জাতীয়

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কনসার্ট ইস্যুতে সমঝোতা, মানতে হবে যে শর্ত

News সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬ 0
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কনসার্ট ইস্যুতে সমঝোতা, মানতে হবে যে শর্ত
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কনসার্ট ইস্যুতে সমঝোতা, মানতে হবে যে শর্ত

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি কলেজের নবীনবরণ উপলক্ষে কনসার্ট আয়োজনকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট বিরোধের অবসান হয়েছে। শনিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ আসনের সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামলের বাসভবনে কওমি ছাত্র ঐক্য পরিষদের নেতৃবৃন্দ ও কলেজ কর্তৃপক্ষের বৈঠকের পর এ বিষয়ে সমঝোতা হয়। বৈঠকে কওমি ছাত্র ঐক্য পরিষদ নেতা আব্দুল খালেকের নেতৃত্বে ৭-৮ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল অংশ নেয়।

আলোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, নবীনবরণ ও আলোচনা সভা কলেজের মূল ক্যাম্পাসে অনুষ্ঠিত হবে। আর সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজন করা হবে কলেজের দক্ষিণ ক্যাম্পাসে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি শাহাদাত হোসেন বলেন, আলোচনার মাধ্যমে বিষয়টি নিষ্পত্তি হয়েছে। নবীনবরণ ও আলোচনা সভা মূল ক্যাম্পাসে এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান দক্ষিণ ক্যাম্পাসে অনুষ্ঠিত হবে।

আরও পড়ুন

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় এবার নবীনবরণে কনসার্ট বন্ধের দাবি কওমি ছাত্রদের

এ বিষয়ে কওমি ছাত্র ঐক্য পরিষদের নেতা আব্দুল খালেক বলেন, আমরা এমপি মহোদয়ের সঙ্গে আলোচনা করেছি। সরকারি কলেজের মাঠে কোনো কনসার্ট বা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হবে না।

দক্ষিণ ক্যাম্পাসে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের ব্যাপারে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘অশ্লীলতা হবে না’- এই শর্তে ভেতরের মাঠে অনুষ্ঠান করার বিষয়ে আমরা একমত হয়েছি।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ আসনের সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামল বলেন, ‘কলেজের লোকজন ও মাদরাসার ছাত্রদের নিয়ে আমরা বসেছিলাম। একটা সমঝোতা হয়েছে।’

এদিকে বৈঠকের পর কওমি ছাত্র ঐক্য পরিষদ, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ফেসবুক পেজে ‘ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি কলেজ মাঠে কোনো ধরনের কনসার্ট হবে না, শুধু নবীনবরণ অনুষ্ঠান হবে’ শিরোনামে একটি পোস্ট দেওয়া হয়।

ওই পোস্টে বলা হয়, নবীনবরণ উপলক্ষে আয়োজিত কনসার্ট স্থগিতের দাবিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে স্মারকলিপি দেওয়া হয়েছিল। পরে সংসদ সদস্যের হস্তক্ষেপে কলেজের সাধারণ শিক্ষার্থী ও কর্তৃপক্ষ তাদের কনসার্ট স্থগিতের দাবি মেনে নিয়েছে। একই সঙ্গে নবীনবরণ, বৃক্ষরোপণসহ অন্যান্য সাংস্কৃতিক ও শিক্ষামূলক কার্যক্রম বহাল রাখার বিষয়ে তারা মতামত দিয়েছেন বলে উল্লেখ করা হয়।

আবুল হাসনাত মো. রাফি/এফএ

Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

ব্যাটিং বিপর্যয়ে দিন শুরু, লড়াইয়ে ফিরতে মরিয়া টাইগাররা

কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন

জাতীয়

View more
প্রথম ম্যাচেই উত্তর কোরিয়ার কাছে ১০-০ গোলে হারলো বাংলাদেশ
প্রথম ম্যাচেই উত্তর কোরিয়ার কাছে ১০-০ গোলে হারলো বাংলাদেশ

এশিয়ান গেমসের নারী ফুটবলে গ্রুপ পর্বের ম্যাচে উত্তর কোরিয়ার কাছে প্রথম ম্যাচেই ১০-০ গোলে হারলো বাংলাদেশ। প্রথমার্ধেই ৭ গোল হজম করেছিল মারিয়া মান্দারা। কোনোভাবেই উত্তর কোরিয়ার সামনে কোনো প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পারেনি বাংলাদেশের ফুটবলাররা। আন্তর্জাতিক ফুটবলে বাংলাদেশ নারী দল এর আগে কখনো এতগুলো গোল হজম করে হারেনি। জাপানের ওসাকার নাগাই স্টেডিয়ামে একের পর এক আক্রমণে বাংলাদেশকে দিশেহারা করে তোলে উত্তর কোরিয়া। প্রথমার্ধেই একে-একে বাংলাদেশের জালে ৭ বার বল জড়ায়। দ্বিতীয়ার্ধে আক্রমণের ধার কিছুটা কমে আসলেও আরও ৩ গোল যোগ করে ব্যবধানকে উন্নীত করে ১০-০ ব্যবধানে। প্রতিপক্ষের জন রং, চাই উন ও কিম কিয়ং করেছেন জোড়া গোল। বাংলাদেশের জালে প্রথমার্ধে উত্তর কোরিয়ার গোল উৎসবের শুরুটা হয় ম্যাচের ষষ্ঠ মিনিটেই। শুরুটা করেন জন রং। এরপর ১০ মিনিটেও তিনি নিজের ও দলের দ্বিতীয় গোল করেন। তবে ম্যাচের তৃতীয় মিনিটেই গোল করেছিলেন রি সং। তার গোলটি বাতিল করে দেন ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারি। ১২ মিনিটে ব্যবধান ৩-০ করেন হোয়াং ইউ। ৬ মিনিট পর ১৮ মিনিটে চতুর্থ গোলটি করেন চাই উন। ৩৫ মিনিটে তিনিও সম্পন্ন করেন নিজের জোড়া গোল। দলের স্কোরলাইন হয় ৫-০। ৪০ ও ৪৩ মিনিটে জোড়া গোল করে প্রথমার্ধেই ৭-০ ব্যবধান করেন কিম কিয়ং। প্রথমার্ধেই যেই দাপট দেখিয়েছে উত্তর কোরিয়া। তাতে এখন দ্বিতীয়ার্ধে আরও কতটি গোল করে তারা কিংবা বাংলাদেশ কোনো প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পারে কিন না, সেটাই এখন দেখার বিষয়। আরআই/আইএন/আইএইচএস

News সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৬ 0
অনলাইন জুয়ার টাকা ব্যাংক-ক্রিপ্টোর মাধ্যমে বিদেশে পাচার করতেন তারা

অনলাইন জুয়ার টাকা ব্যাংক-ক্রিপ্টোর মাধ্যমে বিদেশে পাচার করতেন তারা

মালদ্বীপের ফুভাহমুলাহ্ দ্বীপে বাংলাদেশ হাইকমিশনের কনস্যুলার ক্যাম্প

মালদ্বীপের ফুভাহমুলাহ্ দ্বীপে বাংলাদেশ হাইকমিশনের কনস্যুলার ক্যাম্প

সংস্কার হচ্ছে সাকিব আল হাসানের মাগুরার বাড়ি, যা জানালেন শ্রমিকরা

সংস্কার হচ্ছে সাকিব আল হাসানের মাগুরার বাড়ি, যা জানালেন শ্রমিকরা

জ্বালানি সংকট সমাধানে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা, বৈঠকে ব্যবসায়ীদের স্বস্তি
জ্বালানি সংকট সমাধানে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা, বৈঠকে ব্যবসায়ীদের স্বস্তি

ফ্যাসিবাদের রেখে যাওয়া পুঞ্জীভূত সমস্যা স্বল্প সময়ে সমাধান করা সম্ভব নয়। তবে সবাই মিলে একসঙ্গে কাজ করলে বাংলাদেশ কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছাবে বলে মনে করে সরকার। অন্যদিকে, সরকারের সঙ্গে আলোচনা শেষে জ্বালানি সংকট সমাধানের বিষয়ে দীর্ঘমেয়াদি স্বস্তি প্রকাশ করেছেন ব্যবসায়ীরা। সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ২১ জন শীর্ষ ব্যবসায়ী ও ব্যবসায়িক সংগঠনের নেতাদের সঙ্গে জ্যেষ্ঠ সাংবাদিকদের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত এক বৈঠক শেষে এসব কথা জানানো হয়। বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ব্যবসায়ী নেতাদের জ্বালানি সংকট সমাধানের নানা দিক নিয়ে আলোচনা হয়। আরও পড়ুন বাংলাদেশে নতুন গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধানে বিনিয়োগ করতে চায় শেভরন বৈঠকে দেশের সার্বিক অর্থনীতি ও জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। এসময় জ্বালানি নিরাপত্তা নিয়ে ২, ৩ ও ৫ বছর মেয়াদি পরিকল্পনা তুলে ধরা হয়। গ্যাস কূপ খননে চলমান কার্যক্রমের পাশাপাশি সৌরবিদ্যুতে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়ার বিষয়টিও আলোচনায় উঠে আসে। বৈঠক শেষে এফবিসিসিআইয়ের প্রশাসক ফজলুল হক বলেন, আগামী দিনে জ্বালানি সমস্যার সমাধান হবে বলে আমরা আশা করছি। আলোচনা শেষে ব্যবসায়ীরা স্বস্তি নিয়ে ফিরছেন। এই স্বস্তি দীর্ঘমেয়াদি হবে বলেও তিনি বিশ্বাস করেন। আরও পড়ুন ফ্যাসিস্ট সরকারের দুর্নীতির কারণে জ্বালা‌নি খাত সংকটে পড়েছে: তিতুমীর দেশের বর্তমান পরিস্থিতি তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন বলেন, বিগত ফ্যাসিবাদের শাসনামলে তৈরি হওয়া পুঞ্জীভূত সমস্যাগুলো খুব অল্প সময়ে সমাধান করা কঠিন। তবে সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করলে দেশ তার কাঙ্ক্ষিত গন্তব্যে পৌঁছাতে পারবে। কেএইচ/এমকেআর

News সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৬ 0
বিভাগে ভালো ফলাফল করে ডিনস অ্যাওয়ার্ড পেলেন ডাকসুর মহিউদ্দিন খান

বিভাগে ভালো ফলাফল করে ডিনস অ্যাওয়ার্ড পেলেন ডাকসুর মহিউদ্দিন খান

ডাকসুর মূল্যায়ন উদ্যোগে শিক্ষকেরা ক্ষুব্ধ

ডাকসুর মূল্যায়ন উদ্যোগে শিক্ষকেরা ক্ষুব্ধ

নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ে লেখালেখি নিয়ে সার্টিফিকেট কোর্স, ফি ১৫ হাজার টাকা

নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ে লেখালেখি নিয়ে সার্টিফিকেট কোর্স, ফি ১৫ হাজার টাকা

আইওএস ২৭ উন্মুক্ত হচ্ছে আজ, আইফোনে যে ৯ সুবিধা পাওয়া যাবে
আইওএস ২৭ উন্মুক্ত হচ্ছে আজ, আইফোনে যে ৯ সুবিধা পাওয়া যাবে

আইফোন ব্যবহারকারীদের জন্য নতুন অপারেটিং সিস্টেম ‘আইওএস ২৭’ উন্মুক্ত করতে যাচ্ছে অ্যাপল। আজ সোমবার উন্মুক্ত হতে যাওয়া অপারেটিং সিস্টেমটিতে বেশ কিছু নতুন সুবিধা যুক্ত করার পাশাপাশি আইফোনের কর্মক্ষমতা বাড়াতে বিভিন্ন পরিবর্তন এনেছে অ্যাপল। প্রতিষ্ঠানটির তথ্যমতে, আইফোন ১২ থেকে পরবর্তী সব মডেলের আইফোনে নতুন অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করা যাবে। আইওএস ২৭ অপারেটিং সিস্টেমে যুক্ত হওয়া নতুন সুবিধাগুলো সম্পর্কে জেনে নেওয়া যাক।১. মেসেজেস অ্যাপে সরাসরি ছবি আঁকার সুযোগআইওএস ২৭ অপারেটিং সিস্টেমে মেসেজেস অ্যাপ থেকেই সরাসরি ছবি আঁকার সুবিধা যুক্ত করা হয়েছে। এর ফলে বার্তা আদান-প্রদানের সময় অ্যাপলের মার্কআপ টুল ব্যবহার করে চাইলেই সরাসরি ছবি আঁকার পাশাপাশি সেগুলো পাঠানো যাবে। কথোপকথন চলাকালে প্লাস (+) আইকনে ট্যাপ করে ‘ড্রয়িং’ নির্বাচন করলেই ছবি আঁকার সুবিধাটি চালু হবে।২. হোম স্ক্রিনে ব্যবহার করা যাবে বড় উইজেটআইওএস ২৭–এ হোম স্ক্রিনে আরও বড় আকারের উইজেট ব্যবহার করা যাবে। নতুন এই উইজেট প্রায় পুরো স্ক্রিনে দেখা যাওয়ায় প্রয়োজনীয় তথ্য দ্রুত দেখা যাবে। শুরুতে অ্যাপলের নিজস্ব অ্যাপগুলোয় বড় আকারের উইজেট ব্যবহারের সুযোগ পাওয়া যাবে।৩. ফেসটাইম কলে ডুয়াল ক্যাপচার সুবিধাআইওএস ২৭–এ ফেসটাইম কলে ‘ডুয়াল ক্যাপচার’ সুবিধা পাওয়া যাবে। ফলে ফেসটাইম কল চলাকালে আইফোনের সামনের ও পেছনের ক্যামেরা একসঙ্গে চালু করে একই সঙ্গে নিজের অভিব্যক্তি ও সামনের দৃশ্য দেখানো যাবে। ক্যামেরা অ্যাপে আগে থেকেই ডুয়াল ক্যাপচার সুবিধা থাকলেও ফেসটাইমে এই সুবিধা যুক্ত হওয়ায় ভিডিও কলে কথা বলার সময় অন্য প্রান্তের ব্যক্তিকে নিজের পাশাপাশি চারপাশের পরিবেশ স্বচ্ছন্দে দেখানো যাবে।৪. বাস্তবসম্মত ছবি তৈরিআইওএস ২৭–এ ‘ইমেজ প্লেগ্রাউন্ড’ সুবিধা হালনাগাদ করা হয়েছে। ফলে জেনারেটিভ মডেলের সাহায্যে এখন আগের তুলনায় আরও বাস্তবসম্মত ছবি তৈরির পাশাপাশি সেগুলো এআইয়ের সহায়তায় দ্রুত সম্পাদনা করা যাবে। ইমেজ প্লেগ্রাউন্ডে তৈরি করা ছবিতে ‘সিন্থআইডি’ যুক্ত থাকবে, যা এআই দিয়ে তৈরি ছবি শনাক্ত করতে সহায়তা করবে।প্রথমবারের মতো ভাঁজযোগ্য আইফোনের ঘোষণা দিল অ্যাপল, দাম কত৫. রসিদের ছবি তুলেই ভাগ করা যাবে খাবারের বিলবন্ধুদের সঙ্গে খাবার খাওয়ার পর কে কত টাকা বিল দেবেন, সেই হিসাব দ্রুত করা যাবে আইফোনে। এ জন্য ক্যালকুলেটর ব্যবহারও করতে হবে না। আইফোনের ক্যামেরা দিয়ে রসিদের ছবি তুললেই রসিদটি বিশ্লেষণ করে খাবারের বিল ভাগ করতে সাহায্য করবে এআই। সিরি, ওয়ালেট বা মেসেজেসের মাধ্যমে রসিদের ছবি স্ক্যান করা যাবে। এরপর ব্যবহারকারী কোন কোন খাবার বা পণ্যের দাম দেবেন, তা নির্বাচন করতে পারবেন। এরপর অ্যাপল ক্যাশের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে টাকা পরিশোধ করতে হবে।৬. ছবি তোলার পর বদলানো যাবে ফ্রেমছবি তোলার সময় ফ্রেম ঠিকমতো না হলেও চিন্তার কারণ নেই। আইওএস ২৭–এর ‘স্পেশাল রিফ্রেমিং’সুবিধা ব্যবহার করে ছবি তোলার পরও এর ফ্রেমের বিন্যাস পরিবর্তন করা যাবে। ফটোস অ্যাপে এই সুবিধার মাধ্যমে ছবির বিষয়বস্তু নতুন করে সাজানো বা ছবির দৃষ্টিকোণ পরিবর্তন করা যাবে।ভাঁজযোগ্য আইফোনে কী থাকছে, যা অন্য ফোনে নেই৭. সহজে সন্তানদের অনলাইন কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণশিশুরা কোন ওয়েবসাইট ব্যবহার করছে, তা নিয়ন্ত্রণে আইওএস ২৭ অপারেটিং সিস্টেমে অভিভাবকদের জন্য নতুন সুবিধা যুক্ত করেছে অ্যাপল। ‘আস্ক টু ব্রাউজ’ নামের সুবিধাটি চালু থাকলে কোনো শিশু নতুন ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে চাইলে আগে অভিভাবকের অনুমতি নিতে হবে। শিশুর পাঠানো অনুমতির অনুরোধ মেসেজেস অ্যাপের মাধ্যমে অভিভাবকের কাছে পৌঁছে যাবে। অভিভাবক অনুমতি দেওয়ার পর সেই ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে পারবে শিশুরা। প্যারেন্টাল কন্ট্রোলস টুল ব্যবহারের ব্যবস্থাও সহজ করা হয়েছে। এর ফলে শিশুরা কোন কোন অ্যাপ ব্যবহার করতে পারবে, তা সহজেই নির্ধারণ করতে পারবেন অভিভাবকেরা।৮. অ্যাপ ও ছবি দ্রুত চালুআইওএস ২৭ অপারেটিং সিস্টেমে প্রসেসিং ও নেটওয়ার্ক ব্যবস্থায় বেশ কিছু পরিবর্তন আনা হয়েছে। অ্যাপলের দাবি, নতুন অপারেটিং সিস্টেমে অ্যাপ আগের তুলনায় ৩০ শতাংশ দ্রুত চালু হবে। ফটোস অ্যাপে নতুন ছবি লোড হওয়ার গতিও ৭০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়বে। এয়ারড্রপের মাধ্যমে ফাইল স্থানান্তরের গতিও বাড়বে সর্বোচ্চ ৮০ শতাংশ পর্যন্ত। নেটওয়ার্ক ব্যবস্থায়ও পরিবর্তন আনা হয়েছে। ফলে আইফোন আশপাশে পাওয়া নেটওয়ার্কগুলোর মধ্যে তুলনামূলক ভালো নেটওয়ার্ক বেছে নিয়ে প্রয়োজন অনুযায়ী স্বয়ংক্রিয়ভাবে সেটিতে যুক্ত হতে পারবে। এতে নেটওয়ার্ক পরিবর্তনের সময় সংযোগে বিঘ্ন কমবে।৯. সিরিকে আরও স্বাভাবিকভাবে নির্দেশ দেওয়া যাবেসিরির দীর্ঘ প্রতীক্ষিত এআই সুবিধা আইওএস ২৭–এর অন্যতম বড় পরিবর্তন। তবে নতুন এই সুবিধা সফটওয়্যার উন্মুক্ত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পাওয়া যাবে না। অ্যাপল জানিয়েছে, সিরির এআই সুবিধা চলতি বছরের শেষ দিকে চালু করা হবে। জেনারেটিভ এআই যুক্ত হওয়ার পর সিরি ব্যবহারকারীর কথা আরও স্বাভাবিকভাবে বুঝতে পারবে। মেসেজেস, মেইল, ফটোস ও নোটসের মতো বিভিন্ন অ্যাপের তথ্য বিশ্লেষণ করে ব্যবহারকারীর ব্যক্তিগত প্রেক্ষাপটও বুঝতে পারবে। এমনকি আইফোনের পর্দায় কী দেখা যাচ্ছে, তা বুঝে প্রয়োজনীয় কাজও করতে পারবে। বর্তমানে সিরি মূলত একবারে একটি নির্দেশ গ্রহণ করে তার উত্তর দেয়। নতুন ব্যবস্থায় একাধিক নির্দেশ, স্বাভাবিক কথোপকথন এবং বিস্তারিত বা উন্মুক্ত প্রশ্নও বুঝতে পারবে সিরি।সূত্র: জেডডিনেট

News সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৬ 0
বুদ্ধিজীবী কবরস্থান থেকে শুটারগান উদ্ধার

বুদ্ধিজীবী কবরস্থান থেকে শুটারগান উদ্ধার

১৫ দিনের সফরে জামায়াত নেতা সেলিম উদ্দিন, যাবেন ৪ দেশে

১৫ দিনের সফরে জামায়াত নেতা সেলিম উদ্দিন, যাবেন ৪ দেশে

অবৈধ সম্পদ: সাবেক মেয়র আ জ ম নাছিরের বিরুদ্ধে মামলার অনুমোদন

অবৈধ সম্পদ: সাবেক মেয়র আ জ ম নাছিরের বিরুদ্ধে মামলার অনুমোদন

0 Comments