আরব সাগরে ভারতীয় নৌবাহিনীর একটি জাহাজের সঙ্গে পাকিস্তানি নৌবাহিনীর একটি জাহাজের সংঘর্ষের ঘটনায় ইসলামাবাদের কূটনীতিককে তলব করেছে নয়াদিল্লি।
ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, পাকিস্তানের ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনার সাদ আহমদ ওয়ারাইচকে ডেকে এ ঘটনায় কড়া প্রতিবাদ জানানো হয়েছে।
ভারতের অভিযোগ, আন্তর্জাতিক জলসীমায় পাকিস্তানি নৌবাহিনীর একটি জাহাজ ‘অগ্রহণযোগ্য ও অপেশাদার আচরণ’ করেছে। ফলে ভারতীয় জাহাজটির সঙ্গে সংঘর্ষ হয়। তবে এ ঘটনায় বড় ধরনের কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়নি বলে জানিয়েছে নয়াদিল্লি।
ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, পাকিস্তানি নৌযানের এই আচরণ ১৯৯১ সালে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে স্বাক্ষরিত একটি চুক্তির ১০ নম্বর ধারার সরাসরি পরিপন্থি। ওই চুক্তিতে সামরিক মহড়া, সামরিক গতিবিধি ও সেনা চলাচলের বিষয়ে আগাম তথ্য দেওয়ার বিধান রয়েছে।
পাকিস্তানের ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনারকে সংশ্লিষ্ট পাকিস্তানি কর্তৃপক্ষের কাছে ভারতের প্রতিবাদ পৌঁছে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা এড়াতে সব সামরিক ইউনিটকে যথাযথ সতর্কতা অবলম্বন এবং দুই দেশের মধ্যে থাকা সংশ্লিষ্ট চুক্তিগুলো মেনে চলার প্রয়োজনীয়তার কথাও জানাতে বলা হয়েছে।
ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আরও জানিয়েছে, ইসলামাবাদে নিযুক্ত ভারতের ভারপ্রাপ্ত কূটনীতিককেও পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কাছে একই ধরনের প্রতিবাদ জানানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
কীভাবে ঘটলো সংঘর্ষ?
সূত্রের বরাতে জানা গেছে, ১৫ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় উত্তর আরব সাগরে ঘটনাটি ঘটে। ওই সময় ভারতীয় নৌবাহিনীর একটি সামনের সারির যুদ্ধজাহাজ নিয়মিত নজরদারি মিশনে ছিল। ওমানের প্রায় ২২০ কিলোমিটার পূর্বে একটি পাকিস্তানি নৌযান ভারতীয় জাহাজটির খুব কাছে চলে আসে।
সূত্রগুলো বলছে, পাকিস্তানি জাহাজটি দ্রুতগতিতে এগিয়ে এসে অনিরাপদ ও অপেশাদার কায়দায় গতিপথ পরিবর্তন করছিল। একপর্যায়ে সেটি ভারতীয় জাহাজের সঙ্গে ধাক্কা খায়।
তবে সংঘর্ষে কোনো বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি হয়নি বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র। ঘটনার পর দুই দেশের জাহাজই নিজেদের অবস্থান থেকে সরে যায়।
ঘটনায় কোন ধরনের ভারতীয় ও পাকিস্তানি নৌযান জড়িত ছিল, তা এখনো স্পষ্ট করা হয়নি।
ভারতীয় ও পাকিস্তানি নৌবাহিনীর মধ্যে এ ধরনের ঘটনা অবশ্য এই প্রথম নয়। এর আগে ২০১১ সালের জুনে পাকিস্তানি নৌবাহিনীর জাহাজ বাবর এবং ভারতীয় নৌবাহিনীর জাহাজ গোদাবরী একই ধরনের একটি ঘটনায় জড়িয়ে পড়েছিল।
সাম্প্রতিক সংঘর্ষে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি না হলেও ঘটনাটি দুই দেশের নৌবাহিনীর মধ্যে সমুদ্রপথে চলাচল ও সামরিক কার্যক্রমের ক্ষেত্রে সতর্কতার প্রয়োজনীয়তা আবারও সামনে এনেছে।
সূত্র: এনডিটিভি
এমএসএম
শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা। ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে। সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।” জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর। সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।
বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে। চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে। দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।
কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন
মালদ্বীপে কর্মরত অভিবাসী শ্রমিকদের নিজ নামে ব্যাংক হিসাব খোলার ব্যবস্থা করতে নিয়োগকর্তাদের দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। সংশোধিত বিধিমালা অনুযায়ী, এখন থেকে অভিবাসী কর্মীদের বেতন তাদের নিজ নামে খোলা ব্যাংক হিসাবে জমা দিতে হবে। মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ হাইকমিশন, মালদ্বীপের ফেসবুক পেজে এ তথ্য জানানো হয়। নতুন বিধিমালা অনুযায়ী, অভিবাসী কর্মীদের বেতন পরিশোধের ক্ষেত্রে মালদ্বীপ মনিটারি অথরিটি (এমএমএ) কর্তৃক নিবন্ধিত বা অনুমোদিত ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান ব্যবহার করতে হবে। আরও পড়ুন বাংলাদেশ, তুমি ভালো হয়ে যাও হাইকমিশন জানিয়েছে, এ ব্যবস্থার ফলে প্রবাসী কর্মীদের বেতন পরিশোধে স্বচ্ছতা বাড়বে এবং তারা আনুষ্ঠানিক ব্যাংকিং ব্যবস্থার আওতায় আসবেন। পাশাপাশি শ্রম-সংক্রান্ত কোনো বিরোধ দেখা দিলে বেতন পরিশোধের প্রমাণ সংরক্ষণেও এটি সহায়ক হবে। মালদ্বীপে কর্মরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের নিজ নামে বৈধ ব্যাংক হিসাব খোলার জন্য নিয়োগকর্তার সঙ্গে যোগাযোগ করতে এবং বেতন ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে গ্রহণ করতে উৎসাহিত করেছে বাংলাদেশ হাইকমিশন। এমআরএম
স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়ন ও টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা ও বহুপক্ষীয় অংশীদারত্বের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী-১ হুমায়ুন কবির। বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) নিজ দপ্তরে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) প্রতিনিধি ডা. আহমেদ জামশীদ মোহামেদের সঙ্গে বৈঠকে তিনি এসব বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেন। দু’পক্ষের বৈঠকে পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। আলোচনায় জনস্বাস্থ্য, স্বাস্থ্য নিরাপত্তা, রোগ প্রতিরোধ এবং প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবা প্রাপ্তির সুযোগ নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে সহযোগিতা জোরদারের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়। দেশের স্বাস্থ্য খাতের সক্ষমতা বাড়ানো এবং উদীয়মান জনস্বাস্থ্য চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় ডব্লিউএইচওর অব্যাহত সহযোগিতা ও সহায়তার প্রশংসা করেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী। বৈঠকে ডব্লিউএইচওর প্রতিনিধি বাংলাদেশে সংস্থাটির চলমান ও পরিকল্পিত সহযোগিতা সম্পর্কে প্রতিমন্ত্রীকে অবহিত করেন। এরমধ্যে স্বাস্থ্যব্যবস্থা শক্তিশালীকরণ, সক্ষমতা বৃদ্ধি, রোগ নজরদারি এবং জনস্বাস্থ্য জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুতি জোরদারে সহায়তার বিষয়গুলো তুলে ধরা হয়। বৈঠকে বাংলাদেশ ও ডব্লিউএইচওর মধ্যে সহযোগিতা আরও জোরদারের বিষয়ে উভয় পক্ষ প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করে। পাশাপাশি জাতীয়, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে অভিন্ন স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে ঘনিষ্ঠ সমন্বয় অব্যাহত রাখার বিষয়ে তারা একমত হন। সূত্র: ইউএনবি এসএনআর
আগের পর্বপরমাণুর নিউক্লিয়াসকে কেন্দ্র করে অনবরত আবর্তিত হয় ইলেকট্রন। মনে হয় যেন ইলেকট্রনটি নিউক্লিয়াসের সঙ্গে একটি অদৃশ্য সুতার দ্বারা বেঁধে রাখা হয়েছে! এই অদৃশ্য সুতাটি হচ্ছে ইলেকট্রিক শক্তি। কোথা থেকে এলো এই শক্তি?প্রিয় বন্ধুরা, চলো একটি গল্প শোনা যাক। আড়াই হাজার বছরেরও পূর্বে প্রাচীন গ্রিসের মিলেট শহরে বাস করতেন বিখ্যাত বৈজ্ঞানিক ফালেস। একদিন ফালেসের কন্যা চরকায় পশম দিয়ে উল বুনছিলেন। চরকাটি ছিল অ্যাম্বারের তৈরি। হঠাৎ করে তিনি খেয়াল করে দেখলেন যে, পশমগুলো প্রায়শই চরকার গায়ে লেপটে যাচ্ছে। ব্যাপারটি বাবাকে জানানোর পর ফালেস ভাবলেন হয়তো তার কন্যা ভুল করছে! নিজেই পরীক্ষা করতে গিয়ে তিনি দেখলেন যে, পশম দ্বারা ঘর্ষণের ফলে অ্যাম্বার শুধুমাত্র পশম নয়, সুতা, চুলসহ বিভিন্ন বস্তুকেও আকর্ষণ করছে।গ্রিক ভাষায় অ্যাম্বার হলো 'ইলেকট্রন'। পশম দ্বারা ঘর্ষণের ফলে অ্যাম্বার হালকা বস্তুকে আকর্ষণ করার যে গুণ অর্জন করে বহুবছর পরে তার নাম দেয়া হলো ইলেকট্রিসিটি।এরই মধ্যে জানা গেল যে, সিল্কের রুমালের সাহায্যে কাঁচের দণ্ডকে ঘষার পর এটিও বিভিন্ন হালকা বস্তুকে আকর্ষণ করতে শুরু করবে। মজার ব্যাপার হলো, যদি অ্যাম্বারের দুটি টুকরোকে পশমের সাহায্যে ঘর্ষণ করা হয় তবে টুকরো দুইটি পরস্পরকে বিকর্ষণ করতে শুরু করবে। তেমনিভাবে কাঁচের দুটি দণ্ডকে যদি সিল্কের রুমালের সাহায্যে ঘর্ষণ করা হয় তবে তারাও পরস্পরকে বিকর্ষণ করবে। কিন্তু মজার ব্যাপার হলো, এই অ্যাম্বারের টুকরো ও কাঁচের দণ্ড পরস্পরকে আকর্ষণ করে।ইলেকট্রন কি মার্বেলের মতো গোলাকারগ্রিক ভাষায় অ্যাম্বার হলো ইলেকট্রন। পশম দ্বারা ঘর্ষণের ফলে অ্যাম্বার হালকা বস্তুকে আকর্ষণ করার যে গুণ অর্জন করে বহুবছর পরে তার নাম দেয়া হলো ইলেকট্রিসিটি।বিজ্ঞানিরা সিদ্ধান্তে উপনীত হলেন যে, পশম দ্বারা ঘর্ষিত অ্যাম্বার এবং সিল্কদ্বারা ঘর্ষিত কাঁচের মধ্যে যে ইলেকট্রিসিটির উদ্ভব হয় তারা ভিন্ন ধর্মের। কাঁচের বিদ্যুৎকে প্লাস (+) এবং অ্যাম্বারের বিদ্যুৎকে মাইনাস (-) হিসেবে চিহ্নিত করা হলো। অ্যাম্বারের ইলেকট্রিসিটি আগে আবিষ্কৃত হলেও এটিকে মাইনাস হিসেবে চিহ্নিত করা হয়তো ঠিক হয়নি, কিন্তু এখনতো আর কিছুই করার নেই। কিছুই আর পরিবর্তন করা সম্ভব নয়।অনেক পরে বিজ্ঞানিরা প্রমাণ করে দেখালেন যে, প্রকৃতিতে ঋণাত্মক চার্জযুক্ত অতিক্ষুদ্র কণিকা রয়েছে, যাকে তারা নাম দিয়েছেন ইলেকট্রন (নিশ্চই মনে আছে যে গ্রিক ভাষায় অ্যাম্বার হচ্ছে ইলেকট্রন)।এখন বুঝা গেল যে, পশম দ্বারা অ্যাম্বারের ঘর্ষণের ফলে কি ঘটে! অ্যাম্বারে বহুসংখ্যক ইলেকট্রন জড়ো হওয়ার কারণে এটি ঋণাত্মক চার্জ অর্জন করে।প্রশ্ন হলো, এই ইলেকট্রন কোথা থেকে আসে? পশম থেকে কি? অবশ্যই। একই সঙ্গে ইলেকট্রন হারিয়ে পশম ধনাত্মক চার্জ অর্জন করে।তুমি কি ধনাত্মক চার্জযুক্ত হতে চাও? এটা খুবই সোজা... চিরুনি দিয়ে আঁচড়ে চুল থেকে যথাসম্ভব বেশি সংখ্যক ইলেকট্রন ঝেড়ে ফেল। এ জন্য একটি চিরুনি দিয়ে মাথার চুল কয়েকবার আঁচড়ে নাও। তবে মনে রেখ, চুলগুলো যাতে শুকনা থাকে এবং চিরুনিটি হয় প্লাস্টিকের তৈরি।ইলেকট্রন কি লাটিমের মতো ঘোরেপদার্থবিদরা অনুমান করলেন যে, হাইড্রোজেনের পরমাণুতে ধনাত্মক চার্জযুক্ত কিছু একটা রয়েছে এবং এর চার্জের পরিমাণ ইলেকট্রনের ঋণাত্মক চার্জের সমান।চিরুনি দিয়ে আঁচড়ে ইলেকট্রন ঝেরে ফেলা... শুনতে খুব অদ্ভুত লাগে, তাই না? আঁচড়ানোর ফলে সত্যিকার অর্থেই চুল থেকে ইলেকট্রন চিরুনিতে স্থানান্তরিত হয়েছে। ফলশ্রুতিতে চিরুনিটি ঋণাত্মক এবং চুল ধনাত্মক চার্জ অর্জন করেছে। এখন দেখলেতো ধনাত্মক চার্জযুক্ত হওয়া কত সহজ!এখানে উল্লেখ করা প্রয়োজন যে, ইলেকট্রনের ইলেকট্রিক চার্জের পরিমাণ অতি নগণ্য। পৃথিবীতে এর চাইতে কম চার্জযুক্ত কোন কিছু বিজ্ঞানিরা অদ্যাবধি খুঁজে পাননি।ইলেকট্রন আবিষ্কারের পর আরো জানা গেল যে, ঋণাত্মক চার্জযুক্ত এই ক্ষুদ্র কণিকাগুলো প্রতিটি পরমাণুতেই রয়েছে। যদি তাই হয়, পরমাণুও ঋণাত্মক চার্জযুক্ত হওয়া উচিত। কিন্তু বাস্তবে ব্যাপারটি মোটেই তা নয়। সাধারণত পরমাণুর কোন ইলেকট্রিক চার্জ প্রকাশ পায় না। উদাহরণস্বরূপ, হাইড্রোজেনের পরমাণুতে একটি ইলেকট্রন রয়েছে, কিন্তু পরমাণুটি কোন চার্জ বহন করে না। কি কারণ রয়েছে এর পিছনে? পরমাণুতে অবস্থিত ইলেকট্রনের ঋণাত্মক চার্জ কোথায় গেল?না কোথাও যায়নি। পদার্থবিদরা অনুমান করলেন যে, হাইড্রোজেনের পরমাণুতে ধনাত্মক চার্জযুক্ত কিছু একটা রয়েছে এবং এর চার্জের পরিমাণ ইলেকট্রনের ঋণাত্মক চার্জের সমান। এর ফলে পরমাণুটি ধনাত্মক বা ঋণাত্মক কোন চার্জই বহন করে না। ধনাত্মক চার্জযুক্ত যে কণিকাটির কথা বলা হচ্ছে তা হলো প্রোটন।পরমাণুতে সমান সংখ্যক ইলেকট্রন ও প্রোটন থাকে কেনইলেকট্রন আবিষ্কারের পর আরো জানা গেল যে, ঋণাত্মক চার্জযুক্ত এই ক্ষুদ্র কণিকাগুলো প্রতিটি পরমাণুতেই রয়েছে। যদি তাই হয়, পরমাণুও ঋণাত্মক চার্জযুক্ত হওয়া উচিত।এখন কি তোমার কাছে পরিষ্কার, কোন ইলেকট্রিক সুতা ইলেকট্রন এবং প্রোটনকে এক সঙ্গে বেঁধে রেখেছে? ঋণাত্মক চার্জযুক্ত কণিকা ধনাত্মক চার্জযুক্ত কণিকাকে নিজের দিকে আকর্ষণ করে। ইলেকট্রন ও প্রোটনের চার্জের পরিমাণও সমান। অতএব, পরমাণুর ভিতরে প্রোটন অদৃশ্য ইলেকট্রিক সুতার সাহায্যে একটি মাত্র ইলেকট্রনকে ধরে রাখতে সক্ষম। পরমাণুতে যদি আরো একটি ইলেকট্রন স্থাপনের চেষ্টা করা হয়- তবে তা ছুটে বেরিয়ে যাবে।পরমাণুতে যদি অতিরিক্ত ইলেকট্রন স্থাপন করতে হয় তবে প্রথমেই নিউক্লিয়াসে আরো একটি প্রোটন যোগ করতে হবে। তখনই দ্বিতীয় ইলেকট্রনটি ধরে রাখা সম্ভব হবে।কৃতজ্ঞতা: রুশ রাষ্ট্রীয় পরমাণু শক্তি কর্পোরেশন- রোসাটমবিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশবাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন এনআইএইপি- এএসই, রাশিয়া এবংপরমাণু শক্তি তথ্য কেন্দ্র, ঢাকাইলেকট্রন কি কক্ষপথে ঘোরে