পাঁচ বছর ধরে ক্যানসারের সঙ্গে লড়ছেন উপস্থাপক সামিয়া আফরিন। দীর্ঘ চিকিৎসার পর স্বাভাবিক জীবনে ফিরলেও তিন মাস আগে আবারও তাঁর শরীরে ম্যালিগন্যান্ট টিউমার ধরা পড়েছে। এবার ওভারিয়ান বা ডিম্বাশয়ের ক্যানসার। অস্ত্রোপচারের পর এখন কেমোথেরাপি নিচ্ছেন। তাঁর সঙ্গে কথা বলেছেন মনজুর কাদের
এখন আপনার প্রতিদিনের রুটিন কী?
সামিয়া আফরিন : খুব সকালে উঠি। বাইরে হয়তো হাঁটতে যাচ্ছি না, তবে বাসার ছাদে হাঁটাহাঁটি করি। এরপর যোগব্যায়াম ও শ্বাসপ্রশ্বাসের এক্সারসাইজ করি। খেয়াল করলাম, একটা নির্দিষ্ট সময় পর হাঁপিয়ে উঠি, সেটাও ঠিক করার চেষ্টা করছি। যেকোনো রোগীর ক্ষেত্রেই নিজের শরীরের দিকে খেয়াল রাখা জরুরি। না চাইলেও এসব নিয়ে কাজ করলে শরীরটা ধীরে ধীরে রিফর্ম করে। আসলে প্রাকৃতিক নিয়মেই অনেক কিছু রিফর্ম হয়, শরীরও তার ব্যতিক্রম না। রোগের বিষয়টাকে স্পোর্টিংলি নিতে পারলে পুরো প্রক্রিয়াটা আরও সহজ হয়। খাবারও খুব বুঝেশুনে খাচ্ছি। যতটা সম্ভব ফ্রেশ ফুড খাওয়ার চেষ্টা করছি। বিষয়টা আমার কাছে বেশ মজারও লাগে। আগেকার দিনে ফ্রিজ ছিল না, প্রতিদিন বাজার হতো, প্রতিদিন রান্না হতো। তখন জীবনযাত্রা অনেক সহজ ছিল। এখন সবকিছু সহজ করার চেষ্টা করতে গিয়ে জীবনটাই যেন আরও জটিল হয়ে গেছে।

এই সময় কোন কোন বিষয় আপনাকে মানসিকভাবে স্বস্তি ও আনন্দ দিচ্ছে? ভালো লাগার মুহূর্তগুলো কীভাবে খুঁজে নিচ্ছেন?
সামিয়া আফরিন : আমার সঙ্গে মা–বাবা থাকেন, সন্তানেরা থাকে—ওদের সঙ্গে সময় কাটাই। টুকটাক বই পড়ার চেষ্টা করি। অনেক সময় আল–কোরআনের সুরার বাংলা তরজমা পড়ি। এগুলো সময় নিয়ে পড়ি। নিয়মিতই পড়ি। মানসিকভাবে আমাকে সবচেয়ে বেশি আনন্দ দেয় গান। গান শুনতে খুব পছন্দ করি, গাইতেও ভালোবাসি। মেলোডিয়াস কোনো গান পেলেই শুনতে থাকি। এই সময়ে মুসাফির ক্যাফের সব গান আমার খুব প্রিয় হয়ে গেছে। দেখা যাচ্ছে, সারাদিন মুসাফির ক্যাফের গান শুনছি। এত সুন্দর! এসবই আমাকে বেশি স্বস্তি দিচ্ছে। অনেক সময় অনেকে ফোন করেন; কিন্তু আমার কথা বলতে ভালো লাগে না, ইচ্ছাও হয় না। তখন নিজের মতো করে সময় কাটানোই বেশি ভালো লাগে। বারান্দায় বসে থাকি, গাছের সঙ্গে সময় কাটাই। আমার দুটি বিড়াল আছে, ওদের সঙ্গেও সময় কাটাতে বেশ ভালো লাগে। এত মায়া! ভেবেছিলাম নিরাপত্তার কথা ভেবে ওদের রুমে ঢুকতে দেব না। কিন্তু কীসের কী—দুটিই সারাক্ষণ আমার রুমে বসে থাকে। কাছের বন্ধুরা আসে। ওদের সঙ্গে সময় কাটাই, তবে খুব বেশি নয়। হয়তো আধা ঘণ্টা বা এক ঘণ্টা বসে কথা বলার পর ওরাও বুঝতে পারে আমার আর ভালো লাগছে না। তখন তারাও চলে যায়।

আর পরিবারের সহযোগিতা?
সামিয়া আফরিন : সত্যি বলতে, বাসার সবার সহযোগিতা অবিশ্বাস্য। আমার হাজব্যান্ডের সাপোর্টের কথা আর কী বলব! মানুষ যখন ভালনারেবল থাকে, তখন কারও ছোট্ট কথাতেও অনেক বেশি আপসেট বা ইমোশনাল হওয়ার একটা বিষয় থাকে। আমার মনে হয়, এ ব্যাপারগুলো স্বামী–সন্তান ও মা–বাবা বেশ ভালোভাবেই বোঝে। অনেক সময় শরীরে ইরিটেশনের কারণে হয়তো আমার মেজাজ খারাপ হচ্ছে বা কারও কথা শুনতে ভালো লাগছে না—এ বিষয়গুলো ওরা খুব ভালোভাবে বোঝে। তাই ওরা কেউ কোনো যুক্তিতর্কে যায় না। জানি, এ পর্যায়টা চলে গেলে এসবও থাকবে না। ছোটখাটো বিষয়গুলো ওরা খুব সুন্দরভাবে সামলে নেয়।
দীর্ঘ চিকিৎসার অভিজ্ঞতা জীবনকে দেখার ক্ষেত্রে কী পরিবর্তন এনেছে?
সামিয়া আফরিন : ২০২২ থেকে ২০২৩—দুই বছর চিকিৎসা চলেছে। এরপর তিন বছর ফলোআপ। এই সময়ের মধ্য দিয়ে যেতে গিয়ে একটা পরিবর্তনের ভেতর দিয়ে যেতে হয়েছে। এখন আমি খুব বেশি স্ট্রেসফুল কথা সহ্য করতে পারি না। আগে যে বিষয়গুলো আমাকে খুব বেশি ইফেক্ট করত না, এখন সেগুলোও করে। সেই জায়গা থেকে, নিজের মানসিক স্বাস্থ্যের নিরাপত্তার কথা ভেবে, আবেগ ঠিক রাখতে টক্সিক মানুষ থেকে দূরে থাকি। আমরা সবাই সামাজিক, সবার সঙ্গে চলাফেরা করব; কিন্তু কিছু ক্ষেত্রে নিজেকে নিরাপদে রাখাটাও জরুরি—এটাও বুঝতে হয়।

চিকিৎসার মধ্যেও নিজেকে কাজের সঙ্গে যুক্ত রেখেছেন। এখন কী কী কাজ করছেন বা সামনে আর কী কী পরিকল্পনা আছে?
সামিয়া আফরিন : আমার ‘পারপাস’ নিয়ে পডকাস্ট করছি। অপারেশনে যাওয়ার আগে সব কটি পর্বের শুটিং শেষ করেছি। এখন সেগুলো নিয়েই কাজ চলছে, একটার পর একটা প্রচার হচ্ছে। ফাউন্ডেশনের কাজ করছি, এর ফেসবুক পেজটাকেও আপগ্রেড করার চেষ্টা করছি। অনেক মানুষ সাহায্য চান। সেখান থেকে কোনো কার্যক্রম এখন চালাতে পারছি না, সাহায্য করতে পারছি না—এটা ভেবে খারাপ লাগে। এ বছর আমার বেশ কিছু কার্যক্রমের পরিকল্পনা ছিল। ঈদের আগে ক্যানসার অ্যাওয়ারনেসের জন্য একটি মেডিক্যাল ক্যাম্প করে এসেছি। অক্টোবর–নভেম্বর ও ডিসেম্বরের মধ্যে সচেতনতার জন্য আরও দুটি মেডিক্যাল ক্যাম্প করার পরিকল্পনা ছিল, গ্রামের বাড়ি রাজবাড়ীতে। কিন্তু শারীরিক অবস্থার কারণে এখন ট্রাভেল করাটাও মুশকিল। সেই শক্তিটা পাব না। তবে আল্লাহ যদি চান, এগুলো করতে চাই। আমার মনে হয়, আমরা কত ভাগ্যবান! সেরা চিকিৎসাসেবা পাচ্ছি, ভালো খাবার পাচ্ছি, অনেক ভালো আছি। অথচ আমাদের আশপাশে কত সুবিধাবঞ্চিত মানুষ, তাদের জন্য খারাপ লাগে। প্রতিদিন সকালে উঠে চিন্তা করি, ওদের জন্য যদি কিছু করে যাওয়া যায়। আমরা সম্মিলিতভাবে চেষ্টা করলে সম্ভব। একার পক্ষে কোনোভাবেই সম্ভব নয়। আমার একটা ওয়েলনেস স্টুডিও চালু করারও ইচ্ছা আছে। সেটাও করতে চাই।
শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা। ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে। সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।” জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর। সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।
বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে। চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে। দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।
কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন
‘আমার জন্য সবাই দোয়া করবে, যেন আমি যেখানে থাকি ভালো থাকি। আর কেউ আমাকে খোঁজার চেষ্টা করবে না। আর আমাকে খুঁজেও কোনো লাভ হবে না।’ চিরকুটে লেখা এসব কথাই এখন বারবার কাঁদাচ্ছে ১৬ বছরের কিশোর আরিফুল ইসলামের পরিবারকে। গত ২৫ আগস্ট বিকেলে রেজিস্ট্রেশন ফরম জমা দেওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হয়েছিল সে। এরপর কেটে গেছে ১৫ দিন। কিন্তু এখনো বাড়ি ফেরেনি এই শিক্ষার্থী। আত্মীয়স্বজনের বাড়ি থেকে শুরু করে সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে খোঁজ করেও তার সন্ধান মেলেনি। আরিফুল ইসলাম মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার বেতিলা-মিতরা ইউনিয়নের গোপালপুর ভাদুটিয়া এলাকার মো. শামসুল হকের ছেলে। সে মানিকগঞ্জ সরকারি উচ্চবিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী। পরিবারের সদস্যরা জানান, গত ২৫ আগস্ট বিকেলে রেজিস্ট্রেশন ফরম জমা দেওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হয় আরিফুল। এরপর আর সে বাড়িতে ফেরেনি। প্রথম দিকে পরিবারের সদস্যরা বিষয়টিকে স্বাভাবিকভাবে নিয়ে আত্মীয়স্বজন ও পরিচিতজনদের বাড়িতে খোঁজ নেন। পরিচিত বিভিন্ন স্থানেও সন্ধান চালানো হয়। কিন্তু কোথাও তার সন্ধান না পাওয়ায় ধীরে ধীরে উদ্বেগ বাড়তে থাকে। একপর্যায়ে আরিফুলের ব্যবহৃত জিনিসপত্রের মধ্যে একটি চিরকুট খুঁজে পান পরিবারের সদস্যরা। চিরকুটে লেখা ছিল, ‘আমার জন্য সবাই দোয়া করবে, যেন আমি যেখানে থাকি ভালো থাকি। আর কেউ আমাকে খোঁজার চেষ্টা করবে না। আর আমাকে খুঁজেও কোনো লাভ হবে না।’ এই চিরকুট পাওয়ার পর পরিবারের উৎকণ্ঠা আরও বেড়ে যায়। কারণ, নিখোঁজ হওয়ার আগে আরিফুলের আচরণে কোনো অস্বাভাবিকতা লক্ষ্য করেননি বলে জানিয়েছেন পরিবারের সদস্যরা। পরিবারের সঙ্গে তার কোনো বিরোধ বা ঝগড়াঝাঁটির কথাও তারা জানেন না। স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুল হালিম বলেন, ছোটবেলা থেকেই আরিফুল অত্যন্ত মেধাবী। পঞ্চম শ্রেণিতে পড়ার সময় সে ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি পেয়েছিল। পড়াশোনার পাশাপাশি তার ব্যবহারও ছিল সবার সঙ্গে ভালো। ছেলের নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় দিশেহারা আরিফুলের বাবা মো. শামসুল হক। তিনি বলেন, ‘অনেক খোঁজাখুঁজি করেও ছেলের সন্ধান পাইনি। আমার ছেলে কোথায় আছে, কী অবস্থায় আছে, কিছুই জানি না। আমি শুধু আমার ছেলেকে ফিরে পেতে চাই।’ মানিকগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনির হোসেন বলেন, আরিফুলের নিখোঁজের বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে। তার অবস্থান শনাক্তে আত্মীয়স্বজন ও পরিচিতজনদের কাছ থেকে তথ্য সংগ্রহ করে অনুসন্ধান চালানো হচ্ছে। মো. সজল আলী/এফএ
একটি দৌড় কখনো শুধু গন্তব্যে পৌঁছানোর গল্প নয়; প্রতিটি পদক্ষেপের সঙ্গে জড়িয়ে থাকে নিজের সীমাকে ছুঁয়ে দেখার সাহস, অর্জনের স্মৃতি আর নতুন মাইলস্টোন তৈরির প্রত্যয়। সেই ভাবনাকে সামনে রেখে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ‘জাকসু রান ২০২৬: দ্য ফেয়ারওয়েল অ্যান্ড মাইলস্টোনস’। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদের (জাকসু) ক্রীড়া সম্পাদক মাহমুদুল হাসান কিরণের উদ্যোগে অনুষ্ঠেয় এ আয়োজনের অফিশিয়াল ইভেন্ট পার্টনার জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধুসভা।আগামী ২ অক্টোবর, শুক্রবার জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত হবে এই দৌড়। এতে থাকছে ৫ কিলোমিটার রান ও ১০ কিলোমিটার মিনি ম্যারাথন। ৫ কিলোমিটার দৌড় থেকে শুরু করে ১০ কিলোমিটারের চ্যালেঞ্জ; সব বয়স ও অভিজ্ঞতার দৌড়প্রেমীদের জন্যই থাকছে নিজেদের সক্ষমতা যাচাইয়ের সুযোগ।জাকসু রানকে ঘিরে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধুসভাও যুক্ত হয়েছে আয়োজনটির সঙ্গে। শিক্ষার্থীদের মধ্যে সুস্থ জীবনযাপন, ক্রীড়াচর্চা ও ইতিবাচক জীবনধারার চর্চা বাড়ানোর পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের তারুণ্য, বন্ধুত্ব ও উদ্যমকে একত্রিত করাই এ আয়োজনের অন্যতম লক্ষ্য। জাকসুর উদ্যোগের সঙ্গে বন্ধুসভার অংশীদারত্ব তাই একটি ক্রীড়া আয়োজনকে আরও বৃহত্তর সামাজিক ও তারুণ্যনির্ভর উদ্যাপনে রূপ দেওয়ার প্রত্যাশা তৈরি করেছে।অংশগ্রহণকারীদের জন্য থাকছে অফিশিয়াল ইভেন্ট জার্সি, রেস বিব, ফিনিশার মেডেল ও সনদ, কিট ব্যাগসহ সারপ্রাইজ উপহার। দৌড়ের পথে থাকবে একাধিক হাইড্রেশন স্টেশন, চিকিৎসা ও প্রাথমিক চিকিৎসাসেবা, ট্র্যাকিং সিস্টেম, রেস-পরবর্তী খাবার এবং ওয়াশরুমের সুবিধা। পাশাপাশি থাকছে ইভেন্ট ফটোগ্রাফি ও মিডিয়া কাভারেজ। ঢাকার উত্তরা, গুলশান ও বঙ্গবাজার থেকে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত অংশগ্রহণকারীদের জন্য রাখা হয়েছে শাটল বাস সার্ভিস।সেরা দৌড়বিদদের জন্যও থাকছে বিশেষ স্বীকৃতি। ১০ কিলোমিটার ও ৫ কিলোমিটার বিভাগে পুরুষ ও নারী দৌড়বিদদের মধ্যে সেরা তিনজন পাবেন ক্রেস্ট। তবে ৫ কিলোমিটার বিভাগে নারীদের জন্য প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান অর্জনকারীদের বিশেষভাবে পুরস্কৃত করা হবে।জাকসু রান ২০২৬।দৌড়ের নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে অংশগ্রহণকারীদের বয়স কমপক্ষে ১৫ বছর হতে হবে। ৫ কিলোমিটার রানের জন্য নির্ধারিত সময়সীমা ৯০ মিনিট এবং ১০ কিলোমিটারের জন্য ১২০ মিনিট। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ফিনিশ করতে না পারলে অফিশিয়াল টাইমিং ও ফিনিশার মেডেলের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নিয়ম অনুসরণ করা হবে। অংশগ্রহণকারী ব্যক্তিদের নির্ধারিত রুট ও চেকপয়েন্ট অনুসরণ করতে হবে এবং দৌড় শুরুর অন্তত ৩০ মিনিট আগে স্টার্টিং লাইনে উপস্থিত থাকতে হবে।জাকসু রান ২০২৬-এর নিবন্ধনের শেষ সময় ১৪ সেপ্টেম্বর। ফলে যাঁরা দৌড়ের মাধ্যমে নিজেদের একটি নতুন মাইলস্টোন তৈরি করতে চান, তাঁদের জন্য সময় ফুরিয়ে আসছে।জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সবুজ প্রাঙ্গণে তারুণ্যের শক্তি, বন্ধুত্ব ও অর্জনের গল্পকে এক সুতোয় বাঁধতেই এই আয়োজন। জাকসুর উদ্যোগ ও জাবি বন্ধুসভার অংশীদারত্বে ‘জাকসু রান ২০২৬’ ক্যাম্পাসে তারুণ্যের নতুন উদ্দীপনা সৃষ্টি করবে বলে প্রত্যাশা আয়োজকদের।প্রচার সম্পাদক, জাবি বন্ধুসভা
অনিয়ম ও জালিয়াতির অভিযোগ ওঠার পর বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া অঞ্চলের পরিচালকের পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন সায়মা ওয়াজেদ। গণ–অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মেয়ে তিনি। সায়মা ওয়াজেদ গতকাল বুধবার বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধান তেদরোস আধানম গেব্রেয়াসুসের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন। বার্তা সংস্থা রয়টার্স ওই পদত্যাগপত্র দেখেছে।