জাতীয়

ববিতা সিং রিপোর্টিং: যেভাবে বলিউডের বিউটি স্ট্যান্ডার্ডের শেকড় ধরে টান দিলেন নিমিশা

News সেপ্টেম্বর ১২, ২০২৬ 0
ববিতা সিং রিপোর্টিং: যেভাবে বলিউডের বিউটি স্ট্যান্ডার্ডের শেকড় ধরে টান দিলেন নিমিশা
ববিতা সিং রিপোর্টিং: যেভাবে বলিউডের বিউটি স্ট্যান্ডার্ডের শেকড় ধরে টান দিলেন নিমিশা

নিমিশা সাজায়ান মূলত মালায়ালাম, তামিল এবং হিন্দি সিনেমা ও ওয়েব সিরিজে অভিনয় করেন। ২০১৭ সালে তন্ডি মুথালুম দিকসাক্ষীওম চলচ্চিত্রের মাধ্যমে তার রূপালী পর্দায় অভিষেক ঘটে এবং পরবর্তীতে দ্য গ্রেট ইন্ডিয়ান কিচেন (২০২১), নায়াত্তু (২০২১) ও তামিল ছবি চিথা (২০২৩)-এ শক্তিশালী অভিনয়ের মাধ্যমে তিনি ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেন। ২০১৮ সালে ওরু কুপ্রসিদ্ধ পায়্যান এবং চোলা চলচ্চিত্রের জন্য তিনি শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী হিসেবে বিখ্যাত 'কেরালা স্টেট ফিল্ম অ্যাওয়ার্ড' লাভ করেন। ওটিটি প্ল্যাটফর্মেও তিনি বেশ সফল, বিশেষ করে ২০২৪ সালে অ্যামাজন প্রাইমের জনপ্রিয় ক্রাইম ড্রামা সিরিজ পোচার-এ তার মূল চরিত্রটি অত্যন্ত প্রশংসিত হয়। কিন্তু সম্প্রতি কিছুদিন আগে মুক্তিপ্রাপ্ত হিন্দি ভাষার চলচ্চিত্র ববিতা সিট রিপোর্টিং-এ একজন পুলিশ অফিসারের চরিত্রের জন্য প্রায় ১৪ কেজি ওজন বাড়িয়ে তিনি বেশ আলোচনায় আসেন। একেবারে 'র' লুকে নিজেকে তুলে ধরেও নিজস্ব চার্ম ছড়িয়ে তিনি যেন বলিউডের বিউটি স্ট্যান্ডার্ডের শেকড় ধরে টান দিলেন। নিজেকে পারফেক্টলি ফ্লড বা নিখুঁতরকমের খুঁতযুক্ত বলতে পছন্দ করেন এই আত্মবিশ্বাসী দক্ষিণি অভিনেত্রী। ন্যাচারাল স্কিন টোন ও ত্বকের টেক্সচারের সঙ্গে সঙ্গে বডি পজিটিভিটিরও এক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন তিনি। টিপিক্যাল অভিনেত্রীদের কৃত্রিম যত লুকের মাঝে নিমিশা যেন এক ব্যতিক্রম। চলুন এই সাড়া জাগানো অভিনেত্রীর কিছু ন্যাচারাল লুকে দেখে আসি ইন্সটাগ্রাম থেকে।

ববিতা সিং রূপে নিমিশা অত্যন্ত সাধারণ এক মেয়ের লুকে মন জয় করেছেন সবার
এখানে এক পুলিশ অফিসারের চরিত্রে একেবারে বিশ্বাসযোগ্য লুকে দেখা গিয়েছে তাঁকে
ন্যাচারাল লুকে শাড়ির সাজে নিমিশা
দক্ষিণি আমেজের রাজেন্দ্রানী
বেগুনি শাড়ি আর গোলাপি চুড়িতে নিমিশা
সবুজ এথনিকওয়্যার আর ঝুমকায় আবেদন ছড়াচ্ছেন তিনি
হাই ওয়েস্টেড জিনস আর কালো ট্যাংক টপে নিমিশা
হলুদ শাড়ির লুকে দেখা যাচ্ছে তাঁকে
এখানে পরেছেন ডিপনেক লাল ব্লাউজ আর সাদা পাথরের নেকপিস
নো ব্লাউজ লাল শাড়ির লুকে নিমিশা
এক ঢাল চুল আর সাদা পোশাকে মায়াবী লুকে নিমিশা

ছবি: ইন্সটাগ্রাম

Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

ব্যাটিং বিপর্যয়ে দিন শুরু, লড়াইয়ে ফিরতে মরিয়া টাইগাররা

কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন

জাতীয়

View more
ঝাড়ু মিছিল করে রুমিন ফারহানাকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা
ঝাড়ু মিছিল করে রুমিন ফারহানাকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানাকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করেছে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ উপজেলা বিএনপি। শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) বিকেলে উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা ঝাড়ু হাতে বিক্ষোভ মিছিল করে তাকে আশুগঞ্জে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করেন। উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা মিছিলে অংশ নেন। এর আগে আশুগঞ্জ উপজেলা বিএনপির কার্যালয়ে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ হয়। পরে সেখান থেকে ঝাড়ু হাতে মিছিলটি বের হয়ে উপজেলার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। মিছিল শেষে নেতাকর্মীরা পুনরায় বিএনপি কার্যালয়ের সামনে সমবেত হন। আশুগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. শাহজাহান সিরাজের সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তব্য দেন জেলা বিএনপির সদস্য মো. জাকির হোসেন, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. হাবিবুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক কামাল হোসেন জয় ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শামীম চৌধুরী প্রমুখ। সভাপতির বক্তব্যে হাজী মো. শাহজাহান সিরাজ বলেন, ‘রুমিন ফারহানার পরিবারের ইতিহাস দালালি আর বিশ্বাসঘাতকতার ইতিহাস। তার বাবা নির্বাচন করে জামানত হারিয়েছিলেন। তিনি আওয়ামী লীগের প্রোডাক্ট।’ তিনি আরও বলেন, ‘সরকারের ছয় মাস যেতে না যেতেই গ্যাস-বিদ্যুতের অজুহাতে অসংসদীয় ভাষায় সংসদে বক্তৃতা করে মূলত ভারত ও আওয়ামী লীগের পারপাস সার্ভ করছেন। আমরা তার এ বক্তব্য ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করছি। আশুগঞ্জের মাটিতে তাকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করছি।’ এর আগে ৯ সেপ্টেম্বর জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনে বিএনপির সমালোচনা করে বক্তব্য দেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল, আশুগঞ্জ ও বিজয়নগরের একাংশ) আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা। আবুল হাসনাত রাফি/এমআইএইচএস

News সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬ 0
‘পিসিওএস’কে ‘পিএমওএস’ নামে ডাকার আহ্বান

‘পিসিওএস’কে ‘পিএমওএস’ নামে ডাকার আহ্বান

যৌথ ঘোষণাপত্রে একমত ব্রিকস

যৌথ ঘোষণাপত্রে একমত ব্রিকস

প্রভাসের ‘স্পিরিট’ নিয়ে সমালোচকদের চ্যালেঞ্জ প্রণয়ের

প্রভাসের ‘স্পিরিট’ নিয়ে সমালোচকদের চ্যালেঞ্জ প্রণয়ের

মৃত্যুর ৮ মাস পর দেশে ফিরল লিবিয়াপ্রবাসীর মরদেহ
মৃত্যুর ৮ মাস পর দেশে ফিরল লিবিয়াপ্রবাসীর মরদেহ

লিবিয়ায় তরিকুল ইসলামের মৃত্যুর খবর পরিবার পেয়েছিল আট মাস আগে। তবে আইনি ও প্রশাসনিক জটিলতায় তাঁর মরদেহ দেশে ফিরবে কি না, তা নিয়ে অনিশ্চয়তায় ছিলেন স্বজনেরা। দীর্ঘ অপেক্ষার পর আজ শনিবার বিকেলে কফিনে করে তাঁর মরদেহ পৌঁছে জয়পুরহাটে গ্রামের বাড়িতে।তরিকুল ইসলাম (২৫) ক্ষেতলাল উপজেলার আলমপুর ইউনিয়নের গুরুড়া গ্রামের বাসিন্দা। পরিবারের অভাব-অনটন দূর করতে প্রায় সাত বছর আগে তিনি লিবিয়ায় যান।স্বজনেরা বলেন, লিবিয়ায় অবস্থানকালে গত ৩ জানুয়ারি অসুস্থ হয়ে তরিকুলের মৃত্যু হয়। পরিবারের সদস্যদের তাঁর মৃত্যুর খবর জানানো হয়েছিল। এরপর মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া শুরু হয়। কিন্তু আইনি ও প্রশাসনিক জটিলতায় সেই প্রক্রিয়া দীর্ঘায়িত হয়। আট মাস ধরে তাঁরা অপেক্ষায় ছিলেন, শেষ পর্যন্ত তরিকুলের মরদেহ দেশে ফিরবে কি না।তরিকুল ইসলামশনিবার দুপুরে তরিকুলের মরদেহ ঢাকা বিমানবন্দরে পৌঁছায়। বিকেল চারটার দিকে মরদেহ গ্রামের বাড়িতে নেওয়া হয়। বিকেল পাঁচটার দিকে স্থানীয় ঈদগাহ মাঠে জানাজা হয়। এতে স্বজন, প্রতিবেশীসহ স্থানীয় লোকজন অংশ নেন। জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাঁর মরদেহ দাফন করা হয়।আলমপুর ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আব্দুল মোত্তালেব হোসেন বলেন, তরিকুল অবৈধভাবে লিবিয়ায় গিয়েছিলেন। আইনি ও প্রশাসনিক জটিলতার কারণে দেশে তাঁর মরদেহ দেরিতে ফিরেছে।

News সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬ 0
নোয়াখালী পৌর বণিক সমিতির সভাপতি আপেল, সম্পাদক মুকুল

নোয়াখালী পৌর বণিক সমিতির সভাপতি আপেল, সম্পাদক মুকুল

ঘুষ-দুর্নীতিই এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জাতীয়করণের প্রধান অন্তরায়

ঘুষ-দুর্নীতিই এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জাতীয়করণের প্রধান অন্তরায়

বায়তুল মোকাররমে শুরু মাসব্যাপী আন্তর্জাতিক ইসলামি বইমেলা

বায়তুল মোকাররমে শুরু মাসব্যাপী আন্তর্জাতিক ইসলামি বইমেলা

৬৩ বিদেশির কারও কাছে মিললো না পাসপোর্ট, খুলশীতে কী করছিলেন তারা?
৬৩ বিদেশির কারও কাছে মিললো না পাসপোর্ট, খুলশীতে কী করছিলেন তারা?

চট্টগ্রাম নগরের খুলশীতে অনলাইন প্রতারণার অভিযোগে গ্রেফতার ৬৩ বিদেশি নাগরিকের কারও কাছেই পাসপোর্ট পাওয়া যায়নি। তাদের কাছ থেকে ১৩৪টি মোবাইল ফোন ও ৫৭টি ল্যাপটপসহ বিভিন্ন ডিভাইস উদ্ধার করা হলেও পাসপোর্টের কোনো হদিস মেলেনি। ফলে গ্রেফতার ব্যক্তিরা কোন ভিসায় বাংলাদেশে প্রবেশ করেছেন, সে তথ্যও এখনো নিশ্চিত করতে পারেনি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান অতিরিক্ত কমিশনার (অপরাধ ও অভিযান) ফয়সাল আহমেদ। তিনি জানান, গ্রেফতার ৬৩ বিদেশির মধ্যে লাওসের ৩৪ জন, পাকিস্তানের ২১ জন, চীনের পাঁচজন, নেপালের একজন ও ভিয়েতনামের একজন রয়েছেন। তাদের মধ্যে ২০ জন নারী। এছাড়া তাদের সঙ্গে একটি শিশুও ছিল। অতিরিক্ত কমিশনার বলেন, বিদেশিদের কাছ থেকে ১৩৪টি মোবাইল ফোন এবং বিভিন্ন ব্র্যান্ডের ৫৭টি ল্যাপটপ উদ্ধার করা হয়েছে। তবে কারও কাছেই পাসপোর্ট পাওয়া যায়নি। তিনটি পাকিস্তানি জাতীয় পরিচয়পত্র ও কম্বোডিয়ার একটি চাকরির কার্ড পাওয়া গেছে। পুলিশ জানায়, খুলশীর কৃষ্ণচূড়া আবাসিক এলাকার একটি আটতলা ভবন পুরোপুরি ভাড়া নিয়ে সেখানে অনলাইনে বিভিন্ন ধরনের প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ড চালানো হচ্ছিল। প্রায় ছয় মাস আগে দুবাইপ্রবাসী এক ব্যক্তির মালিকানাধীন ভবনটি মাসে চার থেকে পাঁচ লাখ টাকায় ভাড়া নেওয়া হয়। সেখানে দেশভেদে আলাদা করে বিদেশি নাগরিকদের রাখা হয়েছিল এবং তাদের জন্য রান্নার ব্যবস্থাও ছিল। পুলিশ কর্মকর্তারা জানান, মহসিন নামে এক ব্যক্তির কাছে অধিকাংশ বিদেশির পাসপোর্ট রয়েছে। তিনিই ভবনটি ভাড়া নিয়ে বিদেশিদের থাকা ও অন্যান্য বিষয় দেখভাল করতেন। বর্তমানে তাকে খুঁজছে পুলিশ। কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটের কর্মকর্তাদের ধারণা, চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে এসব বিদেশিকে বাংলাদেশে আনা হয়ে থাকতে পারে। তাদের কেউ কেউ অনলাইন মার্কেটিংয়ের নামে পণ্য দেওয়ার কথা বলে অগ্রিম টাকা নেওয়া কিংবা হানিট্র্যাপের মতো প্রতারণায় জড়িত থাকতে পারেন। তবে কী ধরনের প্রতারণা করা হতো, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে পুলিশ। এ বিষয়ে তদন্ত চলছে। অতিরিক্ত কমিশনার ফয়সাল আহমেদ বলেন, পুরো ভবনটি ভাড়া নিয়ে দেশি-বিদেশি কয়েকটি চক্র অনলাইন প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ড চালাচ্ছিল। প্রতারণার ধরন বিস্তারিতভাবে তদন্ত করা হচ্ছে। আপাতত তাদের বিরুদ্ধে সাইবার সুরক্ষা আইনে মামলা করা হয়েছে। খুলশী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুর রহিম বলেন, গ্রেফতার ব্যক্তিদের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে তারা কবে এবং কোন ভিসায় বাংলাদেশে এসেছেন, তা জানার চেষ্টা করা হবে। বর্তমানে মামলাটির তদন্ত করছে কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিট। এমআরএএইচ/এমআইএইচএস/

News সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬ 0
‘প্রিয় মানুষদের সামনে গান করতে পেরে আনন্দিত হয়েছি’

‘প্রিয় মানুষদের সামনে গান করতে পেরে আনন্দিত হয়েছি’

ডেঙ্গু প্রতিরোধে দেশজুড়ে প্রচারপত্র বিতরণ করবে বিএনপি

ডেঙ্গু প্রতিরোধে দেশজুড়ে প্রচারপত্র বিতরণ করবে বিএনপি

ডেঙ্গুতে প্রাণ গেলো অন্তঃসত্ত্বার, বাঁচেনি গর্ভের সন্তানও

ডেঙ্গুতে প্রাণ গেলো অন্তঃসত্ত্বার, বাঁচেনি গর্ভের সন্তানও

0 Comments