জাতীয়

রূপপুরে পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদন কবে, সময় দিতে পারছি না: মন্ত্রী

News সেপ্টেম্বর ১০, ২০২৬ 0
রূপপুরে পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদন কবে, সময় দিতে পারছি না: মন্ত্রী
রূপপুরে পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদন কবে, সময় দিতে পারছি না: মন্ত্রী

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিট থেকে পরীক্ষামূলক বিদ্যুৎ উৎপাদন সেপ্টেম্বরে শুরু হওয়ার কথা থাকলেও এখন নির্দিষ্ট সময় বলা যাচ্ছে না বলে জানিয়েছেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম।

বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে ‘বাংলাদেশ ইনোভেশন ফেয়ার ২০২৬’ নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।

কেন্দ্রটির গুরুত্বপূর্ণ একটি ভাল্বে ত্রুটি দেখা দেওয়ায় এ অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে বলেও জানান মন্ত্রী।

মন্ত্রী বলেন, পিওআরবি (প্রেসারাইজড অপারেটিভ রেগুলেটরি ভাল্ব) নিয়ে প্রায় দেড় মাস ধরে কাজ চলছে। তিনটি ভাল্বের মধ্যে একটি কাজ করছে, দুটি কাজ করছে না। ভাল্ব দুটি কয়েকবার খুলে পরীক্ষা করা হয়েছে। নির্দিষ্ট তাপমাত্রা ও চাপ প্রয়োগের পরও সেগুলো খুলছিল না। পরে তাপমাত্রা কমিয়ে আবার ঠান্ডা করে ভাল্ব খুলতে হচ্ছে।

তিনি বলেন, ‘এ সমস্যা সমাধানে রোসাটম কোম্পানি রাশিয়া থেকে পাঁচজন বিশেষজ্ঞ পাঠিয়েছে। তারা এই মুহূর্তে রূপপুর প্ল্যান্টে আছেন এবং এই ভাল্বে কাজ করছেন। রাশিয়া থেকে লোক নিয়ে এসেছি এই ভাল্বগুলো ঠিক করার জন্য। কয়দিন লাগবে বলতে পারছি না। আমরা ওয়েট অ্যান্ড সি।’

মন্ত্রী জানান, ফুয়েল লোডিংয়ের আগে কেন্দ্রটিতে প্রায় দুই হাজারের বেশি পরীক্ষা করা হয়েছে এবং সেগুলো ভালোভাবে সম্পন্ন হয়েছিল। ওই সময়কার পরীক্ষাগুলো একইভাবে নির্বিঘ্নে চললে সেপ্টেম্বরের শেষ নাগাদ প্রায় ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে দেওয়া সম্ভব হতো।

তবে ভাল্বের সমস্যার কারণে এখন বিদ্যুৎ উৎপাদনের নির্দিষ্ট সময় বলা যাচ্ছে না উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘এই মুহূর্তে আমরা টাইমটা দিতে পারছি না। ইঞ্জিনিয়াররা কাজ করছেন। আমরা খোঁজ রাখছি, তারাও খোঁজ রাখছেন। আপনারা একটু ওয়েট করেন।’

আরও পড়ুন

রূপপুর থেকে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ পিছিয়ে যাচ্ছে

মন্ত্রী বলেন, ‘বিদ্যুতের যে চাহিদা, এটা আমাদের হাইয়েস্ট প্রায়োরিটি। কিন্তু সেফটি অ্যান্ড সিকিউরিটি ইজ দ্য হাইয়েস্ট প্রায়োরিটি। দেশের মাঝখানে এ ধরনের একটি প্রকল্প, সেটি নিরাপদ ও সুরক্ষিত কি না নিশ্চিত হওয়ার পরই আমরা প্রকল্পটি চালু করতে পারি।’

তিনি বলেন, প্রকল্পের বিভিন্ন পরীক্ষার ধাপ রয়েছে। বি-টু, বি-ওয়ানসহ নির্দিষ্ট ধাপগুলো শেষ করে ক্রিটিক্যাল পর্যায়ে গেলে বিদ্যুৎ উৎপাদন ও গ্রিডে সরবরাহের সময় সম্পর্কে স্পষ্টভাবে জানানো সম্ভব হবে।

আগামী সাত দিনের মধ্যে এ বিষয়ে একটি খবর দেওয়া যেতে পারে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।

রূপপুর কেন্দ্রের বাইরে আগুনের ঘটনা নিয়ে মন্ত্রী বলেন, সম্প্রতি যে আগুনের ঘটনা ঘটেছে, সেটি পারমাণবিক কেন্দ্রের কোর বা সীমিত প্রবেশাধিকার এলাকার ভেতরে হয়নি। গেট নম্বর একের কাছে সিভিল বিভাগের একটি অফিস ও পাশের সার্ভার রুমে শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়।

তিনি বলেন, ওই ঘটনায় কিছু চেয়ার ও আসবাবপত্র পুড়েছে। কিছু নথি ক্ষতিগ্রস্ত হলেও সেগুলোর ব্যাকআপ রয়েছে।

‘ডকুমেন্টগুলোর আমাদের ব্যাকআপ রয়েছে। সুতরাং বড় কোনো ক্ষতি হয়নি। এটা একটা ছোট্ট ঘটনা, সিরিয়াস কিছু নয়। এটা এরই মধ্যে টেকেন কেয়ার অফ।’

আগুনের ঘটনায় সতর্কতার ঘাটতি ছিল কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, শর্টসার্কিট থেকে আগুনের ঘটনা বাড়িতেও হতে পারে। তবে রূপপুরের মতো স্পর্শকাতর স্থানে এমন ঘটনা হওয়ায় বিষয়টি তদন্তে কমিটি কাজ করছে।

তিনি বলেন, ‘থ্যাংকস গড, এটা আমাদের কোর নিউক্লিয়ার প্ল্যান্টের বাইরে হয়েছে। এটা এক নম্বর গেটের কাছাকাছি হয়েছে।’

আরও পড়ুন

রূপপুর প্রকল্পের বায়েক অফিসে গভীর রাতে অগ্নিকাণ্ড

বিদ্যুতের দাম এখনো চূড়ান্ত হয়নি জানিয়ে ফকির মাহবুব আনাম বলেন, দাম খুব দ্রুত নির্ধারণ করা হবে। প্রকল্পের অগ্রগতি ও সংশ্লিষ্ট প্রক্রিয়া কিছুটা এগোনোর পর দাম ঠিক করা হবে।

মন্ত্রী আরও বলেন, রূপপুর প্রায় ২০ বিলিয়ন ডলারের প্রকল্প এবং এটি রোসাটমের জন্যও একটি মর্যাদার বিষয়।

ফকির মাহবুব আনাম বলেন, ‘এটা তাদের (রাশিয়া) প্রেস্টিজ কনসার্ন। ঠিকমতো না চললে তারাও ব্যবসা করতে পারবে না। সুতরাং আপনারা একটু অপেক্ষা করেন।’

আরএমএম/এমআইএইচএস/

Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

ব্যাটিং বিপর্যয়ে দিন শুরু, লড়াইয়ে ফিরতে মরিয়া টাইগাররা

কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন

জাতীয়

View more
ভাদ্রের গরমে পুলের জলে পরীমনি যেন জলপরী
ভাদ্রের গরমে পুলের জলে পরীমনি যেন জলপরী

ঢালিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী পরীমনি আবারও নতুন লুকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ঝড় তুলেছেন। বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) বিকেলে নিজের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে সুইমিংপুলে তোলা দুটি নতুন ছবি শেয়ার করেন তিনি। প্রকাশের পরপরই ছবিগুলো ভক্ত-অনুরাগীদের মাঝে সাড়া ফেলেছে। শেয়ার করা ছবিতে কালো রঙের সুইমস্যুটে নীল পানির মাঝে রিফ্রেশিং মুডে ধরা দিয়েছেন পরীমনি। একটি ছবিতে তাকে সুইমিংপুলের পানিতে দাঁড়িয়ে চুল ঠিক করতে দেখা যায়, অন্যটিতে পানির ওপর ভেসে নিশ্চিন্ত মুহূর্ত উপভোগ করছেন এই অভিনেত্রী। ছবি প্রকাশের অল্প সময়ের মধ্যেই পোস্টটিতে জমে হাজার হাজার রিয়্যাকশন, মন্তব্য ও শেয়ার। মন্তব্যের ঘরে অনেকেই তার স্টাইলিশ ও আত্মবিশ্বাসী উপস্থিতির প্রশংসা করেছেন। কেউ লিখেছেন, ‘অসাধারণ সুন্দর’, আবার কেউ ভালোবাসার ইমোজিতে ভরিয়ে দিয়েছেন পোস্টটি। ব্যক্তিগত ও পেশাগত জীবন নিয়ে বরাবরই আলোচনায় থাকা পরীমনি নিয়মিত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের দৈনন্দিন জীবনের নানা মুহূর্ত ভক্তদের সঙ্গে ভাগ করে নেন। এবার সুইমিংপুলের এই গ্ল্যামারাস লুকও নেটিজেনদের মাঝে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।   এলআইএ

News সেপ্টেম্বর ১০, ২০২৬ 0
র‍্যাবের মতো আরেকটি বাহিনী গঠন নিয়ে সংসদে প্রশ্ন তুলেছে বিরোধীদল

র‍্যাবের মতো আরেকটি বাহিনী গঠন নিয়ে সংসদে প্রশ্ন তুলেছে বিরোধীদল

আদ্-দ্বীন উইমেন্স মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়োগ

আদ্-দ্বীন উইমেন্স মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়োগ

এসবিএসি ব্যাংকের নতুন চেয়ারম্যান মাকসুদুর রহমান সরকার

এসবিএসি ব্যাংকের নতুন চেয়ারম্যান মাকসুদুর রহমান সরকার

দুই ছেলের মারামারি দেখে হার্ট অ্যাটাকে বাবার মৃত্যু
দুই ছেলের মারামারি দেখে হার্ট অ্যাটাকে বাবার মৃত্যু

রংপুরের কাউনিয়ায় দুই ছেলের মারামারি দেখে মহির উদ্দিন (৬০) নামে এক বৃদ্ধ মারা গেছেন। বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে উপজেলার শহীদবাগ ইউনিয়নের বল্লভবিষু গুলশান মোড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত মহির উদ্দিন ওই এলাকার বাসিন্দা। বিকেল সাড়ে চারটায় এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত নিহতের মরদেহ হাসপাতালের বারান্দায় পড়ে রয়েছে বলে জানা গেছে। পুলিশ, নিহতের স্বজন ও স্থানীয়রা জানান, মহির উদ্দিন তার ছোট স্ত্রী ও দুই ছেলেকে নিয়ে গুলশান মোড় এলাকায় বসবাস করতেন। বড় ছেলের নাম মাইদুল ইসলাম ও ছোট ছেলে রশিদুল ইসলাম। বাড়ি সংলগ্ন মুদি দোকান করে জীবিকা নির্বাহ করতেন মহির। পাশেই বড় স্ত্রীর বাড়ি। ছোট ছেলে নেশাগ্রস্ত হওয়ায় তাকে কয়েকদিন ধরে দোকানে বসতে দেন না বাবা মহির ও বড়ভাই মাইদুল। এ নিয়ে দুই ভাইয়ের মধ্যে মনোমালিন্য দেখা দেয়। বৃহস্পতিবার বেলা পৌনে দুইটার দিকে রশিদুল দোকানে উঠে টাকা নিতে ধরেন। এসময় ছোট ভাইকে টাকা নিতে বাধা দেন বড় ভাই। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দোকানের সামনে দুই ভাইয়ের মধ্যে বাগবিতণ্ডা হয়। এক পর্যায়ে দুইভাই মারামারিতে জড়িয়ে পড়েন। এসময় উপজেলা সদর বাজার থেকে মালামাল নিয়ে দোকানের সামনে হাজির হন মহির উদ্দিন। চোখের সামনে দুই ভাইয়ের মারামারি দেখে সহ্য করতে না পেরে মোটরসাইকেল থেকে পড়ে যান মহির উদ্দিন। পরে বড় ছেলে ও স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে তাকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক। কাউনিয়া থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) শরিফুল ইসলাম জানান, চোখের সামনে দুই ছেলের মধ্যে মারামারির ঘটনা দেখে সহ্য করতে না পেরে হার্ট অ্যাটাকে মহির উদ্দিনের মৃত্যু হয়েছে বলে পুলিশকে জানিয়েছে নিহতের স্বজনরা।  এর আগেও মহির উদ্দিন দুইবার হার্ট অ্যাটাক করেছিলেন। চিকিৎসক মহির উদ্দিনকে হার্টে রিং পরানোর জন্যে পরামর্শ দিলেও আর্থিকভাবে সচ্ছলতা না থাকায় হার্টে রিং পরাতে পারেননি।  ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে কাউনিয়া থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শিহাব উদ্দিন বলেন, ছেলেদের মারামারি দেখে মহির উদ্দিন অসুস্থ হয়ে পড়েন গেছেন। পরে তাকে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। মরদেহ এখনো উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের বারান্দায় রয়েছে। নিহত ব্যক্তির দুই স্ত্রী। বড় স্ত্রীর ছেলে জেলার বাইরে থেকে আসার পর তারা সিদ্ধান্ত নেবেন। স্বজনদের পক্ষ থেকে অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। জিতু কবীর/কেএইচকে 

News সেপ্টেম্বর ১০, ২০২৬ 0
বাস ডাম্পিংয়ের প্রতিবাদে মহাখালীতে সড়ক অবরোধ, তীব্র যানজট

বাস ডাম্পিংয়ের প্রতিবাদে মহাখালীতে সড়ক অবরোধ, তীব্র যানজট

দুর্গাপূজায় বাংলাদেশের ইলিশ চান ভারতের ব্যবসায়ীরা

দুর্গাপূজায় বাংলাদেশের ইলিশ চান ভারতের ব্যবসায়ীরা

স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষায় র‍্যাবের মতো বাহিনী প্রয়োজন: বাবর

স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষায় র‍্যাবের মতো বাহিনী প্রয়োজন: বাবর

‘জরুরি ভিত্তিতে টাকা পাঠান’—সংসদ সদস্যদের নম্বর হ্যাক করে প্রতারণা
‘জরুরি ভিত্তিতে টাকা পাঠান’—সংসদ সদস্যদের নম্বর হ্যাক করে প্রতারণা

মুঠোফোনের তথ্য ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অ্যাপ হ্যাক, ভয়েস ক্লোন এবং স্বাক্ষর জাল করে প্রতারণার ঘটনা ঘটছে জানিয়ে জাতীয় সংসদ সদস্যদের সতর্ক থাকতে বলেছেন চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি। তিনি বলেন, সংসদ সদস্যরা এর শিকার হচ্ছেন।আজ বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদের অধিবেশনে পয়েন্ট অব অর্ডারে কথা বলতে গিয়ে তিনি এ বিষয়ে সতর্ক করেন।চিফ হুইপ বলেন, ‘পত্রিকায় এসেছে মোবাইল ফোনে...আমি কালকে এখানে পেয়েছি, আমাকে তিনজন সংসদ সদস্য বলেছেন জরুরি ভিত্তিতে ৫০ হাজার টাকা পাঠান, ৩০ হাজার টাকা পাঠান, আবার ২৫ হাজার টাকা পাঠান। তিনটা নম্বর থেকে এসেছে। যাঁদের নম্বর থেকে এসেছে, তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেছি। কল করেছিলাম কিন্তু ধরেননি। মানে মোবাইল (নম্বর) হ্যাক হয়েছে।’সংসদ সদস্যদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে চিফ হুইপ বলেন, ‘এ ব্যাপারে আমাদের যথেষ্ট সচেতন হওয়া জরুরি হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিষয়টি আপনারা জানলে সারা বাংলা জানবে বলে মনে করি। টেলিভিশনের মাধ্যমে সারা বাংলাদেশ জানুক।’ তিনি আরও বলেন, ‘ভয়েস ক্লোন করে এবং কাগজপত্র নিয়ে কাজটা করছে, কিছু কিছু মানুষ স্বাক্ষর জাল করে একটি কাগজ হাজির করছে, সেটাও সমস্যা হয়েছে। বিরোধী দলের অনেক সদস্যদের হয়েছে, সরকার দলের সদস্যদেরও হয়েছে।’বিষয়টি নিয়ে সংসদ সদস্যদের সচেতন হওয়ার অনুরোধ জানান চিফ হুইপ।এ সময় চিফ হুইপকে উদ্দেশ্য করে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল বলেন, ‘বিষয়টি যখন উঠালেন, প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার দায়িত্ব কার? রাষ্ট্রের। সে বিষয়ে কিছু বলবেন না? ক্লোন হয় না হয়, সেটা তো ব্যক্তিগত পর্যায়ে যাদের হচ্ছে, তারা তো সেটার জন্য দায়ী নয়। প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নিতে হবে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের, নির্বাহী বিভাগ বা রাষ্ট্রের। সে বিষয়ে বলার থাকলে বলেন।’জবাবে চিফ হুইপ বলেন, ‘বিষয়টি নিয়ে গতকালই (বুধবার) কথা হয়েছে। প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার চেষ্টা বিটিআরসি শুরু করেছে। যাতে এ সমস্যার সমাধান করতে পারি।’ফেস রিডিং করে সংসদ কক্ষে প্রবেশের আহ্বান এর আগে পয়েন্ট অব অর্ডারে চিফ হুইপ আরও বলেন, ‘সব লবিতে ফেস রিডিং ডিভাইস রয়েছে। সেখানে ফেস রিডিং করা হয় না, ১২০ থেকে ১২২ জনের মতো হয়। আমাকে সংসদ থেকে অবহিত করা হয়েছে, যাতে সব সংসদ সদস্য ফেস রিডিং করে সংসদ কক্ষে ঢোকেন। আজ যেন যাওয়ার সময় সব সদস্য ফেস রিডিং করে যান।’

News সেপ্টেম্বর ১০, ২০২৬ 0
ফিলিপাইনে যাত্রীবোঝাই ফেরিতে আগুন, নিহত ৫, নিখোঁজ ৮৭

ফিলিপাইনে যাত্রীবোঝাই ফেরিতে আগুন, নিহত ৫, নিখোঁজ ৮৭

নূরজাহান, নূরজাহান!

নূরজাহান, নূরজাহান!

ইথার এবং একটি ব্যর্থ পরীক্ষা

ইথার এবং একটি ব্যর্থ পরীক্ষা

0 Comments