জাতীয়

ঢাবির অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক ড. সিরাজুল হক মারা গেছেন

News সেপ্টেম্বর ১০, ২০২৬ 0
ঢাবির অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক ড. সিরাজুল হক মারা গেছেন
ঢাবির অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক ড. সিরাজুল হক মারা গেছেন

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মৃত্তিকা, পানি ও পরিবেশ বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক অধ্যাপক ড. সিরাজুল হক মারা গেছেন।

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) দিনগত রাত ৩টা ২০ মিনিটে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি।

মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৩ বছর। তিনি স্ত্রী, এক ছেলে, এক মেয়েসহ অসংখ্য ছাত্র-ছাত্রী, আত্মীয়-স্বজন ও শুভানুধ্যায়ী রেখে গেছেন।

অধ্যাপক সিরাজুল হকের মৃত্যুতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।

এক শোক বার্তায় উপাচার্য বলেন, অধ্যাপক সিরাজুল হক একজন প্রথিতযশা মৃত্তিকা বিজ্ঞানী এবং নিষ্ঠাবান শিক্ষক ও গবেষক ছিলেন। দেশ-বিদেশের বিভিন্ন জার্নালে তার ১৭০টি গবেষণা প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে।

উপাচার্য আরও বলেন, শিক্ষা ও গবেষণায় অসাধারণ অবদানের জন্য তিনি স্মরণীয় হয়ে থাকবেন। উপাচার্য মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কার্জন হল প্রাঙ্গণে মরহুমের নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হবে।

বিএ

Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

ব্যাটিং বিপর্যয়ে দিন শুরু, লড়াইয়ে ফিরতে মরিয়া টাইগাররা

কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন

জাতীয়

View more
জন্মদিনে বিশেষ পরিকল্পনা নেই কনক চাঁপার
জন্মদিনে বিশেষ পরিকল্পনা নেই কনক চাঁপার

দেশের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী কনক চাঁপার জন্মদিন আজ। ১১ সেপ্টেম্বর ৫৭ বছরে পা রাখছেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত এই শিল্পী। তবে এবারের জন্মদিন ঘিরে নিজের কোনো বিশেষ পরিকল্পনা নেই বলে জানিয়েছেন তিনি। টানা কয়েকদিন ইতালি, সুইডেন ও লন্ডনে স্টেজ শো শেষে বৃহস্পতিবার দেশে ফিরেছেন কনক চাঁপা। জন্মদিনটা দেশের মাটিতেই কাটানোর ইচ্ছা ছিল তার। তবে বিশেষ কোনো আয়োজনের পরিকল্পনা না থাকলেও পরিবার ও ভক্তদের ভালোবাসায় দিনটি শেষ পর্যন্ত বিশেষ হয়ে উঠবে বলেই মনে করছেন এই শিল্পী। জন্মদিন প্রসঙ্গে কনক চাঁপা বলেন, ‘দেশের বাইরে থেকে আলহামদুলিল্লাহ বেশ ভালোভাবে শো শেষ করে দেশে ফিরেছি। আমার অনুভব এই যে, আমার প্রতি মানুষের শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা দিন দিন আরও বাড়ছে, এটা আসলেই ভাষায় প্রকাশের নয়। সবার এই ভালোবাসার ঋণ শোধ করাও সম্ভব নয়। আমি বারবার শ্রোতাদের ভালোবাসার কাছে পরাজিত হচ্ছি।’ জন্মদিনের আয়োজন নিয়ে তিনি বলেন, ‘জন্মদিন নিয়ে বিশেষ কোনো পরিকল্পনা নেই। আমার মেয়েই জন্মদিন নিয়ে সব পরিকল্পনা করত। কিন্তু সে তো এখন দেশের বাইরে থাকে। আর ছেলে একটু লাজুক প্রকৃতির। তবে আমার বউ মা রান্নাবান্না করে। আমার আসলে চুপেচাপেই জন্মদিন পার করে দিতে ইচ্ছে করে। কিন্তু সেটাও আর হয়ে ওঠে না।’ ভক্তদের ভালোবাসার কথাও উল্লেখ করেন কনক চাঁপা। তিনি বলেন, ‘আমার কিছু ভক্ত আছে, তারা আমার অজান্তেই আমাকে সারপ্রাইজ দিতে ভীষণ ভালোবাসে। হয়তো এবারও তার ব্যতিক্রম ঘটবে না।’ নিজের বয়স নিয়েও কোনো রাখঢাক নেই কনক চাঁপার। ৫৬ পেরিয়ে ৫৭ বছরে পা রাখলেও বয়সকে তিনি কেবলই একটি সংখ্যা হিসেবে দেখেন। তার ভাষায়, ‘সবচেয়ে বড় সত্যি কথা হলো জন্মদিন শুধুই একটা সংখ্যা মাত্র।’ জন্মদিনের তারিখটিও বিশেষ পছন্দের বলে জানান এই শিল্পী। তিনি বলেন, ‘আমার জন্মদিনটা আমার কাছে সবসময়ই খুব স্পেশাল এবং ১১ সেপ্টেম্বর তারিখটাও আমি খুব ভালোবাসি। এই সুন্দর পৃথিবী ছেড়ে কেউই যেতে চায় না, আমিও চাই না। তার পরও আল্লাহর কাছে কৃতজ্ঞ যে তিনি আমাকে পৃথিবীর বুকে রেখেছেন। আমার জন্য সবাই দোয়া করবেন, আমিও সবার জন্য দোয়া করি।’ এদিকে আপাতত নতুন কোনো গান প্রকাশের পরিকল্পনা নেই কনক চাঁপার। নিয়মিত গান প্রকাশের সময়ের পরিবর্তন হয়েছে বলেও জানান তিনি। তবে সংগীত থেকে দূরে সরে যাওয়ার কোনো ইঙ্গিত নেই তার। কনক চাঁপা বলেন, ‘সবারই একটা সময় থাকে নিয়মিত গান করার। তার পর সেই সময়টা পরিবর্তন হয়। কিন্তু আমি শিল্পী ছিলাম, শিল্পী আছি, শিল্পীই থাকব আজীবন।’ নব্বইয়ের দশকে চলচ্চিত্রের গানে কনক চাঁপার ছিল দাপুটে উপস্থিতি। দীর্ঘ সংগীতজীবনে অসংখ্য জনপ্রিয় গান উপহার দিয়েছেন তিনি। জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারসহ পেয়েছেন নানা সম্মাননা। দেশের গণ্ডি পেরিয়েও নিয়মিত স্টেজ শোতে অংশ নিচ্ছেন এই গুণী শিল্পী। এমআই/জেআইএম

News সেপ্টেম্বর ১১, ২০২৬ 0
চা বাগান থেকে খৈয়া গোখরা সাপ উদ্ধার, আতঙ্কে শ্রমিকরা

চা বাগান থেকে খৈয়া গোখরা সাপ উদ্ধার, আতঙ্কে শ্রমিকরা

রোগীর পরীক্ষা হয় বাইরে, হাতেনাতে প্রমাণ পেলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী

রোগীর পরীক্ষা হয় বাইরে, হাতেনাতে প্রমাণ পেলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী

হ্রদের পানি বেড়েছে, চার দিন পর আবার খোলা হলো কাপ্তাই বাঁধ

হ্রদের পানি বেড়েছে, চার দিন পর আবার খোলা হলো কাপ্তাই বাঁধ

কোরআনের ‘মুহকাম’ ও ‘মুতাশাবিহ’ আয়াত বলতে কী বোঝায়?
কোরআনের ‘মুহকাম’ ও ‘মুতাশাবিহ’ আয়াত বলতে কী বোঝায়?

পবিত্র কোরআনের আয়াতের প্রকারভেদ এবং এগুলোর সঠিক অর্থ ও ব্যাখ্যা অনুধাবনের ক্ষেত্রে ‘মুহকাম’ (সুস্পষ্ট) ও ‘মুতাশাবিহ’ (রূপক বা দ্ব্যর্থবোধক) অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দুটি পরিভাষা যার উল্লেখ এসেছে কোরআনেই। পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেছেন: ‘তিনিই আপনার প্রতি এ কিতাব অবতীর্ণ করেছেন, যার কিছু আয়াত ‘মুহকাম’ এগুলো কিতাবের মূল ভিত্তি, আর অন্যগুলো ‘মুতাশাবিহ’। যাদের অন্তরে কুটিলতা রয়েছে, তারা ফিতনা সৃষ্টি এবং ভুল ব্যাখ্যা বের করার উদ্দেশ্যে মুতাশাবিহ আয়াতের পেছনে পড়ে। অথচ আল্লাহ ছাড়া এর মূল ব্যাখ্যা আর কেউই জানে না। যারা গভীর জ্ঞানের অধিকারী, তারা বলে, আমরা এতে ইমান এনেছি, সবই আমাদের রবের পক্ষ থেকে এসেছে। আর কেবল বুদ্ধিমানরাই শিক্ষা গ্রহণ করে।’ (সুরা আলে ইমরান: ৭) এই আয়াতে কোরআনের ‘মুহকাম’ ও ‘মুতাশাবিহ’ বলতে মূলত কী বোঝানো হয়েছে, সে বিষয়ে মুফাসসির ও প্রখ্যাত আলেমদের মধ্যে বিভিন্ন মত রয়েছে। ইমাম কুরতুবি (রহ.) যে অভিমতটিকে প্রাধান্য দিয়েছেন তা হলো: মুহকাম কোরআনের এমন আয়াতসমূহ যেগুলোর তাফসির, ব্যাখ্যা ও অন্তর্নিহিত অর্থ স্পষ্টভাবে অনুধাবন করা যায় এবং যা রহিত বা মানসুখ নয়। মুতাশাবিহ এমন আয়াতসমূহ যেগুলোর জ্ঞান আল্লাহ তাআলা সম্পূর্ণ নিজের কাছে সংরক্ষিত রেখেছেন এবং সৃষ্টিজীবের কারো পক্ষে তা জানার উপায় নেই যেমন সুরার শুরুতে ব্যবহৃত ‘হুরুফে মুকাত্তাআত’ (আলিফ-লাম-মিম ইত্যাদি); কিংবা যেসব আয়াত একাধিক অর্থ বহন করে এবং কোনো একটি অর্থকে নিশ্চিতভাবে প্রাধান্য দেওয়া যায় না; অথবা যে আয়াতের অর্থ স্পষ্ট কিন্তু তা রহিত হয়েছে কি না তা সুনির্দিষ্টভাবে জানা যায় না। আরও পড়ুন কোরআন পথপ্রদর্শক ও রহমত সাহাবিগণ ‘মুহকাম’ ও ‘মুতাশাবিহ’-এর সংজ্ঞায় যা বলেছেন জাবের ইবনে আবদুল্লাহ (রা.) বলেছেন: কোরআনের ‘মুহকাম’ আয়াত হলো তা-ই, যার ব্যাখ্যা, অর্থ ও তাফসির জানা যায়। আর ‘মুতাশাবিহ’ হলো তা, যার ইলম লাভ করার কোনো সুযোগ আল্লাহ তাআলা তাঁর সৃষ্টিকে দেননি, বরং তা তিনি নিজের জ্ঞানেই সীমাবদ্ধ রেখেছেন। কেউ কেউ বলেছেন: যেমন কিয়ামত সংঘটিত হওয়ার সময়, ইয়াজুজ-মাজুজ, দাজ্জাল ও ইসার (আ.) আত্মপ্রকাশের সময় এবং সুরার শুরুতে বর্ণিত হুরুফে মুকাত্তাআত। হজরত ইবনে আব্বাস (রা.) বলেছেন: মুহকাম আয়াত হলো সুরা আনআমের ১৫১ নম্বর আয়াত থেকে পরবর্তী তিনটি আয়াত। আল্লাহ তাআলা বলেছেন: বল, ‘এসো, তোমাদের উপর তোমাদের রব যা হারাম করেছেন, তা তিলাওয়াত করি যে, তোমরা তার সাথে কোন কিছুকে শরীক করবে না এবং মা-বাবার প্রতি ইহসান করবে আর দারিদ্র্যের কারণে তোমাদের সন্তানদেরকে হত্যা করবে না। আমিই তোমাদেরকে রিজিক দেই এবং তাদেরকেও। আর অশ্লীল কাজের নিকটবর্তী হবে না- তা থেকে যা প্রকাশ পায় এবং যা গোপন থাকে। আর বৈধ কারণ ছাড়া তোমরা সেই প্রাণকে হত্যা করো না, আল্লাহ যা হারাম করেছেন। এগুলো আল্লাহ তোমাদেরকে নির্দেশ দিয়েছেন, যাতে তোমরা বুঝতে পার। আর তোমরা এতিমদের সম্পদের নিকটবর্তী হয়ো না, সুন্দর পন্থা ছাড়া। যতক্ষণ না সে পরিণত বয়সে উপনীত হয়, আর পরিমাপ ও ওজন ইনসাফের সাথে পরিপূর্ণ দেবে। আমি কাউকে তার সাধ্য ছাড়া দায়িত্ব অর্পণ করি না। আর যখন তোমরা কথা বলবে, তখন ইনসাফ কর, যদিও সে আত্মীয় হয় এবং আল্লাহর ওয়াদা পূর্ণ কর। এগুলো তিনি তোমাদেরকে নির্দেশ দিয়েছেন। যাতে তোমরা উপদেশ গ্রহণ কর। আর এটি তো আমার সোজা পথ। সুতরাং তোমরা তার অনুসরণ কর এবং অন্যান্য পথ অনুসরণ করো না, তাহলে তা তোমাদেরকে তাঁর পথ থেকে বিচ্ছিন্ন করে দেবে। এগুলো তিনি তোমাদেরকে নির্দেশ দিয়েছেন, যাতে তোমরা তাকওয়া অবলম্বন কর। (সুরা আনআম: ১৫১-১৫৩) ইবনুল আতিয়্যা বলেন, ইবনে আব্বাস (রা.) এখানে মুহকামের উদাহরণ দিয়েছেন। ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে আরও বলেছেন: ‘মুহকাম আয়াত হলো নাসিখ (রহিতকারী), হালাল-হারাম, ফরজ বিধান এবং যার ওপর ইমান আনতে হয় ও আমল করতে হয়। আর মুতাশাবিহ হলো মানসুখ (রহিত হওয়া আয়াত), আগে-পিছে আসা বিষয়াবলি, দৃষ্টান্তসমূহ এবং যার ওপর ইমান আনতে হয় কিন্তু আমল করা যায় না।’ হজরত ইবনে মাসউদ (রা.) বলেছেন: ‘মুহকাম হলো নাসিখ (রহিতকারী) এবং মুতাশাবিহ হলো মানসুখ (রহিত করা বিষয়)।’ আরও পড়ুন কোরআন শেখানোর ফজিলত পরবর্তী আলেমদের দু’টি বক্তব্য মুহাম্মদ ইবনে জাফর ইবনে জুবায়ের (রহ.) বলেছেন: মুহকাম আয়াতগুলোতে রয়েছে রবের চূড়ান্ত দলিল, বাতিল ও দ্বীন বিরোধীদের অপযুক্তি খণ্ডনের উপাদান; এগুলোকে তাদের মূল অর্থ থেকে ফেরানো বা বিকৃত করা যায় না। আর মুতাশাবিহ আয়াতগুলোকে বিভিন্নভাবে ব্যাখ্যা করার সুযোগ থাকে, যার মাধ্যমে আল্লাহ তাআলা বান্দাদের পরীক্ষা নেন। ইমাম আন-নাহহাস (রহ.) বলেছেন: মুহকাম এমন আয়াত যা নিজেই নিজের অর্থ প্রকাশ করতে পারে, অন্য কোনো আয়াতের মাধ্যমে ব্যাখ্যা করতে হয় না। যেমন আল্লাহ বলেছেন, ‘তাঁর সমকক্ষ কেউ নেই’। (সুরা ইখলাস: ৪) আরও বলেছেন, ‘আমি অবশ্যই তার প্রতি ক্ষমাশীল, যে তওবা করে’। (সুরা ত্বা-হা: ৮২)  অন্যদিকে মুতাশাবিহ হলো যেমন আল্লাহর বলেছেন, ‘নিশ্চয়ই আল্লাহ সব গুনাহ ক্ষমা করে দেন’। সুরা জুমার: ৫৩) এই আয়াতটি বুঝতে হলে আরও দুটি আয়াত পড়তে হয়। আল্লাহ তাআলা বলেছেন, ‘আমি অবশ্যই তার প্রতি ক্ষমাশীল যে তাওবা করে।’ (সুরা ত্বা-হা: ৮২) আরও বলেছেন, ‘নিশ্চয়ই আল্লাহ তাঁর সাথে শিরক করার অপরাধ ক্ষমা করেন না।’ (সুরা নিসা: ৪৮) সূত্র: ইসলাম অনলাইন ডট নেট ওএফএফ

News সেপ্টেম্বর ১১, ২০২৬ 0
দৌলতপুরে পদ্মায় পানি বেড়ে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত, সাপ আতঙ্কে বানভাসিরা

দৌলতপুরে পদ্মায় পানি বেড়ে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত, সাপ আতঙ্কে বানভাসিরা

কাভার্ডভ্যানের ধাক্কায় শরীর থেকে বিচ্ছিন্ন মোটরসাইকেলচালকের মাথা

কাভার্ডভ্যানের ধাক্কায় শরীর থেকে বিচ্ছিন্ন মোটরসাইকেলচালকের মাথা

৪ ক্যাচ ও ১ রান আউট মিস, তবু দলের ফিল্ডিংয়ে সন্তষ্ট জ্যোতি!

৪ ক্যাচ ও ১ রান আউট মিস, তবু দলের ফিল্ডিংয়ে সন্তষ্ট জ্যোতি!

হুথিদের ঠেকাতে সৌদি আরবকে গোয়েন্দা সহায়তা দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র
হুথিদের ঠেকাতে সৌদি আরবকে গোয়েন্দা সহায়তা দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

ইরান-সমর্থিত হুথিদের বিরুদ্ধে সৌদি আরবের সামরিক অভিযানে যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা ও লক্ষ্য নির্ধারণে সহায়তা বাড়ছে। সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্রের বরাতে সিএনএন জানিয়েছে, সৌদি আরবে ১০০-এর বেশি মার্কিন সামরিক উপদেষ্টা কাজ করছেন। তাদের মূল কাজ হলো গোয়েন্দা তথ্য দেওয়া এবং হুতিদের অবস্থান শনাক্ত করে হামলার লক্ষ্য নির্ধারণে সৌদি বাহিনীকে সহায়তা করা। কী ধরনের সহায়তা দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র মার্কিন সামরিক সদস্যরা সম্প্রতি গঠিত একটি যৌথ বাহিনী কমান্ডের আওতায় কাজ করছেন। এই কমান্ড কয়েক সপ্তাহ আগে গঠন করা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র সৌদি আরবকে এমন একটি প্রযুক্তি ব্যবহারে সহায়তা করছে, যার মাধ্যমে যুদ্ধক্ষেত্রে কী ঘটছে তা প্রায় তাৎক্ষণিকভাবে দেখা যায়। এটি পেন্টাগনের ‘ম্যাভেন’ ব্যবস্থার সঙ্গে তুলনা করা হচ্ছে। এ ছাড়া হুথিদের ওপর হামলার জন্য ভৌগোলিক তথ্যের ভিত্তিতে লক্ষ্য নির্ধারণেও সৌদি আরবকে সহায়তা করছে যুক্তরাষ্ট্র। তবে এই সহায়তার কিছু সীমাবদ্ধতা রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র সৌদি আরবের সঙ্গে গোয়েন্দা তথ্য ভাগাভাগি করলেও সরাসরি হামলায় অংশ নিচ্ছে না। সৌদি যুদ্ধবিমানকে জ্বালানি সরবরাহ বা অন্যান্য সামরিক সহায়তাও দেওয়া হচ্ছে না। হুথিদের অগ্রযাত্রায় উদ্বেগ সৌদি আরব ও হুথিদের মধ্যে সাম্প্রতিক সময়ে লড়াই আরও তীব্র হয়েছে। ২০২২ সালের যুদ্ধবিরতির পর এটিকে সবচেয়ে বড় ধরনের সংঘাত হিসেবে দেখা হচ্ছে। বৃহস্পতিবার হুতিরা লোহিত সাগরের একটি গুরুত্বপূর্ণ বন্দর দখল করেছে। এতে লোহিত সাগর ও ভারত মহাসাগরের সংযোগকারী গুরুত্বপূর্ণ বাব আল-মান্দাব প্রণালিতে জাহাজ চলাচল হুমকির মুখে পড়তে পারে। এর আগে সৌদি আরবেও হুথিদের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা হয়েছে। এতে কয়েক ডজন বেসামরিক মানুষ নিহত হওয়ার কথা জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র। ইরানের ভূমিকা নিয়ে মার্কিন উদ্বেগ মার্কিন কর্মকর্তাদের দাবি, ইয়েমেনে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) কয়েকশ সদস্য রয়েছে। তারা হুথিদের সঙ্গে কাজ করছে বলে যুক্তরাষ্ট্র মনে করছে। মার্কিন কর্মকর্তাদের আশঙ্কা, হুথিদের সহায়তায় ইরান শেষ পর্যন্ত বাব আল-মান্দাব প্রণালি বন্ধ করার চেষ্টা করতে পারে। এই নৌপথ বন্ধ হলে মধ্যপ্রাচ্য থেকে পণ্য ও জ্বালানি পরিবহনে বড় ধরনের সমস্যা তৈরি হতে পারে। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওও সম্প্রতি ইয়েমেনে আইআরজিসির উপস্থিতির বিষয়ে গোয়েন্দা তথ্য থাকার কথা জানিয়েছেন। তার মতে, সৌদি আরবের জ্বালানি অবকাঠামোয় সাম্প্রতিক হুতি হামলায় ইরানের ভূমিকা রয়েছে। অতীতের অভিজ্ঞতা নিয়ে সতর্ক যুক্তরাষ্ট্র হুতিদের বিরুদ্ধে সৌদি আরবের সামরিক অভিযানে যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তা অবশ্য নতুন নয়। ওবামা ও ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদেও ওয়াশিংটন সৌদি বাহিনীকে গোয়েন্দা তথ্য ও হামলার লক্ষ্য নির্ধারণে সহায়তা করেছিল। তবে ওই সময়ের অভিযানে বেসামরিক মানুষের প্রাণহানি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ব্যাপক সমালোচনা হয়েছিল। ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদে যুক্তরাষ্ট্র নিজেও কয়েক মাস হুথিদের বিরুদ্ধে অভিযান চালায়। পরে যুদ্ধবিরতির মাধ্যমে সেই অভিযান বন্ধ করা হয়। মার্কিন সামরিক কর্মকর্তাদের একাংশ মনে করেন, ওই অভিযানের শেষ করার স্পষ্ট পরিকল্পনা ছিল না। একাধিক যুদ্ধে চাপে মার্কিন বাহিনী ইরানের সঙ্গে ছয় মাসের বেশি সময় ধরে চলা যুদ্ধের কারণে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক বাহিনীও এখন চাপে রয়েছে। মার্কিন সেনারা নিয়মিত ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার মুখে পড়ছে। পাশাপাশি দীর্ঘ সময় ধরে সেনা মোতায়েন এবং অস্ত্রের মজুত নিয়েও উদ্বেগ রয়েছে। হরমুজ প্রণালিতেও যুক্তরাষ্ট্র বড় ধরনের সামরিক অভিযান চালাচ্ছে। সেখানে ইরানি লক্ষ্যবস্তুতে হামলা, বাণিজ্যিক জাহাজকে নিরাপত্তা দেওয়া এবং ইরানি বন্দরগুলোতে নৌ অবরোধ বজায় রাখার কাজ করছে মার্কিন বাহিনী। এ অবস্থায় সৌদি-হুথি সংঘাতে যুক্তরাষ্ট্র কতটা জড়াবে, তা নিয়ে মার্কিন সামরিক বাহিনীর মধ্যে সতর্কতা রয়েছে। বিশেষ করে কোনো হামলায় বেসামরিক মানুষ হতাহত হলে অতীতের মতো আবারও যুক্তরাষ্ট্র সমালোচনার মুখে পড়তে পারে। সূত্র: সিএনএন এমএসএম

News সেপ্টেম্বর ১১, ২০২৬ 0
শিশুর দাঁতের যত্ন কখন থেকে নেওয়া উচিত, জেনে নিন সঠিক সময়

শিশুর দাঁতের যত্ন কখন থেকে নেওয়া উচিত, জেনে নিন সঠিক সময়

২১ দিনের সহজ রুটিনে চোখের নিচের কালো দাগ দূর করুন

২১ দিনের সহজ রুটিনে চোখের নিচের কালো দাগ দূর করুন

গিলপিনের তীরে, নীল নীরবতার দেশে

গিলপিনের তীরে, নীল নীরবতার দেশে

0 Comments