জাতীয়

পাহাড়ের দুর্গম পথ পেরিয়ে শিক্ষক হওয়ার স্বপ্ন বুনছে সন্ধিতা

News সেপ্টেম্বর ১১, ২০২৬ 0
পাহাড়ের দুর্গম পথ পেরিয়ে শিক্ষক হওয়ার স্বপ্ন বুনছে সন্ধিতা
পাহাড়ের দুর্গম পথ পেরিয়ে শিক্ষক হওয়ার স্বপ্ন বুনছে সন্ধিতা

বান্দরবানের দুর্গম পাহাড়ি জনপদ আলেক্ষ্যং ইউনিয়নের সাধু হেডম্যান পাড়ার অভাবের সংসার থেকে উঠে এসে আলো ছড়াচ্ছে ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী সন্ধিতা ত্রিপুরা। চার ভাইবোনের মধ্যে দ্বিতীয় এই কিশোরীর জীবন সংগ্রামের গল্প হার মানায় প্রতিকূলতাকে। জুমচাষী বাবা ও গৃহিণী মায়ের সীমিত আয়ের সংসারে অভাব নিত্যসঙ্গী হলেও তার চোখে রয়েছে এক স্বপ্ন—বড় হয়ে সে আদর্শ শিক্ষক হতে চায়।

বিদ্যালয়ে নিয়মিত উপস্থিতি ও মেধার স্বাক্ষর রাখা সন্ধিতা বিশ্বাস করে, শিক্ষা কেবল ব্যক্তিগত জীবনই বদলায় না, বরং বদলে দিতে পারে একটি সমাজ ও গ্রামের ভবিষ্যৎ। তবে আর্থিক সংকটের কারণে তার এই পথচলা সহজ ছিল না। তার জীবনে আশার আলো হয়ে এসেছে প্রথম আলো ট্রাস্ট পরিচালিত ‘কচ্ছপতলী আলোর পাঠশালা’। এখানে বিনা বেতনে পড়ার সুযোগ পাওয়ার পর থেকেই মূলত তার পরিবারের দুশ্চিন্তা কেটেছে এবং শিক্ষার পথ আরও সুগম হয়েছে।

নিজের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে সন্ধিতা জানায়, সে বড় হয়ে নিজের গ্রামের গরিব ও অসচ্ছল পরিবারের শিশুদের কাছে শিক্ষার আলো পৌঁছে দিতে চায়, যেন অর্থের অভাবে আর কোনো শিশুর পড়াশোনা থমকে না যায়।

সন্ধিতার এই অদম্য পথচলা প্রমাণ করে—দারিদ্র্য মানুষের পথকে কঠিন করতে পারে, কিন্তু স্বপ্নকে আটকাতে পারে না। সুযোগ, পরিশ্রম এবং সঠিক দিকনির্দেশনা পেলে পাহাড়ের প্রত্যন্ত অঞ্চলের একটি সাধারণ শিশুও হয়ে উঠতে পারে আগামী দিনের আলোকবর্তিকা।

Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

ব্যাটিং বিপর্যয়ে দিন শুরু, লড়াইয়ে ফিরতে মরিয়া টাইগাররা

কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন

জাতীয়

View more
কারিগরি ত্রুটিতে আদানির বিদ্যুৎকেন্দ্রের একটি ইউনিট বন্ধ, দেশে লোডশেডিং বাড়ছে
কারিগরি ত্রুটিতে আদানির বিদ্যুৎকেন্দ্রের একটি ইউনিট বন্ধ, দেশে লোডশেডিং বাড়ছে

দেশ-বিদেশের গুরুত্বপূর্ণ সব খবর নিয়ে প্রথম আলোর নিয়মিত আয়োজন ‘বার্তাসংক্ষেপ’। অল্প সময়ে দিনের বড় ঘটনা ও খবরের ভেতরের খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের এ বিশেষ আয়োজনে। সঠিক তথ্য আর দ্রুততম আপডেট নিয়ে প্রথম আলো আছে সব সময় আপনার সঙ্গে। থাকুন ভালোর সঙ্গে, আলোর পথে।

News সেপ্টেম্বর ১১, ২০২৬ 0
ঝুম বৃষ্টিতে ভুঁইয়াদের করমা উৎসব

ঝুম বৃষ্টিতে ভুঁইয়াদের করমা উৎসব

ইসলামে স্বাস্থ্যসেবার মূলনীতি ও আধুনিক স্বাস্থ্যবিধি

ইসলামে স্বাস্থ্যসেবার মূলনীতি ও আধুনিক স্বাস্থ্যবিধি

পাওনা ৩ লাখ টাকা চাওয়ায় বন্ধুকে খুন করে মাটিচাপা দেওয়ার অভিযোগ

পাওনা ৩ লাখ টাকা চাওয়ায় বন্ধুকে খুন করে মাটিচাপা দেওয়ার অভিযোগ

মুরগি কাটার সময় পেটে পাওয়া ডিম কি খাওয়া উচিত
মুরগি কাটার সময় পেটে পাওয়া ডিম কি খাওয়া উচিত

মুরগি কাটার সময় কখনো কখনো সেটির পেটে এক বা একাধিক ডিম পাওয়া যায়। কেউ কেউ এই ডিম রান্না করে খান। কেউ আবার বলেন, এই ডিম খাওয়া উচিত নয়, তাদের বাড়িতে এই ডিমের জায়গা হয় আবর্জনার পাত্রে।মুরগির পেট থেকে পাওয়া ডিম খাওয়ার স্বাস্থ্যঝুঁকি নিয়ে কুমিল্লার ইস্টার্ন মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. মো. মেহেদী হাসানের সঙ্গে কথা বলেছিলাম। বিষয়টা সহজভাবে ব্যাখ্যা করে বুঝিয়ে দিলেন তিনি।ডিমটা ঠিকঠাক আছে তোমুরগি কাটার সময় পেটের ডিম যদি খোলস বা পাতলা আবরণের ভেতরে সুন্দরভাবে থাকে, তাহলে খাওয়া যাবে। তবে ডিমটা মুরগির পেট থেকে বের করার সময় সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে, যাতে ভেঙে না যায় বা মুরগির পেটের ময়লা লেগে না যায়। বের করার সময় ডিমটির যে স্বাভাবিক আকৃতি ছিল, তা যদি নষ্ট হয়ে যায় অর্থাৎ ডিম ভেঙে যায়, তাহলে খাওয়া উচিত হবে না।মুরগি কাটার সময় যদি পিত্তথলি বা নাড়িভুঁড়ি ফেটে বর্জ্য বেরিয়ে ডিমের গায়ে লেগে যায়, তবে তা থেকে জীবাণুর সংক্রমণ ঘটতে পারে। এ ধরনের বর্জ্য দিয়ে ডিম যদি অনেক বেশি দূষিত হয়ে যায়, তবে স্বাভাবিক আকৃতি অক্ষুণ্ন থাকলেও না খাওয়াই নিরাপদ। ডিম থেকে দুর্গন্ধ এলেও সেটি খাওয়া যাবে না।ডিম সেদ্ধ করে যে সময়ের মধ্যে না খেলে শরীরের ক্ষতি হতে পারেরান্নার সময়ধোয়ার প্রয়োজন নেই। খোলস বা পাতলা আবরণ যেটিই থাকুক না কেন, তাতে যদি দৃশ্যমান ময়লা থাকে, টিস্যু দিয়ে হালকাভাবে মুছে ফেলুন। ফ্রিজে সংরক্ষণ না করে তখনই রান্না করে ফেলুন।যে পদই করুন না কেন, ডিম খুব ভালোভাবে সেদ্ধ করতে হবে। উচ্চ তাপমাত্রায় অল্প রান্না করলে ভেতরটা কাঁচা রয়ে যেতে পারে। তাই মাঝারি আঁচে পর্যাপ্ত সময় ধরে রান্না করুন, যাতে ভেতরটা পুরোপুরি জমাট বাঁধে। সেদ্ধ হয়ে গেছে মনে হলেও একটি ডিম তুলে নিয়ে আলাদা প্লেট কিংবা বাটিতে রাখুন। একটা চামচ বা ছুরি দিয়ে ডিমের মাঝখানের অংশ কেটে দেখুন, নরম হয়ে আছে কি না। নরম থাকলে বুঝতে হবে, ডিম ভালোভাবে সেদ্ধ হয়নি। তখন আরও সেদ্ধ করুন। পরে আবার একইভাবে পরীক্ষা করে দেখুন, সেদ্ধ হয়েছে কি না। সেদ্ধ না হওয়া পর্যন্ত রান্নার ধরন বুঝে প্রয়োজন অনুযায়ী তাতে পানি বা তেল যোগ করতে পারেন, যাতে পাত্রের তলার দিকে পুড়ে বা লেগে না যায়।খেয়াল রাখুনমুরগির পেট থেকে নিরাপদভাবে বের করে নেওয়া ডিম ওপরের এসব নিয়ম মেনে রান্না করা হলে মানবস্বাস্থ্যের জন্য পুরোপুরি নিরাপদ। যেকোনো বয়সী মানুষেরই তাতে কোনো ক্ষতি হয় না। তবে ওপরের কোনো শর্তের ব্যত্যয় হলে ডিমের মাধ্যমে জীবাণু সংক্রমণের ঝুঁকি থাকে (বিশেষত সালমোনেলা নামের জীবাণু, যা ফুড পয়জনিংয়ের কারণ)।পুষ্টিগুণেও দারুণমুরগির পেটে থাকা এসব ডিম সঠিক নিয়মে খাওয়া হলে আপনি ডিমের নানা পুষ্টিও পাবেন। এই ডিমে আমিষ, অতি প্রয়োজনীয় ফ্যাটি অ্যাসিড, আয়রন, ভিটামিন বি১২সহ নানান পুষ্টি উপাদান থাকে।যদি থাকে নিষেধাজ্ঞাকোনো রোগের কারণে যাঁদের আমিষ বা আয়রন গ্রহণে বিধিনিষেধ আছে, তাঁদের ক্ষেত্রে রোজকার নির্ধারিত পরিমাণের চেয়ে বেশি কোনো ডিমই খাওয়া উচিত নয়। এই ডিমে বেশ উচ্চমাত্রায় কোলেস্টেরল থাকে। তাই যাঁদের রক্তে উচ্চ কোলেস্টেরল, ডায়াবেটিস বা হৃদ্‌রোগ রয়েছে, তাঁদের অতিরিক্ত কুসুম খাওয়ার ক্ষেত্রেও বিশেষজ্ঞের পরামর্শ মেনে চলা উচিত। যাঁদের এ ধরনের কোনো নিষেধাজ্ঞা নেই, এই বাড়তি ডিম তাঁদের দিয়ে দিতে পারেন।মুরগির হাড় চিবানো আসলেই কি ভালো

News সেপ্টেম্বর ১১, ২০২৬ 0
শালীনতা কেন জীবনের শ্রেষ্ঠ অলংকার

শালীনতা কেন জীবনের শ্রেষ্ঠ অলংকার

সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি পদে পুরোনো পথে বিএনপি, ক্ষোভ বিরোধী দলের

সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি পদে পুরোনো পথে বিএনপি, ক্ষোভ বিরোধী দলের

পাবনায় জমিতে জমে থাকা পানিতে নেমে ভাইবোনসহ তিন শিশুর মৃত্যু

পাবনায় জমিতে জমে থাকা পানিতে নেমে ভাইবোনসহ তিন শিশুর মৃত্যু

আদরের ছলে শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ, বৃদ্ধ গ্রেপ্তার
আদরের ছলে শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ, বৃদ্ধ গ্রেপ্তার

কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচরে আদর করার ছলে তিন বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে প্রতিবেশী এক বৃদ্ধকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আজ শুক্রবার দুপুরে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। স্থানীয় লোকজনের অভিযোগ, এর আগেও আশপাশের একাধিক শিশুকে আদরের ছলে যৌন নিপীড়ন করেছেন ওই বৃদ্ধ। গ্রেপ্তার ব্যক্তির নাম আবু বক্কর (৬৫)। তিনি কুলিয়ারচর উপজেলার একটি গ্রামের বাসিন্দা। ধর্ষণের অভিযোগ এনে আজ শুক্রবার আবু বক্করকে একমাত্র আসামি করে কুলিয়ারচর থানায় মামলা করেন এক শিশুর মা। ওই মামলায় তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।কাজী আরিফ উদ্দিন, ওসি, কুলিয়ারচর থানাপ্রতিবেশীরা জানিয়েছেন, আবু বক্কর কিছুদিন পরপর শিশুদের ডেকে নিয়ে আদরের ছলে যৌন নির্যাতন করেন। আদর করাই তাঁর কৌশল। শিশুদের বিষয়ে তাঁর স্বভাব খারাপ হয়ে গেছে বলে এলাকাবাসীর অভিযোগ।পুলিশ ও ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, শিশুটির পরিবারের ও আবু বক্করের ঘর পাশাপাশি। শিশুটি তাঁকে নানা বলে ডাকে। গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে আটটার দিকে বাড়িতে খেলার সময় আবু বক্কর শিশুটিকে নিজের ঘরে নেন। এ সময় ঘরে কেউ ছিল না। কিছুক্ষণ পর শিশুটি কাঁদতে কাঁদতে বাড়িতে আসে। কান্নার কারণ জানতে চাইলে সে মাকে আবু বক্করের নাম বলে।শিশুটির মা পরে তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে ক্ষতচিহ্ন দেখতে পান। এরপর তার মা কয়েকজন প্রতিবেশীকে নিয়ে আবু বক্করের কাছে যান। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে তিনি কোনো কথা বলেননি। পরে আবু বক্কর বাড়ি থেকে চলে যান।পরিবারের সদস্যদের অভিযোগ, আবু বক্কর শিশুটিকে ঘরে নিয়ে ধর্ষণ করেছেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। শিশুটিকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় কিশোরগঞ্জ শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সে বর্তমানে সেখানে চিকিৎসাধীন।শিশুটির মামাকিছুদিন পরপর প্রতিবেশী শিশুরা আবু বক্করের হাতে নানাভাবে নির্যাতনের শিকার হচ্ছে, অথচ বারবার পার পেয়ে যাচ্ছে। আমরা মনে করেছি, এবার আর ছাড় দেওয়া যাবে না। ছাড় পেলে হয়তো পরদিন অন্য কোনো শিশুর গায়ে হাত দেবে। এ কারণে মামলা করা হয়েছে।শিশুটির মা বলেন, ‘আমরা আবু বক্করের চরিত্র সম্পর্কে আগে থেকেই জানতাম। কিন্তু আমার ঘরের এক ঘর পরই তাঁর ঘর। সব সময় তো চোখে চোখে রাখা সম্ভব হয় না। আমার মেয়ে আমার কাছে এসে কান্না করছিল। পরে নিজেই আবু বক্করের নাম বলে। শরীরে ব্যথার কথাও বলে। সারা শরীরের অনেক স্থানে দাগ হয়ে গিয়েছিল।’গতকাল থেকেই আবু বক্করকে গ্রেপ্তারে অভিযান শুরু করে পুলিশ। অবশেষে আজ শুক্রবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে কিশোরগঞ্জের বাজিতপুর উপজেলার পিরিজপুর এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।প্রতিবেশী ও পুলিশ বলছে, এর আগেও আশপাশের কয়েকটি শিশুকে আদর করার ছলে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ রয়েছে আবু বক্করের বিরুদ্ধে। বিশেষ করে মেয়েশিশুদের কাছে টেনে নিয়ে বিভিন্নভাবে যৌন নিপীড়নের চেষ্টা করতেন।স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, গত এক বছরে অন্তত দুটি শিশুকে ঘরে নিয়ে নানাভাবে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ উঠেছিল আবু বক্করের বিরুদ্ধে। একটি শিশুর বয়স সাড়ে চার বছর। অন্য শিশুর বয়স সাত বছর। সামাজিক সমস্যার কথা বিবেচনায় এনে আগের কোনো ঘটনায় পুলিশে অভিযোগ করা হয়নি। একজন অভিভাবক মৌখিকভাবে সতর্ক করেছেন। আরেকজন অভিভাবক ঘরে গিয়ে আবু বক্করকে মারধর করে আসেন।শিশুটির মামা বলেন, ‘কিছুদিন পরপর প্রতিবেশী শিশুরা আবু বক্করের হাতে নানাভাবে নির্যাতনের শিকার হচ্ছে, অথচ বারবার পার পেয়ে যাচ্ছে। আমরা মনে করেছি, এবার আর ছাড় দেওয়া যাবে না। ছাড় পেলে হয়তো পরদিন অন্য কোনো শিশুর গায়ে হাত দেবে। এ কারণে মামলা করা হয়েছে।’কুলিয়ারচর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাজী আরিফ উদ্দিন বলেন, প্রতিবেশীরা জানিয়েছেন, আবু বক্কর কিছুদিন পরপর শিশুদের ডেকে নিয়ে আদরের ছলে যৌন নির্যাতন করেন। আদর করাই তাঁর কৌশল। শিশুদের বিষয়ে তাঁর স্বভাব খারাপ হয়ে গেছে বলে এলাকাবাসীর অভিযোগ।আগের ঘটনাগুলো জানতেন কি না, এমন প্রশ্নে ওসি বলেন, না, পুলিশকে জানানো হয়নি। শিশুটির মায়ের করা ধর্ষণ মামলায় আবু বক্করকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হচ্ছে। শিশুটির ডাক্তারি পরীক্ষা হয়েছে।পুলিশ হেফাজতে আবু বক্কর সাংবাদিকদের বলেন, শিশুদের কাছে নিয়ে আদর করতে তাঁর ভালো লাগে। এ কারণে তিনি তাদের কাছে টেনে নেন। আদরকে যৌন হয়রানি বলা যায় না বলে দাবি তাঁর।আবু বক্করের স্ত্রী সন্তানেরা বাড়িতে নেই। তবে পরিবারের সদস্যরাও বলেন, শিশুদের নিয়ে তাঁর বিরুদ্ধে মন্দ কথা শোনার পর তাঁরা তাঁকে জিজ্ঞাসা করেছিলেন। প্রতিবারই আবু বক্কর দাবি করতেন, তিনি শুধু শিশুদের আদর করার জন্য কাছে টেনে নেন। পরে পরিবারের সদস্যরা তাঁকে অন্য কোনো শিশুকে এভাবে আদর না করার জন্য সতর্কও করেছিলেন।

News সেপ্টেম্বর ১১, ২০২৬ 0
বেতন-ভিসা-নিয়োগ নিয়ে মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশিদের ৪৫০ অভিযোগ, সমাধান ৩৩০টির

বেতন-ভিসা-নিয়োগ নিয়ে মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশিদের ৪৫০ অভিযোগ, সমাধান ৩৩০টির

সাদা ভাত ভুলে যান, অপরাজিতা ফুলে বানান নীল ভাত

সাদা ভাত ভুলে যান, অপরাজিতা ফুলে বানান নীল ভাত

নতুন ইউটিউব চ্যানেল খোলার আগে মাথায় রাখুন ৭ বিষয়

নতুন ইউটিউব চ্যানেল খোলার আগে মাথায় রাখুন ৭ বিষয়

0 Comments