জাতীয়

ভুল লেখার কারণে শিক্ষিকার মারধরে অজ্ঞান দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী

News সেপ্টেম্বর ১১, ২০২৬ 0
ভুল লেখার কারণে শিক্ষিকার মারধরে অজ্ঞান দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী
ভুল লেখার কারণে শিক্ষিকার মারধরে অজ্ঞান দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগনায় ঘটেছে এক মর্মান্তিক ঘটনা। সেখানে এক স্কুলে ক্লাস চলাকালীন শিক্ষিকার মারধরে দ্বিতীয় শ্রেণির এক ছাত্রের অজ্ঞান হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত শিক্ষিকাকে আটক করেছে পুলিশ।

উত্তর ২৪ পরগনার বিরাটির স্কুলে ক্লাস চলাকালীন হওয়া এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ওই শিক্ষিকাকে আটকের দাবি জানিয়ে বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) স্থানীয় নিমতা থানার সামনে বিক্ষোভ করেন স্কুলের শিক্ষার্থীদের অভিভাবকরা। এরপরই তাকে আটক করা হয়। খবর আনন্দবাজার পত্রিকার।

জানা গেছে, বুধবার বিরাটি ইউপি স্কুলে ক্লাস চলাকালীন দ্বিতীয় শ্রেণির এক ছাত্রকে মারধর করেন ওই শিক্ষিকা। ছাত্রের পরিবারের দাবি, মারধরের পরই অসুস্থ হয়ে পড়ে এবং স্কুলেই জ্ঞান হারায় শিশুটি। ঘটনার পরপরই নিমতা থানায় অভিযোগ দায়ের করে শিশুটির পরিবার। এরপর বৃহস্পতিবার স্কুলের অন্যান্য শিক্ষার্থীর অভিভাবকরা অভিযুক্ত শিক্ষিকার শাস্তির দাবিতে থানায় এসে বিক্ষোভ করেন। স্কুলে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা জরুরি বলে তারা অভিযুক্ত শিক্ষিকার বিরুদ্ধে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।

পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্ত ওই ইংরেজির শিক্ষিকাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। ওই শিক্ষিকার বিরুদ্ধে আগেও কয়েকজন শিক্ষার্থীকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে বলে দাবি করেন অভিভাবকরা। আরও অভিযোগ আছে- এর আগে নাকি তিনি বাচ্চাদের দিয়ে নিজের হাত-পা টিপিয়েছেন। তবে, ওই স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা জানান, এ ধরনের ঘটনায় তার কাছে আগে কখনো অভিযোগ আসেনি। তিনি এ বিষয়ে স্কুল শিক্ষা দফতরে ওই শিক্ষিকার বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দেবেন।

এদিকে, ভুক্তভোগী ছাত্রের মা জানান, ওইদিন সাড়ে ৮টার দিকে তার কাছে ফোন আসে-ছেলে অসুস্থ হয়ে পড়েছে। তিনি জানতে পারেন, ইংরেজি ক্লাসে ছেলে কিছু ভুল করে, যার পরিপ্রেক্ষিতে রেগে যান শিক্ষিকা। প্রথমে তার ছেলের দুই গালে চড় মারা হয়। তার পরে ঘাড়েও আঘাত করা হয় বলে অভিযোগ।

এ ঘটনার তদন্ত চলমান রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

এএমএ

Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

ব্যাটিং বিপর্যয়ে দিন শুরু, লড়াইয়ে ফিরতে মরিয়া টাইগাররা

কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন

জাতীয়

View more
উষ্ণতম মাস ছিল আগস্ট, চরম বিপদের মুখে পৃথিবী
উষ্ণতম মাস ছিল আগস্ট, চরম বিপদের মুখে পৃথিবী

জলবায়ু পরিবর্তনের ভয়ংকর রূপ দেখছে বিশ্ববাসী। ইউরোপীয় ইউনিয়নের কোপার্নিকাস ক্লাইমেট চেঞ্জ সার্ভিসের (সিথ্রিএস) তথ্যমতে, গত আগস্ট মাস এযাবৎকালে বিজ্ঞানীদের রেকর্ড করা মাসগুলোর মধ্যে সবচেয়ে উষ্ণতম ছিল। প্রশান্ত মহাসাগরে এল নিনোর প্রভাবে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠছে।কোপার্নিকাস ক্লাইমেট চেঞ্জ সার্ভিসের তথ্য অনুযায়ী, গত আগস্টে বিশ্বজুড়ে গড় তাপমাত্রা ছিল ১৬.৯৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা ৬২.৫২ ডিগ্রি ফারেনহাইট। এর আগে ২০২৩ সালের জুলাই মাসে সর্বোচ্চ ১৬.৯৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিল। সেই রেকর্ড ভেঙে আগস্ট মাস নতুন ইতিহাস গড়েছে। এ ছাড়া সমুদ্রপৃষ্ঠের গড় তাপমাত্রাও রেকর্ড পর্যায়ে পৌঁছেছে।ইউরোপীয় কেন্দ্র ফর মিডিয়াম-রেঞ্জ ওয়েদার ফোরকাস্টের জলবায়ুবিষয়ক প্রধান সামান্থা বার্গেস জানান, আগস্ট মাস বৈশ্বিক জলবায়ু রেকর্ডে একটি উল্লেখযোগ্য মাস ছিল। প্রাক্‌-শিল্পযুগের তুলনায় এ সময় বৈশ্বিক তাপমাত্রা ১.৬৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস ওপরে পৌঁছে যায়। পশ্চিম ইউরোপে রেকর্ড ভাঙা তাপপ্রবাহের পাশাপাশি সমুদ্রের পানিও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। এর ফলে পরিবেশের ওপর চরম নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে।গত আগস্টে বৈশ্বিক গড় ভূপৃষ্ঠের বায়ুর তাপমাত্রা ১৯৯১ থেকে ২০২০ সালের গড়ের তুলনায় শূন্য দশমিক ৮৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি ছিল। প্রাক্‌-শিল্পযুগের ১৮৫০ থেকে ১৯০০ সালের অনুমানের তুলনায় এটি ১.৬৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি। ২০২৫ সালের নভেম্বর মাসের পর এই প্রথম তাপমাত্রা ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের সীমা অতিক্রম করল। ইউরোপজুড়ে তীব্র তাপপ্রবাহের পাশাপাশি ফ্রান্স, যুক্তরাজ্য, হাঙ্গেরি, রোমানিয়া ও সার্বিয়ায় ভয়াবহ খরা দেখা দেয়।সমুদ্রের পৃষ্ঠের তাপমাত্রা ২১ দশমিক শূন্য ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছায়। ২০২৩ সালে যা ছিল ২০.৯৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গ্রীষ্মমণ্ডলীয় প্রশান্ত মহাসাগরে সমুদ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রা অত্যন্ত বেশি থাকায় এল নিনো আরও শক্তিশালী হচ্ছে। বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা বা ডব্লিউএমও সতর্ক করে জানিয়েছে, এল নিনো পরিস্থিতি দ্রুত শক্তিশালী রূপ নিচ্ছে। এল নিনোর প্রভাবে বিশ্বজুড়ে তাপমাত্রা ও বৃষ্টিপাতে ব্যাপক পরিবর্তন আসবে। এ কারণে বন্যা, খরা এবং চরম তাপপ্রবাহের মতো দুর্যোগ বাড়বে। আগামী ফেব্রুয়ারি মাস পর্যন্ত এল নিনোর প্রভাব অব্যাহত থাকার শতভাগ সম্ভাবনা রয়েছে। জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের তথ্যমতে, আমাদের গ্রহটি এখন এমন এক অজানা বিপদের মুখে রয়েছে যা উষ্ণ হয়ে উঠছে। জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় জরুরি ভিত্তিতে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। মানুষ ও প্রকৃতিকে রক্ষা করার লড়াইয়ে আমাদের অবশ্যই জয়ী হতে হবে।সূত্র: ডেইলি মেইল

News সেপ্টেম্বর ১১, ২০২৬ 0
পিয়া বিপাশা কাউগার্ল নাকি গ্ল্যামার কুইন, যে সাজে বেশি নজর কাড়লেন

পিয়া বিপাশা কাউগার্ল নাকি গ্ল্যামার কুইন, যে সাজে বেশি নজর কাড়লেন

ইনফান্তিনোকে তলব, সময়সীমা পেরিয়ে গেলেও জবাব দেননি ফিফা সভাপতি

ইনফান্তিনোকে তলব, সময়সীমা পেরিয়ে গেলেও জবাব দেননি ফিফা সভাপতি

সুদের টাকা নিয়ে বিরোধ, বন্ধুকে হত্যার পর মরদেহ লুকাতে সিমেন্টের ঢালাই

সুদের টাকা নিয়ে বিরোধ, বন্ধুকে হত্যার পর মরদেহ লুকাতে সিমেন্টের ঢালাই

দেশে ওয়ালটনের মতো প্রযুক্তিনির্ভর শিল্পের বিকাশ দরকার 
দেশে ওয়ালটনের মতো প্রযুক্তিনির্ভর শিল্পের বিকাশ দরকার 

সমাজকল্যাণমন্ত্রী অধ্যাপক এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেছেন, ফ্রিজ-টেলিভিশনের মতো উচ্চ প্রযুক্তির ইলেকট্রনিকস ও ইলেকট্রিক্যাল পণ্যের পাশাপাশি বিভিন্ন হাই-কনফিগারেশনের ল্যাপটপ ও ট্যাব তৈরি করছে ওয়ালটন। খুচরা যন্ত্রাংশ থেকে শুরু করে সম্পূর্ণ ফিনিশড পণ্য উৎপাদন করছে প্রতিষ্ঠানটি। ওয়ালটন পণ্যের মান ও স্থায়িত্ব যেমন উন্নত, তেমনি দামের দিক থেকেও সাশ্রয়ী। বিপুল কর্মসংস্থান সৃষ্টির পাশাপাশি স্থানীয়ভাবে প্রযুক্তিপণ্য উৎপাদনের মাধ্যমে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রাও সাশ্রয় করছে ওয়ালটন।সমাজকল্যাণমন্ত্রী গত মঙ্গলবার গাজীপুরের চন্দ্রায় ওয়ালটনের হেডকোয়ার্টার তথা সদর দপ্তর পরিদর্শনকালে এ কথা বলেন। সেখানে এসে পৌঁছালে তাঁকে ফুল দিয়ে স্বাগত জানান ওয়ালটন হাইটেক ইন্ডাস্ট্রিজের পরিচালক এস এম রেজাউল আলম এবং এস এম মঞ্জুরুল আলম অভি।এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ওয়ালটন হাইটেক ইন্ডাস্ট্রিজ এ তথ্য জানিয়েছে। এতে বলা হয়, সমাজকল্যাণমন্ত্রী অধ্যাপক এ জেড এম জাহিদ হোসেন সরেজমিনে ওয়ালটনের আন্তর্জাতিক মানের অত্যাধুনিক প্রযুক্তিপণ্যের উৎপাদন কার্যক্রম, সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প এবং পরিবেশবান্ধব উৎপাদনব্যবস্থা দেখেন।এ জেড এম জাহিদ হোসেন ইলেকট্রিক্যাল, ইলেকট্রনিকস ও হাইটেক পণ্য উৎপাদনে বাংলাদেশের অগ্রগতি, প্রযুক্তিগত সক্ষমতা এবং রপ্তানি কার্যক্রম সম্পর্কে ধারণা পেয়ে অভিভূত হন।মন্ত্রী প্রথমে ওয়ালটনের বিভিন্ন পণ্যের উৎপাদনপ্রক্রিয়ার ওপর নির্মিত একটি ডকুমেন্টারি দেখেন। পরে তিনি প্রযুক্তিপণ্যে সুসজ্জিত ডিসপ্লে সেন্টার, অত্যাধুনিক সারফেস মাউন্ট টেকনোলজি (এসএমটি) মেশিনে পিসিবি বা মাদারবোর্ড উৎপাদন কার্যক্রমসহ বিভিন্ন উৎপাদন ইউনিট ঘুরে ঘুরে দেখেন।পরিদর্শন শেষে সমাজকল্যাণমন্ত্রী জানান, ওয়ালটন সম্পর্কে তাঁর ধারণা ছিল মিশ্র। এত দিন তিনি মনে করতেন, প্রতিষ্ঠানটি হয়তো অ্যাসেম্বলিং বা রি-অ্যাসেম্বলিং করে। কারখানা পরিদর্শনের পর সেই ধারণা পুরোপুরি পাল্টে গেছে।

News সেপ্টেম্বর ১১, ২০২৬ 0
তারকা, প্রিমিয়ার আর দর্শকের ভিড়ে জমে উঠেছে টরন্টো

তারকা, প্রিমিয়ার আর দর্শকের ভিড়ে জমে উঠেছে টরন্টো

হারানো নামজারি খতিয়ান তৈরি, ৫ পরিস্থিতিতে করণীয় নির্ধারণ

হারানো নামজারি খতিয়ান তৈরি, ৫ পরিস্থিতিতে করণীয় নির্ধারণ

একই বিদ্যালয়ের ১৩ ছাত্রীর বাল্যবিয়ের চেষ্টা, ইউএনওর হস্তক্ষেপ

একই বিদ্যালয়ের ১৩ ছাত্রীর বাল্যবিয়ের চেষ্টা, ইউএনওর হস্তক্ষেপ

‎জুনিয়র বিশ্বকাপে খেলার আশা শেষ হকির যুবাদের
‎জুনিয়র বিশ্বকাপে খেলার আশা শেষ হকির যুবাদের

আগামী বছর হকির জুনিয়র বিশ্বকাপে খেলতে হলে আজ ছেলেদের জুনিয়র এশিয়া কাপ হকিতে পঞ্চম থেকে অষ্টম স্থান নির্ধারণী ম্যাচে জাপানকে হারাতেই হতো বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-২০ দলকে। সেই ম্যাচে জাপানের সামনে দাঁড়াতেই পারেনি যুবারা। ৬-২ গোলের বড় হারে শেষ হয়ে গেছে বাংলাদেশের জুনিয়র বিশ্বকাপে খেলার আশা।জাপান জেতায় আগামীকাল তাঁরা পঞ্চম থেকে ষষ্ঠ হওয়ার লড়াইয়ে চীনের মুখোমুখি হবে। সেই ম্যাচের জয়ী দল হবে টুর্নামেন্টে পঞ্চম আর পরাজিত দল ষষ্ঠ।‎‎বাংলাদেশের এখন আর মাত্র একটি ম্যাচ বাকি। আগামীকাল সপ্তম থেকে অষ্টম স্থান নির্ধারণী ম্যাচে চায়নিজ তাইপের মুখোমুখি হবে তারা। জিতলে সপ্তম হবে বাংলাদেশ, আর হারলে অষ্টম। বিশ্বকাপে জায়গা করে নেওয়ার সুযোগ হারানো বাংলাদেশ এখন টুর্নামেন্ট শেষ করতে চায় অন্তত সপ্তম হয়ে।আগামীকাল সপ্তম থেকে অষ্টম স্থান নির্ধারণী ম্যাচে চায়নিজ তাইপের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশচীনের মোকি ট্রেনিং গ্রাউন্ডে আজ জাপানের বিপক্ষে ম্যাচের শুরু থেকেই চাপে ছিল বাংলাদেশ। মাত্র দুই মিনিটেই গোল হজম করে পিছিয়ে পড়ে যুবারা। এরপর দ্বিতীয় কোয়ার্টারে আরও দুটি গোল করে জাপান। তাতে ৩-০ গোলে পিছিয়ে থেকেই বিরতিতে যায় বাংলাদেশ।কোয়ার্টার ফাইনালে জাপানের কাছে হার মেয়েদেরতৃতীয় কোয়ার্টারে পেনাল্টি স্ট্রোক থেকে মেহেদী একটি গোল করে বাংলাদেশকে ম্যাচে ফেরানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু জাপানের আক্রমণ থামেনি। এই কোয়ার্টারেই আরও তিন গোল করে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি নিজেদের হাতে নিয়ে নেয় জাপান।‎‎চতুর্থ কোয়ার্টারে পেনাল্টি কর্নার থেকে মুন্না বাংলাদেশের দ্বিতীয় গোলটি করেন। তবে ততক্ষণে ম্যাচের ফল অনেকটাই নিশ্চিত হয়ে যায়। শেষ পর্যন্ত বড় হার নিয়েই মাঠ ছাড়তে হয় বাংলাদেশকে।গ্রুপ পর্বে খুব একটা ভালো করতে পারেনি বাংলাদেশ। চার ম্যাচে একমাত্র জয়টি এসেছে কাজাখস্তানের বিপক্ষে। বাকি ম্যাচগুলোর ফল আশানুরূপ না হওয়ায় কোয়ার্টার ফাইনালের পর স্থান নির্ধারণী ম্যাচ খেলতে হচ্ছে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-২০ দলকে।জুনিয়র এশিয়া কাপ থেকে শীর্ষ ছয়টি দল আগামী বছর জুনিয়র বিশ্বকাপে খেলার সুযোগ পাবে। গতবারের আসরে ষষ্ঠ হয়ে বাংলাদেশ প্রথমবারের মতো যুব বিশ্বকাপে খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছিল।পাকিস্তানের কাছে ছেলেদের হার, বিশ্বকাপের টিকিট পেতে সামনে জাপান-চ্যালেঞ্জ

News সেপ্টেম্বর ১১, ২০২৬ 0
চাকরির ভাইভায় ৫০% নম্বর মানে দলীয় লোকদের অবৈধ সুবিধা দেওয়ার কৌশল

চাকরির ভাইভায় ৫০% নম্বর মানে দলীয় লোকদের অবৈধ সুবিধা দেওয়ার কৌশল

পদ্মা ব্যারেজ বাংলাদেশের অর্থনৈতিক বিপ্লবের জন্য গুরুত্বপূর্ণ

পদ্মা ব্যারেজ বাংলাদেশের অর্থনৈতিক বিপ্লবের জন্য গুরুত্বপূর্ণ

আ’লীগকে রিফাইন করে রাজনীতিতে ফেরানোর চেষ্টা চলছে: গোলাম পরওয়ার

আ’লীগকে রিফাইন করে রাজনীতিতে ফেরানোর চেষ্টা চলছে: গোলাম পরওয়ার

0 Comments