জাতীয়

ব্যবহৃত ইঞ্জিন অয়েলের ৩০ শতাংশ নিম্নমানের, নষ্ট হচ্ছে যন্ত্রপাতি

News সেপ্টেম্বর ৮, ২০২৬ 0
ব্যবহৃত ইঞ্জিন অয়েলের ৩০ শতাংশ নিম্নমানের, নষ্ট হচ্ছে যন্ত্রপাতি
ব্যবহৃত ইঞ্জিন অয়েলের ৩০ শতাংশ নিম্নমানের, নষ্ট হচ্ছে যন্ত্রপাতি

দেশে ব্যবহৃত ইঞ্জিন অয়েলের প্রায় ৩০ শতাংশই নিম্নমানের ও নকল। এমন ইঞ্জিন অয়েল ব্যবহারের কারণে দ্রুত বিকল হচ্ছে যানবাহন ও শিল্পের যন্ত্রপাতি। এতে আর্থিক ক্ষতির পাশাপাশি বাড়ছে বায়ুদূষণ ও স্বাস্থ্যঝুঁকি।

রাজধানীর কারওয়ান বাজারে আজ মঙ্গলবার প্রথম আলো কার্যালয়ে আয়োজিত ‘নিম্নমানের ইঞ্জিন অয়েলের প্রভাব: ঝুঁকিতে ইঞ্জিন, অর্থনীতি ও পরিবেশ’ শীর্ষক এক সংলাপে এ তথ্য উঠে আসে। লুব্রিকেন্ট আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান এমজেএল বাংলাদেশ ও প্রথম আলো যৌথভাবে এই সংলাপের আয়োজন করে।

আলোচনায় জানানো হয়, দেশে ইঞ্জিন অয়েলের বার্ষিক চাহিদা প্রায় ১ লাখ ৮০ হাজার টন। এর মধ্যে বৈধ কোম্পানিগুলো সরবরাহ করে ১ লাখ ২৫ হাজার থেকে ১ লাখ ৩৫ হাজার টন। বাকি ২৫ থেকে ৩০ শতাংশ বাজার অবৈধ কারখানায় উৎপাদিত বা ব্যবহৃত তেল প্রক্রিয়াজাত করা পণ্যের দখলে। এসব নিম্নমানের পণ্য অনেক সময় নামী ব্র্যান্ডের মোড়কে বাজারে বিক্রি করা হয়।

সংলাপে বক্তারা বলেন, নিম্নমানের ইঞ্জিন অয়েল ব্যবহারে ইঞ্জিনের আয়ু উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যায়। তখন ঘন ঘন মেরামত ও যন্ত্রাংশ পরিবর্তনের প্রয়োজন হয়। শিল্পকারখানার জেনারেটর বা মেশিনারি হঠাৎ বিকল হয়ে উৎপাদন ব্যাহত হওয়ায় বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়তে হচ্ছে উদ্যোক্তাদের। পাশাপাশি মানহীন তেলে জ্বালানি সঠিকভাবে না পোড়ায় ক্ষতিকর গ্যাস ও অতিক্ষুদ্র কণার নির্গমন বেড়ে বায়ুদূষণ ঘটছে। পরিত্যক্ত ইঞ্জিন অয়েল যত্রতত্র ফেলায় মাটি ও পানি দূষিত হচ্ছে।

শুধু অভিযান নয়, নজরদারি দরকার

শুধু অভিযান চালিয়ে বা শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিয়ে পরিস্থিতির উন্নতি করা সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) সদস্য (পেট্রোলিয়াম) ও বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক সৈয়দা সুলতানা রাজিয়া। তিনি বলেন, দেশে লুব্রিকেন্ট ও ইঞ্জিন অয়েলের ব্যবসা ও উৎপাদনের জন্য বিইআরসির লাইসেন্স নিতে হয়। বাজারে বিপুলসংখ্যক প্রতিষ্ঠান থাকায় সব প্রতিষ্ঠানকে নিয়মিত তদারকির আওতায় আনতে নিয়ন্ত্রক সংস্থার সক্ষমতা ও জনবলের বিষয়টিও বিবেচনায় নিতে হবে। এ ক্ষেত্রে লাইসেন্সিং ও কমপ্লায়েন্স প্রক্রিয়া সহজ করার পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বিতভাবে কাজ করার ওপর গুরুত্ব দিতে হবে।

সৈয়দা সুলতানা রাজিয়া বলেন, নিম্নমানের ইঞ্জিন অয়েল ব্যবহার করা হলে যানবাহন ও যন্ত্রপাতির ইঞ্জিন ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি উৎপাদন ব্যাহত হতে পারে। নিয়মিত নজরদারি, মান যাচাই, জনসচেতনতা এবং সংশ্লিষ্ট সরকারি-বেসরকারি সংস্থার ধারাবাহিক সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে নিম্নমানের ইঞ্জিন অয়েলের ব্যবহার কমানো সম্ভব।

নিম্নমানের ও নকল ইঞ্জিন অয়েল ঠেকানো বিএসটিআইয়ের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশনের (বিএসটিআই) মহাপরিচালক কাজী ইমদাদুল হক। তিনি বলেন, বিএসটিআই বিভিন্ন পণ্যের ক্ষেত্রে ঝুঁকিভিত্তিক নজরদারি চালায় এবং যেসব বাজার বা এলাকায় নকল পণ্যের ঝুঁকি বেশি, সেসব জায়গায় অভিযান পরিচালনা করে। তবে দেশের হাজার হাজার উৎপাদক ও বিপুলসংখ্যক বিক্রেতার ওপর নিয়মিত নজরদারি করা সীমিত জনবল দিয়ে কঠিন।

এই বিপুলসংখ্যক পণ্য ও বিক্রেতার বাজার তদারকিতে সামাজিক সচেতনতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেন কাজী ইমদাদুল হক। তাঁর মতে, শুধু অভিযান নয়, সরকারি প্রতিষ্ঠান, ব্যবসায়ী ও ভোক্তাদের সম্মিলিত উদ্যোগ এবং সামাজিক সচেতনতাই নকল ও নিম্নমানের পণ্যের বিস্তার কমাতে বড় ভূমিকা রাখতে পারে

লুব্রিকেন্ট আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান এমজেএল বাংলাদেশ ও প্রথম আলো যৌথভাবে এই সংলাপের আয়োজন করে। ৮ সেপ্টেম্বর

নিম্নমানের ইঞ্জিন অয়েলের বাজার নিয়ন্ত্রণে শুধু অভিযান পরিচালনা করলেই হবে না, পুরো সরবরাহব্যবস্থাকে নজরদারির আওতায় আনতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. জহিরুল ইসলাম। তিনি বলেন, ইঞ্জিন অয়েল আমদানি থেকে শুরু করে উৎপাদন, পরিবেশক, খুচরা বিক্রেতা হয়ে ভোক্তার কাছে পৌঁছানো পর্যন্ত পুরো সরবরাহব্যবস্থার প্রতিটি ধাপে নজরদারি প্রয়োজন। এটি শুধু ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের একক দায়িত্ব নয়; সংশ্লিষ্ট সব সরকারি সংস্থাকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।

বন্ধ করতে হবে জালিয়াতির উৎস

ইঞ্জিন অয়েলের মানদণ্ড আন্তর্জাতিক মানের সঙ্গে সামঞ্জস্য করার প্রয়োজন রয়েছে বলে জানিয়েছেন এমজেএল বাংলাদেশের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মুকুল হোসেন। একই সঙ্গে বাজারে নকল তেল খুঁজে শুধু অভিযান চালানোর বদলে এর উৎস বন্ধ করা জরুরি বলে মন্তব্য করে তিনি বলেন, ঢাকার আশপাশে ৩০ থেকে ৪০টি ছোট কারখানায় ব্যবহৃত তেল প্রক্রিয়াজাত করে নকল তেল তৈরি ও বাজারজাত করা হচ্ছে। তাই গাড়ির মালিকদের সচেতন হয়ে নির্ভরযোগ্য পরিবেশক বা দোকান থেকে ইঞ্জিন অয়েল কেনা উচিত। তাঁদের পণ্যে নিরাপত্তা সিল ও কিউআর কোড যুক্ত করা হয়েছে, যার মাধ্যমে পণ্যটি আসল কি না, যাচাই করা যায় বলেও জানান তিনি।

কনজুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) সভাপতি এ এইচ এম সফিকুজ্জামান বলেন, নকল পণ্য কোথা থেকে আসছে, তা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানেন। তাই শুধু বাজারে অভিযান না চালিয়ে উৎসেই এসব পণ্য বন্ধ করতে হবে। রাষ্ট্র ও সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন না করার কারণেই নকল পণ্যের বিস্তার ঘটছে; আর আমদানির ক্ষেত্রে কাস্টমস পর্যায়ে নকল বা নিম্নমানের পণ্য কীভাবে ছাড়পত্র পাচ্ছে, সেটিও খতিয়ে দেখা প্রয়োজন বলে মনে করেন তিনি।

ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে নিম্নমানের ইঞ্জিন অয়েলের বিষয়ে মতামত তুলে ধরেন বারভিডার সভাপতি আবদুল হক এবং বাইকবিডির প্রতিষ্ঠাতা শুভ্র সেন। তাঁদের মতে, এ খাতে আলাদা আলাদা সংস্থার বিচ্ছিন্ন তদারকির বদলে একটি সমন্বিত ব্যবস্থার মাধ্যমে লাইসেন্স, উৎপাদন, আমদানি ও বাজারজাতকরণ তদারকি করা যেতে পারে। পাশাপাশি বাজার থেকে ইঞ্জিন অয়েলের বোতল বা প্যাকেট সংগ্রহ করে নিয়মিত দৈবচয়নভিত্তিক (র‍্যান্ডম) ল্যাব পরীক্ষা করার পরামর্শ দেওয়া হয়। ব্যবহৃত বা খালি ইঞ্জিন অয়েলের বোতল নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে সেগুলোতে নকল তেল ভরে আবার বাজারজাত করার সুযোগ বন্ধ করা এবং ব্যবহৃত তেল সংগ্রহ ও পুনর্ব্যবহারের জন্য নির্দিষ্ট চ্যানেল তৈরির কথাও বলেন বক্তারা।

প্রথম আলোর সহকারী সম্পাদক ফিরোজ চৌধুরীর সঞ্চালনায় সংলাপে আরও বক্তব্য দেন বুয়েটের পুরকৌশল বিভাগের অধ্যাপক রওশন মমতাজ, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপপরিচালক মো. ছালেহ উদ্দিন এবং হাইড্রোকার্বন ইউনিটের উপপরিচালক মেহেদী হাসান। শুরুতে সংলাপের মূল বিষয়বস্তুর ওপর উপস্থাপনা তুলে ধরেন প্রথম আলোর বিজনেস সাপ্লিমেন্টের প্রধান শামসুল হক মোহাম্মদ মিরাজ।

Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

ব্যাটিং বিপর্যয়ে দিন শুরু, লড়াইয়ে ফিরতে মরিয়া টাইগাররা

কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন

জাতীয়

View more
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিকেলে তর্ক, রাতে টর্চলাইট জ্বালিয়ে ৫ ঘণ্টা মারামারি
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিকেলে তর্ক, রাতে টর্চলাইট জ্বালিয়ে ৫ ঘণ্টা মারামারি

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে ফুটবল খেলা নিয়ে তর্কের জেরে রাতে টর্চলাইট জ্বালিয়ে দুই গ্রামের মানুষের মধ্যে দফায় দফায় ৫ ঘণ্টাব্যাপী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) রাতে এই ঘটনা ঘটে। এর আগে ফুটবল খেলা নিয়ে বিকেলে দুই কিশোরের মধ্যে তর্ক হয়। সংঘর্ষে পুলিশ, জনপ্রতিনিধি অন্তত অর্ধশত মানুষ আহত হওয়া খবর পাওয়া গেছে। দীর্ঘ চেষ্টার পর পুলিশ, জনপ্রতিনিধি ও রাজনীতিবিদরা মিলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়। আরও পড়ুন সমাজকল্যাণ মন্ত্রী / বিএনপি কেবল কথা বলার দল নয়, কাজের মাধ্যমে তা প্রমাণ করে পুলিশ ও স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বিকেল সাড়ে চারটা থেকে স্বল্পনোয়াগাঁও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে ফুটবল খেলা শুরু হয়। খেলা চলাকালীন নতুন হাবেলিপাড়া গ্রামের এক কিশোর স্বল্পনোয়াগাঁও গ্রামের এক কিশোরকে মারধর করে বলে অঅভিযোগ উঠে। এর জের ধরে সন্ধ্যা ৬টার দিকে উভয় গ্রামের লোকজন সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। অন্ধকারে টর্চলাইট জ্বালিয়ে সংঘর্ষে চালিয়ে যায়। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে। ছুটে আসেন জনপ্রতিনিধি ও রাজনীতিবিদরা। এ সময় ইটের ঢিলের আঘাতে আহত হয়েছেন সরাইল সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) জাহাঙ্গীর আলম ও সরাইল সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জব্বার। এই ঘটনায় তারা দুজনসহ আহত হয়েছেন প্রায় অর্ধশত। সংঘর্ষ থামাতে বিএনপি নেতা আনোয়ার মাস্টার মাইক হাতে অনুরোধ করেন। পরে রাত ১১টার দিকে সংঘর্ষ নিয়ন্ত্রণে আসে। সরাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনজুর কাদের ভুঁইয়া ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, সংঘর্ষ থামাতে গেলে পুলিশ কর্মকর্তাও আহত হন। সংঘর্ষের ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আবুল হাসনাত মো. রাফি/এনএইচআর

News সেপ্টেম্বর ১০, ২০২৬ 0
সিপিএল অভিষেকেই মিরাজের ঝুলিতে ৩ উইকেট

সিপিএল অভিষেকেই মিরাজের ঝুলিতে ৩ উইকেট

শেখ সেলিমের ‘নেতৃত্ব’ ইস্যুতে আওয়ামী লীগে কি নতুন বিরোধ?

শেখ সেলিমের ‘নেতৃত্ব’ ইস্যুতে আওয়ামী লীগে কি নতুন বিরোধ?

আইফোনে ১৮ এর সঙ্গে আর কী কী আনলো অ্যাপল

আইফোনে ১৮ এর সঙ্গে আর কী কী আনলো অ্যাপল

এসএসসির খাতা চ্যালেঞ্জে রেকর্ড ৫৬ হাজার শিক্ষার্থীর নম্বর পরিবর্তন
এসএসসির খাতা চ্যালেঞ্জে রেকর্ড ৫৬ হাজার শিক্ষার্থীর নম্বর পরিবর্তন

এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর এবার রেকর্ডসংখ্যক পুনর্নিরীক্ষণের (খাতা চ্যালেঞ্জ) আবেদন জমা পড়ে। পুনর্নিরীক্ষণের পর প্রকাশিত ফলাফলেও রেকর্ড ফল হয়েছে। এবার সব শিক্ষা বোর্ড মিলিয়ে মোট ৫৬ হাজার ২৫৯ জন শিক্ষার্থীর নম্বর পরিবর্তন হয়েছে। শিক্ষা বোর্ডের কর্মকর্তারা জানান, এর আগে কোনো বছর এতসংখ্যক শিক্ষার্থীর নম্বর পরিবর্তনের ঘটনা ঘটেনি। এবারই সবচেয়ে বেশি শিক্ষার্থীর ফলাফল পরিবর্তন হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টায় এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল পুনর্নিরীক্ষণের ফলাফল প্রকাশ করা হয়। এ ফল বিশ্লেষণে এমন তথ্য পাওয়া গেছে। এএএইচ/ইএ

News সেপ্টেম্বর ১০, ২০২৬ 0
গাইবান্ধায় নিয়ম ভেঙে সার বিক্রির দায়ে দুই ডিলারকে জরিমানা

গাইবান্ধায় নিয়ম ভেঙে সার বিক্রির দায়ে দুই ডিলারকে জরিমানা

তরুণদের ক্যারিয়ারে বড় বাধা নেটওয়ার্কিংয়ের দ্বিধা, বলছে লিংকডইনের জরিপ

তরুণদের ক্যারিয়ারে বড় বাধা নেটওয়ার্কিংয়ের দ্বিধা, বলছে লিংকডইনের জরিপ

গলছে এভারেস্টের হিমবাহ, বিস্ময়কর কারণ জানালেন বিজ্ঞানীরা

গলছে এভারেস্টের হিমবাহ, বিস্ময়কর কারণ জানালেন বিজ্ঞানীরা

এসএসসির পুনর্নিরীক্ষণের ফল প্রকাশ, ফেল থেকে পাস ৪৫৮৫ জন
এসএসসির পুনর্নিরীক্ষণের ফল প্রকাশ, ফেল থেকে পাস ৪৫৮৫ জন

এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার পুনর্নিরীক্ষণসহ মূল্যায়নের ফল প্রকাশ করা হয়েছে। এতে দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডে ফেল থেকে পাস করেছে ৪ হাজার ৫৮৫ জন শিক্ষার্থী। নতুন করে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩ হাজার ৭৯ জন। বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টায় এ ফল প্রকাশ করা হয়। বিস্তারিত আসছে... এএএইচ/বিএ

News সেপ্টেম্বর ১০, ২০২৬ 0
বিশ্ববাজারে সোনার দাম বেড়েছে, ভরি কত?

বিশ্ববাজারে সোনার দাম বেড়েছে, ভরি কত?

ওডেগার্ডের গোলে নাপোলিকে হারালো আর্সেনাল

ওডেগার্ডের গোলে নাপোলিকে হারালো আর্সেনাল

অ্যাপলের প্রথম ফোল্ডেবল ফোনে কী থাকছে, দাম কত?

অ্যাপলের প্রথম ফোল্ডেবল ফোনে কী থাকছে, দাম কত?

0 Comments