জাতীয়

কোটি টাকার টিপস! স্ত্রীর মন জয় করার ৫ উপায়

News সেপ্টেম্বর ১১, ২০২৬ 0
কোটি টাকার টিপস! স্ত্রীর মন জয় করার ৫ উপায়
কোটি টাকার টিপস! স্ত্রীর মন জয় করার ৫ উপায়

স্ত্রীর মন জয় করতে কোটি টাকা খরচ করতে হবে এমনটা কে বলেছে? বরং কিছু স্বামীরা এমন কিছু ‘বুদ্ধি’ জেনে রাখলে, যেগুলোর দাম কোটি টাকা হলেও প্রয়োগ করতে খরচ হয় প্রায় শূন্য! তবে ঝুঁকি আছে ভুল সময়ে প্রয়োগ করলে ফল উল্টেও যেতে পারে!

আসুন জেনে নিন কখন কি বলবেন-

১. ‘তুমি ঠিক বলেছ’

স্ত্রী কোনো বিষয়ে যুক্তি দিচ্ছেন? মন দিয়ে শুনুন। শেষে শুধু বলুন, ‘হ্যাঁ, তুমি ঠিক বলেছ।’
এটা এমন এক বাক্য, যা বহু দাম্পত্য ঝামেলা শুরু হওয়ার আগেই শেষ করে দিতে পারে।

২. শপিংয়ে গিয়ে চুপ থাকুন

স্ত্রী বললেন, ‘এই দুটো ড্রেসের মধ্যে কোনটা নেব?’
ভুল উত্তর: ‘দুটোই তো একই রকম!’
সঠিক উত্তর: ‘দুটোই সুন্দর, তবে তোমার যেটা বেশি ভালো লাগছে সেটাই নাও।’
বুদ্ধিমান স্বামী কখনো ফ্যাশন-যুদ্ধে নামেন না!

৩. খাবারের প্রশংসা করুন

রান্নায় লবণ একটু কম? চুপ। ঝাল একটু বেশি? আরও চুপ।
বরং বলুন, ‘আজ রান্নাটা দারুণ হয়েছে।’
তবে সাবধান প্রশংসা করার পর প্লেট খালি করতে হবে। শুধু মুখে প্রশংসা করলে ধরা পড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা প্রবল!

আরও পড়ুন

রম্যগল্প / পুরুষের আফসোস: বাসায় থাকার চেয়ে অফিসে যাওয়াই ভালো

৪. ভুল হলে দ্রুত স্বীকার করুন

‘আমি ভুল করেছি’ এই পাঁচটি শব্দ অনেক সময় দীর্ঘ বক্তৃতার চেয়ে বেশি কার্যকর।
আর যদি সঙ্গে বলেন, ‘আগে বুঝতে পারিনি’, তাহলে পরিস্থিতি আরও দ্রুত স্বাভাবিক হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

৫. ‘ধন্যবাদ’ বলতে শিখুন

ঘরের ছোটখাটো কাজ, রান্না, যত্ন এসবকে স্বাভাবিক ধরে না নিয়ে মাঝে মাঝে বলুন, ‘তুমি এগুলো করো বলে আমার জীবনটা অনেক সহজ।’
দাম? শূন্য টাকা।
মূল্য? কোটি টাকা!

আসল হলো, স্ত্রীর মন জয় করার কোনো ম্যাজিক ফর্মুলা নেই। তবে সম্মান, সময়, মন দিয়ে কথা শোনা আর ছোট ছোট যত্ন এই চারটি জিনিস নিয়মিত দিতে পারলে কোটি টাকার টিপসও হার মানতে পারে!

কেএসকে

Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

ব্যাটিং বিপর্যয়ে দিন শুরু, লড়াইয়ে ফিরতে মরিয়া টাইগাররা

কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন

জাতীয়

View more
সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি পদে পুরোনো পথে বিএনপি, ক্ষোভ বিরোধী দলের
সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি পদে পুরোনো পথে বিএনপি, ক্ষোভ বিরোধী দলের

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের ৫০টি সংসদীয় স্থায়ী কমিটি গঠন সম্পন্ন হয়েছে। এর মধ্যে ৪৯টি কমিটির সভাপতি পদ পেয়েছেন ক্ষমতাসীন দল বিএনপির সংসদ সদস্যরা। শুধু একটি কমিটির সভাপতি পদ পেয়েছে বিরোধী দল। বিস্তারিত বিশ্লেষণে...

News সেপ্টেম্বর ১১, ২০২৬ 0
পাবনায় জমিতে জমে থাকা পানিতে নেমে ভাইবোনসহ তিন শিশুর মৃত্যু

পাবনায় জমিতে জমে থাকা পানিতে নেমে ভাইবোনসহ তিন শিশুর মৃত্যু

আদরের ছলে শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ, বৃদ্ধ গ্রেপ্তার

আদরের ছলে শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ, বৃদ্ধ গ্রেপ্তার

বেতন-ভিসা-নিয়োগ নিয়ে মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশিদের ৪৫০ অভিযোগ, সমাধান ৩৩০টির

বেতন-ভিসা-নিয়োগ নিয়ে মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশিদের ৪৫০ অভিযোগ, সমাধান ৩৩০টির

সাদা ভাত ভুলে যান, অপরাজিতা ফুলে বানান নীল ভাত
সাদা ভাত ভুলে যান, অপরাজিতা ফুলে বানান নীল ভাত

অপরাজিতা ফুল শুধু সৌন্দর্যের জন্যই পরিচিত নয়, আয়ুর্বেদশাস্ত্রেও দীর্ঘদিন ধরে এই ফুলের ব্যবহার রয়েছে। নীল রঙের অপরাজিতা ফুল দিয়ে তৈরি চা যেমন দেখতে আকর্ষণীয়, তেমনি এই ফুলের ব্যবহার রান্নাতেও এনে দিতে পারে দারুণ চমক। বিশেষ করে অপরাজিতা ফুলের নীল রঙে তৈরি ভাত বা পোলাও হয়ে উঠতে পারে আপনার খাবারের টেবিলের সবচেয়ে নজরকাড়া পদ। অল্প কয়েকটি ফুল আর সহজ কিছু উপকরণেই তৈরি করা যায় এই রঙিন ভাত, যা স্বাদে যেমন পরিচিত, দেখলে তেমনি মনে হবে একেবারেই অন্যরকম। অতিথি আপ্যায়ন কিংবা বিশেষ দিনে চমক দিতে চাইলে ঘরেই সহজে বানিয়ে নিতে পারেন এই নীল ভাত। আসুন জেনে নেওয়া যাক বাড়িতে কীভাবে অপরাজিতা ফুলে নীল ভাত রান্না করবেন- উপকরণ পোলাও বা বাসমতি চাল ১ কাপ তাজা অপরাজিতা ফুল ১০-১৫টি লবণ স্বাদমতো ঘি বা তেল ১ চা চামচ পানি পরিমাণমতো প্রস্তুত প্রণালি প্রথমে অপরাজিতা ফুলগুলো ভালোভাবে ধুয়ে নিন। এরপর ফুলের ভেতরের সবুজ অংশটি আলাদা করে ফেলুন। এবার ফুলগুলো সামান্য গরম পানিতে ১০-১৫ মিনিট ভিজিয়ে রাখুন। কিছুক্ষণ পর ফুলের রং পানিতে মিশে পানি গাঢ় নীল হয়ে এলে ফুলগুলো ছেঁকে তুলে নিন। এতে পাওয়া যাবে পরিষ্কার নীল রঙের নির্যাস। অন্যদিকে, চাল ভালোভাবে ধুয়ে পানি ঝরিয়ে নিন। এবার পাত্র বা রাইস কুকারে চাল দিয়ে তাতে তৈরি করা নীল পানি, পরিমাণমতো লবণ ও সামান্য ঘি মিশিয়ে দিন। প্রয়োজন অনুযায়ী পানি ঠিক করে নিয়ে ভাত রান্না করুন। চাল পুরোপুরি সেদ্ধ হয়ে পানি শুকিয়ে গেলে কিছুক্ষণ ঢেকে রাখুন, যাতে ভাত ঝরঝরে হয়।   আরও পড়ুন অল্প সময়েই বানিয়ে ফেলুন মজাদার চিকেন কাবাব তৈরি হয়ে গেল নান্দনিক নীল রঙের অপরাজিতা ফুলের ভাত। সাধারণ ভাতের বদলে এই রঙিন পদটি যেকোনো মাংস, মাছ কিংবা সবজির কারির সঙ্গে পরিবেশন করতে পারেন। আরও পড়ুন ইলিশের জালি কাবাব খেয়েছেন কখনো, রইল রেসিপি টিপস নীল রং সুন্দর পেতে তাজা ও ভালো মানের নীল অপরাজিতা ফুল ব্যবহার করুন। ফুল ভিজিয়ে রাখার জন্য খুব বেশি গরম পানি ব্যবহার না করে সামান্য গরম পানি নিন। এতে ফুলের রং সহজে পানিতে বের হয়ে আসবে। নীল রঙের ঘনত্ব অনুযায়ী ফুলের পরিমাণ কিছুটা কম-বেশি করতে পারেন। বেশি গাঢ় নীল চাইলে ফুলের নির্যাস একটু ঘন করে নিন। এসএকেওয়াই

News সেপ্টেম্বর ১১, ২০২৬ 0
নতুন ইউটিউব চ্যানেল খোলার আগে মাথায় রাখুন ৭ বিষয়

নতুন ইউটিউব চ্যানেল খোলার আগে মাথায় রাখুন ৭ বিষয়

হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু

হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু

গুলশানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ.লীগের ঝটিকা মিছিল, ককটেল বিস্ফোরণ, গ্রেপ্তার ২

গুলশানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ.লীগের ঝটিকা মিছিল, ককটেল বিস্ফোরণ, গ্রেপ্তার ২

পাহাড়ের দুর্গম পথ পেরিয়ে শিক্ষক হওয়ার স্বপ্ন বুনছে সন্ধিতা
পাহাড়ের দুর্গম পথ পেরিয়ে শিক্ষক হওয়ার স্বপ্ন বুনছে সন্ধিতা

বান্দরবানের দুর্গম পাহাড়ি জনপদ আলেক্ষ্যং ইউনিয়নের সাধু হেডম্যান পাড়ার অভাবের সংসার থেকে উঠে এসে আলো ছড়াচ্ছে ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী সন্ধিতা ত্রিপুরা। চার ভাইবোনের মধ্যে দ্বিতীয় এই কিশোরীর জীবন সংগ্রামের গল্প হার মানায় প্রতিকূলতাকে। জুমচাষী বাবা ও গৃহিণী মায়ের সীমিত আয়ের সংসারে অভাব নিত্যসঙ্গী হলেও তার চোখে রয়েছে এক স্বপ্ন—বড় হয়ে সে আদর্শ শিক্ষক হতে চায়।বিদ্যালয়ে নিয়মিত উপস্থিতি ও মেধার স্বাক্ষর রাখা সন্ধিতা বিশ্বাস করে, শিক্ষা কেবল ব্যক্তিগত জীবনই বদলায় না, বরং বদলে দিতে পারে একটি সমাজ ও গ্রামের ভবিষ্যৎ। তবে আর্থিক সংকটের কারণে তার এই পথচলা সহজ ছিল না। তার জীবনে আশার আলো হয়ে এসেছে প্রথম আলো ট্রাস্ট পরিচালিত ‘কচ্ছপতলী আলোর পাঠশালা’। এখানে বিনা বেতনে পড়ার সুযোগ পাওয়ার পর থেকেই মূলত তার পরিবারের দুশ্চিন্তা কেটেছে এবং শিক্ষার পথ আরও সুগম হয়েছে।নিজের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে সন্ধিতা জানায়, সে বড় হয়ে নিজের গ্রামের গরিব ও অসচ্ছল পরিবারের শিশুদের কাছে শিক্ষার আলো পৌঁছে দিতে চায়, যেন অর্থের অভাবে আর কোনো শিশুর পড়াশোনা থমকে না যায়।সন্ধিতার এই অদম্য পথচলা প্রমাণ করে—দারিদ্র্য মানুষের পথকে কঠিন করতে পারে, কিন্তু স্বপ্নকে আটকাতে পারে না। সুযোগ, পরিশ্রম এবং সঠিক দিকনির্দেশনা পেলে পাহাড়ের প্রত্যন্ত অঞ্চলের একটি সাধারণ শিশুও হয়ে উঠতে পারে আগামী দিনের আলোকবর্তিকা।

News সেপ্টেম্বর ১১, ২০২৬ 0
যৌনতা, ব্যক্তিজীবন ও বিতর্ক—ওটিটিতে দর্শকের মনোযোগের নতুন অস্ত্র

যৌনতা, ব্যক্তিজীবন ও বিতর্ক—ওটিটিতে দর্শকের মনোযোগের নতুন অস্ত্র

বাব আল-মান্দেব প্রণালি এখন হুতিদের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে

বাব আল-মান্দেব প্রণালি এখন হুতিদের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে

কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ.লীগের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সুযোগ নেই: প্রতিমন্ত্রী শাহে আলম

কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ.লীগের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সুযোগ নেই: প্রতিমন্ত্রী শাহে আলম

0 Comments