জাতীয়

ইনফান্তিনোকে তলব, সময়সীমা পেরিয়ে গেলেও জবাব দেননি ফিফা সভাপতি

News সেপ্টেম্বর ১১, ২০২৬ 0
ইনফান্তিনোকে তলব, সময়সীমা পেরিয়ে গেলেও জবাব দেননি ফিফা সভাপতি
ইনফান্তিনোকে তলব, সময়সীমা পেরিয়ে গেলেও জবাব দেননি ফিফা সভাপতি

যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি পরিষদের জুডিশিয়ারি কমিটির তদন্তে সাড়া না দেওয়ায় নতুন করে আলোচনায় ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো। কমিটির ডেমোক্র্যাট সদস্য ও র‌্যাঙ্কিং মাইনরিটি মেম্বার জেমি রাসকিনের পক্ষ থেকে পাঠানো চিঠির নির্ধারিত সময়সীমা পেরিয়ে গেলেও ইনফান্তিনো কোনো জবাব দেননি এবং চাওয়া নথিপত্রও জমা দেননি বলে জানা গেছে।

গত ২৬ জুলাই ইনফান্তিনোকে পাঠানো চিঠিতে রাসকিন ফিফার বিরুদ্ধে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে সম্পর্ক ঘনিষ্ঠ করার জন্য ‘দীর্ঘস্থায়ী প্রচারণা’ চালানোর অভিযোগ তুলে তদন্ত শুরুর কথা জানান। চিঠিতে অভিযোগ করা হয়, বিভিন্ন বিষয়ে রাজনৈতিক সুবিধা পাওয়ার চেষ্টা এবং উচ্চপর্যায়ের দুর্নীতি মামলার নিষ্পত্তিতে প্রভাব বিস্তারের মতো বিষয়ও এর সঙ্গে যুক্ত হতে পারে।

এ ছাড়া ২০২৬ বিশ্বকাপের টিকিটের ‘অতিরিক্ত উচ্চমূল্য’ নির্ধারণ করে মার্কিন ভোক্তাদের ওপর চাপ সৃষ্টি করার অভিযোগও তোলা হয়।

রাসকিন ৯ আগস্টের মধ্যে জবাব ও প্রয়োজনীয় নথিপত্র চেয়েছিলেন এবং কমিটির সঙ্গে যোগাযোগ করে সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করতে বলেছিলেন। তবে নির্ধারিত সময়ের এক মাসেরও বেশি সময় পরও ফিফা সভাপতির কাছ থেকে কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি বলে জানা গেছে। অবশ্য রাসকিন কোনো সাবপোনা জারি করেননি। ফলে অনুরোধ উপেক্ষা করার ক্ষেত্রে সরাসরি কোনো ফৌজদারি শাস্তির বিধানও নেই।

এরই মধ্যে ইনফান্তিনোকে ঘিরে আরও কয়েকটি বিতর্ক সামনে এসেছে। গত জুলাইয়ে তার প্রস্তাবিত ফিফা ফরোয়ার্ড এন্টারপ্রাইজ (এফএফই) নিয়ে তীব্র বিরোধ তৈরি হয়। প্রস্তাব অনুযায়ী, প্রতিষ্ঠানটি বিশ্বকাপসহ ফিফার বিভিন্ন ইভেন্টের বাণিজ্যিক ও পরিচালন কার্যক্রমের দায়িত্ব নেওয়ার কথা ছিল এবং এতে বেসরকারি বিনিয়োগ নেওয়ার পরিকল্পনা ছিল।

তবে তিনটি মহাদেশীয় কনফেডারেশন এই পরিকল্পনার বিরোধিতা করে। পরে ১ আগস্ট ইনফান্তিনো প্রস্তাবটি প্রত্যাহার করেন। ঘটনাটির পর ইউরোপীয় ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা উয়েফা জানায়, তারা ফিফা সভাপতির ওপর ‘আস্থা হারিয়েছে’।

ইনফান্তিনো এ ঘটনায় একটি পর্যালোচনার প্রতিশ্রুতি দিলেও সেই পর্যালোচনা কে পরিচালনা করবে, তা এখনো নিশ্চিত করেনি ফিফা। উয়েফা একটি স্বাধীন ও বহিরাগত পর্যালোচনার দাবি জানিয়েছে। একই সঙ্গে সম্ভাব্য ফৌজদারি কার্যক্রমের প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্রের আদালতের মাধ্যমে এফএফই-সংক্রান্ত নথি সংগ্রহের উদ্যোগও নিয়েছে তারা।

এদিকে বেলজিয়াম ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনও মার্কিন স্ট্রাইকার ফোলারিন বালোগুনের এক ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা স্থগিতের ঘটনায় আইনি পদক্ষেপ চালিয়ে যাচ্ছে বলে জানা গেছে। নিষেধাজ্ঞা স্থগিত হওয়ায় জুলাইয়ে বিশ্বকাপের শেষ ষোলোয় বেলজিয়ামের বিপক্ষে খেলতে পেরেছিলেন বালোগুন।

সব বিতর্কের মধ্যেও আগামী মার্চে ফিফা সভাপতির পদে পুনর্নির্বাচনে লড়ার বিষয়ে অনড় ইনফান্তিনো। বর্তমানে তিনিই একমাত্র প্রার্থী। তবে ২৭ আগস্ট উয়েফা একটি বিশ্বাসযোগ্য বিকল্প প্রার্থী দাঁড় করানোর চেষ্টা করবে বলে জানিয়েছে। প্রার্থিতা জমা দেওয়ার শেষ সময় ১৮ নভেম্বর।

এদিকে ২০৩০ বিশ্বকাপের পরিধি আরও বাড়ানোর সম্ভাবনাও আলোচনায় এসেছে। ৬৪ দলের বিশ্বকাপ আয়োজনের সম্ভাব্য প্রভাব নিয়ে একটি বিশ্লেষণ ১১ সেপ্টেম্বর ফিফার কাছে জমা দেওয়ার কথা। দক্ষিণ আমেরিকান ফুটবল কনফেডারেশন কনমেবল-এর সমর্থন রয়েছে ২০৩০ বিশ্বকাপকে ৬৪ দলে সম্প্রসারণের প্রস্তাবের প্রতি।

বর্তমান পরিকল্পনা অনুযায়ী ২০৩০ বিশ্বকাপের মূল আয়োজক স্পেন, পর্তুগাল ও মরক্কো। তবে শতবর্ষ উপলক্ষে আর্জেন্টিনা, প্যারাগুয়ে ও উরুগুয়েতে একটি করে ম্যাচ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

এমএমআর

Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

ব্যাটিং বিপর্যয়ে দিন শুরু, লড়াইয়ে ফিরতে মরিয়া টাইগাররা

কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন

জাতীয়

View more
যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার পক্ষে নন ইরানের প্রেসিডেন্ট
যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার পক্ষে নন ইরানের প্রেসিডেন্ট

ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান বলেছেন, তিনি যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার পক্ষে নন। তবে ভবিষ্যতের যে কোনো চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় দেশকে এমনভাবে প্রস্তুত ও সক্ষম করে তুলতে হবে, যাতে প্রতিকূল পরিস্থিতিতে ‘ভিন্ন অবস্থান থেকে শত্রুর সঙ্গে আলোচনা করতে বাধ্য’ হতে না হয়। দেশটির শীর্ষ বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর প্রধানদের (উপাচার্য) সঙ্গে এক বৈঠকে পেজেশকিয়ান এসব কথা বলেন বলে জানিয়েছে ইরানি সংবাদ সংস্থা আইএসএনএ। একই সঙ্গে অর্থনীতি, ব্যবস্থাপনা, সংস্কৃতি, সাহিত্যসহ সব ক্ষেত্রে সরকারকে সহযোগিতা করতে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর প্রতি আহ্বান জানান তিনি। পেজেশকিয়ান বলেন, ভবিষ্যৎ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় দেশের সক্ষমতা ও সহনশীলতা বাড়ানো জরুরি। তার বক্তব্যে যুদ্ধ অব্যাহত রাখার বদলে এমন একটি অবস্থান তৈরির ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে, যেখানে ইরানকে দুর্বল অবস্থান থেকে কোনো আলোচনায় বসতে না হয়। দেশটির তরুণ প্রজন্ম, বিশেষ করে জেনারেশন জেড বা জেন জি শিক্ষার্থীদেরও সরকারের কাজে যুক্ত করার আহ্বান জানিয়েছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট। তিনি বলেন, তরুণদের বিক্ষোভে অংশ নেওয়ার পরিবর্তে দেশের সমস্যাগুলো সমাধানে যুক্ত করার বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে। পেজেশকিয়ান বলেন, আমাদের নিশ্চিত করতে হবে, তারা যেন বিক্ষোভে জড়িত হওয়ার পরিবর্তে সমস্যার সমাধানে যুক্ত হয়। অর্থাৎ তরুণদের অসন্তোষকে সংঘাতের দিকে না নিয়ে দেশের বিভিন্ন সমস্যা মোকাবিলায় কাজে লাগাতে চান তিনি। নিজের রাজনৈতিক অবস্থান নিয়েও কথা বলেন পেজেশকিয়ান। তিনি বলেন, প্রেসিডেন্ট হিসেবে কারও সঙ্গে তার কোনো রাজনৈতিক বিরোধ নেই। যে ব্যক্তি যে রাজনৈতিক মতাদর্শই ধারণ করুন না কেন, দেশের সমস্যা সমাধানে সহায়তা করলে তিনি তাকে গ্রহণ করবেন। তার ভাষায়, যে-ই আমাদের দেশের সমস্যা সমাধানে সাহায্য করবে, তার রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি যা-ই হোক, আমি তাকে গ্রহণ করি। ইরানের প্রেসিডেন্ট আরও বলেন, তিনি কারও সঙ্গে সংঘাতে জড়িত নন- বামপন্থি বা ডানপন্থি, ধার্মিক কিংবা অধার্মিক- কারও সঙ্গেই নয়। দেশের সমস্যা সমাধানের বিষয়টি মানুষের বিশ্বাস বা রাজনৈতিক-আদর্শিক অবস্থানের সঙ্গে সম্পর্কিত নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি। পেজেশকিয়ান বলেন, দেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়েই অর্থনৈতিক পদক্ষেপ নিতে হবে। তা না হলে সমস্যার সমাধান হওয়ার পরিবর্তে এসব পদক্ষেপ উল্টো নেতিবাচক ফল ও ক্ষতির কারণ হতে পারে। তার বক্তব্য এমন এক সময়ে এলো, যখন ইরান যুদ্ধ ও অর্থনৈতিক চাপের পাশাপাশি অভ্যন্তরীণভাবে তরুণদের অসন্তোষ এবং বিভিন্ন অর্থনৈতিক সমস্যারও মুখোমুখি। ফলে যুদ্ধ অব্যাহত রাখার পরিবর্তে দেশের সক্ষমতা বাড়ানো, তরুণদের কাজে যুক্ত করা এবং বাস্তব পরিস্থিতি বিবেচনায় অর্থনৈতিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার ওপর তার জোর দেওয়াকে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা হিসেবে দেখা হচ্ছে। সূত্র: আল-জাজিরা এসএএইচ

News সেপ্টেম্বর ১১, ২০২৬ 0
যেভাবে পরিষ্কার করলে জং ধরা পুরোনো চাবি হবে নতুনের মতো

যেভাবে পরিষ্কার করলে জং ধরা পুরোনো চাবি হবে নতুনের মতো

বসতঘরে মজুত ২৮৮ বস্তা সার জব্দ, ব্যবসায়ীর কারাদণ্ড

বসতঘরে মজুত ২৮৮ বস্তা সার জব্দ, ব্যবসায়ীর কারাদণ্ড

পানির উচ্চতা বেড়ে যাওয়ায় ফের খোলা হলো কাপ্তাই বাঁধের ১৬ জলকপাট

পানির উচ্চতা বেড়ে যাওয়ায় ফের খোলা হলো কাপ্তাই বাঁধের ১৬ জলকপাট

এমিরেটসে বিশ্বের প্রথম পূর্ণ উচ্চতার প্রাইভেসি স্ক্রিনসহ ইলেকট্রিক প্রিমিয়াম ইকোনমি আসন
এমিরেটসে বিশ্বের প্রথম পূর্ণ উচ্চতার প্রাইভেসি স্ক্রিনসহ ইলেকট্রিক প্রিমিয়াম ইকোনমি আসন

আকাশযাত্রায় ব্যক্তিগত পরিসর ও আরাম বাড়াতে নতুন সুবিধা এনেছে এমিরেটস। বিশ্বের প্রথম বৈদ্যুতিকভাবে নিয়ন্ত্রিত প্রিমিয়াম ইকোনমি আসনে যুক্ত হয়েছে পূর্ণ উচ্চতার সমন্বয়যোগ্য প্রাইভেসি স্ক্রিন।প্রিমিয়াম ইকোনমি অভিজ্ঞতাকে আরও উন্নত করতে এয়ারবাস এ৩৮০ উড়োজাহাজে প্রথমবারের মতো নতুন এই আসন সংযুক্ত করেছে এমিরেটস। এর মাধ্যমে যাত্রীরা পাবেন আরও আরাম, গোপনীয়তা এবং ব্যক্তিগত পরিসরের ওপর বাড়তি নিয়ন্ত্রণ।আছে প্রাইভেসির সুবিধাআসনের নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার সাহায্যে প্রাইভেসি স্ক্রিন ওপরে তোলা, নিচে নামানো এবং নির্দিষ্ট অবস্থানে লক করা যাবে। ফলে বিশ্রাম, খাবার গ্রহণ কিংবা কাজের সময় তৈরি করা যাবে আরও ব্যক্তিগত পরিবেশ।সম্পূর্ণ বৈদ্যুতিকভাবে নিয়ন্ত্রিত আসনটিও একটি বোতাম চেপে পছন্দমতো অবস্থানে সমন্বয় করা যাবে। পাশাপাশি লাউঞ্জ ও মিল—দুই ধরনের মোডেও আসনটি সমন্বয়ের সুযোগ থাকছে।২৮টি আসনে বাড়তি আরামমিলবে বাড়তি আরামনতুন প্রিমিয়াম ইকোনমি কেবিনে রয়েছে ২৮টি আসন। প্রতিটি আসনের প্রস্থ ২০ ইঞ্চি এবং সিট পিচ সর্বোচ্চ ৩৯ ইঞ্চি। আসনটি এমনভাবে ক্র্যাডল পজিশনে হেলানো যায়, যাতে পেছনের সারির যাত্রীর ব্যক্তিগত পরিসরে ব্যাঘাত না ঘটে।এর সঙ্গে থাকছে এমিরেটসের ‘ইউ-ড্রিম’ হেডরেস্ট। ব্যক্তিগত প্রয়োজন অনুযায়ী মাথা ও ঘাড়ের জন্য এতে রয়েছে সমন্বয়যোগ্য লেদার উইং। অতিরিক্ত আরামের জন্য থাকছে হাতে নিয়ন্ত্রণযোগ্য লেদার ফুটরেস্ট।প্রথমবার ওয়্যারলেস চার্জিংআছে নানা ধরণের পোর্ট ও ওয়্যারলেস চার্জিং ব্যবস্থাএমিরেটসের প্রিমিয়াম ইকোনমি শ্রেণিতে প্রথমবারের মতো যাত্রীরা পাবেন ওয়্যারলেস চার্জিং সুবিধা। পাশাপাশি থাকবে ইউএসবি-সি চার্জিং পোর্ট এবং সমন্বিত ফোন হোল্ডারসহ ট্রে টেবিল।২০২২ সাল থেকে এমিরেটসের ক্রমবর্ধমান এয়ারবাস এ৩৮০ বহরে ধারাবাহিকভাবে প্রিমিয়াম ইকোনমি সেবা সম্প্রসারণ করা হচ্ছে।ছবি: এমিরেটস

News সেপ্টেম্বর ১১, ২০২৬ 0
আইফোন ১৭ সিরিজে কমলা, ১৮-তে কোন রং জনপ্রিয়?

আইফোন ১৭ সিরিজে কমলা, ১৮-তে কোন রং জনপ্রিয়?

সময়মতো দোকান না খোলায় সারের ডিলারকে জরিমানা

সময়মতো দোকান না খোলায় সারের ডিলারকে জরিমানা

সাবেক মন্ত্রীর দখল করা জায়গায় হবে মাদরাসা, ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন

সাবেক মন্ত্রীর দখল করা জায়গায় হবে মাদরাসা, ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন

গুলশানে আওয়ামী লীগের মিছিল, ককটেল বিস্ফোরণ
গুলশানে আওয়ামী লীগের মিছিল, ককটেল বিস্ফোরণ

  রাজধানীর গুলশানে কার্যক্রমে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের ঝটিকা মিছিল থেকে দুইজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। মিছিল ছত্রভঙ্গ করতে গেলে মিছিলকারীরা পুলিশের দিকে ককটেল নিক্ষেপ করে। পরে পুলিশ গ্রেফতার দুজন থেকে পাঁচটি ককটেল উদ্ধার করে। গ্রেফতাররা হলেন আরাফাত (২০) ও আব্দুর রহিম (৪৯)।শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে গুলশান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. দাউদ হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেন।  ওসি দাউদ হোসেন বলেন, দুপুর পৌনে ১২টার দিকে রাজধানীর গুলশান থানার ৩ নম্বর সড়কের কেএফসি-সংলগ্ন গলিতে কার্যক্রমে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের ১৫০ থেকে ২০০ জন নেতাকর্মী জড়ো হয়ে মিছিল বের করে। পরে পুলিশ তাদের ছত্রভঙ্গ করতে গেলে মিছিলকারীরা পুলিশের দিকে ককটেল নিক্ষেপ করে। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ দুই রাউন্ড রাবার বুলেট ছুড়ে মিছিলকারীদের ছত্রভঙ্গ করে দেয় বলে জানান ওসি। এ সময় মিছিলে অংশ নেওয়া আরাফাত ও আব্দুর রহিমকে গ্রেফতার করে। তাদের কাছ থেকে পাঁচটি তাজা ককটেল উদ্ধার করা হয়। মিছিলটি প্রায় ৩০ সেকেন্ড স্থায়ী ছিল জানিয়ে তিনি বলেন, এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়াধীন। বর্তমানে গুলশান এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।  কেআর/জেএইচ   ছবি - থানা সূত্র 

News সেপ্টেম্বর ১১, ২০২৬ 0
২৬ বছরের শিক্ষকতায় ইতি, ঘোড়ার গাড়িতে চড়িয়ে বিদায়

২৬ বছরের শিক্ষকতায় ইতি, ঘোড়ার গাড়িতে চড়িয়ে বিদায়

ডেঙ্গু প্রতিরোধে তিন মাসের অভিযান শুরু কাল, উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

ডেঙ্গু প্রতিরোধে তিন মাসের অভিযান শুরু কাল, উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

‘দম’ কি বাংলা সিনেমায় দম আনতে পেরেছে

‘দম’ কি বাংলা সিনেমায় দম আনতে পেরেছে

0 Comments