জাতীয়

পাওনা ৩ লাখ টাকা চাওয়ায় বন্ধুকে খুন করে মাটিচাপা দেওয়ার অভিযোগ

News সেপ্টেম্বর ১১, ২০২৬ 0
পাওনা ৩ লাখ টাকা চাওয়ায় বন্ধুকে খুন করে মাটিচাপা দেওয়ার অভিযোগ
পাওনা ৩ লাখ টাকা চাওয়ায় বন্ধুকে খুন করে মাটিচাপা দেওয়ার অভিযোগ

পুরান ঢাকার লালবাগে পাওনা তিন লাখ টাকা চাওয়ায় ব্যবসায়ী শেখ ওয়াসিমকে তাঁর বন্ধু মাসুম হত্যা করেন বলে অভিযোগ উঠেছে। বিস্তারিত ভিডিও প্রতিবেদনে...

Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

ব্যাটিং বিপর্যয়ে দিন শুরু, লড়াইয়ে ফিরতে মরিয়া টাইগাররা

কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন

জাতীয়

View more
দোকান খুলে ক্রেতার অপেক্ষা, ক্রেতা আসার সময় হলেই বিদ্যুৎ উধাও
দোকান খুলে ক্রেতার অপেক্ষা, ক্রেতা আসার সময় হলেই বিদ্যুৎ উধাও

সারাদিন দোকান খোলা থাকলেও ক্রেতার দেখা নেই। বিকেলের পর যখন কিছুটা বেচাকেনা শুরু হয়, তখনই হানা দেয় লোডশেডিং। দেড় থেকে দুই ঘণ্টা, কখনো তারও বেশি সময় বিদ্যুৎ না থাকায় সন্ধ্যার গুরুত্বপূর্ণ বিক্রির সময়টুকুও কাজে লাগাতে পারছেন না রাজশাহীর ব্যবসায়ীরা। ভুক্তভোগী ব্যবসায়ীরা বলছেন, দিনে চার-পাঁচবার বিদ্যুৎ চলে যাওয়ার সঙ্গে যুক্ত হয়েছে বাড়তি বিদ্যুৎ বিল, দোকানভাড়া, কর্মচারীদের বেতন ও ট্যাক্সের চাপ। আবার বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের জন্য রাত ৮টার পর দোকান বন্ধ করতে হচ্ছে। সব মিলিয়ে ক্রেতা সংকট ও বাড়তি ব্যয়ের চাপে লোকসান গুনছেন তারা। রাজশাহীর সাহেববাজার, আরডিএ মার্কেট ও নিউ মার্কেটের বিভিন্ন পোশাকের দোকান ঘুরে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য জানা গেছে। সরেজমিনে দেখা যায়, একসময় ক্রেতাদের পদচারণায় মুখর থাকা আরডিএ মার্কেটের পোশাকের দোকানগুলোতে এখন তেমন ভিড় নেই। অধিকাংশ দোকান খোলা থাকলেও অনেক বিক্রেতাকে অলস সময় কাটাতে দেখা যায়। পোশাকের পাশাপাশি জুতা, গহনা, প্রসাধনী, শিশুদের খেলনা ও গৃহস্থালি পণ্যের দোকানেও ক্রেতার উপস্থিতি তুলনামূলক কম। ব্যবসায়ীরা জানান, সারাদিন দোকান খোলা রাখলেও হাতেগোনা কয়েকজন ক্রেতা আসছেন। অনেকে পণ্য দেখছেন, দাম করছেন, কিন্তু শেষ পর্যন্ত না কিনেই চলে যাচ্ছেন। ফলে দৈনিক বিক্রিও কমে গেছে। তবে বিভিন্ন উৎসব বা বিশেষ মৌসুমে বেচাকেনা কিছুটা বাড়ে। উৎস কালেকশনের মালিক হাবিব বলেন, মাসের শুরুতেই ব্যবসার অবস্থা ভয়াবহ। কাস্টমার একদম নেই বললেই চলে। এত বড় প্রতিষ্ঠান নিয়ে বসে আছি, কিন্তু কোনো ব্যবসা হচ্ছে না। প্রতিদিন প্রায় ৫ থেকে ৭ হাজার টাকা লোকসান বা ঘাটতি গুনতে হচ্ছে। এভাবে চলতে থাকলে ব্যবসা ধরে রাখা কঠিন হয়ে যাবে। আরও পড়ুন লোডশেডিংয়ে মরছে মুরগি, ব্যবসা ছাড়ছেন খামারিরা লোডশেডিংয়ের বিষয়ে তিনি বলেন, যেটুকু সময় কাস্টমার পাওয়া যায়, বিশেষ করে সন্ধ্যার দিকে, তখনই বিদ্যুতের সমস্যা দেখা দেয়। কারেন্ট চলে গেলে এক থেকে দেড় ঘণ্টা, কখনো দুই থেকে তিন ঘণ্টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ থাকে না। দিনে চার-পাঁচবারও বিদ্যুৎ চলে যাচ্ছে। একটি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে এভাবে দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না থাকলে ব্যবসা কীভাবে চলবে? তিনি আরও বলেন, আগে রাত ১০টা-১১টা পর্যন্ত দোকান খোলা রাখতেন। এখন সরকার নির্ধারিত সময় অনুযায়ী রাত ৮টার দিকে দোকান বন্ধ করতে হচ্ছে। এতে ব্যবসার সময় কমে গেছে। ব্যবসার পাশাপাশি ব্যাংক ঋণের কিস্তি টানাও কঠিন হয়ে পড়েছে। বিক্রি কম, বাড়ছে লোকসান আরডিএ মার্কেটের লুক কালেকশনের মালিক মো. শামীম বলেন, গত তিন-চার মাস ধরে বর্ষা-বৃষ্টি ও আবহাওয়া পরিবর্তনের কারণে ব্যবসা ভালো যাচ্ছে না। দোকানের বিদ্যুৎ বিল, ভাড়া ও কর্মচারীদের বেতনসহ নিয়মিত খরচ মেটাতে গিয়ে হিমশিম খেতে হচ্ছে। নিজস্ব পুঁজি শেষ হয়ে যাওয়ার পাশাপাশি ঋণগ্রস্তও হয়ে পড়ছেন তারা। তিনি বলেন, রাজশাহী মহানগরে ফুটপাতের দোকান ব্যাপকভাবে বেড়েছে। বিশেষ করে মাসের পাঁচ তারিখের পর ফুটপাতের ব্যবসা আরও জমজমাট হয়। ফলে মানুষ মার্কেটের পরিবর্তে ফুটপাতমুখী হচ্ছেন। অনেক সময় ৫০০ টাকার পণ্য ৩০০ টাকায় বিক্রি করতে হচ্ছে। এতে ব্যবসার পুঁজি ধরে রাখাও কঠিন হয়ে পড়েছে। শামীম আরও বলেন, দোকানের ট্যাক্স ও বিদ্যুৎ বিল বাড়লেও সে অনুপাতে ব্যবসা বাড়েনি। কোনো দিন ১০ হাজার টাকা, আবার কোনো দিন ৫ হাজার বা ৩ হাজার টাকা বিক্রি হয়। অনেক দিন কোনো বিক্রিই হয় না। অথচ প্রতিদিন একটি দোকানের পেছনে প্রায় ৩ থেকে ৪ হাজার টাকা খরচ হয়। ফলে প্রতিদিনই ঘাটতি থাকছে। গড়ে ৩ হাজার টাকা লোকসান হলে মাসে প্রায় ৯০ হাজার টাকা ঘাটতি হয়। অনেক সময় মাসে এক লাখ টাকার কাছাকাছিও লোকসান হচ্ছে। ফুটপাতের ব্যবসা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, নিম্নআয়ের মানুষের জন্য ফুটপাতের ব্যবসার প্রয়োজন রয়েছে। তবে এটি নিয়ম-শৃঙ্খলার মধ্যে আনার পাশাপাশি মার্কেটের ব্যবসায়ীদেরও টিকে থাকার সুযোগ তৈরি করতে হবে। নিউ মার্কেটের পোশাক বিক্রেতা আসাদুল ইসলাম বলেন, আগের মতো এখন ক্রেতা পাওয়া যায় না। অনেকেই মার্কেটে না এসে ফুটপাত থেকে কম দামে পোশাক কিনছেন। ফলে বেচাকেনা অনেকটাই কমে গেছে। সাহেববাজারের জুতা ব্যবসায়ী আমজাদ বলেন, বেচাকেনা একদম ডাউন। এ বাজারে আমাদের তিনটি দোকান। সবগুলোতেই বিক্রির অবস্থা ভালো না। দিনভর তেমন ক্রেতা থাকে না। তবে বিকেল থেকে রাত পর্যন্ত কিছুটা বেচাকেনা হয়। এভাবে চলতে থাকলে লোকসানের মধ্যে পড়তে হবে। অনলাইনেও কমছে শোরুমের বিক্রি মার্কেটের পাশাপাশি রাজশাহীর বিভিন্ন শোরুমেও ক্রেতার উপস্থিতি কম দেখা গেছে। বিক্রয়কর্মীরা জানান, অনলাইনভিত্তিক কেনাকাটার জনপ্রিয়তার কারণেও শোরুমের বেচাকেনায় ভাটা পড়েছে। ইজি ফ্যাশনের বিক্রয়কর্মী নাবিল মোস্তফা বলেন, আলহামদুলিল্লাহ, এখানে বেচাকেনা মোটামুটি আছে। তবে আগে যে পরিমাণে সেল হতো, এখন তেমন সেল নেই। অনেকেই অনলাইনে পোশাক অর্ডার করছেন। ফলে আমাদের বেচাকেনায়ও ভাটা পড়ছে। আরও পড়ুন ময়মনসিংহে লোডশেডিং ১০-১৫ ঘণ্টা, বিপাকে ব্যবসায়ীরা বিদ্যুৎ না থাকায় অনেক দোকানে ব্যবসা টিকিয়ে রাখতে জেনারেটর ব্যবহার করতে হচ্ছে। এতে ডিজেলের বাড়তি খরচে পরিচালন ব্যয় বেড়ে যাচ্ছে বলে জানান ব্যবসায়ীরা। বিক্রেতা আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, অতিরিক্ত লোডশেডিংয়ের কারণে দোকানে জেনারেটর লাগিয়েছেন। কিন্তু ডিজেলের দামের কারণে আয়-ব্যয়ের হিসাব মিলছে না। তারপরও ব্যবসা টিকিয়ে রাখতে চেষ্টা করছেন। পরিকল্পিত রেশনিং হতে পারে স্বল্পমেয়াদি সমাধান রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপ-উপাচার্য ও অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহা. ফরিদ উদ্দীন খান বলেন, ব্যবসায়ীরা বর্তমানে সবচেয়ে খারাপ সময়ের মধ্যে রয়েছেন। বিপ্লবের পর অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ও দেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি ভালো ছিল না। অস্থিরতার কারণে ব্যবসায়ীরা স্বাভাবিকভাবে ঘুরে দাঁড়াতে পারেননি। তিনি বলেন, গণতান্ত্রিক সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পরও মূল্যস্ফীতি বেড়েছে, কিন্তু মানুষের আয়-উপার্জন সেভাবে বাড়েনি। এর সঙ্গে নতুন করে যুক্ত হয়েছে বিদ্যুৎ সংকট। অনেক মার্কেটে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত ব্যবস্থা ও পর্যাপ্ত আলোর সুবিধা ছাড়া মানুষ যেতে চায় না। আরও পড়ুন বিকেল-রাতে লোডশেডিং ২ হাজার মেগাওয়াট ছাড়াতে পারে অধ্যাপক ফরিদ উদ্দীন খান বলেন, স্বল্পমেয়াদে ব্যবসায়ীদের জন্য নির্দিষ্ট সময় অনুযায়ী বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করা যেতে পারে। কোন এলাকায় কখন বিদ্যুৎ থাকবে বা থাকবে না, তা আগে থেকে জানিয়ে দিলে ব্যবসায়ীরা প্রস্তুতি নিতে পারবেন। এ ধরনের পরিকল্পিত রেশনিং কিছুটা কার্যকর হতে পারে। তবে এটি দীর্ঘমেয়াদি সমাধান নয়। দীর্ঘমেয়াদে বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়াতে হবে। তিনি আরও বলেন, ছোট ছোট উদ্যোক্তারা অল্প পুঁজি নিয়ে ব্যবসা করছেন এবং অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছেন। তারা ব্যবসা বন্ধ করে দিতে বাধ্য হলে দেশের অর্থনীতিতে এর বড় ধরনের নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। এমওএইচএম/কেএইচকে

News সেপ্টেম্বর ১২, ২০২৬ 0
ইয়েমেনে অস্ত্র তৈরিতে এআই ব্যবহারের চেষ্টা

ইয়েমেনে অস্ত্র তৈরিতে এআই ব্যবহারের চেষ্টা

ট্রাম্পকে নতুন সঙ্কটে ফেলেছে হুথিরা

ট্রাম্পকে নতুন সঙ্কটে ফেলেছে হুথিরা

শ্রীপুরে পৃথক স্থানে ২ অচেতন ব্যক্তি উদ্ধার, উদ্বেগ বাড়ছে

শ্রীপুরে পৃথক স্থানে ২ অচেতন ব্যক্তি উদ্ধার, উদ্বেগ বাড়ছে

‘অতিমাত্রায় রাজনীতিতে শিক্ষকরা’, লাগাম টানতে হচ্ছে আচরণবিধি
‘অতিমাত্রায় রাজনীতিতে শিক্ষকরা’, লাগাম টানতে হচ্ছে আচরণবিধি

দেশের সরকারি বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা সরাসরি রাজনীতি করতে পারেন না। তবে বিদ্যমান বেসরকারি স্কুল, কলেজ, মাদরাসা ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীদের রাজনীতি করার সুযোগ রয়েছে। এ সুযোগ নিয়ে শিক্ষকরা শিক্ষকতার চেয়েও রাজনীতিতে বেশি সক্রিয় হয়ে পড়েছেন। এতে ব্যাহত হচ্ছে শিক্ষাকার্যক্রম। শিক্ষকদের অতিমাত্রায় রাজনীতিতে জড়িয়েপড়া ঠেকাতে এবার কঠোর পদক্ষেপ নিচ্ছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। দেশের এমপিওভুক্ত শিক্ষক ও কর্মচারীদের জন্য নতুন আচরণবিধি করা হচ্ছে। তাতে শিক্ষকদের রাজনীতিতে জড়ানোর সুযোগ পুরোপুরি বন্ধ করা হচ্ছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানান, সম্প্রতি অতিমাত্রায় রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ততা ও জবাবদিহির অভাবে শিক্ষকরা দায়িত্বহীন হয়ে পড়ছেন। এতে শিক্ষায় বিপর্যয় ঘটছে বলে মনে করছেন শিক্ষা সংশ্লিষ্টরা। আরও পড়ুন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হবে রাজনীতিমুক্ত, এমপিও শিক্ষকদের জন্য আসছে আচরণবিধি বিষয়টি অবগত হয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নিজে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের রাজনীতিতে জড়ানো ঠেকাতে আচরণবিধি করার নির্দেশনা দিয়েছেন। সেই নির্দেশনা মেনে বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের আচরণবিধি তৈরির কাজ শুরু হয়েছে। এ সংক্রান্ত একটি খসড়া পরিমার্জন করে চূড়ান্ত বিধিমালা প্রণয়ন করা হবে। ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ফলাফল খারাপ হওয়ার জন্য শিক্ষকরা তাদের দায় এড়াতে পারেন না। বিগত দিনে দেখা গেছে শিক্ষকরা ক্লাসরুমে পাঠদানের চেয়ে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে মনোযোগী হয়েছেন বেশি। ফলে সার্বিক ফলাফলে এর নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। শিক্ষাঙ্গনে শিক্ষকদের রাজনীতিমুক্ত রাখা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার এখন সময়ের দাবি। শিক্ষার মানোন্নয়নে প্রধানমন্ত্রীর ১৫ নির্দেশনা ১. শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়মুখী করতে লেখাপড়ার পাশাপাশি খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক চর্চা, চিত্রাঙ্কন ও গণিত অলিম্পিয়াডসহ বিভিন্ন সহশিক্ষা কার্যক্রমের সুযোগ সম্প্রসারণ করা। ২. শিক্ষাঙ্গনে রাজনীতিমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করতে শিক্ষকদের আচরণবিধি সংশোধন ও শিক্ষকদের শিক্ষাবহির্ভূত কাজ থেকে মুক্ত রাখা। ৩. শ্রেণিকক্ষে নিয়মিত পাঠদান নিশ্চিত করতে দেশব্যাপী সময়াবদ্ধ অভিন্ন পাঠ পরিকল্পনা ও রুটিন বাস্তবায়ন করা। ৪. দেশের যে কোনো প্রান্ত থেকে শিক্ষার্থীরা যেন সেরা শিক্ষকদের ক্লাস গ্রহণের সুযোগ পায়, সে লক্ষ্যে একটি ডেডিকেটেড ‘জাতীয় শিক্ষা চ্যানেল’ প্রতিষ্ঠার সম্ভাব্যতা যাচাই করা। ৫. প্রযুক্তিনির্ভর মনিটরিং ব্যবস্থার মাধ্যমে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পাঠদান অনলাইনে তদারকি করা। ৬. শিক্ষকদের দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য মানসম্মত ও কার্যকর প্রশিক্ষণের বিস্তৃত কর্মপরিকল্পনা ও পর্যায়ক্রমে তা বাস্তবায়ন করা। আরও পড়ুন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ভিসি / কলেজ শিক্ষকরা রাজনীতিতে জড়ালে গভর্নিং বডি ভেঙে দেওয়া হবে ৭. ডেডিকেটেড প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা না হওয়া পর্যন্ত বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের অব্যবহৃত ভবন শিক্ষক প্রশিক্ষণের কাজে ব্যবহারের সম্ভাব্যতা যাচাই করা। ৮. গণিত, ইংরেজি ও বিজ্ঞান বিষয়ের শিক্ষক ঘাটতি মেটাতে দ্রুত শূন্যপদ পূরণ এবং শিক্ষকদের বিষয়ভিত্তিক বিশেষায়িত প্রশিক্ষণ প্রদান। ৯. ভালো কাজের স্বীকৃতি হিসেবে শিক্ষকদের পদক ও পুরস্কারের মাধ্যমে পাঠদান ও নেতৃত্বগুণ বিকাশে উৎসাহিত করা। ১০. শ্রমবাজারের চাহিদা ও শিক্ষার্থীদের সামর্থ্য ও আগ্রহ অনুযায়ী কারিগরি, প্রযুক্তিনির্ভর ও কর্মমুখী শিক্ষার সুযোগ বাড়ানো। ১১. শিক্ষা পরিকল্পনা প্রণয়নে কেন্দ্রীয় গবেষণা ডাটাবেজ গড়ে তোলা এবং স্থানীয় চাহিদাকে প্রাধান্য দেওয়া। ১২. ক্লাসরুমে শিক্ষকরা যেন প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি ও শিক্ষা উপকরণ ব্যবহার করে পাঠদান আকর্ষণীয় করেন, তা নিশ্চিত করা। ১৩. শিক্ষক প্রশিক্ষণ ও পেশাগত উন্নয়নে একটি সমন্বিত ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম তৈরির উদ্যোগ গ্রহণ। ১৪. প্রশিক্ষণ কার্যক্রম মূল্যায়ন তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত করা, যেন শ্রেণিকক্ষে প্রশিক্ষণের বাস্তব প্রতিফলন ঘটে। ১৫. শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ পরবর্তী ভালো চর্চা ও সফল অভিজ্ঞতা সারাদেশে বিস্তৃতির লক্ষ্যে শিক্ষকদের ‘এক্সচেঞ্জ প্রোগ্রামের ব্যবস্থা’ করতে হবে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেক বলেন, শিক্ষার গুণগত মান নিশ্চিত করা বর্তমান সরকারের অন্যতম প্রধান অঙ্গীকার। প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া অনুশাসনগুলো বাস্তবায়নে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে এরই মধ্যে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। তিনি জানান, অনুশাসনগুলো একটি সময়াবদ্ধ কর্মপরিকল্পনা অনুযায়ী দৃশ্যমান করতে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো নিরবচ্ছিন্নভাবে কাজ করে যাচ্ছে। পাশাপাশি তা বাস্তবায়নের অগ্রগতি সম্পর্কে জানাতে বলা হয়েছে। এএএইচ/ইএ

News সেপ্টেম্বর ১২, ২০২৬ 0
সমুদ্রসৈকতে তোলা ছবি দিয়ে দীঘি লিখেছেন, ‘ব্লেসড মেস’

সমুদ্রসৈকতে তোলা ছবি দিয়ে দীঘি লিখেছেন, ‘ব্লেসড মেস’

মসজিদে পিস্তল-গুলি দেখে পুলিশকে জানালেন মুয়াজ্জিন

মসজিদে পিস্তল-গুলি দেখে পুলিশকে জানালেন মুয়াজ্জিন

চেকপোস্টে থামার সংকেত অমান্য, এসআইকে ধাক্কা দিয়ে পালালেন দুই বাইকার

চেকপোস্টে থামার সংকেত অমান্য, এসআইকে ধাক্কা দিয়ে পালালেন দুই বাইকার

0 Comments