জাতীয়

সব সত্য কি বলা যায়? যে ৫ সত্য না বলাই ইসলামের নির্দেশ

News সেপ্টেম্বর ১০, ২০২৬ 0
সব সত্য কি বলা যায়? যে ৫ সত্য না বলাই ইসলামের নির্দেশ
সব সত্য কি বলা যায়? যে ৫ সত্য না বলাই ইসলামের নির্দেশ

ইসলামে সত্যবাদিতাকে মুমিনের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ভূষণ ও নৈতিকতার মূল ভিত্তি হিসেবে গণ্য করা হয়েছে। পবিত্র কোরআন ও হাদিসে সত্যবাদীদের জন্য সুউচ্চ মর্যাদার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। তবে ইসলামি শরিয়তের দৃষ্টিভঙ্গি অনুযায়ী কোনো কথা ‘সত্য’ হওয়াই সেটি প্রকাশের জন্য যথেষ্ট নয়; বরং ওই কথার উদ্দেশ্য কী, কার সামনে তা বলা হচ্ছে এবং এর বাস্তব পরিণতি সমাজে কী প্রভাব ফেলতে পারে এসব বিষয়ও বিবেচনা করতে হবে।

খারাপ উদ্দেশ্য ও প্রভাবের কারণে সত্য কথাও অনেক সময় গিবত, চোগলখোরি গণ্য হয় যা গুনাহের কাজ। মুমিনের দায়িত্ব শুধু সত্য কথা বলা নয়, একইসঙ্গে কল্যাণকর কথা বলাও। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘যে ব্যক্তি আল্লাহ ও আখেরাতের প্রতি ইমান রাখে, সে যেন ভালো কথা বলে অথবা নীরব থাকে।’ (সহিহ বুখারি, হাদিস: ৬৪৭৫; সহিহ মুসলিম, হাদিস: ৪৭)

এখানে আমরা এমন ৫ ধরনের সত্যের কথা বলছি যা সত্য হলেও বলা থেকেও বিরত থাকতে হবে:

১. গিবত বা পরনিন্দা

কারো অবর্তমানে তার এমন কোনো দোষ বা ত্রুটি নিয়ে আলোচনা করা যা সে শুনলে অপছন্দ করবে তা শরিয়তের পরিভাষায় গিবত। গিবতে আলোচ্য তথ্য শতভাগ সত্য হলেও সেটি কবিরা গুনাহ। হজরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) গিবতের পরিচয় দিতে গিয়ে বলেন, ‘গিবত হলো তোমার ভাইয়ের সম্পর্কে এমন কথা বলা, যা সে অপছন্দ করে।’ জিজ্ঞাসা করা হলো, আমি যা বলছি তা যদি আমার ভাইয়ের মধ্যে সত্যিই থাকে? তিনি বললেন, ‘তুমি যা বলছ তা যদি তার মধ্যে থাকে, তবেই তুমি তার গিবত করলে। আর তা যদি না থাকে, তবে তুমি তার ওপর অপবাদ আরোপ করলে।’ (সহিহ মুসলিম, হাদিস: ২৫৮৯, সুনানে তিরমিজি, হাদিস: ১৯৩৪)

২. চোগলখোরি

একটি সত্য কথা এক পক্ষ থেকে অন্য পক্ষের কাছে এমনভাবে উপস্থাপন করা, যার উদ্দেশ্য বা পরিণতিতে তাদের মধ্যে বিরোধ, বিদ্বেষ বা সম্পর্কচ্ছেদ ঘটে, তাকে ‘নামিমাহ’ বা চোগলখোরি বলা হয়। ‘আমি তো মিথ্যা বলিনি’—এই সাফাই গেয়ে এ রকম কথার মাধ্যমে মানুষের পারস্পরিক সুসম্পর্ক নষ্ট করা বা ফিতনা ছড়ানো সম্পূর্ণ হারাম।

হজরত হুজাইফা (রা.) থেকে বর্ণিত রাসুলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেছেন, চোগলখোর ব্যক্তি জান্নাতে প্রবেশ করবে না। (সহিহ বুখারি: ৬০৫৬, সহিহ মুসলিম: ১০৫)

আরও পড়ুন

কারো গিবত করে ফেললে ৪ করণীয়

৩. আমানত রক্ষা

কেউ বিশ্বাস করে কোনো কথা বললে তা আমানত হিসেবে গণ্য হয়। অনুমতি ছাড়া সেই সত্য তথ্য অন্য কারো কাছে প্রকাশ করা আমানতের খেয়ানতের শামিল।

রাসুলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেছেন, ‘কোনো ব্যক্তি কোনো কথা বলার পর যদি ডানে-বামে তাকায় (অর্থাৎ কেউ শুনছে কি না তা খেয়াল করে), তবে সেই কথাটি আমানত হিসেবে গণ্য।’ (সুনানে আবু দাউদ, হাদিস: ৪৮৬৮, জামে আত-তিরমিজি, হাদিস: ১৯৫৯)।

বিশেষ করে দাম্পত্য জীবন, পারিবারিক বা ব্যক্তিগত গোপনীয়তা রক্ষা করার নির্দেশ ইসলামে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে এসেছে।

৪. ব্যক্তিগত ত্রুটি প্রকাশ করে সম্মানহানি করা

কারো অতীত জীবনের কোনো সত্য ভুল বা ব্যক্তিগত ত্রুটি অপ্রয়োজনে জনসমক্ষে তুলে ধরে তাকে সমাজে হেয় প্রতিপন্ন করা গুনাহের কাজ।

হজরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘প্রত্যেক মুসলমানের রক্ত, সম্পদ ও সম্মান অন্য মুসলমানের জন্য হারাম।’ (সহিহ মুসলিম, হাদিস: ২৫৬৪; সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদিস: ৩৯৩৩)

৫. ফিতনা সৃষ্টি করা

যেসব সত্য প্রকাশ করার ফলে কোনো শরিয়তসম্মত কল্যাণ বা ফায়দা অর্জিত হয় না; বরং সমাজে বিশৃঙ্খলা, শত্রুতা বা নিরপরাধ মানুষের বড় ধরনের ক্ষতির আশঙ্কা তৈরি হয়, সেখানে জবান সংবরণ করা জরুরি।

রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘কাউকে ক্ষতিগ্রস্ত করা যাবে না এবং নিজেও ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া যাবে না।’ (সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদিস: ২৩৪০; মুসনাদে আহমাদ, হাদিস: ২২৭৭৮)।

পবিত্র কুরআনেও অনর্থক ও ক্ষতিকর কথাবার্তা থেকে মুমিনদের দূরে থাকার নির্দেশ দিয়ে বলা হয়েছে, ‘আর যারা অনর্থক কথাবার্তা ও কাজকর্ম থেকে মুখ ফিরিয়ে রাখে।’ (সুরা মুমিনুন, আয়াত: ৩)

আরও পড়ুন

চোগলখোরের পরিচয় ও পরিণাম

জুলুম বা অপরাধ সংঘটিত হলে সত্য প্রকাশ করতে হবে

পারস্পরিক কথাবার্তার আমানত নষ্ট হওয়া, অন্যের সম্মানহানি হওয়া, ফিতনা সৃষ্টি হওয়া ইত্যাদি কারণে কোনো কথা তখনই গোপন রাখা যাবে যখন তা ব্যক্তিগত আলাপচারিতা, ভুলত্রুটি বা পাপ হবে। যদি অন্যের ওপর কোনো জুলুম হয়ে থাকে, কোনো অপরাধ সংঘটিত হয়ে থাকে অথবা অপরাধ সংঘটিত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে, তাহলে অপরাধীর সম্মানহানি বা ফিতনা সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কায় সত্য প্রকাশ করা অন্যায় তো নয়ই, বরং সত্য প্রকাশ করাই দায়িত্ব হয়ে দাঁড়ায়।

জাবির ইবন আবদুল্লাহ (রা.) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, সাধারণ সব পারস্পরিক কথাবার্তা আমানত, তবে তিন ধরনের কথা আমানাত নয়, যথা- ১. অন্যায়ভাবে হত্যার ষড়যন্ত্র সম্পর্কিত কথাবার্তা, ২. গোপনে ব্যভিচারের ষড়যন্ত্র সম্পর্কিত কথাবার্তা এবং ৩. অন্যায়ভাবে কারো সম্পদ ছিনিয়ে নেয়ার ষড়যন্ত্র সম্পর্কিত কথাবার্তা। (সুনানে আবু দাউদ, হাদিস: ৪৮৬৯)

ওএফএফ

Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

ব্যাটিং বিপর্যয়ে দিন শুরু, লড়াইয়ে ফিরতে মরিয়া টাইগাররা

কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন

জাতীয়

View more
নারী ও শিশু নির্যাতন মামলায় ঢাবির সাবেক শিক্ষার্থী ফুয়াদ খালাস
নারী ও শিশু নির্যাতন মামলায় ঢাবির সাবেক শিক্ষার্থী ফুয়াদ খালাস

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের মামলায় অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত না হওয়ায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী মোহাম্মদ ফুয়াদ হোসেন শাহাদাতকে খালাস দিয়েছেন আদালত। রাষ্ট্রপক্ষ প্রয়োজনীয় সাক্ষ্য প্রমাণ উপস্থাপনে ব্যর্থ হওয়ায় তাকে খালাস দেওয়া হয়। ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৫ এর বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ) মো. মনিরুজ্জামান গত ১৯ আগস্ট এ রায় ঘোষণা করেন। বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) রায়ের অনুলিপি প্রকাশিত হয়। বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) বিকেলে সংশ্লিষ্ট আদালত সূত্রে এ তথ্য জানা যায়। আদালত সূত্রে জানা যায়, হাজারীবাগ থানার মামলা ২০২৪ সালের জুনে মামলাটির পরিপ্রেক্ষিতে নারী ও শিশু মামলা হিসেবে মামলাটির বিচার কার্যক্রম চলে। এতে মোহাম্মদ ফুয়াদ হোসেন শাহাদাত ছিলেন একমাত্র আসামি। রায়ের দিন অর্থাৎ ১৯ আগস্ট মামলাটির যুক্তিতর্ক শুনানির জন্য দিন ধার্য ছিল। সেদিন জামিনে থাকা আসামি ফুয়াদ আদালতে হাজির হন। একই সঙ্গে মামলার এজাহারকারীও আদালতে উপস্থিত ছিলেন। উভয় পক্ষের আইনজীবীদের যুক্তিতর্ক শুনানি শেষে ট্রাইব্যুনাল মামলার নথি রায় ঘোষণার জন্য গ্রহণ করেন। পরে প্রকাশ্য আদালতে রায় ঘোষণা করা হয়। রায়ে ট্রাইব্যুনাল উল্লেখ করেন, আসামি মোহাম্মদ ফুয়াদ হোসেন শাহাদাতের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ৯(১) ধারায় আনা অভিযোগ প্রসিকিউশন পক্ষ সাক্ষ্য-প্রমাণের মাধ্যমে সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণ করতে পারেনি। এ কারণে তাকে মামলার দায় থেকে খালাস দেওয়া হয়। একই সঙ্গে জামিনে থাকা আসামির জামিনদারদের জামিননামার দায় থেকেও অব্যাহতি দেওয়ার আদেশ দেন আদালত। রায়ের অনুলিপি, অবগতি ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের (সিএমএম) কাছে পাঠানোর নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। আদালতের নথি অনুযায়ী, এর আগে ২০২৪ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর ঢাকার মহানগর দায়রা আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন নিয়েছিলেন ফুয়াদ। পরে মামলাটির বিচারিক কার্যক্রম নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৫ এ চলতে থাকে। এ বিষয়ে বাদীপক্ষের বক্তব্য জানার চেষ্টা করা হলেও তাদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। এমডিএএ/এমএএইচ/

News সেপ্টেম্বর ১০, ২০২৬ 0
স্ত্রীর মামলায় ভারতে পালানোর চেষ্টা, ইমিগ্রেশনে গ্রেফতার

স্ত্রীর মামলায় ভারতে পালানোর চেষ্টা, ইমিগ্রেশনে গ্রেফতার

শনিবার স্থায়ী কমিটির বৈঠক ডেকেছে বিএনপি

শনিবার স্থায়ী কমিটির বৈঠক ডেকেছে বিএনপি

বিনা অনুমতিতে দীর্ঘদিন অনুপস্থিত দুই শিক্ষক, দেন না শোকজের জবাবও

বিনা অনুমতিতে দীর্ঘদিন অনুপস্থিত দুই শিক্ষক, দেন না শোকজের জবাবও

দুর্নীতিবাজ যত প্রভাবশালীই হোক, আইনের আওতায় আনতে হবে: রাষ্ট্রপতি
দুর্নীতিবাজ যত প্রভাবশালীই হোক, আইনের আওতায় আনতে হবে: রাষ্ট্রপতি

দুর্নীতিবাজ যত প্রভাবশালীই হোক না কেন, নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে তাদের আইনের আওতায় আনার জন্য দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। বৃহস্পতিবার দুপুরে বঙ্গভবনে দুর্নীতি দমন কমিশনের চেয়ারম্যান বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামানের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল সৌজন্য সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতি এ আহ্বান জানান। প্রতিনিধিদলের অন্য সদস্যদের মধ্যে ছিলেন কমিশনার (তদন্ত) ড. জাহাঙ্গীর আলম খান, কমিশনার (অনুসন্ধান) ড. সাজ্জাদ হোসেন ভূইয়া এবং সচিব সাইদুর রহমান খান। সাক্ষাৎকালে দুদক চেয়ারম্যান কমিশনের সার্বিক কার্যক্রম, চলমান বিভিন্ন উদ্যোগ এবং দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে বিদ্যমান সমস্যা ও চ্যালেঞ্জ সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করেন। তিনি দুর্নীতি দমনে কমিশনের কার্যক্রম আরও কার্যকর করতে রাষ্ট্রপতির সহযোগিতা কামনা করেন। রাষ্ট্রপতি বলেন, দীর্ঘদিনের অপশাসন, অনিয়ম ও জবাবদিহিতার অভাবে দুর্নীতি বর্তমানে বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। আরও পড়ুন জুলাই জাদুঘরে অশ্রুসিক্ত রাষ্ট্রপতি, বললেন ‘মূল্য দিয়েছি অনেক বেশি’ তিনি বলেন, দুর্নীতি দমন ও নিয়ন্ত্রণের ওপর নির্ভর করছে জাতির অগ্রগতি ও উজ্জ্বল ভবিষ্যত। দুদককে সততা ও সাহসের সঙ্গে দুর্নীতি দমনে কাজ করে যেতে হবে রাষ্ট্রপতি দীর্ঘদিনের বিচারাধীন মামলাগুলো আইনগতভাবে দ্রুত নিষ্পত্তি ও দীর্ঘসূত্রিতা কমানোর জন্য দুদকের প্রতি আহ্বান জানান। রাষ্ট্রপতি গুরুতর ও বৃহৎ দুর্নীতির ব্যাপারে দ্রুত অনুসন্ধান ও কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বলেন। তিনি দুর্নীতিবিরোধী মূল্যবোধ গড়ে তুলতে জনসচেতনতা ও প্রচারণামূলক কার্যক্রম আরও জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। রাষ্ট্রপতি দুর্নীতি দমন কমিশনকে তার সাংবিধানিক ও আইনগত দায়িত্ব কার্যকরভাবে পালনে সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস দেন। সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের সচিবরা উপস্থিত ছিলেন। কেএইচ/এমআইএইচএস

News সেপ্টেম্বর ১০, ২০২৬ 0
ফিলিস্তিনি জনগণের পক্ষে সংহতি পুনর্ব্যক্ত করলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

ফিলিস্তিনি জনগণের পক্ষে সংহতি পুনর্ব্যক্ত করলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

সিরাজগঞ্জে মাদকাসক্ত ছেলেকে পুলিশে দিলেন বাবা

সিরাজগঞ্জে মাদকাসক্ত ছেলেকে পুলিশে দিলেন বাবা

‘মাননীয়’ বাদ, অনলাইন হাজিরা: নিজ দপ্তরেই দৃষ্টান্ত প্রধানমন্ত্রীর

‘মাননীয়’ বাদ, অনলাইন হাজিরা: নিজ দপ্তরেই দৃষ্টান্ত প্রধানমন্ত্রীর

কুমিল্লায় খাতা চ্যালেঞ্জ করে জিপিএ-৫ পেলো ২০৭ শিক্ষার্থী
কুমিল্লায় খাতা চ্যালেঞ্জ করে জিপিএ-৫ পেলো ২০৭ শিক্ষার্থী

কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডের ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষার ফল পুনর্নিরীক্ষণে ১ হাজার ৯৪৪ জন শিক্ষার্থীর ফল পরিবর্তন হয়েছে। গ্রেড পরিবর্তন হয়েছে এক হাজার ৬০৮ জনের। এরমধ্যে নতুন করে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ২০৭ জন, ফেল থেকে পাস করেছে ৩৩৬ জন। বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর ড. মো. শফিকুল ইসলাম এ তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন। আরও পড়ুন সিলেট / খাতা চ্যালেঞ্জ করে জিপিএ-৫ পেলো ১২১ জন, নতুন করে পাস ১৮৬ শিক্ষাবোর্ড সূত্র মতে, ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর নির্ধারিত সময়ে বিভিন্ন বিষয়ের ৩৫ হাজার ৯২৯ জন শিক্ষার্থী মোট ৯১ হাজার ৪৯৪টি উত্তরপত্র পুনর্নিরীক্ষণের জন্য অনলাইনে আবেদন করে। এরপর পুনর্নিরীক্ষণে এক হাজার ৯৪৪ জন শিক্ষার্থীর ফল পরিবর্তন হয়। কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর মো. আহসান পারভেজ বলেন, পুনর্নিরীক্ষণের নীতিমালা অনুযায়ী আবেদন করা উত্তরপত্রগুলো যথাযথভাবে যাচাই-বাছাই শেষে ফল প্রকাশ করা হয়েছে। ফল পরিবর্তন হওয়া শিক্ষার্থীরা ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির জন্য অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন। জাহিদ পাটোয়ারী/এনএইচআর

News সেপ্টেম্বর ১০, ২০২৬ 0
রূপপুরে পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদন কবে, সময় দিতে পারছি না: মন্ত্রী

রূপপুরে পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদন কবে, সময় দিতে পারছি না: মন্ত্রী

সোনালি সেই শৈশব-দিন

সোনালি সেই শৈশব-দিন

প্রধান শিক্ষক ছাড়াই চলছে নাটোরের ১৪৬ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

প্রধান শিক্ষক ছাড়াই চলছে নাটোরের ১৪৬ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

0 Comments