জাতীয়

এক সংস্থার পর আরেক সংস্থার খোঁড়াখুঁড়ি বন্ধে ১৫ দিন পরপর সমন্বয় সভা

News সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬ 0
এক সংস্থার পর আরেক সংস্থার খোঁড়াখুঁড়ি বন্ধে ১৫ দিন পরপর সমন্বয় সভা
এক সংস্থার পর আরেক সংস্থার খোঁড়াখুঁড়ি বন্ধে ১৫ দিন পরপর সমন্বয় সভা

ঢাকা ও আশপাশের এলাকায় উন্নয়নকাজে সমন্বয় বাড়াতে সংশ্লিষ্ট সব মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও সংস্থাকে নির্দেশনা দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। একই সড়কে এক সংস্থা কাজ শেষ করার পর আরেক সংস্থা যেন নতুন করে খোঁড়াখুঁড়ি না করে- সে বিষয়ে সমন্বিত কাজ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে প্রতি ১৫ দিন পরপর সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হবে।

মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও সংস্থাগুলোর প্রতিনিধিদের নিয়ে সমন্বয় সভা শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ঢাকা সিটি ও আশপাশের এলাকার সব উন্নয়নকাজ যেন সমন্বিতভাবে হয়, সে জন্য সংশ্লিষ্ট সব স্টেকহোল্ডার, মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও কর্তৃপক্ষকে নিয়ে বৈঠক হয়েছে। এর উদ্দেশ্য নগরবাসীর ভোগান্তি কমানো এবং উন্নয়নকাজ দ্রুত ও সমন্বিতভাবে শেষ করা।

তিনি বলেন, বিভিন্ন সংস্থা ও মন্ত্রণালয়ের অধীনে চলমান উন্নয়নকাজ সমন্বয়ের জন্য সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলোকে পরামর্শ ও প্রয়োজন অনুযায়ী নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। কর্মকর্তাদের সমন্বয়ের জন্য ফোকাল পয়েন্টও নির্ধারণ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী / গুলশানে আ’লীগের মিছিলের বিষয়ে তথ্য ছিল, তবে পুলিশ আন্দাজ করতে পারেনি

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এক সংস্থা কাজ করলে আরেক সংস্থা একই জায়গায় আবার কাজ করতে যেন খোঁড়াখুঁড়ি না করে, অন্যান্য জটিলতা যেন সৃষ্টি না হয়। উদ্দেশ্য একটাই, নগরবাসীকে, জনগণকে স্বস্তি দেওয়া, ভোগান্তি কমানো এবং সমন্বিতভাবে উন্নয়ন কর্মকাণ্ডগুলো শেষ করা।

তিনি জানান, প্রতি ১৫ দিন পরপর এ সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হবে। পাশাপাশি কর্মকর্তা পর্যায়ে প্রয়োজন অনুযায়ী সমন্বয় সভা করা হবে।

রাজধানীতে চলমান বিভিন্ন বড় প্রকল্পের কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, এমআরটি, সেতু কর্তৃপক্ষ, সড়ক বিভাগ, সিটি করপোরেশন, ওয়াসা, ডেসকোসহ বিভিন্ন সংস্থার উন্নয়নকাজ চলছে। এসব কাজ যেন পরস্পরের সঙ্গে সমন্বয় করে করা হয়, সে জন্যই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষের (ডিটিসিএ) নেতৃত্বে এ সমন্বয় সভা হচ্ছে।

jagonews24.com

একই সড়কে একাধিক সংস্থার আলাদা সময়ে কাজ করার উদাহরণ দিয়ে মন্ত্রী বলেন, কোনো একটি সংস্থা রাস্তা খুঁড়ে কাজ শেষ করে তা মেরামত করার পর অন্য কোনো সংস্থা এসে একই জায়গা আবার খুঁড়লে জনদুর্ভোগ বাড়ে। এ ধরনের পরিস্থিতি এড়াতে একই সময়ে প্রয়োজনীয় কাজগুলো সমন্বয়ের মাধ্যমে করার চেষ্টা করা হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, ইলেকট্রিসিটি ডিপার্টমেন্ট একটা রাস্তা খোঁড়াখুঁড়ি করলো, তারা আবার সেটা রিপেয়ার করে চলে গেল, এরপরে দেখা গেল গ্যাস ডিপার্টমেন্ট আসলো। এসব কাজ যেন না হয়, একই সঙ্গে যেন করতে পারে ডেভেলপমেন্ট ওয়ার্কটা।

এমআরটি নির্মাণের ক্ষেত্রে ইউটিলিটি স্থানান্তরের কাজও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে করা হচ্ছে বলে জানান সালাহউদ্দিন আহমদ। পাশাপাশি উন্নয়নকাজের কারণে যেন যানজট বা ট্রাফিক ঝুঁকি তৈরি না হয়, সে বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করে ট্রাফিক ব্যবস্থার উন্নয়ন করা হচ্ছে। এতে যান চলাচলে শৃঙ্খলা আসছে এবং নগরবাসী স্বস্তি পাচ্ছে। উন্নয়নকাজও এমনভাবে করার চেষ্টা চলছে, যেন ট্রাফিক ব্যবস্থায় বড় ধরনের সমস্যা তৈরি না হয়।

আরও পড়ুন

মানবতাবিরোধী অপরাধ / আওয়ামী লীগ-যুবলীগ-ছাত্রলীগ তিন সংগঠনেরই সভাপতি-সেক্রেটারির ফাঁসির আদেশ

বারবার সড়ক খোঁড়াখুঁড়ি বন্ধে দীর্ঘমেয়াদি কোনো স্মার্ট ব্যবস্থা নেওয়া হবে কি না- এমন প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, রাতারাতি বৈপ্লবিক পরিবর্তন সম্ভব নয়। তবে এ ধরনের সমন্বিত ব্যবস্থার দিকে সরকার এগোচ্ছে।

তিনি বলেন, ওভারনাইট তো আমরা এর মধ্যে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনতে পারবো না। আমরা শুরু করেছি। আশা করি একদিন আমরা এই সিস্টেমে যেতে পারবো।

উন্নয়নকাজের আগে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় নিশ্চিত করতে ছোট ছোট সাব-কমিটির মতো কাঠামো করা হয়েছে। এসব কমিটি প্রয়োজন অনুযায়ী নিজেদের মধ্যে যোগাযোগ করে সমন্বয় করবে। সরকারি ব্যয় ও সময় কমানোর পাশাপাশি জনদুর্ভোগ কমানোই এ উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।  

বৈঠকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব, পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি), ডিএমপি কমিশনার, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন অধিদপ্তরের মহাপরিচালকসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, সংশ্লিষ্ট সংস্থার প্রধান এবং জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

টিটি/কেএসআর

Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

ব্যাটিং বিপর্যয়ে দিন শুরু, লড়াইয়ে ফিরতে মরিয়া টাইগাররা

কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন

জাতীয়

View more
শনির আখড়ায় ডাকাতির প্রস্তুতি, গ্রেফতার ৫
শনির আখড়ায় ডাকাতির প্রস্তুতি, গ্রেফতার ৫

রাজধানীর যাত্রাবাড়ী থানার শনির আখড়া এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ডাকাতির প্রস্তুতির সময় পাঁচজনকে গ্রেফতার করেছে কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ও যাত্রাবাড়ী থানা পুলিশ। মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মো. আকতার হোসেন এ তথ্য জানান। গ্রেফতাররা হলেন- মো. আল আমিন ওরফে রমজান (৩০), মো. সাজিম প্রকাশ সানি (২১), মো. রিফাত দেওয়ান (২৪), মো. রাকিব (২২) ও বিপ্লব (২৬)। আরও পড়ুন বিদেশ থেকে ফেরার পথে আওয়ামী লীগ নেতা গ্রেফতার যাত্রাবাড়ী থানার বরাত দিয়ে আকতার হোসেন বলেন, সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) রাতে শনির আখড়া এলাকার দনিয়া কলেজের পাশে কয়েকজন লোক দেশীয় অস্ত্রসহ ডাকাতির প্রস্তুতি গ্রহণ করছিল। বিষয়টি যাত্রাবাড়ী থানা পুলিশ জানতে পারে। সিটিটিসি ও যাত্রাবাড়ী থানা পুলিশ সেখানে একটি যৌথ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে ঘটনাস্থল থেকে ৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে তিনটি চাকু, একটি ধারালো চাপাতি, একটি ধারালো সুইচ গিয়ার এবং চারটি লোহার রড উদ্ধার করা হয়। গ্রেফতার আসামিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে বলেও জানান তিনি। কেআর/এমআরএম

News সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২৬ 0
৫ গোলের থ্রিলারে শেষ মুহূর্তে রিয়ালের নাটকীয় জয়

৫ গোলের থ্রিলারে শেষ মুহূর্তে রিয়ালের নাটকীয় জয়

আম্পানের ছয় বছরেও সড়ক-কালভার্ট হয়নি, দুর্ভোগে ৬ গ্রামের ২৮ হাজার মানুষ

আম্পানের ছয় বছরেও সড়ক-কালভার্ট হয়নি, দুর্ভোগে ৬ গ্রামের ২৮ হাজার মানুষ

মধ্যরাতে মোহাম্মদপুরে পার্কিং করা বাসে আগুন

মধ্যরাতে মোহাম্মদপুরে পার্কিং করা বাসে আগুন

পল্লবীতে ছিনতাইয়ে বাধা দেওয়ায় হত্যা, গ্রেফতার যুবক ৩ দিনের রিমান্ডে
পল্লবীতে ছিনতাইয়ে বাধা দেওয়ায় হত্যা, গ্রেফতার যুবক ৩ দিনের রিমান্ডে

ছিনতাইয়ে বাধা দেওয়ায় রাজধানীর পল্লবীতে মো. সজীব (২২) নামের এক তরুণকে ছুরিকাঘাতে হত্যার অভিযোগ রয়েছে। ওই অভিযোগে করা মামলায় মো. জুয়েল ওরফে বাল্লা জুয়েলের (২৬) তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। গতকাল মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. হাসান শাহাদাতের আদালত শুনানি শেষে এ আদেশ দেন। আরও পড়ুন বাসার গেটে দাঁড়িয়ে ছিলেন, হঠাৎ পাশের ভবন থেকে সিলিন্ডার পড়ে গেলো প্রাণ এর আগে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পল্লবী থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. মাহবুব হাসান আসামিকে আদালতে হাজির করে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। মামলার অভিযোগ ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ৯ সেপ্টেম্বর বিকেল ৫টার দিকে পল্লবী থানার সেকশন-১০-এর ব্লক-এ এলাকায় প্যারিস রোডসংলগ্ন কাঠালতলা মাঠে সজীবের পথরোধ করেন কয়েকজন। দেশীয় অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে তার কাছ থেকে টাকা ও মোবাইল ফোন কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হয়। এ সময় ছিনতাইয়ে বাধা দিলে সজীবকে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে মারধর ও এলোপাতাড়ি আঘাত করা হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে। একপর্যায়ে ধারালো ছুরি দিয়ে তার পেটের ডান পাশে আঘাত করা হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৪ সেপ্টেম্বর সকালে তিনি মারা যান। আরও পড়ুন নুসরাত হত্যা / কারাগারেই জন্ম-বেড়ে ওঠা, ৭ বছর পর মুক্ত বাতাসে শিশু মোবাশ্বেরা নিহত সজীব পল্লবী এলাকায় ভ্যানে করে কাপড় বিক্রি করতেন। এ ঘটনায় সজীবের মা কোহিনুর বেগম বাদী হয়ে পল্লবী থানায় হত্যা মামলা করেন। পুলিশ জানিয়েছে, মামলার তদন্তের অংশ হিসেবে গত ১৪ সেপ্টেম্বর পল্লবীর এক বাসা থেকে মো. জুয়েল ওরফে বাল্লা জুয়েলকে গ্রেফতার করা হয়। পরে তাকে আদালতে হাজির করে রিমান্ড আবেদন করা হলে তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত।   এমডিএএ/কেএসআর

News সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২৬ 0
অশ্লীল কন্টেন্ট তৈরির অভিযোগে স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা মামুন গ্রেফতার

অশ্লীল কন্টেন্ট তৈরির অভিযোগে স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা মামুন গ্রেফতার

বৃষ্টি ভেজা ভালোবাসা—পর্ব: ৩

বৃষ্টি ভেজা ভালোবাসা—পর্ব: ৩

কত ক্যারেটের সোনার অলংকার কেনা লাভজনক, ঝুঁকি কোথায়

কত ক্যারেটের সোনার অলংকার কেনা লাভজনক, ঝুঁকি কোথায়

বাংলাদেশ ব্যাংকের ‘উদ্যোগ’ কর্মসূচির আবেদন শুরু, তরুণেরা পাবেন ২০ লাখ টাকা সহায়তা
বাংলাদেশ ব্যাংকের ‘উদ্যোগ’ কর্মসূচির আবেদন শুরু, তরুণেরা পাবেন ২০ লাখ টাকা সহায়তা

দেশের প্রকট বেকার সমস্যা নিরসন এবং বিকল্প কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে নতুন উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। তরুণদের চাকরিপ্রার্থী না বানিয়ে উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তোলার অংশ হিসেবে আজ বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬) শুরু হচ্ছে ‘উদ্যোগ’ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক আবেদনপ্রক্রিয়া। উপজেলা পর্যায়ে সম্ভাবনাময় তরুণদের খুঁজে বের করে তাঁদের হাতে ব্যবসার পুঁজি তুলে দিতেই কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এই নতুন পদক্ষেপ।কর্মসূচির প্রাথমিক পর্যায়ে দেশের আট বিভাগের আট জেলা মানিকগঞ্জ, ফেনী, নওগাঁ, ঝিনাইদহ, ভোলা, হবিগঞ্জ, রংপুর ও নেত্রকোনার ৬৪টি উপজেলায় এ কার্যক্রম পরিচালিত হবে।৫১তম বিসিএস সাধারণ না বিশেষ, কোনটি আগে আসছেকর্মসূচির আওতায় নির্বাচিত প্রার্থীরা তাঁদের নতুন বা বিদ্যমান ব্যবসা পরিচালনার জন্য মোট ২০ লাখ টাকা পর্যন্ত আর্থিক সহায়তা পাবেন। এই অর্থায়নের সবচেয়ে বড় আকর্ষণ হলো এতে ঋণের পাশাপাশি বিনা মূল্যে অনুদানের সুযোগ রাখা হয়েছে। মোট সহায়তার ৫০ শতাংশ, অর্থাৎ সর্বোচ্চ ১০ লাখ টাকা দেওয়া হবে ব্যাংকঋণ হিসেবে। আর বাকি ৫০ শতাংশ বা সর্বোচ্চ ১০ লাখ টাকা দেওয়া হবে এককালীন অনুদান হিসেবে।বাংলাদেশ ব্যাংক নিশ্চিত করেছে, এই অর্থায়নের জন্য উদ্যোক্তাকে কোনো ধরনের সহায়তামূলক জামানত দিতে হবে না। তবে ব্যাংকের প্রদত্ত অর্থের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করা বাধ্যতামূলক। নির্ধারিত সময়ে ঋণের কিস্তি পরিশোধ করতে ব্যর্থ হলে বা অন্য কাজে অর্থ ব্যবহার করা হলে অনুদানের সুবিধাটি বাতিল হয়ে যাবে। সে ক্ষেত্রে অনুদানের টাকাও ঋণে রূপান্তরিত হবে এবং তা পরবর্তী সময়ে সরকারি পাওনা হিসেবে আদায় করা হবে।আবেদনের যোগ্যতা ও ঋণ পাওয়ার শর্তাবলি কর্মসূচির আওতায় সুবিধা পেতে আবেদনকারীকে দেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী কিছু নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ করতে হবে। আবেদন গ্রহণের শেষ তারিখে প্রার্থীর বয়স সর্বোচ্চ ২৮ বছরের মধ্যে হতে হবে। প্রার্থীকে অবশ্যই সংশ্লিষ্ট উপজেলার স্থায়ী বাসিন্দা হতে হবে এবং তাঁর কাছে একটি বাস্তবায়নযোগ্য ব্যবসায়িক ধারণা বা পরিকল্পনা থাকতে হবে।এর আগে কোনো ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে ঋণ নিয়েছেন—এমন কেউ এ কর্মসূচিতে আবেদন করতে পারবেন না। পাশাপাশি ঋণখেলাপি ব্যক্তি বা সরকারি, আধা সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে কর্মরত কর্মচারীরা এ প্রকল্পের আওতায় আসবেন না। আবেদনে কোনো ভুল বা মিথ্যা তথ্য দেওয়া হলে তা সরাসরি বাতিল করা হবে।কৃষিভিত্তিক শিল্প, খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ, হস্তশিল্প, মৎস্য, পশুপালন, পর্যটন, হালকা প্রকৌশল এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতের তরুণেরা এ সুবিধার আওতায় আসবেন। এ ছাড়া ই-কমার্স, ফিনটেক, এডটেক, অ্যাগ্রিটেক, হেলথটেকসহ প্রযুক্তিনির্ভর স্টার্টআপ ও যেকোনো আয় উপযোগী বৈধ উদ্যোগে অর্থায়ন করা হবে।সমাজসেবায় ১৪৮৫ পদে নিয়োগ: আবেদনকারী কত, পরীক্ষার তারিখ কবেজরুরি তথ্য ও আবেদন নিয়মাবলি আবেদন শুরুর তারিখ: ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬আবেদনের শেষ তারিখ: ১৫ অক্টোবর ২০২৬বয়সসীমা: আবেদন জমা দেওয়ার শেষ তারিখে সর্বোচ্চ ২৮ বছরঅর্থায়নের পরিমাণ: মোট ২০ লাখ টাকা পর্যন্ত (ঋণ ও অনুদান ৫০:৫০ অনুপাত)প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর নেবে ৫৩৮ জন, জেনে নিন চাকরির সব তথ্যঋণের শর্ত: সম্পূর্ণ জামানতহীন ঋণ ও সহজ শর্ত আবেদনের প্রক্রিয়া: বাংলাদেশে ব্যাংকে অফিশিয়াল ওয়েবসাইট, এসএমই পোর্টাল এবং দেশের সব তফসিলি ব্যাংকের নিজস্ব ওয়েবসাইট থেকে আবেদন ফরমটি সরাসরি ডাউনলোড করা যাবে।আবেদন জমা দেওয়ার স্থান: নিজ এলাকার যেকোনো তফসিলি ব্যাংকের শাখাপ্রয়োজনীয় কাগজপত্র: পূরণ করা আবেদন ফরম, জাতীয় পরিচয়পত্র, ওয়ার্ড কাউন্সিলর প্রদত্ত নাগরিকত্ব সনদ, ছবি এবং শিক্ষাগত ও প্রশিক্ষণ সনদ (যদি থাকে)।আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীতে নিয়োগ, বেতন শুরু ৩১,৫০০ টাকায়

News সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২৬ 0
বিনা মূল্যে এআই প্রশিক্ষণ, দিনে ভাতা ২০০, যাঁরা আবেদনের যোগ্য

বিনা মূল্যে এআই প্রশিক্ষণ, দিনে ভাতা ২০০, যাঁরা আবেদনের যোগ্য

আটলান্টিক পাড়ে রাজ্জাকের নাতনি চালাচ্ছেন গাড়ি, পেছনে মুগ্ধ ববিতা...

আটলান্টিক পাড়ে রাজ্জাকের নাতনি চালাচ্ছেন গাড়ি, পেছনে মুগ্ধ ববিতা...

ময়মনসিংহ মেডিকেলে অগ্নিকাণ্ডে ইসলামী আন্দোলনের উদ্বেগ

ময়মনসিংহ মেডিকেলে অগ্নিকাণ্ডে ইসলামী আন্দোলনের উদ্বেগ

0 Comments