ্রমণ ২০১৬ সালে, ভারতে। তখন তিনি দশম শ্রেণির ছাত্রী। সেটিই ছিল তাঁর প্রথম বিমানভ্রমণ। তিনি বলেন, ‘তখন মনে হতো, বিদেশের সব দেশই হয়তো ভারতের মতো। পরে যত জায়গায় গিয়েছি, বুঝেছি প্রতিটি দেশের আলাদা সৌন্দর্য, সংস্কৃতি ও জীবনযাপন আছে।’এবারের সফরে নতুন জায়গা দেখার পাশাপাশি স্থানীয় খাবার খেয়েছেন, কেনাকাটা করেছেন, প্রকৃতির সান্নিধ্যে থেকেছেন এবং পরিবারের সঙ্গে সময় কাটিয়েছেন। তবে সবচেয়ে আনন্দের ছিল প্রিয় মানুষটির সঙ্গ। প্রিয়ন্তী বলেন, ‘ইউরোপ যত সুন্দরই হোক, সফরের সবচেয়ে প্রিয় অংশ ছিল ভ্রমণসঙ্গীর পাশে থাকা। নতুন জায়গাগুলো চিনেছি, আর তাঁর সঙ্গে কাটানো মুহূর্তগুলো হয়ে উঠেছে আরও সুন্দর স্মৃতি।’‘প্রিয়ন্তী ইন প্যারিস’দেশের বাইরে থাকলেও নিজের কাজের খোঁজ রাখছেন অভিনেত্রী। ৩ সেপ্টেম্বর মুক্তি পেয়েছে তাঁর অভিনীত নাটক ‘দাদি ভয়ংকর’। নাটকটি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা হচ্ছে। প্রিয়ন্তী নিজেও সে নাটকের খবর দিয়েছেন ফেসবুকে।সামনে প্রিয়ন্তীকে দেখা যাবে ‘বকুলের বুকে রক্তকরবী’ সিনেমায়। গানের ভিডিও ও বিজ্ঞাপনচিত্র নির্মাণ করে পরিচিতি পাওয়া শাহরিয়ার পলকের প্রথম চলচ্চিত্র এটি। কেন্দ্রীয় দুই চরিত্রে অভিনয় করেছেন মীর রাব্বী ও প্রিয়ন্তী। ছবিতে ‘বকুল’ চরিত্রে দেখা যাবে তাঁকে।

News সেপ্টেম্বর ১২, ২০২৬ 0
দুই হাজার শিক্ষার্থীর বিদ্যালয়টি চলে সৌরবিদ্যুতে, রয়েছে এসি-কম্পিউটার ও শতাধিক ফ্যান

দুই হাজার শিক্ষার্থীর বিদ্যালয়টি চলে সৌরবিদ্যুতে, রয়েছে এসি-কম্পিউটার ও শতাধিক ফ্যান

বুক চিতিয়ে লড়াই করেও দলকে বাঁচাতে পারলেন না হাসান

বুক চিতিয়ে লড়াই করেও দলকে বাঁচাতে পারলেন না হাসান

ঘরোয়া দোকানে ঘুরে দাঁড়িয়েছেন হাওরপারের অর্পনা

ঘরোয়া দোকানে ঘুরে দাঁড়িয়েছেন হাওরপারের অর্পনা

এক ভিসাতেই ঘোরা যাবে সৌদি-কাতারসহ মধ্যপ্রাচ্যের ৬ দেশ
এক ভিসাতেই ঘোরা যাবে সৌদি-কাতারসহ মধ্যপ্রাচ্যের ৬ দেশ

ইউরোপের শেনজেন ভিসার আদলে মধ্যপ্রাচ্যের উপসাগরীয় অঞ্চলে চালু হতে যাচ্ছে ‘জিসিসি গ্র্যান্ড ট্যুরিস্ট ভিসা’। এটি চালু হলে একটি ভিসা নিয়েই উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদের (জিসিসি) ছয় সদস্য দেশ- সংযুক্ত আরব আমিরাত, সৌদি আরব, বাহরাইন, কাতার, ওমান ও কুয়েত ভ্রমণ করা যাবে। বিশ্লেষকদের মতে, একক পর্যটন ভিসার পরিকল্পনা কেবল পর্যটন খাতের বিকাশেই সীমাবদ্ধ নয়। এর মাধ্যমে জিসিসিভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে অর্থনৈতিক সহযোগিতাও আরও জোরদার হতে পারে। তেলের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে পর্যটন, ব্যবসা ও বিনোদনসহ বিভিন্ন খাতকে অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি হিসেবে গড়ে তুলতে উপসাগরীয় দেশগুলোর যে উদ্যোগ, এই ভিসা তারই অংশ। শেনজেনের আদলে আঞ্চলিক পর্যটন ভিসা চালু ও সফলভাবে বাস্তবায়ন করা গেলে জিসিসি অঞ্চল একটি সমন্বিত পর্যটন গন্তব্য হিসেবে আরও আকর্ষণীয় হয়ে উঠতে পারে। এতে এশিয়াসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের পর্যটকদের মধ্যপ্রাচ্য ভ্রমণের সুযোগ আরও বিস্তৃত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। দুবাইভিত্তিক সংবাদমাধ্যম খালিজ টাইমস -এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ৬ সেপ্টেম্বর সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে অনুষ্ঠিত এক সম্মেলনে জিসিসির মহাসচিব জাসেম মোহামেদ আলবুদাইউই জানান, দীর্ঘদিন ধরে আলোচনায় থাকা এই একক পর্যটন ভিসা চালুর প্রস্তুতি এগিয়ে চলছে। বর্তমানে ছয়টি জিসিসি দেশে ভ্রমণের ক্ষেত্রে অনেক বিদেশি নাগরিককে পৃথক ভিসা প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হয়। নতুন ব্যবস্থা কার্যকর হলে সেই জটিলতা অনেকটাই কমে আসবে। একটি অনুমতিপত্রের মাধ্যমে পুরো জিসিসি অঞ্চলে পর্যটনের সুযোগ তৈরি হবে। এই উদ্যোগের অন্যতম উদ্দেশ্য হলো ছয়টি উপসাগরীয় দেশকে একটি সমন্বিত পর্যটন গন্তব্য হিসেবে তুলে ধরা। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক পর্যটক আকর্ষণ, পর্যটন খাতের আয় বাড়ানো এবং দেশগুলোর মধ্যে ভ্রমণ সহজ করাও এর লক্ষ্য। বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার পর্যটকদের জন্যও প্রস্তাবিত ভিসা ব্যবস্থা গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যের একাধিক দেশে ভ্রমণের ক্ষেত্রে আলাদা ভিসা, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও সময় ব্যবস্থাপনার বিষয়টি পর্যটকদের জন্য বাড়তি জটিলতা তৈরি করে। নতুন ব্যবস্থা চালু হলে একই সফরে সংযুক্ত আরব আমিরাতের আধুনিক নগরজীবন, সৌদি আরবের ধর্মীয় ও ঐতিহাসিক স্থান, কাতারের পর্যটন আকর্ষণ এবং ওমানের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য দেখার সুযোগ সহজ হতে পারে। তবে ‘জিসিসি গ্র্যান্ড ট্যুরিস্ট ভিসা’র আবেদন প্রক্রিয়া, ফি, অবস্থানের মেয়াদ এবং কোন দেশের নাগরিকরা কী শর্তে আবেদন করতে পারবেন- এসব বিষয়ে এখনো বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ পরবর্তী সময়ে এ বিষয়ে নিয়ম ও নির্দেশনা জানাবে বলে আশা করা হচ্ছে। সূত্র: খালিজ টাইমস এসএএইচ

News সেপ্টেম্বর ১২, ২০২৬ 0
হার্ডিঞ্জ ব্রিজের পিলারে পিকনিকের নৌকার ধাক্কা, একজন নিখোঁজ

হার্ডিঞ্জ ব্রিজের পিলারে পিকনিকের নৌকার ধাক্কা, একজন নিখোঁজ

২০৩০ সালের মধ্যে এআইয়ের দখলে যাচ্ছে মালয়েশিয়া

২০৩০ সালের মধ্যে এআইয়ের দখলে যাচ্ছে মালয়েশিয়া

বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ, সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সংকেত

বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ, সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সংকেত

ব্রিকস সম্মেলনে নজর কাড়ছে চীনা প্রেসিডেন্টের সুসজ্জিত লিমোজিন, কী আছে এতে
ব্রিকস সম্মেলনে নজর কাড়ছে চীনা প্রেসিডেন্টের সুসজ্জিত লিমোজিন, কী আছে এতে

ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে আজ শনিবার বসছে ১৮তম ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলন। দুই দিনের এ সম্মেলনে দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আমন্ত্রণে আরও কয়েকজন বিশ্বনেতার সঙ্গে চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংও যোগ দিচ্ছেন। এ সফর ঘিরে ভূরাজনৈতিক আলোচনার পাশাপাশি নজর কাড়ছে তাঁর সরকারি গাড়িটি। বাইরে থেকে দেখতে এটি এক রাজকীয় লিমোজিন। তবে ভেতরে এটি এক সামরিক দুর্গ। গাড়িটির নাম ‘হংছি এন৭০১’।লাল পতাকা’র ঐতিহ্যচীনা ভাষায় ‘হংছি’ শব্দের অর্থ ‘লাল পতাকা’। এটি দেশটির কমিউনিস্ট পার্টির আভিজাত্য ও ঐতিহ্যের প্রতীক। গাড়িটি তৈরি করেছে চীনের প্রাচীনতম রাষ্ট্রায়ত্ত গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ‘এফএডব্লিউ গ্রুপ’। ১৯৫৮ সাল থেকে চীনের শীর্ষ নেতৃত্বের জন্য এ ব্র্যান্ড গাড়ি তৈরি করছে।আগে বিদেশ সফরে চীনা নেতারা আয়োজক দেশের দেওয়া গাড়ি ব্যবহার করতেন। সি চিন পিং সেই প্রথা ভেঙেছেন। মার্কিন প্রেসিডেন্টের ‘দ্য বিস্ট’-এর মতো এখন তিনি যেখানেই যান, নিজস্ব সাঁজোয়া গাড়ি বিমানে করে সঙ্গে নিয়ে যান। এর আগে রাশিয়া, যুক্তরাষ্ট্র ও মিসর সফরেও এ গাড়ি ব্যবহার করেছেন তিনি।আগে বিদেশ সফরে চীনা নেতারা আয়োজক দেশের দেওয়া গাড়ি ব্যবহার করতেন। সি চিন পিং সেই প্রথা ভেঙেছেন। মার্কিন প্রেসিডেন্টের ‘দ্য বিস্ট’-এর মতো এখন তিনি যেখানেই যান, নিজস্ব সাঁজোয়া গাড়ি বিমানে করে সঙ্গে নিয়ে যান। এর আগে রাশিয়া, যুক্তরাষ্ট্র ও মিসর সফরেও এ গাড়ি ব্যবহার করেছেন তিনি।আক্রমণ প্রতিরোধী বর্মপ্রায় ১৮ ফুট দীর্ঘ এ লিমোজিনের বিস্তারিত প্রযুক্তি ভীষণভাবে গোপনীয় রয়েছে। এর বাইরের কাঠামো তৈরিতে ব্যবহার করা হয়েছে সামরিক গ্রেডের পুরু আর্মার প্লেট।এ ছাড়া গাড়িটিতে রয়েছে ২১ ইঞ্চির বিশেষ ‘রান-ফ্ল্যাট’ চাকা। গুলিতে টায়ার ছিন্নভিন্ন হয়ে গেলেও গাড়িটি তীব্র গতিতে নিরাপদ আশ্রয়ে ছুটে যেতে সক্ষম।জানালার কাচগুলো শতভাগ বুলেটপ্রুফ। ভারী অ্যাসল্ট রাইফেলের সরাসরি গুলি বা স্নাইপারের আঘাতও এই কাচ ভেদ করতে পারে না।গাড়ির পাটাতন এমনভাবে তৈরি, যাতে রাস্তার নিচে পেতে রাখা মাইন বা ইমপ্রোভাইজড এক্সপ্লোসিভ ডিভাইস (আইইডি) বিস্ফোরিত হলেও আরোহী অক্ষত থাকেন।বিষাক্ত গ্যাস ও চাকার সুরক্ষাগাড়ির কেবিনে রয়েছে স্বয়ংক্রিয় বায়ু পরিশোধন ব্যবস্থা। ফলে বাইরে কোনো রাসায়নিক বা বিষাক্ত গ্যাস হামলা হলেও কেবিনে বাইরের হাওয়া ঢুকতে পারে না। সার্বক্ষণিক কৃত্রিম অক্সিজেন সরবরাহ চালু থাকে।বিশ্বমঞ্চে স্বদেশের তৈরি এমন দুর্ভেদ্য বাহন নিয়ে চীনা প্রেসিডেন্টের হাজির হওয়ার পেছনে রয়েছে গভীর কূটনৈতিক বার্তা। সি চিন পিং এর মাধ্যমে বিশ্বকে দেখিয়ে দিচ্ছেন—চীন এখন আর কারও প্রযুক্তির ওপর নির্ভরশীল নয়, বরং তারা নিজেরাই এক স্বয়ংসম্পূর্ণ পরাশক্তি।এ ছাড়া গাড়িটিতে রয়েছে ২১ ইঞ্চির বিশেষ ‘রান-ফ্ল্যাট’ চাকা। গুলিতে টায়ার ছিন্নভিন্ন হয়ে গেলেও গাড়িটি তীব্র গতিতে নিরাপদ আশ্রয়ে ছুটে যেতে সক্ষম।ইঞ্জিন ক্ষমতা ও রাজনৈতিক বার্তাকয়েক টন ওজনের এ গাড়িকে দ্রুতগতিতে ছুটিয়ে নিতে এতে ব্যবহার করা হয়েছে শক্তিশালী ভি-১২ ইঞ্জিন। ফলে এটি প্রায় ৪০৮ হর্সপাওয়ার তৈরি করতে পারে।চীনে আগামী এক দশকে এ মডেলের মাত্র ৫০টির মতো গাড়ি তৈরি করা হবে, যা শুধু শীর্ষ পর্যায়ের রাষ্ট্রীয় কাজে ব্যবহার করা হবে।বিশ্বমঞ্চে স্বদেশের তৈরি এমন দুর্ভেদ্য বাহন নিয়ে চীনা প্রেসিডেন্টের হাজির হওয়ার পেছনে রয়েছে গভীর কূটনৈতিক বার্তা। সি চিন পিং এর মাধ্যমে বিশ্বকে দেখিয়ে দিচ্ছেন—চীন এখন আর কারও প্রযুক্তির ওপর নির্ভরশীল নয়, বরং তারা নিজেরাই এক স্বয়ংসম্পূর্ণ পরাশক্তি।

News সেপ্টেম্বর ১২, ২০২৬ 0
কালো লেসের আবেদনে রাখঢাকহীন তৃণা

কালো লেসের আবেদনে রাখঢাকহীন তৃণা

মিষ্টিতে পোকা দেখিয়ে দোকানির কাছে আইফোন দাবি কনটেন্ট ক্রিয়েটর দম্পতির

মিষ্টিতে পোকা দেখিয়ে দোকানির কাছে আইফোন দাবি কনটেন্ট ক্রিয়েটর দম্পতির

মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি শ্রমিকদের অধিকার সুরক্ষায় বিশেষ জোর

মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি শ্রমিকদের অধিকার সুরক্ষায় বিশেষ জোর

0 Comments