জাতীয়

জার্মানির প্রথম দল ঘোষণাতেই ক্লপের চমক, চার ম্যাচের জন্য দুই স্কোয়াড

News সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৬ 0
জার্মানির প্রথম দল ঘোষণাতেই ক্লপের চমক, চার ম্যাচের জন্য দুই স্কোয়াড
জার্মানির প্রথম দল ঘোষণাতেই ক্লপের চমক, চার ম্যাচের জন্য দুই স্কোয়াড

জার্মানি জাতীয় দলের কোচ হিসেবে প্রথমবার দল ঘোষণা করেই চমকে দিয়েছেন ইয়ুর্গেন ক্লপ। আসন্ন উয়েফা নেশনস লিগের চার ম্যাচের জন্য একসঙ্গে দুটি স্কোয়াড ঘোষণা করেছেন তিনি। মোট ৪৫ খেলোয়াড়কে দুই দলে ভাগ করে প্রতিটি স্কোয়াডে রাখা হয়েছে দুটি করে ম্যাচের জন্য। জাতীয় দলের প্রচলিত দল নির্বাচনের ধারা থেকে বেরিয়ে ক্লপের এ সিদ্ধান্তে সুযোগ পাচ্ছেন একাধিক নতুন মুখ।

খেলোয়াড়দের ওপর চাপ কমানো এবং বেশি সংখ্যক খেলোয়াড়কে দেখার সুযোগ তৈরি করতেই এমন সিদ্ধান্ত বলে জানিয়েছেন জার্মানির নতুন কোচ। ক্লপের অধীনে জার্মানি প্রথম ম্যাচ খেলবে ২৪ সেপ্টেম্বর, আমস্টারডামে নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে। এরপর ২৭ সেপ্টেম্বর গ্রিসের বিপক্ষে ঘরের মাঠে খেলবে দলটি। দ্বিতীয় স্কোয়াডের ম্যাচ দুটি সার্বিয়ার বিপক্ষে ১ অক্টোবর এবং গ্রিসের বিপক্ষে ৪ অক্টোবর।

দুটি স্কোয়াড ঘোষণা করলেও কোনো দলকে প্রথম বা দ্বিতীয় সারির হিসেবে দেখতে রাজি নন ক্লপ। ফ্রাঙ্কফুর্টে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেছেন, ‘আমরা কোনো এ বা বি দল তৈরি করিনি। আমরা চারটি ম্যাচই জিততে চাই।’

দুটি দলে খেলোয়াড় বাছাইয়ের ক্ষেত্রে পজিশন, খেলোয়াড়দের বৈশিষ্ট্য, অভিজ্ঞতা ও তারুণ্যের মধ্যে ভারসাম্য রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি। ক্লপের লক্ষ্য, যত বেশি সম্ভব খেলোয়াড়কে কাছ থেকে দেখা এবং তাঁদের সম্পর্কে ধারণা নেওয়া, ‘মূল কারণ হলো, আমাদের দুই সপ্তাহে চারটি ম্যাচ খেলতে হবে, যা জাতীয় দলের জন্য খুবই অস্বাভাবিক।’

দুটি ভিন্ন স্কোয়াড ঘোষণা করা হলেও একটি ব্যতিক্রম অবশ্য আছে। দুই স্কোয়াডেই রাখা হয়েছে গোলকিপার ফিন দাহমেনjc। প্রথম স্কোয়াডের কয়েকজন খেলোয়াড়কে পরের সপ্তাহেও দলের সঙ্গে রাখার পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন জার্মান কোচ।

জুন-জুলাইয়ে হওয়া ফিফা বিশ্বকাপের দলের ১৬ জন আছেন ক্লপের প্রথম দুই স্কোয়াডে। আর প্রথমবার দলে ডাক পেয়েছেন ১১ জন। দীর্ঘ ১৫ মাস পর জাতীয় দলে ফিরেছেন গোলকিপার মার্ক-আন্দ্রে টের স্টেগেন। তবে কোনো স্কোয়াডে নেই লেরয় সানে ও ডেনিস উনদাভ।

Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

ব্যাটিং বিপর্যয়ে দিন শুরু, লড়াইয়ে ফিরতে মরিয়া টাইগাররা

কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন

জাতীয়

View more
ইউপি নির্বাচন কবে, বৈঠকেও চূড়ান্ত হলো না তারিখ
ইউপি নির্বাচন কবে, বৈঠকেও চূড়ান্ত হলো না তারিখ

আগামী ১২ নভেম্বর থেকে সাত ধাপে ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচন করার প্রাথমিক পরিকল্পনা ছিল নির্বাচন কমিশনের (ইসি)। তবে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও দপ্তরগুলোর সঙ্গে বৈঠক করেও ভোটের তারিখ চূড়ান্ত করতে পারেনি কমিশন। পরীক্ষা, রমজান ও নির্বাচনের প্রস্তুতির বিষয়গুলো সমন্বয় করে সুনির্দিষ্ট তারিখ জানাতে আরও কিছু কাজ করতে হবে বলে জানিয়েছে ইসি।আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর নির্বাচন ভবনে এই বৈঠক হয়। বৈঠক শেষে নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ সাংবাদিকদের বলেন, আগামী বছরের ৬ জুন এইচএসসি পরীক্ষা শুরুর আগেই নির্বাচন শেষ করার বিষয়ে সবাই একমত হয়েছেন। তবে ভোট কবে শুরু হবে, তা এখনো চূড়ান্ত হয়নি।নির্বাচন কমিশনার বলেন, ‘স্থানীয় সরকার নির্বাচনের ব্যাপারে, বিশেষ করে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের ব্যাপারে আজকের সভায় আমি যদি এক লাইনে কনক্লুশন বলি, সবাই সম্মত হয়েছেন যে আমাদেরকে এই নির্বাচনটা পারতপক্ষে ৬ জুনের আগেই সম্পন্ন করতে হবে, এইচএসসি পরীক্ষার আগে।’ভোটের জন্য সময় খুঁজছে ইসিইউপি নির্বাচন কবে থেকে শুরু হতে পারে—সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে সানাউল্লাহ বলেন, ‘আগে তো আমাকে স্লটটা পেতে হবে নির্বাচন করার জন্য।’ তিনি জানান, নভেম্বর ও ডিসেম্বরজুড়ে পরীক্ষা থাকায় এ সময়ে খুব কম বিরতি পাওয়া যাচ্ছে।এই নির্বাচন কমিশনার বলেন, জানুয়ারিতে কিছুটা সময় পাওয়া যাচ্ছে। এরপর ফেব্রুয়ারির শুরুতে রোজা। রোজা শেষ হওয়ার পরপরই এসএসসি পরীক্ষা শুরু হবে। এসএসসি পরীক্ষা শেষ হওয়া থেকে ৬ জুন এইচএসসি পরীক্ষা শুরুর মধ্যেও কিছুটা সময় পাওয়া যাচ্ছে। এই সীমিত সময়ের মধ্যে কীভাবে নির্বাচনের আয়োজন করা যায়, তা নিয়ে আরও সমন্বয়ের প্রয়োজন রয়েছে।বৈঠকে শিক্ষাসংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর উদ্বেগের কথাও তুলে ধরেন সানাউল্লাহ। তিনি বলেন, বন্যার কারণে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষার বিভিন্ন স্তরে যে প্রভাব পড়েছে, তা এখনো কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হয়নি। পাশাপাশি শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, মূল্যায়ন ও পরীক্ষার প্রস্তুতির বিষয় রয়েছে। পরীক্ষা যাতে কোনোভাবে ব্যাহত না হয়, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা অনুরোধ জানিয়েছেন।এসব উদ্বেগ যৌক্তিক বলে উল্লেখ করেন নির্বাচন কমিশনার। তিনি জানান, বিষয়গুলো বিবেচনায় নিয়ে প্রয়োজনীয় সমন্বয় করা হবে। নির্বাচনের বাজেট পরিকল্পনাসহ আরও কিছু কাজ দ্রুত শেষ করতে হবে। এসব কাজ শেষ করে যত দ্রুত সম্ভব সুনির্দিষ্ট তারিখ জানানো হবে।সম্ভাব্য সময়সূচি থেকে সরে আসেনি কমিশনআগে জানানো ইউপি নির্বাচনের সম্ভাব্য সময়সূচি থেকে ইসি সরে এসেছে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে সানাউল্লাহ বলেন, ‘মোটেও না।’নির্বাচন কমিশনার জানান, আগের সময়সূচিটি ছিল সম্ভাব্য। প্রাক্‌প্রস্তুতিমূলক সভার আলোকে সেটি তৈরি করা হয়েছিল। তখনই বলা হয়েছিল, ১৭ সেপ্টেম্বরের বৈঠকের পর সময়সূচি চূড়ান্ত করা হবে।সানাউল্লাহ বলেন, ‘আমরা সামান্যতম কোনোখান থেকে সরে আসি নাই।’ আজকের বৈঠকে পাওয়া তথ্য–উপাত্তের ভিত্তিতে সময়সূচি চূড়ান্ত করা হবে বলে জানান তিনি।ইসির প্রাথমিক পরিকল্পনার ওপর সংশ্লিষ্ট সবাই মতামত দিয়েছেন জানিয়ে সানাউল্লাহ বলেন, এসব বিষয় নিয়ে কমিশনে আলোচনা হবে। কর্মকর্তা ও সচিব পর্যায়ে প্রয়োজনীয় সমন্বয়ের কাজ সম্পন্ন করবেন ইসি সচিব।ইউনিয়ন পরিষদের বাইরে স্থানীয় সরকারের অন্য নির্বাচনগুলোর বিষয়ে এই নির্বাচন কমিশনার বলেন, ‘অন্যান্য নির্বাচনের ব্যাপারেও আমরা আইন অনুযায়ী যখন যেটা করার প্রয়োজন, তখন সেটা করব।’নভেম্বরে স্থানীয় ভোটের পরিকল্পনা, কেন পিছিয়ে যেতে পারে মে পর্যন্ত

News সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৬ 0
মেট্রোরেল নির্মাণে বাড়ছে ব্যয়, চাপ বাড়বে অর্থনীতিতে

মেট্রোরেল নির্মাণে বাড়ছে ব্যয়, চাপ বাড়বে অর্থনীতিতে

কৃতী শিক্ষার্থীদের পদচারণে মুখর তিন জেলার অনুষ্ঠান

কৃতী শিক্ষার্থীদের পদচারণে মুখর তিন জেলার অনুষ্ঠান

ডাকাতির সময় কারাগারে ছিলেন, তবু আসামি হয়ে ১০ বছর মামলায় হাজিরা

ডাকাতির সময় কারাগারে ছিলেন, তবু আসামি হয়ে ১০ বছর মামলায় হাজিরা

মনের মধ্যে একটা ভীতি কাজ করছে, যেটা আগে কখনো ছিল না—সাক্ষাৎকারে বাকি
মনের মধ্যে একটা ভীতি কাজ করছে, যেটা আগে কখনো ছিল না—সাক্ষাৎকারে বাকি

১৭ বছরের ক্যারিয়ার, কমনওয়েলথ গেমসে দুটি রুপা—সব যেন এক পাশে সরিয়ে এক অনিশ্চিত ভবিষ্যতের সামনে দাঁড়িয়ে শুটার আবদুল্লাহ হেল বাকি। বয়স ৩৯ চলছে। তিন বছর পর আবার আন্তর্জাতিক মঞ্চে ফেরা, তা–ও প্রিয় ১০ মিটার এয়ার রাইফেল ছাড়া। এশিয়ান গেমসে অংশ নিতে গত পরশু রাতে টোকিওগামী বিমানে ওঠার আগে নিজের ক্যারিয়ার নিয়ে শেষের বাঁশিই যেন বাজল তাঁর কণ্ঠে। পাঁচ বছরের মধ্যে এটি আপনার মাত্র তৃতীয় আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতা। এই দীর্ঘ বিরতির পর ফেরা কতটা কঠিন ছিল?আবদুল্লাহ হেল বাকি: অনেক কঠিন। আপনারা বলেন, আমি নাকি অনেক অভিজ্ঞ শুটার। আসলেই কি আমি এত অভিজ্ঞ? ২০২১ টোকিও অলিম্পিক গেমস করার পর আমি আর দলে ছিলাম না। ২০২৩ সালে হাজুং এশিয়ান গেমস করে এসে কোমরের ব্যথায় আবার ছিটকে যাই। তিন বছর পর আরেকটা এশিয়ান গেমস দিয়ে ফিরেছি। ২০২১ থেকে ২০২৬—এই পাঁচ বছরে আমি মাত্র দুটি আন্তর্জাতিক গেমসে অংশ নিয়েছি। পৃথিবীতে এমন কোনো শুটার পাবেন না যে পাঁচ বছরে দুটি প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছে! চোটে পড়লে তো কিছু করার থাকে না, ভাগ্যটাই খারাপ।আপনার মূল ইভেন্ট ১০ মিটার এয়ার রাইফেলের বদলে এই প্রথম কোনো প্রতিযোগিতায় শুধু ৫০ মিটার থ্রি পজিশনে লড়ছেন। প্রিয় ইভেন্ট ছাড়ার সিদ্ধান্তটা কার?বাকি: সিদ্ধান্তটা আমারই। ১০ মিটার এয়ার রাইফেলে দাঁড়িয়ে তিন–চার ঘণ্টা অনুশীলন করতে হয়, প্রতিযোগিতার সময় দাঁড়িয়ে থাকতে হয় ঘণ্টা দুয়েক। কোমরে ব্যথার কারণে আমার পক্ষে এতক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকা এখন অনেক কঠিন। তবে এমন নয় যে হাঁটাচলা করতে পারছি না, কিন্তু ব্যথাটা মানসিকভাবে ব্যাকফুটে ঠেলে দেয়। তাই ১০ মিটার এয়ার রাইফেল ছাড়ার মতো কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছি। ৫০ মিটার থ্রি পজিশনে ২০টি করে মোট ৬০টি শট বসে, শুয়ে আর দাঁড়িয়ে মারতে হয়। দাঁড়িয়ে ২০ শটে লাগে মাত্র ৩০ মিনিট।ক্যারিয়ারের শেষ প্রান্তে এসে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া কতটা কঠিন ছিল?বাকি: ছয়-সাত মাস লেগেছে শুধু এই সিদ্ধান্তটা নিতে যে ১০ মিটার আর করব না। অনেক ঝড়ঝাপটা আর মানসিক চাপের মধ্যে ছিলাম। কারণ, ১০ মিটারে আমার ৮০-৯০ ভাগ সাফল্য এসেছে। ১০ মিটার এয়ার রাইফেলই আমার আবেগ, ২০১৪ আর ২০১৮ কমনওয়েলথ গেমসে জোড়া রুপা, ২০১৭ সালে ইসলামিক সলিডারিটি গেমসে আতকিয়া হাসানের সঙ্গে মিশ্র দলগতে সোনা, এসএ গেমসে দলীয় সোনা...কিন্তু সেটা ছাড়তে বাধ্য হয়েছি। ৫০ মিটার আমার মূল ইভেন্ট কখনোই ছিল না।এই এশিয়ান গেমসটাকে কি আপনার ক্যারিয়ারের ‘শেষের শুরু’ বলা যায়?বাকি: বলতে পারেন। তবে এটাই আমার শেষ কি না, জানি না। হয়তো শেষ, আবার ফেডারেশন চাইলে আরও দু-একটা টুর্নামেন্টে সুযোগ পেতেও পারি। তবে সত্যি বলতে মনের মধ্যে একটা ভীতি কাজ করছে, যেটা আগে কখনো ছিল না। ৫০ মিটারে খারাপ করলে আর সুযোগ পাব কি না, মনে মনে একটা থ্রেট অনুভব করছি।তাহলে তো ৫০ মিটার থ্রি পজিশনে এশিয়াডে ভালো করা আপনার জন্য আরও কঠিন, তাই না?বাকি: কঠিন তো অবশ্যই। ৬০ শটে ৫৮৫ প্লাস স্কোর করতে পারলে হয়তো ফাইনালে সুযোগ আসতে পারে। অনুশীলনে মাঝে মাঝে ৫৮০ হচ্ছে, তবে সব ঠিক থাকলে ৫৮০-এর বেশি করতে পারব বলে বিশ্বাস আছে। গেমসে ১০০ জনের বেশি শুটারের মধ্যে ২৪ সেপ্টেম্বর প্রথম রাউন্ড শেষে ৩০-৪০ জন যাবে পরদিনের দ্বিতীয় রাউন্ডে, আর সেখান থেকে সেরা আট খেলবে ফাইনালে। জানি না কী হবে, তবে কঠিন হলেও আমার লক্ষ্য ৫৮৫ স্কোর করে ফাইনালে ওঠা। ফেডারেশন একটা সুযোগ দিয়েছে, সেটা কাজে লাগাতে চাই।১০ মিটার এয়ার রাইফেল ছেড়ে ৫০ মিটার থ্রি পজিশনে খেলবেন আবদুল্লাহ হেল বাকি২০০৯ সালে সাফ শুটিং দিয়ে শুরু করে আজ ক্যারিয়ারে পড়ন্ত বেলায় এসে আক্ষেপ, নাকি তৃপ্তি—কোনটা বেশি কাজ করছে?বাকি: পুরোপুরি তৃপ্ত হওয়া কঠিন। যদি ২০১৮ কমনওয়েলথ গেমসে মাত্র ০.৩৩ পয়েন্টের জন্য সোনাটা না হাতছাড়া হতো, তবে হয়তো তৃপ্ত থাকতাম। কোমরে ব্যথা না থাকলে আরও অন্তত চার–পাঁচ বছর অনায়াসেই খেলতে পারতাম। তবু এই বয়সে যে আবার নতুন করে শুরু করতে পারছি, এটাও কম কথা নয়।এশিয়াডে শুটিংয়ে বাংলাদেশ কখনো পদক জেতেনি, এবার পদকের বাস্তব সম্ভাবনা কতটুকু?বাকি: এশিয়ান গেমসে চীন, জাপান, কোরিয়া, ভারতের মতো বিশ্বমানের শুটাররা দাপট দেখায়, যারা অলিম্পিকেও পদক পায়। ফলে এখানে পদক পাওয়া মানে অলিম্পিকে পদক পাওয়ার সমান। আমাদের সম্ভাবনার ইভেন্ট মূলত ১০ মিটার এয়ার রাইফেল। নির্দিষ্ট দিনে সেরাটা দিতে পারলে ফাইনালে যাওয়া অসম্ভব নয়। আর ফাইনালে উঠলে যেকোনো কিছু হতে পারে। দেখা যাক, কী হয়।যে ইভেন্টে এত সাফল্য, সেটাকেই বিদায় বলে দিলেন বাকি

News সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৬ 0
জোনাকি পোকা হারিয়ে যাচ্ছে কেন

জোনাকি পোকা হারিয়ে যাচ্ছে কেন

‘চলে আসলি এই পুলিশ কিচ্ছু করতে 
পারবে না’, অডিও ভাইরালের পর ওসি প্রত্যাহার

‘চলে আসলি এই পুলিশ কিচ্ছু করতে পারবে না’, অডিও ভাইরালের পর ওসি প্রত্যাহার

চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেলখ্যাত লাস্কার পুরস্কার পেলেন যাঁরা

চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেলখ্যাত লাস্কার পুরস্কার পেলেন যাঁরা

বৃষ্টিভেজা সকালে দূরের গ্রাম থেকেও এসেছিল অনেকে
বৃষ্টিভেজা সকালে দূরের গ্রাম থেকেও এসেছিল অনেকে

ভোররাতে বৃষ্টি হয়েছে। বৃষ্টিভেজা সকালটা ছিল সতেজ। যদিও সকালে আকাশ কালো করে আবারও নামে বৃষ্টি। শেষ পর্যন্ত এই বৃষ্টিকে সঙ্গী করেই জিপিএ–৫ সংবর্ধনায় অংশ নেয় কৃতী শিক্ষার্থীরা। কেউ একা, কেউ আবার অভিভাবক নিয়ে আসে। বৃষ্টিভেজা সকালটা রূপ নেয় তারুণ্যের মিলনমেলায়। অনেক দূরের গ্রাম থেকেও এসেছিল অনেকে।আজ বৃহস্পতিবার সকালে মৌলভীবাজার জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় জিপিএ–৫ প্রাপ্ত কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দেওয়া হয়।প্রথম আলোর আয়োজনে ও শিক্ষার ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ‘শিখো’র পৃষ্ঠপোষকতায় সারা দেশে আয়োজিত হচ্ছে জিপিএ–৫ প্রাপ্ত কৃতী সংবর্ধনা ২০২৬। ‘স্বপ্ন দেখো, জীবন গড়ো’ স্লোগানে এ বছর এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় জিপিএ–৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের ৬৪ জেলায় এ সংবর্ধনা দেওয়া হচ্ছে।অনুষ্ঠানে আসা শিক্ষার্থীরা উপহার সামগ্রী সংগ্রহ করছেআয়োজনটি পাওয়ার্ড বাই বিকাশ এবং সহযোগিতায় থাকছে কনকর্ড গ্রুপ, ফ্রেশ, সেভয় আইসক্রিম, কনকা–গ্রী, মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক পিএলসি, কোয়ালিটি গ্রুপ, প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটি, জিংক বি, অতীশ দীপঙ্কর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, ইউসিএসআই ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ শাখা ক্যাম্পাস, আম্বার আইটি লিমিটেড, এটিএন বাংলা ও প্রথম আলো বন্ধুসভা।সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের আসার কথা ছিল সকাল ৯টায়। তবে সকাল আটটার আগেই অনেক শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনাস্থলে চলে আসতে দেখা গেছে। সকাল ৯টা বাজতেই শিক্ষার্থীদের হাতে তুলে দেওয়া হয় ক্রেস্ট ও স্ন্যাকসের ব্যাগ। এরপর শিক্ষার্থীরা একে একে মিলনায়তনের ভেতর আসন নিতে থাকে।ক্রেস্ট হাতে উচ্ছ্বসিত শিক্ষার্থীরাএরই মধ্যে বন্ধুসভার সদস্য ও আবৃত্তিশিল্পী তাওফিকা মুজাহিদ মঞ্চে সঞ্চালনা শুরু করেন। সকাল ১০টা বাজতেই সংগীত প্রশিক্ষক সুপ্রিয়া মিশ্রের নেতৃত্বে শিল্পীদের কণ্ঠে বেজে ওঠে জাতীয় সংগীত। এরপর স্বাগত বক্তব্য দেন মৌলভীবাজারে প্রথম আলোর নিজস্ব প্রতিবেদক আকমল হোসেন।অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে মৌলভীবাজার সরকারি মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো. তোফাজ্জল আলী বলেন, ‘আজ যে জিপিএ–৫টা পেয়েছ, এটা জীবনযাত্রার সূচনামাত্র। শুরু হলো তোমার নতুন জীবন। পরবর্তী যে ধাপগুলো আছে, সেখানে তোমাকে অনেক মনোযোগী হতে হবে, অনেক পরিশ্রম করতে হবে। তাহলেই তুমি সফল হবে।’আবৃত্তি পরিবেশন করছেন শিল্পীরাএ সময় অভিভাবকদের ত্যাগের মূল্য দিতে শিক্ষার্থীদের প্রতি আহ্বান জানান তোফাজ্জল আলী। তিনি বলেন, ‘শুধু জিপিএ–৫ পেলেই চলবে না। তোমার মা–বাবাকে সম্মান করতে হবে, শ্রদ্ধা করতে হবে। তাঁদের যে ত্যাগ, এখন হয়তো তোমাদের অনুভবে আসবে না, উপলব্ধিতে আসবে না। যখন তোমরা অভিভাবক হবে বা মা–বাবা হবে, তখন বুঝতে পারবে যে একজন অভিভাবক তোমাদের পেছনে কতটুকু ত্যাগ স্বীকার করেন।’দেশের জন্য কাজ করতে শিক্ষার্থীদের প্রতি আহ্বান জানান অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক ও মৌলভীবাজার পাবলিক লাইব্রেরি পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক শাহ আবদুল ওদুদ। তিনি বলেন, ‘আমি মনে করি, আমরা যাঁরা শিক্ষিতজন, আমরা যাঁরা এই পর্যায়ে আসতে পেরেছি; প্রত্যেকের ক্ষেত্রেই দেশের জনগণের ট্যাক্সের টাকা, সাধারণ মানুষের অবদান আছে। আমরা যেন তাঁদের কথা সব সময় মনে রাখি।’অতিথিদের সঙ্গে কুইজ বিজয়ী শিক্ষার্থীরামাদক, মিথ্যা ও মুখস্থকে ‘না’ বলতে শিক্ষার্থীদের শপথ পাঠ করান প্রথম আলোর ডেপুটি নিউজ এডিটর তুহিন সাইফুল্লাহ।অনুষ্ঠানে অভিভাবক পপি দাস বলেন, ‘প্রথম আলো বাচ্চাদের (জিপিএ–৫ প্রাপ্তদের) এই সংবর্ধনা দেওয়ায় আমি অনেক অনেক খুশি। বাচ্চাদের প্রতি আমার একটা অনুরোধ, সবাই যেন শিক্ষকদের সম্মান করে।’সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে গান পরিবেশন করে স্থানীয় ব্যান্ড দল ‘আউটকাস্ট’কৃতী শিক্ষার্থীদের মধ্যে অনুভূতি জানিয়ে বক্তব্য দেন মৌলভীবাজার ফ্লাওয়ার্স কেজি অ্যান্ড হাইস্কুল থেকে উত্তীর্ণ ধ্রুব পাল ও শ্রীমঙ্গল সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের রাজশ্রী দেব দিয়া।এর আগে আবৃত্তির সংগঠন উচ্চারণের শিল্পীরা আবৃত্তি পরিবেশন করেন। অনুষ্ঠানের শেষের দিকে অনলাইনে কুইজ প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন অতিথিরা। সবশেষে স্থানীয় ব্যান্ড দল ‘আউটকাস্ট’ বেশ কিছুটা সময় গানে গানে শিক্ষার্থীদের মাতিয়ে রাখে।

News সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৬ 0
পড়াশোনার পাশাপাশি ফুটবলে আলো ছড়াচ্ছে ষষ্ঠ শ্রেণির মানিক

পড়াশোনার পাশাপাশি ফুটবলে আলো ছড়াচ্ছে ষষ্ঠ শ্রেণির মানিক

হোম লোন নিয়ে প্রচলিত ভুল ধারণা, যেগুলো জানা জরুরি

হোম লোন নিয়ে প্রচলিত ভুল ধারণা, যেগুলো জানা জরুরি

ক্ষমতার পালাবদলের খেলা নিয়ে ফিরছেন বীরেন্দর শেবাগ

ক্ষমতার পালাবদলের খেলা নিয়ে ফিরছেন বীরেন্দর শেবাগ

0 Comments