জাতীয়

যেভাবে পরিষ্কার করলে জং ধরা পুরোনো চাবি হবে নতুনের মতো

News সেপ্টেম্বর ১১, ২০২৬ 0
যেভাবে পরিষ্কার করলে জং ধরা পুরোনো চাবি হবে নতুনের মতো
যেভাবে পরিষ্কার করলে জং ধরা পুরোনো চাবি হবে নতুনের মতো

দরজার হাতল, সুইচবোর্ড কিংবা টিভির রিমোট পরিষ্কার করার কথা অনেকেরই মনে থাকে। কিন্তু প্রতিদিনের সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত জিনিস চাবির গোছার দিকে খুব একটা নজর দেওয়া হয় না। দেয়ালে ঝোলানো হোক কিংবা ব্যাগে রাখা, সারাদিনে বারবার হাতে নেওয়ার কারণে চাবির গায়ে সহজেই জমে ঘাম, তেল, ধুলাবালি ও ময়লা। আবার আর্দ্র পরিবেশে থাকলে ধাতব চাবিতে দেখা দিতে পারে মরিচার দাগও।

তবে চাবি পরিষ্কার করতে সবসময় বাজারের দামি ক্লিনার প্রয়োজন নেই। রান্নাঘরে থাকা একটি সাধারণ উপাদান দিয়েই হালকা ময়লা ও জং পরিষ্কার করা যায়।

সাদা ভিনিগারেই পরিষ্কার করা যায় সাধারণ ধাতব চাবির হালকা ময়লাসাদা ভিনিগারেই পরিষ্কার করা যায় সাধারণ ধাতব চাবির হালকা ময়লা

চাবিতে ময়লা জমে কেন?

চাবি প্রতিদিনই নানা জায়গায় ব্যবহার করা হয়। দরজার তালা খোলার পর সেটি আবার ব্যাগ, পকেট কিংবা টেবিলে রাখা হয়। হাতের ঘাম ও তেলের সঙ্গে ধুলাবালি মিশে ধীরে ধীরে চাবির গায়ে একটি চটচটে আস্তরণ তৈরি করতে পারে। চাবির খাঁজে এই ময়লা বেশি জমে। ফলে শুধু শুকনো কাপড় দিয়ে মুছলেও সবটা পরিষ্কার করা কঠিন হয়ে পড়ে।

জং ধরার কারণ কী?

চাবি সাধারণত ধাতব হওয়ায় দীর্ঘদিন আর্দ্রতার সংস্পর্শে থাকলে এতে মরিচা বা অক্সিডেশনের দাগ দেখা দিতে পারে। বিশেষ করে বাথরুমের কাছাকাছি, স্যাঁতসেঁতে ঘর কিংবা ভেজা জায়গায় চাবি রাখলে এ সমস্যা তুলনামূলক বেশি হতে পারে। জং জমে গেলে চাবির খাঁজও রুক্ষ হয়ে যায় এবং তালায় ব্যবহার করতে অস্বস্তি হতে পারে।

ভিনিগারেই মিলবে সমাধান

চাবির হালকা ময়লা ও পৃষ্ঠের জং পরিষ্কার করতে ব্যবহার করতে পারেন সাদা ভিনিগার। এতে থাকা অ্যাসিটিক অ্যাসিড কিছু ধরনের ময়লা ও ধাতব অক্সাইড আলগা করতে সাহায্য করে। ফলে চাবির গায়ে লেগে থাকা ময়লা নরম হয়ে যায় এবং পরে ব্রাশ দিয়ে পরিষ্কার করা সহজ হয়।

যেভাবে পরিষ্কার করবেন

প্রথমে একটি ছোট পাত্রে সাদা ভিনিগার নিন। চাবির দুই পাশ ও খাঁজে অল্প করে ভিনিগার লাগিয়ে দিন। এরপর প্রায় ৫ থেকে ১০ মিনিট অপেক্ষা করুন। এতে জমে থাকা ময়লা বা হালকা জং কিছুটা নরম হওয়ার সুযোগ পাবে।

এরপর একটি নরম পুরোনো টুথব্রাশ দিয়ে চাবির খাঁজগুলো আলতো করে ঘষে নিন। প্রয়োজন হলে আরও অল্প ভিনিগার ব্যবহার করতে পারেন। পরিষ্কার হয়ে গেলে পানি দিয়ে ভালোভাবে ধুয়ে ফেলুন।

শুকিয়ে নেওয়া সবচেয়ে জরুরি

চাবি পরিষ্কারের পর শুধু পানি ঝরিয়ে রেখে দেবেন না। শুকনো তোয়ালে বা নরম কাপড় দিয়ে চাবির প্রতিটি অংশ ভালোভাবে মুছে নিন। সম্ভব হলে কিছুক্ষণ বাতাসে রেখে পুরোপুরি শুকিয়ে তারপর নির্দিষ্ট জায়গায় রাখুন। কারণ ধাতব চাবিতে আর্দ্রতা থেকে গেলে আবারও জং ধরতে পারে।

কত দিন পরপর পরিষ্কার করবেন?

চাবি খুব বেশি ময়লা না হলে মাসে একবার পরিষ্কার করাই যথেষ্ট। তবে নিয়মিত বাইরে যাতায়াতের সময় ব্যবহৃত চাবি বা গাড়ির সাধারণ ধাতব চাবি হলে প্রয়োজন অনুযায়ী আরও ঘন ঘন মুছে নেওয়া যেতে পারে। নিয়মিত শুকনো কাপড় দিয়ে মুছে রাখলেও ময়লা জমার পরিমাণ কমবে।

আরও পড়ুন

রান্না করা খাবার ফ্রিজে রেখে কতদিন নিরাপদে খাওয়া যায়?

সব চাবিতে ভিনিগার ব্যবহার না করা

তবে সব ধরনের চাবিতে ভিনিগার ব্যবহার করা নিরাপদ নয়। ইলেকট্রনিক অংশ, রিমোট, ব্যাটারি বা বিশেষ কোটিংযুক্ত চাবিতে সরাসরি ভিনিগার লাগানো উচিত নয়। গাড়ির স্মার্ট কী বা ইলেকট্রনিক কী হলে বিশেষভাবে সতর্ক থাকুন। সাধারণ ধাতব চাবির ক্ষেত্রেও আগে ছোট একটি অংশে পরীক্ষা করে নেওয়া ভালো।

আরও পড়ুন

পেঁয়াজ-রসুনের খোসা না ফেলে কাজে লাগাবেন যেভাবে

চাবি ছোট জিনিস হলেও প্রতিদিনের জীবনে এর ব্যবহার অনেক। তাই নিয়মিত পরিষ্কার ও শুকনো রাখলে শুধু দেখতে ভালো লাগবে না, দীর্ঘদিন ব্যবহারের ক্ষেত্রেও উপকার পাওয়া যাবে।

সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া

এসএকেওয়াই

Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

ব্যাটিং বিপর্যয়ে দিন শুরু, লড়াইয়ে ফিরতে মরিয়া টাইগাররা

কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন

জাতীয়

View more
হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু
হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু

দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও তিন শিশু মারা গেছে। এ নিয়ে হামে আক্রান্ত হয়ে ও হামের উপসর্গ নিয়ে এ পর্যন্ত এক হাজার ১২ জনের প্রাণহানি হয়েছে। তাদের মধ্যে নিশ্চিত হামে ১০০ জন ও উপসর্গ নিয়ে ৯১২ জনের মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে হাম-সংক্রান্ত পরিস্থিতি নিয়ে এক বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে ঢাকা বিভাগে একজন এবং চট্টগ্রাম বিভাগে দুজন মারা গেছে। এসময়ে দেশে ৩৪ জনের শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে। আরও পড়ুন মুগদা মেডিকেল / রোগীর পরীক্ষা হয় বাইরে, হাতেনাতে প্রমাণ পেলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, হামে আক্রান্ত হয়ে সারাদেশে এ পর্যন্ত ১০০ জন মারা গেছে। আর হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে ৯১২ জন। নিশ্চিত হামে সবচেয়ে বেশি ৬৩ মৃত্যু ঢাকা বিভাগে। এর পরেই বরিশাল বিভাগে ১৯ জন। এ পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে সবচেয়ে বেশি ৪০৮ জন মারা গেছে ঢাকা বিভাগে। এরপরই সিলেট বিভাগে মৃত্যু হয়েছে ১৫৭ জনের। এছাড়া রাজশাহীতে ৯৩, চট্টগ্রামে ৬৮, বরিশালে ৫৭, ময়মনসিংহে ৭৭, খুলনায় ৩৮ ও রংপুর বিভাগে মারা গেছে ১৪ জন। আরও পড়ুন ‘ভর্তি দরকার, সিট পাচ্ছি না, এখন কথা বলার সময় নেই’ গত ২৪ ঘণ্টায় ৮৬৬ জন হামের উপসর্গ নিয়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। এ নিয়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে হাম রোগী ভর্তির সংখ্যা দাঁড়ালো এক লাখ ৪৯ হাজার ৪৭১ জনে। তাদের মধ্যে এক লাখ ৪৩ হাজার ৮৬৪ জন হাসপাতাল ছেড়েছে। দেশে এ পর্যন্ত সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে এক লাখ ৬৯ হাজার ৮২২ জনে। আর নিশ্চিত হাম আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ১৯ হাজার ৯৬৭ জন। কেএসআর/

News সেপ্টেম্বর ১১, ২০২৬ 0
গুলশানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ.লীগের ঝটিকা মিছিল, ককটেল বিস্ফোরণ, গ্রেপ্তার ২

গুলশানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ.লীগের ঝটিকা মিছিল, ককটেল বিস্ফোরণ, গ্রেপ্তার ২

পাহাড়ের দুর্গম পথ পেরিয়ে শিক্ষক হওয়ার স্বপ্ন বুনছে সন্ধিতা

পাহাড়ের দুর্গম পথ পেরিয়ে শিক্ষক হওয়ার স্বপ্ন বুনছে সন্ধিতা

যৌনতা, ব্যক্তিজীবন ও বিতর্ক—ওটিটিতে দর্শকের মনোযোগের নতুন অস্ত্র

যৌনতা, ব্যক্তিজীবন ও বিতর্ক—ওটিটিতে দর্শকের মনোযোগের নতুন অস্ত্র

বাব আল-মান্দেব প্রণালি এখন হুতিদের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে
বাব আল-মান্দেব প্রণালি এখন হুতিদের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে

নৌপথে জাহাজ চলাচলের গুরুত্বপূর্ণ পথ বাব আল-মান্দেব প্রণালি দখল করে নিয়েছে ইয়েমেনের সশস্ত্র গোষ্ঠী হুতির যোদ্ধারা। ইয়েমেনের স্থানীয় সরকারি কর্মকর্তা ও প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা এএফপি এ কথা জানিয়েছে। তাদের ভাষ্য, আজ শুক্রবার লোহিত সাগরের বাব আল-মান্দেব নৌপথের ঠিক মাঝে অবস্থিত একটি দ্বীপের নিয়ন্ত্রণে নেয় হুতিরা। এর মাধ্যমে পুরো প্রণালি এলাকাটিতে তাদের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা সম্পন্ন হয়েছে।নাম প্রকাশ না করার শর্তে ওই সরকারি কর্মকর্তা এএফপিকে জানান, ময়উন দ্বীপ থেকে গতকাল সরকারি বাহিনী প্রত্যাহার করার পর সশস্ত্র হুতি যোদ্ধাদের বহনকারী নৌকাগুলো ওই দ্বীপে পৌঁছায়। বাব আল-মান্দেব এলাকা এবং প্রণালির ঠিক মাঝখানে অবস্থিত ময়উন দ্বীপের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে হুতিরা। একজন প্রত্যক্ষদর্শী এএফপিকে জানান, সশস্ত্র ব্যক্তিরা বাব আল-মান্দেব উপকূলজুড়ে মোতায়েন রয়েছে এবং সামরিক যানবাহনে ঘুরে বেড়াচ্ছে।ইরান-সমর্থিত হুতিরা গত সপ্তাহে বাব আল-মান্দেব এলাকায় সৌদি-সমর্থিত ইয়েমেনি সরকারি বাহিনীর বিরুদ্ধে আক্রমণ শুরুর পর থেকে কয়ে শ মানুষ নিহত হয়েছে। বাস্তুচ্যুত হয়েছে হাজারো পরিবার।ইরানে মার্কিন–ইসরায়েলি হামলার পর বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহের গুরুত্বপূর্ণ পথ হরমুজ প্রণালি কার্যত বন্ধ করে দেয় তেহরান। ফলে বাব আল মান্দেব প্রণালি নৌচলাচলের জন্য আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। হুতিরা এর নিয়ন্ত্রণ নেওয়ায় যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েল ও তাদের মিত্রদের জাহাজ এই পথ দিয়ে চলাচলের ঝুঁকি আরও বাড়ল।

News সেপ্টেম্বর ১১, ২০২৬ 0
কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ.লীগের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সুযোগ নেই: প্রতিমন্ত্রী শাহে আলম

কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ.লীগের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সুযোগ নেই: প্রতিমন্ত্রী শাহে আলম

১৯৭৪ সালের দুর্ভিক্ষে রাস্তার পাশে শত শত মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেছি

১৯৭৪ সালের দুর্ভিক্ষে রাস্তার পাশে শত শত মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেছি

বিয়ের খবরে পরকীয়া প্রেমিকের বাড়িতে সন্তানসহ গৃহবধূ, এসেছেন স্বামীও

বিয়ের খবরে পরকীয়া প্রেমিকের বাড়িতে সন্তানসহ গৃহবধূ, এসেছেন স্বামীও

‌‘মাদক ব্যবসায়ীরা অসাধু পুলিশের সহযোগিতায় বেপরোয়া হয়ে উঠেছে’
‌‘মাদক ব্যবসায়ীরা অসাধু পুলিশের সহযোগিতায় বেপরোয়া হয়ে উঠেছে’

সাভারের আমিনবাজারে পুলিশের বিশেষ শাখার এসআই আলতাব হোসেনকে (৫৮) পিটিয়ে হত্যার সুষ্ঠু বিচার এবং অত্র এলাকাকে মাদকমুক্ত করার দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) জুম্মা নামাজের পর দুপুর আড়াইটার দিকে আমিনবাজার কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের সামনে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের ঢাকামুখী সার্ভিস লেনের পাশে এ মানববন্ধন করেন স্থানীয়রা। মানববন্ধনে স্থানীয়রা, গত শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) রাতে আমিনবাজারের বরদেশী এলাকায় পিটিয়ে পুলিশের বিশেষ শাখার এসআই আলতাব হোসেন হত্যার ঘটনার সুষ্ঠু বিচার এবং আমিনবাজারের বিভিন্ন এলাকা মাদকমুক্ত করার লক্ষে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানান। আরও পড়ুন সাভারে পুলিশ হত্যা মামলায় আরও দুই আসামি ৫ দিনের রিমান্ডে মানববন্ধন থেকে আমিন বাজার পুলিশ ক্যাম্পের কিছুসংখ্যক পুলিশ সদস্য ও স্থানীয় প্রভাবশালী চক্রের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ মদদে এলাকাটিতে অবাধে মাদকের কেনা-বেচা চলছে বলে অভিযোগ করেন স্থানীয়রা। মানববন্ধনে স্থানীয় বাসিন্দা ইমন মাহমুদ পান্না বলেন, মাদক ব্যবসায়ীরা কিছু অসাধু পুলিশের সহযোগিতায় বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। স্থানীয় কিছু সুবিধাবাদী লোকও টাকার বিনিময়ে গোপনে তাদের মদদ দিচ্ছে। কোনো মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার হলেও পরে ছাড়া পেয়ে যান। পুলিশ সদস্য আলতাব হোসেন হত্যার কারণে আজ আমিনবাজারের সব মানুষ মাদকের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করছে। মো. আলী হোসেন দুলাল বলেন, মাদক নির্মূলের মূল দায়িত্ব আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর। কিন্তু দিনের আলোতে সেতুর নিচে, আন্ডারপাসের সামনে ও প্রকাশ্যে গাড়িচালক-হেলপারদের কাছে গাজা ও অন্যান্য মাদক বিক্রি হচ্ছে। আমিনবাজার পুলিশ ক্যাম্পের পুলিশ কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না। যারা ব্যবস্থা নিচ্ছে না তাদের সরিয়ে দিতে হবে। মাহফুজুর রহমান নিপু/এসজেডএইচ/জেআইএম

News সেপ্টেম্বর ১১, ২০২৬ 0
ব্যর্থতার জবাবে সরকারের ৬ মাসের কার্যক্রমের ব্যানার টানালো ছাত্রদল

ব্যর্থতার জবাবে সরকারের ৬ মাসের কার্যক্রমের ব্যানার টানালো ছাত্রদল

আমীরুল ইসলাম: বাংলা শিশুসাহিত্যের ঋদ্ধিমান সন্তান

আমীরুল ইসলাম: বাংলা শিশুসাহিত্যের ঋদ্ধিমান সন্তান

রাজা হতে রাজি নন উগান্ডার সেই ফুটবলার

রাজা হতে রাজি নন উগান্ডার সেই ফুটবলার

0 Comments