বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দলের টি-টোয়েন্টি ফরম্যাট থেকে অধিনায়কত্ব ছাড়ার জন্য বিসিবিকে মেইল দিয়েছেন নিগার সুলতানা জ্যোতি। আসন্ন এশিয়ান গেমসের পর এই ফরম্যাটে আর অধিনায়কত্ব করতে চান না তিনি। নারী উইংয়ের চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম বাবু জাগো নিউজকে এটি নিশ্চিত করেছেন।
বাবু বলেন, ‘আমি এখনো মেইল দেখিনি। আমাদের উইমেন্সের ম্যানেজার জানালো, ওর (জ্যোতি) মেইলে এমন কিছু আছে। এই মূহূর্তে এর বেশি কিছু বলা ঠিক হবে না। আমাকে দেখতে হবে।’
২০২২ সাল থেকে টি-টোয়েন্টিতে অধিনায়কত্ব করছিলেন জ্যোতি। বাংলাদেশের জার্সি গায়ে ১৩২ টি-টোয়েন্টি খেলেছেন জ্যোতি, এর ৮০ ম্যাচেই অধিনায়কত্ব করেছেন তিনি।
অধিনায়ক হিসেবে ৮০ ম্যাচে ১৩ ফিফটিতে ১৮৫১ রান করেছেন জ্যোতি। সবমিলিয়ে ১৩২ ম্যাচের ক্যারিয়ারে ১৩ ফিফটি আর ১ সেঞ্চুরিতে ২৭০৯ রান আছে তার।
জ্যোতির অধীনে ২০২৪ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে স্কটল্যান্ডকে হারায় টাইগ্রেসরা, যেটা এই ফরম্যাটের বিশ্বকাপে ১০ বছরে বাংলাদেশের প্রথম জয়। টি-টোয়েন্টিতে অধিনায়ক হিসেবে এটাই তার সবচেয়ে বড় সাফল্য।
সাম্প্রতিক সময়ে সময়টা মোটেও ভালো যাচ্ছিল না জ্যোতির। গেলো এশিয়া কাপে ভারতের বিপক্ষে হেরে সেমিফাইনাল থেকে বাদ পড়ে বাংলাদেশ। অধিনায়ক হিসেবে জ্যোতিও সামনে থেকে নেতৃত্ব দিতে ব্যর্থ হয়েছেন। ৪ ম্যাচে ব্যাট হাতে করেছেন মাত্র ৫৬ রান, সর্বোচ্চ ২৩ রান গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিপক্ষে।
এছাড়া অধিনায়ক হিসেবে নানামুখী সমালোচনার মুখেও ছিলেন জ্যোতি। দলে সিন্ডিকেট তৈরি করা, নিজের বলয়ের বাইরে গেলে নানা হয়রানির অভিযোগও আছে তার বিরুদ্ধে।
এশিয়ান গেমসের পর পুরো দলের পারফর্ম্যান্স ও জ্যোতিকে নিয়ে আলোচনার কথা বলেছিল বিসিবি। তবে তার আগেই জ্যোতি জানিয়ে দিলেন, তিনি টি-টোয়েন্টিতে আর অধিনায়কত্ব করতে চান না।
এসকেডি/এমএমআর
শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা। ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে। সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।” জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর। সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।
বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে। চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে। দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।
কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন
গত মাসে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে টেস্ট সিরিজ ড্র করা বাংলাদেশ দলকে আজ সংবর্ধনা দিয়েছে ক্রিকেটারদের সংগঠন ক্রিকেটার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (কোয়াব)। মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামের প্লেয়ার্স লাউঞ্জ ‘টাইগার্স ডেন’–এ দেওয়া হয় এই সংবর্ধনা।সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে অস্ট্রেলিয়া সফর করে আসা দলের সব সদস্যকে সাফল্যের স্মারক হিসেবে কোয়াবের পক্ষ থেকে ক্রেস্ট প্রদান করা হয়। বিসিবি সভাপতি তামিম ইকবাল, অন্যান্য বোর্ড পরিচালক এবং কোয়াবের উপদেষ্টা কমিটির সদস্যরা এতে উপস্থিত ছিলেন।কোয়াবের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, অনুষ্ঠানে টেস্ট অধিনায়ক নাজমুল হোসেন অস্ট্রেলিয়ায় তাঁর দলের পারফরম্যান্সের ভূয়সী প্রশংসা করেন। টেস্ট ক্রিকেটে এই অগ্রগতির জন্য পুরো কোচিং স্টাফের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন তিনি। বাংলাদেশ দলের প্রধান কোচ ফিল সিমন্স জানান, অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে এই টেস্ট সিরিজের কথা মনে পড়লেই তিনি আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন।কোয়াবের অনুষ্ঠানে কথা বলছেন প্রধান নির্বাচক হাবিবুল বাশারবাংলাদেশ দলের সাবেক ক্রিকেটার, বিসিবির সাবেক সাধারণ সম্পাদক এবং কোয়াবের উপদেষ্টা কমিটির সদস্য সৈয়দ আশরাফুল হকও বক্তব্য দিতে গিয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। নিজের বক্তব্যে তিনি বাংলাদেশের টেস্ট মর্যাদা পাওয়ার চেষ্টার দিনগুলোর কথা স্মরণ করেন।অনুষ্ঠানে বিসিবি সভাপতি তামিম ইকবাল দলের প্রশংসা করে বলেন, ‘বাংলাদেশ দল এমন একটি কীর্তি অর্জন করেছে, যা সবার প্রত্যাশার বাইরে ছিল।’পরে বিসিবির প্রধান নির্বাচক ও জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক হাবিবুল বাশার, সাবেক অধিনায়ক খালেদ মাহমুদ, ধারাভাষ্যকার ও সাবেক ক্রিকেটার আতহার আলী খান এবং সাবেক ক্রিকেটার এনামুল হক টেস্ট দলের প্রতি সম্মান জানিয়ে বক্তব্য রাখেন। বক্তব্য রাখেন অস্ট্রেলিয়াফেরত দলের ক্রিকেটার লিটন দাস, হাসান মাহমুদ, শরীফুল ইসলাম ও তানজিদ হাসান।বাংলাদেশের কাছে ধাক্কা খাওয়া অস্ট্রেলিয়া আগের মতো নেই, বললেন ডোনাল্ড
আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে দলীয় সমর্থন পেতে নিজের অবস্থান জানান দিতে কয়েক শ মোটরসাইকেল নিয়ে শোডাউন করেছেন জয়পুরহাটের ক্ষেতলালের বড়াইল ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য মো. আলমগীর হোসেন মোল্লা।আজ বৃহস্পতিবার বেলা ১১টা থেকে দেড়টা পর্যন্ত ইউনিয়নের বিভিন্ন সড়কে চলে এই মোটরসাইকেল শোডাউন। পরে দক্ষিণ হাটশহর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে প্রায় তিন হাজার মানুষের ভূরিভোজের আয়োজন করা হয়।সরেজমিন দেখা যায়, হাটশহর গ্রামের একটি ক্লাবঘরের সামনে ১০ থেকে ১২ জন রান্নার কাজে ব্যস্ত। ক্লাবঘরের ভেতরে রান্না করা বিরিয়ানি ১৭টি ডেকচিতে রাখা হয়েছে। রান্নার কাজে নিয়োজিত আকবর হোসেন বলেন, সকাল ছয়টার পর থেকে তাঁরা রান্না করছেন। ১০ মণ চাল ও ১০০ কেজি খাসির মাংস দিয়ে বিরিয়ানি রান্না করা হয়েছে।শোডাউনে অংশ নেয় কয়েক শ মোটরসাইকেলশোডাউনে অংশ নেওয়া হাটশহর গ্রামের হাফিজুর রহমান বলেন, ‘আলমগীর হোসেন মোল্লা বিএনপির জন্য নিবেদিতপ্রাণ। তিনি দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় কাজ করছেন। আমরা তাঁর ডাকে সাড়া দিয়ে শোডাউনে অংশ নিয়েছি।’আলমগীর হোসেন মোল্লা বড়াইল ইউনিয়নের দক্ষিণ হাটশহর গ্রামের বাসিন্দা। তিনি বর্তমানে বড়াইল ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য। এর আগে তিনি ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি ছিলেন। পোলট্রি ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত আলমগীর হোসেন বড়াইল ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক সদস্য।জানতে চাইলে আলমগীর হোসেন বলেন, ‘চেয়ারম্যান পদে নিজের প্রার্থিতার বিষয়টি জানান দিতেই এই আয়োজন করেছি।’ তাঁর ডাকে বিএনপির নেতা-কর্মী ও সমর্থকেরা শোডাউনে অংশ নেন বলেও জানান।প্রায় তিন হাজার মানুষের ভূরিভোজের আয়োজন করা হয়স্থানীয় সরকার নির্বাচনে এবার দলীয় প্রতীক থাকছে না। এরপরও বড়াইল ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে বিএনপির দলীয় সমর্থনপ্রত্যাশী আরও দুজন রয়েছেন। তাঁরা হলেন বড়াইল ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি রেজ্জাকুল হায়দার ও বিএনপি নেতা মুরশিদুল ইসলাম।
‘স্বপ্ন দেখো, জীবন গড়ো’ স্লোগানে সারা দেশের ৬৪ জেলায় শুরু হয়েছে শিখো-প্রথম আলো জিপিএ-৫ কৃতী শিক্ষার্থী সংবর্ধনা। এরই ধারাবাহিকতায় আজ পঞ্চগড়, মৌলভীবাজার ও কক্সবাজারে অনুষ্ঠিত হয়েছে সংবর্ধনা অনুষ্ঠান। সকাল থেকেই কৃতী শিক্ষার্থীদের পদচারণে মুখর হয়ে ওঠে অনুষ্ঠানস্থল। শিক্ষার্থীরা অংশ নেয় নানান আয়োজনে। ১৯৯৯ সালে মেধাতালিকায় সেরাদের সংবর্ধনার মধ্য দিয়ে প্রথম আলোর এ আয়োজন শুরু হয়। ২০০১ সাল থেকে জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দেওয়া হচ্ছে। আজ তিন জেলার আয়োজন নিয়ে ছবির গল্প...মৌলভীবাজারে কৃতী শিক্ষার্থী সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে স্টল থেকে উপহারসামগ্রী সংগ্রহ করছে জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীরা। জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তন, মৌলভীবাজার, ১৭ সেপ্টেম্বরজাতীয় সংগীতের মাধ্যমে মৌলভীবাজারে কৃতী শিক্ষার্থী সংবর্ধনা অনুষ্ঠান শুরু হয়। জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তন, ১৭ সেপ্টেম্বরমৌলভীবাজারে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে আবৃত্তি পরিবেশন করেন শিল্পীরা। জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তন, ১৭ সেপ্টেম্বরমৌলভীবাজারে অনুষ্ঠানে গান পরিবেশন করেন শিল্পীরা। জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তন, ১৭ সেপ্টেম্বরপঞ্চগড় সরকারি অডিটোরিয়ামে শিখো-প্রথম আলো জিপিএ-৫ কৃতী শিক্ষার্থী সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রবেশ করছে শিক্ষার্থীরা। ১৭ সেপ্টেম্বরপঞ্চগড়ে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে সেলফি তুলছে শিক্ষার্থীরা। ১৭ সেপ্টেম্বরপঞ্চগড়ে কৃতী শিক্ষার্থী সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে নৃত্য পরিবেশন করেন শিল্পীরা। ১৭ সেপ্টেম্বরপঞ্চগড়ে অনুষ্ঠানে কুইজ প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের সঙ্গে অতিথিরা। ১৭ সেপ্টেম্বরকক্সবাজারে প্রথম আলো এক্সপেরিয়েন্স জোনে গেম খেলে পুরস্কার জিতছে শিক্ষার্থীরা। ১৭ সেপ্টেম্বরকক্সবাজারে শিখো-প্রথম আলো জিপিএ-৫ কৃতী শিক্ষার্থী সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে গান পরিবেশন করছে ‘আনপ্রিপেয়ার্ড ওয়ার’ ব্যান্ড। ১৭ সেপ্টেম্বরকক্সবাজারে ব্যান্ড সংগীতের সঙ্গে জনপ্রিয় গানে কণ্ঠ মেলাচ্ছে কৃতী শিক্ষার্থীরা। ১৭ সেপ্টেম্বরকক্সবাজারে শিখো-প্রথম আলো জিপিএ-৫ কৃতী শিক্ষার্থী সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরা। ১৭ সেপ্টেম্বরকক্সবাজারে কৃতী শিক্ষার্থীদের অটোগ্রাফ দিচ্ছেন ‘কিশোর আলো’ সম্পাদক আনিসুল হক। ১৭ সেপ্টেম্বর