বর্তমানে লোডশেডিং এর সমস্যা বেড়েই যাচ্ছে। ফলে বিদ্যুৎ ফেরার অপেক্ষায় না থেকে অনেকেই জেনারেটর চালিয়ে ঘর, দোকান বা অফিসের প্রয়োজনীয় যন্ত্র সচল রাখছেন। কিন্তু সঠিক নিয়ম না মেনে জেনারেটর ব্যবহার করলে আগুন, বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হওয়া এমনকি বিষাক্ত কার্বন মনোক্সাইডে মৃত্যুর মতো ঘটনাও ঘটতে পারে। তাই বিদ্যুৎ চলে গেলে জেনারেটর চালানোর পাশাপাশি নিরাপত্তার বিষয়টিও গুরুত্ব দিতে হবে।
জেনারেটর ব্যবহারের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম হলো এটি কখনোই ঘরের ভেতর, গ্যারেজ, বেসমেন্ট, সিঁড়িঘর বা অন্য কোনো আবদ্ধ জায়গায় চালানো যাবে না। দরজা-জানালা খোলা রাখলেও ঝুঁকি দূর হয় না। জেনারেটরের ধোঁয়ায় থাকা কার্বন মনোক্সাইড গ্যাস বর্ণহীন ও গন্ধহীন; ফলে বিপদ বুঝে ওঠার আগেই শরীরে বিষক্রিয়া হতে পারে।
জেনারেটর খোলা জায়গায় ভবন থেকে অন্তত ২০ ফুট বা প্রায় ৬ মিটার দূরে রাখার পরামর্শ দেয় মার্কিন কাস্টমার প্রোডাক্ট সেফটি কমিশন (সিপিএসসি)। এর ধোঁয়ার মুখও জানালা, দরজা ও বাতাস চলাচলের পথ থেকে বিপরীত দিকে রাখতে হবে।
জেনারেটরের আশপাশে পেট্রল, ডিজেল, কাগজ, কাপড়, প্লাস্টিক বা অন্য দাহ্য জিনিস রাখা ঠিক নয়। জ্বালানি ভরার সময় জেনারেটর অবশ্যই বন্ধ রাখতে হবে। চালু থাকা বা গরম ইঞ্জিনে কখনোই তেল বা জ্বালানি ঢালা উচিত নয়। এনএফপিএ-ও জ্বালানি দেওয়ার আগে জেনারেটর বন্ধ করে ঠান্ডা হওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে বলেছে। জ্বালানি সংরক্ষণের ক্ষেত্রেও নির্দিষ্ট ও উপযুক্ত কনটেইনার ব্যবহার করা জরুরি। বসতঘরের ভেতর বা আগুনের উৎসের কাছাকাছি জ্বালানি রাখা বিপজ্জনক।
বৃষ্টি বা ভেজা জায়গায় জেনারেটর চালালে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে। তাই শুকনো ও সমতল জায়গায় জেনারেটর রাখতে হবে। বৃষ্টির মধ্যে চালানোর প্রয়োজন হলে প্রস্তুতকারকের নির্দেশনা মেনে নিরাপদ ব্যবস্থা নিতে হবে।
একসঙ্গে অনেক বেশি বৈদ্যুতিক যন্ত্র চালানোর চেষ্টা করলে জেনারেটরের ওপর অতিরিক্ত চাপ পড়তে পারে। ফলে তার, প্লাগ বা যন্ত্রাংশ অতিরিক্ত গরম হয়ে আগুনের ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। জেনারেটরের নির্ধারিত ক্ষমতা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় যন্ত্র চালানো উচিত। বাড়ির বৈদ্যুতিক লাইনে সরাসরি জেনারেটর সংযোগ দেওয়াও বিপজ্জনক। এ ধরনের সংযোগের প্রয়োজন হলে যোগ্য ইলেকট্রিশিয়ানের মাধ্যমে উপযুক্ত ট্রান্সফার সুইচ বসাতে হবে।
জরুরি সময়ে চালু করতে গিয়ে সমস্যা এড়াতে জেনারেটর নিয়মিত পরীক্ষা ও রক্ষণাবেক্ষণ করা দরকার। তেল, তার, প্লাগ, সংযোগ এবং অন্যান্য অংশে অস্বাভাবিকতা দেখা দিলে নিজে পরীক্ষা-নিরীক্ষা না করে দক্ষ মেকানিকের সাহায্য নেওয়া ভালো।
বাড়িতে স্মোক অ্যালার্ম ও কার্বন মনোক্সাইড অ্যালার্ম থাকলে ঝুঁকি সম্পর্কে দ্রুত সতর্ক হওয়া যায়। অ্যালার্ম বাজলে বা জেনারেটরের কারণে মাথা ঘোরা, দুর্বল লাগা, বমি বমি ভাব বা বিভ্রান্তির মতো উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত খোলা বাতাসে যেতে হবে।
লোডশেডিং যত দীর্ঘই হোক, কয়েক ঘণ্টার বিদ্যুৎ পাওয়ার জন্য জীবন ও সম্পত্তিকে ঝুঁকিতে ফেলা উচিত নয়। জেনারেটর ব্যবহারের আগে নিরাপদ জায়গা, সঠিক সংযোগ, জ্বালানি ব্যবস্থাপনা এবং রক্ষণাবেক্ষণ এই চারটি বিষয় নিশ্চিত করলেই দুর্ঘটনার ঝুঁকি অনেকটাই কমানো সম্ভব।
কেএসকে
শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা। ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে। সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।” জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর। সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।
বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে। চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে। দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।
কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন
একটি জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্রব্যবস্থায় গণমাধ্যমের গঠনমূলক সমালোচনা উন্নয়নের অন্যতম সহায়ক শক্তি বলে মন্তব্য করেছেন রেলপথ এবং সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ হাবিব। তিনি বলেছেন, সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড ও জনকল্যাণমূলক উদ্যোগ তুলে ধরার পাশাপাশি সরকারের কর্মকাণ্ডের ত্রুটি-বিচ্যুতিও গণমাধ্যমকে তুলে ধরতে হবে। বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) ৩১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ হাবিব বলেন, গণমাধ্যম গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান। দায়িত্বশীল ও স্বাধীন গণমাধ্যম রাষ্ট্র ও জনগণের মধ্যে সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করে। জনগণের সমস্যা, প্রত্যাশা, সাফল্য ও সম্ভাবনার কথা নীতিনির্ধারকদের কাছে তুলে ধরতে সাংবাদিকদের ভূমিকা অপরিসীম। তিনি বলেন, সাংবাদিকতার মূল শক্তি সত্যনিষ্ঠা, বস্তুনিষ্ঠতা, পেশাদারিত্ব ও দায়িত্বশীলতা। তথ্যপ্রযুক্তির দ্রুত বিকাশের ফলে সংবাদ এখন মানুষের কাছে অত্যন্ত দ্রুত পৌঁছে যাচ্ছে। তবে এর পাশাপাশি গুজব, অপতথ্য ও যাচাই-বাছাইহীন সংবাদ সমাজে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। তাই দ্রুত সংবাদ পরিবেশনের পাশাপাশি সঠিক ও যাচাই করা তথ্য জনগণের কাছে পৌঁছে দেওয়া সাংবাদিকদের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। হাবিবুর রশিদ হাবিব বলেন, সড়ক পরিবহন, রেল যোগাযোগসহ গুরুত্বপূর্ণ খাতে সরকার উন্নয়ন ও সংস্কারের কাজ এগিয়ে নিচ্ছে। এসব ক্ষেত্রে গণমাধ্যমের বস্তুনিষ্ঠ প্রতিবেদন ও বাস্তবভিত্তিক মতামত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। জনগণের সেবা আরও সহজ, নিরাপদ ও কার্যকর করতে সরকার, গণমাধ্যম ও জনগণের মধ্যে পারস্পরিক আস্থা, সহযোগিতা ও দায়িত্বশীল ভূমিকা প্রয়োজন। ডিআরইউর প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সংগঠনের সাবেক ও বর্তমান নেতৃত্বসহ সব সদস্যকে শুভেচ্ছা জানান প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, দীর্ঘ পথচলায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি দেশের সাংবাদিক সমাজের একটি গুরুত্বপূর্ণ ও মর্যাদাপূর্ণ সংগঠন হিসেবে নিজেদের অবস্থান সুদৃঢ় করেছে। সাংবাদিকদের পেশাগত উন্নয়ন, কল্যাণ ও পারস্পরিক সহযোগিতায় সংগঠনটির ভূমিকা প্রশংসনীয়। ডিআরইউর উত্তরোত্তর সাফল্য ও সমৃদ্ধি কামনা করে তিনি বলেন, দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করে সবাই মিলে একটি সমৃদ্ধ, উন্নত, নিরাপদ ও জবাবদিহিমূলক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী, জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এবং কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের প্রধান এহসানুল মাহবুব জুবায়ের, জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সেক্রেটারি ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ, প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি-১ জাহিদুল ইসলাম রনি, বিএনপির স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক মীর শরাফত আলী সপু, পিআইবির ব্যবস্থাপনা পরিচালক বাসেত জামান, মার্কেন্টাইল ব্যাংকের ডিএমডি অসীম কুমার সাহা, বেসিস ব্যাংকের চেয়ারম্যান হেলাল খান, ন্যাশনাল লাইফ ইনস্যুরেন্সের চেয়ারম্যান কাজিমুজ্জামান, ডিআরইউর সভাপতি আবু সালেহ আকন্দ ও সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হাসান সোহেল। কেএইচ/এমএমএআর
বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) কর্মকর্তাদের দাবি বাস্তবায়নে প্রশাসনিক ভবন, কোষাধ্যক্ষের কার্যালয়সহ মোট তিনটি ভবনে তালা দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। পরে উপাচার্যের আশ্বাসে রাতেই তালা খুলে দেওয়া হয়। বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাতে কর্মকর্তাদের পর্যায়োন্নয়ন, কয়েকজন কর্মকর্তার দায়িত্ব পরিবর্তন, বদলি এবং গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি পদে শিক্ষকদের দায়িত্ব দেওয়ার প্রতিবাদে এ কর্মসূচি পালন করেন তারা। বৃহস্পতিবার দিনভর ভবনগুলো তালাবদ্ধ রেখে আন্দোলন চলার কথা থাকলেও উপাচার্যের আশ্বাসে রাতেই ভবনের প্রশাসনিক ভবনের তালা খুলে দেন তারা। কিন্তু কোষাধ্যক্ষের কার্যালয় সকালেও তালাবদ্ধ করে রাখা হয়েছিল। বাকৃবির অফিসার পরিষদের নবনির্বাচিত সভাপতি কৃষিবিদ ড. এ.কে.এম. মাহবুবুর রশীদ গোলাপ জাগো নিউজের সঙ্গে কথা বলেছেন। তিনি বলেন, নতুন উপাচার্য দায়িত্ব গ্রহণের পর আমাদের অফিসার পরিষদের নবনির্বাচিত কমিটিও দায়িত্ব নেয়। দায়িত্ব নেওয়ার পর কর্মকর্তাদের পর্যায়োন্নয়ন নিয়ে উপাচার্যের সঙ্গে আলোচনা করা হয়। অফিসার পরিষদের নীতিমালা অনুযায়ী প্রথম ও দ্বিতীয় পর্যায়োন্নয়নে যোগ্য কর্মকর্তাদের সুযোগ পাওয়ার কথা। সামনে সিন্ডিকেট সভা থাকায় ১৩ থেকে ১৪ জন কর্মকর্তার পর্যায়োন্নয়নের প্রয়োজনীয় পরীক্ষা সিন্ডিকেটের আগে নেওয়ার অনুরোধ করা হলেও তা সম্ভব নয় বলে উপাচার্য জানান। তিনি আরও বলেন, এ ছাড়া কয়েকজন কর্মকর্তার দায়িত্ব পরিবর্তন ও বদলি নিয়েও আপত্তি জানিয়েছেন অফিসার পরিষদ। প্রধান প্রকৌশলীর চাকরির মেয়াদ আর চার-পাঁচ মাস থাকলেও তাকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। নতুন যাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে তার চেয়েও তিন বছরের সিনিয়র কর্মকর্তা মো. মনিরুজ্জামানকে দায়িত্ব দেওয়া হয়নি। এছাড়া অফিসার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক শাহাদাত হোসেন বাবুকে এস্টেট বিভাগের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দিয়ে বদলি করা হয়েছে। পাশাপাশি পরিষদের কার্যকরী কমিটির সদস্য সাইফুর রহমান খালিদকে উপাচার্যের সচিবালয় থেকে প্রকৌশল শাখায় বদলি করা হয়েছে। বাকৃবির এই কর্মকর্তা আরও বলেন, আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধিবদ্ধ নিয়মনীতি নির্ধারিত ৫টি 'স্ট্যাটিউটরি' কর্মকর্তার পদ রয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী এ পদগুলো বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তাদেরই পাওয়ার কথা। কিন্তু দেখা যাচ্ছে, রেজিস্ট্রার পদটি ব্যতীত বাকি পদগুলোতে যেমন কন্ট্রোলার, ট্রেজারার ও প্ল্যানিং ডিরেক্টর পদে শিক্ষকদের নিয়োগ বা দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। কর্মকর্তাদের এসব জায়গায় দায়িত্ব পালনের জন্য আমাদের দক্ষ ও যোগ্য কর্মকর্তা রয়েছেন। আমাদের বক্তব্য হলো, এই পদগুলোতে শিক্ষকদের বদলে আমাদের উপযুক্ত প্রশাসনিক কর্মকর্তাদেরই বসাতে হবে। এই বিষয় নিয়েও গতকাল আমরা উপাচার্যের সঙ্গে আলোচনা করেছি। কৃষিবিদ ড. এ.কে.এম. মাহবুবুর রশীদ গোলাপ আরও বলেন, উপাচার্য কর্মকর্তাদের সঙ্গে বসে বিষয়গুলো নিয়ে কথা বলার আশ্বাস দেন। এরপর রাতেই আমরা প্রশাসনিক ভবনের তালা খুলে দিয়েছি। এই বিষয়ে বাকৃবির নবনিযুক্ত উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রফিকুল ইসলাম সরদারকে ফোন করা হলে তিনি জরুরি সভায় উপস্থিত থাকায় বক্তব্য নেওয়া যায়নি। মুহাম্মদ সোহান/কেজে/জেআইএম
আগামী বছরের (২০২৭ সাল) হজে বাংলাদেশের জন্য ৭৮ হাজার ৫০০ জনের কোটা নির্ধারণ করেছে সৌদি আরব। আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর হজের নিবন্ধন শেষ হবে। নির্ধারিত সময়ের পর নিবন্ধনের সময় আর বাড়ানোর সুযোগ নেই। বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা নিবন্ধন সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। ধর্ম মন্ত্রণালয় জানায়, গত দেড় মাসে ৩ হাজার ৭৪১ জন হজযাত্রী প্রাথমিক নিবন্ধন করেছেন। নিবন্ধনের আর বাকি আছে ১৪ দিন। এতে বলা হয়, ২৭ জুলাই থেকে ২০২৭ সালের হজের নিবন্ধন কার্যক্রম শুরু হয়েছে। আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর নিবন্ধন শেষ হবে। এরপর আর কোনো সময় বৃদ্ধির সুযোগ নেই। রাজকীয় সৌদি সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী নিবন্ধন কার্যক্রম শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বাংলাদেশের চূড়ান্ত হজযাত্রীর সংখ্যা সৌদি কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে। চূড়ান্ত হজযাত্রীর সংখ্যার ভিত্তিতে সৌদি পর্বের অর্থ প্রেরণ, মেডিকেল চেকআপ, ফিটনেস সনদ, টিকা প্রদান, প্রশিক্ষণসহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণ করা হবে। আগামী বছর হজে বাংলাদেশের কোটা ৭৮ হাজার ৫০০ জানিয়ে ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয় জানায়, ৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সরকারি ব্যবস্থাপনায় ১ হাজার ৬৫ জন এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ২ হাজার ৬৭৬ জন হজযাত্রী নিবন্ধন করেছেন। সব মিলিয়ে নিবন্ধিত হজযাত্রীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার ৭৪১ জন। সৌদি সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী ২০২৭ সালের হজে গমন নিশ্চিত করতে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে, অর্থাৎ ২৪ সেপ্টেম্বরের মধ্যেই নিবন্ধন সম্পন্ন করার জন্য হজে গমনেচ্ছু ব্যক্তি, হজ এজেন্সি, হজ কার্যক্রমে সম্পৃক্ত ব্যাংকসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে অনুরোধ জানিয়েছে ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়। আরএমএম/এমএএইচ/