জাতীয়

জমকালো আয়োজনে নবীনদের বরণ করে নিলো জবি ছাত্রদল

News সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২৬ 0
জমকালো আয়োজনে নবীনদের বরণ করে নিলো জবি ছাত্রদল
জমকালো আয়োজনে নবীনদের বরণ করে নিলো জবি ছাত্রদল

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের ২১তম আবর্তনের নবীন শিক্ষার্থীদের বরণ করে নিতে জাঁকজমকপূর্ণ নবীনবরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে শাখা ছাত্রদল। দিনব্যাপী এ আয়োজনে প্রায় ২,১০০ জন নিবন্ধিত নবীন শিক্ষার্থী অংশ নেন।

বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান ভবন সংলগ্ন মাঠে অনুষ্ঠিত হয় এ নবীনবরণ। নবীন শিক্ষার্থীদের শুভেচ্ছা ও উৎসাহিত করতে অনুষ্ঠানে বিভিন্ন কর্মসূচির পাশাপাশি পুরস্কার বিতরণের আয়োজন করা হয়। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, জবি ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক এবং সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাদারীপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী আনিসুর রহমান তালুকদার খোকন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্দীন, ট্রেজারার অধ্যাপক ড. সাবিনা শরমীন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. মোফাজ্জল হোসেন, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ড. শামীমা সুলতানা এবং কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সভাপতি মো. রাকিবুল ইসলাম রাকিব।

আরও পড়ুন

‘কী হতে চাও, এখনই লক্ষ্য স্থির করো’

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জবি শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মেহেদী হাসান হিমেল।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন নবীন শিক্ষার্থীদের নিজেদের ভবিষ্যৎ সম্পর্কে সুস্পষ্ট লক্ষ্য নির্ধারণ করে মেধা, জ্ঞান ও দক্ষতা অর্জনের মাধ্যমে দেশ ও জাতির জন্য প্রস্তুত হওয়ার আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, দেশের তরুণ প্রজন্মই বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা শুধু পাঠ্যবিষয় আত্মস্থ করার মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে বাস্তবমুখী দক্ষতা অর্জন, উদ্ভাবন ও কর্মসংস্থানের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করতে হবে।
 
শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, শিল্পপ্রতিষ্ঠানের সঙ্গে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কার্যকর সংযোগ গড়ে তুলতে হবে, যাতে শিক্ষার্থীদের শিক্ষা ও কর্মজীবনের প্রস্তুতি একই সঙ্গে এগিয়ে যায়। বাংলাদেশের বিপুল তরুণ জনগোষ্ঠী দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মানবসম্পদ। যথাযথ শিক্ষা ও দক্ষতায় গড়ে তুলতে পারলে তরুণরা দেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নে ভূমিকা রাখার পাশাপাশি বৈশ্বিক পর্যায়েও নিজেদের সক্ষমতা তুলে ধরতে পারবে। 

নবীন শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, নিজেদের ভবিষ্যৎ নিজেদেরই গড়ে তুলতে হবে। শৃঙ্খলা, দেশপ্রেম, মেধা ও পরিশ্রমের মাধ্যমে নিজেদের উৎকৃষ্ট মানবসম্পদ হিসেবে প্রস্তুত করার পাশাপাশি খেলাধুলা, বিতর্ক, সংস্কৃতি ও অন্যান্য সহশিক্ষা কার্যক্রমে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করতে হবে। 

আরও পড়ুন

নাহিদ ইসলাম / দেশের সব আন্দোলনে সবচেয়ে বড় অবদান ছিল জবির, অথচ তারা মূল্যায়ন পায়নি

তিনি আরও বলেন, প্রাথমিক শিক্ষা থেকে উচ্চশিক্ষা পর্যন্ত প্রযুক্তিনির্ভর ও দক্ষতাভিত্তিক শিক্ষার প্রসার ঘটানোর পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও আধুনিক প্রযুক্তিতে প্রশিক্ষিত করা প্রয়োজন। আজকের শিক্ষার্থীরাই আগামী দিনের বাংলাদেশ পরিচালনা করবে উল্লেখ করে তিনি একটি সমৃদ্ধ, দক্ষ ও উন্নত বাংলাদেশ গড়তে এখন থেকেই প্রস্তুতি নেওয়ার আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানে মাদারীপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী আনিসুর রহমান তালুকদার খোকন বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট যেকোনো কাজে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদল সব সময় তাদের পাশে থাকবে। 

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্দীন নবীন শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আগামী দিনের বাংলাদেশ তাদের হাতেই গড়ে উঠবে। তিনি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শ ও দেশপ্রেমের কথা উল্লেখ করে শিক্ষার্থীদের দেশের প্রতি দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান জানান। 

উপাচার্য আরও বলেন, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের বিভিন্ন ধরনের স্লোগান থাকলেও দেশের স্বার্থই সবার আগে হওয়া উচিত। এ প্রসঙ্গে তিনি ‘দিল্লি নয়, পিন্ডি নয়, সবার আগে বাংলাদেশ’ স্লোগানটি উল্লেখ করেন।

জবি উপাচার্য আরও বলেন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পর থেকে বিভিন্ন সময়ে নানা ক্ষেত্রে অবহেলা ও বঞ্চনার শিকার হয়েছে। এসব সমস্যা সমাধানে বর্তমান সরকার কার্যকর পদক্ষেপ নেবে বলে তিনি প্রত্যাশা করেন।

আরও পড়ুন

‘ক্যারিয়ারকে সর্বপ্রথম টার্গেট করবা’—জবি নবীনবরণে ছাত্রদল নেতা সুমন

দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন ও শিক্ষার্থীদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে সরকারের নীতিনির্ধারকদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন বলেও জানান তিনি। একই সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন নিয়ে কেউ যেন ‘ক্রেডিট রাজনীতি’ না করেন, সে বিষয়েও সবাইকে সচেতন থাকার আহ্বান জানান উপাচার্য।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার অধ্যাপক ড. সাবিনা শরমীন ছাত্রদলের প্রতিষ্ঠা ও সংগঠনের নেতৃত্বের প্রসঙ্গ তুলে ধরে শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সততা, দেশপ্রেম, দূরদর্শিতা ও ব্যক্তিত্বের কথা উল্লেখ করেন।

তিনি বলেন, দেশ ও গণতন্ত্রের প্রতি দায়িত্বশীলতা এবং নেতৃত্বের গুণাবলি থেকে শিক্ষার্থীদের শিক্ষা নেওয়া উচিত। 

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাবেক আহ্বায়ক গোলাম মাওলা শাহীন, কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সহসভাপতি কাজী জিয়াউদ্দিন বাসেত, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক জাফর আহমেদ, যুগ্ম আহ্বায়ক সুমন সর্দার, মোস্তাফিজুর রহমান প্রমুখ।

বক্তারা নবীন শিক্ষার্থীদের বিশ্ববিদ্যালয় জীবনকে জ্ঞান, দক্ষতা ও নেতৃত্ব বিকাশের সুযোগ হিসেবে কাজে লাগানোর আহ্বান জানান। একই সঙ্গে শিক্ষাজীবনের পাশাপাশি সহশিক্ষা কার্যক্রমে অংশগ্রহণ এবং দেশ ও সমাজের প্রতি দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে নিজেদের গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সদস্যসচিব শামছুল আরেফিন।

নবীন শিক্ষার্থীদের শুভেচ্ছা ও উৎসাহিত করতে অনুষ্ঠানে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের পক্ষ থেকে বিভিন্ন পুরস্কার বিতরণ করা হয়। দিনব্যাপী আয়োজনে নবীন শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি হয়।

টিএইচকিউ/এমএমকে

Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

ব্যাটিং বিপর্যয়ে দিন শুরু, লড়াইয়ে ফিরতে মরিয়া টাইগাররা

কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন

জাতীয়

View more
বাখরাবাদের অভিযানে ৩০ অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন
বাখরাবাদের অভিযানে ৩০ অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন

  ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার উত্তর সুহিলপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৩০টি অবৈধ গ্যাস সংযোগের রাইজার উচ্ছেদ ও নিষ্ক্রিয় করেছে বাখরাবাদ গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড (বিজিডিসিএল)। এসময় পাঁচজনকে এক লাখ ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার উত্তর সুহিলপুর এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট প্রিন্স সরকার। বিজিডিসিএল কুমিল্লা কার্যালয়ের জনসংযোগ বিভাগ বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। অভিযানে ৮টি রাইজার কর্তনসহ মোট ৩০টি অবৈধ গ্যাস সংযোগের রাইজার উচ্ছেদ ও নিষ্ক্রিয় করা হয়। এসময় ১৫টি গ্যাস রেগুলেটর উদ্ধার করা হয়। এছাড়া ৩/৪ ইঞ্চি ব্যাসের ৭৩১ মিটার অবৈধ গ্যাস পাইপলাইন অপসারণ করা হয়। নিষ্ক্রিয় করা প্রায় ৪০০ মিটার অবৈধ গ্যাস নেটওয়ার্ক। অবৈধ গ্যাস সংযোগ নেওয়ার দায়ে পাঁচজনকে মোট এক লাখ ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে বলেও জানিয়েছে বাখরাবাদ গ্যাস কর্তৃপক্ষ। জাহিদ পাটোয়ারী/এসআর  

News সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২৬ 0
মক্কা-মদিনার নিরাপত্তা সব সংঘাতের ঊর্ধ্বে রাখতে হবে: চরমোনাই পীর

মক্কা-মদিনার নিরাপত্তা সব সংঘাতের ঊর্ধ্বে রাখতে হবে: চরমোনাই পীর

ডাকসুর নেতারা আরও ৩ মাস দায়িত্ব পালনের সুযোগ পাচ্ছেন, তবে সীমাবদ্ধ থাকতে হবে রুটিন কাজে

ডাকসুর নেতারা আরও ৩ মাস দায়িত্ব পালনের সুযোগ পাচ্ছেন, তবে সীমাবদ্ধ থাকতে হবে রুটিন কাজে

ঢিল ছুড়ে মশার ওষুধ বাছাই, ধোঁয়া দেওয়ার ২০ মিনিট পর নকডাউন পরীক্ষা

ঢিল ছুড়ে মশার ওষুধ বাছাই, ধোঁয়া দেওয়ার ২০ মিনিট পর নকডাউন পরীক্ষা

দৌড়ে পালানোর চেষ্টা, ধাওয়া দিয়ে আওয়ামী লীগ নেতাকে ধরলো পুলিশ
দৌড়ে পালানোর চেষ্টা, ধাওয়া দিয়ে আওয়ামী লীগ নেতাকে ধরলো পুলিশ

যশোরের কেশবপুরে বিশেষ অভিযানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতা ও ত্রিমোহিনী ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আনিসুর রহমান আনিসকে আটক করেছে পুলিশ। পুলিশের দাবি, তার বিরুদ্ধে পুলিশের ওপর হামলা, মাদক ও নাশকতাসহ একাধিক মামলা রয়েছে। এসব মামলায় দীর্ঘদিন ধরে তিনি পলাতক ছিলেন। বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৩টার দিকে কেশবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোছা. রোকসানা খাতুনের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল উপজেলার ত্রিমোহিনী ইউনিয়নে আনিসুর রহমান আনিসের বাড়িতে অভিযান চালায়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত এ অভিযানে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে আনিস দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করেন। পরে পুলিশ তাকে ধাওয়া করে আটক করে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, আনিসুর রহমান আনিস ত্রিমোহিনী ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান। স্থানীয় রাজনীতিতেও তিনি আওয়ামী লীগের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। সরকার পতনের পর থেকে তিনি আত্মগোপনে ছিলেন। কেশবপুর থানার ওসি রোকসানা খাতুন বলেন, আটকের পর আনিসকে থানায় নেওয়া হয়েছে। তার বিরুদ্ধে থাকা মামলাগুলো যাচাই-বাছাই করে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। মিলন রহমান/এসআর    

News সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২৬ 0
বাংলাদেশের কাছে ধাক্কা খাওয়া অস্ট্রেলিয়া আগের মতো নেই, বললেন ডোনাল্ড

বাংলাদেশের কাছে ধাক্কা খাওয়া অস্ট্রেলিয়া আগের মতো নেই, বললেন ডোনাল্ড

৫ কোটি নয়, ২ কোটি—রাজপালকে শেষবারের মতো দুই সপ্তাহ সময়

৫ কোটি নয়, ২ কোটি—রাজপালকে শেষবারের মতো দুই সপ্তাহ সময়

কলকাতায় কমছে দুর্গাপূজা, বাড়ছে উত্তর ও পশ্চিম ভারতের গণেশপূজা

কলকাতায় কমছে দুর্গাপূজা, বাড়ছে উত্তর ও পশ্চিম ভারতের গণেশপূজা

নেশার টাকার জন্য সন্তান বিক্রির অভিযোগ, নিখোঁজ ৩
নেশার টাকার জন্য সন্তান বিক্রির অভিযোগ, নিখোঁজ ৩

কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীর এক গ্রামে গত দুই বছরে পাঁচ সন্তানকে টাকার বিনিময়ে অন্যের হাতে তুলে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। তিন শিশুর খোঁজ নেই পরিবারের কাছে। বিস্তারিত ভিডিওতে….

News সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২৬ 0
স্থানীয় সরকার নির্বাচন বিলম্বিত করার প্রবণতা দেখছে জামায়াত

স্থানীয় সরকার নির্বাচন বিলম্বিত করার প্রবণতা দেখছে জামায়াত

পরিমাপে কারচুপি, ফিলিং স্টেশনকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা

পরিমাপে কারচুপি, ফিলিং স্টেশনকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা

এসআরবির নতুন যাত্রা: বদলাচ্ছে লোগো-পতাকা ও পোশাকও

এসআরবির নতুন যাত্রা: বদলাচ্ছে লোগো-পতাকা ও পোশাকও

0 Comments