সংসদের ভেতরে বারবার কথা বলেও কোনো সমাধান না পেয়ে বাধ্য হয়ে রাজপথে নামতে হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান। তিনি অভিযোগ করেন, এখন স্বৈরাচার ফিরে আসবে—এমন কথা বলে তাঁদের ভয়ভীতি দেখানো হচ্ছে।
আজ শনিবার বিকেলে জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে টাঙ্গাইল জেলা জামায়াতের দায়িত্বশীল সমাবেশে দলের আমির এ কথা বলেন।
দেশের মানুষ ভালো নেই, দেশও ভালো নেই মন্তব্য করে জামায়াতের আমির শফিকুর রহমান বলেন, জনগণের অধিকার আদায়ে বিরোধী দলকে চৌকিদার ও ভ্যানগার্ডের ভূমিকা পালন করতে হয়। দেশের যেখানেই অসংগতি দেখা যাবে, সেখানেই তাঁরা কথা বলবেন।
শফিকুর রহমান বলেন, তেল, গ্যাস ও বিদ্যুৎ–সংকট সমাধানে সরকারকে সহযোগিতা করতে চেয়েছিলাম। কিন্তু সরকার সেই প্রস্তাব গ্রহণ করেনি। জ্বালানি ও বিদ্যুৎ–সংকটের কারণে শিল্প উৎপাদন আরও কমতে থাকলে মালিকদের পক্ষে ব্যাংকঋণ পরিশোধ, কারখানা চালু রাখা এবং শ্রমিকদের কর্মসংস্থান ধরে রাখা কঠিন হয়ে পড়বে। প্রয়োজনে অন্য খাত থেকে কাটছাঁট করে শিল্প খাতে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সরবরাহ বাড়ানোর পরামর্শ দেন তিনি।
নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম মানুষের নাগালের মধ্যে রাখার আহ্বান জানিয়ে বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, মধ্যস্বত্বভোগী, সিন্ডিকেট ও চাঁদাবাজির কারণে জনজীবন অতিষ্ঠ। চাঁদাবাজি বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে সরকারকে আহ্বান জানান তিনি।
দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণে সরকারকে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে শফিকুর রহমান বলেন, ‘দুর্নীতির লাগাম টানা না গেলে সরকারের কোনো পরিকল্পনাই সফল হবে না। জনগণ আমাদের কাছে বলে, আপনাদের (সরকারের কাছে) কাছেও নিশ্চয় বলেন, দুর্নীতির মাত্রা আগের থেকে বৃদ্ধি পেয়েছে। এটার যদি আমরা লাগাম টেনে ধরতে না পারি, তাহলে যত পরিকল্পনাই আমরা নিই—আসলে তা সফলতার মুখ দেখবে না।’
বক্তব্যে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের প্রসঙ্গ তুলে শফিকুর রহমান বলেন, ‘প্রেসিডেন্ট হওয়ার আগে তিনি তার অনুভূতি ব্যক্ত করে বলেছিলেন, চার-পাঁচ মাসে কোনো পরিবর্তন হয়নি, বরং দুর্নীতির প্রবৃদ্ধি হয়েছে। এটা আমার কথা নয়, এটা মহামান্য প্রেসিডেন্ট জনাব মির্জা ফখরুল ইসলাম সাহেবের কথা।’
শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা। ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে। সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।” জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর। সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।
বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে। চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে। দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।
কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন
ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান বলেছেন, মধ্যপ্রাচ্যে ‘আঞ্চলিক পুলিশের’ ভূমিকায় থাকা যুক্তরাষ্ট্রের কোনো প্রয়োজন নেই। ভারতে ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনের ফাঁকে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের সঙ্গে বৈঠক করেন পেজেশকিয়ান। সেখানে তিনি বলেন, ‘আমাদের কোনো আঞ্চলিক পুলিশের দরকার নেই।’ইরানের প্রেসিডেন্টের কার্যালয় জানায়, পেজেশকিয়ান আরও বলেছেন, ‘এ অঞ্চলের ভৌগোলিক অখণ্ডতা ও নিরাপত্তা কেবল এখানকার মূল পক্ষ এবং দেশগুলোই নিশ্চিত করতে পারে।’ ইরানের প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘আমাদের জনগণ নানা অবিচারের শিকার হয়েছে। তা সত্ত্বেও আমরা যুদ্ধ চাই না, যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হোক তা–ও চাই না। শান্তি প্রতিষ্ঠা করাই আমাদের প্রধান অগ্রাধিকার।’গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানে হামলা চালায়। এই হামলার জবাবে ইরান পুরো অঞ্চলে মার্কিন সামরিক ঘাঁটি ও স্থাপনাগুলোতে পাল্টা হামলা চালায়। একই সঙ্গে তেহরান হরমুজ প্রণালি কার্যত বন্ধ করে দেয়। বিশ্বের মোট জ্বালানির পাঁচ ভাগের এক ভাগ এই নৌপথ দিয়ে পরিবাহিত হয়। যার ফলে যুক্তরাষ্ট্রসহ সারা বিশ্বে জ্বালানি নিয়ে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। হরমুজের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ইরান–যুক্তরাষ্ট্র মুখোমুখি অবস্থান নিয়েছে। যুদ্ধ শুরুর ছয় মাস পেরিয়ে গেলেও সমঝোতার আভাস নেই। চলতি সপ্তাহে বিশ্ববাজারে তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলার ছাড়িয়ে গেছে।
গত আওয়ামী লীগ (কার্যক্রম নিষিদ্ধ) সরকারের সময়ে পুরো রাষ্ট্রব্যবস্থা স্বজনপ্রীতি ও বৈষম্যে ছেয়ে গিয়েছিল বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর। তিনি বলেছেন, ওই সরকারের সময় স্বজনপ্রীতির কারণে পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনাও দলীয় মনোভাবাপন্ন কয়েকজনকে দিয়ে প্রণয়ন করা হতো। ফলে অনুমোদনের পরদিনই পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা ‘মৃত’ হয়ে যেত।আজ শনিবার সাভারের বিরুলিয়ায় ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ক্যাম্পাসে সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজ (সিজিএস) উদ্বোধন উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি। গত সরকারের শাসনামলে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলো কীভাবে দুর্বল হয়ে পড়েছিল, তা নিয়ে গবেষণা হওয়া দরকার বলেও মন্তব্য করেন অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা।রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেন, বর্তমান সরকার দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন, নীতি সংস্কার ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা প্রণয়নের লক্ষ্যে একটি পরামর্শক কমিটি গঠন করেছে। এতে দেশের খ্যাতনামা অর্থনীতিবিদ, গবেষক, শিক্ষাবিদ এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের উচ্চপর্যায়ের ৩৬ জন প্রতিনিধিকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।গত সরকারের সময়ে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর অবস্থা তুলে ধরে অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা বলেন, প্রতিষ্ঠানগুলোকে ভেঙে চুরমার করে দেওয়া হয়েছিল। সেখানে কোনো জবাবদিহি ছিল না। এ জন্য সরকারের লোকজন পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছেন।ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের স্বজনপ্রীতি ও বৈষম্যের প্রভাব অর্থনীতি ও কর্মসংস্থান পড়েছে দাবি করে অর্থ উপদেষ্টা বলেন, একদিকে বেকারত্ব বেড়েছে অন্যদিকে বৈষম্যও বৃদ্ধি পেয়েছে। জুলাইয়ের আন্দোলনের মধ্য দিয়ে বৈষম্যের বিরুদ্ধে মানুষের আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ পেয়েছে। তাই বৈষম্য কমানো, সামাজিক সুবিচার নিশ্চিত করা এবং সবার অংশগ্রহণের সুযোগ তৈরি করতে শক্তিশালী ও জবাবদিহিমূলক প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা জরুরি।২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে এক ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে উন্নীত করার লক্ষ্য সামনে রেখে স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে বলেও জানান অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা।বিনা পয়সায় সুশাসন নয়অনুষ্ঠানে জাতীয় অধ্যাপক মাহবুব উল্লাহ বলেন, সুশাসনের ধারণা নতুন নয়। তবে বিনা পয়সায় সুশাসন নিশ্চিত হবে না। ভালো শাসন প্রতিষ্ঠার জন্য বিনিয়োগ প্রয়োজন। প্রশাসন, শিক্ষা ও প্রশিক্ষণসহ সব ক্ষেত্রে বিনিয়োগ বাড়াতে হবে। সুশাসন নিশ্চিত হলে উন্নয়নের সুফলও দৃশ্যমান হবে।বাংলাদেশে আইনশৃঙ্খলা, রাজস্ব, ভূমি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও ব্যবসাসহ প্রায় সব ক্ষেত্রেই শাসনব্যবস্থার সমস্যা রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, শুধু ডিজিটাল ব্যবস্থা চালু করলেই দুর্নীতি বন্ধ হবে না। এর জন্য আস্থা, ন্যায়নীতি ও জবাবদিহি প্রয়োজন। রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক কাঠামোয় পৃষ্ঠপোষকতাভিত্তিক ব্যবস্থা ও অলিগার্কি থাকলে ভালো শাসন নিশ্চিত করা কঠিন।অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজের পরিচালক আবদুল বাকি। বাংলাদেশে চলমান পরিবর্তনকে ভবিষ্যতের পথে এগিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, জনগণের প্রত্যাশা এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি। শুধু সুশাসনের কথা বললেই হবে না, বাস্তবে কী ঘটছে জনগণ তা দেখতে চায়।ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির উপাচার্য অধ্যাপক এম আর কবির বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের দায়িত্ব শুধু শিক্ষা দেওয়া নয়; জ্ঞান সৃষ্টি, দায়িত্বশীল নেতৃত্ব তৈরিও। পাশাপাশি জাতীয় ও বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় অবদান রাখা। সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজ প্রতিষ্ঠা বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক উৎকর্ষ, গবেষণা, উদ্ভাবন ও সামাজিক প্রভাব তৈরির যাত্রায় গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক।সিজিএস আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন উপলক্ষে আয়োজিত ‘কানেকটিং নলেজ, পলিসি অ্যান্ড প্র্যাকটিস ফর বেটার গভর্ন্যান্স’ শীর্ষক জাতীয় গোলটেবিল বৈঠকে শিক্ষক, গবেষক, নীতিনির্ধারক, উন্নয়নকর্মী, সাংবাদিক ও বিভিন্ন পর্যায়ের পেশাজীবীরা অংশ নেন।
বিগত ১৮ বছরে বিদ্যুৎ ও গ্যাস খাতকে ধ্বংস করা হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন (কায়কোবাদ)। তিনি বলেন, এই ধ্বংসস্তূপ থেকে বিদ্যুৎ ও গ্যাস খাতকে পুনর্গঠন করে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে সরকারকে সময় দিতে হবে। সরকারকে প্রয়োজনীয় সময় দিলে বর্তমান সংকট দ্রুত কেটে যাবে। শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) বিকেলে বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের পূর্ব চত্বরে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের প্রকাশনা বিভাগ আয়োজিত মাসব্যাপী ইসলামী বইমেলার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। মন্ত্রী বলেন, একটা বাচ্চা যখন জন্মগ্রহণ করে, তারপরই যদি তাকে ‘আব্বা’ ডাকতে বলা হয়—কোনোদিন তা সম্ভব হবে? বাচ্চাকে সময় দিতে হবে, বড় করতে হবে। যখন বাচ্চা বড় হবে তখন সে অটোমেটিক আব্বা ডাকবে। ঠিক তেমনি বর্তমান সরকারকেও পর্যাপ্ত সময় দিতে হবে। ধর্মমন্ত্রী দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, সরকারকে কাজ করার জন্য প্রয়োজনীয় সময় দিলে ইনশা আল্লাহ বর্তমান অবস্থা থাকবে না। মহান আল্লাহর ওপর পূর্ণ আস্থা রেখে ধৈর্যের সঙ্গে সঠিক পথে কাজ করে যাওয়া এবং সরকারকে সময় ও সহযোগিতা দিলে দেশের সব সংকটের সমাধান সম্ভব বলে তিনি মন্তব্য করেন। কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ বলেন, সাধারণ মানুষের মধ্যে ইসলামি জ্ঞানচর্চা, পাঠাভ্যাস ও নৈতিক মূল্যবোধের প্রসারে মাসব্যাপী এই ইসলামী বইমেলা বিশেষ ভূমিকা রাখবে। মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর পবিত্র জীবনাদর্শ প্রসঙ্গে ধর্মমন্ত্রী বলেন, মহানবী (সা.)-এর মহান জীবন-আদর্শ এবং ইসলামের শান্তি ও কল্যাণময় বার্তা সবার মধ্যে ছড়িয়ে দেওয়ার লক্ষ্যেই এমেলার আয়োজন করা হয়েছে। ধর্মমন্ত্রী বলেন, বিগত ১৮ বছর ধরে ইসলামিক ফাউন্ডেশনকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার ও আওয়ামী লীগীকরণ করা হয়েছিল। অতীতের মুজিববাদী প্রভাব থেকে মুক্ত করে এই প্রতিষ্ঠানকে পবিত্র কোরআন ও হাদিস প্রচারের প্রকৃত কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা হবে। প্রতিষ্ঠানের প্রশাসনিক স্বচ্ছতার ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, ইসলামিক ফাউন্ডেশন থেকে সর্বপ্রকার অন্যায় ও অবিচার চিরতরে দূর করতে হবে। কোনো হালাল কাজের জন্য যেন কাউকেই এক পয়সাও দিতে না হয়, সেভাবে প্রতিষ্ঠানটিকে পুনর্গঠন করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি। বর্তমান সরকারের সাফল্য তুলে ধরে তিনি জানান, ২০২৬ সালে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৪ হাজার ৩৪১ জন হাজির অব্যয়িত মোট ৪ কোটি ৮৭ লাখ ২৩ হাজার ১৪ টাকা সরাসরি ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ফেরত দিয়ে বর্তমান সরকার এক নতুন নজীর স্থাপন করেছে। তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রীর তারেক রহমানের ব্যক্তিগত উদ্যোগে এ বছর হজের বিমানভাড়া ১ লাখ ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়, যা ২০২৩ সালেও ছিল ১ লাখ ৯৭ হাজার ৭৯৭ টাকা। প্রধানমন্ত্রীর ভূমিকা উল্লেখ করে তিনি বলেন, স্বাধীনতার পর অন্য কোনো সরকার উদ্যোগ না নিলেও তিনি দেশের ইমাম ও মুয়াজ্জিনদের জন্য সরকারি ভাতার ব্যবস্থা করার উদ্যোগ নিয়েছেন। তিনি জানান, ধর্মীয় নেতা ও সেবাকর্মীদের সম্মানি ভাতার আওতায় আনতে এরই মধ্যেই ১৩ হাজার ৯৪৯ জন ইমাম, মুয়াজ্জিন, পুরোহিত ও সেবাইতকে ভাতা দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও বর্তমান সরকার ‘কৃষক কার্ড’ ও ‘ফ্যামিলি কার্ড’ চালুর পাশাপাশি সারাদেশে খাল খনন ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। এমইউ/এমআইএইচএস