জাতীয়

অনন্ত আম্বানির ৩৫০০ একরের বনতারায় যেসব বিরল প্রাণী আছে

News সেপ্টেম্বর ১০, ২০২৬ 0
অনন্ত আম্বানির ৩৫০০ একরের বনতারায় যেসব বিরল প্রাণী আছে
অনন্ত আম্বানির ৩৫০০ একরের বনতারায় যেসব বিরল প্রাণী আছে

গুজরাটের জামনগর। একদিকে বিশ্বের অন্যতম বড় তেল শোধনাগার, অন্যদিকে সবুজে ঘেরা বিশাল এক প্রাণী-আশ্রয়। নাম ভান্তারা বা বনতারা। রিলায়েন্স ফাউন্ডেশনের এই বন্যপ্রাণী উদ্ধার, চিকিৎসা ও পুনর্বাসন উদ্যোগের নেপথ্যে রয়েছেন শিল্পপতি মুকেশ আম্বানির ছেলে অনন্ত আম্বানি। আহত, নির্যাতিত, অনাথ ও বিপন্ন প্রাণীদের উদ্ধার করে চিকিৎসা ও দীর্ঘমেয়াদি পরিচর্যার জন্য তিনি তৈরি করেছেন এই বিশাল প্রকল্প।

বনতারা আনুষ্ঠানিকভাবে ২০২৪ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি সামনে আসে। তবে এর পেছনের কাজ আরও আগে থেকে চলছিল। অনন্ত আম্বানির নেতৃত্বে গড়ে ওঠা এই উদ্যোগকে রিলায়েন্স ফাউন্ডেশন ভারতের অন্যতম বড় বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ ও পুনর্বাসন প্রকল্প হিসেবে তুলে ধরে। ২০২৫ সালের মার্চে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বনতারা উদ্বোধন করেন।

বনতারার সবচেয়ে আকর্ষণীয় দিক হলো এর প্রাণীর বৈচিত্র্য

বর্তমানে বাংলাদেশের গাজীপুর সাফারি পার্ক থেকে চুরি হওয়া রেমুর আম্বানির বনতারায় রয়েছে এমন খবর সামনে আসতেই শুরু হয়েছে আলোচনা। তবে সবচেয়ে চমকে যাওয়ার মতো তথ্য হচ্ছে এর আয়তন। প্রাথমিক সময়ে বনতারার আয়তন প্রায় ৩ হাজার একর হিসেবে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছিল। বর্তমানে রিলায়েন্স ফাউন্ডেশনের তথ্য অনুযায়ী পুরো উদ্যোগটি ৩ হাজার ৫০০ একরেরও বেশি এলাকায় বিস্তৃত। এর মধ্যে আলাদা করে হাতিদের জন্য প্রায় ৯৯৮ একর সংরক্ষিত এলাকা রয়েছে।

 বিস্ময়ের এখানেই শেষ নয়। এখানকার প্রাণীর সংখ্যাও আরেক বিস্ময়। বনতারার বর্তমান ওয়েবসাইটে বলা হয়েছে, এখানে ১ লাখ ৫০ হাজারের বেশি প্রাণী রয়েছে, যেগুলো ২ হাজারেরও বেশি প্রজাতির প্রতিনিধিত্ব করে। প্রাণীদের মধ্যে রয়েছে স্তন্যপায়ী, পাখি, সরীসৃপসহ নানা ধরনের বন্যপ্রাণী।

লিওনেল মেসি থেকে শুরু করে অসংখ্য দেশি-বিদেশি বহু বিশিষ্ট সেলিব্রিটি ও ভিআইপি ব্যক্তিরা গেছেন অনন্ত আম্বানির বনতারায়তবে বনতারার প্রাণীর সংখ্যা নিয়ে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন সংখ্যা প্রকাশিত হয়েছে। ২০২৪ সালের শুরুতে সংবাদমাধ্যমে কয়েক হাজার প্রাণীর কথা বলা হয়েছিল। পরবর্তী সময়ে উদ্ধার ও পুনর্বাসন কার্যক্রম বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সংখ্যাও দ্রুত বেড়েছে। তাই সময় উল্লেখ না করে পুরোনো সংখ্যা ব্যবহার করলে বিভ্রান্তি তৈরি হতে পারে।

আরও পড়ুন

রাজার অবৈধ সন্তান থেকে সফল শাসক, অবিবাহিত রানির বিতর্কিত জীবন

বনতারার সবচেয়ে আকর্ষণীয় দিক হলো এর প্রাণীর বৈচিত্র্য। এখানে এশীয় সিংহ, আফ্রিকান সিংহ, বাঘ, চিতা, হাতি, জলহস্তী, জিরাফ, জেব্রা, ওকাপি, ওরাংওটাং, লেমুর, কুমির, বিভিন্ন প্রজাতির অজগর ও অন্যান্য সরীসৃপ রয়েছে বলে বিভিন্ন সূত্রে উল্লেখ করা হয়েছে।

অনেকটা জেব্রার মতো ডোরাকাটা পা এবং জিরাফের মতো গড়নের এই প্রাণী আফ্রিকার কঙ্গোর বনাঞ্চলের স্থানীয়এর মধ্যে ওকাপি বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। দেখতে অনেকটা জেব্রার মতো ডোরাকাটা পা এবং জিরাফের মতো গড়নের এই প্রাণী আফ্রিকার কঙ্গোর বনাঞ্চলের স্থানীয়। ভান্তারায় এমন বিরল প্রাণীরও সংরক্ষণ করা হচ্ছে।

এছাড়া রয়েছে ক্লাউডেড লেপার্ড বা মেঘলা চিতা। এই রহস্যময় বড় বিড়াল প্রজাতি আবাসস্থল হারানোসহ নানা কারণে হুমকির মুখে। ভান্তারায় ক্লাউডেড লেপার্ডের শাবকও দেখা গেছে। সাদা সিংহের শাবকও ভান্তারার অন্যতম আলোচিত প্রাণী।

বনতারায় বিরল ওকাপি, ওরাংওটাং, লেমুর, কুমির, বিভিন্ন প্রজাতির অজগর ও অন্যান্য সরীসৃপ রয়েছেবনতারার অন্যতম বড় আকর্ষণ হাতি পরিচর্যা কেন্দ্র। বর্তমানে ভান্তারার তথ্য অনুযায়ী, প্রায় ২৬০টির বেশি হাতি এখানে আশ্রয় পেয়েছে। এদের অনেকেই কাঠ বহন, সার্কাস বা অন্য কঠিন পরিস্থিতিতে ব্যবহৃত হওয়ার পর উদ্ধার হয়েছে।

হাতিদের জন্য রয়েছে চিকিৎসা, পুনর্বাসন, প্রশিক্ষণ ও বিশ্রামের বিশেষ ব্যবস্থা। বনতারায় বিশ্বের সবচেয়ে বড় হাতি হাসপাতাল রয়েছে বলে রিলায়েন্স ফাউন্ডেশন দাবি করে। সেখানে আধুনিক চিকিৎসার পাশাপাশি হাইপারবারিক চেম্বার, হাইড্রোথেরাপি, লেজার থেরাপি ও অন্যান্য চিকিৎসা সুবিধার কথাও তাদের বার্ষিক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

২০২৫ সালের মার্চে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বনতারা উদ্বোধন করেনতবে শুধু প্রাণী রাখাই এর উদ্দেশ্য নয়। অর্থাৎ বনতারাকে সাধারণ চিড়িয়াখানা হিসেবে দেখলে পুরো বিষয়টি বোঝা যাবে না। প্রতিষ্ঠানটির ঘোষিত লক্ষ্য হলো উদ্ধার, চিকিৎসা, পুনর্বাসন, সংরক্ষণ ও প্রয়োজনে পুনরায় বন্য পরিবেশে ফিরিয়ে দেওয়া। বিপন্ন প্রাণীর প্রজনন নিয়েও কাজ করছে তারা। রিলায়েন্স ফাউন্ডেশনের ২০২৪-২৫ সালের প্রতিবেদনে ৪২টি বিপন্ন বা বন্য পরিবেশে বিলুপ্ত প্রজাতিকে কেন্দ্র করে সংরক্ষণ প্রজনন কর্মসূচির কথা বলা হয়েছে।

আরও পড়ুন

সত্যিই ৮০-র দশকে ফিরতে পারলে সোনা নাকি জমি কিনতেন?

এমনকি বনতারা শুধু নিজেদের এলাকায় প্রাণী রাখার মধ্যেও সীমাবদ্ধ নেই। ২০২৬ সালে গুজরাটের বন্নি তৃণভূমিতে কালো হরিণ পুনঃস্থাপনসহ বিভিন্ন পুনর্বন্যায়ন প্রকল্পেও অংশ নিয়েছে। তবে এত বড় প্রকল্প ঘিরে প্রশ্নও উঠেছে। প্রাণী সংগ্রহ ও স্থানান্তর নিয়ে বিতর্কের পর ভারতের সুপ্রিম কোর্ট একটি স্বাধীন তদন্তের নির্দেশ দিয়েছিল। তদন্তে বেআইনি প্রাণী সংগ্রহ বা নির্যাতনের অভিযোগের চূড়ান্ত প্রমাণ পাওয়া যায়নি বলে রয়টার্স জানিয়েছে, তবে প্রাণী সংগ্রহের প্রক্রিয়া ও কর্তৃপক্ষের নজরদারি নিয়ে তদন্তের প্রয়োজন দেখা দিয়েছিল।

আলাদা করে হাতিদের জন্য প্রায় ৯৯৮ একর সংরক্ষিত এলাকা রয়েছেঅনন্ত আম্বানির বনতারা শুধু বিপুল অর্থে তৈরি বিশাল প্রাণী-আশ্রয় নয়; এটি আধুনিক পশুচিকিৎসা, বন্যপ্রাণী উদ্ধার, প্রজনন ও পুনর্বাসনকে এক জায়গায় আনার বড় একটি উদ্যোগ। ৩৫০০ একরের বেশি সবুজ পরিসরে হাজার হাজার প্রজাতির প্রাণীকে নিয়ে তৈরি এই প্রকল্প তাই ভারতের বন্যপ্রাণী সংরক্ষণে এক ব্যতিক্রমী অধ্যায় হয়ে উঠেছে। এখানে গিয়েছেন বিশ্বের জনপ্রিয় সব তারকারাও। লিওনেল মেসি থেকে শুরু করে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, সালমান খান, রাম চরণ ছাড়াও দেশি-বিদেশি বহু বিশিষ্ট সেলিব্রিটি ও ভিআইপি ব্যক্তিরা গেছেন।

সূত্র: বানতারা ওয়েবসাইট

কেএসকে

Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

ব্যাটিং বিপর্যয়ে দিন শুরু, লড়াইয়ে ফিরতে মরিয়া টাইগাররা

কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন

জাতীয়

View more
নারী ও শিশু নির্যাতন মামলায় ঢাবির সাবেক শিক্ষার্থী ফুয়াদ খালাস
নারী ও শিশু নির্যাতন মামলায় ঢাবির সাবেক শিক্ষার্থী ফুয়াদ খালাস

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের মামলায় অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত না হওয়ায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী মোহাম্মদ ফুয়াদ হোসেন শাহাদাতকে খালাস দিয়েছেন আদালত। রাষ্ট্রপক্ষ প্রয়োজনীয় সাক্ষ্য প্রমাণ উপস্থাপনে ব্যর্থ হওয়ায় তাকে খালাস দেওয়া হয়। ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৫ এর বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ) মো. মনিরুজ্জামান গত ১৯ আগস্ট এ রায় ঘোষণা করেন। বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) রায়ের অনুলিপি প্রকাশিত হয়। বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) বিকেলে সংশ্লিষ্ট আদালত সূত্রে এ তথ্য জানা যায়। আদালত সূত্রে জানা যায়, হাজারীবাগ থানার মামলা ২০২৪ সালের জুনে মামলাটির পরিপ্রেক্ষিতে নারী ও শিশু মামলা হিসেবে মামলাটির বিচার কার্যক্রম চলে। এতে মোহাম্মদ ফুয়াদ হোসেন শাহাদাত ছিলেন একমাত্র আসামি। রায়ের দিন অর্থাৎ ১৯ আগস্ট মামলাটির যুক্তিতর্ক শুনানির জন্য দিন ধার্য ছিল। সেদিন জামিনে থাকা আসামি ফুয়াদ আদালতে হাজির হন। একই সঙ্গে মামলার এজাহারকারীও আদালতে উপস্থিত ছিলেন। উভয় পক্ষের আইনজীবীদের যুক্তিতর্ক শুনানি শেষে ট্রাইব্যুনাল মামলার নথি রায় ঘোষণার জন্য গ্রহণ করেন। পরে প্রকাশ্য আদালতে রায় ঘোষণা করা হয়। রায়ে ট্রাইব্যুনাল উল্লেখ করেন, আসামি মোহাম্মদ ফুয়াদ হোসেন শাহাদাতের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ৯(১) ধারায় আনা অভিযোগ প্রসিকিউশন পক্ষ সাক্ষ্য-প্রমাণের মাধ্যমে সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণ করতে পারেনি। এ কারণে তাকে মামলার দায় থেকে খালাস দেওয়া হয়। একই সঙ্গে জামিনে থাকা আসামির জামিনদারদের জামিননামার দায় থেকেও অব্যাহতি দেওয়ার আদেশ দেন আদালত। রায়ের অনুলিপি, অবগতি ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের (সিএমএম) কাছে পাঠানোর নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। আদালতের নথি অনুযায়ী, এর আগে ২০২৪ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর ঢাকার মহানগর দায়রা আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন নিয়েছিলেন ফুয়াদ। পরে মামলাটির বিচারিক কার্যক্রম নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৫ এ চলতে থাকে। এ বিষয়ে বাদীপক্ষের বক্তব্য জানার চেষ্টা করা হলেও তাদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। এমডিএএ/এমএএইচ/

News সেপ্টেম্বর ১০, ২০২৬ 0
স্ত্রীর মামলায় ভারতে পালানোর চেষ্টা, ইমিগ্রেশনে গ্রেফতার

স্ত্রীর মামলায় ভারতে পালানোর চেষ্টা, ইমিগ্রেশনে গ্রেফতার

শনিবার স্থায়ী কমিটির বৈঠক ডেকেছে বিএনপি

শনিবার স্থায়ী কমিটির বৈঠক ডেকেছে বিএনপি

বিনা অনুমতিতে দীর্ঘদিন অনুপস্থিত দুই শিক্ষক, দেন না শোকজের জবাবও

বিনা অনুমতিতে দীর্ঘদিন অনুপস্থিত দুই শিক্ষক, দেন না শোকজের জবাবও

দুর্নীতিবাজ যত প্রভাবশালীই হোক, আইনের আওতায় আনতে হবে: রাষ্ট্রপতি
দুর্নীতিবাজ যত প্রভাবশালীই হোক, আইনের আওতায় আনতে হবে: রাষ্ট্রপতি

দুর্নীতিবাজ যত প্রভাবশালীই হোক না কেন, নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে তাদের আইনের আওতায় আনার জন্য দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। বৃহস্পতিবার দুপুরে বঙ্গভবনে দুর্নীতি দমন কমিশনের চেয়ারম্যান বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামানের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল সৌজন্য সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতি এ আহ্বান জানান। প্রতিনিধিদলের অন্য সদস্যদের মধ্যে ছিলেন কমিশনার (তদন্ত) ড. জাহাঙ্গীর আলম খান, কমিশনার (অনুসন্ধান) ড. সাজ্জাদ হোসেন ভূইয়া এবং সচিব সাইদুর রহমান খান। সাক্ষাৎকালে দুদক চেয়ারম্যান কমিশনের সার্বিক কার্যক্রম, চলমান বিভিন্ন উদ্যোগ এবং দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে বিদ্যমান সমস্যা ও চ্যালেঞ্জ সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করেন। তিনি দুর্নীতি দমনে কমিশনের কার্যক্রম আরও কার্যকর করতে রাষ্ট্রপতির সহযোগিতা কামনা করেন। রাষ্ট্রপতি বলেন, দীর্ঘদিনের অপশাসন, অনিয়ম ও জবাবদিহিতার অভাবে দুর্নীতি বর্তমানে বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। আরও পড়ুন জুলাই জাদুঘরে অশ্রুসিক্ত রাষ্ট্রপতি, বললেন ‘মূল্য দিয়েছি অনেক বেশি’ তিনি বলেন, দুর্নীতি দমন ও নিয়ন্ত্রণের ওপর নির্ভর করছে জাতির অগ্রগতি ও উজ্জ্বল ভবিষ্যত। দুদককে সততা ও সাহসের সঙ্গে দুর্নীতি দমনে কাজ করে যেতে হবে রাষ্ট্রপতি দীর্ঘদিনের বিচারাধীন মামলাগুলো আইনগতভাবে দ্রুত নিষ্পত্তি ও দীর্ঘসূত্রিতা কমানোর জন্য দুদকের প্রতি আহ্বান জানান। রাষ্ট্রপতি গুরুতর ও বৃহৎ দুর্নীতির ব্যাপারে দ্রুত অনুসন্ধান ও কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বলেন। তিনি দুর্নীতিবিরোধী মূল্যবোধ গড়ে তুলতে জনসচেতনতা ও প্রচারণামূলক কার্যক্রম আরও জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। রাষ্ট্রপতি দুর্নীতি দমন কমিশনকে তার সাংবিধানিক ও আইনগত দায়িত্ব কার্যকরভাবে পালনে সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস দেন। সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের সচিবরা উপস্থিত ছিলেন। কেএইচ/এমআইএইচএস

News সেপ্টেম্বর ১০, ২০২৬ 0
ফিলিস্তিনি জনগণের পক্ষে সংহতি পুনর্ব্যক্ত করলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

ফিলিস্তিনি জনগণের পক্ষে সংহতি পুনর্ব্যক্ত করলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

সিরাজগঞ্জে মাদকাসক্ত ছেলেকে পুলিশে দিলেন বাবা

সিরাজগঞ্জে মাদকাসক্ত ছেলেকে পুলিশে দিলেন বাবা

‘মাননীয়’ বাদ, অনলাইন হাজিরা: নিজ দপ্তরেই দৃষ্টান্ত প্রধানমন্ত্রীর

‘মাননীয়’ বাদ, অনলাইন হাজিরা: নিজ দপ্তরেই দৃষ্টান্ত প্রধানমন্ত্রীর

কুমিল্লায় খাতা চ্যালেঞ্জ করে জিপিএ-৫ পেলো ২০৭ শিক্ষার্থী
কুমিল্লায় খাতা চ্যালেঞ্জ করে জিপিএ-৫ পেলো ২০৭ শিক্ষার্থী

কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডের ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষার ফল পুনর্নিরীক্ষণে ১ হাজার ৯৪৪ জন শিক্ষার্থীর ফল পরিবর্তন হয়েছে। গ্রেড পরিবর্তন হয়েছে এক হাজার ৬০৮ জনের। এরমধ্যে নতুন করে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ২০৭ জন, ফেল থেকে পাস করেছে ৩৩৬ জন। বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর ড. মো. শফিকুল ইসলাম এ তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন। আরও পড়ুন সিলেট / খাতা চ্যালেঞ্জ করে জিপিএ-৫ পেলো ১২১ জন, নতুন করে পাস ১৮৬ শিক্ষাবোর্ড সূত্র মতে, ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর নির্ধারিত সময়ে বিভিন্ন বিষয়ের ৩৫ হাজার ৯২৯ জন শিক্ষার্থী মোট ৯১ হাজার ৪৯৪টি উত্তরপত্র পুনর্নিরীক্ষণের জন্য অনলাইনে আবেদন করে। এরপর পুনর্নিরীক্ষণে এক হাজার ৯৪৪ জন শিক্ষার্থীর ফল পরিবর্তন হয়। কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর মো. আহসান পারভেজ বলেন, পুনর্নিরীক্ষণের নীতিমালা অনুযায়ী আবেদন করা উত্তরপত্রগুলো যথাযথভাবে যাচাই-বাছাই শেষে ফল প্রকাশ করা হয়েছে। ফল পরিবর্তন হওয়া শিক্ষার্থীরা ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির জন্য অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন। জাহিদ পাটোয়ারী/এনএইচআর

News সেপ্টেম্বর ১০, ২০২৬ 0
রূপপুরে পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদন কবে, সময় দিতে পারছি না: মন্ত্রী

রূপপুরে পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদন কবে, সময় দিতে পারছি না: মন্ত্রী

সোনালি সেই শৈশব-দিন

সোনালি সেই শৈশব-দিন

প্রধান শিক্ষক ছাড়াই চলছে নাটোরের ১৪৬ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

প্রধান শিক্ষক ছাড়াই চলছে নাটোরের ১৪৬ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

0 Comments