জাতীয়

অ্যানফিল্ড লিভারপুলের ঘরের মাঠ, না পরের মাঠ

News সেপ্টেম্বর ১২, ২০২৬ 0
অ্যানফিল্ড লিভারপুলের ঘরের মাঠ, না পরের মাঠ
অ্যানফিল্ড লিভারপুলের ঘরের মাঠ, না পরের মাঠ

লিভারপুল ০ : ০ ফুলহাম 

লিভারপুলের ঘরের মাঠ এখন ‘পরের মাঠ’ হয়ে গেছে?

আরও একবার অ্যানফিল্ডে আটকে গেছে দলটি। আজ প্রিমিয়ার লিগে ফুলহামের সঙ্গে গোলশূন্য ড্র করেছে লিভারপুল। এ নিয়ে অ্যানফিল্ডে খেলা টানা চারটি লিগ ম্যাচে পয়েন্ট খোয়াল অলরেডরা। অথচ আজকের ড্রয়ের আগেই অ্যাওয়েতে টানা দুই ম্যাচে জয় ছিল তাদের।

অ্যানফিল্ডে খেলা লিগের সর্বশেষ চার ম্যাচের তিনটিতে ড্র আর একটিতে হেরেছে লিভারপুল। ২০১১ সালের নভেম্বরের পর এই প্রথম অ্যানফিল্ডে টানা চার লিগ ম্যাচে জয়হীন থাকল দলটি।

আজ ফুলহামের বিপক্ষে লিভারপুলের আক্রমণভাগ ছিল অনেকটাই নির্বিষ। বড় অঙ্কের দলবদলে আসা ব্র্যাডলি বারকোলা প্রথমবারের মতো একাদশে শুরু করলেও আক্রমণে সেই ধার দেখা যায়নি। সুযোগ কাজে লাগাতে পারেননি আলেক্সান্দার ইসাক আর ফ্লোরিয়ান ভির্টজও। বিরতির পর মিলোস কেরকেজ, কোডি গাকপো আর অ্যালেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টারকে নামিয়েও ম্যাচের গতিপথ বদলাতে পারেননি কোচ আন্দোনি ইরাওলা।

অন্যদিকে ফুলহামের জন্য গোলশূন্য ড্রটি বেশ স্বস্তিরই। মৌসুমের প্রথম তিন ম্যাচে হারের পর অবশেষে প্রথম পয়েন্ট পেয়েছে দলটি। তাতে ছাঁটাইয়ের শঙ্কায় থাকা কোচ আরবেলোয়ার চাকরিটা হয়তো আরও কয়েক দিনের জন্য টিকেই গেল।

অ্যানফিল্ডে আরও একবার নিজেদের সমর্থকদের হতাশ করেছে লিভারপুল

এ দিকে লিভারপুলের ড্রয়ের দিনে পয়েন্ট খুইয়েছে চেলসিও। হাল সিটির সঙ্গে জাবি আলোনসোর দলের ফল ২-২। চেলসির হয়ে গোল করেছেন মরগান রজার্স ও জোয়াও পেদ্রো। হাল সিটির হয়ে দুটিই মোহাম্মদ বেলুমি।

ম্যানচেস্টার সিটি ও আর্সেনাল প্রথম তিন ম্যাচের সব কটি জিতে পয়েন্ট তালিকার শীর্ষ দুইয়ে আছে। লিভারপুলের অবস্থান ৪ ম্যাচে ৬ পয়েন্ট নিয়ে ষষ্ঠে। সমান ম্যাচে ৭ পয়েন্ট নিয়ে চারে চেলসি।

Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

ব্যাটিং বিপর্যয়ে দিন শুরু, লড়াইয়ে ফিরতে মরিয়া টাইগাররা

কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন

জাতীয়

View more
হাসপাতালে পুলিশ কর্মকর্তা, ফাঁকা বাড়িতে চোরের হানা
হাসপাতালে পুলিশ কর্মকর্তা, ফাঁকা বাড়িতে চোরের হানা

মুন্সিগঞ্জের শ্রীনগরে এক পুলিশ কর্মকর্তার বাড়িতে চুরির ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার দিনগত রাত ২টার দিকে উপজেলার ভাগ্যকূল ইউনিয়নের মান্দ্রা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এতে প্রায় ৮ লাখ টাকার মালামাল লুট হয়েছে বলে দাবি করেছেন ক্ষতিগ্রস্তরা। বাড়ির মালিক তোতা মিয়া জানান, তার ছেলে মোহাম্মদ মতিউর রহমান (উজ্জ্বল) বরিশালের মেহেন্দীগঞ্জ থানায় পুলিশ পরিদর্শক (ওসি তদন্ত) হিসেবে কর্মরত রয়েছেন। সম্প্রতি একটি সড়ক দুর্ঘটনায় আহত হয়ে তিনি ঢাকায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তিনি জানান, ছেলেকে দেখতে পরিবারের সদস্যরাও ঢাকায় অবস্থান করছিলেন। এ সুযোগে ফাঁকা বাড়িতে কৌশলে চোর চক্রের সদস্যরা প্রবেশ করে দরজা ভেঙে বসত ঘরের ভেতরে থাকা মালামাল লুট করে নিয়ে যায়। তোতা মিয়ার দাবি, চুরির ঘটনায় তার পরিবারের প্রায় ৮ লাখ টাকার মালামাল খোয়া গেছে। তিনি আরও জানান, প্রায় দুই মাস আগে একই এলাকায় প্রতিবেশী জাহাঙ্গীর মৃধার বাড়িতেও একইভাবে চুরির ঘটনা ঘটেছিল। ওই ঘটনায় স্থানীয় একজনকে আটক করা হয় এবং আরও কয়েকজনের নাম উঠে আসে। পরে চুরি যাওয়া মালামাল উদ্ধার করা হয়েছিল। আগের ওই চুরির ঘটনায় জড়িতদের কেউ তার বাড়িতে চুরি করে থাকতে পারে বলে ধারণা করছেন তিনি। এ ঘটনায় সুষ্ঠু তদন্তের দাবি তার। পুলিশ সদস্যের বাড়িতে চুরির এমন ঘটনায় স্থানীয় বলছেন, সম্প্রতি ভাগ্যকূল ও মান্দ্রা এলাকায় কিশোর গ্যাংয়ের তৎপরতা বেড়ে গেছে। পাশাপাশি মাদক ও অনলাইনে জুয়ায় জড়িয়ে পড়েছে অনেকে। তাই আগের তুলনায় চুরির মতো অপরাধ বেড়ে গেছে। তাদের দাবি, এসব রুখতে প্রশাসনের সঠিক নজরদারি প্রয়োজন। বিষয়টি নিশ্চিত করে শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ১০টার দিকে মুন্সিগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (শ্রীনগর সার্কেল) আনিছুর রহমান জাগো-নিউজকে জানান, এঘটনায় তদন্ত অনুযায়ী পরবর্তী প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। ঘটনার সঙ্গে যারাই জড়িত থাকুক না কেন তাদের দ্রুতই আইনের আওতায় আনা হবে। শুভ ঘোষ/এমআইএইচএস

News সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬ 0
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের ‘পুলিশগিরির’ প্রয়োজন নেই: ইরানের প্রেসিডেন্ট

মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের ‘পুলিশগিরির’ প্রয়োজন নেই: ইরানের প্রেসিডেন্ট

হানিফ পরিবহনের ঢাকাগামী বাসে ইয়াবার বিশাল চালান, চালক-হেলপার গ্রেফতার

হানিফ পরিবহনের ঢাকাগামী বাসে ইয়াবার বিশাল চালান, চালক-হেলপার গ্রেফতার

রান আছে, সেঞ্চুরি নেই—ইংল্যান্ড-পাকিস্তান সিরিজে বিশ্ব রেকর্ড

রান আছে, সেঞ্চুরি নেই—ইংল্যান্ড-পাকিস্তান সিরিজে বিশ্ব রেকর্ড

মাসব্যাপী ইসলামি বইমেলা শুরু
মাসব্যাপী ইসলামি বইমেলা শুরু

পবিত্র কোরআন ও হাদিস ছাড়াও দেশে প্রকাশিত ইসলামি বইয়ের বৈচিত্র্য ও সংখ্যা প্রচুর। সেসব বইয়ের সঙ্গে বিদেশি প্রকাশকদের প্রকাশনা নিয়ে বিশাল আয়তনে ইসলামি বইয়ের মেলা শুরু হয়েছে আজ শনিবার জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের পূর্ব প্লাজা ও সানের সড়কে। সিরাতুন নবী (সা.) হিজরি ১৪৪৭ উপলক্ষে মাসব্যাপী এই ইসলামি বইমেলার আয়োজন করেছে বাংলাদেশ ইসলামিক ফাউন্ডেশন।আজ বিকেলে বায়তুল মোকাররম মসজিদের পূর্ব প্লাজার সামনে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ ভবনসংলগ্ন সড়কে মঞ্চ করে আয়োজন করা হয়েছিল উদ্বোধনী অনুষ্ঠান। এ সড়কের দুই পাশ দিয়ে ছাউনি দিয়ে তৈরি করা হয়েছে মেলার কাঠামো। স্টলগুলোতে সাজসজ্জার কাজ চলছিল। প্রথম দিনের বইমেলায় যেমন হয়। তবে মসজিদের দোতলার পূর্ব প্লাজার বেশির ভাগ স্টলেই বইপুস্তক সাজানো হয়েছে। প্লাজার দক্ষিণ প্রান্তে রয়েছে বিদেশি প্রকাশনীর স্টল।ইসলামিক ফাউন্ডেশন জানায়, এবারই প্রথম বিদেশি প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান মেলায় অংশ নিয়েছে। লেবানন, মিসর ও পাকিস্তানের মোট চারটি প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান এসেছে এবার। মেলায় মোট স্টল রয়েছে ১৭৯টি। অংশ নিয়েছে ১৫০টি প্রকাশনা ও বিক্রেতা প্রতিষ্ঠান। মেলা চলবে আগামী ১২ অক্টোবর পর্যন্ত। প্রতিদিন বেলা ১১টা থেকে রাত ১০টা এবং ছুটির দিনে সকাল ১০টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত মেলা খোলা থাকবে।পবিত্র কোরআন তিলাওয়াতের মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছিল উদ্বোধনী অনুষ্ঠান। তিলাওয়াত করেন জাতীয় মসজিদের মুয়াজ্জিন কারী হাবিবুর রহমান। পরে নাত–এ রাসুল পরিবেশন করেন ওয়াহিদুল ইসলাম। প্রধান অতিথি হিসেবে মেলার উদ্বোধন করে অন্তর্বর্তী সরকারের ধর্মবিষয়ক উপদেষ্টা আ ফ ম খালিদ হোসেন বলেন, ধর্মচর্চা ও ইসলামি মূল্যবোধ উজ্জীবিত করতে এই বইমেলা তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তিনি বলেন, ‘গত ৩০ বছরে আমাদের দেশে আরবি থেকে বাংলায় অনুবাদের ক্ষেত্রে উচ্চমানের অগ্রগতি হয়েছে। শুধু পবিত্র কোরআন বা হাদিসের অনুবাদই নয়, আরবি ভাষায় বিশ্বের বিখ্যাত পণ্ডিতদের বিভিন্ন বিষয়ের বই এবং আরবি সাহিত্যের প্রচুর অনুবাদ করেছেন আমাদের তরুণ আলেমরা। এই অনুবাদ আমাদের বাংলা সাহিত্যকে সমৃদ্ধ করেছে, নতুন মাত্রা দিয়েছে। সেসব বই পাওয়া যাবে এই মেলায়। এর পাশাপাশি বিদেশি প্রকাশকেরা অংশ নেওয়ায় মেলার বৈচিত্র্য ও গুরুত্ব আরও বেড়েছে। আগামী বছরগুলোতে যেন আরও বেশি সংখ্যায় বিদেশি প্রকাশকেরা মেলায় অংশ নেন, সেই চেষ্টা করা হবে।ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক আবদুস সালাম খানের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব এ কে এম আখতার হোসেন প্রামাণিক। বাংলাদেশের প্রকাশকদের পক্ষে আহমদ রফিক, বিদেশিদের মধ্যে লেবাননের প্রকাশক হিশাম আবদুর রহিম ও ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সচিব ইসমাইল হোসেন বক্তব্য দেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে মিসরের রাষ্ট্রদূত উমর ফাহমি অনুষ্ঠানের উপস্থিত থাকলেও তিনি বক্তব্য দেননি। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন ফাউন্ডেশনের প্রকাশনা বিভাগের সম্পাদক খলিলুর রহমান। উদ্বোধনের পর অতিথিরা সবাই স্টলগুলো ঘুরে দেখেন।উদ্বোধনের পর সন্ধ্যায় কিছু কিছু বেচাকেনা শুরু হয়েছিল। ইসলামিক ফাউন্ডেশনের স্টল থেকে প্রাচ্যবিদদের ইংরেজি ভাষায় ইসলাম চর্চা বইটি কিনছিলেন সাফায়েত তৌসিফ। তাঁর বাসা পুরান ঢাকার গেন্ডারিয়া। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আরবি ভাষা ও সাহিত্যে এমফিল করছেন। তাঁর গবেষণার কাজে লাগবে এমন বই খুঁজতেই মেলায় এসেছেন বলে জানালেন। মেলায় বিশেষ কমিশন দিচ্ছে প্রকাশনীগুলো। ইসলামিক ফাউন্ডেশন তাদের বইতে সর্বনিম্ন ৪০ থেকে সর্বোচ্চ ৭০ ভাগ পর্যন্ত কমিশন দিচ্ছে। এই মেলায় কমিশনের ক্ষেত্রে কোনো বাঁধাধরা নিয়ম নেই। প্রকাশকেরা তাঁদের সুবিধা অনুসারে সর্বনিম্ন ২৫ থেকে বিভিন্ন হারে কমিশন দিয়ে বই বিক্রি করছেন।রাহনুমা প্রকাশনীর ব্যবস্থাপক আবু সুফিয়ান জানালেন, তাঁদের প্রকাশনীর বয়স প্রায় ১৩ বছর। তাঁরা মূলত ইসলামি ভাবধারার ফিকশনধর্মী বই বেশি প্রকাশ করেন। সামাজিক উপন্যাস, অ্যাডভেঞ্চার, ভ্রমণকাহিনি মিলিয়ে দুই শতাধিক বই প্রকাশ করেছেন তাঁরা। ইসলামি আইন, ফিকাহ ও গবেষণাভিত্তিক বই প্রকাশ করে ইসলামিক ল’ রিসার্চ অ্যান্ড লিগ্যাল এইড নামের প্রকাশনা প্রতিষ্ঠানটি। তাদের বিপণন ব্যবস্থাপক সরাফত খান জানালেন, তাঁরা একটি মাসিক সাময়িকীও প্রকাশ করে ইসলামি আইন বিষয়ে। প্রথম দিন সন্ধ্যায় মেলা শুরু হয়েছে। সে কারণে ক্রেতার উপস্থিতি বিশেষ ছিল না। সাধারণ পাঠক ছাড়াও এই মেলার বইয়ের নির্দিষ্ট ক্রেতা আছে। তারা মেলায় এলে বেচাকেনা জমে উঠবে বলেই আশা করছেন প্রকাশকেরা।

News সেপ্টেম্বর ১২, ২০২৬ 0
অনুমোদনের পরই পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা ‘মৃত’ হয়ে যেত: অর্থ উপদেষ্টা

অনুমোদনের পরই পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা ‘মৃত’ হয়ে যেত: অর্থ উপদেষ্টা

ববিতা সিং রিপোর্টিং: যেভাবে বলিউডের বিউটি স্ট্যান্ডার্ডের শেকড় ধরে টান দিলেন নিমিশা

ববিতা সিং রিপোর্টিং: যেভাবে বলিউডের বিউটি স্ট্যান্ডার্ডের শেকড় ধরে টান দিলেন নিমিশা

তল্লাশিচৌকিতে না থেমে মোটরসাইকেল দিয়ে এসআইকে ধাক্কা, আরোহীদের খুঁজছে পুলিশ

তল্লাশিচৌকিতে না থেমে মোটরসাইকেল দিয়ে এসআইকে ধাক্কা, আরোহীদের খুঁজছে পুলিশ

পার্কিংয়ে মশার লার্ভা পাওয়ায় রাপা প্লাজাকে জরিমানা, ডিএসসিসির কর্মী বরখাস্ত
পার্কিংয়ে মশার লার্ভা পাওয়ায় রাপা প্লাজাকে জরিমানা, ডিএসসিসির কর্মী বরখাস্ত

ডেঙ্গু প্রতিরোধে দেশব্যাপী তিন মাসের বিশেষ অভিযান শুরু হয়েছে। অভিযানের প্রথম দিনেই রাজধানীর ধানমন্ডির রাপা প্লাজার ভূগর্ভস্থ পার্কিংয়ে জমে থাকা পানিতে এডিস মশার লার্ভা পেয়েছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি)। এ ঘটনায় রাপা প্লাজা কর্তৃপক্ষকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করার পাশাপাশি দায়িত্বে অবহেলার কারণে ডিএসসিসির এক কর্মীকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে।আজ শনিবার সকালে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় ডেঙ্গু প্রতিরোধ কার্যক্রমের উদ্বোধন ঘোষণা করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এরপর তিনি ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) স্থাপিত ডেঙ্গু প্রতিরোধের স্টল পরিদর্শন করেন। সেখানে ডিএনসিসির প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. ইমরুল কায়েস চৌধুরী ডেঙ্গু প্রতিরোধে সিটি করপোরেশনের বিভিন্ন পদক্ষেপ ও ব্যবহৃত উপকরণ সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করেন।উদ্বোধনের পরপরই রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় একযোগে বিশেষ মশক নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম শুরু করে দুই সিটি করপোরেশন।দক্ষিণ সিটির অভিযানের অংশ হিসেবে ধানমন্ডির রাপা প্লাজার গ্রাউন্ড পার্কিং জোন পরিদর্শনে যায় ডিএসসিসির একটি দল। সেখানে লার্ভা পাওয়ায় ৫০ হাজার টাকা জরিমানা আদায়ের পাশাপাশি জমে থাকা পানি অপসারণ ও মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করা হয়। এ ছাড়া মশক নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রমে গাফিলতির প্রমাণ পাওয়ায় ডিএসসিসির স্বাস্থ্য বিভাগের ওয়ার্ড-১৫, অঞ্চল-১–এর দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মী সুশীল চন্দ্র রবিদাসকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে।ডিএসসিসির কর্মকর্তারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, মশার প্রজননস্থল শনাক্ত ও ধ্বংসের ক্ষেত্রে ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান বা সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তা-কর্মচারী—যাঁরই অবহেলা পাওয়া যাবে, তাঁর বিরুদ্ধেই কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।এডিস মশার বংশবিস্তার রোধ ও উৎস নির্মূলের লক্ষ্যে শনিবার রাজধানীর একটি রাস্তায় বর্জ্য অপসারণ ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালনা করছেন ডিএসসিসির কর্মীরা। ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬মাঠে ডিএনসিসির দেড় হাজার কর্মীজাতীয় ডেঙ্গু প্রতিরোধ দিবস উপলক্ষে ঢাকা উত্তর সিটিও তাদের আওতাধীন ৫৪টি ওয়ার্ডে দিনব্যাপী বিশেষ অভিযান চালিয়েছে। ডিএনসিসির স্বাস্থ্য বিভাগের নেতৃত্বে ২৪টি দলে ভাগ হয়ে প্রায় দেড় হাজার কর্মী ও স্বেচ্ছাসেবক এতে অংশ নেন। মশক সুপারভাইজার ও কর্মীদের পাশাপাশি বাংলাদেশ ন্যাশনাল ক্যাডেট কোর (বিএনসিসি) এবং স্কাউট সদস্যরাও এ কার্যক্রমে যুক্ত ছিলেন।মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ, বিমানবন্দর এলাকা, মণিপুরিপাড়া, রাজাবাজার, লালমাটিয়া, ইকবাল রোড, হুমায়ুন রোড, মোহাম্মদপুর, আগারগাঁওসহ বিভিন্ন এলাকায় মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করা হয়। এ সময় বিমানবন্দর এলাকার একটি দোকানে এডিসের লার্ভা পাওয়ায় ৫০০ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। দিনব্যাপী এই কার্যক্রমে বাড়ি বাড়ি গিয়ে সোর্স রিডাকশন, লার্ভিসাইডিং, ছাদবাগান পরিদর্শন, মাইকিং, লিফলেট বিতরণ এবং নোভালিউরন ট্যাবলেট প্রয়োগ করা হয়।ডিএনসিসির প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. ইমরুল কায়েস চৌধুরী প্রথম আলোকে বলেন, বিশেষ কর্মসূচির অংশ হিসেবে প্রতিদিন ১০০ জন প্রশিক্ষিত কর্মী মাঠে কাজ করবেন এবং তাঁরা অ্যাপভিত্তিক রিপোর্টিং করবেন। ২০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এই কর্মসূচি চলবে। এরপর দুই সপ্তাহ পরপর নতুন কর্মসূচি প্রণয়ন করে তিন মাস ধারাবাহিকভাবে এ কার্যক্রম চলবে।নতুন এ কর্মসূচির মূল প্রতিপাদ্য হলো—‘১০০ জন, ১০০ দিন, ১০০ হটস্পট’। বিষয়টি ব্যাখ্যা করে ডিএনসিসির প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা বলেন, ১০০ জন প্রশিক্ষিত কর্মী ১০০ দিনে ১০০টি নির্দিষ্ট হটস্পটের ১০০ শতাংশ প্রজননস্থল অপসারণ অথবা প্রয়োজন অনুযায়ী ট্রিটমেন্ট করবেন। আগে হটস্পট বলতে পুরো ওয়ার্ডকে বিবেচনা করা হতো, যেখানে প্রায় আট হাজার হোল্ডিং থাকে। এবার নির্দিষ্ট ঝুঁকিপূর্ণ স্থান চিহ্নিত করে কাজ করা হচ্ছে। এই ১০০ জনের দলে বিডি ক্লিন, মানবিক সাহায্য সংস্থা এবং এলআইইউপিসির সদস্যরাও থাকবেন।ডিএনসিসি জানিয়েছে, এবারের কর্মসূচিতে শুধু পূর্ণাঙ্গ মশা নিধন নয়; বরং প্রজননস্থল শনাক্ত, উৎস ধ্বংস ও জমে থাকা পানি অপসারণের মাধ্যমে ‘সোর্স রিডাকশন’ বা উৎস নির্মূলকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

News সেপ্টেম্বর ১২, ২০২৬ 0
বিগত ১৮ বছরে বিদ্যুৎ ও গ্যাস খাতকে ধ্বংস করা হয়েছে: ধর্মমন্ত্রী

বিগত ১৮ বছরে বিদ্যুৎ ও গ্যাস খাতকে ধ্বংস করা হয়েছে: ধর্মমন্ত্রী

বিদ্যুৎকেন্দ্রে একের পর এক ত্রুটি, ‘স্যাবোটাজ’ কি না প্রশ্ন রিজভীর

বিদ্যুৎকেন্দ্রে একের পর এক ত্রুটি, ‘স্যাবোটাজ’ কি না প্রশ্ন রিজভীর

পবিত্র ফাতেহা-ই-ইয়াজদহম ২৩ সেপ্টেম্বর

পবিত্র ফাতেহা-ই-ইয়াজদহম ২৩ সেপ্টেম্বর

0 Comments