জাতীয়

একাদশে ভর্তিতে নিশ্চায়ন যেভাবে, ভর্তিতে লাগবে যেসব প্রয়োজনীয় কাগজপত্র

News সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৬ 0
একাদশে ভর্তিতে নিশ্চায়ন যেভাবে, ভর্তিতে লাগবে যেসব প্রয়োজনীয় কাগজপত্র
একাদশে ভর্তিতে নিশ্চায়ন যেভাবে, ভর্তিতে লাগবে যেসব প্রয়োজনীয় কাগজপত্র

২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে কলেজ ও মাদ্রাসায় একাদশ শ্রেণিতে ভর্তিতে অনলাইনে আবেদন করা শিক্ষার্থীদের মধ্যে নির্বাচিত হয়েছেন ৯ লাখ ৮০ হাজার ৮১৫ জন শিক্ষার্থী। আবেদন করেও আসন পাননি ১৪ হাজার ৪১৫ জন। এর মধ্যে জিপিএ-৫ পাওয়া ২ হাজার ২০৫ শিক্ষার্থী আবেদন করেও নির্বাচিত হননি।

গতকাল বুধবার রাতে প্রথম ধাপে নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের ফলাফল প্রকাশ করা হয়। দেশে একাদশ শ্রেণিতে কলেজ ও মাদ্রাসা মিলিয়ে ভর্তিযোগ্য আসন রয়েছে প্রায় ২৫ লাখ। ফলে এবার বিপুলসংখ্যক আসন খালি থাকবে।

উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের এখন নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ভর্তি নিশ্চায়ন করতে হবে। নিশ্চায়ন না করলে আবেদন বাতিল হয়ে যাবে। এরপর নির্ধারিত সময়ে কলেজে গিয়ে ভর্তি কার্যক্রম সম্পন্ন করতে হবে। প্রথম ধাপের ফল অনুযায়ী, আবেদনকারীদের প্রায় ৯৮ শতাংশ কোনো না কোনো কলেজে আসন বরাদ্দ পেয়েছেন।

একাদশে ভর্তির প্রথম পর্যায়ের ফল প্রকাশের পর নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের ভর্তি নিশ্চায়ন করতে হবে। নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের ১৮ সেপ্টেম্বর রাত আটটার মধ্যে নির্ধারিত ফি পরিশোধ করে নিশ্চায়ন সম্পন্ন করতে হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নিশ্চায়ন না করলে শিক্ষার্থীর নির্বাচন ও আবেদন দুটিই বাতিল হয়ে যাবে।

নিশ্চায়ন করবেন যেভাবে

ফলাফলে কলেজ পাওয়াই ভর্তিপ্রক্রিয়ার শেষ ধাপ নয়। নির্বাচিত হওয়ার পর নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ৩৪০ টাকা নিশ্চায়ন ফি পরিশোধ করে নির্বাচন নিশ্চিত করতে হবে। নিশ্চায়নে প্রথমে একাদশ শ্রেণির ভর্তি-সংক্রান্ত ওয়েবসাইটে নিজের প্রোফাইলে লগইন করতে হবে। এরপর ‘নিশ্চায়ন’ বা ‘Confirmation’ অপশনে গিয়ে নির্দেশনা অনুসরণ করে ফি পরিশোধ করতে হবে।

ফি পরিশোধের জন্য ওয়েবসাইটে প্রদর্শিত অনুমোদিত পেমেন্ট মাধ্যম ব্যবহার করতে হবে। পেমেন্ট সম্পন্ন হওয়ার পর ট্রানজেকশন আইডি ও এসএমএস সংরক্ষণ করতে হবে। এটা জরুরি। এরপর প্রোফাইলে গিয়ে ‘নিশ্চায়ন সম্পন্ন’ হয়েছে কি না, নিশ্চিত করতে হবে।

টাকা কেটে নেওয়ার পরও যদি সঙ্গে সঙ্গে নিশ্চায়নের স্ট্যাটাস আপডেট না হয়, তাহলে শিক্ষার্থীদের আতঙ্কিত হওয়ার প্রয়োজন নেই। কিছুক্ষণ পর আবার লগইন করে স্ট্যাটাস যাচাই করতে হবে। এ ক্ষেত্রে ট্রানজেকশন আইডি সংরক্ষণ করে রাখা জরুরি।

প্রয়োজনীয় কাগজপত্র

আসন পাওয়া শিক্ষার্থীদের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ভর্তি নিশ্চায়ন করতে হবে। নিশ্চায়ন না করলে আবেদন বাতিল হয়ে যাবে। এরপর নির্ধারিত সময়ে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিয়ে কলেজে গিয়ে ভর্তি কার্যক্রম সম্পন্ন করতে হবে।

ভর্তির সময় শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কিছু প্রয়োজনীয় কাগজপত্র রাখতে হবে। এর মধ্যে রয়েছে এসএসসি পরীক্ষার নম্বরপত্র ও সার্টিফিকেটের কপি। অনলাইন কপি গ্রহণযোগ্য হলে সেটিও রাখা যাবে। পাশাপাশি প্রবেশপত্র, দুই থেকে চার কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি, অনলাইন আবেদন কনফারমেশন পত্র এবং শিক্ষার্থী ও অভিভাবকের মুঠোফোন নম্বর সঙ্গে রাখতে হবে।

নিশ্চায়ন সম্পন্ন করার পর শিক্ষার্থীদের ২০ সেপ্টেম্বর থেকে ২২ সেপ্টেম্বরের মধ্যে কলেজে গিয়ে ভর্তি হতে হবে। কলেজ কর্তৃপক্ষের নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী সরাসরি ভর্তি কার্যক্রম সম্পন্ন করতে হবে। ভর্তি কার্যক্রম শেষ হওয়ার পর একাদশ শ্রেণির ক্লাস শুরু হবে। ক্লাস শুরুর তারিখ এক দিন পিছিয়েছে। ক্লাস শুরু হবে ২৪ সেপ্টেম্বর। পবিত্র ফাতেহা-ই-ইয়াজদাহম উপলক্ষে ২৩ সেপ্টেম্বর দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এক দিনের ছুটি থাকায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

ব্যাটিং বিপর্যয়ে দিন শুরু, লড়াইয়ে ফিরতে মরিয়া টাইগাররা

কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন

জাতীয়

View more
১২ দেশের বর্জনের মুখে ইসরায়েল, আন্তর্জাতিক চাপে থামবেন কি নেতানিয়াহু
১২ দেশের বর্জনের মুখে ইসরায়েল, আন্তর্জাতিক চাপে থামবেন কি নেতানিয়াহু

পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি বসতি থেকে পণ্য আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা আরোপের ঘোষণা দিয়েছে যুক্তরাজ্য। জবাবে পূর্ব জেরুজালেমে ব্রিটিশ কনস্যুলেট বন্ধসহ একাধিক পাল্টা পদক্ষেপ নিয়েছে ইসরায়েল। ১২ দেশের এই উদ্যোগ কি নেতানিয়াহু সরকারের ওপর কার্যকর আন্তর্জাতিক চাপ তৈরি করতে পারবে?

News সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৬ 0
ক্রাউন প্লাজা ঢাকা গুলশানে দ্বিতীয়বারের মতো আয়োজিত হতে যাচ্ছে ওয়াও মার্কেট।

ক্রাউন প্লাজা ঢাকা গুলশানে দ্বিতীয়বারের মতো আয়োজিত হতে যাচ্ছে ওয়াও মার্কেট।

জার্মানির প্রথম দল ঘোষণাতেই ক্লপের চমক, চার ম্যাচের জন্য দুই স্কোয়াড

জার্মানির প্রথম দল ঘোষণাতেই ক্লপের চমক, চার ম্যাচের জন্য দুই স্কোয়াড

শিক্ষক হেনস্তা থেকে জিন্নাহপ্রীতি: ডাকসু আর কত বিতর্ক বাড়াবে

শিক্ষক হেনস্তা থেকে জিন্নাহপ্রীতি: ডাকসু আর কত বিতর্ক বাড়াবে

হানিফের কিসমত
হানিফের কিসমত

হানিফ গরুটা বিক্রি করেছিল ৬০ হাজার টাকায়। প্রায় আড়াই বছর গরুটাকে পুষেছে সে। হানিফই ছিল একাধারে গরুটার মালিক, মা ও বাবা। দাম খারাপ পায়নি। ৪৫ হাজার টাকার ঋণ পরিশোধের বেড়াছেঁড়া মিটিয়ে যে ১৫ হাজার টাকা হাতে ছিল, বসে বসে মচমচিয়ে দুই মাস খরচ করেছে সে ছেলেমেয়ে আর বউকে নিয়ে। ঘরে চাল যেটুকু ছিল, গেল ফুরিয়ে।ছয় বছরের ছোট্ট মেয়ে পুতুল চালের ড্রাম পর্যবেক্ষণ করে এসে বাবাকে বলল, ‘বাবা, আর তো এইদুলা চাউল আছে। আমরা ভাত খামু কিবায়?’হানিফ অনেক খুশি হলো। মেয়েটা তার লক্ষ্মী। এইটুকু ছোট্ট আবু, অথচ সংসার নিয়ে ভাবছে। সুখের সৌরভে তার বুক ভরে গেল। মনে মনে হানিফ সিদ্ধান্ত নিল, আবার গরু কিনে পালবে। পুতুলের মুখে পরিবার নিয়ে চিন্তা ও উদ্বেগ হানিফের কাছে আল্লাহ পাকের বিশেষ নিয়ামত হিসেবেই মনে হলো।মেয়ের প্রশ্নের জবাবে নরম গলায় সে বলল, ‘আমি তরারে খাওয়াইতে পারবাম নারে মা; আল্লাই তরারে খাওয়াইব।’পুতুল ক্লাস ওয়ানে পড়ে। বাবার এসব গ্রাম্য দার্শনিকতা বোঝার বয়স তার হয়ে গেছে। মেয়েটি খুব কষ্ট করে স্কুলে ক্লাস করে। এক অনতিক্রম্য বিড়ম্বনার ভেতর সে লেখাপড়া শেখে। স্কুলের শিক্ষক এবং বাচ্চারা তাকে হাটকালা ডাকে।আরও কম বয়সে এক দাওয়ার সময় ওর কানের ভেতর একটা পাকা ধান ঢুকে গিয়েছিল। উপজেলা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নেওয়ার পর ডাক্তাররা ওর কানে ইনজেকশন সিরিঞ্জের মাধ্যমে তীব্র বেগে পানি স্প্রে করে ধানটা ঠিকই বের করতে পেরেছিল, কিন্তু পুতুলের কানের ভেতর রয়ে যায় একবিন্দু জল। এতে মেয়েটা এক কানে শুনতেই পায় না।হানিফ এবার অবশ্য মেয়ের চিকিৎসা করিয়েছে নেত্রকোনার বড় একজন কানের ডাক্তারের কাছে। ডাক্তার পুতুলের কানের ভেতর একটা যন্ত্র বসিয়েছে। এতে মেয়েটা মনে হচ্ছে কানে শুনতে পাচ্ছে।অঙ্কে মাথা ভালো তার। যোগ-বিয়োগ সে নির্ভুলভাবে করতে পারে। হানিফের মনে পড়ে, ছেলেবেলায় সে অঙ্কে বেশ ভালো ছিল। বিশেষ করে যোগ-বিয়োগ তার ভুল হতো না। এখনো হানিফ হাতে–কলমে বড় বড় অঙ্কের হিসাব ও যোগ-বিয়োগের কাজ করতে পারে। তবে ক্যালকুলেটর ছাড়া সে গুণ ও ভাগ করতে পারে না।ভেবে খুশি হয় সে, মেয়েটাও তার মতো গণিতে ভালো। গর্বে হানিফের বুকের ভেতরে একটা চিলিক দিয়ে ওঠে। মনে মনে সে আরেকটা সিদ্ধান্ত নেয়। মেয়েটাকে লেখাপড়া শেখাবে। যত দূর সম্ভব পড়াবে। ভালো ভালো স্কুল-কলেজে পড়াবে। ভার্সিটির স্টুডেন্ট বানাবে।ঘরের চাল যেদিন শেষ হলো, হানিফের ছেলে আড়াই বছরের আবদুল তার কাছে এসে বারবার বলতে লাগল, ‘আব্বা বিলো যাই। আব্বা বিলো যাই।’হানিফ ছেলের কণ্ঠস্বরে আল্লাহর ইচ্ছার প্রতিফলন খুঁজে পেয়ে সচকিত হয়ে দাঁড়ায়। কিসমতে আজ কী আছে যাচাই করতে ইচ্ছে করে তার। হানিফ বিলে যাওয়ার প্রস্তুতি নেয়।কর্ম থেকে স্বেচ্ছায় বিরত থেকে প্রায় দুই মাস পর হানিফ মাছ ধরতে রুপসা বিলে নামছে। শতসহস্র শাপলা আর পদ্ম ফোটা এই বিরাট বিলটিই তার অন্নদাতা। বিলের ভেতর হানিফের পাঁচটি মাছের খৈন আছে। মূলত মাছ ধরেই সংসার চালায় সে।হানিফদের উঁচু ভিটা থেকে নামলেই ধানখেত। তারপর খাল। খাল পেরিয়ে অনেক দূর হাঁটলে তবে বিল। হানিফের বাবা মোতালেব এই বিলেই মাছ ধরত। বিলে কীভাবে মাছ শিকার করতে হয়, সে বিদ্যা সে তার বাবার কাছ থেকেই পেয়েছে। সরকারি খাসজমিতে মাছের অভয়াশ্রম বা খৈনগুলো সে পৈতৃক সূত্রেই পেয়েছে।কত রকম মজার মজার মাছ আছে যে এই বিলে! শোল, বোয়াল, রুই, কাতলা, কালবাউশ, কই, পুঁটি, টেংরা। আহা! কী যে দারুণ স্বাদ তরতাজা এসব বিলের মাছের। এই গ্রামে হানিফের মতো অল্প লোকই আছে, বউ-বাচ্চার পাতে নিয়মিত অন্তত একটু মাছ তুলে দিতে পারে। সবাই তো আর তার মতো বিলের খেলোয়াড় নয়।হানিফের ধানের জমি আছে আট কাঠা। এর মধ্যে পাঁচ কাঠা রেন্টে দেওয়া। এ বছরের মধ্যে এই পাঁচ কাঠা জমি উদ্ধারের চিন্তা রয়েছে তার। বাকি ৩ কাঠা জমির ধান দিয়ে ছয় মাসের খোরাকি চলে। তারপরই শুরু হয় চাল কেনার পালা। পাঁচ কাঠার জমিটা ছুটিয়ে ফেলতে পারলে হানিফ তার পরিবারের সারা বছরের খোরাকির ধান রেখে কিছু বিক্রিও করতে পারবে।বিলে মাছ পেল না, তবু যা পেল, তাতে তার ১০০ টাকা রোজগার হলো। ৫০ টাকায় ১ কেজি চাল কিনে বাকি ৫০ টাকায় নিজের বিড়ি আর ছেলেমেয়ের জন্য মজা কিনে একজন সুখী মানুষের মতো রাজকীয় ভঙ্গিতে বেশ প্রসন্ন মনে বাড়ি ফিরল সে।রাতে, দশটার দিকে বিলে গিয়ে দেখে বড়শিতে মাছ লেগেছে। একটা বড় শোল মাছ, দাম ৪৫০ টাকা হবে। পাশের আরেক বড়শিতে আরেকটা ছোট শোল, ৫০ টাকা হবে। ছিপ দিয়ে সে পুঁটি ধরল ৩৫টি।রাতে ১২টার দিকে ঘরে ফিরে একটা চমৎকার ঘুম দিয়ে ফজরের সময় আবার বিলে চলে এল হানিফ। এসে দেখে একটা বোয়াল লেগেছে। এক কেজি ওজন হবে। পাশের বড়শিগুলোতে আরও তিনটা শোল।দুইটা শোল মাছ খাওয়ার জন্য বাড়িতে রেখে বাজারের দিকে ছুটল হানিফ। শুধু বোয়ালটাই বিক্রি হলো ৭৫০ টাকায়। অবিকল নিজের বড় মামির মতো দেখতে বেঁটেখাটো একজন মহিলার কাছে হানিফ মাছটা বিক্রি করল।কেনার সময় মহিলা বলছিলেন, ‘একটা পলিথিনে দেও বাবা। আমি জ্যাতা মাছ ছাড়া কিনি না।’হানিফ হাসিমুখে একটা পলিথিনে মাছটা ঢুকিয়ে দেয়।

News সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৬ 0
এনটিআরসিএর ১৯৫ সুপারিশপ্রাপ্ত প্রার্থীকে নতুন প্রতিষ্ঠানে বদলি

এনটিআরসিএর ১৯৫ সুপারিশপ্রাপ্ত প্রার্থীকে নতুন প্রতিষ্ঠানে বদলি

নবীযুগে মতপ্রকাশের স্বাধীনতার ৫ উদাহরণ

নবীযুগে মতপ্রকাশের স্বাধীনতার ৫ উদাহরণ

পৃথিবীর ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি গরম ছিল আগস্টে, দাবি বিজ্ঞানীদের

পৃথিবীর ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি গরম ছিল আগস্টে, দাবি বিজ্ঞানীদের

পুলিশের ডিআইজি পদমর্যাদার পাঁচ কর্মকর্তার বদলি
পুলিশের ডিআইজি পদমর্যাদার পাঁচ কর্মকর্তার বদলি

পুলিশের উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) পদমর্যাদার পাঁচ কর্মকর্তাকে বদলি করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে ঢাকা রেঞ্জ ও খুলনা রেঞ্জে ডিআইজি হিসেবে দুজনকে পদায়ন করা হয়েছে।অ্যান্টিটেররিজম ইউনিট, ঢাকা মহানগর পুলিশের বিশেষ শাখায় (সিটি এসবি), রেলওয়ে পুলিশ এবং কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতালে ডিআইজি পদমর্যাদার কর্মকর্তাদের পদায়ন করা হয়েছে।আজ বৃহস্পতিবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। রাষ্ট্রপতির আদেশে প্রজ্ঞাপনে সই করেছেন জননিরাপত্তা বিভাগের পুলিশ-১ শাখার উপসচিব তৌছিফ আহমেদ।প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, পুলিশ অধিদপ্তরের ডিআইজি মো. রেজাউল করিমকে খুলনা রেঞ্জের ডিআইজি হিসেবে বদলি করা হয়েছে। খুলনা রেঞ্জের ডিআইজি মো. মোস্তাফিজুর রহমানকে ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি পদে পদায়ন করা হয়েছে। এসবি ঢাকার ডিআইজি মীর আশরাফ আলীকে রেলওয়ে পুলিশের ডিআইজি পদে বদলি করা হয়েছে।পুলিশের অ্যান্টিটেররিজম ইউনিটের ডিআইজি মোহাম্মদ মুসলিমকে রাজারবাগের কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতালের পরিচালক (ডিআইজি) পদে পদায়ন করা হয়েছে। এ ছাড়া মাস র‍্যাপিড ট্রানজিট (এমআরটি) মেট্রোরেল পুলিশের ডিআইজি সিদ্দিকী তানজিলুর রহমানকে ঢাকায় সিটি এসবির ডিআইজি হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে।প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, জনস্বার্থে জারি করা এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।

News সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৬ 0
শান্তা অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট লিমিটেডে চাকরির সুযোগ, সাপ্তাহিক ছুটি দুই দিন

শান্তা অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট লিমিটেডে চাকরির সুযোগ, সাপ্তাহিক ছুটি দুই দিন

একাদশে ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীদের যে নির্দেশনা নটর ডেম কলেজের

একাদশে ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীদের যে নির্দেশনা নটর ডেম কলেজের

সীতাকুণ্ডে ৪৮ ঘণ্টার কম সময়ের ব্যবধানে ডেঙ্গুতে আরেক শিশুর মৃত্যু

সীতাকুণ্ডে ৪৮ ঘণ্টার কম সময়ের ব্যবধানে ডেঙ্গুতে আরেক শিশুর মৃত্যু

0 Comments