জাতীয়

খুলনায় ছুরিকাঘাতে যুবক নিহত, দুর্বৃত্তরা আসে ২ মোটরসাইকেলে করে

News সেপ্টেম্বর ১০, ২০২৬ 0
খুলনায় ছুরিকাঘাতে যুবক নিহত, দুর্বৃত্তরা আসে ২ মোটরসাইকেলে করে
খুলনায় ছুরিকাঘাতে যুবক নিহত, দুর্বৃত্তরা আসে ২ মোটরসাইকেলে করে

খুলনা নগরীতে দুর্বৃত্তদের ছুরিকাঘাতে মোস্তাকিন (২৮) নামের এক যুবক নিহত হয়েছেন।

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ৮টার দিকে সোনাডাঙ্গা থানার তালুকদার কমিউনিটি সেন্টারের সামনে এ ঘটনা ঘটে। নিহত মোস্তাকিন নগরীর আলকাতরা মিল এলাকার শহিদুলের ছেলে।

পুলিশ ও স্থানীয় বাসিন্দাদের সূত্রে জানা গেছে, রাতে আলকাতরা মিলের পাশে তালুকদার কমিউনিটি সেন্টারের কাছে দাঁড়িয়েছিলেন মোস্তাকিন। এসময় দুটি মোটরসাইকেলে করে চার যুবক এসে ধারালো অস্ত্র দিয়ে তার ওপর হামলা চালান। হামলাকারীরা তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে ছুরিকাঘাত করেন।

আরও পড়ুন

চট্টগ্রামে যুবককে কুপিয়ে হত্যা

পরে স্থানীয় লোকজন গুরুতর আহত অবস্থায় মোস্তাকিনকে উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

সোনাডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, দুর্বৃত্তরা মোস্তাকিনের পিঠ ও কোমরে ছুরিকাঘাত করে। কোমরে আঘাতের কারণে তার মৃত্যু হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। খবর পেয়ে ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। হামলার কারণ জানতে এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের গ্রেফতারে পুলিশ অভিযান শুরু করেছে।

আরিফুর রহমান/একিউএফ

Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

ব্যাটিং বিপর্যয়ে দিন শুরু, লড়াইয়ে ফিরতে মরিয়া টাইগাররা

কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন

জাতীয়

View more
যাকে সামনে পাবেন, তাকেই ভেজাবেন! সিউলের অদ্ভুত পানির যুদ্ধ
যাকে সামনে পাবেন, তাকেই ভেজাবেন! সিউলের অদ্ভুত পানির যুদ্ধ

সিউলের বানপো হান নদীর পার্কে শুরু হয়েছে এমন এক আয়োজন, যেখানে বয়সের হিসাব নেই, নেই হারজিতের খুব একটা চিন্তাও। লক্ষ্য একটাই, যাকে সামনে পাওয়া যায়, তাকেই পানিতে ভিজিয়ে দেওয়া। বিস্তারিত ভিডিওতে…

News সেপ্টেম্বর ১০, ২০২৬ 0
সূর্য হঠাৎ অদৃশ্য হয়ে গেলে পৃথিবীতে জীবন কত দিন টিকবে

সূর্য হঠাৎ অদৃশ্য হয়ে গেলে পৃথিবীতে জীবন কত দিন টিকবে

আজ টিভিতে যা দেখবেন (১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬)

আজ টিভিতে যা দেখবেন (১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬)

কোয়ান্টাম কণাদের পথ পাড়ি দিতে কি সময় লাগে না

কোয়ান্টাম কণাদের পথ পাড়ি দিতে কি সময় লাগে না

সবকিছু ছাপিয়ে মানুষ—এটাই আমরা ভুলে গেছি: আরশ খান
সবকিছু ছাপিয়ে মানুষ—এটাই আমরা ভুলে গেছি: আরশ খান

২০২৪ সালের জুলাই গণ–অভ্যুত্থানের সময় রাজপথে নেমেছিলেন অভিনেতা আরশ খান। সামাজিক মাধ্যমেও ছিলেন সরব। তবে সেই আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত থাকলেও ‘জুলাই যোদ্ধা’ পরিচয় দিতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন না। তাঁর মতে, শব্দটির সঙ্গে যে মূল্য, সততা ও নিরপেক্ষতা থাকার কথা ছিল, তা এখন আর নেই।আরশ খানঢাকার উত্তরার দোলনচাঁপা শুটিংবাড়িতে একটি নাটকের শুটিংয়ে গত মঙ্গলবার জুলাই আন্দোলন প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে আরশ বলেন, ‘জুলাই যোদ্ধা শব্দটা আমার সঙ্গে নিতে চাই না। কারণ, এই শব্দটার যে মূল্য, সততা ও নিরপেক্ষতা থাকা উচিত ছিল, সেটার কোনোটাই আসলে এখন নেই। এই শব্দটা এখন কুৎসিত হয়ে গেছে। হয়তো আমার কথায় অনেকে কষ্ট পেতে পারেন; কিন্তু এই শব্দটা বিক্রি করে অনেক মানুষ ফায়দা লুটেছে। যার কারণে যখন এই শব্দটা শুনি, কেন জানি শ্রুতিমধুর লাগে না।’আরশ খান জুলাই আন্দোলনের সময় রাজপথে নামা নিয়ে কোনো আফসোস নেই আরশ খানের। তিনি বলেন, ‘আমি যে বাচ্চাগুলোর জন্য রাস্তায় নেমেছিলাম, যারা উত্তরার স্কুল বা মাইলস্টোনে পড়ে, তারা কেউ পলিটিকস করছে না। তারা এখন পড়ালেখাই করছে। আমি ওই বাচ্চাগুলোর জন্য রাস্তায় নেমেছিলাম। ওদের জন্য দরকার পড়লে আবার রাস্তায় নামব। ওদের জন্য যত দূর যেতে হয়, আমি যাব।’আন্দোলনের সঙ্গে ক্ষমতার রাজনীতির নিয়ে মানুষের অবস্থান মেলাতে পারেন না বলেও জানান আরশ খান। তাঁর মতে, ‘যারা ক্ষমতার প্র্যাকটিসের জন্য এসবে ছিল, তাদের সঙ্গে আমার বোঝাপড়ায় অনেক পার্থক্য।’আরশ খানঅভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধনকে হেনস্তার ঘটনায় মন্তব্য জানতে চাইলে আরশ বলেন, ‘আমার মস্তিষ্ক বা আমার স্বল্প শিক্ষা, যেটাতে আমি বড় হয়েছি, সেটা আমাকে বলে যে গতকাল রাতের না শুধু, রিসেন্ট টাইমে যেখানে যত মব হয়েছে, এটা হওয়াই উচিত নয়। দেশে আইন আছে, যদি কারও ব্যাপারে কোনো সন্দেহ, যদি কাউকে নিয়ে কোনো জটিলতা থাকে তাহলে আইনের সহায়তা নিয়ে সেটা করা উচিত। কারণ, ২০২৪–এর জুলাইয়ে দেশ যে পরিস্থিতিতে ছিল এখন তো সে অবস্থায় নেই। এখন তো সবকিছু শান্ত। আমার দেশের মানুষগুলো কয়েক বছর ধরেই তো দেখছে, নারীদের রাস্তাঘাটে বেধড়ক পেটাচ্ছি। এটা কি গতকাল রাতে প্রথমবার দেখলাম? না।’কথা প্রসঙ্গে আরশ খান জানান, দেশের প্রত্যেক মানুষ ভিন্ন ভিন্ন দলকে পছন্দ করে। কিন্তু আমরা একজন শিল্পী বা মানুষের ঊর্ধ্বে গিয়ে দলকে দেখা শুরু করেছি। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশে আসলে মানুষ থাকে না। এখানে থাকে আওয়ামী লীগ, বিএনপি, এনসিপি, জামায়াত। ব্যাপারটা এখন এ রকম হয়ে গেছে। আমরা যে সবকিছু ছাপিয়ে মানুষ, সবকিছুর ঊর্ধ্বে মানুষ—এটাই আমরা ভুলে গিয়েছি। একটা দেশে যখন একটা জিনিস লম্বা সময় ধরে প্র্যাকটিস হতে থাকবে, তখন আসলে সেটার বহিঃপ্রকাশ বিভিন্ন জায়গায় বিভিন্নভাবে হবে। আমি আসলে এটাকে সাপোর্ট করি না। শুধু বাঁধন আপা কেন, কোনো নারীর সঙ্গে এমন হোক, এটা আমি সাপোর্ট করি না। কোনো পুরুষের সঙ্গে হোক, এটা আমি সাপোর্ট করি না। কোনো শিল্পীর সঙ্গে হোক, এটা আমি সাপোর্ট করি না। আমার যদি মনে হয়, তার মতামতের সঙ্গে আমার মতামত মিলছে না, আমি তার সঙ্গে কথা বলব না। আমি তার পথে হাঁটব না। আমার যদি মনে হয়, এই মানুষটা ভুল, অন্যায় করেছে—তাহলে আইনের আশ্রয় নিয়ে চেষ্টা করব, সে যেন শাস্তি পায়।’

News সেপ্টেম্বর ১০, ২০২৬ 0
আত্মহত্যা নয়—জীবন সুন্দর, জীবনের স্বাদ সুন্দরতম

আত্মহত্যা নয়—জীবন সুন্দর, জীবনের স্বাদ সুন্দরতম

চোরের ওপর বাটপারি

চোরের ওপর বাটপারি

বিদেশ থেকে বাবার আনা আখরোট দিলো সহপাঠীদের, খেয়ে হাসপাতালে ৭ ছাত্রী

বিদেশ থেকে বাবার আনা আখরোট দিলো সহপাঠীদের, খেয়ে হাসপাতালে ৭ ছাত্রী

মেঘমল্লার বসুর শারীরিক অবস্থার উন্নতি, জানালো এনপিএ
মেঘমল্লার বসুর শারীরিক অবস্থার উন্নতি, জানালো এনপিএ

নেটওয়ার্ক ফর পিপলস অ্যাকশনের (এনপিএ) কেন্দ্রীয় কাউন্সিল সদস্য এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) শাখা ছাত্র ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি মেঘমল্লার বসুর শারীরিক অবস্থার উন্নতি হচ্ছে। বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) রাতে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে এনপিএ। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন মেঘমল্লার বসুর শারীরিক অবস্থার উন্নতি হচ্ছে। বুধবার সন্ধ্যায় নিবিড় পর্যবেক্ষণের স্বার্থে তাকে ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিটে (আইসিইউ) স্থানান্তর করা হয়। চিকিৎসকদের বরাত দিয়ে এনপিএ জানায়, মেঘমল্লার বসুর সিটি স্ক্যানসহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় ল্যাব পরীক্ষার ফলাফল আশাব্যঞ্জক। বর্তমানে তার শারীরিক অবস্থার নিয়মিত পর্যবেক্ষণ চলছে এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসা অব্যাহত রয়েছে। আরও পড়ুন মেঘমল্লার বসু লাইফ সাপোর্টে হাসপাতাল সূত্র ও সংশ্লিষ্টদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের গেট থেকে অসুস্থ অবস্থায় মেঘমল্লার বসুকে উদ্ধার করা হয়। পরে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকরা তার পাকস্থলী ওয়াশ করেন। এরপর থেকে তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন। মেঘমল্লার বসু সোমবার রাতে ফেসবুক একটি পোস্ট দেন। সেখানে ব্যক্তিগত হতাশা, অপরাধবোধ, পারিবারিক বিষয় ও রাজনৈতিক জীবনের বিভিন্ন অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেন। একইসঙ্গে সাবেক প্রেমিকাকে তার মৃত্যুর জন্য দায়ী না করতে এবং মা ও পরিবারের প্রতি খেয়াল রাখার জন্য বন্ধু ও সহযোদ্ধাদের অনুরোধ জানান। এই পোস্ট দেখে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও বিভিন্ন ছাত্র সংগঠনের নেতাকর্মীরা তার সন্ধান শুরু করেন। পরে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের গেট থেকে তাকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হয়। আরটি/একিউএফ 

News সেপ্টেম্বর ১০, ২০২৬ 0
মেঘনার তীরে মোবাইলে গেম খেলছিলেন ৫ যুবক, হঠাৎ বাঁধ ধসে নিখোঁজ ২

মেঘনার তীরে মোবাইলে গেম খেলছিলেন ৫ যুবক, হঠাৎ বাঁধ ধসে নিখোঁজ ২

দক্ষিণখানে চাঁদা না দেওয়ায় গুলির ঘটনায় গ্রেফতার ৪, বিদেশি পিস্তল জব্দ

দক্ষিণখানে চাঁদা না দেওয়ায় গুলির ঘটনায় গ্রেফতার ৪, বিদেশি পিস্তল জব্দ

খুলনায় ছুরিকাঘাতে যুবক নিহত, দুর্বৃত্তরা আসে ২ মোটরসাইকেলে করে

খুলনায় ছুরিকাঘাতে যুবক নিহত, দুর্বৃত্তরা আসে ২ মোটরসাইকেলে করে

0 Comments