জাতীয়

স্থানীয় সরকার নির্বাচন কবে হবে, সে বিষয়ে সরকারের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত

News সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬ 0
স্থানীয় সরকার নির্বাচন কবে হবে, সে বিষয়ে সরকারের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত
স্থানীয় সরকার নির্বাচন কবে হবে, সে বিষয়ে সরকারের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত

স্থানীয় সরকার নির্বাচন কবে হবে, সে বিষয়ে সরকারের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। 

তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশন স্থানীয় সরকার নির্বাচনের যে সময়সূচি ঘোষণা করেছে, সরকারের সঙ্গে আলোচনা করে সেটি পরিবর্তন, পিছিয়ে দেওয়া কিংবা এগিয়ে নেওয়ার সুযোগ রয়েছে।

মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি বিষয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে উপদেষ্টা এসব কথা বলেন।

জাহেদ উর রহমান বলেন, স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী জানিয়েছেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনের বিষয়ে সরকারের কোনো সিদ্ধান্ত বা নির্ধারিত সময়সীমা নেই। নির্বাচন কমিশন তাদের মতো করে একটি তারিখ ঘোষণা করেছে। সরকারের কাছে যে তথ্য রয়েছে, প্রতিমন্ত্রীর দেওয়া বক্তব্যকেই সেটি হিসেবে গ্রহণ করা হবে।

তিনি জানান, সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচন কমিশন রাষ্ট্রপতি ও সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠানের ক্ষেত্রে সরাসরি সাংবিধানিক দায়িত্বপ্রাপ্ত। অন্য নির্বাচনগুলো আইন অনুযায়ী নির্বাচন কমিশনকে সরকারের সঙ্গে সমন্বয় করেই করতে হয়। স্থানীয় সরকার নির্বাচনও সেই কাঠামোর মধ্যে পড়ে।

নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত সময়সূচি নিয়ে সরকার ও কমিশনের মধ্যে কোনো ‘গ্যাপ’ তৈরি হয়েছে কি না- এমন প্রশ্নের উত্তরে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বলেন, বিষয়টিকে সংঘাত বা গ্যাপ হিসেবে দেখার কোনো কারণ নেই। নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত তারিখ সরকারের সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতে পরিবর্তিত হতে পারে।

তিনি উল্লেখ করেন, সংসদ নির্বাচনের ক্ষেত্রে বিষয়টি ভিন্ন। সংসদের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর্যায়ে নির্বাচন কমিশন সংবিধান অনুযায়ী নিজস্ব এখতিয়ারে নির্বাচন আয়োজন করবে। কিন্তু স্থানীয় সরকার নির্বাচনের ক্ষেত্রে সরকারের সিদ্ধান্ত গুরুত্বপূর্ণ।

প্রধানমন্ত্রীর এই উপদেষ্টা বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনের সময়সূচি নিয়ে তিনি আগে কখনো বলেননি যে এটি নির্বাচন কমিশনের একক বা এক্সক্লুসিভ এখতিয়ার। সরকারের সিদ্ধান্তের বিষয়টি এখানে রয়েছে। নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত তারিখেই নির্বাচন হবে- এমনটি যেমন বলা যাচ্ছে না, তেমনি হবে না, এমনটিও বলা যাচ্ছে না।

আরও পড়ুন

মীর শাহে আলম / ইউপি ভোটের তারিখ ঘোষণার বিষয়ে কিছু জানে না সরকার

তিনি বলেন, সরকার নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে আলোচনা করে নির্বাচন আয়োজন করবে। সরকারের বিবেচনা, প্রস্তুতি এবং অন্যান্য বিষয় পর্যালোচনা করে নির্বাচন নির্ধারিত সময়ে, পরে কিংবা আগেও হতে পারে।

সরকার এখন কী করবে- এমন প্রশ্নের উত্তরে উপদেষ্টা বলেন, সরকার সিদ্ধান্ত নেবে কবে নাগাদ স্থানীয় সরকার নির্বাচন করবে। এরপর নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে সমন্বয় করে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচন হবে এ বিষয়ে কোনো সংশয় নেই।

দলীয় প্রতীক থাকছে না

আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলীয়ভাবে অংশগ্রহণের প্রশ্নে জাহেদ উর রহমান বলেন, এবারের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কোনো দল সরাসরি অংশগ্রহণ করছে না, ব্যক্তিরাই প্রার্থী হবেন।

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে স্থানীয় সরকারের কিছু নির্বাচনে দলীয় প্রতীক ব্যবহারের ব্যবস্থা ছিল। সিটি করপোরেশনের মেয়র এবং উপজেলা বা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদে দলীয় প্রতীক ব্যবহারের সুযোগ ছিল। কিন্তু আগামী স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলীয় প্রতীক থাকছে না।

ফলে কে কোন দলের প্রার্থী এটি সরাসরি নির্বাচনের বিষয় নয় বলেও মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রীর এই উপদেষ্টা।

তিনি বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশগ্রহণমূলক পরিবেশ থাকবে। বিভিন্ন রাজনৈতিক দল তাদের সমর্থিত প্রার্থী দিতে পারে। এরই মধ্যে নতুন একটি দল তাদের সম্ভাব্য প্রার্থী ঘোষণা করেছে।

তিনি আশা প্রকাশ করেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে এবার প্রকৃত প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে। ক্ষমতাসীন দলের ক্ষেত্রেও শুধু একজন প্রার্থী থাকবেন এমন নয়, একই দলের একাধিক ব্যক্তি প্রার্থী হতে পারেন। পাশাপাশি অন্য দলের সমর্থিত প্রার্থীরাও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।

জাহেদ উর রহমান বলেন, অতীতে দলীয় প্রতীক চালু হওয়ার কারণে স্থানীয় নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার ধরন নিয়ে যে সমালোচনা তৈরি হয়েছিল, এবার সেই পরিস্থিতি থাকবে না। আগের মতো একই দলের একাধিক ব্যক্তি এবং বিভিন্ন মতের প্রার্থীদের মধ্যে প্রতিযোগিতামূলক নির্বাচন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

এমএএস/একিউএফ

Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

ব্যাটিং বিপর্যয়ে দিন শুরু, লড়াইয়ে ফিরতে মরিয়া টাইগাররা

কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন

জাতীয়

View more
স্বাস্থ্য নিয়ে উদ্বেগের মধ্যেই সালমানের ইঙ্গিতপূর্ণ পোস্ট
স্বাস্থ্য নিয়ে উদ্বেগের মধ্যেই সালমানের ইঙ্গিতপূর্ণ পোস্ট

  বলিউড তারকা সালমান খানকে নিয়ে ভক্তদের আগ্রহের শেষ নেই। নানা কারণে প্রায়ই আলোচনায় থাকেন এই অভিনেতা। তবে গত কয়েক দিন ধরে তার স্বাস্থ্য নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করছেন অনুরাগীরা। এর মধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ইঙ্গিতপূর্ণ পোস্ট শেয়ার করে ফের আলোচনায় এসেছেন সালমান। ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে একটি রিল শেয়ার করেছেন ৬০ বছর বয়সী এই অভিনেতা। রিলটিতে থাকা একটি বার্তাই এখন নজর কেড়েছে ভক্তদের। সালমানের এই পোস্টের অর্থ কী, তা নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় শুরু হয়েছে বিভিন্ন আলোচনা। সাধারণত দার্শনিক কোনো উদ্ধৃতি পোস্ট করতে দেখা যায় না সালমানকে। এমনকি নিয়মিত অন্যের রিলও শেয়ার করেন না তিনি। ফলে তার সাম্প্রতিক এই পোস্টটি বিশেষভাবে নজর কেড়েছে। শেয়ার করা রিলটিতে লেখা ছিল, ‘যখন অল্প পেয়েছিলাম, তখন খুশি ছিলাম। এখন বেশি পাচ্ছি, তাতে দুঃখ কেন? যা আমি কাল চেয়েছিলাম, আজ তা পাওয়ার পরে অপ্রয়োজনীয় কেন হয়ে উঠল?’ মূলত সুখ, প্রত্যাশা, প্রাপ্তি ও মানুষের চাহিদা পরিবর্তনের বিষয়টিই উঠে এসেছে ওই বার্তায়। জীবনে কোনো কিছু পাওয়ার আগে সেটিকেই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মনে হয়। কিন্তু কাঙ্ক্ষিত সেই জিনিস পাওয়ার পর ধীরে ধীরে তার প্রতি অভ্যস্ত হয়ে যায় মানুষ। এরপর তৈরি হয় নতুন কিছু পাওয়ার আকাঙ্ক্ষা। সালমানের শেয়ার করা রিলটিতেও এমনই এক ভাবনার প্রতিফলন রয়েছে। আরও পড়ুন ওটিটিতে ‘বিশ্বনাথ অ্যান্ড সন্স’, দর্শকদের উচ্ছ্বাস তবে গণেশ চতুর্থীর আবহে ঠিক কী কারণে এমন পোস্ট নিজের স্টোরিতে শেয়ার করলেন সালমান, সে বিষয়ে কোনো ব্যাখ্যা দেননি অভিনেতা। ফলে তার এই পোস্টের নেপথ্যে কোনো বিশেষ ঘটনা রয়েছে কি না, তা নিয়ে ভক্তদের মধ্যে তৈরি হয়েছে কৌতূহল। এদিকে বর্তমানে ‘বিগ বস্‌ ২০’-এর সঞ্চালকের ভূমিকায় রয়েছেন সালমান খান। ৬ সেপ্টেম্বর শুরু হয়েছে জনপ্রিয় এই রিয়েলিটি শোর নতুন সিজন। এবারের আসরে ১৬ জন প্রতিযোগী অংশ নিয়েছেন। অন্যদিকে, অভিনয় নিয়েও ব্যস্ত সময় পার করছেন সালমান। তার হাতে রয়েছে একাধিক বড় প্রজেক্ট। ‘মাতৃভূমি’ ছবিতে চিত্রাঙ্গদা সিংয়ের সঙ্গে অভিনয় করবেন তিনি। চলতি বছরই ছবিটি মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে। আরও পড়ুন ১০ হাজার টাকা ছিল ব্যাংকে, যেভাবে ৮০ কোটির মালিক হলেন আয়ুষ্মান এ ছাড়া প্রযোজক দিল রাজুর সঙ্গে সালমানের একটি অ্যাকশন ছবিতে কাজ করার খবরও রয়েছে। ‘মনস্টার’ নামের এই প্যান-ইন্ডিয়া সিনেমায় তার সঙ্গে দেখা যাবে নয়নতারাকে। ছবিটি ২০২৭ সালের ঈদে মুক্তির পরিকল্পনা রয়েছে। এমএমএফ

News সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬ 0
গণশৌচাগারের অব্যবস্থাপনা, নারী ও শিশুর জন্য প্রতিকার কী?

গণশৌচাগারের অব্যবস্থাপনা, নারী ও শিশুর জন্য প্রতিকার কী?

শাহজালাল মাজার জিয়ারত করলেন রাষ্ট্রপতি

শাহজালাল মাজার জিয়ারত করলেন রাষ্ট্রপতি

স্থানীয় সরকার ভোটের তারিখ বদলাচ্ছে, নতুন সূচি নির্ধারণে বৈঠকে বসছে ইসি

স্থানীয় সরকার ভোটের তারিখ বদলাচ্ছে, নতুন সূচি নির্ধারণে বৈঠকে বসছে ইসি

ফরেক্স ট্রেডিং নিয়ে আলোচনা চলছে, এখনই নীতির পরিকল্পনা নেই
ফরেক্স ট্রেডিং নিয়ে আলোচনা চলছে, এখনই নীতির পরিকল্পনা নেই

দেশে ফরেক্স ট্রেডিং চালুর বিষয়ে আলোচনা চললেও এ মুহূর্তে এ নিয়ে কোনো নীতি প্রণয়নের পরিকল্পনা নেই বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ড. জাহেদ উর রহমান। মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান। ফরেক্স ট্রেডিং নিয়ে সরকারের কোনো নীতিগত সিদ্ধান্ত হয়েছে কি না- এমন প্রশ্নের উত্তরে জাহেদ উর রহমান বলেন, এখনই কোনো নীতি করার পরিকল্পনা নেই। তবে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হচ্ছে। তিনি বলেন, ফরেক্স ট্রেডিংয়ের বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হচ্ছে বলেই সেটিকে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। কোনো নীতি গ্রহণের আগে সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। এ সময় ফরেক্স ট্রেডিংয়ের সঙ্গে ক্রিপ্টোকারেন্সির বিষয়টি গুলিয়ে না ফেলারও আহ্বান জানান তিনি। প্রধানমন্ত্রীর এই উপদেষ্টা বলেন, বৈদেশিক মুদ্রা কেনাবেচার বিষয় এবং ক্রিপ্টোকারেন্সি আলাদা বিষয়, তাই দুটিকে একইভাবে দেখার সুযোগ নেই। প্রধানমন্ত্রীর ফোন ব্যবহার করে ক্রিপ্টোকারেন্সিতে লেনদেন করা হচ্ছে, একজন সাংবাদিক এমন প্রশ্ন করলে জাহেদ উর রহমান বলেন, এ ধরনের তথ্যের কোনো ভিত্তি নেই। তিনি বলেন, সরকারের নীতিগত সিদ্ধান্ত বা কার্যক্রম নিয়ে তথ্য প্রকাশের ক্ষেত্রে যাচাই-বাছাই জরুরি। কোনো বিষয়ে নিশ্চিত তথ্য ছাড়া বক্তব্য বা দাবি প্রচার করা ঠিক নয়। ফরেক্স ট্রেডিং প্রসঙ্গে তিনি আরও জানান, বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট পর্যায়ে আলোচনা চলছে। তবে এখনই কোনো নীতি বা সিদ্ধান্ত ঘোষণা করা হচ্ছে না। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বৈদেশিক মুদ্রার লেনদেন ও অনলাইনভিত্তিক ফরেক্স ট্রেডিংয়ের বিভিন্ন ব্যবস্থা থাকলেও বাংলাদেশে এ বিষয়ে কী ধরনের নীতিগত কাঠামো প্রয়োজন, সেটি আলোচনার মাধ্যমে নির্ধারণ করা হবে বলে জানান প্রধানমন্ত্রীর এই উপদেষ্টা। এমএএস/এমএএইচ/

News সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬ 0
মিরপুরে পুলিশের অভিযান, গ্রেফতার ১১৭

মিরপুরে পুলিশের অভিযান, গ্রেফতার ১১৭

টাঙ্গাইলে আগুনে পুড়লো ৩ দোকান

টাঙ্গাইলে আগুনে পুড়লো ৩ দোকান

নির্বাক সিনেমা থেকে ওটিটি: দেবদাস–ললিতারা বদলেছেন, শরৎচন্দ্র থেকে গেছেন

নির্বাক সিনেমা থেকে ওটিটি: দেবদাস–ললিতারা বদলেছেন, শরৎচন্দ্র থেকে গেছেন

কটকার জলে-জঙ্গলে
কটকার জলে-জঙ্গলে

সুন্দরবনের দক্ষিণ প্রান্তে কটকা। নদী, খাল আর ঘন ম্যানগ্রোভের এই নির্জন ভূখণ্ডে প্রকৃতিই যেন নিজের মতো করে সাজিয়েছে সবকিছু। কোথাও হরিণের পাল, কোথাও কাদামাটিতে বেঙ্গল টাইগারের পায়ের ছাপ, কোথাও বুনো শূকর, আবার অগভীর খালের পানিতে শামুক-ঝিনুকের সারি। জঙ্গলের নীরবতার ফাঁকে দেখা মেলে মাছরাঙারও। কটকার পথে পথে এমনই নানা দৃশ্য ধরা পড়ে ক্যামেরায়।কটকা পৌঁছানোর পথে নদীর পাড়ের ঘন জঙ্গলের কাছে দেখা মেলে হরিণের পালেরকটকায় সকালে চোখে পড়ে পুরোনো ও জরাজীর্ণ ফরেস্ট স্টেশনের কার্যালয় কটকায় নামতেই পথের পাশ দিয়ে নির্ভয়ে হেঁটে যায় একটি বুনো শূকর অগভীর খালের পানিতে ছড়িয়ে থাকা শামুক-ঝিনুক তৈরি করেছে প্রকৃতির নিজস্ব নকশা ঘন জঙ্গলের আড়াল থেকে হরিণের পালও কৌতূহলী চোখে তাকিয়ে থাকে আগন্তুকের দিকে মানুষ একটু এগিয়ে গেলেই নিরাপদ দূরত্বে সরে যেতে শুরু করে হরিণের পাল কটকার জঙ্গলে-খালে দেখা মেলে নানা প্রজাতির মাছরাঙার ঝড়-জলোচ্ছ্বাসে সুন্দরবনকে রক্ষার লড়াইয়ে গাছগুলোই থাকে প্রথম সারিতে। মৃত গাছও সেই লড়াইয়ের সাক্ষী

News সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬ 0
ইউপি নির্বাচনের ঘোষিত সূচি ‘একেবারেই প্রাথমিক’: ইসি সচিব

ইউপি নির্বাচনের ঘোষিত সূচি ‘একেবারেই প্রাথমিক’: ইসি সচিব

এইডস-যক্ষ্মা-ম্যালেরিয়া প্রতিরোধে ৪০৩৯ কোটি, রোগীরা পাবেন মাসে ৮২০ টাকা

এইডস-যক্ষ্মা-ম্যালেরিয়া প্রতিরোধে ৪০৩৯ কোটি, রোগীরা পাবেন মাসে ৮২০ টাকা

৩ মাসে দেশে কোটিপতি বেড়েছে ৫ হাজার অথচ আপনি এত গরীব কেন? এই ৭টি কারণ দায়ী নয়তো?

৩ মাসে দেশে কোটিপতি বেড়েছে ৫ হাজার অথচ আপনি এত গরীব কেন? এই ৭টি কারণ দায়ী নয়তো?

0 Comments