জাতীয়

হাইসিকিউরিটি কারাগার ভেঙে পলাতক আসামি গ্রেফতার

News সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২৬ 0
হাইসিকিউরিটি কারাগার ভেঙে পলাতক আসামি গ্রেফতার
হাইসিকিউরিটি কারাগার ভেঙে পলাতক আসামি গ্রেফতার

কাশিমপুর হাইসিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগার ভেঙে পলাতক মৃত্যুদণ্ড সাজাপ্রাপ্ত আসামি সোহেল রানাকে (৩৮) গ্রেফতার করেছে এসআরবি-৪।

বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) র‍্যাব-৪ (এসআরবি-৪) এর মিডিয়া অফিসার নুরাঙ্গীর নাহিদ এ তথ্য নিশ্চিত করেন। এ বিষয়ে বাহিনীটির পদাতিক অধিনায়ক লে. কর্নেল মো. হাফিজুর রহমান এক সংবাদ সম্মেলনে বিস্তারিত জানাবেন বলে জানানো হয়।

আরও পড়ুন

সাংবাদিকের বাসায় গুলি, অস্ত্রসহ গ্রেফতার ‌‘ভইরা দে’ গ্রুপের আতিক

এসআরবি-৪ জানায়, কাশিমপুর হাইসিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগার ভেঙে পলাতক মৃত্যুদণ্ড সাজাপ্রাপ্ত আসামি সোহেল রানাকে (৩৮) গ্রেফতার করা হয়েছে। এ বিষয়ে সংবাদ সম্মেলনে বিস্তারিত জানানো হবে।

কেআর/এমআরএম

Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

ব্যাটিং বিপর্যয়ে দিন শুরু, লড়াইয়ে ফিরতে মরিয়া টাইগাররা

কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন

জাতীয়

View more
‘খোদা আমাদের খাবার দাও’-ভিডিও ভাইরাল, বৃদ্ধ দম্পতির পাশে প্রশাসন
‘খোদা আমাদের খাবার দাও’-ভিডিও ভাইরাল, বৃদ্ধ দম্পতির পাশে প্রশাসন

‘খোদা আমাদের খাবার দাও’-অনাহারে থাকা বৃদ্ধ দম্পতির আকুতির ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর তাদের পাশে দাঁড়িয়েছেন জনপ্রতিনিধি, জেলা প্রশাসনসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠন। দীর্ঘদিন ধরে ওই দম্পতি শারীরিক অক্ষমতা ও বার্ধক্যজনিত বিভিন্ন রোগে ভুগে অত্যন্ত মানবেতর জীবনযাপন করে আসছিলেন। এরপর তাদের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে সবার নজরে আসে। শেরপুর জেলা প্রশাসক ফরিদা ইয়াসমিন ওই দম্পতির চিকিৎসার দায়িত্ব নিয়ে তাদের শহরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করান এবং হাসপাতালে অসুস্থ বৃদ্ধার চিকিৎসার সব দায়িত্ব নেন। সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য ডা. সানসিলা জেবরিন প্রিয়াঙ্কা হাসপাতালে ভর্তি ওই দম্পতিকে দেখতে যান এবং অসুস্থ বৃদ্ধার জন্য একটি হুইল চেয়ার উপহার দেন। একই সঙ্গে তিনি বৃদ্ধ দম্পতির জন্য নতুন ঘর নির্মাণসহ খাদ্য সহায়তা দেওয়ার আশ্বাস দেন। এর আগে শেরপুর সদর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক মো. হযরত আলী ওই বৃদ্ধ দম্পতির বাড়িতে গিয়ে খাবার ও নগদ আর্থিক সহায়তা দিয়ে আসেন। এদিকে ওই অসুস্থ বৃদ্ধ দম্পতির খোঁজখবর নিতে আবদীন হাসপাতালে যান শেরপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য হাফেজ মো. রাশেদুল ইসলাম রাশেদের একটি প্রতিনিধি দল। এ সময় ইসলামী ছাত্রশিবির ও জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। শেরপুরের স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন রক্ত সৈনিক বাংলাদেশ ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকেও ওই বৃদ্ধ দম্পতিকে খাদ্যদ্রব্য সহায়তা দেওয়া হয়। আরও পড়ুন পৈতৃক ভিটায় যাতায়াতের রাস্তা বন্ধ করে ৩ পরিবারকে অবরুদ্ধ জানা গেছে, শেরপুর সদর উপজেলার খুনুয়া চরপাড়া গ্রামের ৮৬ বছর বয়সের সাজু শেখ ও ৮০ বছর বয়সের নুরজাহানের বিয়ে হয়েছে প্রায় ৭০ বছর আগে। বিয়ের পর থেকেই তারা সাজু শেখের পৈতৃক ভিটায় বসবাস করছেন। আর্থিক অনটনের কারণে সাজু শেখ একসময় কাঁচামালের ব্যবসা করতেন। সীমিত আয়েও দীর্ঘ সংসারজীবনে তাদের ভালোবাসায় কমতি ছিল না। তাদের তিন ছেলে ও তিন মেয়ে। তিন মেয়েরই অনেক আগে বিয়ে হয়েছে। তাদের কেউ কেউ মাঝেমধ্যে বাবা-মায়ের খোঁজখবর নেন। তিন ছেলের একজন করোনাকালে নিরুদ্দেশ হলেও মাঝে মধ্যে বাবা-মায়ের খোঁজ নেন। আরেক ছেলে ঢাকায় রিকশা চালান এবং তিনিও বছরে দু-একবার বাড়িতে আসেন। শেরপুরে বসবাসকারী অপর ছেলে নুর ইসলাম দিনমজুরি ও ঠেলাগাড়ি চালিয়ে বৃদ্ধ মা-বাবার সাধ্যমতো ভরণপোষণ ও খোঁজখবর রাখেন। তবে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির এই সময়ে নিজের সংসার চালাতেই তাকে হিমশিম খেতে হয়। কয়েক বছর আগে চিকিৎসার অভাবে তার স্ত্রীও ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে মারা যান। প্রায় পাঁচ বছর আগে পড়ে গিয়ে নুরজাহানের কোমরের হাড় ভেঙে যায়। এরপর থেকেই তিনি শয্যাশায়ী। আর্থিক সংকটে স্বামী সাজু শেখ স্ত্রীর চিকিৎসা করাতে পারছেন না। একইভাবে মায়ের চিকিৎসার জন্য অসহায় হয়ে পড়েছেন ছেলে নুর ইসলামও। তবু স্ত্রীর প্রতি গভীর ভালোবাসায় নুরজাহান অসুস্থ হওয়ার পরও তাকে ছেড়ে কোথাও যাননি সাজু শেখ। শারীরিক অসুস্থতা ও বয়সের কারণে নুরজাহান এখন শারীরিকভাবে অক্ষম। বয়সের ভারে সাজু শেখও সোজা হয়ে হাঁটতে পারেন না। বার্ধক্যের কারণে তিনিও বধির হয়ে গেছেন, জোরে কথা না বললে কারও কথা শুনতে পান না। তবু স্ত্রীর প্রতি গভীর ভালোবাসায় দিনরাত তার পাশে থাকেন সাজু শেখ। নুরজাহান শয্যাশায়ী হওয়ার পর থেকে প্রতিদিন সকালে তাকে কোলে করে ঘরের দরজার বাইরে উঠানে চটি বিছিয়ে শুইয়ে দেন তিনি। এরপর স্ত্রীর পাশে বসে সময় কাটান। নিজে কানে কম শুনলেও স্ত্রীর ইশারা বুঝে প্রয়োজন মেটানোর চেষ্টা করেন। প্রস্রাব-পায়খানাসহ দৈনন্দিন সব কাজ কাঁপা হাতে ও ভঙ্গুর শরীর নিয়েই করে দিচ্ছেন সাজু শেখ। স্থানীয়রা জানায়, সাজু শেখ অর্থের জন্য প্রায় মাঝেমধ্যে বাড়ির পাশে খুনুয়া বাজারে চলে আসেন কাজের সন্ধানে। কিন্তু কঙ্কালসার দেহ দেখে কাজ দেবে কে। তাই বাজার ঘুরে পরক্ষণেই ফিরে আসেন স্ত্রীর কাছে। মাঝে মধ্যে আল্লাহর কাছে কেঁদে কেঁদে ফরিয়াদ করেন, ‘আমাদের দুজনকে একসঙ্গে নিয়ে যাও আল্লাহ!’ সমাজকর্মী শামীম আহমেদ বলেন, জীবনযুদ্ধে মানুষ অনেক সময় দরিদ্রতার কাছে হেরে যায়। আবার কখনো কখনো দরিদ্রতাকে জয় করে। শেরপুরে এমনই এক ৮০ বছর বয়সের বৃদ্ধ দম্পত্তি রয়েছে, যাদের ভালোবাসার কাছে দরিদ্রতা হেরে গেছে। শুধু তাই নয়, হেরে গেছে শারীরিক অক্ষমতা ও বার্ধক্যজনিত রোগবালাই। পরিবারটির সমাজের বিত্তবানদের সহযোগিতা প্রয়োজন। রক্তসৈনিক বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি আল আমিন রাজু বলেন, ভিডিওটি নজরে আসলে আমার দ্রুত খোঁজখবর নেই। তারপর দেড় মাসের খাবারের জন্য যা যা প্রয়োজন তা আমাদের সংগঠনের পক্ষ হতে সাজু শেখের হাতে তুলে দিয়েছি। এছাড়াও প্রতিদিন হাসপাতালে খোঁজ খবর নিচ্ছি। সৃষ্টি হিউম্যান রাইটস সোসাইটির শেরপুরের সভাপতি আলমগীর আল আমিন বলেন, খবরটি পাওয়ার পর আমরা খোঁজ নিয়েছি। এখন তাদের কাছে খাবারের মোটামুটি মজুত আছে। তবে চিকিৎসা ব্যবস্থার জরুরি প্রয়োজন। স্বামী স্ত্রী উভয়েই নানান রোগে জরাজীর্ণ হয়ে আছেন। চিকিৎসাব্যবস্থা যেনো চলমান থাকে, সেই ব্যবস্থার দাবি জানাচ্ছি। আরও পড়ুন চর জাগে-বসতি গড়ে, ভোগান্তিতে কাটে না ৩০ হাজার মানুষের জেলা প্রশাসক ফরিদা ইয়াসমিন বলেন, বৃদ্ধ সাজু শেখ এবং নূরজাহান দম্পতিকে শেরপুর পৌর শহরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসার ব্যবস্থা করেছি। জেলা প্রশাসনের পক্ষ হতে সার্বক্ষণিক খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে। পরিবারটির যেহেতু ঘরবাড়ির অবস্থা খুবই বেহাল, তাই নতুন একটি ঘরের ব্যবস্থা করে দেওয়া হবে। সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য ডাক্তার সানসিলা জেবরিন প্রিয়াঙ্কা বলেন, আমি হাসপাতালে গিয়ে খোঁজ নিয়েছি। বৃদ্ধার চলার জন্য একটি হুইল চেয়ার দিয়ে এসেছি। এছাড়াও শুকনো খাবারসহ যা যা প্রয়োজন সব দেওয়া হয়েছে। আর খবর পাওয়া মাত্র আমার প্রতিনিধি হিসেবে আমার বাবা আলহাজ্ব হযরত আলী তাদের বাড়িতে গিয়ে তাৎক্ষণিক যা যা প্রয়োজন তা দিয়ে এসেছেন। গত ৯ সেপ্টেম্বর ঘরের দরজায় বাইরে দাঁড়িয়ে সাজু শেখ স্ত্রীকে কোলে নিয়ে এমনই এক কষ্টের আকুতি করেন। তিনি কান্নাবিজড়িত কণ্ঠে বলতে থাকেন, ‘আল্লাহ আমাকে খাবার দাও, আমার স্ত্রীকে নিয়ে খুব কষ্টে আছি।’ তাদের আর্তনাদ শুনে এক কনটেন্ট ক্রিয়েটর তাদের ভিডিও করে ফেসবুকে ছেড়ে দেন। কিছুক্ষণের মধ্যেই ভিডিওটি ভাইরাল হয়ে যায়। মো. নাঈম ইসলাম/এনএইচআর

News সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২৬ 0
স্থানীয় নির্বাচনে প্রবাসীদের ভোটাধিকার নিশ্চিতের দাবি

স্থানীয় নির্বাচনে প্রবাসীদের ভোটাধিকার নিশ্চিতের দাবি

সংকট উত্তরণে তারেক রহমানের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান রুমনের

সংকট উত্তরণে তারেক রহমানের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান রুমনের

ঢাকায় বসছে ‘এশিয়ান পর্যটন মেলা’, উদ্বোধন বৃহস্পতিবার

ঢাকায় বসছে ‘এশিয়ান পর্যটন মেলা’, উদ্বোধন বৃহস্পতিবার

‘এআই আমাদের মেরে ফেলবে’, ভয়ে চাকরি ছাড়লেন  গুগলের দুই গবেষক
‘এআই আমাদের মেরে ফেলবে’, ভয়ে চাকরি ছাড়লেন গুগলের দুই গবেষক

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা যত দ্রুত উন্নত হচ্ছে, ততই বাড়ছে এর নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ। এবার সেই আশঙ্কা আরও জোরালো করেছে গুগল ডিপমাইন্ডের দুই গবেষকের পদত্যাগ। তাদের একজন বিলাল চুঘতাই প্রকাশ্যে জানিয়েছেন, এআইয়ের বর্তমান বিকাশের গতিপথ নিয়ে তিনি এতটাই উদ্বিগ্ন যে মনে করছেন, মানবজাতির অস্তিত্বের জন্য এই প্রযুক্তি বড় ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। বিলাল চুঘতাই গুগল ডিপমাইন্ডে এজিআই সেফটি ও অ্যালিগমেন্ট নিয়ে কাজ করতেন। অর্থাৎ অত্যাধুনিক এআই যেন মানুষের উদ্দেশ্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ থাকে এবং নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে না যায়, সেই ধরনের নিরাপত্তা গবেষণার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন তিনি। ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬-এ প্রকাশিত নিজের বক্তব্যে তিনি জানান, গুগল ডিপমাইন্ড ছেড়ে দিয়েছেন এবং এআইয়ের বর্তমান অগ্রগতির ধারা তাকে গভীরভাবে উদ্বিগ্ন করছে। কেন চাকরি ছাড়লেন বিলাল? চুঘতাইয়ের বক্তব্যের মূল উদ্বেগ এআইয়ের সক্ষমতা বৃদ্ধির গতি। তার মতে, কয়েক বছরের মধ্যেই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এমন জায়গায় পৌঁছেছে, যা আগে কল্পনা করাও কঠিন ছিল। একই সঙ্গে এআই সিস্টেমের নিরাপত্তা ও সারিবদ্ধকরণ গবেষণা সেই গতিতে এগোচ্ছে কি না, তা নিয়ে তার প্রশ্ন রয়েছে। নিজের বিবৃতিতে তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন, অত্যন্ত উন্নত বা সুপার ইন্টেলিজেন্ট এআই তৈরি হলে সেটি মানুষের সক্ষমতাকে অনেক ক্ষেত্রেই ছাড়িয়ে যেতে পারে। তার বক্তব্য অবশ্য একটি গবেষকের ব্যক্তিগত সতর্কতা; এটি প্রমাণিত ভবিষ্যদ্বাণী নয়। আরও পড়ুন ইন্টারনেটের আসল মালিক কে, আপনার বিলের টাকা কোথায় যায়? একই পথে আরেক ডিপমাইন্ড গবেষক বিলালই প্রথম নন। এর আগেও গুগল ডিপমাইন্ডের এজিআই সেফটি টিমের গবেষক জোস অ্যাঞ্জেলস সংস্থাটি ছাড়ার কথা জানান। ১৩ সেপ্টেম্বর তিনি পদত্যাগের বিষয়টি প্রকাশ্যে আনেন। অ্যাঞ্জেলসের বক্তব্য ছিল, এআই উন্নয়নের সঙ্গে তাল মিলিয়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা যথেষ্ট দ্রুত এগোচ্ছে কি না, সেই প্রশ্ন থেকেই তার উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, ডিপমাইন্ড ছাড়ার পর অ্যাঞ্জেলস অন্য এআই সংস্থায় যাওয়ার প্রস্তাবও প্রত্যাখ্যান করেছিলেন এবং পরে এআই এভালুয়েশন ও সেফটি নিয়ে কাজ করা মিটারে যোগ দেন। অর্থাৎ বিষয়টি শুধু বাইরে থেকে এআই নিয়ে সমালোচনার মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। যে গবেষকেরা সরাসরি উন্নত এআইয়ের নিরাপত্তা নিয়ে কাজ করেছেন, তাদের কয়েকজনও প্রযুক্তির দ্রুত অগ্রগতি নিয়ে প্রকাশ্যে সতর্ক করছেন। ‘এআই কি সত্যিই মানুষকে শেষ করে দিতে পারে?’ এই প্রশ্নের সরল উত্তর এখনই দেওয়া সম্ভব নয়। এআই সেফটি গবেষকদের একটি অংশ মনে করেন, ভবিষ্যতে অত্যন্ত ক্ষমতাশালী এবং স্বায়ত্তশাসিত সিস্টেম তৈরি হলে মানুষের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখা কঠিন হতে পারে। বিশেষ করে এমন এআই নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে, যা নিজে সিদ্ধান্ত নিতে, জটিল কাজ সম্পন্ন করতে কিংবা নতুন সিস্টেম তৈরিতে সাহায্য করতে পারবে। তবে এসব আশঙ্কা নিয়ে বিশেষজ্ঞদের মধ্যে পূর্ণ ঐকমত্য নেই। এআইয়ের সম্ভাব্য বিপদ নিয়ে আলোচনা করতে গিয়ে বাস্তব ঝুঁকি যেমন সাইবার হামলা, ভুল তথ্য, প্রতারণা, গোপনীয়তা লঙ্ঘন ও চাকরির ওপর প্রভাব এবং মানবসভ্যতার বিলুপ্তির মতো দীর্ঘমেয়াদি আশঙ্কাকে আলাদা করে দেখা প্রয়োজন। সাম্প্রতিক সময়ে এআই এজেন্টের স্বায়ত্তশাসন ও সাইবার নিরাপত্তা নিয়ে ঘটনাগুলো অবশ্য বিতর্ককে আরও তীব্র করেছে। রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এআই এজেন্ট শর্মার মাধ্যমে ওয়েবসাইটে অনুপ্রবেশ ও পরীক্ষামূলক পরিবেশের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়ার মতো ঘটনা নিয়ে শিল্পমহলে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। এবার এআইয়ের গতি কমানোর ডাক এই বিতর্কের মধ্যেই অ্যানথ্রোপিকের সিইও ডারিও আমোডি এআই উন্নয়নের গতি কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আনার আহ্বান জানিয়েছেন। তার বক্তব্য, এআই মডেলের সক্ষমতা যত দ্রুত বাড়ছে, নিরাপত্তা যাচাই ও নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা যেন তার পেছনে পড়ে না যায়। আমোডির প্রস্তাবের মধ্যে রয়েছে স্বাধীন নিরাপত্তা মূল্যায়ন, এআই সংস্থাগুলোর ওপর আরও কার্যকর নজরদারি এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নিরাপত্তা মানদণ্ড তৈরির উদ্যোগ। তিনি উন্নত এআই তৈরি পুরোপুরি বন্ধ করার কথা বলেননি; বরং নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করার জন্য উন্নয়নের গতি ‘পেস’ করার কথা বলেছেন। আরও পড়ুন একটি ছবি বানাতে এআই কতখানি পানি খরচ করে জানেন? আরও উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, তার এই অবস্থানের সঙ্গে প্রকাশ্যে সহমত জানিয়েছেন ওপেনএআই-এর সিইও স্যাম অল্টম্যান এবং এক্সএআই-এর ইলন মাস্ক। অল্টম্যান জানান, এআই বর্ডার-এর উন্নয়নের গতি নিয়ন্ত্রণ করা প্রয়োজন বলে তিনি আমোডি-এর সঙ্গে একমত। তাহলে কি এআই উন্নয়ন থেমে যাবে? বাস্তবে বিষয়টি এত সহজ নয়। এআই এখন প্রযুক্তি, ব্যবসা, গবেষণা ও জাতীয় প্রতিযোগিতার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র। ফলে একটি সংস্থা গতি কমালেও অন্য সংস্থা বা অন্য দেশ একই গতিতে প্রযুক্তি উন্নত করতে থাকলে প্রতিযোগিতার চাপ থেকেই যেতে পারে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে এআই সক্ষমতা নিয়ে প্রতিযোগিতা এই আলোচনাকে আরও জটিল করেছে। একই সঙ্গে এআই সংস্থাগুলোর বাণিজ্যিক স্বার্থও রয়েছে। ফলে নিরাপত্তা বাড়ানো এবং প্রযুক্তির দ্রুত উন্নয়ন দুইয়ের মধ্যে ভারসাম্য তৈরি করাই এখন বড় চ্যালেঞ্জ। কেএসকে

News সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২৬ 0
আজ তিনি কবরে, ক্ষুধার্ত সজীবকে গোপনে খাবার-টাকা দিয়েছিলেন তানজিন তিশা

আজ তিনি কবরে, ক্ষুধার্ত সজীবকে গোপনে খাবার-টাকা দিয়েছিলেন তানজিন তিশা

বই পড়লে স্মৃতিশক্তি বাড়ার পাশাপাশি মানসিক স্বাস্থ্যেরও সুরক্ষা হয়

বই পড়লে স্মৃতিশক্তি বাড়ার পাশাপাশি মানসিক স্বাস্থ্যেরও সুরক্ষা হয়

ভাইয়ের অজান্তে মানিব্যাগ থেকে টাকা নেওয়া কি চুরি

ভাইয়ের অজান্তে মানিব্যাগ থেকে টাকা নেওয়া কি চুরি

পুকুরে পাবদার ঝাঁক
পুকুরে পাবদার ঝাঁক

একসময় নদী-খাল আর প্রাকৃতিক জলাশয়ের মাছ হিসেবেই পরিচিত ছিল পাবদা। এখন সেই সুস্বাদু মাছ চাষ হচ্ছে পুকুরেও। বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলার সাজাপুর বেলপুকুর গ্রামের চাষি আবু জাফর সিদ্দিকীর পুকুরে জাল টানলেই উঠছে ঝাঁকে ঝাঁকে পাবদা। মাত্র ৯০ দিনে বাজারজাত করার উপযোগী এসব মাছ নিয়ে যাওয়া হচ্ছে স্থানীয় বাজারে।পুকুরে জাল টেনে পাবদা মাছ ধরছেন জেলেরা জালে ধরা পড়া পাবদা মাছ নেওয়া হচ্ছে বিক্রির জন্য পুকুরপাড়ে ড্রামভর্তি পাবদা মাছ ড্রামভর্তি জীবন্ত পাবদা মাছ নিয়ে যাচ্ছেন জেলেরা পুকুরে চাষ করা পাবদা মাছ বাণিজ্যিকভাবে এখন এই মাছের চাষ করা হচ্ছে বাজারে বিক্রির জন্য নিয়ে যাওয়া হচ্ছে মাছ পানিভর্তি পাত্রে জীবন্ত রাখা হয়েছে পাবদা মাছ দূরের পথে মাছ জীবিত রাখতে পাইপ দিয়ে পাত্রে পানি দেওয়া হচ্ছে

News সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২৬ 0
ট্রাম্প-সি বৈঠকের আগে আবার বেইজিং যাচ্ছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী, শান্তি প্রতিষ্ঠায় চীন কি এগিয়ে আসবে

ট্রাম্প-সি বৈঠকের আগে আবার বেইজিং যাচ্ছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী, শান্তি প্রতিষ্ঠায় চীন কি এগিয়ে আসবে

বিবাহিত পুরুষের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে তানিশার মন্তব্যে বিতর্ক

বিবাহিত পুরুষের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে তানিশার মন্তব্যে বিতর্ক

শরীরের কোন কোন স্থানে ছত্রাক বেশি হয়, কারণ ও চিকিৎসা কী

শরীরের কোন কোন স্থানে ছত্রাক বেশি হয়, কারণ ও চিকিৎসা কী

0 Comments