জাতীয়

সরকারের কর্মকাণ্ডের ত্রুটি-বিচ্যুতিও গণমাধ্যমকে তুলে ধরতে হবে

News সেপ্টেম্বর ১০, ২০২৬ 0
সরকারের কর্মকাণ্ডের ত্রুটি-বিচ্যুতিও গণমাধ্যমকে তুলে ধরতে হবে
সরকারের কর্মকাণ্ডের ত্রুটি-বিচ্যুতিও গণমাধ্যমকে তুলে ধরতে হবে

একটি জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্রব্যবস্থায় গণমাধ্যমের গঠনমূলক সমালোচনা উন্নয়নের অন্যতম সহায়ক শক্তি বলে মন্তব্য করেছেন রেলপথ এবং সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ হাবিব। তিনি বলেছেন, সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড ও জনকল্যাণমূলক উদ্যোগ তুলে ধরার পাশাপাশি সরকারের কর্মকাণ্ডের ত্রুটি-বিচ্যুতিও গণমাধ্যমকে তুলে ধরতে হবে।

বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) ৩১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ হাবিব বলেন, গণমাধ্যম গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান। দায়িত্বশীল ও স্বাধীন গণমাধ্যম রাষ্ট্র ও জনগণের মধ্যে সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করে। জনগণের সমস্যা, প্রত্যাশা, সাফল্য ও সম্ভাবনার কথা নীতিনির্ধারকদের কাছে তুলে ধরতে সাংবাদিকদের ভূমিকা অপরিসীম।

তিনি বলেন, সাংবাদিকতার মূল শক্তি সত্যনিষ্ঠা, বস্তুনিষ্ঠতা, পেশাদারিত্ব ও দায়িত্বশীলতা। তথ্যপ্রযুক্তির দ্রুত বিকাশের ফলে সংবাদ এখন মানুষের কাছে অত্যন্ত দ্রুত পৌঁছে যাচ্ছে। তবে এর পাশাপাশি গুজব, অপতথ্য ও যাচাই-বাছাইহীন সংবাদ সমাজে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। তাই দ্রুত সংবাদ পরিবেশনের পাশাপাশি সঠিক ও যাচাই করা তথ্য জনগণের কাছে পৌঁছে দেওয়া সাংবাদিকদের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব।

হাবিবুর রশিদ হাবিব বলেন, সড়ক পরিবহন, রেল যোগাযোগসহ গুরুত্বপূর্ণ খাতে সরকার উন্নয়ন ও সংস্কারের কাজ এগিয়ে নিচ্ছে। এসব ক্ষেত্রে গণমাধ্যমের বস্তুনিষ্ঠ প্রতিবেদন ও বাস্তবভিত্তিক মতামত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। জনগণের সেবা আরও সহজ, নিরাপদ ও কার্যকর করতে সরকার, গণমাধ্যম ও জনগণের মধ্যে পারস্পরিক আস্থা, সহযোগিতা ও দায়িত্বশীল ভূমিকা প্রয়োজন।

ডিআরইউর প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সংগঠনের সাবেক ও বর্তমান নেতৃত্বসহ সব সদস্যকে শুভেচ্ছা জানান প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, দীর্ঘ পথচলায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি দেশের সাংবাদিক সমাজের একটি গুরুত্বপূর্ণ ও মর্যাদাপূর্ণ সংগঠন হিসেবে নিজেদের অবস্থান সুদৃঢ় করেছে। সাংবাদিকদের পেশাগত উন্নয়ন, কল্যাণ ও পারস্পরিক সহযোগিতায় সংগঠনটির ভূমিকা প্রশংসনীয়।

ডিআরইউর উত্তরোত্তর সাফল্য ও সমৃদ্ধি কামনা করে তিনি বলেন, দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করে সবাই মিলে একটি সমৃদ্ধ, উন্নত, নিরাপদ ও জবাবদিহিমূলক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী, জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এবং কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের প্রধান এহসানুল মাহবুব জুবায়ের, জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সেক্রেটারি ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ, প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি-১ জাহিদুল ইসলাম রনি, বিএনপির স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক মীর শরাফত আলী সপু, পিআইবির ব্যবস্থাপনা পরিচালক বাসেত জামান, মার্কেন্টাইল ব্যাংকের ডিএমডি অসীম কুমার সাহা, বেসিস ব্যাংকের চেয়ারম্যান হেলাল খান, ন্যাশনাল লাইফ ইনস্যুরেন্সের চেয়ারম্যান কাজিমুজ্জামান, ডিআরইউর সভাপতি আবু সালেহ আকন্দ ও সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হাসান সোহেল।

কেএইচ/এমএমএআর

Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

ব্যাটিং বিপর্যয়ে দিন শুরু, লড়াইয়ে ফিরতে মরিয়া টাইগাররা

কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন

জাতীয়

View more
ফ্রেশার প্রার্থীদের নিয়োগ দিচ্ছে এসিআই, লাগবে স্নাতক পাস
ফ্রেশার প্রার্থীদের নিয়োগ দিচ্ছে এসিআই, লাগবে স্নাতক পাস

অ্যাডভান্সড কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড (এসিআই) ‘ট্রেইনি টেরিটরি ম্যানেজার’ পদে জনবল নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। এরই মধ্যে আবেদন শুরু হয়েছে, চলবে ২০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। আগ্রহী প্রার্থীরা নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে আবেদন করতে পারবেন। তবে প্রার্থীকে অবশ্যই স্নাতক অথবা সমমান ডিগ্রিধারী হতে হবে। এক নজরে অ্যাডভান্সড কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের (এসিআই) নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২৬ তথ্যের ধরন বিবরণ প্রতিষ্ঠানের নাম অ্যাডভান্সড কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড (এসিআই) বিভাগের নাম ফুড অ্যান্ড বেভারেজ বিজনেস পদের নাম ট্রেইনি টেরিটরি ম্যানেজার পদসংখ্যা নির্ধারিত নয় চাকরির ধরন বেসরকারি, ফুল টাইম প্রার্থীর ধরন নারী-পুরুষ শিক্ষাগত যোগ্যতা স্নাতক অথবা সমমান অভিজ্ঞতা প্রযোজ্য নয় বেতন ও অন্যান্য সুবিধা আলোচনা সাপেক্ষে বয়সসীমা ৩২ বছর সূত্র বিডিজবস ডটকম আবেদন করার নিয়ম ও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য আবেদন শুরু: ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ আবেদনের শেষ তারিখ: ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ আবেদন পদ্ধতি: অনলাইনে কর্মস্থল: যে কোনো জেলায় কাজ করার মানসিকতা থাকা আবশ্যক। আবেদনের নিয়ম: আগ্রহী প্রার্থীরা আবেদন করতে ও বিস্তারিত বিজ্ঞপ্তিটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন অ্যাডভান্সড কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড (এসিআই)। আরও পড়ুনসেনাবাহিনীর নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি, ৪০ বছর বয়সেও আবেদনের সুযোগনার্স হিসেবে ক্যারিয়ার গড়বেন যেভাবেনৌবাহিনীর নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি, এইচএসসি পাসেই অফিসার ক্যাডেট হওয়ার সুযোগসেনাবাহিনীর চাকরি পেতে যেসব যোগ্যতা আপনাকে এগিয়ে রাখবে১১২ কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োগ দেবে বনশিল্প উন্নয়ন করপোরেশনসেনাবাহিনী নতুন নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি, এসএসসি পাসেই আবেদনপুলিশ সুপারের কার্যালয়ের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি, আবেদন ফি ১১২ টাকা১৪২ জনকে নিয়োগ দেবে সমরাস্ত্র কারখানা, এসএসসি পাসেও আবেদনসেনাবাহিনীর নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি, এইচএসসি পাসেই আবেদনের সুযোগ এমআইএইচ

News সেপ্টেম্বর ১০, ২০২৬ 0
সব সত্য কি বলা যায়? যে ৫ সত্য না বলাই ইসলামের নির্দেশ

সব সত্য কি বলা যায়? যে ৫ সত্য না বলাই ইসলামের নির্দেশ

শেখ হাসিনায় নীরব ভারত, তারেক রহমানের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নের চেষ্টা

শেখ হাসিনায় নীরব ভারত, তারেক রহমানের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নের চেষ্টা

অনন্ত আম্বানির ৩৫০০ একরের বনতারায় যেসব বিরল প্রাণী আছে

অনন্ত আম্বানির ৩৫০০ একরের বনতারায় যেসব বিরল প্রাণী আছে

সিনেমার রঙিন জীবন ছেড়ে যেভাবে কাটছে পপির জন্মদিন
সিনেমার রঙিন জীবন ছেড়ে যেভাবে কাটছে পপির জন্মদিন

একসময় পর্দা মাতিয়েছেন সাদিকা পারভীন পপি। নব্বইয়ের দশকের শেষভাগ থেকে টানা প্রায় তিন দশক নিজের সৌন্দর্য ও অভিনয় দিয়ে দর্শকের হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছিলেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত এই অভিনেত্রী। তবে সেই পপি এখন আর আলো ঝলমলে লাইট-ক্যামেরা-অ্যাকশনের দুনিয়ায় নেই। দীর্ঘদিন ধরেই নিজেকে আড়ালে রেখেছেন তিনি। আজ পপির জন্মদিন। বিশেষ এই দিনটিও এবার কাটছে অনেকটা নীরবেই, পরিবারের মানুষদের সঙ্গে। জন্মদিনের পরিকল্পনা জানতে চাইলে পপি বলেন, ‘সে রকম পরিকল্পনা নেই। ঘরোয়া ভাবেই দিনটি কাটছে। মসজিদ ও মাদ্রাসায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাতের আয়োজন করা হয়েছে। বাসার সবাইকে নিয়ে কেক কেটেছি। মূলত পরিবারের সঙ্গেই বিশেষ দিনটি কাটছে।’ ১৯৭৯ সালের এই দিনে খুলনায় জন্মগ্রহণ করেন পপি। ১৯৯৭ সালে মনতাজুর রহমান আকবর পরিচালিত ‘কুলি’ সিনেমার মাধ্যমে বড় পর্দায় অভিষেক হয় তার। প্রথম সিনেমাতেই দর্শকের নজর কাড়েন। এরপর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি তাকে। দীর্ঘ অভিনয়জীবনে প্রায় আড়াইশ সিনেমায় কাজ করেছেন পপি। অভিনয়ের স্বীকৃতি হিসেবে পেয়েছেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারও। ‘কারাগার’, ‘মেঘের কোলে রোদ’ ও ‘গঙ্গাযাত্রা’ সিনেমায় অভিনয়ের জন্য শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী হিসেবে তিনবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন তিনি। একসময় পপির জন্মদিন মানেই ছিল চলচ্চিত্রপাড়ায় আলাদা আয়োজন। জন্মদিনের আগের রাত থেকেই সহকর্মী, নির্মাতা ও ভক্তদের শুভেচ্ছায় ভরে উঠত তার চারপাশ। কেক কাটা, আড্ডা আর সহকর্মীদের ভালোবাসায় জমে উঠত বিশেষ দিনটি। তবে সময় বদলেছে, বদলেছে পপির জীবনও। সিনেমা থেকে দীর্ঘদিন দূরে থাকা এই অভিনেত্রী এখন পরিবারকেই দিয়েছেন জীবনের বড় অংশ। নিজের পুরোনো জন্মদিনের কথা মনে করে পপি বলেন, ‘যখন সিনেমায় নিয়মিত কাজ করেছি, তখন জন্মদিন ছিল উৎসবের মতো। এখন সেই দিনগুলো মিস করি। তবে বর্তমান জীবন নিয়েও আমি বেশ শান্তিতে আছি।’ প্রায় ছয় বছর ধরে মিডিয়া থেকে নিজেকে গুটিয়ে রেখেছেন পপি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও তার সরব উপস্থিতি নেই। স্বামী আদনান উদ্দিন কামাল ও একমাত্র সন্তান আয়াতকে নিয়ে বর্তমানে তার সংসারজীবন। একসময় যার জন্মদিন ঘিরে চলচ্চিত্রপাড়ায় থাকত উৎসবের আমেজ, সেই পপি এখন সেই আলো থেকে অনেক দূরে। পর্দার ব্যস্ততা, শুটিং আর তারকাখ্যাতির বদলে তার বর্তমান সময় কাটছে পরিবার, সন্তান ও ঘরোয়া জীবনের আবহে। জন্মদিনে তাই পুরোনো সেই ব্যস্ততার কথা মনে পড়লেও বর্তমান জীবন নিয়েই সন্তুষ্ট পপি। আলো-ঝলমলে চলচ্চিত্রজগতের বাইরে থেকেও নিজের মতো করেই বিশেষ দিনটি কাটাচ্ছেন ঢালিউডের এই জনপ্রিয় অভিনেত্রী।   এমআই/এলআইএ

News সেপ্টেম্বর ১০, ২০২৬ 0
চট্টগ্রামে ৭০ বোতল বিদেশি মদসহ গ্রেফতার ২

চট্টগ্রামে ৭০ বোতল বিদেশি মদসহ গ্রেফতার ২

উৎসব কি এখন বাণিজ্য, নাকি সোশ্যাল মিডিয়ার কনটেন্ট?

উৎসব কি এখন বাণিজ্য, নাকি সোশ্যাল মিডিয়ার কনটেন্ট?

জেলি পুশ করা ১০৫ কেজি চিংড়ি জব্দ, ৩ আড়তকে জরিমানা

জেলি পুশ করা ১০৫ কেজি চিংড়ি জব্দ, ৩ আড়তকে জরিমানা

মানিকগঞ্জে দুই মিষ্টির কারখানাকে ৭০ হাজার টাকা জরিমানা
মানিকগঞ্জে দুই মিষ্টির কারখানাকে ৭০ হাজার টাকা জরিমানা

মানিকগঞ্জ শহরের দুটি মিষ্টির কারখানাকে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে মিষ্টি তৈরি এবং খাদ্যপণ্য সংরক্ষণে অনিয়মের অভিযোগে মোট ৭০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে শহরের সুইট হ্যাভেন ও মদিনা সুইস নামের দুটি প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালিয়ে এ জরিমানা করেন জেলা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর ও জেলা নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তারা। অভিযানে সুইট হ্যাভেনকে ২০ হাজার টাকা এবং মদিনা সুইসকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। অভিযান পরিচালনা করেন জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, মানিকগঞ্জ কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক আসাদুজ্জামান রুমেল এবং জেলা নিরাপদ খাদ্য কর্মকর্তা মোছা. রৌশনারা বেগম। অভিযান সংশ্লিষ্টরা জানান, সুইট হ্যাভেনে একই ফ্রিজে মিষ্টি তৈরির সরঞ্জামের সঙ্গে মাছ-মাংসসহ অন্যান্য খাদ্যপণ্য রাখা হচ্ছিল। এতে খাদ্য দূষণের ঝুঁকি তৈরি হচ্ছিল। এছাড়া মিষ্টি তৈরির স্থানে পর্যাপ্ত পরিচ্ছন্নতা ও স্বাস্থ্যবিধি মানা হচ্ছিল না। অভিযানের সময় সুইট হ্যাভেন কর্তৃপক্ষ আগামী এক মাসের মধ্যে মিষ্টি তৈরির কারখানাটি অন্যত্র সরিয়ে নিয়ে স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশে উৎপাদন কার্যক্রম পরিচালনার প্রতিশ্রুতি দেয়। জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, মানিকগঞ্জ কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক আসাদুজ্জামান রুমেল বলেন, খাদ্যপণ্য তৈরিতে স্বাস্থ্যবিধি ও পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্য তৈরি, ব্যবহৃত তেল পুনরায় ব্যবহার এবং খাদ্য সংরক্ষণে অনিয়মের কারণে সুইট হ্যাভেনকে ২০ হাজার এবং মদিনা মিষ্টির দোকানকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। ভবিষ্যতে এ ধরনের অনিয়ম না করার জন্য প্রতিষ্ঠান দুটিকে সতর্ক করা হয়েছে। মো. সজল আলী/কেজে/জেআইএম

News সেপ্টেম্বর ১০, ২০২৬ 0
নির্বাচনে জিতলে মার্কিনিদের ৫ হাজার ডলার দেবেন ট্রাম্প

নির্বাচনে জিতলে মার্কিনিদের ৫ হাজার ডলার দেবেন ট্রাম্প

মুক্তিপণ চেয়ে স্ত্রীকে ফোন, পরে বন বিভাগের কটেজে মিললো ব্যবসায়ীর খোঁজ

মুক্তিপণ চেয়ে স্ত্রীকে ফোন, পরে বন বিভাগের কটেজে মিললো ব্যবসায়ীর খোঁজ

জাপানে ম্যানহোল থেকে তৈরি হলো পানির ফোয়ারা

জাপানে ম্যানহোল থেকে তৈরি হলো পানির ফোয়ারা

0 Comments