জাতীয়

মাগুরা টেক্সটাইল মিল চালুতে চরকা টেক্সটাইলের সঙ্গে চুক্তি অনুমোদন

News সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২৬ 0
মাগুরা টেক্সটাইল মিল চালুতে চরকা টেক্সটাইলের সঙ্গে চুক্তি অনুমোদন
মাগুরা টেক্সটাইল মিল চালুতে চরকা টেক্সটাইলের সঙ্গে চুক্তি অনুমোদন

বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস করপোরেশনের (বিটিএমসি) নিয়ন্ত্রণাধীন মাগুরা টেক্সটাইল মিল সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্ব (পিপিপি) পদ্ধতিতে পুনরায় চালু করার লক্ষ্যে বেসরকারি অংশীদার নির্বাচনের চুক্তির নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি।

বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এ অনুমোদন দেওয়া হয়।

বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাব অনুযায়ী, মাগুরা টেক্সটাইল মিলটি পিপিপি পদ্ধতিতে চালুর জন্য নির্বাচিত বেসরকারি প্রতিষ্ঠান চরকা টেক্সটাইল লিমিটেডের সঙ্গে চূড়ান্ত চুক্তি সম্পাদন করা হবে। চরকা প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের একটি প্রতিষ্ঠান।

জানা গেছে, বিটিএমসির ২৫টি মিলের মধ্যে ১৬টি মিল পিপিপি পদ্ধতিতে চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এরই মধ্যে চারটি মিল পিপিপি পদ্ধতিতে বেসরকারি অংশীদারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

আরও পড়ুন

ইজারা পাওয়া দুই পাটকলে ৭৫০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করবে প্রাণ-আরএফএল

মাগুরা টেক্সটাইল মিলটি ১৬ দশমিক ০৬ একর জমির ওপর প্রতিষ্ঠিত। ১৯৮৫ সাল থেকে ১৯৯৯ সাল পর্যন্ত মিলটি বাণিজ্যিকভাবে চালু ছিল। পরে এটি পুনরায় পিপিপি পদ্ধতিতে চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়।

মিলটি চালুর জন্য চর্কা টেক্সটাইল লিমিটেডকে পছন্দের দরদাতা হিসেবে নির্বাচিত করা হয়। প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে সম্পাদিতব্য চূড়ান্ত চুক্তির নীতিগত অনুমোদনের প্রস্তাব এর আগে ১১ মার্চ অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির সভায় উপস্থাপন করা হয়েছিল।

ওই সভায় সিদ্ধান্ত হয়েছিল, বাংলাদেশ সরকারি ও বেসরকারি অংশীদারত্ব আইন, ২০১৫’ রহিত করে নতুন আইন প্রণয়নের পর এ ধরনের প্রস্তাব পুনরায় সভায় উপস্থাপন করতে হবে। পরবর্তীতে ১৬ জুলাই ২০২৬ ওই আইন রহিত করে ‘ইনভেস্ট বাংলাদেশ আইন, ২০২৬’-এর গেজেট প্রকাশিত হয়। নতুন আইনের ৩১ ধারার আওতায় মাগুরা টেক্সটাইল মিলটি পিপিপি পদ্ধতিতে চালুর প্রস্তাবটি আবার উপস্থাপন করা হয়।

চুক্তি অনুযায়ী, মাগুরা টেক্সটাইল মিল পরিচালনার মেয়াদ হবে ৩০ বছর। এ প্রকল্পে জমি ছাড়া সরকারের কোনো বিনিয়োগ থাকবে না। পুরো বিনিয়োগ করবে বেসরকারি অংশীদার।

চুক্তির আওতায় বেসরকারি অংশীদার মিলটির ভূমি ব্যবহারের বিপরীতে এককালীন সাইনিং মানি হিসেবে বিটিএমসিকে ৪ কোটি ৭৫ লাখ টাকা দেবে। এছাড়া তিন বছরের গ্রেস পিরিয়ড শেষে প্রতি বছর কন্ট্রাক্ট ফি হিসেবে বিটিএমসিকে ১ কোটি ৩০ লাখ টাকা প্রদান করবে।

পাশাপাশি ডেভেলপমেন্ট ফি হিসেবে পিপিপি কর্তৃপক্ষকে ৫০ লাখ টাকা এবং ব্যাংক গ্যারান্টি হিসেবে বিটিএমসিকে ২ কোটি ৫০ লাখ টাকা প্রদান করবে বেসরকারি অংশীদার।

প্রস্তাবে বলা হয়েছে, পিপিপি পদ্ধতিতে মাগুরা টেক্সটাইল মিল পুনরায় চালু হলে সেখানে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর গ্রিন ফ্যাক্টরি স্থাপন করা হবে। এর মাধ্যমে নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে। একই সঙ্গে উৎপাদনশীলতা বাড়ার ফলে দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নেও প্রকল্পটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।

এমএএস/এমকেআর

Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

ব্যাটিং বিপর্যয়ে দিন শুরু, লড়াইয়ে ফিরতে মরিয়া টাইগাররা

কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন

জাতীয়

View more
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের বাসে সিট দখল, র‍্যাগিং ও ধূমপান নিষিদ্ধ
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের বাসে সিট দখল, র‍্যাগিং ও ধূমপান নিষিদ্ধ

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহনসেবায় শৃঙ্খলা বজায় রাখতে বাসে সিট দখল, র‍্যাগিং, শিক্ষার্থীকে হয়রানি, ধূমপান ও মাদকদ্রব্য বহন বা সেবন নিষিদ্ধ করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। আজ বৃহস্পতিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন প্রশাসক তারেক বিন আতিক স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন অফিসের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সম্প্রতি বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব একতলা, দ্বিতল ও বিআরটিসি থেকে ভাড়া করা বাসে শিক্ষার্থীদের বসার সিট পূর্বেই খাতা, কলম, পানির বোতল, ব্যাগ, মানিব্যাগ কিংবা কাগজ রেখে দখল করার অসৌজন্যমূলক চর্চা লক্ষ করা যাচ্ছে। পাশাপাশি বাস কমিটির প্রভাব খাটানো এবং নবীন শিক্ষার্থীদের আসন পেতে বাধা সৃষ্টি বা হেনস্তা করার বিষয়ও প্রশাসনের নজরে এসেছে।বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, এ ধরনের আচরণ বিশ্ববিদ্যালয়ের সুস্থ পরিবেশ, সাধারণ শিষ্টাচার ও পারস্পরিক সৌহার্দ্যের পরিপন্থী। কোনো শিক্ষার্থীর ওপর প্রভাব বিস্তার বা সিট দখলের নামে অসম আচরণ, র‍্যাগিংয়ে শামিল হওয়া শৃঙ্খলাভঙ্গ এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে। অপরাধ প্রমাণিত হলে বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুযায়ী কঠোর প্রশাসনিক ও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, সরকারি আইন ও বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধি মোতাবেক পরিবহনের কোনো যানবাহনের অভ্যন্তরে ধূমপান এবং যেকোনো ধরনের মাদকদ্রব্য বহন বা সেবন কঠোরভাবে নিষিদ্ধ।বাস ছাড়ার নির্ধারিত সময়ের ১৫ মিনিট আগে শিক্ষার্থীদের জন্য বাসের দরজা খুলে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি চালক ও হেলপারদের নির্ধারিত সময়ের ১৫ মিনিট আগে দরজা খুলে দেওয়ার এবং বাসে কোনো অবৈধ সিট দখল বা বিশৃঙ্খলা না ঘটে, তা নিশ্চিত করে প্রশাসনকে অবহিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহনসেবাকে সুশৃঙ্খল, শিক্ষার্থীবান্ধব ও র‍্যাগিংমুক্ত রাখতে সংশ্লিষ্ট সবার সর্বাত্মক সহযোগিতা কামনা করেছে প্রশাসন।

News সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৬ 0
ক্ষমা চাওয়া, দল বিলুপ্তির সিদ্ধান্ত থেকে কেন সরে এসেছিল জামায়াত

ক্ষমা চাওয়া, দল বিলুপ্তির সিদ্ধান্ত থেকে কেন সরে এসেছিল জামায়াত

এআই প্রযুক্তি ব্যবহারে অলীন ও অন্যরকম উদ্যোক্তার সমঝোতা

এআই প্রযুক্তি ব্যবহারে অলীন ও অন্যরকম উদ্যোক্তার সমঝোতা

আবার অশান্ত মণিপুর, অন্তত দুজন নিহত

আবার অশান্ত মণিপুর, অন্তত দুজন নিহত

ময়মনসিংহে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে শিশুকে যৌন নির্যাতন ও হত্যা, কিশোর আটক
ময়মনসিংহে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে শিশুকে যৌন নির্যাতন ও হত্যা, কিশোর আটক

ময়মনসিংহের নান্দাইলে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে ছেলেশিশুকে যৌন নির্যাতন ও হত্যার অভিযোগে এক কিশোরকে আটক করা হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলার একটি গ্রাম থেকে শিশুটির লাশ উদ্ধার করা হয়।নিহত শিশুটি (৬) স্থানীয় একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পড়ত। আটক কিশোরের (১৫) বাড়িও একই গ্রামে।পুলিশ ও পরিবার সূত্রে জানা যায়, আজ সকাল ১০টার দিকে জলপাই কুড়ানোর কথা বলে শিশুটিকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যায় ওই কিশোর। এরপর শিশুটিকে আর খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। একপর্যায়ে ওই কিশোরকে জিজ্ঞাসা করা হলে সে অসংলগ্ন কথাবার্তা বলতে থাকে। পরে সে জানায়, তাদের বাড়ির টয়লেটের পাশে শিশুটিকে পড়ে থাকতে দেখেছে। তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী স্বজনেরা সেখানে গিয়ে কাপড়ে মোড়ানো অবস্থায় শিশুটির লাশ দেখতে পান।পুলিশের ভাষ্য, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ওই কিশোর শিশুটিকে তার বসতঘরে নিয়ে যৌন নির্যাতনের চেষ্টা করে। সে চিৎকার করলে ঘরে থাকা শাবল দিয়ে তাকে আঘাত করে। এতে শিশুটি মারা যায়।নান্দাইল মডেল থানার পুলিশ বেলা দুইটার দিকে ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে। ময়নাতদন্তের জন্য লাশ ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠানো হয়েছে।নান্দাইল মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আজহারুল ইসলাম বলেন, ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে এক কিশোরকে আটক করা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

News সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৬ 0
বাংলাদেশ ইনোভেশন ফেয়ার ২০২৬–এ এমআইএসটির সাফল্য

বাংলাদেশ ইনোভেশন ফেয়ার ২০২৬–এ এমআইএসটির সাফল্য

এক বছরের কাজের বিবরণ দিলেন ডাকসু নেতারা, প্রশাসনের বিরুদ্ধে অসহযোগিতার অভিযোগ

এক বছরের কাজের বিবরণ দিলেন ডাকসু নেতারা, প্রশাসনের বিরুদ্ধে অসহযোগিতার অভিযোগ

তীরে দাঁড়িয়ে ছিল শিশু শামীম, স্পিডবোটের ঢেউয়ের তোড়ে ভেসে গেল মেঘনায়

তীরে দাঁড়িয়ে ছিল শিশু শামীম, স্পিডবোটের ঢেউয়ের তোড়ে ভেসে গেল মেঘনায়

শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিনের নামে বুধ গ্রহে ক্রেটার অনলাইন
শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিনের নামে বুধ গ্রহে ক্রেটার অনলাইন

পৃথিবী থেকে প্রায় ১০ কোটি কিলোমিটার দূরের একটি গ্রহ। সেখানে নেই কোনো গাছ, নদী বা মানুষের বসতি। চারদিকে শুধু পাথর আর ধুলার বিস্তীর্ণ প্রান্তর। সেই পাথুরে গ্রহের মাটিতে ছড়িয়ে আছে হাজার হাজার গর্ত। আর সেসব গর্তের একটির নাম ‘আবেদিন ক্রেটার’। শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিনের নামে রাখা হয়েছে এই নাম।সূর্যের সবচেয়ে কাছের গ্রহ বুধ। সেখানে কোনো বাতাস বা বায়ুমণ্ডল না থাকায় গ্রহটিতে উল্কাপাতের তৈরি অসংখ্য গর্ত বা ‘ক্রেটার’ আছে। ২০০৮ সালে নাসার মহাকাশযান ‘মেসেঞ্জার’ বুধের পাশ দিয়ে উড়ে যাওয়ার সময় গ্রহটির অসংখ্য নিখুঁত ছবি তোলে। সেসব ছবি বিশ্লেষণ করে ২০০৯ সালে আন্তর্জাতিক জ্যোতির্বিজ্ঞান ইউনিয়ন (আইএইউ) একটি বিশাল গর্তের নাম অনুমোদন করে ‘আবেদিন ক্রেটার’। এই ক্রেটারটির ব্যাস প্রায় ১১৬ কিলোমিটার!দাবানল থামাতে ছাগল যেভাবে কাজ করেবুধ গ্রহ সূর্যের সবচেয়ে কাছে থাকায় এর গতি প্রচণ্ড বেশিবুধ গ্রহের একটি গর্তের নাম একজন বাঙালি শিল্পীর নামে কেন?জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের নিয়ম অনুযায়ী, বুধের বড় ক্রেটারগুলোর নাম রাখা হয় বিশ্বের বিখ্যাত মৃৎশিল্পী, সাহিত্যিক, সংগীতজ্ঞ ও সৃজনশীল মানুষদের স্মরণে। যাঁদের কাজের প্রভাব মানবজাতি ও সংস্কৃতিতে স্থায়ী রূপ নিয়েছে। জয়নুল আবেদিনও বিশ্বমঞ্চে সেই মর্যাদার তালিকায় জায়গা করে নিয়েছেন।জয়নুল আবেদিন জন্মেছিলেন ১৯১৪ সালের ২৯ ডিসেম্বর ময়মনসিংহে। ছোটবেলা থেকেই ব্রহ্মপুত্র নদ, নদীপাড়ের জীবন, নৌকা ও গ্রামের প্রকৃতি তাঁকে ভীষণ টানত। পরে তিনি কলকাতার গভর্নমেন্ট আর্ট স্কুলে পড়াশোনা করেন। ১৯৩৮ সালে ব্রহ্মপুত্র নদ নিয়ে আঁকা চমৎকার জলরঙের সিরিজের জন্য তিনি সর্বভারতীয় প্রদর্শনীতে গভর্নরের স্বর্ণপদক পান।তবে জয়নুল আবেদিনকে বৈশ্বিক পরিচিতি এনে দেয় ১৯৪৩ সালের ঐতিহাসিক ‘মন্বন্তর’ বা দুর্ভিক্ষ সিরিজের ছবি।সেই সময় বাংলার পথে পথে না খেয়ে হাজার হাজার মানুষ মারা যাচ্ছিল। কেউ কঙ্কালসার, কেউ মৃত্যুর প্রহর গুনছে। জয়নুল তাঁদের সেই মর্মন্তুদ দৃশ্য ক্যানভাসে তুলে ধরলেন। দামি ক্যানভাস বা তেলরঙে নয়; সস্তা প্যাকিং কাগজে আর চুলার পোড়া কয়লার কালিতে! তাঁর আঁকা এসব ছবি কেবল শিল্পকর্ম হয়ে থাকেনি, হয়ে উঠেছিল ইতিহাসের এক জীবন্ত ও করুণ দলিল।চ্যাটজিপিটিতে সেলফি আপলোড করা কতটা নিরাপদজয়নুল আবেদিন (২৯ ডিসেম্বর ১৯১৪—২৮ মে ১৯৭৬), প্রতিকৃতি: কাইয়ুম চৌধুরীদেশভাগের পর ঢাকায় এসে ১৯৪৮ সালে তিনি প্রতিষ্ঠা করেন আর্ট ইনস্টিটিউট, যা আজকের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদ। এ ছাড়া আমাদের লোকশিল্পের সুরক্ষায় সোনারগাঁয়ে ‘বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশন’ প্রতিষ্ঠাতেও তিনি মুখ্য ভূমিকা রাখেন। ১৯৭০ সালের প্রলয়ংকরী ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত উপকূলীয় মানুষের দুর্বিষহ চিত্রও ফুটে উঠেছিল তাঁর তুলিতে। ১৯৭৬ সালের ২৮ মে এই মহান শিল্পী মৃত্যুবরণ করেন।শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিনের আঁকা ছবির মূল্য আজ আকাশচুম্বী। ২০২৪ সালের মার্চে নিউইয়র্কের বিখ্যাত নিলামঘর ‘সদবি’স’-এ তাঁর ১৯৬৩ সালে আঁকা ‘সাঁওতাল দম্পতি’ ছবিটি ৩ লাখ ৮১ হাজার ডলারে (প্রায় ৪ কোটি ২০ লাখ টাকা) বিক্রি হয়।এর চেয়েও বড় রেকর্ড তৈরি হয় ওই বছরের সেপ্টেম্বরে। ১৯৭০ সালে আঁকা তাঁর একটি শিরোনামহীন ওয়াশ ছবি ৫ লাখ ১৬ হাজার পাউন্ডে (প্রায় ৮ কোটি টাকা) বিক্রি হয়, যা বিশ্ব নিলামে যেকোনো বাংলাদেশি শিল্পীর ছবির মূল্যে এক ঐতিহাসিক রেকর্ড!এআই কি আগামী এক দশকের মধ্যেই মানুষকে মেরে ফেলবে

News সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৬ 0
সরকারকেই পরিষ্কার করতে হবে তারা মালয়েশিয়া সিন্ডিকেটে জড়িত নয়: জামায়াত আমির

সরকারকেই পরিষ্কার করতে হবে তারা মালয়েশিয়া সিন্ডিকেটে জড়িত নয়: জামায়াত আমির

সমুদ্রে জোয়ার-ভাটা কেন এবং কীভাবে হয়

সমুদ্রে জোয়ার-ভাটা কেন এবং কীভাবে হয়

জাপান সাগরে ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ে রাশিয়ার মহড়া

জাপান সাগরে ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ে রাশিয়ার মহড়া

0 Comments