জাতীয়

বসতঘরে মজুত ২৮৮ বস্তা সার জব্দ, ব্যবসায়ীর কারাদণ্ড

News সেপ্টেম্বর ১১, ২০২৬ 0
বসতঘরে মজুত ২৮৮ বস্তা সার জব্দ, ব্যবসায়ীর কারাদণ্ড
বসতঘরে মজুত ২৮৮ বস্তা সার জব্দ, ব্যবসায়ীর কারাদণ্ড

মাগুরার শ্রীপুরে অভিযান চালিয়ে ২৮৮ বস্তা সার জব্দ করেছে উপজেলা প্রশাসন। এ সময় সরকারি অনুমোদন ছাড়া সার মজুত রাখার দায়ে জামিরুল ইসলাম নামে এক ব্যবসায়ীকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা ও সাত দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) বিকেলে উপজেলার টিকারবিলা বাজারে শ্রীপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আসমাউল হুসনা পিংকির নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত এ অভিযান পরিচালনা করেন।

উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, অসাধু উদ্দেশ্যে বসতঘরে সার মজুত করে রাখার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে টিকারবিলা বাজারের ব্যবসায়ী জামিরুল ইসলামের বাড়িতে অভিযান চালানো হয়। তল্লাশি চালিয়ে সেখান থেকে অবৈধভাবে মজুত করা ২৮৮ বস্তা সার জব্দ করা হয়। বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি করে বেশি দামে বিক্রির উদ্দেশ্যে এসব সার মজুত করা হয়েছিল বলে প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

সার ব্যবস্থাপনা আইনে অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আসমাউল হুসনা পিংকি ব্যবসায়ী জামিরুল ইসলামকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা ও সাত দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আসমাউল হুসনা পিংকি বলেন, কৃষি খাতে কৃত্রিম সংকট তৈরি বা কোনো ধরনের অসাধু পন্থা অবলম্বনকারীদের কোনোভাবেই বরদাস্ত করা হবে না। কৃষকদের স্বার্থে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

শ্রীপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা হুমায়ুন কবির বলেন, অবৈধভাবে সার মজুত করে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টির চেষ্টা করার খবর পেয়ে উপজেলা প্রশাসন ও পুলিশের যৌথ সহায়তায় অভিযান চালিয়ে সারগুলো জব্দ করা হয়েছে। জনস্বার্থে এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।

অভিযানকালে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা হুমায়ুন কবির, উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তারা, শ্রীপুর থানা পুলিশের একটি দল এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও সাধারণ মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, পাঁচ দিনের ব্যবধানে একই এলাকায় অবৈধ সার মজুতের বিরুদ্ধে এটি দ্বিতীয় বড় অভিযান।

মো. মিনারুল ইসলাম জুয়েল/কেএইচকে/জেআইএম

Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

ব্যাটিং বিপর্যয়ে দিন শুরু, লড়াইয়ে ফিরতে মরিয়া টাইগাররা

কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন

জাতীয়

View more
কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ.লীগের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সুযোগ নেই: প্রতিমন্ত্রী শাহে আলম
কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ.লীগের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সুযোগ নেই: প্রতিমন্ত্রী শাহে আলম

কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠন হিসেবে আওয়ামী লীগের নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সুযোগ নেই বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। আজ শুক্রবার বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলা পরিষদ চত্বরের একটি পুকুরে মাছের পোনা অবমুক্তকরণ অনুষ্ঠান শেষে তিনি এমন মন্তব্য করেন।সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘যতক্ষণ পর্যন্ত এই দলের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার না হচ্ছে, ততক্ষণ পর্যন্ত ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনগুলোর বাংলাদেশে নির্বাচন করা তো দূরের কথা, কোনো রাজনৈতিক কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার অধিকার নেই। যদি তারা তা করে, তাহলে আইনের আওতায় আসবে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে।’‘আওয়ামী লীগ নিয়ে তো এই মুহূর্তে প্রশ্ন করা ঠিক না’নিষিদ্ধঘোষিত একটি সংগঠনকে নিয়ে প্রশ্ন করা হলে বিব্রত বোধ করেন বলেও জানান স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগ নিয়ে তো এই মুহূর্তে প্রশ্ন করা ঠিক না, উচিতও না। কারণ, আওয়ামী লীগ একটি নিষিদ্ধঘোষিত সংগঠন।’মীর শাহে আলম বলেন, ‘আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ থাকায় দলীয়ভাবে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার অধিকার তাদের নেই। তাদের কোনো সভা–সমাবেশ বা মিছিল করারও অধিকার নেই। এমনকি দলীয় কার্যালয় খুলে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনারও সুযোগ নেই।’স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে সরকারের অবস্থান ব্যাখ্যা করে প্রতিমন্ত্রী জানান, বিগত স্বৈরাচারী শাসনের সময় দেশের গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান ও নির্বাচনব্যবস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। বর্তমান সরকারের অন্যতম প্রধান ম্যান্ডেট হলো পাঁচটি স্থানীয় সরকার নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করা। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের স্পষ্ট নির্দেশ রয়েছে, যেকোনো মূল্যে এসব নির্বাচন মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্য করে তুলতে হবে। এ বাবদ বাজেটে প্রায় ছয় হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। নির্বাচন কমিশন প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নিচ্ছে।স্থানীয় সরকার নির্বাচনের আইনি পরিবর্তনের কথা উল্লেখ করে মীর শাহে আলম বলেন, সংশোধিত আইন অনুযায়ী এবার স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন বা দলীয় প্রতীক ব্যবহারের সুযোগ থাকছে না। নির্বাচন হবে সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ ও সাধারণ প্রতীকে।তবে মাঠপর্যায়ে দলের ‘চেইন অব কমান্ড’ ঠিক রাখতে বিএনপি একক প্রার্থীকে সমর্থনের নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে প্রতিমন্ত্রী জানান। তিনি বলেন, কোনো ইউনিয়নে একাধিক প্রার্থী থাকলে স্থানীয় পর্যায়ে সমঝোতার চেষ্টা করা হবে, অন্যথা দলীয় শৃঙ্খলাভঙ্গের দায়ে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।বগুড়ায় ইপিজেড (রপ্তানি প্রক্রিয়াজাতকরণ অঞ্চল), বিমানবন্দর ও বগুড়া–সিরাজগঞ্জ রেলপথসহ প্রধান উন্নয়ন প্রকল্পগুলোর কাজ শুরু হওয়া নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মীর শাহে আলম বলেন, সরকারের মেয়াদ মাত্র ছয় মাস পার হয়েছে। বড় বড় প্রকল্প বাস্তবায়নে নিয়মমাফিক প্রশাসনিক প্রক্রিয়ার জন্য কিছুটা সময় লাগে। তবে ডিসেম্বরের মধ্যেই বগুড়াবাসী এসব প্রকল্পের দৃশ্যমান অগ্রগতি দেখতে পাবে।এর আগে ২০২৬–২৭ অর্থবছরে রাজস্ব খাতের আওতায় শিবগঞ্জ উপজেলা পরিষদ পুকুরে পোনা মাছ অবমুক্ত করে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী। অনুষ্ঠানে শিবগঞ্জ উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, শিক্ষক–শিক্ষার্থী ও রাজনৈতিক নেতারা উপস্থিত ছিলেন।পরে শিবগঞ্জ ও মোকামতলা উপজেলায় শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের প্রতিভা অন্বেষণ পরীক্ষাকেন্দ্র পরিদর্শন করেন প্রতিমন্ত্রী। এ ছাড়া শিক্ষার্থীদের নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করতে শিবগঞ্জ গ্রামার স্কুল অ্যান্ড কলেজ ও বেতগাড়ী মীর শাহে আলম বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের অনুকূলে দুটি স্কুলবাস হস্তান্তর করেন।

News সেপ্টেম্বর ১১, ২০২৬ 0
১৯৭৪ সালের দুর্ভিক্ষে রাস্তার পাশে শত শত মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেছি

১৯৭৪ সালের দুর্ভিক্ষে রাস্তার পাশে শত শত মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেছি

বিয়ের খবরে পরকীয়া প্রেমিকের বাড়িতে সন্তানসহ গৃহবধূ, এসেছেন স্বামীও

বিয়ের খবরে পরকীয়া প্রেমিকের বাড়িতে সন্তানসহ গৃহবধূ, এসেছেন স্বামীও

‌‘মাদক ব্যবসায়ীরা অসাধু পুলিশের সহযোগিতায় বেপরোয়া হয়ে উঠেছে’

‌‘মাদক ব্যবসায়ীরা অসাধু পুলিশের সহযোগিতায় বেপরোয়া হয়ে উঠেছে’

ব্যর্থতার জবাবে সরকারের ৬ মাসের কার্যক্রমের ব্যানার টানালো ছাত্রদল
ব্যর্থতার জবাবে সরকারের ৬ মাসের কার্যক্রমের ব্যানার টানালো ছাত্রদল

নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (নোবিপ্রবি) ‘বিএনপি সরকারের ১৮০ দিনের ব্যর্থতা’ শীর্ষক ব্যানারের পাল্টা ‘সরকারের প্রথম ৬ মাসের উল্লেখযোগ্য কার্যক্রম ও উদ্যোগ’ শীর্ষক ব্যানার ও ফেস্টুন টানিয়েছে ছাত্রদল। বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক, গ্যারেজ, শান্তিনিকেতনসহ ক্যাম্পাসের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে এসব ব্যানার ও ফেস্টুন টানানো হয়। ছাত্রদলের টানানো ব্যানারে সরকারের প্রথম ছয় মাসের বিভিন্ন কার্যক্রম ও উদ্যোগের তালিকা তুলে ধরা হয়েছে। এতে বৈদেশিক ঋণ পরিশোধ, ভোলায় বিদ্যুৎ ও সার কারখানা স্থাপনের উদ্যোগ, আধুনিক স্বাস্থ্য অবকাঠামো, খাল খনন, চীনা বিনিয়োগ, মালয়েশিয়ায় শ্রমবাজার, বনায়ন কর্মসূচি, রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন, নারী শিক্ষা ও বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভসহ বিভিন্ন বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া খাদ্যনিরাপত্তা, নারীদের জন্য ‘পিংক বাস’ সার্ভিস, অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের পেনশন, জাতীয় এলএনজি টার্মিনাল, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে এআইনির্ভর ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা, মাদরাসায় ‘মিড-ডে মিল’, চা-বাগান শ্রমিকদের জন্য রেইনকোট বিতরণ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ভিত্তিক স্টার্টআপ ইকোসিস্টেম গড়ে তোলার উদ্যোগের কথাও ব্যানারে তুলে ধরা হয়েছে। আরও পড়ুন ‘ভাইভা কোটার কবর দে’ স্লোগানে মধ্যরাতে উত্তাল নোবিপ্রবি ব্যানারে আরও উল্লেখ করা হয়েছে বাঁধ ও বন্যা নিয়ন্ত্রণ, ‘স্মার্ট ও গ্রিন ঢাকা’, নিম্নআয়ের মানুষের জন্য হেলথ কার্ড, সুবিধাবঞ্চিত পরিবারের জন্য ফ্যামিলি কার্ড, কৃষকদের জন্য কৃষক কার্ড, মোংলা বন্দরের আধুনিকায়ন, রেলওয়ের আয় বৃদ্ধি, আধুনিক বাজার সংযোগ এবং পরিবেশবান্ধব পরিবহনব্যবস্থাসহ বিভিন্ন উদ্যোগ। এ বিষয়ে শাখা ছাত্রদলের সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি সাব্বির হোসেন শান্ত বলেন, ‌‘বিগত ছয় মাসে দেশের উন্নয়নে বিএনপি সরকার অনেক কাজ করেছে এবং বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে। কিন্তু একটি কুচক্রী মহল তারেক রহমানের জনপ্রিয়তা ও জনবান্ধব কার্যক্রম দেখে ঈর্ষান্বিত হয়ে বিএনপি সরকারের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে। তাই সবাইকে সচেতন করতে নোবিপ্রবি ছাত্রদলের পক্ষ থেকে এ ধরনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।’ এর আগে বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) রাতে নোবিপ্রবি ক্যাম্পাসের বিভিন্ন স্থানে ‘বিএনপি সরকারের ১৮০ দিনের ব্যর্থতা’ শীর্ষক ব্যানার টানায় জাতীয় ছাত্রশক্তি নোবিপ্রবি শাখা। পরে এসব ব্যানার খুলে ফেলা ও পুনরায় টানানোকে কেন্দ্র করে ক্যাম্পাসে আলোচনা তৈরি হয়। বৃহস্পতিবার সকালে নতুন করে টানানো ব্যানারগুলোও দেখা যায়নি। এরপরই ছাত্রদলের পক্ষ থেকে এসব পাল্টা ব্যানার ও ফেস্টুন টানানো হয়। এতে সরকারের কার্যক্রম ও ব্যর্থতা নিয়ে দুই রাজনৈতিক ছাত্রসংগঠনের পাল্টাপাল্টি প্রচারণায় নোবিপ্রবি ক্যাম্পাসে নতুন করে আলোচনা তৈরি হয়েছে। তবে ছাত্রদলের ব্যানারে উল্লেখ করা বিভিন্ন কার্যক্রম, পরিসংখ্যান ও দাবির উৎস এবং সেগুলোর বাস্তবায়নের অগ্রগতি সম্পর্কে সংগঠনটির পক্ষ থেকে বিস্তারিত ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি। এসআর/জেআইএম

News সেপ্টেম্বর ১১, ২০২৬ 0
আমীরুল ইসলাম: বাংলা শিশুসাহিত্যের ঋদ্ধিমান সন্তান

আমীরুল ইসলাম: বাংলা শিশুসাহিত্যের ঋদ্ধিমান সন্তান

রাজা হতে রাজি নন উগান্ডার সেই ফুটবলার

রাজা হতে রাজি নন উগান্ডার সেই ফুটবলার

বন্ধুদের সঙ্গে গোসলে নেমে নিখোঁজ দুই কিশোর, ৪ ঘণ্টা পর মিললো নিথর দেহ

বন্ধুদের সঙ্গে গোসলে নেমে নিখোঁজ দুই কিশোর, ৪ ঘণ্টা পর মিললো নিথর দেহ

শিশু শিক্ষার্থীকে বলাৎকার, অভিযুক্ত শিক্ষকসহ গ্রেফতার ২
শিশু শিক্ষার্থীকে বলাৎকার, অভিযুক্ত শিক্ষকসহ গ্রেফতার ২

টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে মারকাজুল উম্মা হাফেজিয়া মাদরাসার নাজেরা শাখার এক শিশু ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগ উঠেছে এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত শিক্ষক আল আমিন ও মাদরাসার প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক মাওলানা মনিরুজ্জামান মনিরকে (৫৫) গ্রেফতার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) মির্জাপুর পৌরসভার বংশাই রোডের মারকাজুল উম্মা হাফেজিয়া মাদরাসা থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়। ঘটনার পর উপজেলা প্রশাসন মাদরাসায় তালা ঝুলিয়ে দিয়েছে। জানা যায়, মির্জাপুর পৌরসভার বংশাই রোডের ওভার ব্রিজের উত্তর পাশে চারতলা একটি ভাড়া বাসায় মারকাজুল উম্মা হাফেজিয়া মাদরাসায় দুই শতাধিক শিশু শিক্ষার্থী আবাসিক থেকে পড়াশোনা করে আসছে। মাদরাসার প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক মাওলানা মনিরুজ্জামান মনির। মাদরাসার শিক্ষক হাফেজ আল আমিন নাজেরা শাখার শিশু শিক্ষার্থীকে ফুসলিয়ে ও ভয়ভীতি দেখিয়ে একটি কক্ষে বলাৎকার করে। শিশুটি অসুস্থ হয়ে পরলে ঘটনাটি তার পরিবারকে জানায়। পরে শুক্রবার শিশুটির মা রুমা বেগম মির্জাপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দিলে অভিযুক্ত শিক্ষক আল-আমিন ও মাদরাসার প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক মাওলানা মনিরুজ্জামানকে গ্রেফতার করে পুলিশ। শিশুটির পরিবার অভিযুক্তদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান। এদিকে ঘটনার খবর পেয়ে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা ও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নির্দেশে শিক্ষা অফিসার জুলফিকার হায়দার শিক্ষক ও অভিভাবকদের সঙ্গে পরামর্শ করে মাদরাসা বন্ধ করে তালা ঝুলিয়ে দিয়েছেন। মির্জাপুর থানার ডিউটি অফিসার শহিদুল ইসলাম বলেন, শিশুটির মাতা রুমি বেগম বাদী হয়ে মামলা করেছেন। অভিযুক্ত শিক্ষক আল আমিন ও পরিচালক মনিরুজ্জামান মনিরকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাদের জেলহাজতে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। আব্দুল্লাহ আল নোমান/এসজেডএইচ/জেআইএম

News সেপ্টেম্বর ১১, ২০২৬ 0
বৃদ্ধ মা-বাবার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই সম্পত্তি হস্তান্তর বিল পাস

বৃদ্ধ মা-বাবার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই সম্পত্তি হস্তান্তর বিল পাস

ঘুসের রেট ২০ হাজার থেকে দেড় লাখ, টাকা ছাড়া কাজ করেন না ভূমি কর্মকর্তা

ঘুসের রেট ২০ হাজার থেকে দেড় লাখ, টাকা ছাড়া কাজ করেন না ভূমি কর্মকর্তা

সৌদি রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে আবারও মুখ খুললেন মেঘনা আলম

সৌদি রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে আবারও মুখ খুললেন মেঘনা আলম

0 Comments