মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে তিন বছরের বেশি সময় পর সুদের হার বাড়িয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভ (ফেড)। মূল্যস্ফীতি বেশি থাকলে ভবিষ্যতে সুদের হার আরও বাড়ানো হতে পারে—এমন ইঙ্গিতও দিয়েছে তারা।
বুধবার এক বৈঠকে সর্বসম্মত সিদ্ধান্তে নীতি সুদ ৩ দশমিক ৫০ থেকে ৩ দশমিক ৭৫ শতাংশের পরিসর থেকে বাড়িয়ে ৩ দশমিক ৭৫ থেকে ৪ শতাংশ করা হয়। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরোধিতার মধ্যেই এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে ফেড। বেশ কিছুদিন ধরেই ট্রাম্প দাবি করে আসছিলেন, সুদের হার কমানো হোক।
ফেডের চেয়ারম্যান কেভিন ওয়ার্শ বলেন, ‘মূল্যস্ফীতির হার অনেক বেশি এবং অনেক দিন ধরেই তা বেশি।’ তাঁর ভাষায়, সুদের হার বাড়ানোর সিদ্ধান্ত ‘সংযত’ ও ‘দায়িত্বশীল’।
সিদ্ধান্ত ঘোষণার পর ট্রাম্প ওয়ার্শের প্রতি সমর্থন জানালেও ফেডের পরিচালনা পর্ষদের সমালোচনা করেন। তাঁর অভিযোগ, পর্ষদ ‘খুবই প্রতিকূল’ ও ‘রাজনৈতিক’।
সুদের হার বাড়লে ব্যাংকঋণ, বাড়ির মর্টগেজ ও ক্রেডিট কার্ডের ঋণের খরচ বেড়ে যায়। তবে সঞ্চয়কারীরা তুলনামূলক বেশি সুদ লাভের সুযোগ পান। তবে ফেড সুদের হার বাড়ালে তার প্রভাব শুধু যুক্তরাষ্ট্রেই সীমাবদ্ধ থাকে না; বরং বিশ্বের সবখানেই তার প্রভাব অনুভূত হয়।
বুধবার সিদ্ধান্ত ঘোষণার পর সংবাদ সম্মেলনে ওয়ার্শ বলেন, ফেডের নেতৃত্বে অর্থনীতি নিয়ে ‘আশাবাদী মনোভাব’ থাকলেও মূল্যস্ফীতি এখনো বড় সমস্যা।
ফেডের মূল্যস্ফীতির লক্ষ্যমাত্রা ২ শতাংশ। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রে মূল্যস্ফীতি পাঁচ বছরের বেশি সময় ধরে এই লক্ষ্যমাত্রার ওপরে বলে জানান ওয়ার্শ। উচ্চ মূল্যস্ফীতির কারণে জীবনযাত্রার ব্যয় যুক্তরাষ্ট্রের ভোটারদের এখন অন্যতম প্রধান উদ্বেগ। ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যুদ্ধ শুরুর পর বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম বেড়েছে। এর প্রভাব পড়েছে যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি, পণ্য ও বিভিন্ন সেবার দামে।
তবে নির্দিষ্ট কোনো পণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণ করা ফেডের পক্ষে সম্ভব নয় বলে জানান ওয়ার্শ। তিনি বলেন, তেল বা দোকানে বিক্রি হয়—এমন কোনো নির্দিষ্ট পণ্যের দাম ফেড নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না। তবে মূল্যবৃদ্ধি যাতে অর্থনীতির অন্যান্য খাতেও ছড়িয়ে না পড়ে, তা নিশ্চিত করতে মুদ্রানীতি ব্যবহার করতে পারে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
শ্রমবাজার ও সামগ্রিক অর্থনীতি শক্ত অবস্থানে থাকায় আপাতত মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে জোর দিচ্ছে ফেড। ওয়ার্শ বলেন, মূল্যস্ফীতি কমলে সবচেয়ে বেশি উপকার পাবেন নিম্ন আয়ের মানুষ।
সাধারণত মূল্যস্ফীতি বাড়লে কেন্দ্রীয় ব্যাংক সুদের হার বাড়ায়। ফলে যেটা হয় সেটা হলো, উচ্চ সুদের কারণে মানুষ ঋণ নেওয়া কমিয়ে দেয়; এতে সমাজে অর্থের প্রবাহ কমে। মানুষের হাতে ব্যয় করার মতো অর্থ কমে যায়, উৎসাহ বাড়ে সঞ্চয়ে। এর মাধ্যমে অর্থনীতিতে চাহিদার চাপ কমিয়ে মূল্যস্ফীতির গতি কমানোর চেষ্টা করা হয়। বেশি সুদের কারণে ব্যবসায়িক বিনিয়োগ কমে যেতে পারে, তাতে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির গতি কমে যাওয়ার শঙ্কা থাকে।
ওয়ার্শ ফেডের চেয়ারম্যান হওয়ার সময় ডেমোক্র্যাট আইনপ্রণেতাদের কেউ কেউ বলেছিলেন, তিনি ট্রাম্পের ‘হাতের পুতুল’। কেননা ট্রাম্প দীর্ঘদিন ধরে সুদের হার কমানোর জন্য ফেডের ওপর চাপ দিয়ে আসছেন। এর আগে ফেডের চেয়ারম্যান জেরোম পাওয়েল ট্রাম্পের কথা শুনে সুদের হার কমাননি, সে জন্য তিনি ট্রাম্পের কটু সমালোচনার শিকার হয়েছেন।
বুধবার সুদের হার বাড়ানোর সিদ্ধান্তের বিষয়ে ট্রাম্পের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে কি না, জানতে চাইলে ওয়ার্শ তার সরাসরি উত্তর দেননি।
পরে ট্রাম্প সাংবাদিকদের বলেন, তিনি ওয়ার্শের ওপর আস্থা রাখছেন। তবে ফেডের পরিচালনা পর্ষদকে তিনি ‘খুব কঠিন’ বলে আখ্যা দেন। ট্রাম্প বলেন, ‘সুদের হার অনেক বেশি; এটা যথাযথ নয়।’ এর আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি লিখেছিলেন, ‘সুদের হার কমান, দ্রুত।’
ফেডের সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেছেন ডেমোক্র্যাটরাও। সিনেটে দলটির শীর্ষ নেতা চাক শুমার বলেন, সুদের হার বাড়ানোর ফলে ঋণের খরচ বাড়বে; আরও অনেক মানুষের কাঁধে ঋণের বোঝা চাপবে।
বাস্তবতা হলো, ২০২৫ সালের ডিসেম্বর মাসে সুদের হার কমানোর পর এবারই প্রথম মুদ্রানীতিতে পরিবর্তন আনল ফেড। এর আগে ২০২৩ সালের জুলাই মাসে সর্বশেষ সুদের হার বাড়ানো হয়েছিল।
সুদের হার বেড়ে যাওয়ায় নতুন করে যাঁরা বাড়ি কিনবেন, তাঁদের বন্ধকি ঋণের সুদহার বেড়ে যাবে। একই সঙ্গে ব্যক্তিগত ঋণ ও ক্রেডিট কার্ডের সুদহার বৃদ্ধির সম্ভাবনা আছে।
যুক্তরাষ্ট্রের বৃহৎ ব্যাংক জেপি মরগান, কিকর্প ও বিএনওয়াই বুধবার তাদের মূল ঋণের সুদ ৬ দশমিক ৭৫ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৭ শতাংশ করেছে। ফলে ক্রেডিট কার্ড ও ব্যক্তিগত ঋণের সুদও বাড়তে পারে।
ফেড নীতি সুদহারবিষয়ক যে সিদ্ধান্ত নেয়, বন্ডের দাম ও সুদের হারে তার বড় প্রভাব আছে। ফেডারেল রিজার্ভ নীতি সুদহার বাড়ালে বাজারে আগে থেকে যে নির্দিষ্ট সুদের হারে বন্ড আছে, সেকেন্ডারি বাজারে তার দাম কমে যায়। একই সময়ে নতুন করে ইস্যু করা নির্দিষ্ট সুদের হারের বন্ডে সুদের হার বেড়ে যায়। সুদের হার কমলে এর উল্টোটা ঘটে। অর্থাৎ আগে ইস্যু করা নির্দিষ্ট সুদের হারের বন্ডের দাম সেকেন্ডারি বাজারে বেড়ে যায়। নতুন করে ইস্যু করা বন্ডের সুদের হার কমে যায়।
সে কারণে সুদের হার যখন বাড়ানো হয়, বিনিয়োগকারীরা তখন নতুন করে বন্ড কেনায় আগ্রহী হয়ে ওঠেন। উন্নয়নশীল দেশে বিনিয়োগের চেয়ে বন্ডে বিনিয়োগ করা লাভজনক হয়ে ওঠে। এতে উন্নয়নশীল দেশ থেকে পুঁজি বের হওয়ার চাপ তৈরি হতে পারে। পরিণামে স্থানীয় মুদ্রার মান কমতে পারে। ডলারের দাম বাড়লে আমদানি ও বৈদেশিক ঋণের খরচ বাড়ে, চাপ তৈরি হয় মূল্যস্ফীতির। পরিস্থিতি সামলাতে স্থানীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক সুদের হার বাড়ালে বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে চাপ তৈরি হয়।
সুদের হার কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে, ওয়ার্শ সে পূর্বাভাস দেননি। তবে ফেডের অধিকাংশ নীতিনির্ধারক মনে করেন, চলতি বছরের শেষ নাগাদ সুদের হার আরও বেড়ে ৪ থেকে ৪ দশমিক ২৫ শতাংশে উঠতে পারে।
নীতিনির্ধারকদের মধ্যে সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশের পূর্বাভাস, আগামী বছর সুদের হার ৪ দশমিক ২৫ থেকে ৪ দশমিক ৫০ শতাংশ পর্যন্ত উঠতে পারে। এরপর ২০২৮ ও ২০২৯ সালে সুদের হার কমানোর সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে।
ফেডের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী কয়েক বছরে মূল্যস্ফীতি ধীরে ধীরে কমবে এবং ২০২৯ সালের মধ্যে তা ২ শতাংশের লক্ষ্যমাত্রায় নেমে আসতে পারে।
এদিকে ইরান যুদ্ধের কারণে যুক্তরাষ্ট্রের পাশাপাশি অন্যান্য বড় অর্থনীতিকেও মূল্যস্ফীতির চাপ সামলাতে হচ্ছে। ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক গত সপ্তাহে সুদের হার বাড়িয়েছে। বৃহস্পতিবার সুদের হার নিয়ে সিদ্ধান্ত জানাবে ব্যাংক অব ইংল্যান্ড।
শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা। ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে। সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।” জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর। সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।
বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে। চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে। দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।
কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন
হুতিদের সামরিক গণমাধ্যম শাখা একটি ভিডিও প্রকাশ করেছে। তাদের দাবি, ভিডিওতে সৌদি আরবের একটি এফ-১৫ যুদ্ধবিমানের ধ্বংসাবশেষ দেখা যাচ্ছে এবং সেটি তারা ভূপাতিত করেছে। দেখুন ভিডিও প্রতিবেদনে...
গাজীপুরের শ্রীপুরে একটি ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র আকস্মিক পরিদর্শনে যান স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়–সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি ও সংসদ সদস্য অধ্যাপক এস এম রফিকুল ইসলাম। গতকাল বুধবার বেলা ১১টার দিকে সেখানে গিয়ে তিনি প্রধান ফটকে তালা দেখেন। পরে কাঁটাতারের বেড়া সরিয়ে পেছনের ফটক দিয়ে কেন্দ্রে ঢুকে তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করেন।শ্রীপুর উপজেলার গাজীপুর ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে মুঠোফোনে কথা বলেন গাজীপুর–৩ আসনের এই সংসদ সদস্য।খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গতকাল আকস্মিকভাবে স্বাস্থ্যকেন্দ্র পরিদর্শনে বের হন সংসদ সদস্য রফিকুল ইসলাম। এর অংশ হিসেবে তিনি গাজীপুর ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রে যান। সেখানে গিয়ে তিনি কেন্দ্রের প্রধান ফটকে তালা দেখতে পান। এ সময় ভেতরে থাকা এক কর্মী ফটকের কাছে এলে তাঁকে তালা খুলতে বলেন সংসদ সদস্য। ওই কর্মী জানান, তাঁর কাছে চাবি নেই।পরে সংসদ সদস্য ফটকের পাশের কাঁটাতারের বেড়া সরিয়ে ভেতরে যান। কেন্দ্রের ভবনের কলাপসিবল ফটকেও তালা দেখতে পান তিনি। এ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে ফটকের সামনে দাঁড়িয়েই ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে মুঠোফোনে কল করেন এবং ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলেন। পরে পেছনের ফটক দিয়ে কেন্দ্রের ভেতরে প্রবেশ করে পরিদর্শন করেন তিনি।সংসদ সদস্য ফটকের পাশের কাঁটাতারের বেড়া সরিয়ে ভেতরে যান। কেন্দ্রের ভবনের কলাপসিবল ফটকেও তালা দেখতে পান তিনি। এ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে ফটকের সামনে দাঁড়িয়েই ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে মুঠোফোনে কল করেন এবং ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলেন।গাজীপুর ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রের পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শক হাসান আল মামুন প্রথম আলোকে বলেন, ‘মেইন গেটের চাবি আমার কাছে ছিল। ভুল করে চাবিটি আনা হয়নি। সঙ্গে কেন্দ্রের পেছনের গেটের চাবি ছিল। সেটি খুলে আমি ভেতরে মিটিং করছিলাম। এ সময় সংসদ সদস্য এসে ফটক তালাবদ্ধ দেখে রাগ করেছেন।’আপেল মাহমুদ, শ্রীপুর উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা সেখানে গিয়ে কাউকে পাওয়া যায়নি কারণ, সেখানে শুধু শনিবার সেবা দেওয়া হয়। সংসদ সদস্যের পরিদর্শনের সময় কেন্দ্রের ভেতরে থাকা ব্যক্তিরা পাক্ষিক সভা করছিলেন।পরিদর্শন শেষে সংসদ সদস্য রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘এখানে কোনো স্বাস্থ্যকর্মী নেই, চিকিৎসক নেই, মেডিক্যাল অফিসারও নেই। কয়েকজন কর্মচারী ভেতরে বসে গল্প-আড্ডায় মেতেছেন। গাজীপুর ইউনিয়ন একটি প্রত্যন্ত অঞ্চল। এখানকার মানুষের স্বাস্থ্যসেবা পাওয়া জরুরি।’সেখানে গিয়ে কাউকে পাওয়া যায়নি কারণ, সেখানে শুধু শনিবার সেবা দেওয়া হয়, এই তথ্য জানান শ্রীপুর উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা আপেল মাহমুদ। সংসদ সদস্যের পরিদর্শনের সময় কেন্দ্রের ভেতরে থাকা ব্যক্তিরা পাক্ষিক সভা করছিলেন বলে তাঁর দাবি।
নগদ লিমিটেড জনবল নিয়োগে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। পদের নাম ‘এক্সিকিউটিভ’। প্রতিষ্ঠানটি তাদের এমআইএস বিভাগে এ পদে কর্মী নিয়োগ দেবে। আবেদন চলছে। আবেদন করা যাবে ২৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। আগ্রহী প্রার্থীরা অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন।বিভাগের নাম: এমআইএস (কাস্টমার ডেমোগ্রাফি অ্যান্ড ইনফরমেশন ম্যানেজমেন্ট)।পদের নাম: এক্সিকিউটিভ।পদসংখ্যা: ১।সমাজসেবায় ১৪৮৫ পদে নিয়োগ: আবেদনকারী কত, পরীক্ষার তারিখ কবেশিক্ষাগত যোগ্যতা: যেকোনো বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রি।অভিজ্ঞতা: কমপক্ষে ১-৩ বছর।বয়স: উল্লেখ নেই।বেতন: আলোচনা সাপেক্ষে নির্ধারণ করা হবে।অস্ট্রেলিয়ায় বিদেশি শিক্ষার্থীদের সঙ্গে পরিবার আনার সুযোগ বন্ধের প্রস্তাবঅন্যান্য সুবিধা: ভ্রমণ ভাতা, প্রভিডেন্ট ফান্ড, সপ্তাহে ২ দিন ছুটি, মোবাইল বিল ভাতা, স্বাস্থ্যবিমা, উৎসব বোনাস ও প্রতিবছর ইনক্রিমেন্টের সুবিধা রয়েছে।*আগ্রহী প্রার্থীরা আবেদন করতে ও আবেদনের বিস্তারিত বিজ্ঞপ্তি দেখতে এখানে ক্লিক করুন।