ফেনী সদর উপজেলার ধলিয়া ইউনিয়নে চাঁদা না দেওয়ায় আব্দুল কুদ্দুস চৌধুরী নামের এক যুবদল কর্মীকে অপহরণের অভিযোগ উঠেছে বিএনপি নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে।
সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ৮টার দিকে ইউনিয়নের বালুয়া চৌমুহনী বাজারে ওই ব্যবসায়ীর নিজস্ব দোকান থেকে তাকে তুলে নেওয়া হয়। পরে বেধড়ক পিটিয়ে সঙ্গে থাকা এক লাখ ৪২ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেওয়া হয়।
মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) বিকেলে ফেনী শহরের একটি রেস্তোরাঁয় সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী মধ্যম ধলিয়া গ্রামের জামাল উদ্দিন ভূঁইয়া বাড়ির আবদুল কুদ্দুস চৌধুরী এসব অভিযোগ করেন।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, বালুয়া চৌমুহনীতে আমি ফার্নিচার ব্যবসা করি। এ সুবাদে আমার পাশের দোকানদার দেলোয়ার হোসেন টুকুর সঙ্গে আমার নানা ধরনের লেনদেন হয়। গণঅভ্যুত্থানের পর তার সঙ্গে লেনদেন নিয়ে আমাদের মাঝে দূরত্বের সৃষ্টি হয়। ওই দূরত্বকে কেন্দ্র করে বেশ কিছুদিন ধরে স্থানীয় বিএনপি ও এর অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা আমার কাছে চাঁদা দাবি করে আসছিলেন। চাঁদা না দেওয়ায় সোমবার রাতে ২০-২৫ জন আমার দোকানে এসে আমাকে একটি অটোরিকশায় তুলে চিন্তারপোল এলাকায় জনবিচ্ছিন্ন এলাকায় নিয়ে যায়।
‘সেখানে ধলিয়া ইউনিয়ন কৃষকদলের সভাপতি আমিনুল হকের নেতৃত্বে দলীয় নেতা-কর্মীরা আমাকে মারধর শুরু করেন। তারা আমার পকেটে থাকা এক লাখ ৪২ হাজার টাকা নিয়ে নেন। আমার কাছে টাকা পাবে দাবি করে ১০০ টাকার তিনটি সাদা স্ট্যাম্পে সই করিয়ে নেন। এ বিষয়ে আমি ফেনী মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ করেছি।’
ভুক্তভোগী বলেন, ‘বর্তমানে আমি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। আমার কাছ থেকে জোর করে নেওয়া স্ট্যাম্পগুলো উদ্ধারের দাবি জানাই। দোষীদের শাস্তি চাই। দলীয় লোকদের কেন চাঁদা দিতে হবে, আমি তা জানতে চাই।’
এ বিষয়ে অভিযুক্ত ধলিয়া ইউনিয়ন কৃষকদলের সভাপতি আমিনুল হক বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে আমাদের দলের কর্মী টুকু ও কুদ্দুসের মাঝে আর্থিক লেনদেন সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছিল। আমরা বেশ কিছুদিন ধরে তাদের বিরোধ মেটানোর চেষ্টা করছিলাম। তবে কুদ্দুসকে অপহরণ করে টাকা ছিনতাই এবং সাদা কাগজে সই নেওয়ার বিষয়টি আমি জানি না।’
ফেনী মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সজল দাস বলেন, ব্যবসায়ীকে অপহরণ করে সাদা স্ট্যাম্পে সই নেওয়া ও টাকা ছিনতাইয়ের ঘটনায় একটি অভিযোগ পেয়েছি। অভিযোগটি তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আবদুল্লাহ আল-মামুন/এসআর/জেআইএম
শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা। ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে। সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।” জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর। সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।
বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে। চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে। দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।
কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৬–২৭ শিক্ষাবর্ষে এমফিল ও পিএইচডি প্রোগ্রামে পূর্ণকালীন ও খণ্ডকালীন গবেষক ভর্তির জন্য অনলাইনে আবেদন শুরু হয়েছে। আগ্রহী প্রার্থীদের জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তিবিষয়ক ওয়েবসাইটে (www.nu.ac.bd/admissions) প্রাথমিক আবেদন ফরম পূরণ করতে হবে।অনলাইনে আবেদন কার্যক্রম শুরু হয়েছে ৩ সেপ্টেম্বর থেকে। আবেদন করা যাবে ৩০ সেপ্টেম্বর রাত ১২টা পর্যন্ত। প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানিয়ে বলা হয়েছে, প্রতিটি বিষয়ে এমফিল প্রোগ্রামে ৫ জন এবং পিএইচডি প্রোগ্রামে ৫ জন গবেষককে ফেলোশিপ দেওয়া হবে। পিএইচডি প্রোগ্রামে প্রার্থী না থাকলে পিএইচডি প্রোগ্রামের জন্য নির্ধারিত ফেলোশিপের সংখ্যা এমফিল প্রোগ্রামের সঙ্গে এবং এমফিল প্রোগ্রামে প্রার্থী না থাকলে এমফিল প্রোগ্রামের জন্য নির্ধারিত ফেলোশিপের সংখ্যা পিএইচডি প্রোগ্রামের সঙ্গে যুক্ত ও সমন্বিত হবে। এমফিল প্রোগ্রামে মাসিক ১৫ হাজার টাকা এবং পিএইচডি প্রোগ্রামে মাসিক ২০ হাজার টাকা হারে ফেলোশিপ দেওয়া হবে।এসএসসির পুনর্নিরীক্ষণের ফল সকালে, পরীক্ষার্থীরা পাবে তিনভাবেএমফিল প্রোগ্রামে প্রাথমিক আবেদন ফি ১ হাজার ৫০০ টাকা। পিএইচডি প্রোগ্রামে প্রাথমিক আবেদন ফি ২ হাজার টাকা।আবেদন সম্পন্ন করার পর জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অনলাইন গেটওয়ের মাধ্যমে অথবা পে স্লিপ ডাউনলোড করে প্রাথমিক আবেদন ফি জমা দিতে হবে। আবেদনকারীকে অনলাইন থেকে প্রাথমিক আবেদন ফরমের প্রিন্ট কপি ১১ অক্টোবরের মধ্যে সংগ্রহ করতে হবে।জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে এমফিল ও পিএইচডি প্রোগ্রামে অনলাইনে আবেদন ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চলবে। প্রতিটি প্রোগ্রামে ৫ জনকে ফেলোশিপ দেওয়া হবেবাংলাদেশের সমাজ চাহিদা ও উন্নয়ন, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য, জাতিরাষ্ট্র গঠন প্রক্রিয়া, মহান মুক্তিযুদ্ধ, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন, ব্যবসা বাণিজ্য উন্নয়ন ও সম্প্রসারণ, শিক্ষা ও সামাজিক চ্যালেঞ্জসমূহের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট গবেষণা কর্মকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।এমফিলে ভর্তির যোগ্যতা* এসএসসি ও এইচএসসি উভয় পরীক্ষায় ন্যূনতম দ্বিতীয় বিভাগ/জিপিএ ২.৭৫-সহ স্নাতক (সম্মান) ও স্নাতকোত্তর উভয় পরীক্ষায় পৃথকভাবে ন্যূনতম ৫০ শতাংশ নম্বর বা সিজিপিএ ২.৫০ থাকতে হবে।অথবা* ৩ বছর মেয়াদি স্নাতক (পাস)-সহ স্নাতকোত্তর ডিগ্রিধারীদের ক্ষেত্রে উভয় পরীক্ষায় পৃথকভাবে ন্যূনতম ৫৫ শতাংশ বা সিজিপিএ ২.৭৫ থাকতে হবে। তবে বাংলা ও ইংরেজি বিষয়ের ক্ষেত্রে ৫০ শতাংশ নম্বর বা সিজিপিএ ২.৫০ প্রাপ্ত স্নাতকোত্তর ডিগ্রিধারীরা আবেদন করতে পারবেন।পিএইচডি ভর্তির যোগ্যতা* জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় অথবা বাংলাদেশের অন্য যেকোনো পাবলিক ও প্রাইভেট (ইউজিসি অনুমোদিত) বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমফিল/সমমান ডিগ্রি অথবা বিদেশের কোনো বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ন্যূনতম সিজিপিএ ৩.০০ প্রাপ্ত স্নাতকোত্তর ডিগ্রিধারী এবং স্বীকৃতমানের জার্নালে ন্যূনতম ১টি গবেষণামূলক প্রকাশনা।অথবা* জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অন-ক্যাম্পাস অ্যাডভান্সড এমবিএ ও এমএসএস ডিগ্রিপ্রাপ্তদের মধ্যে যাঁদের সিজিপিএ ৩.০০ এবং স্বীকৃত জার্নালে ন্যূনতম একটি প্রকাশনা রয়েছে, তাঁরা পিএইচডি প্রোগ্রামে ভর্তির জন্য আবেদন করার যোগ্য বলে বিবেচিত হবেন।ইতালির শিক্ষার্থী ভিসার আবেদন নিয়ে নতুন যে যে নির্দেশনাঅথবাজাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়সহ বাংলাদেশের অন্য যেকোনো পাবলিক ও প্রাইভেট (ইউজিসি অনুমোদিত) বিশ্ববিদ্যালয় ও জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত কলেজ শিক্ষক, যাঁদের শিক্ষাজীবনে স্নাতক (সম্মান) ও স্নাতকোত্তরসহ ন্যূনতম ৩টি প্রথম বিভাগ/শ্রেণি বা সিজিপিএ ৩.০০ এবং ৩ বছর শিক্ষকতার অভিজ্ঞতাসহ দেশি-বিদেশি স্বীকৃতমানের জার্নালে ন্যূনতম ১টি গবেষণামূলক প্রকাশনা রয়েছে (এ ক্ষেত্রে প্রার্থীকে প্রবন্ধের মূল লেখক বা First Author হতে হবে) তাঁরা সরাসরি পিএইচডি প্রোগ্রামে ভর্তির জন্য আবেদন করতে পারবেন।* বাংলা ও ইংরেজি বিষয়ের ক্ষেত্রে শিক্ষাজীবনে স্নাতক (সম্মান) ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ে যেকোনো ১টিসহ ন্যূনতম ২টি প্রথম বিভাগ/শ্রেণি থাকতে হবে।* সমমানের পরীক্ষায় পাস করা বিদেশি শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক নির্ধারিত নিয়মকানুন ও শর্ত অনুযায়ী পূর্ণকালীন গবেষক হিসেবে এমফিল/পিএইচডি প্রোগ্রামে ভর্তি হতে পারবেন।প্রাথমিক শিক্ষকদের বদলি কার্যক্রম স্থগিতভর্তির শর্তাবলিভর্তি–ইচ্ছুক গবেষকদের অনলাইনে আবেদন ফরম পূরণ করতে হবে। আবেদনকারীদের লিখিত পরীক্ষা, মৌখিক পরীক্ষা ও শিক্ষাজীবনে বিভিন্ন পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে ভর্তির জন্য চূড়ান্ত মেধাতালিকা প্রণয়ন করা হবে।উল্লেখ্য, অনলাইনে আবেদনের সময় আবেদনকারীকে যথোপযুক্ত শিরোনাম নির্ধারণসহ সুনির্দিষ্ট গবেষণা পদ্ধতি অনুসরণপূর্বক ২০০০ শব্দের মধ্যে গবেষণা প্রস্তাবনা এবং প্রস্তাবিত তত্ত্বাবধায়কের নামসহ আবেদন করতে হবে। উক্ত গবেষণা প্রস্তাবনার ওপর মৌখিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।প্রোগ্রামের মেয়াদক) এমফিল প্রোগ্রামের মেয়াদ এক বছরের কোর্সওয়ার্কসহ দুই বছর এবং পিএইচডি প্রোগ্রামের মেয়াদ তিন বছর।খ) এমফিল প্রোগ্রামে ১টি এবং পিএইচডি প্রোগ্রামে ২টি সেমিনার প্রদান করতে হবে।গ) পিএইচডি প্রোগ্রামে যাঁরা সরাসরি ভর্তির জন্য মনোনীত হবেন, তাঁদের সংশ্লিষ্ট শিক্ষাবর্ষের এমফিল গবেষকগণের সঙ্গে কোর্সওয়ার্ক সম্পন্ন করতে হবে।অনলাইনে প্রাথমিক আবেদন ফরম পূরণ ও পে স্লিপ ডাউনলোড—ক. আবেদনকারীকে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তিবিষয়ক ওয়েবসাইটে (www.nu.ac.bd/admissions) Master's Tab এ গিয়ে Apply Now (MPhil/PhD) অপশনে ক্লিক করতে হবে এবং ওয়েবসাইটে প্রদর্শিত তথ্য ছকে সংশ্লিষ্ট স্নাতক (পাস)/স্নাতক (সম্মান)/স্নাতকোত্তর পরীক্ষার রোল নম্বর, বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম, পাসের সন, ব্যক্তিগত মোবাইল নম্বর ও ই-মেইল সঠিকভাবে এন্ট্রি দিতে হবে।অস্ট্রেলিয়ায় গ্র্যাজুয়েট রিসার্চ স্কলারশিপে ৬০০ বৃত্তি, বিনা মূল্যে স্নাতকোত্তর ও পিএইচডিভর্তি পরীক্ষা (লিখিত এবং মৌখিক) বিষয়ে করণীয়ক. এমফিল ও পিএইচডি ভর্তির লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষা বিশ্ববিদ্যালয়ের গাজীপুর ক্যাম্পাসে অনুষ্ঠিত হবে।খ. আবেদনকারীকে মৌখিক পরীক্ষার সময় গবেষণা প্রস্তাবনা, সব পরীক্ষার সনদ ও নম্বরপত্রের কপি, সোনালি সেবার মাধ্যমে আবেদন ফি জমা রশিদের মূলকপি ও প্রাথমিক আবেদন ফরমের কপি সঙ্গে রাখতে হবে।গ. ভর্তির সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের সংশ্লিষ্ট ফ্যাকাল্টি চেয়ারম্যানের দপ্তরে মূল সনদ ও নম্বরপত্র প্রদর্শন করতে হবে। উল্লেখ্য যে ভুল তথ্য উপস্থাপনের মাধ্যমে মেধাতালিকায় স্থানপ্রাপ্ত হয়ে ভর্তি হলে সংশ্লিষ্ট প্রার্থীর ভর্তি বাতিল বলে গণ্য হবে।লিখিত, মৌখিক পরীক্ষার তারিখ ও স্থান পরবর্তী সময়ে বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানিয়ে দেওয়া হবে। ভর্তি বিজ্ঞপ্তির যেকোনো শর্ত বাতিল বা পরিবর্তনের ক্ষমতা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ সংরক্ষণ করে। ভর্তি বিজ্ঞপ্তি, অনলাইন আবেদন ফরম ও ভর্তিসংক্রান্ত সব তথ্য জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট http://www.nu.ac.bd/admissions -এ পাওয়া যাবে।* আরও সব তথ্য জানতে এখানে ক্লিক করুন
ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগে স্বপ্নের মতো অভিষেক হয়েছে মেহেদী হাসান মিরাজের। ৪ ওভার বোলিং করে মাত্র ১৩ রান খরচায় শিকার করেছেন ৩ উইকেট। সতীর্থ ৪৭ বছর বয়সী ইমরান তাহিরের ৫ উইকেটে গায়ানা আমাজন ওয়ারিয়র্স ৪ উইকেটে হারিয়েছে সেন্ট লুসিয়া কিংসকে। আফগানিস্তানের অলরাউন্ডার মোহাম্মদ নবির জায়গায় আমাজনে যোগ দিয়েই নিজের সামর্থ্যের প্রমাণ দিলেন বাংলাদেশের অলরাউন্ডার। প্রভিডেন্সে হওয়া সেই ম্যাচে টস জিতে আগে ব্যাটিং নেয় সেন্ট লুসিয়া। সপ্তম ওভারে প্রথমবার বোলিংয়ে আসেন মিরাজ। সেই ওভারেই পেয়ে যান উইকেটের দেখা। ওভারের শেষ বলে উইকেট থেকে বেরিয়ে এসে ছক্কা মারতে যান সেন্ট লুসিয়ার জন ক্যাম্পবেল। কিন্তু দুর্বল শটটি শেষ হয় বাউন্ডারিতে থাকা ফিল্ডার কুয়েনটিন স্যাম্পসনের হাতে আটকে। ফলে মিরাজ পান নিজের সিপিএল ক্যারিয়ারের প্রথম উইকেট ক্যাম্পবেলকে ১২ রানে ফিরিয়ে। এরপর নিজের তৃতীয় ওভারে শিকার করেন জোড়া উইকেট। প্রথম বলেই আউট করেন কেমল স্যাভরি আর চারিত আসালাঙ্কাকে। লেগ বিফোরের ফাঁদে ফেলেন স্যাভরিকে। ২ রানের বেশি করতে পারেননি তিনি। সেই ওভারের শেষ বলে শ্রীলঙ্কান চারিত আসালাঙ্কা খোঁচা দিতে গিয়ে ক্যাচ দেন উইকেটকিপার শাই হোপের হাতে ক্যাচ দিয়ে। ৪ ওভার বোলিং করে মাত্র ১৩ রান খরচায় শিকার করেন ৩ উইকেট। তবে ৫ উইকেট নিয়ে আমাজনের মূল নায়ক ইমরান তাহির। দুই স্পিনারের ৮ উইকেট শিকারে ১১৯ রানে গুটিয়ে যায় সেন্ট লুসিয়া। সেই রান তাড়া করতে নেমে গায়ানা ৬ উইকেট হারালেও জয় তুলে নেয় ১৮.৩ ওভারে। ব্যাটিংয়ে মিরাজ করেন মাত্র ১ রান। আইএন
গাইবান্ধার সদর উপজেলায় সার বিক্রিতে অনিয়মের দায়ে মেসার্স আতাউর রহমান ট্রেডার্স ও মেসার্স সাইদার রহমান ট্রেডার্স নামের দুই বিসিআইসি সার ডিলারকে ৪২ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট সবুজ কুমার বসাক। এর আগে বুধবার সন্ধ্যায় গাইবান্ধা সদর উপজেলার খোলাহাটি ও মালিবাড়ী ইউনিয়নের দুই ডিলারকে এই জরিমানা করা হয়। আরও পড়ুন সমাজকল্যাণ মন্ত্রী / বিএনপি কেবল কথা বলার দল নয়, কাজের মাধ্যমে তা প্রমাণ করে ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্র জানা গেছে, চলমান আমন মৌসুমে কৃষি অফিসের নিয়মিত মনিটরিংয়ে সুনির্দিষ্ট অভিযোগের সূত্রধরে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে উপজেলা প্রশাসন। অভিযানে ক্যাশমেমো ছাড়া সার বিক্রি এবং বিক্রয় রশিদের সঙ্গে বিক্রিত সারের পরিমাণে অসংগতির দায়ে সার ব্যবস্থাপনা আইনে খোলাহাটি ইউনিয়নের মেসার্স আতাউর রহমান ট্রেডার্সকে ৩০ হাজার টাকা এবং মালিবাড়ী ইউনিয়নের কাবিলের বাজারের মেসার্স সাইদুর রহমান ট্রেডার্সকে ১২ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়। এসময় কৃষিসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও পুলিশ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে নেতৃত্ব দেওয়া সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট সবুজ কুমার বসাক বলেন, নিয়মিত মনিটরিংয়ে অভিযোগের সূত্র ধরে অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে সার ব্যবস্থাপনা আইন লঙ্ঘনের অপরাধে দুটি প্রতিষ্ঠানকে অর্থদণ্ড করা হয়েছে। জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। আনোয়ার আল শামীম/এনএইচআর