জাতীয়

টাইটানিয়াম বডিসহ আসছে আকর্ষণীয় এই স্মার্টওয়াচ

News সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২৬ 0
টাইটানিয়াম বডিসহ আসছে আকর্ষণীয় এই স্মার্টওয়াচ
টাইটানিয়াম বডিসহ আসছে আকর্ষণীয় এই স্মার্টওয়াচ

ভিভো ওয়াচ ৬-কে আগের ভিভো ওয়াচ ৫-এর উত্তরসূরি হিসেবে বাজারে আনার প্রস্তুতি নিচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি। আগামী ২১ সেপ্টেম্বর চীনে ভিভো এক্স৫০০, এক্স৫০০ প্রো ও এক্স৫০০ প্রো ম্যাক্স স্মার্টফোনের সঙ্গে নতুন স্মার্টওয়াচটির আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করা হবে। একই অনুষ্ঠানে ভিভো বাডস ক্লিপ ইয়ারফোনও উন্মোচন হওয়ার কথা রয়েছে।

লঞ্চের কয়েক দিন আগে ভিভো ঘড়িটির নকশা ও কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ফিচার সম্পর্কে তথ্য প্রকাশ করেছে। টিজার অনুযায়ী, ভিভো ওয়াচ ৬-এর বডিতে ব্যবহার করা হবে টিসি৪ অ্যারোস্পেস-গ্রেড টাইটানিয়াম অ্যালয়। ফলে ঘড়িটির নির্মাণে যেমন প্রিমিয়াম উপকরণ থাকছে, তেমনি স্থায়িত্বের দিকেও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

ঘড়িটির ডিসপ্লের ওপর থাকবে স্যাফায়ার ক্রিস্টাল গ্লাসের সুরক্ষা। ভিভোর দাবি, এতে থাকবে ‘আল্ট্রা-থিন’ বা অত্যন্ত পাতলা কেস। ফলে বড় ধরনের হার্ডওয়্যার যোগ করেও ঘড়িটিকে তুলনামূলক পাতলা রাখার চেষ্টা করা হয়েছে।

আরও পড়ুন

অ্যাপল ওয়াচে নতুন হেলথ ফিচার, নজর রাখবে শরীর-ফিটনেসে

আকারের দিক থেকে ভিভো ওয়াচ ৬-এর ৪৩ মিলিমিটার কেস ভ্যারিয়েন্ট বাজারে আসতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে ডিসপ্লের আকার, রেজোলিউশন কিংবা ব্যাটারি সক্ষমতার মতো বেশ কিছু তথ্য এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করেনি ভিভো।

প্রথমবার ব্লুওএস ৪

ভিভো ওয়াচ ৬-এর অন্যতম বড় আকর্ষণ হতে পারে এর সফটওয়্যার। স্মার্টওয়াচটিতে ভিভোর নতুন ব্লুওএস ৪ অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করা হবে। এটি ভিভোর নিজস্ব সফটওয়্যার প্ল্যাটফর্মের নতুন সংস্করণ এবং ভিভো ওয়াচ ৬-ই ব্লুওএস ৪ নিয়ে আসা প্রথম ডিভাইস হতে যাচ্ছে।

নতুন সফটওয়্যারে এআইনির্ভর বিভিন্ন সুবিধার পাশাপাশি স্বাস্থ্য ও ফিটনেসকেন্দ্রিক ফিচার থাকার কথা জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। বিশেষ করে শরীরচর্চা ও দৌড়ের মতো কার্যক্রমের ক্ষেত্রে স্মার্ট গাইড ব্যবহারের সুবিধা থাকবে। সাইক্লিংসহ বিভিন্ন শারীরিক কার্যক্রমও ট্র্যাক করতে পারবে নতুন স্মার্টওয়াচটি।

আগের মডেলের তুলনায় কী বদলাচ্ছে?

তুলনা করলে ভিভো ওয়াচ ৫-এ ছিল ১.৪৩ ইঞ্চির অ্যামোলেড ডিসপ্লে, ৪৬৬x৪৬৬ পিক্সেল রেজোলিউশন এবং অলওয়েজ-অন ডিসপ্লে সুবিধা। ঘড়িটিতে ১০০টির বেশি ওয়ার্কআউট মোড, এআই-নির্ভর অ্যাথলেটিক প্রশিক্ষক এবং হার্ট রেট, রক্তে অক্সিজেনের মাত্রা, ঘুম ও স্ট্রেস পর্যবেক্ষণের সেন্সর ছিল।

আরও পড়ুন

এআই ফিচার, ৮৪ ঘণ্টা ব্যাটারি ব্যাকআপ পাবেন অ্যাপলের নতুন ওয়াচে

ভিভো ওয়াচ ৫-এ ছিল ৫০৫এমএএইচ ব্যাটারি, যা একবার চার্জে সর্বোচ্চ ২২ দিন পর্যন্ত ব্যবহারের দাবি করা হয়েছিল। পাশাপাশি 5ATM ওয়াটার রেজিস্ট্যান্সও ছিল ঘড়িটিতে। তবে ওয়াচ ৬-এ এসব ফিচারের কতটা থাকবে বা নতুন করে কী কী সুবিধা যুক্ত হবে, তা জানতে আনুষ্ঠানিক লঞ্চের জন্য অপেক্ষা করতে হবে।

ভিভো ওয়াচ ৬-এর জন্য চীনে এরই মধ্যেই প্রি-অর্ডার নেওয়া শুরু হয়েছে। ভিভো ওয়াচ ৫ গত বছরের এপ্রিল মাসে চীনে ৭৯৯ ইউয়ান থেকে বাজারে এসেছিল। নতুন মডেলের দাম আগের তুলনায় কতটা পরিবর্তিত হবে, সেটিও ২১ সেপ্টেম্বরের লঞ্চ অনুষ্ঠানে জানা যাবে।

সূত্র: গ্যাজেট ৩৬০

কেএসকে

Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

ব্যাটিং বিপর্যয়ে দিন শুরু, লড়াইয়ে ফিরতে মরিয়া টাইগাররা

কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন

জাতীয়

View more
সাংবাদিকরা আছেন বলেই গণতন্ত্র আছে: তথ্যমন্ত্রী
সাংবাদিকরা আছেন বলেই গণতন্ত্র আছে: তথ্যমন্ত্রী

সাংবাদিকরা আছেন বলেই গণতন্ত্র আছে, এমন মন্তব্য করেছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ। তিনি বলেন, গণতন্ত্রের গুরুত্বপূর্ণ একটি স্তম্ভ হচ্ছে সাংবাদিকতা। বিশেষ করে ক্রাইম বিটের সাংবাদিকদের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করতে হয় এবং অনেক সময় তাদের চড়া মূল্যও দিতে হয়। বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমিতে আয়োজিত বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (ক্র্যাব) ৪৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। তথ্যমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে সাংবাদিকসহ বিভিন্ন খাতে কাজ করা মানুষের জন্য এখনো পর্যাপ্ত সুরক্ষা দেওয়ার মতো কার্যকর ব্যবস্থা গড়ে তোলা সম্ভব হয়নি। দায়িত্ব নেওয়ার পর সাংবাদিকদের সহযোগিতার আশ্বাস দিয়ে তিনি বলেন, আমি মাত্র ২০ দিন হলো দায়িত্বে এসেছি। কতখানি করতে পারবো, না পারবো যেটা অবশ্যই একটা সিস্টেমের মধ্যে থেকে এখন আমাদের কাজ করতে হয়। আরও পড়ুন ঝুঁকি নিয়ে কাজ করা ক্রাইম রিপোর্টারদের পাশে থাকার আশ্বাস তিনি বলেন, আই অ্যাম ভেরি ইজিলি অ্যাক্সেসেবল। আপনারা আমাকে সবসময়ই পাবেন এবং আপনারা আমার কাছে আসতে পারবেন, আমাকে বলতে পারবেন। নিজের রাজনৈতিক পটভূমির কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী জানান, সাংবাদিকদের সমস্যাগুলো তিনি উপলব্ধি করেন। মন্ত্রণালয়ের অধীন ১৫টি বিভাগকে নিজের পরিবারের মতো উল্লেখ করে তিনি বলেন, প্রত্যেকটির প্রতি তার দায়িত্ব রয়েছে। গত ১৭ বছরে একটি ব্যবস্থা করাপ্টেড হয়ে পড়েছে মন্তব্য করে তিনি বলেন, সেখান থেকে দায়িত্ব নেওয়ার পর সেটিকে ঠিক করা বড় চ্যালেঞ্জ। একটা খালি জায়গাতে একটা দালান বানানো অনেক সহজ, কিন্তু একটা পুরোনো, ভাঙাচোরা দালানকে আবার সেখান থেকে বানানো অনেক বড় কঠিন একটা কাজ। সাংবাদিকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, প্রয়োজন হলে যে কোনো সময় তার সঙ্গে যোগাযোগ করতে। তিনি বলেন, যখন যেটা আপনাদের দরকার, যখন যেটা আপনারা প্রয়োজন মনে করবেন, আমার সঙ্গে যোগাযোগ করবেন। ইনশা আল্লাহ আমরা সবাই মিলে সেই সমস্যার সমাধান করব এবং আমরা আপনাদের সঙ্গে আছি। টিটি/এমআইএইচএস

News সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২৬ 0
ইরানি দূতাবাসের কর্মকর্তাকে সুইডেন ছাড়ার নির্দেশ

ইরানি দূতাবাসের কর্মকর্তাকে সুইডেন ছাড়ার নির্দেশ

জমকালো আয়োজনে নবীনদের বরণ করে নিলো জবি ছাত্রদল

জমকালো আয়োজনে নবীনদের বরণ করে নিলো জবি ছাত্রদল

একাদশে ভর্তির ফল যেভাবে সহজে জানা যাবে

একাদশে ভর্তির ফল যেভাবে সহজে জানা যাবে

রুয়েটের ষষ্ঠ সমাবর্তন হতে পারে জানুয়ারির শেষ সপ্তাহে
রুয়েটের ষষ্ঠ সমাবর্তন হতে পারে জানুয়ারির শেষ সপ্তাহে

রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (রুয়েট) ষষ্ঠ সমাবর্তনের বিষয়ে রাষ্ট্রপতি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের প্রাথমিক সম্মতি পাওয়া গেছে। ২০২৭ সালের জানুয়ারির শেষ সপ্তাহে সমাবর্তন অনুষ্ঠিত হতে পারে। বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে রুয়েটের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এস এম আব্দুর রাজ্জাকের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল সৌজন্য সাক্ষাৎ করলে সমাবর্তন আয়োজন নিয়ে আলোচনা হয়। বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, রাষ্ট্রপতির অনুমতিক্রমে আগামী বছরের জানুয়ারির শেষ সপ্তাহে সমাবর্তন আয়োজনের প্রাথমিক সম্মতি পাওয়া গেলেও অনুষ্ঠানের চূড়ান্ত তারিখ রাষ্ট্রপতির সময়সূচি অনুযায়ী নির্ধারণ করা হবে। সমাবর্তনের বিস্তারিত কর্মসূচি পরবর্তীতে বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানানো হবে। সৌজন্য সাক্ষাতে রুয়েটের শিক্ষা কার্যক্রম, গবেষণা, অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও সামগ্রিক একাডেমিক অগ্রগতি সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধিরা। এসময় বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তন আয়োজন নিয়েও আলোচনা হয়। সাক্ষাতে রুয়েটের পক্ষ থেকে উপাচার্য অধ্যাপক এস এম আব্দুর রাজ্জাক, উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতার হোসাইন, সিন্ডিকেট সদস্য অধ্যাপক ড. মো. রবিউল ইসলাম সরকার, অধ্যাপক এইচ এম রাসেল, বিভিন্ন অনুষদের ডিন এবং সাবেক রুয়েট শিক্ষার্থী ও নরসিংদী-৫ (রায়পুরা) আসনের সংসদ সদস্য প্রকৌশলী মো. আশরাফ উদ্দিন বকুল উপস্থিত ছিলেন। সাক্ষাতকালে রাষ্ট্রপতি আধুনিক বিশ্বের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় দক্ষ, উদ্ভাবনী ও প্রযুক্তিনির্ভর মানবসম্পদ গড়ে তুলতে দেশের প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ভূমিকার গুরুত্ব তুলে ধরেন। একই সঙ্গে দেশের প্রযুক্তিগত ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে এসব প্রতিষ্ঠানের অবদানের কথা উল্লেখ করেন তিনি। পাশাপাশি রুয়েটের শিক্ষা ও গবেষণার মান আরও উন্নত করার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বিশ্ববিদ্যালয়টির সক্ষমতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন রাষ্ট্রপতি। দেশের প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর শিক্ষা ও গবেষণার মানোন্নয়নের প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন তিনি। মনির হোসেন মাহিন/এসআর  

News সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২৬ 0
চামড়া শিল্পের প্রসারে সরকার বিশেষ পরিকল্পনা নিয়েছে: রিজভী

চামড়া শিল্পের প্রসারে সরকার বিশেষ পরিকল্পনা নিয়েছে: রিজভী

চোখে আলো নেই, প্রযুক্তির হাত ধরে পথ খুঁজে নিয়েছেন নাজমা

চোখে আলো নেই, প্রযুক্তির হাত ধরে পথ খুঁজে নিয়েছেন নাজমা

পাঠ্যবইয়ে যুক্ত হচ্ছে জিয়াউর রহমানের লেখা ‘স্বাধীনতাযুদ্ধের স্মৃতি’

পাঠ্যবইয়ে যুক্ত হচ্ছে জিয়াউর রহমানের লেখা ‘স্বাধীনতাযুদ্ধের স্মৃতি’

অধ্যাপক আবুল বারকাতের দুই ফ্ল্যাট জব্দ, গাড়ি-ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধের আদেশ
অধ্যাপক আবুল বারকাতের দুই ফ্ল্যাট জব্দ, গাড়ি-ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধের আদেশ

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনে সাড়া দিয়ে অধ্যাপক আবুল বারকাতের নামে থাকা দুটি ফ্ল্যাটসহ ৪৯ লাখ ৬১ হাজার ৩৮৪ টাকার স্থাবর সম্পদ জব্দের আদেশ দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে ২৯ লাখ টাকা মূল্যের তাঁর একটি প্রাইভেট কার এবং ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধের আদেশ দিয়েছেন আদালত।ঢাকা মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ শাহজাহান কবির আজ বুধবার এ আদেশ দেন। দুদকের আইনজীবী দেলোয়ার জাহান প্রথম আলোকে এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, দুদকের পক্ষ থেকে তাঁর সম্পদ জব্দের আবেদন করা হলে আদালত শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।দুদকের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ শাহজাহান মিরাজ অধ্যাপক আবুল বারকাতের সম্পদ জব্দের আবেদন করেন। আবেদনে তিনি লেখেন, ‘ড. আবুল বারকাতের বিরুদ্ধে বিভিন্ন কোম্পানিকে অবৈধভাবে ঋণ প্রদানপূর্বক জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগের অনুসন্ধান চলমান। অনুসন্ধানকালে ড. আবুল বারকাতের নামে ৪৯ লাখ ৬১ হাজার ৩৮৪ টাকার স্থাবর সম্পদ এবং ৩ কোটি ৫০ লাখ ৩১ হাজার টাকা ও ১০ হাজার ২৫০ মার্কিন ডলারের অস্থাবর সম্পদের তথ্য পাওয়া যায়। আবুল বারকাত তাঁর নামে থাকা স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ স্থানান্তর করার চেষ্টা করছেন। অভিযোগ নিষ্পত্তির পূর্বে অর্জিত এসব অবৈধ সম্পত্তি হস্তান্তর, স্থানান্তর, রূপান্তর/বিক্রি হয়ে গেলে রাষ্ট্রের ক্ষতির কারণ হবে। তার এসব সম্পত্তি অবিলম্বে জব্দ ও অবরুদ্ধ করা আবশ্যক।’ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক আবুল বারকাত একটি গবেষণাপ্রতিষ্ঠান পরিচালনা করতেন।বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতির সাবেক সভাপতি আবুল বারকাত বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে জনতা ব্যাংকের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেন। তিনি জনতা ব্যাংকের চেয়ারম্যান থাকাকালে এননটেক্স গ্রুপের নামে ২৯৭ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে গত বছরের ২০ ফেব্রুয়ারি অধ্যাপক আবুল বারকাতসহ ২৩ জনের বিরুদ্ধে একটি মামলা করে দুদক।গত বছরের ১০ জুলাই ধানমন্ডি এলাকা থেকে অধ্যাপক আবুল বারকাতকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে দুদকের মামলায় জামিন পেলে তাঁকে জুলাই গণ–অভ্যুত্থানের সময় ব্যবসায়ী ওয়াদুদ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। পরে এই মামলায় জামিন পেয়ে জুনের শেষ দিকে তিনি কারামুক্ত হন।

News সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২৬ 0
হাসিনাসহ পলাতক ৩০ আসামির পক্ষে রাষ্ট্রীয় খরচে আইনজীবী নিয়োগের নির্দেশ

হাসিনাসহ পলাতক ৩০ আসামির পক্ষে রাষ্ট্রীয় খরচে আইনজীবী নিয়োগের নির্দেশ

টিসিবির জন্য ১০ হাজার টন মসুর ডাল কিনবে সরকার

টিসিবির জন্য ১০ হাজার টন মসুর ডাল কিনবে সরকার

বিসিক চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য মেলার উদ্বোধন

বিসিক চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য মেলার উদ্বোধন

0 Comments