জাতীয়

ইসরায়েলের হামলায় ৪.১ মাত্রার ভূমিকম্প, কেঁপে উঠলো লেবানন

News সেপ্টেম্বর ১১, ২০২৬ 0
ইসরায়েলের হামলায় ৪.১ মাত্রার ভূমিকম্প, কেঁপে উঠলো লেবানন
ইসরায়েলের হামলায় ৪.১ মাত্রার ভূমিকম্প, কেঁপে উঠলো লেবানন

লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলের আলি আল-তাহের পাহাড়ে ইসরায়েলি বাহিনীর ব্যাপক বিস্ফোরণের পর সেখানে ৪ দশমিক ১ মাত্রার ভূমিকম্প রেকর্ড করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) ওই বিস্ফোরণের পর আলি আল-তাহের ও আশপাশের এলাকায় তীব্র শব্দের পাশাপাশি মাটিতে কম্পন অনুভূত হয়েছে।

লেবাননের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ন্যাশনাল নিউজ এজেন্সি (এনএনএ) জানিয়েছে, ইসরায়েলি হামলায় ওই এলাকায় বড় ধরনের বিস্ফোরণ ঘটানোর পর মাটি কেঁপে ওঠে ও বিস্ফোরণের শব্দ আশপাশের এলাকায় প্রতিধ্বনিত হয়। এতে ১ হাজার ১০০ টনেরও বেশি বিস্ফোরক ব্যবহার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ইসরায়েল।

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ এক যৌথ বিবৃতিতে আলি আল-তাহেরের অবকাঠামোকে ‘গুরুত্বপূর্ণ সামরিক অবকাঠামো’ হিসেবে মন্তব্য করেছেন। ইরানের অর্থায়ন ও পরিকল্পনায় গত দুই দশকে এসব অবকাঠামো গড়ে তোলা হয়েছিল বলে দাবি করেন তারা।

তাদের ভাষ্য, ওই অবকাঠামো ও কমান্ড সেন্টার হিজবুল্লাহর হামলার ঘাঁটি হিসেবে ব্যবহারের জন্য তৈরি করা হয়েছিল। সেখান থেকে ইসরায়েলের মেতুলা ও কিরিয়াত শমোনা এলাকায় নজরদারি ও হামলা চালানোর সুবিধা ছিল বলেও দাবি করেন তারা।

এদিকে, শুধু অবকাঠামো ধ্বংস করেই অভিযান শেষ করছে না বলে জানিয়েছে ইসরায়েল। হিজবুল্লাহ যাতে ওই এলাকায় আবার অবস্থান তৈরি করতে বা সামরিক সক্ষমতা পুনর্গঠন করতে না পারে, সে জন্য ইসরায়েলি বাহিনী সেখানে অবস্থান করবে বলেও জানিয়েছেন ইসরায়েলি কর্মকর্তারা।

দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলের সামরিক তৎপরতা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই উত্তেজনা রয়েছে। হিজবুল্লাহকে ঠেকানোর কথা বলে সেখানে অভিযান ও অবস্থান জোরদার করে আসছে ইসরায়েল। এবার বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক ব্যবহারের পর ভূমিকম্প রেকর্ড হওয়ার ঘটনায় সেই সামরিক তৎপরতার ব্যাপকতা আরও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।

সূত্র: আল-অ্যারাবিয়া

এসআরএইচ/এসএএইচ

Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

ব্যাটিং বিপর্যয়ে দিন শুরু, লড়াইয়ে ফিরতে মরিয়া টাইগাররা

কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন

জাতীয়

View more
ফিল্ড ফায়ারিংয়ে আহত সেনা কর্মকর্তাকে দেখতে সিএমএইচে প্রধানমন্ত্রী
ফিল্ড ফায়ারিংয়ে আহত সেনা কর্মকর্তাকে দেখতে সিএমএইচে প্রধানমন্ত্রী

চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে ফিল্ড ফায়ারিং অনুশীলনের সময় ট্যাংক থেকে গোলাবর্ষণকালে আকস্মিক দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত সেনা কর্মকর্তাকে দেখতে সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) গেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সিএমএইচে গিয়ে চিকিৎসাধীন ওই সেনা কর্মকর্তার শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেন প্রধানমন্ত্রী। এসময় সেখানে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান উপস্থিত ছিলেন। এ সময় প্রধানমন্ত্রী আহত সেনা কর্মকর্তার দ্রুত ও পূর্ণ সুস্থতা কামনা করেন। পাশাপাশি তার সুচিকিৎসা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন। এ সময় সেখানে এক আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়। আহত সেনা কর্মকর্তা ও তার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে তাদের সাহস ও সান্ত্বনা দেন প্রধানমন্ত্রী। গত বুধবার চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ফিল্ড ফায়ারিং অনুশীলন চলাকালে একটি ট্যাংক থেকে গোলাবর্ষণের সময় আকস্মিক দুর্ঘটনা ঘটে। এতে সেনাবাহিনীর দুই সদস্য নিহত এবং একজন সেনা কর্মকর্তা গুরুতর আহত হন। পরে আহত কর্মকর্তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) ভর্তি করা হয়। দুর্ঘটনায় নিহত দুই সেনাসদস্যের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একই সঙ্গে তিনি নিহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি সুজাউদ্দৌলা সুজন মাহমুদ এ তথ্য জানান। কেএইচ/এমএএইচ/

News সেপ্টেম্বর ১১, ২০২৬ 0
৩৯ বছরের শিক্ষকতা–জীবনের শেষ দিন ‘জোৎস্না আপাকে’ ঘোড়ার গাড়িতে বিদায়

৩৯ বছরের শিক্ষকতা–জীবনের শেষ দিন ‘জোৎস্না আপাকে’ ঘোড়ার গাড়িতে বিদায়

দুই শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের কথা স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি মাদ্রাসাশিক্ষকের

দুই শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের কথা স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি মাদ্রাসাশিক্ষকের

কোটি টাকার টিপস! স্ত্রীর মন জয় করার ৫ উপায়

কোটি টাকার টিপস! স্ত্রীর মন জয় করার ৫ উপায়

সার-গ্যাস সমস্যার সমাধান না হলে গণবিস্ফোরণ ঘটবে: মঞ্চ ২৪
সার-গ্যাস সমস্যার সমাধান না হলে গণবিস্ফোরণ ঘটবে: মঞ্চ ২৪

সার, বিদ্যুৎ, জ্বালানি তেল ও গ্যাস নিয়ে চলমান সংকট সমাধান করতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে রাজনৈতিক সংগঠন ‘মঞ্চ ২৪’। সেই সঙ্গে তারা সরকারি চাকরির মৌখিক পরীক্ষায় নম্বর বাড়ানোর সিদ্ধান্ত বাতিল এবং আওয়ামী লীগ পুনর্বাসন ঠেকানোসহ বিভিন্ন দাবি তুলেছে। শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) বিকেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যানটিনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের আহ্বায়ক ফাহিম ফারুকী এসব দাবি তুলে ধরেন। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারের সময়েও দেশে তেল, বিদ্যুৎ ও গ্যাসের সংকট ছিল। তবে বর্তমান সরকারের আমলে জনগণের ভোগান্তি আরও বেড়েছে। দেশের জনগণ বর্তমান সরকারকে দায়িত্ব দেওয়ার পর দীর্ঘ সময় পার হলেও বিদ্যুৎ, তেল ও গ্যাসসহ জনজীবনের গুরুত্বপূর্ণ সমস্যাগুলোর স্থায়ী সমাধান হয়নি। ‘এই সরকারকে টিকিয়ে রাখার দায়িত্ব আমাদের, কিন্তু আজ সেই সরকারের বিরুদ্ধে বলতে হচ্ছে শুধু জনগণের কষ্ট দেখে। প্রধানমন্ত্রীকে বলবো, দয়া করে রাসায়নিক সার, তেল, বিদ্যুৎ, গ্যাস—জনগুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো সমাধান করেন। না হলে এটা নিয়েই গণবিস্ফোরণ ঘটবে,’ যোগ করেন তিনি। মৌখিক পরীক্ষার নম্বর বৃদ্ধি বাতিলের দাবি সরকারি চাকরির নিয়োগে লিখিত পরীক্ষার গুরুত্ব কমিয়ে মৌখিক পরীক্ষার নম্বর বাড়ানোর প্রস্তাবের সমালোচনা করেন ফাহিম ফারুকী। তিনি বলেন, এটি অনিয়মের সুযোগ তৈরি করতে পারে। ২৪টি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের পক্ষ থেকে সরকারকে সিদ্ধান্তটি পুনর্বিবেচনার জন্য এক সপ্তাহ সময় দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে সিদ্ধান্ত পরিবর্তন না হলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে পারে বলে সতর্ক করেন তিনি। মঞ্চ ২৪-এর আহ্বায়ক জানান, মৌখিক পরীক্ষার নম্বর বৃদ্ধির প্রতিবাদে দল-মত নির্বিশেষে শিক্ষার্থীরা মাঠে নামবেন। ‘এমন কিছু করবেন না, যেটাকে ক্যাশ করে আওয়ামী লীগ সুযোগ নেবে। বিএনপি ১০ বছর ক্ষমতায় থাকলেও সেটা আমিও চাই, কিন্তু জনগণের বিরুদ্ধে গিয়ে পাঁচ মিনিট ক্ষমতায় থাকতে দেবো না,’ বলেন তিনি। আরও পড়ুন ফজলুল করীম মারুফ / চাকরির ভাইভায় ৫০% নম্বর মানে দলীয় লোকদের অবৈধ সুবিধা দেওয়ার কৌশল আওয়ামী লীগ পুনর্বাসনের অভিযোগ সরকার কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে কী পদক্ষেপ নিয়েছে এবং জুলাই আন্দোলনে সংঘটিত সহিংসতার বিচার কতদূর এগিয়েছে—এ নিয়ে প্রশ্ন তোলেন ফাহিম ফারুকী। তিনি বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে যারা হামলার শিকার হয়েছেন, তাদের জন্য কার্যকর বিচার নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের পুনর্বাসনের সুযোগ না দেওয়ার দাবি জানান তিনি। সংবাদ সম্মেলনে একটি জাতীয় দৈনিকের সাবেক সাংবাদিকের উদাহরণ টেনে আওয়ামী লীগ পুনর্বাসনের অভিযোগ করেন তিনি। তার দাবি, ওই সাংবাদিক আগে আওয়ামী লীগবিরোধী অবস্থানে থাকলেও বর্তমানে আওয়ামী লীগের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে কাজ করছেন। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের কোনো কর্মীকে নিয়োগ দিয়ে রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করার সুযোগ দেওয়া যাবে না। পাশাপাশি আওয়ামী লীগের কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে সাংবাদিকদের আরও সাহসী ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান তিনি। আরও পড়ুন সারের কোনো সংকট নেই, ঘাটতি অভিযোগ সঠিক নয়: বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী সেনাসদস্যদের পরিবারের দায়িত্ব নেওয়ার আহ্বান সংবাদ সম্মেলনে সম্প্রতি প্রশিক্ষণের সময় সেনাবাহিনীর দুই সদস্যের মৃত্যুর বিষয়টিও তুলে ধরা হয়। নিহত সেনাসদস্যদের পরিবারের দায়িত্ব সরকারকে নেওয়ার আহ্বান জানান ফাহিম ফারুকী। তিনি বলেন, ‘কেন ৮০-এর দশকের ফিটনেস ছাড়া পুরোনো অস্ত্র, কামান, ট্যাংক দিয়ে এই যুগে এসে প্রশিক্ষণ করা লাগবে? আমাদের সামরিক সক্ষমতা বৃদ্ধি কেন করছি না?’ দেশের তরুণদের মধ্যে দেশপ্রেম ও সাহস রয়েছে উল্লেখ করে তিনি সামরিক সক্ষমতা বাড়াতে প্রতিরক্ষা খাতে বাজেট বৃদ্ধির দাবি জানান। পাশাপাশি আধুনিক অস্ত্র ও সরঞ্জাম সংগ্রহের দিকে নজর দেওয়ার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, সামরিক সক্ষমতা বৃদ্ধির পাশাপাশি নিহত ও আহত সেনাসদস্যদের পরিবারের দায়িত্বও সরকারকে নিতে হবে। সংবাদ সম্মেলনে অভিনেত্রী বাঁধনের ওপর হামলার প্রতিবাদও জানানো হয়। আরটি/একিউএফ

News সেপ্টেম্বর ১১, ২০২৬ 0
রেললাইনে থাকা শিশুকে বাঁচাতে ঝাঁপ, ট্রেনে কাটা পড়ে শ্রমিকের মৃত্যু

রেললাইনে থাকা শিশুকে বাঁচাতে ঝাঁপ, ট্রেনে কাটা পড়ে শ্রমিকের মৃত্যু

ইতালির অ্যাপেনাইন পর্বতমালার গভীর ভূত্বকে ঘটে চলেছে অদ্ভুত পরিবর্তন

ইতালির অ্যাপেনাইন পর্বতমালার গভীর ভূত্বকে ঘটে চলেছে অদ্ভুত পরিবর্তন

হাম নিয়ন্ত্রণহীন, সরকার কী করছে, মানুষ জানে না

হাম নিয়ন্ত্রণহীন, সরকার কী করছে, মানুষ জানে না

যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার পক্ষে নন ইরানের প্রেসিডেন্ট
যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার পক্ষে নন ইরানের প্রেসিডেন্ট

ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান বলেছেন, তিনি যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার পক্ষে নন। তবে ভবিষ্যতের যে কোনো চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় দেশকে এমনভাবে প্রস্তুত ও সক্ষম করে তুলতে হবে, যাতে প্রতিকূল পরিস্থিতিতে ‘ভিন্ন অবস্থান থেকে শত্রুর সঙ্গে আলোচনা করতে বাধ্য’ হতে না হয়। দেশটির শীর্ষ বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর প্রধানদের (উপাচার্য) সঙ্গে এক বৈঠকে পেজেশকিয়ান এসব কথা বলেন বলে জানিয়েছে ইরানি সংবাদ সংস্থা আইএসএনএ। একই সঙ্গে অর্থনীতি, ব্যবস্থাপনা, সংস্কৃতি, সাহিত্যসহ সব ক্ষেত্রে সরকারকে সহযোগিতা করতে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর প্রতি আহ্বান জানান তিনি। পেজেশকিয়ান বলেন, ভবিষ্যৎ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় দেশের সক্ষমতা ও সহনশীলতা বাড়ানো জরুরি। তার বক্তব্যে যুদ্ধ অব্যাহত রাখার বদলে এমন একটি অবস্থান তৈরির ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে, যেখানে ইরানকে দুর্বল অবস্থান থেকে কোনো আলোচনায় বসতে না হয়। দেশটির তরুণ প্রজন্ম, বিশেষ করে জেনারেশন জেড বা জেন জি শিক্ষার্থীদেরও সরকারের কাজে যুক্ত করার আহ্বান জানিয়েছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট। তিনি বলেন, তরুণদের বিক্ষোভে অংশ নেওয়ার পরিবর্তে দেশের সমস্যাগুলো সমাধানে যুক্ত করার বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে। পেজেশকিয়ান বলেন, আমাদের নিশ্চিত করতে হবে, তারা যেন বিক্ষোভে জড়িত হওয়ার পরিবর্তে সমস্যার সমাধানে যুক্ত হয়। অর্থাৎ তরুণদের অসন্তোষকে সংঘাতের দিকে না নিয়ে দেশের বিভিন্ন সমস্যা মোকাবিলায় কাজে লাগাতে চান তিনি। নিজের রাজনৈতিক অবস্থান নিয়েও কথা বলেন পেজেশকিয়ান। তিনি বলেন, প্রেসিডেন্ট হিসেবে কারও সঙ্গে তার কোনো রাজনৈতিক বিরোধ নেই। যে ব্যক্তি যে রাজনৈতিক মতাদর্শই ধারণ করুন না কেন, দেশের সমস্যা সমাধানে সহায়তা করলে তিনি তাকে গ্রহণ করবেন। তার ভাষায়, যে-ই আমাদের দেশের সমস্যা সমাধানে সাহায্য করবে, তার রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি যা-ই হোক, আমি তাকে গ্রহণ করি। ইরানের প্রেসিডেন্ট আরও বলেন, তিনি কারও সঙ্গে সংঘাতে জড়িত নন- বামপন্থি বা ডানপন্থি, ধার্মিক কিংবা অধার্মিক- কারও সঙ্গেই নয়। দেশের সমস্যা সমাধানের বিষয়টি মানুষের বিশ্বাস বা রাজনৈতিক-আদর্শিক অবস্থানের সঙ্গে সম্পর্কিত নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি। পেজেশকিয়ান বলেন, দেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়েই অর্থনৈতিক পদক্ষেপ নিতে হবে। তা না হলে সমস্যার সমাধান হওয়ার পরিবর্তে এসব পদক্ষেপ উল্টো নেতিবাচক ফল ও ক্ষতির কারণ হতে পারে। তার বক্তব্য এমন এক সময়ে এলো, যখন ইরান যুদ্ধ ও অর্থনৈতিক চাপের পাশাপাশি অভ্যন্তরীণভাবে তরুণদের অসন্তোষ এবং বিভিন্ন অর্থনৈতিক সমস্যারও মুখোমুখি। ফলে যুদ্ধ অব্যাহত রাখার পরিবর্তে দেশের সক্ষমতা বাড়ানো, তরুণদের কাজে যুক্ত করা এবং বাস্তব পরিস্থিতি বিবেচনায় অর্থনৈতিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার ওপর তার জোর দেওয়াকে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা হিসেবে দেখা হচ্ছে। সূত্র: আল-জাজিরা এসএএইচ

News সেপ্টেম্বর ১১, ২০২৬ 0
যেভাবে পরিষ্কার করলে জং ধরা পুরোনো চাবি হবে নতুনের মতো

যেভাবে পরিষ্কার করলে জং ধরা পুরোনো চাবি হবে নতুনের মতো

বসতঘরে মজুত ২৮৮ বস্তা সার জব্দ, ব্যবসায়ীর কারাদণ্ড

বসতঘরে মজুত ২৮৮ বস্তা সার জব্দ, ব্যবসায়ীর কারাদণ্ড

পানির উচ্চতা বেড়ে যাওয়ায় ফের খোলা হলো কাপ্তাই বাঁধের ১৬ জলকপাট

পানির উচ্চতা বেড়ে যাওয়ায় ফের খোলা হলো কাপ্তাই বাঁধের ১৬ জলকপাট

0 Comments