জাতীয়

জিন্নাহর ছবি ছেঁড়ার পর গোলাম আযমের ছবি টাঙানো নিয়ে নতুন বিতর্ক

News সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৬ 0
জিন্নাহর ছবি ছেঁড়ার পর গোলাম আযমের ছবি টাঙানো নিয়ে নতুন বিতর্ক
জিন্নাহর ছবি ছেঁড়ার পর গোলাম আযমের ছবি টাঙানো নিয়ে নতুন বিতর্ক

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) সংগ্রহশালায় পাকিস্তানের প্রতিষ্ঠাতা মুহাম্মদ আলী জিন্নাহর ছবি ছিঁড়ে ফেলার পর সেখানে জামায়াতে ইসলামীর সাবেক আমির গোলাম আযমের ছবি টাঙানোর ঘটনা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

এ বিষয়ে ডাকসুর সাধারণ সম্পাদক (জিএস) এস এম ফরহাদ জানিয়েছেন, গোলাম আজমের ছবিটি কে বা কারা সংগ্রহশালায় রেখেছে, তা তিনি জানেন না।

সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সংগ্রহশালায় গোলাম আযমের ছবি থাকার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমি ছবি দেখিনি। কারা করেছে, সেটা ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং করে তাদের কাছে জিজ্ঞাসা করতে পারেন।’

আরও পড়ুন

ডাকসুর সংগ্রহশালায় জিন্নাহর ছবি ছিঁড়ে ফেললেন ঢাবি শিক্ষার্থী

সংগ্রহশালায় গোলাম আযমের ছবিটি রাখা হবে কি না-এমন প্রশ্নের জবাবে ডাকসুর জিএস বলেন, ‘এটি ডাকসুর বডির সিদ্ধান্তের বিষয়।’

তিনি আরও বলেন, সংগ্রহশালা সংস্কারের পর এক সপ্তাহের মধ্যে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে পাওয়া বিভিন্ন মতামত, সংযোজন-বিয়োজন ও সংশোধনের প্রস্তাব নিয়ে ডাকসুর আনুষ্ঠানিক সভায় আলোচনা করা হবে। এরপর এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

ডাকসুর জিএসের ভাষ্য, বর্তমানে সংগ্রহশালাটিকে তারা সম্পূর্ণ বা চূড়ান্ত বলে দাবি করছেন না। বরং শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের গঠনমূলক পরামর্শের ভিত্তিতে সংগ্রহশালাটিকে আরও সমৃদ্ধ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

এর আগে, ডাকসু সংগ্রহশালায় পাকিস্তানের প্রতিষ্ঠাতা মুহাম্মদ আলী জিন্নাহর ছবি সংযোজন নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়। পরে ঢাবির সাবেক শিক্ষার্থী ও ডাকসুর সাবেক ভিপি প্রার্থী আবু তৈয়ব হাবিলদার সংগ্রহশালায় থাকা জিন্নাহর ছবি ছিঁড়ে ফেলেন। এরপর সেখানে গোলাম আযমের ছবি টাঙানোর বিষয়টি নতুন করে আলোচনার জন্ম দেয়।

আরটি/এমএএইচ/

Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

ব্যাটিং বিপর্যয়ে দিন শুরু, লড়াইয়ে ফিরতে মরিয়া টাইগাররা

কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন

জাতীয়

View more
আইনজীবীর কাছে চাঁদা দাবির অভিযোগ, জমি দখলের চেষ্টা
আইনজীবীর কাছে চাঁদা দাবির অভিযোগ, জমি দখলের চেষ্টা

সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী নাদিম মাহমুদের কাছে পাঁচ লাখ টাকা চাঁদা দাবি এবং তা না দেওয়ায় জমি জবরদখলের চেষ্টার অভিযোগে করা নালিশি দরখাস্তটি মামলা হিসেবে এজাহারভুক্ত করার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। আগামী পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে নালিশি দরখাস্তটি এজাহার হিসেবে রেকর্ড করতে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। গত ৮ সেপ্টেম্বর ঢাকার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আয়েশা সিদ্দিকা এ আদেশ দেন। সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) আদালতের আদেশের বিষয়টি সাংবাদিকদের জানান বাদীপক্ষের আইনজীবী। আদালতে দাখিল করা নালিশি দরখাস্তে নাদিম মাহমুদ অভিযোগ করেন, পূর্বপরিকল্পিতভাবে তাকে ভয়ভীতি দেখিয়ে কয়েক দফায় পাঁচ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয়। চাঁদার টাকা না দেওয়ায় তাকে ও তার পরিবারকে সম্পত্তি থেকে উচ্ছেদ এবং জমি দখলের হুমকি দেওয়া হয়। পরে একদল লোক তার মালিকানাধীন ২৫ শতাংশ জমিতে প্রবেশ করে গাছপালা ও মাটি কেটে প্রাচীর নির্মাণের চেষ্টা করেন। আরও পড়ুন ‘হয় ১৩ লাখ টাকা চাঁদা দে, না হয় এলাকা ছাড়’ অভিযোগে বলা হয়, গত ১৪ আগস্ট বিকেল ৪টার দিকে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের রাজেন্দ্রপুর বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন খালপাড় এলাকায় বাদীর বাড়ির সামনে তার পথরোধ করেন কয়েকজন। এ সময় ১ ও ২ নম্বর আসামির নির্দেশে ৩ থেকে ৬ নম্বর আসামি তার কাছে পাঁচ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। এক সপ্তাহের মধ্যে টাকা না দিলে সম্পত্তি থেকে উচ্ছেদ ও জবরদখলের হুমকি দেওয়া হয়। এরপর গত ২৮ আগস্ট বিকেল ৫টার দিকে ৭ থেকে ৯ নম্বর আসামি একইভাবে পাঁচ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। টাকা না দিলে তাকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো এবং সম্পত্তি থেকে উচ্ছেদ করার ভয়ভীতি দেখানো হয়। সর্বশেষ গত ৫ সেপ্টেম্বর দুপুর ১টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত ১ থেকে ৯ নম্বর আসামিসহ অজ্ঞাতনামা আরও ১৫ থেকে ২০ জন ব্যক্তি বাদীর মালিকানাধীন জমিতে প্রবেশ করেন বলে নালিশি দরখাস্তে উল্লেখ করা হয়েছে। বাদীর অভিযোগ, তার বাবা ও জেঠার নামে থাকা সাফ কবলা দলিলের মাধ্যমে পাওয়া ওই জমির পরিমাণ ২৫ শতাংশ। এর মধ্যে আরএস খতিয়ান নম্বর ১৩৪৯ এবং আরএস দাগ নম্বর ৩২৪২-এর ১২ দশমিক ৫০ শতাংশ করে মোট ২৫ শতাংশ জমি রয়েছে। দলিল নম্বর ৫৬২২ ও ৫৬২০, যার তারিখ ১৭ অক্টোবর ১৯৮৮। নালিশি দরখাস্তে আরও বলা হয়, আসামিরা ওই জমিতে প্রবেশ করে গাছপালা ও মাটি কাটতে থাকেন এবং সেখানে প্রাচীর নির্মাণের চেষ্টা করেন। বাদীর পরিবারের সদস্য ও সাক্ষীরা এতে বাধা দিলে আসামিরা উত্তেজিত হয়ে মারধরের চেষ্টা করেন। এ সময় তারা গালিগালাজ ও প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি করেন। খবর পেয়ে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং আসামিদের কর্মকাণ্ড সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে চলে যাওয়ার সময়ও আসামিরা প্রাণনাশের হুমকি দেন বলে দাবি করেন বাদী। এ ঘটনায় ঘটনার দিন ৫ সেপ্টেম্বর থানায় গেলে পুলিশ আদালতে মামলা করার পরামর্শ দেয় বলে নালিশি দরখাস্তে উল্লেখ করেছেন নাদিম মাহমুদ। পরে আত্মীয়-স্বজনের সঙ্গে পরামর্শ করে আদালতে মামলা করতে কিছুটা সময় লেগেছে বলে তিনি জানান। যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ নাদিম মাহমুদের করা নালিশি দরখাস্তে মো. জনি (৩৮), মো. রুবেল (৩৫), মো. দেলোয়ার (৪০), মো. বাবুল (৪২), মো. আবু তাহের (৪৫), মো. আলীম (৪০), মো. নূর হোসেন (৪৫), মো. ইমান আলী এবং মো. ইয়ার হোসেনকে আসামি করা হয়েছে। এছাড়া কানা শুকুর ও অজ্ঞাতনামা আরও ১৫ থেকে ২০ জনকে আসামি করা হয়েছে। আরও পড়ুন ‘কবজিকাটা আনোয়ার গ্রুপের’ হাল ধরেন শাহীন, চলছিল নতুন সদস্য সংগ্রহ অভিযোগে বলা হয়েছে, জনি ও রুবেল উভয়ের বাবা মৃত দীন ইসলাম। দেলোয়ারের বাবা মৃত লাল মিয়া। বাবুল ও আবু তাহেরের বাবা মৃত মোগরব আলী এবং আলীমের বাবা আব্দুল মজিদ। তাদের সবার ঠিকানা দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের পশ্চিমদী এলাকার বটতলা গ্রামে। নূর হোসেনের বাবা মৃত সোনা মিয়া এবং ইমান আলীর বাবা মফি মিয়া। ইয়ার হোসেনের বাবা মৃত আব্দুল আলী। আদালতের নির্দেশ নালিশি দরখাস্তের সঙ্গে দেওয়া বাদীর জবানবন্দি ও অন্যান্য কাগজপত্র পর্যালোচনা করে আদালত এ নির্দেশ দেন। আদেশে আদালত বলেন, বাদীর জবানবন্দি এবং দাখিল করা অন্যান্য কাগজপত্র পর্যালোচনা করা হয়েছে। সার্বিক পর্যালোচনার পর বাদীর আনা অভিযোগ আগামী পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে এজাহার হিসেবে রেকর্ড করার জন্য দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে নির্দেশ দেওয়া হলো। মামলাটি দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ৩৮৫, ৪২৭, ৪৪৭, ১৪৩, ১৪৭, ১৪৯, ৫০৬(২), ১২০-বি ও ৩৪ ধারায় দায়েরের আবেদন করা হয়েছে। বাদীপক্ষ আদালতের কাছে আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি, তাদের জেলহাজতে পাঠানো, ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজ ও ভিডিও আলামত সংগ্রহ এবং সাক্ষীদের সাক্ষ্যগ্রহণের মাধ্যমে অভিযোগের বিচার ও আসামিদের সর্বোচ্চ শাস্তির আবেদন জানিয়েছে। তবে নালিশি দরখাস্তে করা এসব অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্তদের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। এমডিএএ/ইএ

News সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৬ 0
বিজ্ঞাপনে খোলামেলা অভিনেত্রী, বিতর্কের ঝড়

বিজ্ঞাপনে খোলামেলা অভিনেত্রী, বিতর্কের ঝড়

সোনালি আঁশে কৃষকের হাসি

সোনালি আঁশে কৃষকের হাসি

উপদেষ্টার সই জাল করে গরু আমদানির অনুমোদন, কারাগারে অতিরিক্ত এসপি

উপদেষ্টার সই জাল করে গরু আমদানির অনুমোদন, কারাগারে অতিরিক্ত এসপি

ভিড়ের মধ্যে হাতকড়াসহ পালিয়ে গেলেন আওয়ামী লীগ নেতা
ভিড়ের মধ্যে হাতকড়াসহ পালিয়ে গেলেন আওয়ামী লীগ নেতা

কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচরে পুলিশের হাতে গ্রেফতারের পর হাতকড়াসহ পালিয়ে গেছেন কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের এক নেতা। বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার অভিযোগে করা মামলায় গ্রেফতার হয়েছিলেন তিনি। সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে উপজেলার ছয়সূতি ইউনিয়নের মাধবদী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পলাতক রেনু মিয়া ওই এলাকার ইল্লাত মিয়ার ছেলে। তিনি ছয়সূতি ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি। বিকেলে কুলিয়ারচর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাজী আরিফ উদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার অভিযোগে কুলিয়ারচর থানায় রেনু মিয়ার বিরুদ্ধে মামলা হয়। মামলার পর থেকেই তিনি পলাতক ছিলেন। আরও পড়ুন সংস্কার হচ্ছে সাকিব আল হাসানের মাগুরার বাড়ি, যা জানালেন শ্রমিকরা সোমবার দুপুরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে নিজ বাড়ি থেকে রেনু মিয়াকে গ্রেফতার করে পুলিশ। খবর পেয়ে বাড়ির আশপাশে স্থানীয় লোকজন জড়ো হন। তবে এসময় কোনো ধরনের হট্টগোল হয়নি বলে জানিয়েছে পুলিশ। এর মধ্যেই মানুষের ভিড়ের সুযোগ নেন রেনু মিয়া। পুলিশকে ফাঁকি দিয়ে হাতকড়া পরা অবস্থাতেই পালিয়ে যান তিনি। তাকে ধরতে অভিযান শুরু করেছে পুলিশ। কুলিয়ারচর থানার ওসি কাজী আরিফ উদ্দিন বলেন, রেনু মিয়ার পালিয়ে যাওয়ার ঘটনাটি অনাকাঙ্ক্ষিত। বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার ঘটনায় তাকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। তাকে গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এসকে রাসেল/এসআর/এএসএম

News সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৬ 0
পোশাকশিল্পের নীতিনির্ধারণে উচ্চপর্যায়ের কমিটি চায় বিকেএমইএ

পোশাকশিল্পের নীতিনির্ধারণে উচ্চপর্যায়ের কমিটি চায় বিকেএমইএ

ইয়েমেনে তাইজের দিকে এগোচ্ছে সরকারি বাহিনী, বাড়ছে মানবিক সংকট

ইয়েমেনে তাইজের দিকে এগোচ্ছে সরকারি বাহিনী, বাড়ছে মানবিক সংকট

পেট থেকে গড়গড় শব্দ কেন হয়?

পেট থেকে গড়গড় শব্দ কেন হয়?

পদ্মার তীরে নারীর অর্ধগলিত মরদেহ, ওড়নার সঙ্গে বাঁধা ছিল সিমেন্টের ব্লক
পদ্মার তীরে নারীর অর্ধগলিত মরদেহ, ওড়নার সঙ্গে বাঁধা ছিল সিমেন্টের ব্লক

ফরিদপুরে পদ্মার তীর থেকে এক নারীর অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ওই নারীর পরনের ওড়নার সঙ্গে বাঁধা ছিল সিমেন্টের ব্লক ও ইট। সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টার দিকে ফরিদপুর সদরের ডিক্রীরচর ইউনিয়নের কবিরপুর এলাকা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে সিএন্ডবি ঘাট নৌ পুলিশ ফাঁড়ির একটি দল। এর আগে সকাল ৭টার দিকে ডিক্রীরচর ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের পদ্মা নদীর পাড়ে মরদেহটি দেখতে পান এলাকাবাসী। পরে নৌ পুলিশকে খবর দেওয়া হয়। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করা নারীর আনুমানিক বয়স ৩৫ বছর। ওই নারীর পরনে ম্যাক্সি ও ওড়না পড়া ছিল। তবে ওই ওড়নার সঙ্গে সিমেন্টের ভারী ব্লকের অংশ ও ইট বাঁধা ছিল। খবর পেয়ে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) ও পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)-এর সদস্যরা ঘটনাস্থলে আসেন। তবে মরদেহটি পচে যাওয়ায় আঙুলের ছাপ সংগ্রহ করা সম্ভব না হওয়ায় মৃতের পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। খবর পেয়ে নৌ পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) তপন কুমার সাহা ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করেন। এ সময় মরদেহের ওড়নায় পাথর বাঁধা অবস্থায় পাওয়া যায়। পরে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে মরদেহটি ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে সিএন্ডবি ঘাট নৌ পুলিশের উপপরিদর্শক(এসআই) তপন কুমার সাহা বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, কমপক্ষে এক সপ্তাহ আগে ওই নারীকে হত্যা করে সিমেন্টের ব্লক ও ইট বেঁধে পদ্মায় ডুবিয়ে দেওয়া হয়। দীর্ঘ সময় পানিতে থাকায় মরদেহ পচে ফুলে ওঠার পর পাথরসহ নদীর তীরে আটকে থাকে। খবর পেয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন। এন কে বি নয়ন/কেজে/এএসএম

News সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৬ 0
লালকুঠির সংস্কার পুরান ঢাকার পুনরুজ্জীবনে বড় মাইলফলক: ডিএসসিসি প্রশাসক

লালকুঠির সংস্কার পুরান ঢাকার পুনরুজ্জীবনে বড় মাইলফলক: ডিএসসিসি প্রশাসক

গাজীপুরে মানব পাচার মামলায় দম্পতি গ্রেফতার, শিশু উদ্ধার

গাজীপুরে মানব পাচার মামলায় দম্পতি গ্রেফতার, শিশু উদ্ধার

এআই দিয়ে একটি ছবি তৈরিতে কত পানি খরচ করে ডেটা সেন্টার

এআই দিয়ে একটি ছবি তৈরিতে কত পানি খরচ করে ডেটা সেন্টার

0 Comments