জাতীয়

ওয়ানডে বিশ্বকাপের আগে ভারতকে সতর্ক করলেন যুবরাজ সিং

News সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২৬ 0
ওয়ানডে বিশ্বকাপের আগে ভারতকে সতর্ক করলেন যুবরাজ সিং
ওয়ানডে বিশ্বকাপের আগে ভারতকে সতর্ক করলেন যুবরাজ সিং

২০২৭ ওয়ানডে বিশ্বকাপে সফল হতে হলে ভারতকে এখনই নিজেদের সেরা দল বেছে নিয়ে সেই দলটির ওপর আস্থা রাখার পরামর্শ দিয়েছেন যুবরাজ সিং। তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন, বিশ্বকাপের আগে শেষ মুহূর্তে বড় ধরনের পরিবর্তন করলে তা ভারতের জন্য ক্ষতির কারণ হতে পারে।

২০১১ ওয়ানডে বিশ্বকাপে ভারতের শিরোপা জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা এবং টুর্নামেন্টসেরা হওয়া যুবরাজ ক্রিকইনফোকে বলেন, ‘তাদের এখন থেকেই এমন একটি দল গড়ে তোলার দিকে মনোযোগ দেওয়া উচিত, যারা এক বছর পর বিশ্বকাপে খেলবে। কারণ শেষ মুহূর্তে বড় পরিবর্তন করা উচিত নয়। আপনার দলে ১৬ জন থাকুক কিংবা ২০ জন, সবাইকে পর্যাপ্ত ম্যাচ খেলার সুযোগ দেওয়া গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এখন টি-টোয়েন্টি বেশি হচ্ছে, ৫০ ওভারের ক্রিকেট কম। তাই যতগুলো ওয়ানডে ম্যাচ পাওয়া যায়, সেগুলোতে খেলোয়াড়দের পর্যাপ্ত সময় মাঠে থাকা দরকার, যাতে তারা বিশ্বকাপের জন্য প্রস্তুত হতে পারে।’

যুবরাজ আরও বলেন, ‘ভারত যখনই বড় কোনো টুর্নামেন্টে ব্যর্থ হয়েছে, তখনই দেখা গেছে শেষ মুহূর্তে কিংবা টুর্নামেন্ট চলার সময় তারা ব্যাপক পরিবর্তন এনেছে। তাই আমার মনে হয়, ২০২৭ বিশ্বকাপ জিততে পারবে বলে আমরা যে দলটির ওপর বিশ্বাস করি, সেই দলটির ওপরই আস্থা রাখা উচিত। তারা সফল হোক বা ব্যর্থ-বিশ্বকাপ পর্যন্ত তাদের পাশে থাকতে হবে। স্কোয়াডের ওপর বিশ্বাস রাখা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।’

২০২৭ ওয়ানডে বিশ্বকাপের প্রস্তুতি হিসেবে ভারতের দীর্ঘ পথচলা শুরু হচ্ছে ২৭ সেপ্টেম্বর থেকে। ঘরের মাঠে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ খেলবে তারা। এই সিরিজ সামনে রেখে অজিত আগারকারের নেতৃত্বাধীন নির্বাচক প্যানেলের সামনে রয়েছে বেশ কিছু প্রশ্ন। এর মধ্যে সাবেক অধিনায়ক রোহিত শর্মার আন্তর্জাতিক ভবিষ্যৎ অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

বিশ্বকাপটি হবে দক্ষিণ আফ্রিকায়। ফলে দলে পেস বোলিং অলরাউন্ডারদের গুরুত্ব নিয়েও আলোচনা বাড়ছে। চোটের কারণে দীর্ঘদিন ভুগতে থাকা হার্দিক পান্ডিয়াও তাই আলোচনায় রয়েছেন।

ভারতীয় দলে অলরাউন্ডারদের বেশি রাখার প্রবণতা রয়েছে, কারণ তারা ব্যাটিংয়ের গভীরতা বাড়ান। যুবরাজও অলরাউন্ডারদের গুরুত্ব স্বীকার করেছেন। তবে তার মতে, খেলোয়াড় কোন ভূমিকায় খেলছেন, সেটির চেয়ে ম্যাচ জেতানোর সামর্থ্য বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

দলের ভারসাম্য নিয়ে যুবরাজ বলেন, ‘প্রতিটি দেশের খেলোয়াড়দের ধরন আলাদা। কোনো দলের অলরাউন্ডার বেশি, কোনো দলের নির্দিষ্ট ব্যাটার ও বোলার বেশি। আপনাকে সেরা সমন্বয় বেছে নিতে হবে। সেরা সমন্বয়ে ১২, ১৩ কিংবা ১৪ জন খেলোয়াড় প্রায় নিশ্চিত থাকবে। আর ১৫তম খেলোয়াড়কে পরিস্থিতি অনুযায়ী বেছে নিতে হবে।’

‘আপনি অতিরিক্ত স্পিনার, পেসার কিংবা অলরাউন্ডার খেলাতে চাইতে পারেন। তবে আপনাকে সেরাটাই বেছে নিতে হবে। আপনার সেরা ১১ জন ম্যাচজয়ী খেলোয়াড়কে নিয়েই মাঠে নামতে হবে-যাদের আপনি মনে করেন একটি ম্যাচ জেতানোর সামর্থ্য রাখেন।’

অস্ট্রেলিয়ার সাফল্যের উদাহরণ টেনে যুবরাজ বলেন, ‘অস্ট্রেলিয়া সফল হওয়ার এটিই একটি কারণ। তারা যখনই বিশ্বকাপ জিতেছে, তাদের দলে অনেক ম্যাচজয়ী খেলোয়াড় ছিল। যারা ব্যক্তিগতভাবেই একটি ম্যাচের চিত্র বদলে দিতে পারে। কোনো নির্দিষ্ট দিনে একজন দায়িত্বটা কাঁধে তুলে নেয়। আবার যখন সবাই বিপদে পড়ে, তখন তারা একসঙ্গে পরিস্থিতি সামলে নেয়।’

ভারতের সাম্প্রতিক দুটি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকেও শিক্ষা নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন যুবরাজ। ২০২৪ ও ২০২৬ সালে টানা দুটি পুরুষ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জিতে ইতিহাসের প্রথম দল হিসেবে নজির গড়েছে ভারত।

যুবরাজ বলেন, ‘গত দুই টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে আমরাও সেটিই করেছি। ২০২৩ সালে আমরা ৫০ ওভারের বিশ্বকাপের ফাইনালেও খেলেছি। সাদা বলের ক্রিকেটে আমাদের অনেক ধারাবাহিকতা ছিল। তাদেরও সেটিই করতে হবে। প্রথম লক্ষ্য হওয়া উচিত সেমিফাইনালে ওঠা, এরপর শেষ দুটি নকআউট ম্যাচে খেলার দিকে নজর দেওয়া। তবে সেটি অনেক দূরের পথ। এখন মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত এমন একটি দল তৈরি করা, যারা একসঙ্গে থাকবে এবং যেকোনো পরিস্থিতিতে লড়াই করার জন্য প্রস্তুত থাকবে।’

এদিকে সম্প্রতি কানাডা সুপার ৬০-এর ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হিসেবে যুবরাজের নাম ঘোষণা করা হয়েছে। পেশাদার টি-১০ ক্রিকেটের এই টুর্নামেন্টের দ্বিতীয় আসরে ছয়টি পুরুষ দল ও তিনটি নারী দল অংশ নেবে। আগামী ২৯ সেপ্টেম্বর থেকে ৪ অক্টোবর পর্যন্ত ভ্যাঙ্কুভারের বিসি প্লেসে অনুষ্ঠিত হবে প্রতিযোগিতাটি।

এমএমআর

Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

ব্যাটিং বিপর্যয়ে দিন শুরু, লড়াইয়ে ফিরতে মরিয়া টাইগাররা

কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন

জাতীয়

View more
আন্দামান সাগরে লঘুচাপ, বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টির আভাস
আন্দামান সাগরে লঘুচাপ, বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টির আভাস

দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে আগামী পাঁচ দিন বৃষ্টি অব্যাহত থাকতে পারে। কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী বর্ষণও হতে পারে। একই সঙ্গে আগামী পাঁচ দিনের মধ্যে উত্তর আন্দামান সাগর ও এর কাছাকাছি পূর্ব-মধ্য বঙ্গোপসাগর এলাকায় একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হওয়ার কথা জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ১২০ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এসব তথ্য জানানো হয়েছে। আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, মৌসুমি বায়ুর অক্ষের বর্ধিতাংশ রাজস্থান, উত্তর প্রদেশ, বিহার, পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের মধ্যাঞ্চল হয়ে আসাম পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের ওপর মোটামুটি সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে মাঝারি অবস্থায় রয়েছে। বুধবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে- রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং ঢাকা, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সাথে রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী বর্ষণ হতে পারে।  এছাড়া ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগসহ ঢাকা, টাঙ্গাইল, মানিকগঞ্জ, কিশোরগঞ্জ,রাজশাহী, সিরাজগঞ্জ, রংপুর, নীলফামারী, চাঁদপুর, ফেনী, যশোর চুয়াডাঙ্গা কুষ্টিয়া সাতক্ষীরা খুলনা বরিশাল ও পটুয়াখালীর ওপর দিয়ে মৃদু তাপ প্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং কিছু জায়গায় প্রশমিত হতে পারে। সারাদেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে। বৃহস্পতিবারের পূর্বাভাসে বলা হয়, রংপুর,রাজশাহী, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং ঢাকা খুলনা ও বরিশাল বিভাগের দুই এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া সহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সাথে রংপুর রাজশাহী, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী বর্ষণ হতে পারে। সারাদেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।  আরও পড়ুন সংকট উত্তরণে তারেক রহমানের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান রুমনের শুক্রবারের পূর্বাভাসে বলা হয়, চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং রংপুর ,রাজশাহী, ময়মনসিংহ, ঢাকা খুলনা বরিশাল ও সিলেট বিভাগের দুই এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সারাদেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে। শনিবারের পূর্বাভাসে বলা হয়, ঢাকা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ ও খুলনা বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সারাদেশে দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে।  রোববারের পূর্বাভাসে বলা হয়- রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের দুই এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সাথে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী বর্ষণ হতে পারে। সারা দেশে দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টিপাতের পাশাপাশি তাপমাত্রায়ও কিছুটা ওঠানামা হয়েছে। দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ফেনীতে ৩৭ দশমিক ৫ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়।  আবহাওয়া অধিদপ্তরের পর্যবেক্ষণ তথ্যে ঢাকাসহ বিভিন্ন স্টেশনে বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। বান্দরবানে সর্বোচ্চ ৪২ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়। বুধবার সকাল ৬টায় ঢাকায় বাতাসের আপেক্ষিক আর্দ্রতা ছিল ৮৭ শতাংশ। আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, বুধবার ঢাকায় সূর্যাস্ত হবে সন্ধ্যা ৬টা ১ মিনিটে এবং বৃহস্পতিবার সূর্যোদয় হবে ভোর ৫টা ৪৫ মিনিটে। এদিকে আজ বুধবার দুপুর একটা থেকে পরবর্তী ছয় ঘণ্টার জন্য ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার পূর্বাভাসে বলা হয়, আকাশ অর্থ এভাবে আংশিক মেঘলা থাকতে পারে। এ সময়ে বৃষ্টিসহ বজ্র বৃষ্টি হতে পারে। দক্ষিণ দক্ষিণ দিক থেকে ঘণ্টা ১০ থেকে ১৫ কিলোমিটার বেগে বাতাস বয়ে যেতে পারে। দুপুর বারোটায় তাপমাত্রা ছিল ৩৫ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ সময় বাতাসে আর্দ্রতা ছিল ৫৩ শতাংশ। এমইউ/এমআরএম

News সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২৬ 0
পেরিম দ্বীপ দখলের পর হুতিদের সঙ্গে ‘সরাসরি আলোচনা’ শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্র, জানালেন ভ্যান্স

পেরিম দ্বীপ দখলের পর হুতিদের সঙ্গে ‘সরাসরি আলোচনা’ শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্র, জানালেন ভ্যান্স

সংসদ ভবনের সামনে শিক্ষিকা নিহত: ‘প্রকৃত ছিনতাইকারী’ গ্রেপ্তারের দাবি ডিবির

সংসদ ভবনের সামনে শিক্ষিকা নিহত: ‘প্রকৃত ছিনতাইকারী’ গ্রেপ্তারের দাবি ডিবির

২৬ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন পিছিয়ে ২৩ সেপ্টেম্বর

২৬ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন পিছিয়ে ২৩ সেপ্টেম্বর

শেকৃবির দ্বিতীয় সমাবর্তন ৬ ফেব্রুয়ারি
শেকৃবির দ্বিতীয় সমাবর্তন ৬ ফেব্রুয়ারি

শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) দ্বিতীয় সমাবর্তন আগামী ৬ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে। বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) জাগো নিউজকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল লতিফ। এ বিষয়ে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল লতিফ জাগো নিউজকে বলেন, আগামী বছরের ৬ ফেব্রুয়ারি শেকৃবির সমাবর্তন অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়াও এ বিষয়ে নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অ্যাকাউন্টে উপাচার্য লিখেছেন, শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য মীর্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর শেকৃবির দ্বিতীয় সমাবর্তনে সম্মতি জ্ঞাপন করেছেন। আগামী ৬ ফেব্রুয়ারি শেকৃবির দ্বিতীয় সমাবর্তন হবে। এর আগে শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম সমাবর্তন হয়েছিল ২০১৫ সালের ১৬ নভেম্বর। এটি বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে প্রতিষ্ঠার পর প্রথম সমাবর্তন ছিল। এমডিএসএ/এমআইএইচএস

News সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২৬ 0
শপআপে ম্যানেজার নিয়োগ, থাকছে না বয়সসীমা

শপআপে ম্যানেজার নিয়োগ, থাকছে না বয়সসীমা

ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে উত্তেজনা, কূটনীতিককে তলব

ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে উত্তেজনা, কূটনীতিককে তলব

‘খোদা আমাদের খাবার দাও’-ভিডিও ভাইরাল, বৃদ্ধ দম্পতির পাশে প্রশাসন

‘খোদা আমাদের খাবার দাও’-ভিডিও ভাইরাল, বৃদ্ধ দম্পতির পাশে প্রশাসন

স্থানীয় নির্বাচনে প্রবাসীদের ভোটাধিকার নিশ্চিতের দাবি
স্থানীয় নির্বাচনে প্রবাসীদের ভোটাধিকার নিশ্চিতের দাবি

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে বিদেশে অবস্থানরত বাংলাদেশি নাগরিকদের ভোটাধিকার নিশ্চিত করার দাবি জানিয়ে নির্বাচন কমিশনে (ইসি) স্মারকলিপি দিয়েছে ‘আগ্রাসন বিরোধী আন্দোলন’। একই সঙ্গে প্রবাসী ও রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের এই নির্বাচনে ভোট দেওয়ার সুযোগ নিশ্চিত করা না হলে আদালতের শরণাপন্ন হওয়ার পাশাপাশি দেশব্যাপী গণতান্ত্রিক আন্দোলন গড়ে তোলার কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন সংগঠনটির নেতারা। বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) নির্বাচন কমিশনে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এসব কথা জানান আগ্রাসন বিরোধী আন্দোলনের সদস্য সচিব আল আমিন আটিয়া। এসব দাবিতে এদিন প্রধান নির্বাচন কমিশনারের (সিইসি) কাছে স্মারকলিপি দেন তারা। স্মারকলিপি দেওয়ার সময় আগ্রাসন বিরোধী আন্দোলনের সদস্য হাসিম ইব্রাহিম, রয়েল খান ও ওমর ফারুকসহ সংগঠনের অন্যান্য শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন। আরও পড়ুন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী / ইসিকে কমেডি সেন্টার নয়, আস্থার কেন্দ্র হিসেবেই জনগণ দেখতে চায় আল আমিন আটিয়া অভিযোগ করে বলেন, নির্বাচন কমিশন এরই মধ্যে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের সময়সূচি ও বিধিবিধান ঘোষণা করলেও অত্যন্ত দুঃখের বিষয় হলো বিদেশে অবস্থানরত বাংলাদেশি ভোটার, বিশেষ করে প্রবাসী শ্রমিকরা স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ভোট দেওয়ার অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। দেশের কোটি কোটি প্রবাসীর ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে এখনো কার্যকর কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি। সংবিধানের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, বাংলাদেশের সংবিধানের ২৭ অনুচ্ছেদে দেশের প্রত্যেক নাগরিকের সমান অধিকারের কথা স্পষ্ট বলা হয়েছে। অথচ দেশের অর্থনৈতিক চাকা সচল রাখা এবং বিপুল পরিমাণ রেমিট্যান্স পাঠানো প্রবাসীরা কেবল বিদেশে অবস্থানের কারণে স্থানীয় নির্বাচনে ভোট দেওয়া থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। নাগরিক হিসেবে তাদের এই মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের একটি দায়িত্ব। ইসির ভূমিকার সমালোচনা করে তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে প্রবাসীদের স্থানীয় নির্বাচনে ভোট দেওয়ার ব্যবস্থা করা অযৌক্তিক এবং ব্যয়বহুল। রেমিট্যান্স যোদ্ধারা রাষ্ট্রের জন্য সারাজীবন কাজ করছেন, অথচ তাদের জন্য পাঁচ বছর অন্তর একটি ভোটের আয়োজন করতে না পারা রাষ্ট্র ও সরকারের স্পষ্ট ব্যর্থতা। আরও পড়ুন ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনে বিএনপির মনোনয়ন ফরম নিলেন তিনজন তারা রাষ্ট্র ও সরকারকে এভাবে ব্যর্থ হতে দেখতে চান না উল্লেখ করে আল আমিন বলেন, জাতীয় নির্বাচনে যেভাবে পোস্টাল ভোট ও পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে প্রবাসীদের ভোট দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে, একইভাবে স্থানীয় সরকার নির্বাচনেও তা করা সম্পূর্ণ সম্ভব। প্রয়োজনে কিছুটা সময় নিয়ে এবং অর্থ ব্যয় করে হলেও নাগরিকের এই ভোটাধিকার সংরক্ষণ করতে হবে। পরবর্তী কর্মসূচির কথা তুলে ধরে সংগঠনটির এই নেতা বলেন, স্মারকলিপি দেওয়ার মধ্যদিয়েই তাদের আন্দোলনের প্রাথমিক সূচনা হলো। নির্বাচন কমিশন ও সরকার যদি প্রবাসী এবং রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের ভোটাধিকারের বিষয়ে অবিলম্বে কার্যকর উদ্যোগ না নেয়, তবে তারা উচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হবেন। পাশাপাশি প্রবাসীদের অধিকার নিয়ে সোচ্চার বিভিন্ন সংগঠনের সঙ্গে সমন্বয় করে দেশে রাজপথে কঠোর গণতান্ত্রিক আন্দোলন গড়ে তোলা হবে। তিনি আরও স্পষ্ট করেন, বিদেশে অবস্থানরত বাংলাদেশিরা দেশে ফিরলে ভোট দিতে পারবেন, কিন্তু প্রবাসে থাকলে পারবেন না-এমন কোনো দ্বিমুখী নীতি গ্রহণযোগ্য নয়। প্রবাসীদের ভোটাধিকার নিশ্চিতের লক্ষ্যে তারা সরকারের ইতিবাচক উদ্যোগ ও প্রয়োজনীয় আইনি সংস্কারের জোর দাবি জানান। এমওএস/ইএ 

News সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২৬ 0
সংকট উত্তরণে তারেক রহমানের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান রুমনের

সংকট উত্তরণে তারেক রহমানের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান রুমনের

ঢাকায় বসছে ‘এশিয়ান পর্যটন মেলা’, উদ্বোধন বৃহস্পতিবার

ঢাকায় বসছে ‘এশিয়ান পর্যটন মেলা’, উদ্বোধন বৃহস্পতিবার

‘এআই আমাদের মেরে ফেলবে’, ভয়ে চাকরি ছাড়লেন  গুগলের দুই গবেষক

‘এআই আমাদের মেরে ফেলবে’, ভয়ে চাকরি ছাড়লেন গুগলের দুই গবেষক

0 Comments