হংকংয়ের ব্যস্ত রাজপথ, ঝলমলে আলো আর আকাশছোঁয়া ভবনের মাঝে এবার অন্যরকম এক মেহজাবীন চৌধুরী। বড় কোনো ফ্যাশন শুটের আয়োজন নয়, নামী কোনো ব্র্যান্ডের ক্যামেরাও নয়-স্থানীয় এক ফটোগ্রাফারের ক্যামেরায় ধরা দিয়েছেন জনপ্রিয় এই অভিনেত্রী। আর সেই ছবিগুলোতেই যেন ফুটে উঠেছে তার স্টাইলের আরও স্বতঃস্ফূর্ত একটি দিক।
অভিনয়ের পাশাপাশি ফ্যাশন ও ভ্রমণের মুহূর্ত ভক্তদের সঙ্গে ভাগ করে নেন মেহজাবীন। হংকং ভ্রমণের ছবিতেও তার ব্যতিক্রম হয়নি। তবে এবার নজর কেড়েছে শুধু তার পোশাক কিংবা ভিক্টোরিয়া হারবারের সৌন্দর্য নয়, বরং লোকাল ফটোগ্রাফারের তোলা ছবিতে তার স্বাভাবিক উপস্থিতি।
ফ্যাশন ফটোগ্রাফিতে সাধারণত নিখুঁত আলো, পরিকল্পিত সেটআপ আর পেশাদার টিমের আয়োজন থাকে। মেহজাবীনের এই ছবিগুলো যেন তার ঠিক উল্টা। শহরের স্বাভাবিক পরিবেশ, নরম আলো আর স্থানীয় ফটোগ্রাফারের দৃষ্টিভঙ্গি মিলিয়ে ছবিগুলোতে এসেছে অনেক বেশি ভ্রমণঘনিষ্ঠ আবহ। যেন হংকং ঘুরতে গিয়ে হঠাৎ করেই ধরা পড়েছেন তিনি।
মেহজাবীনের পোশাকের মূল সৌন্দর্য ছিল সাদা ও কালোর বৈপরীত্যে। ওপরের অংশে পরেছেন কালো ভেস্ট-স্টাইলের টপ। টপটির সামনের অংশে সাদা সুতোর সূক্ষ্ম এমব্রয়ডারি রয়েছে। এশিয়ান মোটিফের অনুপ্রেরণায় করা নকশাটি কালো পোশাকের ওপর বেশ স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে।
কালো টপের সঙ্গে তিনি বেছে নিয়েছেন ঘেরওয়ালা সাদা লং স্কার্ট। স্তরযুক্ত ও ভলিউমিনাস স্কার্টটি পুরো লুকে এনেছে খানিকটা নাটকীয়তা। কালো ও সাদার এই কম্বিনেশন একই সঙ্গে আধুনিক, মার্জিত এবং কিছুটা রেট্রো আবহ তৈরি করেছে।
পায়ের সাজেও ছিল আলাদা নজর। সাদা-কালো দুই রঙের ব্লক হিল মেরি জেন পাম্পের সঙ্গে কালো হাঁটু-লম্বা শিয়ার মোজা পরেছেন তিনি। এই জুটি পোশাকের সঙ্গে তৈরি করেছে দারুণ একটি ভিনটেজ ফ্যাশন অনুভূতি।
বিশেষ করে সাদা স্কার্টের নিচে কালো মোজা এবং দুই রঙের জুতার সমন্বয় লুকটিকে করেছে আরও স্টাইলিশ। পোশাকের ভলিউমের সঙ্গে পায়ের এই ডিটেইলটি পুরো সাজে ভারসাম্য এনেছে।
পোশাকে এমব্রয়ডারির কাজ থাকায় গয়নায় খুব বেশি বাড়াবাড়ি করেননি মেহজাবীন। কানে ছোট স্টাড ইয়াররিং এবং হাতে মেটালিক ঘড়ি বা চেইন-স্টাইলের অ্যাকসেসরিজ-এই সামান্য আয়োজনেই সম্পূর্ণ করেছেন সাজ।
মেকআপেও ছিল না অতিরিক্ত আয়োজন। হালকা ও ন্যাচারাল মেকআপ, কোমল টোনের লিপস্টিক এবং স্বাভাবিক সৌন্দর্যকে ফুটিয়ে তোলার মতো বেস-সব মিলিয়ে তার সাজ ছিল বেশ পরিমিত।
চুল একপাশে সিঁথি করে খোলা রেখেছেন তিনি। কাঁধ ছুঁয়ে নামা খোলা চুল বাতাসের সঙ্গে মিশে ছবিগুলোতে তৈরি করেছে আরও স্বাভাবিক ভ্রমণ-আবহ। মনে হয়েছে, এটি কোনো সাজানো স্টুডিও শুট নয়, বরং হংকংয়ের পথে হাঁটতে হাঁটতেই ধরা পড়া এক ফ্যাশন মুহূর্ত।
গলায় কোনো ভারী গয়না না থাকায় টপের নকশাটিই পেয়েছে বাড়তি গুরুত্ব। মেকআপও ছিল হালকা ও ন্যাচারাল। কোমল টোনের লিপস্টিক এবং স্বাভাবিক বেস তার সৌন্দর্যকে আরও সহজভাবে ফুটিয়ে তুলেছে।
ছবির পেছনে দেখা যাচ্ছে হংকংয়ের ভিক্টোরিয়া হারবারের মনোরম দৃশ্য। সারি সারি আধুনিক বহুতল ভবন, দূরের পাহাড় আর মেঘলা আকাশে তৈরি হয়েছে সিনেমার মতো একটি ব্যাকড্রপ। তবে এবার সেই ব্যাকড্রপের সঙ্গে মেহজাবীনের লুককে আরও বিশেষ করে তুলেছে লোকাল ফটোগ্রাফারের চোখ। বড় আয়োজনের ফ্যাশন শুটে যেমন প্রতিটি ফ্রেম আগে থেকেই পরিকল্পিত থাকে, এই ছবিগুলোতে তার বদলে পাওয়া যায় শহর ঘোরার স্বাভাবিক অনুভূতি।
এসএকেওয়াই
শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা। ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে। সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।” জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর। সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।
বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে। চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে। দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।
কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন
পানিসম্পদ মন্ত্রী মো. শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেছেন, পদ্মা ব্যারেজ বাংলাদেশের অর্থনৈতিক বিপ্লবের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মেগা প্রকল্প। এই প্রযুক্তি বাস্তবায়নের মধ্য দিয়ে দেশের ২৬ জেলার অর্থনৈতিক রূপান্তর ঘটাবে। এটা খুব আধুনিক প্রযুক্তি। এর বাস্তবায়ন হলে কৃষি বিপ্লব হবে এবং এখানে বিদ্যুৎ উৎপাদন হবে। আর এর মাধ্যমে বৃদ্ধি পাবে মাছের উৎপাদন। শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে রাজবাড়ী জেলার পাংশার হাবাসপুরে প্রস্তাবিত পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্পের সাইট পরিদর্শন শেষে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। পানিসম্পদ মন্ত্রী বলেন, ২০০৪ সালে সাবেক প্রধানমন্ত্রী প্রয়াত বেগম খালেদা জিয়ার সময় এই প্রকল্পটির কারিগরি সমীক্ষা করা হয়েছে। আজকে ২০২৬ সালে এসে তা বাস্তবায়ন করার জন্য একনেকে পাস করানো হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নির্বাচনের আগে আপনাদেরকে ওয়াদা দিয়েছিলেন, আজকে তার নেতৃত্বেই বাস্তবায়ন হতে যাচ্ছে পদ্মা ব্যারেজ। আগামী বছরের জানুয়ারি, ফেব্রুয়ারি বা মার্চ মাসের যে কোনো সময়ে প্রধানমন্ত্রী পদ্মা ব্যারেজের উদ্বোধন করবেন। পদ্মা ব্যারেজের প্রকল্প ম্যাপ/ ছবি: জাগো নিউজ শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেন, পদ্মা ব্যারেজ বাস্তবায়নের আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করেছি। আগামী দিনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে তা বাস্তবায়ন হবে। সেই জন্য মাঠের কারিগরি সমীক্ষা বাস্তবায়ন করার লক্ষ্যে বিশেষ টিম আমাদের সঙ্গে এসেছে। এটি আমাদের দেশীয় অর্থে সাত বছর মেয়াদি একটি প্রকল্প। এ সময় অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ, সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম, রাজবাড়ী-২ আসনের এমপি হারুন অর রশিদ, জেলা পরিষদ প্রশাসক আব্দুস সালাম মিয়া, জেলা প্রশাসক আফরোজা সুলতানা, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনজুর মোর্শেদ, কেন্দ্রীয় কৃষকদলের সহ-সভাপতি আসলাম মিয়াসহ প্রকল্প সংশ্লিষ্ট অনেকে উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ্য, চলতি বছরের ১৩ মে একনেক সভায় পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্পটি অনুমোদন দেওয়া হয়। প্রকল্পের মোট প্রস্তাবিত ব্যয় ধরা হয়েছে ৩৩ হাজার ৪৭৪ কোটি ৪৫ লাখ টাকা। ২০২৬ সালের জুলাই থেকে জুন ২০৩৩ মেয়াদে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হবে। এ প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে শুষ্ক মৌসুমে পদ্মা নদীর পানি সংরক্ষণ ও নিয়ন্ত্রণ করে স্বাদু পানির প্রবাহ ফিরিয়ে আনার পরিকল্পনা করা হয়েছে। ব্যারাজটি দুই দশমিক এক কিলোমিটার দীর্ঘ হবে। এতে থাকবে ৭৮টি স্পিলওয়ে গেট (প্রতিটির প্রস্থ ১৮ মিটার), ১৮টি আন্ডার স্লুইসগেট, ১৪ মিটার প্রশস্ত একটি নেভিগেশন লক, দুটি ২০ মিটার প্রশস্ত ফিশ পাস এবং ব্যারাজের ওপর দিয়ে একটি রেলওয়ে সেতু। পাশাপাশি প্রায় ১১৩ মেগাওয়াট জলবিদ্যুৎ উৎপাদনের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে। ব্যারাজটি বাস্তবায়ন হলে এর সুবিধা পাবে রাজবাড়ীসহ দেশের ২৬ জেলার মানুষ। রুবেলুর রহমান/এসজেডএইচ/জেআইএম
স্মার্টফোন, ল্যাপটপ, চার্জার কিংবা অন্য কোনো ইলেকট্রনিক ডিভাইস হাতে নিয়ে দেখেছেন কি, কোথাও একটি ছোট ডাস্টবিনের ছবি রয়েছে এবং তার ওপর মোটা করে ক্রস চিহ্ন দেওয়া? অনেকেই এটিকে সাধারণ কোনো সতর্কতামূলক প্রতীক মনে করেন। কিন্তু এর পেছনে রয়েছে গুরুত্বপূর্ণ পরিবেশগত বার্তা। ডিভাইসের গায়ে থাকা এই চিহ্নটি মূলত জানিয়ে দেয়, পণ্যটির ব্যবহার শেষ হয়ে গেলে সেটিকে সাধারণ গৃহস্থালির আবর্জনার সঙ্গে ফেলে দেওয়া উচিত নয়। কারণ ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতি সাধারণ বর্জ্যের মতো নয়। এগুলোর ভেতরে থাকা বিভিন্ন উপাদান পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে এবং একই সঙ্গে অনেক মূল্যবান উপাদান পুনর্ব্যবহারযোগ্য। ডাস্টবিনের ওপর ক্রসের অর্থ কী? ডাস্টবিনের ওপর ক্রস দেওয়া প্রতীকটি সাধারণভাবে ডব্লিউইইই (ওয়েস্ট ইলেক্ট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইকুইপমেন্ট) চিহ্ন হিসেবে পরিচিত। সহজ করে বললে, এটি একটি নির্দেশনা এই ইলেকট্রনিক পণ্যটি ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে গেলে সাধারণ ময়লার ঝুড়িতে ফেলা যাবে না। অর্থাৎ, আপনার পুরোনো মোবাইল, ল্যাপটপ, চার্জার বা অন্য কোনো বৈদ্যুতিক-ইলেকট্রনিক যন্ত্র নষ্ট হয়ে গেলে সেটিকে নির্দিষ্ট ই-ওয়েস্ট সংগ্রহ বা পুনর্ব্যবহার ব্যবস্থার আওতায় দেওয়া উচিত। এর মাধ্যমে পণ্যটি নিরাপদভাবে প্রক্রিয়াজাত করা সম্ভব হয়। আরও পড়ুন ল্যাপটপের ক্ষতি না করে কিবোর্ডের ফাঁকের ধুলা পরিষ্কার করুন সহজে কেন সাধারণ ডাস্টবিনে ফেলা যাবে না? ইলেকট্রনিক যন্ত্রের ভেতরে বিভিন্ন ধরনের ধাতু, প্লাস্টিক, ব্যাটারি ও অন্যান্য উপাদান থাকে। কিছু পুরোনো বা নির্দিষ্ট ধরনের ইলেকট্রনিক পণ্যে সিসা, পারদ, ক্যাডমিয়ামের মতো ক্ষতিকর পদার্থও থাকতে পারে। এ ধরনের বর্জ্য যদি নিয়ন্ত্রণহীনভাবে ফেলে রাখা হয় বা ভুল পদ্ধতিতে ভাঙা হয়, তাহলে ক্ষতিকর উপাদান পরিবেশে ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি তৈরি হয়। মাটি ও পানিদূষণের পাশাপাশি ই-ওয়েস্টের অনুপযুক্ত ব্যবস্থাপনা মানুষের স্বাস্থ্য ও পরিবেশ দুইয়ের জন্যই সমস্যা তৈরি করতে পারে। তাই ডব্লিউইইই প্রতীক মূলত ব্যবহারকারীকে আগে থেকেই সতর্ক করে দেয় এই পণ্যটির জীবনচক্র শেষ হলেও এর দায়িত্ব শেষ হয়নি। ই-ওয়েস্ট আসলে কী? সহজ ভাষায়, যে বৈদ্যুতিক বা ইলেকট্রনিক যন্ত্র আর ব্যবহার করা হচ্ছে না কিংবা ব্যবহারের উপযোগিতা হারিয়েছে, সেটিই ই-ওয়েস্টের অংশ হতে পারে। পুরোনো স্মার্টফোন, কম্পিউটার, ল্যাপটপ, মনিটর, প্রিন্টার, চার্জার, বিভিন্ন ইলেকট্রনিক যন্ত্রাংশ, কন্ট্রোলার, ডিসপ্লে এসবই ব্যবহারের শেষে ই-বর্জ্যে পরিণত হতে পারে। শুধু বড় যন্ত্র নয়, ছোট ইলেকট্রনিক অ্যাকসেসরিজও ই-ওয়েস্ট ব্যবস্থাপনার আওতায় আসতে পারে। শুধু ফেলে দিলেই দায়িত্ব শেষ নয় একটি ইলেকট্রনিক ডিভাইস নষ্ট হওয়ার পর সেটিকে সাধারণ আবর্জনার সঙ্গে মিশিয়ে দিলে সমস্যাটি চোখের আড়ালে চলে যায়, কিন্তু শেষ হয় না। বরং বর্জ্যটি কোথায় যাচ্ছে এবং কীভাবে প্রক্রিয়াজাত হচ্ছে, সেটিই গুরুত্বপূর্ণ। সঠিকভাবে সংগ্রহ করা হলে ই-ওয়েস্ট থেকে বিভিন্ন উপাদান আলাদা করে পুনর্ব্যবহার করা সম্ভব। ফলে একদিকে পরিবেশের ওপর চাপ কমে, অন্যদিকে কিছু মূল্যবান কাঁচামালও পুনরুদ্ধার করা যায়। এই কারণেই অনেক দেশে পুরোনো ইলেকট্রনিক পণ্য সংগ্রহ ও পুনর্ব্যবহারের জন্য আলাদা ব্যবস্থা রয়েছে। কোথাও নির্মাতা প্রতিষ্ঠান, কোথাও স্থানীয় কর্তৃপক্ষ, আবার কোথাও অনুমোদিত রিসাইক্লিং সংস্থা এই কাজ করে থাকে। সব দেশে কি একই নিয়ম? না। ডব্লিউইইই প্রতীক আন্তর্জাতিকভাবে পরিচিত হলেও ই-ওয়েস্ট ব্যবস্থাপনার আইন ও বাস্তবায়ন দেশভেদে আলাদা। ইউরোপে এই প্রতীক বিশেষভাবে পরিচিত এবং ইলেকট্রনিক পণ্যের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে নির্দিষ্ট নিয়ম রয়েছে। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রে জাতীয় পর্যায়ে একই ধরনের একক বাধ্যতামূলক ব্যবস্থা নেই। তবে দেশটির বিভিন্ন অঙ্গরাজ্য, শহর ও স্থানীয় প্রশাসনের নিজস্ব ই-ওয়েস্ট রিসাইক্লিং কর্মসূচি ও আইন রয়েছে। ফলে সেখানে পুরোনো ইলেকট্রনিক পণ্য পুনর্ব্যবহারের সুযোগ থাকলেও নিয়ম স্থানভেদে আলাদা হতে পারে। আরও পড়ুন আইফোন ১৮ প্রো-তে ক্যামেরায় বড় চমক, ফটোগ্রাফারদের জন্য আশীর্বাদ পুরোনো গ্যাজেট কী করবেন? আপনার ফোন, ল্যাপটপ বা চার্জার নষ্ট হয়ে গেলে সরাসরি বাড়ির ময়লার ঝুড়িতে না ফেলে আগে স্থানীয়ভাবে ই-ওয়েস্ট সংগ্রহের ব্যবস্থা আছে কি না খোঁজ নেওয়া ভালো। অনেক ক্ষেত্রে নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বা অনুমোদিত রিসাইক্লিং কেন্দ্র পুরোনো ডিভাইস সংগ্রহ করে। বিশেষ করে পুরোনো ফোন বা কম্পিউটার দেওয়ার আগে ব্যক্তিগত তথ্য মুছে ফেলা, প্রয়োজনীয় ব্যাকআপ নেওয়া এবং ডিভাইসে থাকা অ্যাকাউন্ট থেকে সাইন-আউট করাও জরুরি। তাই পরেরবার স্মার্টফোনের পেছনে, চার্জারের গায়ে কিংবা ল্যাপটপের নিচে ডাস্টবিনের ওপর ক্রস চিহ্নটি দেখলে সেটিকে নিছক একটি লোগো ভাববেন না। ছোট্ট এই প্রতীক আসলে মনে করিয়ে দেয় ইলেকট্রনিক পণ্যের ব্যবহার শেষ হলেও তার সঠিক নিষ্পত্তির দায়িত্ব শেষ হয় না। কেএসকে
কাজল চোখএমদাদ হোসেন ১.দিনশেষে ঋণ ভোলা যায়,তবুও কিছু ঋণ থাকে বাকি—যেমন তোমার কাজল চোখের কাছে,অকূল সমুদ্রে হারানো কোনো ভাসমান নাওয়ের মতোঅনিবার্য এক মায়ায় থমকে দাঁড়ায় পাখি। ২.তুমি যেও,তবে অতটুকু যেতে নেই—যতটুকু গেলে কাজল চোখ দেবে বাধা। ৩.ভীষণ রকম ভেঙে পড়লে মন,কার দুয়ারে দাঁড়াব কখন কেমন?ফিরে যদি আসি কাজল চোখের কাছে,হৃদয়ের ব্যাকুলতা বুকে টেনে নেবে কি অমন? ৪.আমি রেখে আসি প্রার্থনা তেমনতোমার কাজল চোখের আঁকিবুঁকি যেমন। ৫.যেতে যেতে যতটুকু আমি রেখে যাই বাকি—তোমার কাজল চোখের কাছে থমকে দাঁড়ায়‘জীবন’ নামক পাখি! আরও পড়ুন এলিয়েনার জন্য ভালোবাসা! এসইউ