জাতীয়

একসঙ্গে জন্ম, একসঙ্গে বেড়ে ওঠা, একসঙ্গে জিপিএ–৫ পেল তিন ভাই

News সেপ্টেম্বর ১০, ২০২৬ 0
একসঙ্গে জন্ম, একসঙ্গে বেড়ে ওঠা, একসঙ্গে জিপিএ–৫ পেল তিন ভাই
একসঙ্গে জন্ম, একসঙ্গে বেড়ে ওঠা, একসঙ্গে জিপিএ–৫ পেল তিন ভাই

‘যেদিন ওদের (তিন ছেলে) জন্ম হলো, তার আগে টানা ২৭ দিন ওদের মা শহরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি ছিল। প্রসূতি-সংক্রান্ত নানা জটিলতা দেখা দিয়েছিল তার। অনেক কষ্ট আর ত্যাগের পর ওরা ঘর আলো করে এসেছিল। সেই তিন ছেলে এবার আমাদের আরও আলোকিত করেছে। তারা এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পেয়েছে। সব কটি বিষয়ে এ প্লাস পেয়েছে তারা।’

কথাগুলো বলতে গিয়ে বারবার আবেগতাড়িত হয়ে পড়ছিলেন কুষ্টিয়া পৌরসভার ১৭ নম্বর ওয়ার্ডের ফুলবাড়িয়া এলাকার বাসিন্দা মামুনুর রহমান। তাঁর ছেলে ফাহিম হোসাইন, ফরহাদ হোসাইন ও ফয়সাল হোসাইনের জন্ম ২০০৯ সালের ১০ সেপ্টেম্বর। তিন ভাই এবারের এসএসসি পরীক্ষায় কেএসএম ঢাকা মিনাপাড়া উচ্চমাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে বিজ্ঞান বিভাগে জিপিএ-৫ পেয়েছে।

গত মঙ্গলবার তাদের বাড়িতে গিয়ে কথা হয় তিন ভাইয়ের সঙ্গে। পাশে বসে ছিলেন তাদের গৃহশিক্ষক রবিউল ইসলাম ও বাবা মামুনুর রহমান। একসঙ্গে জন্ম, একসঙ্গে চলাফেলা, একসঙ্গে ঘুমানো আর একসঙ্গে পড়াশোনা।Ñসব মিলিয়ে তিনজনের একসঙ্গে জিপিএ-৫ পাওয়ার সাফল্যে পরিবারে আনন্দের বন্যা বইছে। বাবা মামুনুর কুষ্টিয়া শহরে একটি বেসরকারি কোম্পানিতে চাকরি করেন। মা গৃহিণী।

বাড়ির পাশে একটি কিন্ডারগার্টেনে তাদের পড়াশোনায় হাতেখড়ি। এরপর কুষ্টিয়া শহরে তৃতীয় শ্রেণি থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত পড়ে। ঝিনাইদহে ষষ্ঠ ও সপ্তম শ্রেণিতে পড়ার পর এলাকায় ফিরে কেএসএম ঢাকা মিনাপাড়া উচ্চমাধ্যমিক বিদ্যালয়ে অষ্টম শ্রেণিতে ভর্তি হয়। শুরু থেকেই মেধাবী ছিল তারা। নবম ও দশম শ্রেণিতে বাড়িতেই এক শিক্ষকের কাছে টানা দুই বছর প্রাইভেট পড়ে।

একসঙ্গে জন্ম নেওয়া তিন ভাইয়ের মধ্যে দুজন চিকিৎসক ও একজন প্রকৌশলী হতে চায়

মামুনুর রহমান বলেন, ফলাফলের দিন তিনি তিন সন্তানকে সঙ্গে নিয়ে শহরে অফিসে গিয়েছিলেন। সঙ্গে রেখেই ফলাফল দেখেছেন কম্পিউটারে। আশা ছিল তারা জিপিএ-৫ পাবে। কিন্তু যদি কোনোভাবে একজন না পেত, তাহলে সে মুষড়ে পড়ত। এ জন্য সাহস দিতেই কাছে রেখেছিলেন। তিনজনের ফল যখন দেখা হলো এবং সব বিষয়ে এ প্লাস দেখা গেল, তখন আনন্দে মন ভরে উঠেছিল।

ফাহিম হোসাইন বলে, ‘আমাদের এই ফলাফলের পেছনে বাবা-মা অনেক কষ্ট করেছেন।’ ফরহাদ বলে, ‘আমরা তিন ভাই একসঙ্গে স্কুলে যেতাম, এক টেবিলে বসে পড়তাম। খেলাধুলা করতাম। তবে কম। দ্রুত ঘুমিয়ে পড়তাম। খুব সকালে উঠে পড়তে বসতাম।’

তিন ভাইয়েরই প্রিয় বিষয় গণিত। ফাহিম বলে, ‘গণিত দিয়ে সৌরজগৎ ব্যাখ্যা করা যায়। গণিত খুব মজা লাগে।’ তিনজনের মধ্যে দুজন চিকিৎসক ও একজন প্রকৌশলী হতে চায়। মানুষের পাশে থেকে সেবা করতে চায়। তিনজনেরই ফুটবল, ক্রিকেট ও ব্যাডমিন্টন খেলা পছন্দ।

কুষ্টিয়া সরকারি কলেজে বিজ্ঞান বিভাগে ভর্তি হওয়ার ইচ্ছে আছে তাদের। আবেদনও করেছে। ফয়সাল হোসাইন জানায়, এই ফলাফলের জন্য তিন ভাইকে অনেক ত্যাগ স্বীকার করতে হয়েছে। পড়াশোনায় একজন কোনো বিষয় বুঝতে না পারলে অন্য দুজন সহযোগিতা করত।

Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

ব্যাটিং বিপর্যয়ে দিন শুরু, লড়াইয়ে ফিরতে মরিয়া টাইগাররা

কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন

জাতীয়

View more
‘আমাকে খুঁজেও কোনো লাভ হবে না’
‘আমাকে খুঁজেও কোনো লাভ হবে না’

‘আমার জন্য সবাই দোয়া করবে, যেন আমি যেখানে থাকি ভালো থাকি। আর কেউ আমাকে খোঁজার চেষ্টা করবে না। আর আমাকে খুঁজেও কোনো লাভ হবে না।’ চিরকুটে লেখা এসব কথাই এখন বারবার কাঁদাচ্ছে ১৬ বছরের কিশোর আরিফুল ইসলামের পরিবারকে। গত ২৫ আগস্ট বিকেলে রেজিস্ট্রেশন ফরম জমা দেওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হয়েছিল সে। এরপর কেটে গেছে ১৫ দিন। কিন্তু এখনো বাড়ি ফেরেনি এই শিক্ষার্থী। আত্মীয়স্বজনের বাড়ি থেকে শুরু করে সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে খোঁজ করেও তার সন্ধান মেলেনি। আরিফুল ইসলাম মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার বেতিলা-মিতরা ইউনিয়নের গোপালপুর ভাদুটিয়া এলাকার মো. শামসুল হকের ছেলে। সে মানিকগঞ্জ সরকারি উচ্চবিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী। পরিবারের সদস্যরা জানান, গত ২৫ আগস্ট বিকেলে রেজিস্ট্রেশন ফরম জমা দেওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হয় আরিফুল। এরপর আর সে বাড়িতে ফেরেনি। প্রথম দিকে পরিবারের সদস্যরা বিষয়টিকে স্বাভাবিকভাবে নিয়ে আত্মীয়স্বজন ও পরিচিতজনদের বাড়িতে খোঁজ নেন। পরিচিত বিভিন্ন স্থানেও সন্ধান চালানো হয়। কিন্তু কোথাও তার সন্ধান না পাওয়ায় ধীরে ধীরে উদ্বেগ বাড়তে থাকে। একপর্যায়ে আরিফুলের ব্যবহৃত জিনিসপত্রের মধ্যে একটি চিরকুট খুঁজে পান পরিবারের সদস্যরা। চিরকুটে লেখা ছিল, ‘আমার জন্য সবাই দোয়া করবে, যেন আমি যেখানে থাকি ভালো থাকি। আর কেউ আমাকে খোঁজার চেষ্টা করবে না। আর আমাকে খুঁজেও কোনো লাভ হবে না।’ এই চিরকুট পাওয়ার পর পরিবারের উৎকণ্ঠা আরও বেড়ে যায়। কারণ, নিখোঁজ হওয়ার আগে আরিফুলের আচরণে কোনো অস্বাভাবিকতা লক্ষ্য করেননি বলে জানিয়েছেন পরিবারের সদস্যরা। পরিবারের সঙ্গে তার কোনো বিরোধ বা ঝগড়াঝাঁটির কথাও তারা জানেন না। স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুল হালিম বলেন, ছোটবেলা থেকেই আরিফুল অত্যন্ত মেধাবী। পঞ্চম শ্রেণিতে পড়ার সময় সে ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি পেয়েছিল। পড়াশোনার পাশাপাশি তার ব্যবহারও ছিল সবার সঙ্গে ভালো। ছেলের নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় দিশেহারা আরিফুলের বাবা মো. শামসুল হক। তিনি বলেন, ‘অনেক খোঁজাখুঁজি করেও ছেলের সন্ধান পাইনি। আমার ছেলে কোথায় আছে, কী অবস্থায় আছে, কিছুই জানি না। আমি শুধু আমার ছেলেকে ফিরে পেতে চাই।’ মানিকগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনির হোসেন বলেন, আরিফুলের নিখোঁজের বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে। তার অবস্থান শনাক্তে আত্মীয়স্বজন ও পরিচিতজনদের কাছ থেকে তথ্য সংগ্রহ করে অনুসন্ধান চালানো হচ্ছে। মো. সজল আলী/এফএ

News সেপ্টেম্বর ১০, ২০২৬ 0
ফিলিপাইনে যাত্রীবোঝাই ফেরিতে আগুনে পাঁচজন নিহত, নিখোঁজ ৮৭

ফিলিপাইনে যাত্রীবোঝাই ফেরিতে আগুনে পাঁচজন নিহত, নিখোঁজ ৮৭

নদীর পানির শক্তিতে বিদ্যুৎ বানালেন গ্রামের এক সাধারণ মানুষ

নদীর পানির শক্তিতে বিদ্যুৎ বানালেন গ্রামের এক সাধারণ মানুষ

বিনয় সরকারের নজরুল–ভাবনা

বিনয় সরকারের নজরুল–ভাবনা

জাহাঙ্গীরনগরে ‘জাকসু রান ২০২৬’, ইভেন্ট সহযোগী জাবি বন্ধুসভা
জাহাঙ্গীরনগরে ‘জাকসু রান ২০২৬’, ইভেন্ট সহযোগী জাবি বন্ধুসভা

একটি দৌড় কখনো শুধু গন্তব্যে পৌঁছানোর গল্প নয়; প্রতিটি পদক্ষেপের সঙ্গে জড়িয়ে থাকে নিজের সীমাকে ছুঁয়ে দেখার সাহস, অর্জনের স্মৃতি আর নতুন মাইলস্টোন তৈরির প্রত্যয়। সেই ভাবনাকে সামনে রেখে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ‘জাকসু রান ২০২৬: দ্য ফেয়ারওয়েল অ্যান্ড মাইলস্টোনস’। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদের (জাকসু) ক্রীড়া সম্পাদক মাহমুদুল হাসান কিরণের উদ্যোগে অনুষ্ঠেয় এ আয়োজনের অফিশিয়াল ইভেন্ট পার্টনার জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধুসভা।আগামী ২ অক্টোবর, শুক্রবার জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত হবে এই দৌড়। এতে থাকছে ৫ কিলোমিটার রান ও ১০ কিলোমিটার মিনি ম্যারাথন। ৫ কিলোমিটার দৌড় থেকে শুরু করে ১০ কিলোমিটারের চ্যালেঞ্জ; সব বয়স ও অভিজ্ঞতার দৌড়প্রেমীদের জন্যই থাকছে নিজেদের সক্ষমতা যাচাইয়ের সুযোগ।জাকসু রানকে ঘিরে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধুসভাও যুক্ত হয়েছে আয়োজনটির সঙ্গে। শিক্ষার্থীদের মধ্যে সুস্থ জীবনযাপন, ক্রীড়াচর্চা ও ইতিবাচক জীবনধারার চর্চা বাড়ানোর পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের তারুণ্য, বন্ধুত্ব ও উদ্যমকে একত্রিত করাই এ আয়োজনের অন্যতম লক্ষ্য। জাকসুর উদ্যোগের সঙ্গে বন্ধুসভার অংশীদারত্ব তাই একটি ক্রীড়া আয়োজনকে আরও বৃহত্তর সামাজিক ও তারুণ্যনির্ভর উদ্‌যাপনে রূপ দেওয়ার প্রত্যাশা তৈরি করেছে।অংশগ্রহণকারীদের জন্য থাকছে অফিশিয়াল ইভেন্ট জার্সি, রেস বিব, ফিনিশার মেডেল ও সনদ, কিট ব্যাগসহ সারপ্রাইজ উপহার। দৌড়ের পথে থাকবে একাধিক হাইড্রেশন স্টেশন, চিকিৎসা ও প্রাথমিক চিকিৎসাসেবা, ট্র্যাকিং সিস্টেম, রেস-পরবর্তী খাবার এবং ওয়াশরুমের সুবিধা। পাশাপাশি থাকছে ইভেন্ট ফটোগ্রাফি ও মিডিয়া কাভারেজ। ঢাকার উত্তরা, গুলশান ও বঙ্গবাজার থেকে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত অংশগ্রহণকারীদের জন্য রাখা হয়েছে শাটল বাস সার্ভিস।সেরা দৌড়বিদদের জন্যও থাকছে বিশেষ স্বীকৃতি। ১০ কিলোমিটার ও ৫ কিলোমিটার বিভাগে পুরুষ ও নারী দৌড়বিদদের মধ্যে সেরা তিনজন পাবেন ক্রেস্ট। তবে ৫ কিলোমিটার বিভাগে নারীদের জন্য প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান অর্জনকারীদের বিশেষভাবে পুরস্কৃত করা হবে।জাকসু রান ২০২৬।দৌড়ের নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে অংশগ্রহণকারীদের বয়স কমপক্ষে ১৫ বছর হতে হবে। ৫ কিলোমিটার রানের জন্য নির্ধারিত সময়সীমা ৯০ মিনিট এবং ১০ কিলোমিটারের জন্য ১২০ মিনিট। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ফিনিশ করতে না পারলে অফিশিয়াল টাইমিং ও ফিনিশার মেডেলের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নিয়ম অনুসরণ করা হবে। অংশগ্রহণকারী ব্যক্তিদের নির্ধারিত রুট ও চেকপয়েন্ট অনুসরণ করতে হবে এবং দৌড় শুরুর অন্তত ৩০ মিনিট আগে স্টার্টিং লাইনে উপস্থিত থাকতে হবে।জাকসু রান ২০২৬-এর নিবন্ধনের শেষ সময় ১৪ সেপ্টেম্বর। ফলে যাঁরা দৌড়ের মাধ্যমে নিজেদের একটি নতুন মাইলস্টোন তৈরি করতে চান, তাঁদের জন্য সময় ফুরিয়ে আসছে।জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সবুজ প্রাঙ্গণে তারুণ্যের শক্তি, বন্ধুত্ব ও অর্জনের গল্পকে এক সুতোয় বাঁধতেই এই আয়োজন। জাকসুর উদ্যোগ ও জাবি বন্ধুসভার অংশীদারত্বে ‘জাকসু রান ২০২৬’ ক্যাম্পাসে তারুণ্যের নতুন উদ্দীপনা সৃষ্টি করবে বলে প্রত্যাশা আয়োজকদের।প্রচার সম্পাদক, জাবি বন্ধুসভা

News সেপ্টেম্বর ১০, ২০২৬ 0
আল্লাহর প্রতি সুধারণা: হতাশা দূর করার অনন্য উপায়

আল্লাহর প্রতি সুধারণা: হতাশা দূর করার অনন্য উপায়

‘তুই থানায় কেন দিলি’ বলেই শিক্ষককে কোপানো শুরু করে কিশোরেরা

‘তুই থানায় কেন দিলি’ বলেই শিক্ষককে কোপানো শুরু করে কিশোরেরা

মানুষের ‘দ্বিতীয় মস্তিষ্ক’

মানুষের ‘দ্বিতীয় মস্তিষ্ক’

ডব্লিউএইচও থেকে সায়মা ওয়াজেদের পদত্যাগ
ডব্লিউএইচও থেকে সায়মা ওয়াজেদের পদত্যাগ

অনিয়ম ও জালিয়াতির অভিযোগ ওঠার পর বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া অঞ্চলের পরিচালকের পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন সায়মা ওয়াজেদ। গণ–অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মেয়ে তিনি। সায়মা ওয়াজেদ গতকাল বুধবার বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধান তেদরোস আধানম গেব্রেয়াসুসের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন। বার্তা সংস্থা রয়টার্স ওই পদত্যাগপত্র দেখেছে।

News সেপ্টেম্বর ১০, ২০২৬ 0
রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তা হলেন নবাব হোসেন

রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তা হলেন নবাব হোসেন

নটর ডেম কলেজে একাদশে ভর্তি পরীক্ষা শুরু আজ

নটর ডেম কলেজে একাদশে ভর্তি পরীক্ষা শুরু আজ

অভিষেকেই তোরেসের হ্যাটট্রিক, ৬ গোল পিএসজির

অভিষেকেই তোরেসের হ্যাটট্রিক, ৬ গোল পিএসজির

0 Comments