জাতীয়

প্রবাসীর স্ত্রীর সঙ্গে পুলিশ কর্মকর্তার রাত্রিযাপন, দুজনই কারাগারে

News সেপ্টেম্বর ১১, ২০২৬ 0
প্রবাসীর স্ত্রীর সঙ্গে পুলিশ কর্মকর্তার রাত্রিযাপন, দুজনই কারাগারে
প্রবাসীর স্ত্রীর সঙ্গে পুলিশ কর্মকর্তার রাত্রিযাপন, দুজনই কারাগারে

চট্টগ্রাম নগরের বিশ্ব কলোনির একটি ফ্ল্যাট থেকে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) ওয়ারী থানার এক উপপরিদর্শক (এসআই) ও এক নারীকে আটকের পর তাদের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। পরকীয়া, অনৈতিক কাজ, মারধর, চুরি ও হুমকির অভিযোগে করা মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে তাদের কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।

আসামিরা হলেন- ডিএমপির ওয়ারী থানার এসআই মোহাম্মদ নুরুন্নবী মুন্না (৩৮) ও ওই নারী (৩৯)।

বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) আকবর শাহ থানায় এক প্রবাসীর ভাই বাদী হয়ে মামলাটি করেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, বুধবার বিকেল ৪টার দিকে আকবর শাহ থানার বিশ্ব কলোনির আই-ব্লকের একটি ফ্ল্যাটে ওই দুজনকে দেখতে পান স্থানীয় লোকজন। পরে তাদের আটক করে পুলিশে খবর দেওয়া হয়। খবর পেয়ে আকবর শাহ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে দুজনকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।

পরে বৃহস্পতিবার মামলায় তাদের গ্রেফতার দেখিয়ে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. আলমগীর হোসেনের আদালতে হাজির করা হয়। শুনানি শেষে আদালত দুজনকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আকবর শাহ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কামরুজ্জামান। তিনি বলেন, এসআই মোহাম্মদ নুরুন্নবী মুন্না ও ওই নারীর বিরুদ্ধে অনৈতিক কাজ, মারধর, চুরি ও হুমকির অভিযোগে মামলা হয়েছে। মামলায় দুজনকে গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে। নুরুন্নবী মুন্না ডিএমপির ওয়ারী থানায় এসআই হিসেবে কর্মরত।

যা বলা হয়েছে এজাহারে

মামলার এজাহারে বাদী উল্লেখ করেন, ওই নারী তার বড় ভাইয়ের স্ত্রী। তার বড় ভাই ২০১৮ সালের ২৯ মার্চ সৌদি আরবে যান। নুরুন্নবী আকবর শাহ থানায় দায়িত্ব পালনকালে ওই নারীর সঙ্গে পরিচিত হন। পরে পরিচয়ের সূত্র ধরে তাদের বাসায় যাতায়াত শুরু করেন এবং একপর্যায়ে বিয়েবহির্ভূত সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন।

গত ৭ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা ৭টার দিকে নুরুন্নবী ওই ফ্ল্যাটে গিয়ে ওই নারীর সঙ্গে রাত্রিযাপন করেন। বিষয়টি তার ভাই প্রবাস থেকে জানতে পারেন। পরে ৯ সেপ্টেম্বর বিকেল ৪টার দিকে স্থানীয় লোকজন ওই ফ্ল্যাটে গিয়ে দুজনকে আটক করেন।

এ সময় স্থানীয় লোকজনের সামনে নুরুন্নবী ওই নারীকে নিজের স্ত্রী বলে পরিচয় দেন। পরে খবর পেয়ে আকবর শাহ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে স্থানীয়দের হাতে অবরুদ্ধ অবস্থায় থাকা নুরুন্নবীকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।

এজাহারে আরও অভিযোগ করা হয়, ওই নারী ও নুরুন্নবী প্রবাস থেকে পাঠানো ১৩ ভরি স্বর্ণালংকার, যার আনুমানিক মূল্য ২৬ লাখ টাকা, এবং নগদ ১৫ লাখ টাকা বাসা থেকে সরিয়ে ফেলেছেন।

মামলার বাদীপক্ষের আইনজীবী মো. আসাদুজ্জামান খান বলেন, ব্যভিচার, মারধর, চুরি ও হুমকি দেওয়ার অভিযোগে পুলিশ সদস্যসহ দুজনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হলে শুনানি শেষে বিচারক তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

এমআরএএইচ/এমএএইচ/

Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

ব্যাটিং বিপর্যয়ে দিন শুরু, লড়াইয়ে ফিরতে মরিয়া টাইগাররা

কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন

জাতীয়

View more
সাবেক মন্ত্রীর দখল করা জায়গায় হবে মাদরাসা, ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন
সাবেক মন্ত্রীর দখল করা জায়গায় হবে মাদরাসা, ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে সাবেক মন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজীর দখল করা জায়গা উদ্ধার করে জামিয়া মনির উদ্দিন ব্যাপারী কওমি মাদরাসার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়েছে। শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ড. তৈমূর আলম খন্দকারের নেতৃত্বে খাদুন-রূপসী-কাহিনা-মৈকুলী-খিদিরপুর এলাকাবাসীর উপস্থিতিতে রূপগঞ্জের রূপসী এলাকায় মাদরাসার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়। এসময় তৈমূর আলম খন্দকার বলেন, ‘দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামের পর এই এলাকার এক সময়ের মন্ত্রীর কবল থেকে মাদরাসার জায়গা উদ্ধার করা হয়েছে। এজন্য আল্লাহর কাছে হাজারও শুকরিয়া। আশপাশের পাঁচ গ্রামের মানুষজন সহযোগিতা করেছেন। এলাকাবাসী প্রচণ্ড রোদে দাঁড়িয়ে মানববন্ধনসহ নানান কর্মসূচি পালন করেছেন। সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা। জায়গা উদ্ধার করে দেওয়ার জন্য এমপি, ইউএনও, এসিল্যান্ড, ডিসিসহ স্থানীয় প্রশাসনকে ধন্যবাদ।’ আরও পড়ুন সাবেক মন্ত্রী দস্তগীর গাজীর প্রায় ৪০০ কোটি টাকার সম্পত্তি ক্রোক তিনি আরও বলেন, ‘এই মাদরাসা পাঁচ গ্রামবাসীর আমানত। আশা করি এখানে এমন ছাত্র তৈরি হবে যারা শুধু মিলাদ পড়াবে, জানাজায় অংশগ্রহণ করবে তা নয়; যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে উঠবে।’ তৈমূর আলম বলেন, ‘মাদরাসার পাশাপাশি আমরা এখানে কারিগরি শিক্ষাকেন্দ্র স্থাপন করবো, যাতে করে দ্বীনি শিক্ষার পাশাপাশি দুনিয়াবি শিক্ষা গ্রহণ করতে পারে। এজন্য আমি সবার সহযোগিতা চাই।’ এসময় পাঁচ এলাকাবাসীর পক্ষে উপস্থিত ছিলেন মোখলেসুর রহমান ভূঁইয়া, মো. নুরুজ্জামান, মহসিন ভূঁইয়া, ডা. মজিবুর রহমান, নারায়ণগঞ্জ জেলা যুব জামায়াতের সাধারণ সম্পাদক আল আমিন, বিএনপি নেতা আব্দুল হালিম, কামরুল ইসলাম, মোহাম্মদ, সিরাজুল ইসলাম প্রমুখ। মোবাশ্বির শ্রাবণ/এসআর/জেআইএম

News সেপ্টেম্বর ১১, ২০২৬ 0
গুলশানে আওয়ামী লীগের মিছিল, ককটেল বিস্ফোরণ

গুলশানে আওয়ামী লীগের মিছিল, ককটেল বিস্ফোরণ

২৬ বছরের শিক্ষকতায় ইতি, ঘোড়ার গাড়িতে চড়িয়ে বিদায়

২৬ বছরের শিক্ষকতায় ইতি, ঘোড়ার গাড়িতে চড়িয়ে বিদায়

ডেঙ্গু প্রতিরোধে তিন মাসের অভিযান শুরু কাল, উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

ডেঙ্গু প্রতিরোধে তিন মাসের অভিযান শুরু কাল, উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

‘দম’ কি বাংলা সিনেমায় দম আনতে পেরেছে
‘দম’ কি বাংলা সিনেমায় দম আনতে পেরেছে

বাংলাদেশি চলচ্চিত্রে সারভাইভাল ড্রামা খুব বেশি দেখা যায় না। সেই জায়গা থেকে ‘দম’ একটি সাহসী ও ব্যতিক্রমধর্মী নির্মাণ। এটি শুধু একজন মানুষের বেঁচে থাকার গল্প নয়; বরং প্রতিকূলতার মুখে মানুষের অদম্য মানসিক শক্তির এক শক্তিশালী উপাখ্যান। সিনেমার নামটিও গল্পের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।চলচ্চিত্রটির সবচেয়ে বড় শক্তি এর দৃশ্যায়ন। কাজাখস্তানের পাহাড়ি ও মরুভূমির কঠিন পরিবেশকে এমনভাবে পর্দায় তুলে ধরা হয়েছে যে দর্শক সহজেই সেই নিঃসঙ্গতা ও ভয়াবহতার মধ্যে নিজেকে আবিষ্কার করতে পারেন। বিস্তৃত প্রাকৃতিক দৃশ্যের মধ্যে প্রধান চরিত্রের একাকিত্বকে ক্যামেরার ভাষায় অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে প্রকাশ করা হয়েছে।অভিনয়ের ক্ষেত্রে আফরান নিশো নিঃসন্দেহে সিনেমাটির প্রাণ। তাঁর ক্লান্ত দৃষ্টি, ক্ষতবিক্ষত শরীর ও দীর্ঘ একাকী লড়াই চরিত্রটির সঙ্গে গভীরভাবে সংযুক্ত করে। গাধার পিঠে ওঠানোর পর নিশ্বাস যেন আটকে গিয়েছিল, নিশোর মতো আমিও চেয়েছিলাম গাধা যেন না থামে।পূজা চেরী যেন ‘অশনি সংকেত’–এর ববিতা। অশ্রুসিক্ত নয়নে পূজার অভিনয় মন ছুঁয়েছে। যেকোনো চরিত্রে দারুণভাবে নিজেকে মানিয়ে নেন চঞ্চল চৌধুরী। ‘দম’–এ ছিল তাঁর ম্যাজিক্যাল উপস্থিতি।কেন ‘দিন যায় কথা থাকে’ আজও এত আপন লাগেরেদওয়ান রনির গল্প বলার ধরনটিও উল্লেখ করার মতো। এর আগে মুনশিয়ানা দেখিয়েছেন প্রথম সিনেমা ‘চোরাবালি’ দিয়ে, এরপর ‘আইসক্রিম’, এবার ‘দম’। ‘দম’–এ ‘প্রহর’ গানটি যেন সব প্রবাসীর মনের সুর। পুরো ঘটনাপ্রবাহ মূল চরিত্রের দৃষ্টিকোণ থেকে এগিয়ে যাওয়ায় দর্শক তাঁর ভয়, হতাশা, যন্ত্রণা ও আশার অংশীদার হয়ে ওঠেন। ফ্ল্যাশব্যাকের মাধ্যমে পারিবারিক সম্পর্কের স্মৃতিগুলো গল্পে আবেগের নতুন মাত্রা যোগ করেছে। অনেক দৃশ্যে সংলাপের পরিবর্তে নিশ্বাসের শব্দ, বাতাসের হাহাকার কিংবা পদচারণের আওয়াজ ব্যবহার করা হয়েছে, যা সিনেমাটির আবহ নির্মাণে বিশেষ ভূমিকা রেখেছে।পোশাক, মেকআপ ও প্রোডাকশন ডিজাইন গল্পের বাস্তবতাকে আরও দৃঢ় করেছে। আবহসংগীত দর্শকদের টান টান উত্তেজনার মধ্যে ধরে রাখে। বিশেষ করে মরুভূমির নিঃসঙ্গতা ও পালিয়ে বাঁচার মুহূর্তগুলোয় সংগীতের ব্যবহার প্রশংসার দাবি রাখে।সবশেষে ‘দম’ কেবল একটি চলচ্চিত্র নয়; এটি সাহস, আত্মবিশ্বাস ও বেঁচে থাকার অদম্য আকাঙ্ক্ষার গল্প। দেশপ্রেম, মানবিকতা ও সংগ্রামের মিশেলে নির্মিত এই সিনেমা প্রমাণ করে শক্তিশালী গল্প ও আন্তরিক নির্মাণ আজও দর্শককে গভীরভাবে স্পর্শ করতে পারে।বন্ধু, ভৈরব বন্ধুসভা

News সেপ্টেম্বর ১১, ২০২৬ 0
নিখোঁজের তিন দিন পর মাটি খুঁড়ে লাশ উদ্ধার, পাওনা টাকা চাওয়ায় ‘বন্ধুর হাতে খুন’, বলছে পুলিশ

নিখোঁজের তিন দিন পর মাটি খুঁড়ে লাশ উদ্ধার, পাওনা টাকা চাওয়ায় ‘বন্ধুর হাতে খুন’, বলছে পুলিশ

২৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চলবে ২০২৭ সালের হজ নিবন্ধন কার্যক্রম

২৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চলবে ২০২৭ সালের হজ নিবন্ধন কার্যক্রম

বক্স অফিস সাফল্যের মাঝেই বিতর্কে ‘মির্জাপুর: দ্য মুভি’

বক্স অফিস সাফল্যের মাঝেই বিতর্কে ‘মির্জাপুর: দ্য মুভি’

‘ওর বয়স তো আমার ক্রিকেট ক্যারিয়ারের সমানও না’ কাকে নিয়ে বললেন শামি?
‘ওর বয়স তো আমার ক্রিকেট ক্যারিয়ারের সমানও না’ কাকে নিয়ে বললেন শামি?

১৩ বছর পর দুলীপ ট্রফির শিরোপা জিতেছে ইস্ট জোন। ১০ সেপ্টেম্বর চেন্নাইয়ের এম এ চিদাম্বরম স্টেডিয়ামে শেষ হয়েছে এবারের আসর। শিরোপা জয়ে বল হাতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন মোহাম্মদ শামি ও মুকেশ কুমার। দুজন মিলে নিয়েছেন পাঁচ উইকেট। তবে শিরোপা জয়ের পর আলোচনায় এসেছে শামির সঙ্গে দলের ১৫ বছর বয়সী তরুণ ক্রিকেটার বৈভব সূর্যবংশীর সম্পর্কও। টুর্নামেন্টজুড়ে দুজনের মধ্যে ছিল বেশ হাসি-ঠাট্টা ও বন্ধুত্বপূর্ণ খুনসুটি। বৈভবের সঙ্গে নিজের সম্পর্কের কথা বলতে গিয়ে মজার ছলে শামি বলেন, ‘ও আমার সঙ্গে মজা করতে খুব ভালোবাসে! আমিও ওকে পাল্টা খোঁচা দিয়ে বলি, ওর বয়স আমার ক্রিকেট ক্যারিয়ারের সমানও না।’ ২০১০ সালে প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে অভিষেক হয় শামির। সত্যিই ভারত জাতীয় দলের হয়ে সাড়ে চারশর বেশি উইকেট নেওয়া এই পেসারের ক্রিকেট ক্যারিয়ার সূর্যবংশীর বয়সের চেয়ে বেশি। শামির মতে, দলের সিনিয়রদের সঙ্গে তরুণ ক্রিকেটারদের সহজভাবে মিশতে পারা ভবিষ্যতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। ড্রেসিংরুমে খোলামেলা পরিবেশ তৈরি হলে তরুণরা নিজেদের আরও স্বচ্ছন্দে প্রকাশ করতে পারে বলেও মনে করেন ভারতের এই পেসার। শামি বলেন, ‘ও (সূর্যবংশী) সবসময় আমার সঙ্গে মজা করে, আর এটা দেখতে ভালো লাগে। নিজের কথা খোলাখুলিভাবে বলতে পারা, সবার সঙ্গে মিশতে পারা এবং দলের মধ্যে বন্ধুত্ব তৈরি করা-এসব ভবিষ্যতে ওকে সাহায্য করবে। আমি সবসময় খেলোয়াড়দের দলের সবার সঙ্গে খোলামেলা কথা বলতে উৎসাহিত করি।’ ভারতীয় ক্রিকেটের বর্তমান প্রজন্মের তরুণ ক্রিকেটারদের মানসিক পরিণতিতেও মুগ্ধ শামি। তার মতে, আইপিএলসহ বড় মাপের বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় খেলার সুযোগ পাওয়ায় অল্প বয়সেই তারা কঠিন পরিস্থিতি সামলাতে শিখে যাচ্ছে। শামির ভাষায়, ‘এই তরুণদের বেশিরভাগই এরই মধ্যে যথেষ্ট পরিণত। তারা এখন আইপিএল ও অন্যান্য চাপের টুর্নামেন্টে যে ধরনের ক্রিকেট খেলে, তাতে খুব অল্প বয়সেই পরিণত হয়ে ওঠে। তাই তাদের অতিরিক্ত কোচিংয়ের প্রয়োজন নেই।’ তবে ম্যাচের গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে সিনিয়রদের ভূমিকা প্রয়োজন বলে মনে করেন তিনি। শামি বলেন, ‘খেলা যখন কঠিন ও চাপের হয়ে ওঠে, তখনই আপনাকে এগিয়ে এসে কৌশলগত কিছু পরামর্শ দিতে হবে এবং তাদের লড়াই চালিয়ে যেতে মনে করিয়ে দিতে হবে।’ এমএমআর

News সেপ্টেম্বর ১১, ২০২৬ 0
অনলাইন জুয়ার ঋণের টাকা জোগাতে নিজেকে অপহরণের নাটক সাজান যুবক

অনলাইন জুয়ার ঋণের টাকা জোগাতে নিজেকে অপহরণের নাটক সাজান যুবক

৩৫০ কেজি হরিণের মাংসসহ যুবক আটক, ১ বছরের কারাদণ্ড

৩৫০ কেজি হরিণের মাংসসহ যুবক আটক, ১ বছরের কারাদণ্ড

যাত্রাবাড়ীতে মোবাইল নিয়ে বিরোধ, বন্ধুর ছুরিকাঘাতে যুবক নিহত

যাত্রাবাড়ীতে মোবাইল নিয়ে বিরোধ, বন্ধুর ছুরিকাঘাতে যুবক নিহত

0 Comments