যুব সমাজের স্বপ্ন ছিল আধুনিক প্রযুক্তিকেন্দ্র। লক্ষ্য ছিল তথ্য প্রযুক্তিতে দক্ষ তরুণ তৈরি, উদ্যোক্তা সৃষ্টি এবং কর্মসংস্থানের নতুন দ্বার উন্মোচন। কিন্তু সেই স্বপ্ন আজ আট বছরের দীর্ঘসূত্রতা, অব্যবস্থাপনা ও অনিয়মের অভিযোগে মুখ থুবড়ে পড়েছে। প্রায় ৭০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মাণাধীন মাগুরার আইটি ট্রেনিং অ্যান্ড ইনকিউবেশন সেন্টার নির্ধারিত সময়ের বহু বছর পেরিয়ে গেলেও এখনো পূর্ণাঙ্গভাবে চালু হয়নি।
মাগুরা শহরের স্টেডিয়াম পাড়ায় প্রায় পাঁচ একর জমির ওপর নির্মাণাধীন ছয়তলা গোলাকৃতির দৃষ্টিনন্দন ভবনটি বাইরে থেকে যতটা আকর্ষণীয়, ভেতরের বাস্তবতা ততটাই হতাশাজনক। পুরো প্রাঙ্গণজুড়ে আগাছা-জঙ্গল।
স্থানীয়দের অভিযোগ, দিনের বেলাতেও সেখানে শিয়াল, সাপ ও বেজির আনাগোনা দেখা যায়। দীর্ঘদিন ধরে পরিত্যক্তপ্রায় অবস্থার কারণে ক্ষুব্ধ স্থানীয়দের কেউ কেউ ব্যঙ্গ করে প্রকল্পটির নাম দিয়েছেন- ‘ফক্স পার্ক’।
২০১৭ সালের জুলাইয়ে দেশের আটটি জেলার সঙ্গে মাগুরাতেও ‘আইটি ট্রেনিং অ্যান্ড ইনকিউবেশন সেন্টার’ প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়। ২০১৮ সালের জুলাইয়ে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ‘লিটন ট্রেডার্স’ নির্মাণকাজ শুরু করে। পরিকল্পনা অনুযায়ী ২০১৯ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে কাজ শেষ করে হস্তান্তরের কথা ছিল। কিন্তু সেই সময়সীমা যেন কাগজেই আটকে গেছে।

এক দফা নয়, দফায় দফায় বাড়ানো হয়েছে প্রকল্পের মেয়াদ। সর্বশেষ ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত সময় নেওয়া হলেও সেই সময়সীমাও পার হয়ে গেছে। অথচ প্রকল্পের কাজ এখনো মাত্র ৬৪ শতাংশ বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। অর্থাৎ যে প্রকল্প দেড় বছরের মধ্যে শেষ হওয়ার কথা, সেটি প্রায় আট বছরেও শেষ হয়নি।
আরও বিস্ময়কর বিষয় হলো, একই প্রকল্পের আওতায় দেশের অন্য কেন্দ্রগুলোর মধ্যে সাতটির নির্মাণকাজ এরইমধ্যে শেষ হয়েছে। অন্য জেলার তরুণরা যখন প্রযুক্তি প্রশিক্ষণ ও উদ্যোক্তা হওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন, তখন মাগুরার তরুণদের কপালে জুটেছে শুধু নির্মাণাধীন ভবন আর বছরের পর বছর অপেক্ষা।
প্রকল্পের অর্থ ব্যবস্থাপনা নিয়েও উঠেছে গুরুতর অভিযোগ। স্থানীয় এক ঠিকাদার নাম প্রকাশ না করার শর্তে অভিযোগ করেন, এখানে হরিলুট করা হয়েছে। ঠিকাদারসহ প্রকল্প সংশ্লিষ্টদের মাধ্যমে প্রায় ৮০ শতাংশ বিল তুলে নেওয়া হয়েছে।
অভিযোগটির সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি। তবে এমন অভিযোগ ওঠার পরও যদি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ নীরব থাকে, তাহলে সন্দেহ আরও ঘনীভূত হওয়াই স্বাভাবিক। অভিযোগ সত্য হলে সরকারি অর্থের সম্ভাব্য অনিয়মের নিরপেক্ষ তদন্ত প্রয়োজন, আর অভিযোগ মিথ্যা হলে তদন্তের মাধ্যমেই তা পরিষ্কার করা উচিত।
স্টেডিয়াম পাড়ার বাসিন্দা মো. আল আমিন বলেন, ২০১৮ সাল থেকে এই কাজ চলমান। সরকার পরিবর্তনের পর এই কাজ সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে গেছে। নতুন সরকারের কাছে আমাদের বিনীত আবেদন, দ্রুত কাজটি সম্পন্ন করা হোক।
আরেক বাসিন্দা মো. আব্দুল আলিম বলেন, আইটি পার্কটি অনেকদিন ধরে এভাবে পড়ে আছে। দ্রুত বাস্তবায়ন করে এখানে কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করা হোক।
স্থানীয় আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, সরকারের কাজগুলো কখনো সঠিকভাবে হয় না। ২০১৮ সালে শুরু হয়েছে, এখনো বাস্তবায়ন হয়নি। যারা দায়িত্ব নিয়েছে, মনে হয় তারা হরিলুট করেছে। না হলে এতদিনেও কাজ কেন হবে না? শুনেছি, কাজ করার আগেই ঠিকাদার ৮০ শতাংশ বিল তুলে নিয়ে গেছে।
শুধু ভবন নির্মাণই নয়, প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত কর্মীদের অবস্থাও তৈরি করেছে নতুন প্রশ্ন। আইটি পার্কে কর্মরত এক কর্মচারী বলেন, আমি আইটি পার্কে কাজ করি। লিপ কোম্পানি থেকে এসেছি। গত তিন বছর ধরে কাজ করছি। দ্রুত কাজ শেষ হলে আমরা এখান থেকে চলে যেতে পারি।
আরেক কর্মী রাকিব হাওলাদার বলেন, শুরুতে কাজের অগ্রগতি খুব ভালো ছিল। এখন কাজের অবস্থা খুবই খারাপ। আমরাও ১৪ মাসের বেতন পাব। যদি খুব শিগগির কাজ শেষ হয়, তাহলে আমরাও বাঁচি।
অর্থাৎ প্রকল্পের দীর্ঘসূত্রতার খেসারত শুধু সরকারই দিচ্ছে না, এর সঙ্গে জড়িয়ে থাকা শ্রমিক-কর্মচারীরাও ভুগছেন অনিশ্চয়তায়।
এদিকে মাগুরার জেলা প্রশাসক মো. মোতাকাব্বির আহমেদ বলেন, আপনারা এরইমধ্যে জানেন যে, এই ভবনটি তথ্য মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে আইটি পার্ক করা হচ্ছে। এটাকে দ্রুত শেষ করে কর্মসংস্থান করা হবে।
স্বপ্ন ছিল আইটি পার্কের-বাস্তবে মিলেছে আট বছরের অপেক্ষা। প্রতিশ্রুতি ছিল কর্মসংস্থানের-মিলেছে জঙ্গল আর পরিত্যক্ত প্রাঙ্গণ। বরাদ্দ ছিল কোটি কোটি টাকা, কিন্তু প্রশ্ন উঠছে কাজের অগ্রগতি ও অর্থব্যয়ের স্বচ্ছতা নিয়ে। স্থানীয়দের দেওয়া ‘ফক্স পার্ক’ নামটি তাই এখন শুধু ব্যঙ্গ নয়; এটি দীর্ঘ আট বছরের হতাশা, ক্ষোভ এবং জবাবদিহির দাবির প্রতিচ্ছবি।
মিনারুল ইসলাম জুয়েল/এফএ
শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
মো. কায়সার নামে আরেক বাসিন্দা বলেন, “যে জায়গা দিয়ে সংযোগ সড়ক হওয়ার কথা, সেটি বাংলাদেশ রেলওয়ের জমি। সেখানে কিছু মানুষ বাড়িঘর করে বসবাস করছেন। তাই জমির বিষয়টি যেন সড়ক নির্মাণের ক্ষেত্রে দীর্ঘসূত্রতার কারণ না হয়, সেটিই স্থানীয়দের প্রত্যাশা।”
দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা। ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে। সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।” জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর। সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।
যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (যবিপ্রবি) আনন্দ-উদ্দীপনা ও বর্ণাঢ্য আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয়েছে ব্যতিক্রমী ‘লুঙ্গি প্যারেড’।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব কাজী মোহাম্মদ সাইফুল ইসলামকে রাজশাহীর নতুন বিভাগীয় কমিশনার হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
ন্যূনতম মজুরি ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণ, ব্ল্যাকলিস্টিং ও শ্রমিক ছাঁটাই বন্ধসহ বিভিন্ন দাবিতে ঢাকার সাভার ও আশুলিয়ায় পোশাকশ্রমিকদের বিক্ষোভ সোমবার (২ নভেম্বর) বিকেলের পর অনেকটাই থেমে গেছে।
তামিল সিনেমার সুপারস্টার রজনীকান্ত। তার সিনেমা মানেই অন্যরকম উন্মাদনা। দীর্ঘ ৩ বছর পর ‘জেলার’ সিনেমার সিক্যুয়েল নিয়ে পর্দায় ফিরেছেন পঁচাত্তর বছর বয়সি এই তারকা।