জাতীয়

আ’লীগকে রিফাইন করে রাজনীতিতে ফেরানোর চেষ্টা চলছে: গোলাম পরওয়ার

News সেপ্টেম্বর ১১, ২০২৬ 0
আ’লীগকে রিফাইন করে রাজনীতিতে ফেরানোর চেষ্টা চলছে: গোলাম পরওয়ার
আ’লীগকে রিফাইন করে রাজনীতিতে ফেরানোর চেষ্টা চলছে: গোলাম পরওয়ার

জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেছেন, আওয়ামী লীগকে রিফাইন করে নতুন রূপে রাজনীতিতে ফেরানোর চেষ্টা চলছে। তার দাবি, সরকারের ভেতরের কিছু ব্যক্তি ও দিল্লির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট মহল এ প্রক্রিয়ায় ভূমিকা রাখছে।

তবে ফ্যাসিবাদবিরোধী রাজনৈতিক শক্তিগুলো ঐক্যবদ্ধ থাকলে আওয়ামী লীগের পক্ষে সহজে রাজনৈতিকভাবে ঘুরে দাঁড়ানো সম্ভব হবে না মনে করেন তিনি।

শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) সকালে খুলনা মহানগরী জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে নগরীর আল ফারুক সোসাইটি মিলনায়তনে খুলনা মহানগরীর রুকন সম্মেলনে বিশেষ অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন মিয়া গোলাম পরওয়ার।

জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল বলেন, ‌‘সরকারের গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে থাকা কয়েকজনের অতীত বামপন্থি রাজনীতির সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা রয়েছে। কয়েকজন মন্ত্রীর বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে। অতীতের বিএনপি সরকারের সময়ও বিতর্কিত ব্যক্তিদের গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়ার উদাহরণ রয়েছে।’

আরও পড়ুন

জনগণ এই সরকারকে আর ছাড় দেবে না: গোলাম পরওয়ার

দেশের প্রশাসন, বিচার বিভাগ ও রাষ্ট্রের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে দীর্ঘদিন বামপন্থি রাজনৈতিক মতাদর্শের প্রভাব ছিল বলেও মন্তব্য করেন গোলাম পরওয়ার। তার দাবি, আওয়ামী লীগ দীর্ঘসময় এ ধরনের রাজনৈতিক শক্তিকে পৃষ্ঠপোষকতা দিয়েছে। শেখ হাসিনা দেশ ছাড়ার পর সেই পৃষ্ঠপোষকতা কমে গেছে।

ডাকসু নির্বাচনে ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাফল্যের প্রসঙ্গ টেনে মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, একসময় শিবিরের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডকে ক্যাম্পাসে বাধাগ্রস্ত করা হলেও এখন তারা প্রকাশ্যে রাজনীতি করছে। ডাকসু নির্বাচনে ছাত্রশিবিরের বিজয়কে তিনি ইসলামী আদর্শভিত্তিক রাজনীতির প্রতি তরুণদের সমর্থনের প্রতিফলন হিসেবে উল্লেখ করেন।

এসময় জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য খুলনা মহানগরী আমির মোহাম্মদ মাহফুজুর রহমানের সভাপতিত্বে ও কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য মহানগরী সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট শেখ জাহাঙ্গীর হুসাইন হেলালের পরিচালনায় কেন্দ্রীয় ও খুলনা অঞ্চলের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

আরিফুর রহমান/এসআর/জেআইএম

Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

ব্যাটিং বিপর্যয়ে দিন শুরু, লড়াইয়ে ফিরতে মরিয়া টাইগাররা

কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন

জাতীয়

View more
আইফোন ১৭ সিরিজে কমলা, ১৮-তে কোন রং জনপ্রিয়?
আইফোন ১৭ সিরিজে কমলা, ১৮-তে কোন রং জনপ্রিয়?

এক বছর আগেও আইফোন ১৭ প্রো সিরিজের কসমিক অরেঞ্জ রং নিয়ে ছিল তুমুল আলোচনা। এবার আইফোন ১৮ প্রো ও প্রো ম্যাক্সে সেই জায়গা নিয়েছে নতুন বার্গেন্ডি। গাঢ় লাল ও মেরুনের মাঝামাঝি এই রংটি লঞ্চের পর থেকেই প্রযুক্তিপ্রেমীদের নজর কাড়ছে। কমলার পর এবার কেন বার্গেন্ডি? অ্যাপলের আইফোন ১৭ প্রো সিরিজে কসমিক অরেঞ্জ ছিল সবচেয়ে নজরকাড়া রংগুলোর একটি। সঙ্গে ছিল সিলভার ও ডিপ ব্লু। উজ্জ্বল কমলা রংটি আগের প্রো মডেলগুলোর তুলনায় অনেক বেশি আলাদা ছিল। ফলে নতুন ফোন হাতে নিয়ে নিজেদের আলাদা করে দেখাতে চাওয়া অনেক ক্রেতার কাছে এই রং আকর্ষণীয় হয়ে ওঠে। তবে আইফোন ১৮ প্রো সিরিজে অ্যাপল এবার তুলনামূলকভাবে শান্ত ও প্রিমিয়াম লুকের দিকে গেছে। নতুন সিরিজে রয়েছে বার্গেন্ডি, গ্লেসিয়ার, সিলভার ও ব্ল্যাক অর্থাৎ গত বছরের উজ্জ্বল কসমিক অরেঞ্জ আর নেই। আরও পড়ুন অ্যাপলের প্রথম ফোল্ডেবল ফোনে কী থাকছে, দাম কত? বার্গেন্ডি এত নজর কাড়ছে কেন? বার্গেন্ডি মূলত গাঢ় লাল বা মেরুন ঘরানার একটি শেড। আলো অনুযায়ী ফোনটির রং কখনও গাঢ় লাল, আবার কখনও বাদামি-মেরুনের মতো দেখাতে পারে। ফলে এটি খুব চড়া রং নয়, আবার সাধারণ কালো বা রুপালির মতোও একঘেয়ে নয়। লঞ্চের পর বিভিন্ন প্রযুক্তি সাইটের আলোচনায় বার্গেন্ডি-কে বিশেষভাবে নজরকাড়া রং হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও অনেক ব্যবহারকারী এই শেডটিকে পছন্দের তালিকায় রাখছেন। তবে এটিকে এখনই নিশ্চিতভাবে সবচেয়ে বেশি বিক্রি হওয়া রং বলা যাবে না। কারণ আইফোন ১৮ প্রো-এর বিক্রি এখনও একেবারে শুরুর পর্যায়ে। ব্ল্যাকও ফিরেছে বার্গেন্ডি আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হলেও এবার ব্ল্যাকও গুরুত্বপূর্ণ। গত বছরেরআইফোন ১৭ প্রো-তে কালো রঙের বিকল্প না থাকায় অনেক ব্যবহারকারী হতাশ হয়েছিলেন। আইফোন ১৮ প্রো-তে সেই পরিচিত কালো রং আবার ফিরেছে। ফলে যারা উজ্জ্বল রঙের বদলে ক্লাসিক ও মিনিমাল লুক পছন্দ করেন, তাদের জন্যও বিকল্প রয়েছে। অন্যদিকে গ্লেসিয়ার শেডটি তুলনামূলকভাবে হালকা ও ঠান্ডা ধরনের লুক দিচ্ছে। সিলভার বরাবরের মতোই নিরপেক্ষ বিকল্প। আরও পড়ুন আইফোন ১৮ প্রো-তে ক্যামেরায় বড় চমক, ফটোগ্রাফারদের জন্য আশীর্বাদ তাহলে কোন রং সবচেয়ে জনপ্রিয়? এই মুহূর্তে বার্গেন্ডিই সবচেয়ে বেশি আলোচনায় থাকা রং এ কথা বলা যায়। বিশেষ করে গত বছরের কসমিক অরেঞ্জের পর এবার অ্যাপল যে অপেক্ষাকৃত গাঢ় ও পরিণত একটি শেড এনেছে, সেটিই অনেকের কাছে নতুনত্বের কারণ। তবে জনপ্রিয়তা আর বিক্রির সংখ্যা এক বিষয় নয়। বার্গেন্ডি নিয়ে যতই আলোচনা হোক, শেষ পর্যন্ত ব্ল্যাক, সিলভার বা গ্লেসিয়ারের মতো তুলনামূলক নিরপেক্ষ রংও বিপুল সংখ্যক ক্রেতা বেছে নিতে পারেন। অর্থাৎ আইফোন ১৭ প্রো-এর যুগে যদি কমলা ছিল সাহসী পছন্দ, তাহলে আইফোন ১৮ প্রো-তে বার্গেন্ডি হয়ে উঠেছে স্টাইলিশ ও প্রিমিয়াম পছন্দ। এখন দেখার বিষয়, সময়ের সঙ্গে এই নতুন রংটি সত্যিই অ্যাপলের সবচেয়ে জনপ্রিয় প্রো কালার হয়ে উঠতে পারে কি না। কেএসকে

News সেপ্টেম্বর ১১, ২০২৬ 0
সময়মতো দোকান না খোলায় সারের ডিলারকে জরিমানা

সময়মতো দোকান না খোলায় সারের ডিলারকে জরিমানা

সাবেক মন্ত্রীর দখল করা জায়গায় হবে মাদরাসা, ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন

সাবেক মন্ত্রীর দখল করা জায়গায় হবে মাদরাসা, ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন

গুলশানে আওয়ামী লীগের মিছিল, ককটেল বিস্ফোরণ

গুলশানে আওয়ামী লীগের মিছিল, ককটেল বিস্ফোরণ

২৬ বছরের শিক্ষকতায় ইতি, ঘোড়ার গাড়িতে চড়িয়ে বিদায়
২৬ বছরের শিক্ষকতায় ইতি, ঘোড়ার গাড়িতে চড়িয়ে বিদায়

দীর্ঘ ২৬ বছরের শিক্ষকতা পেশায় ইতি টেনে বিদায় নিলেন যশোরের ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান মুসলিম একাডেমির ইংরেজি বিষয়ের সিনিয়র শিক্ষক জাহাঙ্গীর আলম মোল্যা। বিদায় দিনে ব্যতিক্রমী আয়োজন করেছে স্কুল কর্তৃপক্ষ। ঘোড়ায় চড়িয়ে চোখের জলে তাকে বিদায় দিলেন শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা। বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে ব্যতিক্রমী আয়োজনে শিক্ষক জাহাঙ্গীর আলমকে বিদায় সংবর্ধনা দেওয়া হয়। ব্যতিক্রমী এ বিদায় আয়োজনে আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়। অনুষ্ঠানে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও পরিচালনা পর্ষদের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অশ্রুসিক্ত নয়নে প্রিয় শিক্ষককে বিদায় জানান। আরও পড়ুন ময়মনসিংহে ট্রাক-অটোরিকশা মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ২ বিদায় অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, জাহাঙ্গীর আলম মোল্যা ২০০০ সালের ১১ মে মুসলিম একাডেমিতে শিক্ষক হিসেবে যোগদান করেন। দীর্ঘ কর্মজীবনে তিনি নিষ্ঠা, সততা ও দক্ষতার সঙ্গে শিক্ষার্থীদের মধ্যে জ্ঞানের আলো ছড়িয়েছেন। গত ৩০ জুলাই তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে শিক্ষকতা পেশা থেকে অবসর গ্রহণ করেন। বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মুসলিম একাডেমির প্রধান শিক্ষক পল্লব কান্তি ঘোষ। বক্তারা জাহাঙ্গীর আলম মোল্যার দীর্ঘ কর্মজীবনের অবদানের কথা স্মরণ করে বলেন, তার জ্ঞান, আদর্শ ও নিবেদন শিক্ষার্থীদের জন্য দীর্ঘদিন অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে। সভাপতির বক্তব্যে পল্লব কান্তি ঘোষ বিদায়ী সহকর্মীর সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু ও সুখী জীবন কামনা করেন। পরে প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে জাহাঙ্গীর আলম মোল্যাকে সম্মাননা স্মারক, উপহারসামগ্রী ও ফুল দিয়ে সংবর্ধনা জানানো হয়। ঘোড়ার গাড়িতে করে বিদায়ের মধ্য দিয়ে শেষ হয় তার দীর্ঘ শিক্ষকতা জীবনের আনুষ্ঠানিক পর্ব। মিলন রহমান/এনএইচআর

News সেপ্টেম্বর ১১, ২০২৬ 0
ডেঙ্গু প্রতিরোধে তিন মাসের অভিযান শুরু কাল, উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

ডেঙ্গু প্রতিরোধে তিন মাসের অভিযান শুরু কাল, উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

‘দম’ কি বাংলা সিনেমায় দম আনতে পেরেছে

‘দম’ কি বাংলা সিনেমায় দম আনতে পেরেছে

নিখোঁজের তিন দিন পর মাটি খুঁড়ে লাশ উদ্ধার, পাওনা টাকা চাওয়ায় ‘বন্ধুর হাতে খুন’, বলছে পুলিশ

নিখোঁজের তিন দিন পর মাটি খুঁড়ে লাশ উদ্ধার, পাওনা টাকা চাওয়ায় ‘বন্ধুর হাতে খুন’, বলছে পুলিশ

২৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চলবে ২০২৭ সালের হজ নিবন্ধন কার্যক্রম
২৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চলবে ২০২৭ সালের হজ নিবন্ধন কার্যক্রম

২০২৭ সালের পবিত্র হজের নিবন্ধন কার্যক্রম চলছে। সৌদি সরকারের নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী ২৪ সেপ্টেম্বরের মধ্যে হজযাত্রীদের নিবন্ধন শেষ করতে হবে।নির্ধারিত সময়ের পর নিবন্ধনের সময় আর বাড়ানো হবে না বলে জানিয়েছে ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়। ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের হজ-২ শাখা থেকে ৯ সেপ্টেম্বর এ–সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২০২৭ সালের হজে বাংলাদেশের জন্য নির্ধারিত কোটা ৭৮ হাজার ৫০০ জন। এর মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ১ হাজার ৬৫ জন এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ২ হাজার ৬৭৬ জনের নিবন্ধনের কথা উল্লেখ করা হয়েছে।গত ২৭ জুলাই থেকে হজের নিবন্ধন কার্যক্রম শুরু হয়েছে। ২৪ সেপ্টেম্বরের মধ্যে এ কার্যক্রম সম্পন্ন করতে হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নিবন্ধন সম্পন্ন হওয়ার পর বাংলাদেশের চূড়ান্ত হজযাত্রীর সংখ্যা সৌদি কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে।এরপর চূড়ান্ত হজযাত্রীর সংখ্যার ভিত্তিতে সৌদি পর্বের অর্থ প্রেরণ, স্বাস্থ্য পরীক্ষা, ভিসার আবেদন, টিকাদান, হজ প্রশিক্ষণসহ প্রয়োজনীয় অন্যান্য কার্যক্রম সম্পন্ন করা হবে।হজে গমন–ইচ্ছুক ব্যক্তি, হজ এজেন্সি, হজ কার্যক্রমে সম্পৃক্ত ব্যাংক এবং সংশ্লিষ্ট সবাইকে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নিবন্ধন সম্পন্ন করার জন্য অনুরোধ জানিয়েছে ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়।নিবন্ধন ও হজসংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের হজবিষয়ক ওয়েবসাইটে পাওয়া যাবে।

News সেপ্টেম্বর ১১, ২০২৬ 0
বক্স অফিস সাফল্যের মাঝেই বিতর্কে ‘মির্জাপুর: দ্য মুভি’

বক্স অফিস সাফল্যের মাঝেই বিতর্কে ‘মির্জাপুর: দ্য মুভি’

‘ওর বয়স তো আমার ক্রিকেট ক্যারিয়ারের সমানও না’ কাকে নিয়ে বললেন শামি?

‘ওর বয়স তো আমার ক্রিকেট ক্যারিয়ারের সমানও না’ কাকে নিয়ে বললেন শামি?

অনলাইন জুয়ার ঋণের টাকা জোগাতে নিজেকে অপহরণের নাটক সাজান যুবক

অনলাইন জুয়ার ঋণের টাকা জোগাতে নিজেকে অপহরণের নাটক সাজান যুবক

0 Comments