জাতীয়

জামায়াত শিবিরকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে তাদের রাজনৈতিক পিতা কে?

News সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬ 0
জামায়াত শিবিরকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে তাদের রাজনৈতিক পিতা কে?
জামায়াত শিবিরকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে তাদের রাজনৈতিক পিতা কে?

মওদুদী নাকি জিন্নাহ—জামায়াত-শিবিরের রাজনৈতিক আদর্শের মূল জায়গায় কে, সেই প্রশ্ন তুলেছেন রাশেদ খাঁন। তার দাবি, পরস্পরবিরোধী চিন্তার দুই ব্যক্তিকে একই সঙ্গে আদর্শ মানতে গিয়ে বর্তমান জামায়াতের রাজনৈতিক অবস্থানে অস্পষ্টতা তৈরি হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী (সচিব পদমর্যাদা) রাশেদ খাঁন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়েছেন।

পোস্টে তিনি লেখেন, ‘জামায়াত শিবিরকে সিদ্ধান্ত নিয়ে যে কোন একজনকে তাদের রাজনৈতিক পিতা মানা উচিত। জামায়াতের প্রতিষ্ঠাতা মওদুদী জামায়াত-শিবিরের রাজনৈতিক পিতা। আর মুহাম্মদ আলী জিন্নাহ পাকিস্তানের জাতির পিতা। কিন্তু দু'জন পরস্পরবিরোধী চিন্তা ও আদর্শের অধিকারী।’

jagonews24

‘মুহাম্মদ আলী জিন্নাহর আদর্শ অনুসরণ করলে মওদুদীর আদর্শ অনুসরণ করা যায় না। কারণ মুহাম্মদ আলী জিন্নাহ ছিলেন মধ্যপন্থী ও পশ্চিমা ভাবধারার জাতীয়তাবাদে বিশ্বাসী মানুষ। আর মওদুদী ছিলেন ইসলামিক ভাবধারায় বিশ্বাসী মানুষ, যেখানে ভৌগোলিক জাতীয়তাবাদ গুরুত্বপূর্ণ নয়। অর্থাৎ দ্বিজাতিতত্ত্বের বিরোধী চিন্তার মানুষ ছিলেন জামায়াতের প্রতিষ্ঠাতা মওদুদী।’

আরও পড়ুন

সমালোচনা করেন, ন্যায়বিচারের বিপক্ষে অবস্থান নয়: রাশেদ খাঁন

তিনি আরও লেখেন, ‘কিন্তু বর্তমান জামায়াত পরস্পরবিরোধী দু'জনকেই তাদের রাজনৈতিক পিতা বা আদর্শ হিসেবে মানতে চায়। কিন্তু যারা প্রকৃতপক্ষে মুওদুদীবাদী, তারা জিন্নাহবাদী হওয়ার চেষ্টা করা মানে মওদুদীবাদী আদর্শ বিচ্যুত হওয়া নয় কি? তাহলে কি বর্তমান জামায়াত মূলধারা থেকে আদর্শচ্যুত?’

‘অর্থাৎ ইসলামিক বা শরিয়া আইন প্রতিষ্ঠার চিন্তা থেকে দূরে সরে গিয়ে পাকিস্তানের জাতির পিতা মুহাম্মদ আলী জিন্নাহকেই তাদের আদর্শ হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে চায়? এ বিষয়ে জামায়াতের রাজনৈতিক অবস্থান পরিষ্কার থাকা জরুরি।’

রাশেদ খাঁন লেখেন, ‘অন্যথায় জামায়াতের বর্তমান নেতাকর্মীরা আধা ইসলামিক, আধা মধ্যপন্থী আদর্শ অনুসরণ করতে গিয়ে তালগোল পাকিয়ে ফেলে বেপরোয়া ও হঠকারী হয়ে উঠছে। এটা নেতাকর্মীদের সমস্যা না। এটা নীতি নির্ধারকদের সমস্যা। ক্ষমতার মোহে জামায়াতের নীতিনির্ধারকরা তাদের নেতাকর্মীদের সঠিক আদর্শের দীক্ষা দিতে ব্যর্থ হচ্ছে।’

‘আর তাই বর্তমান জামায়াতের এই অধঃপতন। যা নিয়ে জামায়াতের সাবেক আমির অধ্যাপক গোলাম আযমের সন্তান ব্রিগেডিয়ার আমান আযমী আফসোস করে বলেছে, আমার বাবা যে জামায়াত করেছে, আর বর্তমান এই জামায়াত এক নয়!’

এমআরএম

Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

ব্যাটিং বিপর্যয়ে দিন শুরু, লড়াইয়ে ফিরতে মরিয়া টাইগাররা

কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন

জাতীয়

View more
সম্পর্ক সহজ করতে শেখ হাসিনাসহ অভিযুক্তদের ফেরতের আহ্বান
সম্পর্ক সহজ করতে শেখ হাসিনাসহ অভিযুক্তদের ফেরতের আহ্বান

আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে সংঘটিত বর্বরতার সঙ্গে জড়িতদের বিচারের স্বার্থে শেখ হাসিনাসহ বিদেশে অবস্থানরত অভিযুক্তদের ফেরত দিতে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। তিনি বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক সহজীকরণের ক্ষেত্রে এসব ব্যক্তিকে ফেরত দেওয়া গুরুত্বপূর্ণ শর্ত। মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি বিষয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের ও ছাত্রলীগ নেতা সাদ্দাম হোসেনের মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার রায় পড়ার বিষয়ে (পরে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ) এক প্রশ্নের উত্তরে জাহেদ উর রহমান বলেন, ভারতের হাইকমিশনারের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে আলোচনা হয়েছে। সেখানে শেখ হাসিনা ও অন্যদের বিষয়ে বাংলাদেশের অবস্থান তুলে ধরা হয়েছে। তিনি বলেন, আমরা শেখ হাসিনাকেই চাইছি, আমরা ওবায়দুল কাদেরসহ অন্যদের চাইবো না কেন? আমি এজন্য ভারত সরকারের কাছেও আহ্বান জানাতে চাই যে বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক সহজীকরণের জন্য এটা একটা গুরুত্বপূর্ণ শর্ত। আরও পড়ুন মানবতাবিরোধী অপরাধ / ওবায়দুল কাদেরসহ ৭ আসামির মৃত্যুদণ্ড প্রধানমন্ত্রীর এই উপদেষ্টা বলেন, শুধু শেখ হাসিনা নন, বিভিন্ন দেশে অবস্থানরত আওয়ামী লীগ সরকারের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অন্য ব্যক্তিদেরও সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর কাছে ফেরত চাওয়া হবে। আওয়ামী লীগ সরকারের ‘বর্বরতা’ শুধু জুলাইয়ের ঘটনাকে কেন্দ্র করে ছিল এমন ধারণা থেকে বেরিয়ে আসারও আহ্বান জানান তিনি। জাহেদ উর রহমান বলেন, শেখ হাসিনার বর্বরতা বহু আগে থেকে চলে আসছে। বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন মানুষ সেই বর্বরতার সঙ্গে জড়িত ছিলেন। তারা অন্য দেশের মাটিতে অবস্থান করে বাংলাদেশের মানুষকে কষ্ট দেয় এমন বক্তব্য ও কর্মকাণ্ডও করছেন। তিনি বলেন, আমি আশা করি ভারত সরকার আমাদের এই সেনসিটিভিটিটা বুঝবেন এবং তাদের আমাদের কাছে হস্তান্তর করবেন। আমাদের চেষ্টা আমরা চালিয়ে যাবো। না চালিয়ে যাওয়ার কোনো কারণ নেই। ভারতীয় হাইকমিশনারের সঙ্গে বৈঠকে এ বিষয়ে তার প্রতিক্রিয়া কী ছিল? এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, হাইকমিশনার বিষয়গুলো শুনেছেন এবং ইস্যু রয়েছে এটি তিনি স্বীকার করেন। জাহেদ উর রহমান বলেন, উনি স্বীকার করেন ইস্যুজ আছে। এটা আমার কাছে একটা পজিটিভ পয়েন্ট মনে হয়েছে। একই সঙ্গে বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক তৈরি ও সম্পৃক্ততার ওপর ভারতীয় হাইকমিশনার জোর দিয়েছেন। তিনি বলেন, দুই দেশের সম্পর্ক উন্নয়নে একে অপরের সংবেদনশীলতার বিষয়গুলো বিবেচনায় নেওয়া এবং প্রয়োজনীয় কিছু ইতিবাচক পদক্ষেপ নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ।  এ সময় শেখ হাসিনার একটি সংবাদ সম্মেলন নিয়ে বাংলাদেশে অসন্তোষ তৈরি হওয়ার পর আওয়ামী লীগের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট আরেকটি সংবাদ সম্মেলন বাতিলের বিষয়টি উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরেন তিনি। পুলিশি অভিযানে ভুল হলে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা পুলিশের অভিযানে সাধারণ মানুষকে ধরে সন্ত্রাসী হিসেবে দেখানোর অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে জাহেদ উর রহমান বলেন, রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোতে কোনো অনিয়ম, দুর্নীতি বা সমস্যা নেই এমন দাবি করা ঠিক হবে না। তবে এ ধরনের ঘটনা ব্যাপকভাবে ঘটছে এমন ধারণার সঙ্গে তিনি দ্বিমত পোষণ করেন। তিনি বলেন, কিছু ঘটনা ঘটছে, কিন্তু এটা এত ওয়াইডস্প্রেড না। পুলিশ কোনো ভুল বা ইচ্ছাকৃত অন্যায় করলে অভিযুক্ত ব্যক্তির আদালতে যাওয়ার সুযোগ রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, বর্তমান সময়ে আদালত স্বাধীনভাবে কাজ করছে এবং তারা ন্যায়বিচার পাবেন বলে সরকার বিশ্বাস করে। আরও পড়ুন হাসিনাকে অপতৎপরতার সুযোগ দেওয়ায় ভারতের ওপর ক্ষুব্ধ জামায়াত আমির তিনি আরও বলেন, কোনো ব্যক্তি ভুল করতে পারেন, এমনকি কারও ওপর অন্যায়ভাবে নিপীড়নও হতে পারে। তবে এ ধরনের ঘটনা যেন ন্যূনতম পর্যায়ে রাখা যায়, সে বিষয়ে সরকার চেষ্টা করবে। সুনির্দিষ্ট তথ্য দিয়ে প্রতিবেদন করার আহ্বান মিথ্যা মামলায় গ্রেফতার এবং আদালতে জামিন না পাওয়ার অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আদালতের বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে মন্তব্য করা যায় না। কারণ আদালত রাষ্ট্রের একটি পৃথক অঙ্গ। সাংবাদিকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, সুনির্দিষ্ট তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে এ ধরনের ঘটনা নিয়ে প্রতিবেদন করা হলে তা বিচার বিভাগের দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের নজরে আসবে। জাহেদ উর রহমান বলেন, একটা ডেমোক্রেটিক কান্ট্রির জন্য, প্রসেসের জন্য জার্নালিজমকে ফোর্থ এস্টেট বলে। আপনারা এই কথাগুলো, আপনারা সুনির্দিষ্ট তথ্য দিয়ে যদি রিপোর্ট তৈরি করেন, আমি বিশ্বাস করি যিনি বিচার বিভাগের অভিভাবক আছেন, বাংলাদেশের মাননীয় প্রধান বিচারপতি, তার নজরে আসবে। তিনি সেই ব্যাপারগুলো খতিয়ে দেখবেন। এমএএস/ইএ

News সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬ 0
কুমিল্লা নগরীতে যুবকের বিবস্ত্র মরদেহ উদ্ধার

কুমিল্লা নগরীতে যুবকের বিবস্ত্র মরদেহ উদ্ধার

সমকামিতা সম্পর্কে দণ্ডবিধির ৩৭৭ ধারা কী বলছে, এর শাস্তি কী?

সমকামিতা সম্পর্কে দণ্ডবিধির ৩৭৭ ধারা কী বলছে, এর শাস্তি কী?

মেহেরপুরে বিপুল পরিমাণ মাদক-টাকা-অস্ত্রসহ বাবা-ছেলে আটক

মেহেরপুরে বিপুল পরিমাণ মাদক-টাকা-অস্ত্রসহ বাবা-ছেলে আটক

ট্যাপিওকা পার্লে জমে থাকা ভালোবাসা
ট্যাপিওকা পার্লে জমে থাকা ভালোবাসা

আবদুল্লাহিল কাফি আমার মিষ্টি পাখি, তুমি আমার এক আকাশ নির্ভেজাল আনন্দ, আমার ধূসর ক্যানভাসে ডানা ঝাপটানো সবচেয়ে রঙিন এক মিষ্টি পাখি। যার চঞ্চল ডানার ছাপেই আমার প্রতিটি সাধারণ দিন মুহূর্তেই অসাধারণ হয়ে ওঠে। জানো তো, তীব্র মন খারাপের মেঘলা দিনেও তোমার ঠোঁটের কোণে এক চিলতে অমলিন রোদের মতো হাসি ফোটাতে আমার খুব বেশি রাজকীয় কিছুর প্রয়োজন হয় না। শুধু এক কাপ ‘বাবল টি’ পরম যত্নে তোমার হাতে তুলে দিলেই হলো! ঠান্ডা সেই গ্লাসের ওপরে জমে থাকা শিশিরবিন্দুর মতোই স্বচ্ছ আর পবিত্র তোমার ভেতরের সেই আনন্দ। স্ট্র দিয়ে যখন তুমি প্রথম চুমুকটি দাও, তোমার চোখের তারা দুটো এক অদ্ভুত মায়ায় আলতো করে নেচে ওঠে। গ্লাসের তলায় জমে থাকা ছোট ছোট বাবলগুলোর মতোই তোমার ভেতরের সমস্ত মেঘ উবে গিয়ে যেন পৃথিবীর সবটুকু খুশি এক জায়গায় জমা হয়। ওই মুহূর্তে তোমার কাচের চুড়ির টুংটাং শব্দের সাথে তোমার মুখের সেই নিষ্পাপ, অপার্থিব আনন্দটুকুর দিকে তাকিয়ে আমি অপলক চোখে এক তীব্র ব্যাকুলতার গল্প বুনে চলি। আরও পড়ুন তোমার কাজল চোখের কাছে আমার মনে হয়, পৃথিবীর সমস্ত ক্লান্তি আর বিষাদ মুছে দেওয়ার জন্য তোমার ওই খুশিতে মাখা এক চিলতে হাসিটুকুই যথেষ্ট। তুমি যেভাবে ওই বাবল টি-কে ভালোবাসো, পরম মায়ায় আগলে রাখো তার প্রতিটি মিষ্টি ফোঁটাকে; তা দেখে আমার মনের গহিনে এক অদ্ভুত কাঙালপনা জেগে ওঠে। আমি বড্ড লোভী হয়ে উঠি তোমার ওই ভালোবাসাটুকুর জন্য! আমার প্রিয় জান্টুস, তুমি যেভাবে ওই এক কাপ বাবল টি-কে নিজের করে নাও, যেভাবে ওটুকু পেলেই তোমার পুরো পৃথিবী মারাত্মক এক ভালো লাগায় মেতে ওঠে, ঠিক ততখানি ব্যাকুলতা কি আমার জন্যও রাখা যায় না? বাবল টির প্রতি তোমার এই যে গভীর, নিখাদ আর অবাধ্য নিঃশর্ত ভালোবাসা আমি ঠিক তেমন একটা ভালোবাসার একচ্ছত্র অধিকার চাই তোমার মনপাড়ায়। আরও পড়ুন এলিয়েনার জন্য ভালোবাসা! তুমি যেমন ওই চেনা স্বাদটুকুতে ডুবে গিয়ে চারপাশের সব ক্লান্তি ভুলে যাও, আমিও ঠিক তেমনি চাই আমার ভালোবাসার অতল সাগরে ডুবে তোমার সমস্ত চঞ্চল ডানা একটু জিরিয়ে নিক। বাবল টির মিষ্টি স্বাদের মতোই আমাদের প্রেমের গল্পটাও এক অদ্ভুত অবিনশ্বর মায়ায় জড়িয়ে থাকুক আজীবন। অনেক ভালোবাসি তোমাকে, আমার সুইট বার্ড! এসইউ

News সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬ 0
ওজোপাডিকোর প্রি-পেইড মিটার রিচার্জ সমস্যার সমাধান হয়েছে

ওজোপাডিকোর প্রি-পেইড মিটার রিচার্জ সমস্যার সমাধান হয়েছে

স্থানীয় সরকার নির্বাচন কবে হবে, সে বিষয়ে সরকারের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত

স্থানীয় সরকার নির্বাচন কবে হবে, সে বিষয়ে সরকারের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত

মহাকাশে অস্ত্র মোতায়েন করেছে যুক্তরাষ্ট্র, এবার কি ‘স্টার ওয়ার্স’ শুরু করবে দেশটি

মহাকাশে অস্ত্র মোতায়েন করেছে যুক্তরাষ্ট্র, এবার কি ‘স্টার ওয়ার্স’ শুরু করবে দেশটি

ছাত্রলীগের সাদ্দাম-ইনানের মৃত্যুদণ্ড
ছাত্রলীগের সাদ্দাম-ইনানের মৃত্যুদণ্ড

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় নিষিদ্ধ ছাত্রসংগঠন ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনানের মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন। প্যানেলের দুই সদস্য হলেন বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর। এ মামলার রায় পড়ার শুরুতেই ওবায়দুল কাদেরের মৃত্যুদণ্ড ঘোষণা করেন ট্রাইব্যুনাল। এরপর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত, যুবলীগের সভাপতি শেখ ফজলে শামস পরশ ও সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিলেরও মৃত্যুদণ্ডের রায় ঘোষণা করেন আদালত। সবশেষে নিষিদ্ধ ছাত্রসংগঠন ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনানেরও মৃত্যুদণ্ডের রায় ঘোষণা করেন ট্রাইব্যুনাল। এ মামলার সব আসামিই পলাতক। এফএইচ/জেএইচ

News সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬ 0
সিলেটে পৌঁছেছেন রাষ্ট্রপতি

সিলেটে পৌঁছেছেন রাষ্ট্রপতি

সাইবার আইনে ‘মানহানি’, ‘হেয়প্রতিপন্ন’ ও ‘গুজব’ বাদ চায় ব্লাস্ট

সাইবার আইনে ‘মানহানি’, ‘হেয়প্রতিপন্ন’ ও ‘গুজব’ বাদ চায় ব্লাস্ট

বাংলাদেশ-চীনের রাজনৈতিক সম্পর্ক এগিয়ে নিতে আলোচনা

বাংলাদেশ-চীনের রাজনৈতিক সম্পর্ক এগিয়ে নিতে আলোচনা

0 Comments