জাতীয়

ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ে ১০ ফ্যাকাল্টি ও বিভাগে শিক্ষক নিয়োগের সুযোগ

News সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২৬ 0
ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ে ১০ ফ্যাকাল্টি ও বিভাগে শিক্ষক নিয়োগের সুযোগ
ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ে ১০ ফ্যাকাল্টি ও বিভাগে শিক্ষক নিয়োগের সুযোগ

ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ে ১০টি ফ্যাকাল্টি ও বিভাগে অধ্যাপক, সহযোগী অধ্যাপক, জ্যেষ্ঠ প্রভাষক ও প্রভাষক পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। আবেদনের শেষ তারিখ ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬।

চাকরির বিবরণ
১. ব্র্যাক বিজনেস স্কুল
সংশ্লিষ্ট সর্বোচ্চ ডিগ্রির পর্যায়ে নিম্নোক্ত বা সংশ্লিষ্ট বিষয়ে বিশেষায়িত শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হবে—
অ্যাকাউন্টিং, বিজনেস/ডেটা অ্যানালিটিকস, বিজনেস ল ও করপোরেট গভর্ন্যান্স, উদ্যোক্তা উন্নয়ন, ফাইন্যান্স, আন্তর্জাতিক ব্যবসা, ব্যবস্থাপনা—বিশেষ করে মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা (এইচআরএম), কৌশল ও টেকসই উন্নয়ন, ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেমস, মার্কেটিং এবং অপারেশনস ম্যানেজমেন্ট ও সাপ্লাই চেইন।
২. অর্থনীতি ও সামাজিক বিজ্ঞান বিভাগ
সমাজবিজ্ঞান ও নৃবিজ্ঞান বিষয়ে বিভিন্ন পদে শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হবে।

৩. ইংরেজি ও মানবিকী বিভাগ
ইতিহাস, ইংরেজি, মিডিয়া ও কালচারাল স্টাডিজ বিষয়ে শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হবে।
৪. ডেটা অ্যান্ড কম্পিউটেশনাল সায়েন্সেস স্কুল
কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়ে প্রধানত সহকারী অধ্যাপক থেকে অধ্যাপক পদে নিয়োগ দেওয়া হবে।
৫. লাইফ সায়েন্সেস স্কুল
মাইক্রোবায়োলজি ও বায়োটেকনোলজি বিষয়ে প্রধানত সহকারী অধ্যাপক থেকে অধ্যাপক পদে শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হবে।
৬. গণিত ও ভৌতবিজ্ঞান বিভাগ
গণিত, পদার্থবিজ্ঞান, অ্যাপ্লাইড ফিজিকস ও মেডিক্যাল ফিজিকস বিষয়ে শিক্ষক নিয়োগ করা হবে।
৭. বিএসআরএম স্কুল অব ইঞ্জিনিয়ারিং
ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়ে শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হবে।
৮. ব্র্যাক ইনস্টিটিউট অব ল্যাঙ্গুয়েজেস
অ্যাপ্লাইড লিঙ্গুইস্টিকস, সমাজ ভাষাবিজ্ঞান, ইংরেজি ভাষা শিক্ষা, টিইএসওএল/ইএসওএল অথবা বিদেশি ভাষা—বিশেষ করে চীনা ভাষায় শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হবে।
সহকারী অধ্যাপক, সহযোগী অধ্যাপক ও অধ্যাপক পদে নিয়োগ দেওয়া হবে।

৯. স্কুল অব জেনারেল এডুকেশন
রাষ্ট্রবিজ্ঞান, উন্নয়ন অধ্যয়ন, দর্শন ও সমাজবিজ্ঞান বিষয়ে শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হবে। খাদ্য অধ্যয়ন, রাজনীতি, পরিবেশগত বিষয় এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ে বিশেষজ্ঞ প্রার্থীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।
১০. স্কুল অব ফার্মেসি
পিএইচডিধারী এবং এ-গ্রেড নিবন্ধিত ফার্মাসিস্টদের শিক্ষক পদে নিয়োগ দেওয়া হবে।

শিক্ষাগত যোগ্যতা
লেকচারার ও সিনিয়র লেকচারার পদে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি থাকতে হবে। সহকারী অধ্যাপক বা তার ওপরের পদের জন্য পিএইচডি ডিগ্রি থাকতে হবে। ডিগ্রিগুলো স্বনামধন্য বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্জিত হতে হবে এবং প্রার্থীর একাডেমিক ফলাফল ভালো হতে হবে।
পিএইচডিধারী প্রার্থীদের শক্তিশালী গবেষণার সম্ভাবনা থাকতে হবে। ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত গবেষণা ক্ষেত্রের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট প্রার্থীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।

বেতন ও সুযোগ-সুবিধা
ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয় প্রচলিত বাজারমান অনুযায়ী আকর্ষণীয় বেতন ও সুযোগ-সুবিধা দেবে।
আবেদনের নিয়ম
ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আবেদন করতে হবে।
আবেদনের শেষ তারিখ
৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বিস্তারিত দেখুন ওয়েবসাইটে

Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

ব্যাটিং বিপর্যয়ে দিন শুরু, লড়াইয়ে ফিরতে মরিয়া টাইগাররা

কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন

জাতীয়

View more
ক্যান্টনমেন্ট থানার মতো জায়গায় এমন একজন ওসি ছিলেন: রাশেদ খাঁন
ক্যান্টনমেন্ট থানার মতো জায়গায় এমন একজন ওসি ছিলেন: রাশেদ খাঁন

জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১–দলীয় ঐক্যের লংমার্চকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগ মাঠে নামার সুযোগ পেতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন। এ বিষয়ে জামায়াতকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন,‘ আপনারা দেখেন নাই, ক্যান্টনমেন্ট থানার মতো জায়গায় এমন একজন ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ছিলেন।’ আজ শুক্রবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম ফটকে জুলাই আন্দোলনের শহীদ আবু সাঈদের ‘স্ট্রিট মেমোরি স্টাম্প’ পরিদর্শন করেন রাশেদ খাঁন।পরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে রাশেদ খাঁন বলেন, ‘বিএনপি গণ–অভ্যুত্থানের অন্যতম স্টেকহোল্ডার (অংশীজন)। যারা বিরোধী দলে আছে তারাও গণ–অভ্যুত্থানের স্টেকহোল্ডার। আমি এর আগেই আমাদের বিরোধী দলের প্রতি আহ্বান রেখেছি, রাষ্ট্র পুনর্গঠনে আপনারা আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে সহযোগিতা করুন। আপনারা যদি সহযোগিতা না করে লংমার্চের নামে আওয়ামী লীগকে মাঠে নামার সুযোগ করে দেন, সেটি কখনোই ভালো ফলাফল বয়ে আনবে না।’প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী আরও বলেন, ‘জামায়াত নেতৃত্বাধীন বিরোধীদলীয় জোট লংমার্চের ডাক দিচ্ছে। আমরা বিভিন্নভাবে তথ্য পাচ্ছি, আওয়ামী লীগ এই লংমার্চকে কেন্দ্র করে মাঠে নামার প্রস্তুতি নিচ্ছে নাশকতা চালানোর উদ্দেশ্যে।’জামায়াতকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে রাশেদ খাঁন বলেন, ‘আপনারা দেখেন নাই, ক্যান্টনমেন্ট থানার মতো একটি জায়গায় এমন একজন ওসি ছিলেন। সেই ওসি বলছেন, পুলিশ এতটাই দুর্বল যে শেখ হাসিনা ডিসেম্বরে নয়, আগে ফিরে এলেও এই পুলিশ কিছু করতে পারবে না।’উল্লেখ্য, পুলিশের পরিদর্শক রাকিবুল হাসান ঢাকার ক্যান্টনমেন্ট থানার ওসির দায়িত্বে ছিলেন। গত বুধবার রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি অডিও ছড়িয়ে পড়ে। এতে রাকিবুল হাসানকে সরকার, প্রশাসন, সেনাবাহিনী ও পুলিশ বাহিনী নিয়ে বিভিন্ন মন্তব্য করতে শোনা যায়।অডিওতে শেখ হাসিনার দেশে ফেরা এবং পুলিশের সক্ষমতা নিয়ে মন্তব্য করতে শোনা যায় রাকিবুল হাসানকে। এই অডিও রেকর্ড নিয়ে আলোচনার মধ্যে তাঁকে ক্যান্টনমেন্ট থানা থেকে প্রত্যাহার করে ডিএমপির সদরদপ্তর ও প্রশাসন বিভাগের কেন্দ্রীয় সংরক্ষণ দপ্তরে সংযুক্ত করা হয়। পরে তাঁকে পুলিশের গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) হেফাজতে নেওয়া হয়।জামায়াত হঠকারী দল হিসেবে পরিচিতপ্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী বলেন, তার মানে কী? ১৬ বছরে যেভাবে প্রশাসনের রন্ধ্রে রন্ধ্রে ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থা তৈরি করা হয়েছিল, সেই ব্যবস্থার কি পুরোপুরি অবসান অন্তর্বর্তী সরকার করতে পেরেছিল? করতে পারেনি। যে কারণে বিএনপি সরকারের পক্ষেও রাতারাতি ওই ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থার নির্মূল করা সম্ভবপর হয়ে উঠছে না।রাশেদ খাঁন বলেন, ‘এর অন্যতম কারণ হলো জামায়াত। তারা আওয়ামী ফ্যাসিবাদকে একধরনের সুযোগ তৈরি করে দিচ্ছে। জামায়াত রাজনৈতিকভাবে একটি হঠকারী দল হিসেবে পরিচিত।’এ সময় প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী বলেন, এই সরকার মাত্র সাত মাস বয়সে পড়েছে। ছয় মাস সরকার অতিবাহিত করেছে এবং ছয় মাসে সরকারের যে কার্যক্রম, সেটা জনগণের কাছে অত্যন্ত প্রশংসনীয়। কিন্তু এই সরকারের বিরুদ্ধে যে পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র জামায়াতে ইসলামী করছে, সেটি হলো এই লংমার্চের মাধ্যমে। তারা আওয়ামী লীগকে ফিরে আসার সুযোগ সৃষ্টি করে দিচ্ছে।রাশেদ খাঁন প্রশ্ন রাখেন, এই অল্প বয়সী সরকারের বিরুদ্ধে চূড়ান্ত কর্মসূচি লংমার্চ করা যায়? তিনি বলেন, জামায়াতের আমিরের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ডিসেম্বর থেকে সরকার পতনের আন্দোলন শুরু করবে। অন্যদিকে সেই ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনাও ডিসেম্বরে বাংলাদেশে ফিরতে চান। এই কারণে জনগণের মনের মধ্যে একধরনের সন্দেহ রয়েছে।প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী বলেন, ১৯৯৬ সালে যেমনিভাবে জামায়াত ও আওয়ামী লীগ বিএনপির বিরুদ্ধে রাজপথে নেমেছিল, ঠিক একইভাবে তারা বুঝে বা না বুঝে আরেকটি ছক তৈরি করছে কি না, এই প্রশ্ন জনগণের মনের মধ্যে রয়েছে।বিরোধী জোটের চট্টগ্রামের লংমার্চের প্রসঙ্গ তুলে রাশেদ খাঁন বলেন, ‘এই যে লংমার্চের নামে আওয়ামী লীগের নেতাদের গাড়ি নিয়ে লং ড্রাইভ করা এবং আমরা দেখেছি যে এনসিপির (জাতীয় নাগরিক পার্টি) এক নেতা, তাঁর নামটা আমি বলব না, আজকাল তাঁর নাম মুখে নিতেও লজ্জা লাগে; আওয়ামী লীগের নেতার প্রাডো গাড়ি করে তিনি চট্টগ্রামে লংমার্চে গিয়েছেন।’‘চলে আসলি এই পুলিশ কিচ্ছু করতে পারবে না’, অডিও ছড়ানোর পর ওসি প্রত্যাহাররাশেদ খাঁন আরও বলেন, ‘জামায়াতসহ ১১ দলকে বলব যে আপনারা রংপুরে যে লংমার্চ নিয়ে আসছেন, আপনারা যদি প্রকৃতপক্ষে জনবান্ধব হন, তাহলে ঢাকা থেকে পায়ে হেঁটে রংপুরে আসুন। লংমার্চের নামে লং ড্রাইভে আসবেন—এ রকম কোনো উসকানি আমরা আপনাদের কাছ থেকে প্রত্যাশা করি না।’উল্লেখ্য, আট দফা দাবিতে ১১–দলীয় ঐক্য আগামীকাল শনিবার সকাল ৭টায় রংপুর অভিমুখে লংমার্চ শুরু করবে। ঢাকার মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে উদ্বোধনী সভা চলবে সকাল আটটা পর্যন্ত। এরপর সন্ধ্যা ৭টায় রংপুর জিলা স্কুল মাঠে সমাপনী সমাবেশ হবে।

News সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২৬ 0
হাজারো উসকানির মুখে চরম ধৈর্য দেখাতে হবে: গোলাম পরওয়ার

হাজারো উসকানির মুখে চরম ধৈর্য দেখাতে হবে: গোলাম পরওয়ার

সৌদি আরব কেন হুতিদের থামাতে পারছে না

সৌদি আরব কেন হুতিদের থামাতে পারছে না

‘শখ জাগছে, আপনারে জ্যাতা পুড়মু’

‘শখ জাগছে, আপনারে জ্যাতা পুড়মু’

ট্রাম্পের আহ্বানকে বৃদ্ধাঙ্গুলি, সেনা পাঠিয়ে ইরান যুদ্ধে জড়াবে না দক্ষিণ কোরিয়া
ট্রাম্পের আহ্বানকে বৃদ্ধাঙ্গুলি, সেনা পাঠিয়ে ইরান যুদ্ধে জড়াবে না দক্ষিণ কোরিয়া

ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রকে সহায়তা দিতে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতি আহ্বান জানিয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে এ আহ্বানকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে দেশটির প্রেসিডেন্ট লি জে মিউং সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, কোনোভাবেই মধ্যপ্রাচ্যে সেনা মোতায়েনের মাধ্যমে তাঁর দেশ এ যুদ্ধে জড়াবে না। আজ শুক্রবার এক সংবাদ সম্মেলনে প্রেসিডেন্ট লি বলেন, ‘এমন কোনো সেনা মোতায়েন করা হবে না, যার মাধ্যমে আমরা যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ব। এ বিষয় আমি খুব স্পষ্ট করে বলতে পারি। এ উদ্দেশ্যে কোনো ধরনের সামরিক সরঞ্জামও আমরা মোতায়েন করব না।’তবে লি বলেন, মধ্যপ্রাচ্যে নৌ চলাচলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দক্ষিণ কোরিয়া আরও বড় ভূমিকা রাখবে কি না, তা পর্যালোচনা করা হচ্ছে। জলদস্যু দমন অভিযানের অংশ হিসেবে দক্ষিণ কোরিয়ার নৌবাহিনীর একটি ইউনিট সোমালিয়ার উপকূলের কাছে মোতায়েন রয়েছে।ইরান যুদ্ধে দক্ষিণ কোরিয়ার সমর্থন যথেষ্ট নয় বলে সমালোচনা করে আসছেন ট্রাম্প। এ ছাড়া চলতি গ্রীষ্মে দুই দেশের সামরিক বাহিনীর বড় যৌথ মহড়াও কমিয়ে দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এতে দক্ষিণ কোরিয়ায় উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।লি বলেন, ‘বাণিজ্যিক জাহাজ ও অপরিশোধিত তেল পরিবহন এবং নাগরিকদের নিরাপত্তায় অন্য দেশগুলো যেভাবে ন্যূনতম ভূমিকা রাখছে, আমাদেরও তেমন কিছু করা প্রয়োজন—এটি পরিষ্কার।’ইরান যুদ্ধে দক্ষিণ কোরিয়ার সমর্থন যথেষ্ট নয় বলে সমালোচনা করে আসছেন ট্রাম্প। এ ছাড়া চলতি গ্রীষ্মে দুই দেশের সামরিক বাহিনীর বড় যৌথ মহড়াও কমিয়ে দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এতে দক্ষিণ কোরিয়ায় উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট আরও বলেন, আগামী কয়েক মাসের মধ্যে ট্রাম্প ও উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং-উনের মধ্যে বৈঠক হতে পারে। তবে এ জন্য অনেক বিষয়ের সঠিক সমন্বয় প্রয়োজন।এমন কোনো সেনা মোতায়েন করা হবে না, যার মাধ্যমে আমরা যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ব। এ বিষয় আমি খুব স্পষ্ট করে বলতে পারি। এ উদ্দেশ্যে কোনো ধরনের সামরিক সরঞ্জামও আমরা মোতায়েন করব না।লি বলেন, ‘একটি বিষয় পরিষ্কার। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প আলোচনা করতে চান এবং আমিও চাই, তিনি তা করুন। উত্তর কোরিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সংলাপের সুযোগ তৈরি করতে আমরা সমন্বয় করে যাচ্ছি।’ইরান যুদ্ধে জড়ালে দক্ষিণ কোরিয়ার বিপদ কেন বাড়তে পারে ট্রাম্পের বারবার বৈঠকের আহ্বান নিয়ে এখন পর্যন্ত উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমগুলোতে তেমন কোনো প্রতিক্রিয়া দেখা যায়নি। দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল জানিয়েছে, কিম জং-উনের সঙ্গে বৈঠকের জন্য ট্রাম্প তাঁর সহযোগীদের ওপর চাপ দিচ্ছেন।হরমুজ প্রণালিতে সামরিক সরঞ্জাম মোতায়েনের প্রস্তুতি দক্ষিণ কোরিয়ার: সংবাদমাধ্যমের খবর

News সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২৬ 0
দৌড়ে এসে হাত ধরে আগলে নিয়ে গেলেন রণবীর, হার্টওয়ার্মিং ভিডিওতে দেখুন ঝলমলে এথনিকওয়্যারে হবু মা দীপিকাকে

দৌড়ে এসে হাত ধরে আগলে নিয়ে গেলেন রণবীর, হার্টওয়ার্মিং ভিডিওতে দেখুন ঝলমলে এথনিকওয়্যারে হবু মা দীপিকাকে

নেত্রকোনা বিশ্ববিদ্যালয়কে বাস দিল পূবালী ব্যাংক

নেত্রকোনা বিশ্ববিদ্যালয়কে বাস দিল পূবালী ব্যাংক

মেয়েকে ক্ষতির হুমকি, অটোরিকশার চালককে কুপিয়ে ভেলায় ভাসালেন গৃহবধূ

মেয়েকে ক্ষতির হুমকি, অটোরিকশার চালককে কুপিয়ে ভেলায় ভাসালেন গৃহবধূ

অ্যামেক্সের নতুন ক্রেডিট কার্ড আনল সিটি ব্যাংক
অ্যামেক্সের নতুন ক্রেডিট কার্ড আনল সিটি ব্যাংক

‘সিটি ব্যাংক আমেরিকান এক্সপ্রেস আল্ট্রামেরিন ক্রেডিট কার্ড’ চালুর ঘোষণা দিয়েছে সিটি ব্যাংক। জামানতভিত্তিক ও জামানতবিহীন দুভাবেই পাওয়া যাবে এ কার্ড। এটি গ্রাহকদের দেশি ও আন্তর্জাতিক উভয় ধরনের লেনদেনের সুবিধা দেবে।ঢাকায় সিটি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে যৌথভাবে কার্ডটির উদ্বোধন করেন সিটি ব্যাংকের চেয়ারম্যান হোসেন খালেদ এবং আমেরিকান এক্সপ্রেস ব্যাংকিং করপোরেশনের দক্ষিণ এশিয়া ও ফ্রেঞ্চ টেরিটরিস অঞ্চলের গ্লোবাল নেটওয়ার্ক সার্ভিসের পরিচালক কুরুশ দাস্তুর ও দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলের নেটওয়ার্ক পার্টনারশিপসের সিনিয়র ম্যানেজার পুনিত মাথুর। অনুষ্ঠানে সিটি ব্যাংকের অতিরিক্ত এমডি মো. মাহবুবুর রহমান, কাজী আজিজুর রহমান ও মাহিয়া জুনেদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সিটি ব্যাংক এ তথ্য জানায়।

News সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২৬ 0
গাজর, ফ্রাইড চিকেন নাকি আইসক্রিম? চীনের প্রদর্শনীতে এগুলো আসলে কী

গাজর, ফ্রাইড চিকেন নাকি আইসক্রিম? চীনের প্রদর্শনীতে এগুলো আসলে কী

মুঠোফোনের নীল আলো ঘুমে ব্যাঘাত ঘটায় না, বলছে নতুন গবেষণা

মুঠোফোনের নীল আলো ঘুমে ব্যাঘাত ঘটায় না, বলছে নতুন গবেষণা

সৌদি আরবকে ৪৮টি এফ-৩৫ অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল ও মার্কিন গোয়েন্দাদের উদ্বেগ

সৌদি আরবকে ৪৮টি এফ-৩৫ অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল ও মার্কিন গোয়েন্দাদের উদ্বেগ

0 Comments