জাতীয়

বিনয়ের ঈশ্বরীগণ

News সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৬ 0
বিনয়ের ঈশ্বরীগণ
বিনয়ের ঈশ্বরীগণ

২০০৬ সালে বিনয় মজুমদারের মৃত্যুর পর তার দীর্ঘদিনের বন্ধু বেলাল চৌধুরী প্রথম আলোর শুক্রবারের সাময়িকীতে এ নিবন্ধটি লিখেন। তখনো প্রথম আলোর অনলাইন কার্যক্রম শুরু হয়নি, তাই এতদিন লেখাটি শুধু ছাপা কাগজের পাতাজুড়ে ছিল। আজ বিনয় মজুমদারের জন্মদিনে লেখাটি অন্য আলোর অনলাইন পাঠকের জন্য তুলে ধরা হলো।

বিংশ শতাব্দীর ষাটের দশক। কলকাতার সাহিত্যজগৎ বেশ রমরমা। ‘ছোটগল্প’ নামে একটা কাগজে লেখার সূত্র ধরে একঝাঁক নতুন গল্পকারের আবির্ভাব। এদের মধ্যে দেবেশ রায়, শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়, অতীন বন্দ্যোপাধ্যায়, রতন ভট্টাচার্য, সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়, শংকর চট্টোপাধ্যায়, শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়, কবিশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়, সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়, সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ প্রমুখ। সেই ছোটগল্পের কাগজটিও আজ আর নেই। সেদিনের সেই প্রতিশ্রুতিশীল তরুণ লেখকদের মধ্যে কেউ আজ খ্যাতির শিখরে, কেউ এখনো লিখে চলেছেন। কেউবা ইহলীলা সাঙ্গ করে চিরবিদায় নিয়ে নিয়েছেন। কেউবা আর লিখছেনই না। প্রত্যেক দেশের সাহিত্যে এ রকমই হয়।

এখানে যে সময়ের কথা বলা হচ্ছে তখন দুনিয়া তোলপাড় করা দুই আমেরিকান শীর্ষ কবি অ্যালেন গিন্সবার্গ আর পিটার অরলোভস্কি ভারত ছেড়ে চলে গেছেন। ১৯৬৪ সালে নামগোত্রহীন এক যুবকের রঙ্গমঞ্চে প্রবেশ। যাকে বলা হচ্ছিল জোব চার্নকের পর এ রকমটি আর দেখা যায়নি। চালচুলোহীন শুধু কলেজ স্ট্রিট কফি হাউসকে কেন্দ্র করে হেলাফেলায় দীর্ঘ এক যুগের ওপর কাটিয়ে এসেছে। অ্যালেন গিন্সবার্গদের প্রায় পিছু পিছুই মার্কিন বৃত্তি নিয়ে সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় তখন আমেরিকাগামী। এর মধ্যে শক্তি চট্টোপাধ্যায় মূলত কবিতা লেখার লোক হলেও একটি আঞ্চলিক ভাষায় কুয়োতলা নামে একটি অসাধারণ উপন্যাস লিখে দারুণ হইচই ফেলে দিয়ে নিরুপদ্রব নিঃসঙ্গ জীবনযাপন করছেন। লিখতে শুরু করেছেন কবিতা। কবিতার মধ্যে আবার লিরিকের প্রাধান্যই বেশি। ঠিক এ সময় পাশাপাশি আর একটি নতুন নাম শোনা যেতে লাগল। কবির নাম বিনয় মজুমদার। শেকড়-সূত্রে বাংলাদেশের ফরিদপুরের ছেলে। যদিও জন্ম সেকালের সুদূর বর্মা মুলুকের এক গ্রামে। পিতার কর্মস্থলে। সেই ১৯৫৮-তে বেরিয়েছে জীবনানন্দ দাশকে আত্মসাৎ করা নক্ষত্রের আলোয় নামের কাব্যগ্রন্থটি। এরপরই কবিদের চিরকালীন বন্ধু দেবকুমার বসুর প্রকাশনা সংস্থা বিশ্বজ্ঞান থেকে বেরোয় সেই রহস্যময় সাংকেতিক কাব্যগ্রন্থ ‘ফিরে এসো চাকা’। কিন্তু এর আগে বিনয় এক রুশ ভদ্রমহিলার কাছে রুশ ভাষা শিখে বেশ কটি চিরায়ত রুশ গ্রন্থের অনুবাদ বের করে বেশ নাম কুড়োন। এই সময় প্রবলভাবে শক্তিমান কবি শক্তি চট্টোপাধ্যায় বললেন, ‘বিনয় আমার বন্ধু। সহপাঠী এবং জাত-কবি। ও আমাদের সমসাময়িক হলেও কৃত্তিবাস-এর সঙ্গে সেই অর্থে জড়িত ছিল না। যদিও বিনয়ের কবিতা আমি কৃত্তিবাস-এ নিয়ে গেছি, সুনীলের হাতে দিয়েছি, বেশ কয়েকবার ছাপাও হয়েছে। ওর প্রথম বই ‘নক্ষত্রের আলোয়’ জীবনানন্দের অনুসরণে মুখর, কিন্তু তার পর থেকেই ও জীবনানন্দের অনুসরণে যতি টানে। নিজস্ব ভঙ্গিতে গায়ত্রীর প্রতি কবিতাগুচ্ছ উত্সারিত হয়। সেসব খুব মারাত্মক কবিতা। বিনয় মঞ্চের ওপর ঠিকমতো কেন উঠে দাঁড়াল না, তা আমি বুঝতে পারি না, কিন্তু মনে হয়, ও যে ধরনের কবিতায় বিশ্বাসী, তা মঞ্চে পাঠের উপযোগী নয়, একা একা পড়ার ব্যাপার। আমাদের সময়ে প্রকৃত অলৌকিক কবিতা কী, তা বিনয় লিখে দেখিয়েছে। আমার সঙ্গে দীর্ঘকাল কোনো যোগাযোগ নেই। ওর কবিতাও সাম্প্রতিককালে নজরে আসেনি। কিন্তু পঞ্চাশের দশকে ওর একটি বিশেষ স্থান আছে এবং থাকবে।’

এ ছাড়া বিনয়ের কবিতার আলোচনার সূত্র ধরে শক্তি চট্টোপাধ্যায়ই প্রথম বিনয়ের কাব্যপ্রতিভার প্রতি যথোচিত অঙ্গুলিনির্দেশ করেন। এবং তার পর থেকেই বিনয়ের কবিতা নিয়ে, বিনয়কে নিয়ে অনেক কল্পকথার জন্ম নিতে থাকে। আসলে বিনয় নিজের জীবনটাকেই কবিতার মধ্যে মিশিয়ে দিয়েছে। বিনয় তার দিনলিপিতে লিখেছে, বারবার লিখেছে, ‘বেঁচে থাকা জিনিসটা খুব ভালো’। তাঁর ডায়েরি বা দিনলিপি আর কবিতা একই—বলেছেন কৃত্তিবাসের সম্পাদক কবি সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়।

অসুখী বাল্যকাল একজন যুক্তিজ্ঞানসম্পন্ন ব্যক্তির মেধাকেও যে কতটা অযৌক্তিক করে তোলে এমনকি ক্রমশ তাঁর মানসিক ভারসাম্য বিপন্ন ও পর্যুদস্ত করে, বিনয় তার প্রমাণ। বিনয় মজুমদারের সঙ্গে আমার পরিচয় হয়েছিল—না, কফি হাউসে নয়, আমাদের দেবুদা মানে দেবকুমার বসুর প্রকাশনী সংস্থা বিশ্বজ্ঞান আর যখন-খুশি-বেরুনো নাটক-সম্পর্কিত পত্রিকা দর্শক অফিসে। এর পরে অবধারিতভাবেই কফি হাউসে। কারণ, কলকাতার কলেজ স্ট্রিটে গেলে সব নদী নয় সব পথ কফি হাউসে গিয়েই মেলে। বিনয়দাকে প্রথম পরিচয়ে আমার মোটেই অস্বাভাবিক মনে হয়নি। শুধু মাঝেমধ্যে দেখা যেত হঠাৎ কিছুটা অন্যমনস্ক হয়ে টেবিলে তাল ঠুকতে ঠুকতে আনমনে গাইছেন ‘অগ্নিবীণা বাজাও তুমি...’। তার পরেই কিছুক্ষণ অন্য জগতে। এভাবে দিনের পর দিন একই টেবিলে বসার সুবাদে যতটুকু আলাপ-পরিচয় হয়, তার চেয়ে কিছুটা বেশিই হয়ে গিয়েছিল। কথাবার্তা হতো। তবে বিক্ষিপ্ত। কোনো কোনো দিন দেখা যেত, হয়তো প্রথম ট্রেন ধরেই ঠাকুরনগর থেকে বিনয় এসে টেবিলজুড়ে বসে আছে। ওকে দেখলে সে টেবিলে কোনো অর্বাচীন ছাড়া বসবার সাহস হবে কার। আর আমি আগে এসে বসে থাকলে তো কথাই নেই, বিনয়দা সরাসরি এসে তার হাতের ঢাউস ব্যাগটা একপাশে রেখে বসে পড়লেই হলো। মেজাজ–মর্জি অনুকূল থাকলে এসব সময় অনেক অন্তরঙ্গ কথাবার্তাও হতো। আবার কোনো কোনো দিন উগ্রচণ্ডী ধারণ করলে অন্যের জন্য প্রমাদ গুনতে হলেও আমার সঙ্গে হৃদ্য আলাপে কোনো বিঘ্ন ঘটত না।

তখন আমি আমার ভাসমান জীবনে থাকতুম শিয়ালদার কাছাকাছি বৈঠকখানা রোডে। কারমাইকেল হোস্টেলের পাশে। একদিন শহরব্যাপী কী একটা বড় ধরনের গোলমাল হয়ে যাওয়াতে বিনয়দা আমার সঙ্গেই বিনা দ্বিধায় রাতের আশ্রয়টুকু শেয়ার করলেন। স্বাভাবিকভাবেই মেঝের ওপর ফরাস পেতে রাত কাটালেন বিনা উপদ্রবে। একসময় বিনয়দা সম্পর্কে ‘কলকাতা স্টেটসম্যান’ পত্রিকায় ক্যালকাটা নোটবুকে বিনয়ের প্রশস্তি করে একটা লেখা বেরুল। পরে জানা গিয়েছিল, লেখাটি লিখেছিলেন জ্যোতির্ময় দত্ত। যাঁর অনেক পরিচয়ের মধ্যে বুদ্ধদেব বসুর বড় জামাতা, স্টেটসম্যানেই কাজ করেন। নিজেও কবিতা লেখেন। কবিদের ওপর অসাধারণ সব মননশীল ও সুখপাঠ্য প্রবন্ধ লেখেন। চলাফেরায় সাহেবি কেতা। দু-একবার দূর থেকে দেখেছি। ওই লেখালেখির পর থেকে বিনয়ের আশ্রয়দাতা হলেন জ্যোতির্ময় দত্ত। জ্যোতির্ময়রা তখন থাকেন এক বিরাট পরিবার নিয়ে বন্ডেল রোডে। সে বাড়িরই একটা ঘরে জায়গা হলো বিনয়ের। তখন পর্যন্ত আমি এসবের কিছুই জানতুম না। বুদ্ধদেব বসুর কন্যা মীনাক্ষী দত্ত তখন রীতিমতো কিংবদন্তির নায়িকা। একদিন বিনয়দা আমাকে আড়ালে ডেকে নিয়ে বললেন, জ্যোতির্ময় বাবুকে চেনো তো, তিনি আমার একজন ঘনিষ্ঠ বন্ধুকে তাঁদের বাড়িতে নেমন্তন্ন করতে চান। আমি তোমার কথাই ভেবেছি। আমাকে একটু দোনোমনা করতে দেখে বললেন, আরে ভয়ের কিছু নেই। জ্যোতির্ময় বাবু মীনাক্ষী দেবী এরা খুবই ভালো মানুষ। তুমি আর কিছু না ভেবে, এই ঠিকানা দিচ্ছি, কাল সকালে চলে এসো। আমি অপেক্ষায় থাকব।

পরদিন সকালে গুটি গুটি পায়ে গিয়ে ঠিকানামতো কড়া নাড়লুম। একটা লোক বেরিয়ে এসে বলল, ওই যে ছোট্ট দোতলা ঘরটা দেখছেন, ওটাতেই বিনয়বাবু থাকেন। হেলাফেলায় কথা কটি বলে লোকটি তার কাজে চলে গেল। লোকটির বলা এবং চলার ভঙ্গিতে একটা তাচ্ছিল্যের ভাব দেখে একবার ভাবলুম, যা হবার হয়েছে, এবার মানে মানে কেটে পড়ি। হঠাৎ দেখি দোতলার একটি ঘর থেকে সহাস্যে উত্ফুল্ল মুখে বেরিয়ে আসছেন বিনয়দা। বললেন, আরে এসো এসো বেলাল, তুমি এসেছ দেখে কত যে খুশি হয়েছি। বিনয়দার গা–ভর্তি তুলো। বোঝা গেল, বালিশটা ফেঁসে গিয়ে সব তুলো বেরিয়ে তার শরীরে লেপ্টে রয়েছে। যাহোক, সে অবস্থাতেই আমাকে প্রায় টেনেহিঁচড়ে বড় বাড়ির নিচের তলায় একটি ঘরে নিয়ে গিয়ে একজন সুবেশী হাস্যোজ্জ্বল তরুণের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিয়ে বললেন, এই আমার বন্ধু বেলাল, যার কথা আগেই আপনাকে বলেছিলাম। ভদ্রলোক, মানে জ্যোতির্ময় দত্ত দেখলুম বিনয়ের অবতার। আরে কী সৌভাগ্য, আসুন আসুন, ভেতরে আসুন। বাড়িটা আপনারই ভাববেন, এখানে সংকোচের কোনো বালাই নেই। এই যে কী একটা নাম বললেন, এখানে একজন মান্য অতিথি এসেছেন। তাঁকে একটু সমাদর করুন। খাবারটাবার কিছু দিন।

পাশেই একটি সুদর্শনা রাতশাড়িতে ঘুমচোখে কাকে যেন খুঁজছিলেন। মেয়েটি বিন্দুমাত্র ভ্রুক্ষেপ করল না আমাদের দিকে। আমার দৃষ্টি কিন্তু তখনো সেই কিশোরীতে নিবদ্ধ।

এরপর প্রথম দেখা সেই মুশকো লোকটা একটা জামবাটিতে করে কয়েক কোষ কাঁঠাল আর মুড়ি এনে হেলাফেলায় আমাদের দিল। বিনয়দা দেখলাম গোগ্রাসে সেই কাঁঠালসহযোগে মুড়ি খেতে শুরু করে দিয়েছেন। আমি কিন্তু কাঁঠাল খাই না। আসলে কাঁঠালের গন্ধটাই কেন জানি না আমার সহ্য হয় না। আমি খেলাম কি খেলাম না, সে আর দেখছে কে। ঘরভর্তি লোকজন। চা খাচ্ছে, গল্পগুজব করছে। আমি সহজেই টের পেয়ে গেলাম গৃহকর্তা যতই খাতির করুন না কেন, এ বাড়িতে বিনয়ের অবস্থানটা কোথায়। ইশারাই কাফি। পরে যখন জ্যোতিদা, দিদি, তিতির ও গোগোর সঙ্গে সম্পর্কটা বেশ গাঢ় হয়ে উঠল, তখন ওদের সুখ-দুঃখের সঙ্গে আমিও খানিকটা জড়িয়ে পড়লাম।

জ্যোতিদার উত্সাহ এক এক সময় এক এক দিকে ছোটে। বিনয়কে নিয়ে তাদের পরিবার তটস্থ হয়ে আছে। বিনয় তখন কবিতায় ঈশ্বরীর খোঁজে ব্যাপৃত। এখানে মীনাক্ষী দত্তের ‘দীর্ঘদিন বিনয়ের সঙ্গে’ লেখাটি থেকে একটি স্তবক তুলে দিলেই পাঠক বুঝতে পারবেন বিনয়ের প্রকৃত মানসিক অবস্থাটা—

‘বিনয় মাঝে মাঝেই কোনো না কোনো মেয়েকে ওর “ঈশ্বরী” বানিয়ে নিতো। অমিতা চক্রবর্তী, ফুল্লরা গঙ্গোপাধ্যায়, গায়ত্রী চক্রবর্তী এ রকম অনেক। এদের কাউকেই ও চিনতো না। মানুষ যেমন মূর্তি গড়ে পুজো করে, সেই মূর্তিকে কাপড় গয়না পরায়, দাঁত মাজায়, স্নান করায়, নাম দেয় এও তেমনি। রবীন্দ্রনাথের জীবনদেবতা পুরুষ, বিনয়ের নারী ঈশ্বরী। বিশেষ কোনো রমণীর সঙ্গে এর সম্পর্ক খোঁজা হাস্যকর। তখন একটা গল্প চালু ছিল যে গায়ত্রীর ভক্তরা বেকার ল্যাবরেটরির পেছনে নিয়ে গিয়ে বিনয়কে মেরেছিল। মাথায় এমন মেরেছিল যে তারপর থেকেই ওর মাথার গোলমাল। এটা ভুল, কারণ গায়ত্রীর সঙ্গে কথা বলে জেনেছি, গায়ত্রী বিনয়কে চিনত না। একবার বোধ হয় দেখেছিল—এ ছাড়া ওর বিষয়ে গায়ত্রী আর বিশেষ কিছু জানে না। বিনয় একটা চটি বই বার করেছিল নীল তুলোট কাগজের মলাট দিয়ে, আমাদের বাড়িতে থাকার সময়। তার কপিরাইট আমাকে দিয়েছিল। মাত্রই কয়েক কপি বাঁধাই হয়ে এসেছিল বাড়িতে বোধ হয়। কয়েক দিন পরেই দেখলাম ওই অমূল্য পুস্তকখানির সর্বস্বত্ব আর আমার নেই। তবে ওই সময় ওর কবিতার খাতাগুলি আমাকে দিয়েছিল। আমার জাগতিক জিনিসের প্রতি অমনোযোগ সত্ত্বেও তার দু-একটি এখনো আমার কাছে রয়ে গেছে। সিল্ক বা তসর দিয়ে তৈরি ব্লাউজ সহজে ফেঁসে যায়। সেই ব্লাউজ দিয়ে বিনয় বেশ কায়দা করে খাতা বাঁধিয়েছিল। বিনয়ের যে দুটি খাতা আমার কাছে এখনো আছে, তা আবার ব্লাউজের টুকরো দিয়েই বাঁধানো।’

আসলে এই ঈশ্বরীর তালিকায় স্বয়ং মীনাক্ষী দত্তও ছিলেন। তা না হলে কেউ সযত্নে ব্লাউজের কাপড় দিয়ে খাতা বাঁধাই করে? আসলে নারীসংক্রান্ত একধরনের মনোবিকারের কারণেই বিনয় মাঝে মাঝে বলত, আগামী এক শ বছরের মধ্যে পৃথিবী মনুষ্যবিহীন হয়ে যাবে। সমস্ত প্রকৃতিসদন বন্ধ হয়ে যাবে। বিনয়ই করে দেবে। মনস্তাত্ত্বিক হতে হয় না বিনয়ের এসব বিকৃতি বোঝার জন্য। বিনয়ের স্বহস্তেই লেখা রয়েছে, ‘পৃথিবীর প্রত্যেকটি মানবীকে চিরতরে সম্পূর্ণ বন্ধ্যা করে দিয়েছি।’—ঈশ্বরী ও ঈশ্বর। ১৬/১১/১৯৬৫।

বিনয় সম্পর্কে যা জানি, তার সিকিভাগও লেখা গেল না তাড়াহুড়োর কারণে। পরে নাহয় আর একবার দেখা যাবে।

Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

ব্যাটিং বিপর্যয়ে দিন শুরু, লড়াইয়ে ফিরতে মরিয়া টাইগাররা

কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন

জাতীয়

View more
মর্যাদাপূর্ণ রিবা ইন্টারন্যাশনাল প্রাইজ ২০২৬-এর সংক্ষিপ্ত তালিকায় বাংলাদেশের দুটি স্থাপত্য
মর্যাদাপূর্ণ রিবা ইন্টারন্যাশনাল প্রাইজ ২০২৬-এর সংক্ষিপ্ত তালিকায় বাংলাদেশের দুটি স্থাপত্য

স্থাপত্যক্ষেত্রে বিশ্বের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ রিবা ইন্টারন্যাশনাল প্রাইজ ২০২৬-এর সংক্ষিপ্ত তালিকায় স্থান করে নিয়েছে বাংলাদেশের দুটি স্থাপত্য প্রকল্প। এগুলো হলো ঢাকায় ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস ও রংপুরে অবস্থিত কারুপণ্য রংপুর লিমিটেডের গ্রিন ফিল্ড ফ্যাক্টরি।আজ বৃহস্পতিবার দ্য রয়্যাল ইনস্টিটিউট অব ব্রিটিশ আর্কিটেক্টস (রিবা) ২০২৬ সালের এই পুরস্কারের সংক্ষিপ্ত তালিকা প্রকাশ করেছে। তালিকায় স্থান পেয়েছে চারটি প্রকল্প, যার দুটিই বাংলাদেশের। অপর দুটি প্রকল্প বেলজিয়ামের। সেগুলো হলো রয়্যাল বেলজ ও জেড৩৩।রিবার পক্ষে পাঠানোর এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়। রিবার ওয়েবসাইট ও ফেসবুক পেজেও এ-সংক্রান্ত তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে। সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, চিন্তাশীল নকশা কীভাবে মানুষের দৈনন্দিন জীবনকে উন্নত করার পাশাপাশি পরিবর্তনশীল জলবায়ুর সঙ্গে খাপ খাওয়াতে পারে, তা দেখিয়েছে এই প্রকল্পগুলো।ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস সম্পর্কে বলা হয়েছে, ঘনবসতিপূর্ণ নগর পরিবেশে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নির্মাণের ক্ষেত্রে এটি একটি নতুন ধরনের নকশার দৃষ্টান্ত তৈরি করেছে। ব্যাপক সবুজায়নের মাধ্যমে ক্যাম্পাসটিতে জলবায়ু পরিবর্তনের সঙ্গে খাপ খাওয়ানোর সক্ষমতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি এখানে শিক্ষা, পারস্পরিক যোগাযোগ ও সামাজিক কর্মকাণ্ডের জন্য বিভিন্ন পরিসর তৈরি করা হয়েছে। টেকসইতা, শিক্ষা ও জনজীবনের সমন্বয়ের মাধ্যমে ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয় দেখিয়েছে, স্থাপত্য কীভাবে পরিবেশগত পরিবর্তনের সঙ্গে খাপ খাওয়াতে সাহায্য করার পাশাপাশি একটি শহরের সামগ্রিক পুনরুজ্জীবনেও ভূমিকা রাখতে পারে।গ্রিন ফিল্ড ফ্যাক্টরি সম্পর্কে বলা হয়েছে, কারখানাটিকে শুধু কাজের জায়গা হিসেবে নয়, কর্মীদের সুস্থতা ও কমিউনিটির জন্যও একটি পরিসর হিসেবে নতুনভাবে ভাবা হয়েছে। এখানে এমন কর্মপরিবেশ তৈরি করা হয়েছে, যেখানে প্রাকৃতিকভাবে বাতাস চলাচল করে। কর্মীরা আশপাশের প্রাকৃতিক পরিবেশের সঙ্গে সংযুক্ত থাকতে পারেন। এখানে সবুজায়ন, প্রাকৃতিক আলো ও বাতাসের প্রবাহ কাজে লাগানো হয়েছে। এতে যান্ত্রিক শীতাতপনিয়ন্ত্রণের ওপর নির্ভরতা কমানোর পাশাপাশি বিশ্রাম, পারস্পরিক যোগাযোগ ও বিনোদনের জন্যও বিভিন্ন পরিসর তৈরি হয়েছে। কর্মীদের অভিজ্ঞতা ও সুস্থতাকে নকশার কেন্দ্রে রেখে গ্রিন ফিল্ড দেখিয়েছে, শিল্পস্থাপত্য কীভাবে শহরের পুনরুজ্জীবনে ভূমিকা রাখতে পারে।প্রতি দুই বছর পরপর রিবা ইন্টারন্যাশনাল প্রাইজ দেওয়া হয়। এবার পঞ্চমবারের মতো এই পুরস্কার দেওয়া হচ্ছে। বিজয়ী প্রকল্পের নাম আগামী ১৫ অক্টোবর ঘোষণা করা হবে।রিবা ইন্টারন্যাশনাল অ্যাওয়ার্ডস ফর এক্সিলেন্স বিজয়ী বাংলাদেশের দুটি স্থাপত্য প্রকল্প

News সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৬ 0
ঢাকের তালে বৈঠার ছন্দে, পদ্মায় নৌকাবাইচের উৎসব

ঢাকের তালে বৈঠার ছন্দে, পদ্মায় নৌকাবাইচের উৎসব

রাজনৈতিক প্রভাব মুক্ত করতে আবাহনী ও ধানমন্ডি মাঠ ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের হাতে

রাজনৈতিক প্রভাব মুক্ত করতে আবাহনী ও ধানমন্ডি মাঠ ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের হাতে

চেরনোবিলের যে রাত বদলে দিয়েছিল পারমাণবিক ইতিহাস

চেরনোবিলের যে রাত বদলে দিয়েছিল পারমাণবিক ইতিহাস

আপনি কি নিজের অজান্তে একাই সম্পর্কটা টেনে নিয়ে যাচ্ছেন? মিলিয়ে নিন এই ৫ লক্ষণ
আপনি কি নিজের অজান্তে একাই সম্পর্কটা টেনে নিয়ে যাচ্ছেন? মিলিয়ে নিন এই ৫ লক্ষণ

ভালোবাসার সম্পর্ক মানে কি ফিফটি-ফিফটি? কেউ যত্ন দেখান কথায়, কেউ কাজে। আসল প্রশ্ন হলো দুজনেই কি সম্পর্কটির দায়িত্ব নিচ্ছেন? সম্পর্কে কি পারস্পরিকতা আছে?সম্পর্কের ভাঙন সব সময় বড় ঝগড়া বা বিচ্ছেদের ঘোষণা দিয়ে হয় না। বেশির ভাগ সময় তা শুরু হয় নীরবেসম্পর্কের ভাঙন সব সময় বড় ঝগড়া বা বিচ্ছেদের ঘোষণা দিয়ে হয় না। বেশির ভাগ সময় তা শুরু হয় নীরবে। একজন বারবার খোঁজ নেন, অন্যজন শুধু উত্তর দেন। একজন পরিকল্পনা করেন, অন্যজন যেটুকু সাড়া না দিলেই নয়, কেবল সেটুকুই দেন। একজন ঝগড়ার পর এগিয়ে যান, অন্যজন অপেক্ষা করেন। বাইরে থেকে সম্পর্কটি তখনো ‘আছে’। কথা হচ্ছে, দেখা হচ্ছে, একসঙ্গে এক ছাদের নিচে ‘থাকা হচ্ছে’। কিন্তু ভেতরে–ভেতরে একজনের মনে কু ডাকছে, ‘আমি না থাকলে কি এই সম্পর্ক আদৌ থাকবে?’ভালোবাসা কি হিসাবের খাতা ভালোবাসার সম্পর্ক মানে কি ফিফটি-ফিফটি? কেউ যত্ন দেখান কথায়, কেউ কাজে। আসল প্রশ্ন হলো দুজনেই কি সম্পর্কটির দায়িত্ব নিচ্ছেন? সম্পর্কে কি পারস্পরিকতা আছে? ‘পারসিভড পার্টনার রেসপনসিভনেস’–এর গবেষণায় সঙ্গী আপনার প্রতি কতটা সহানুভূতিশীল, সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে আপনাকে গুরুত্ব দেন ও আপনার প্রয়োজনে কতটা সাড়া দেন—এই তিন বিষয়কে সম্পর্কের সুস্থতার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হিসেবে দেখা হয়েছে।দীর্ঘস্থায়ী দাম্পত্য জীবনের মূলমন্ত্র কী? জানালেন ৮৪ বছর ধরে একসঙ্গে থাকা এই দম্পতিপাঁচটি লক্ষণ১. সব সময় কি আপনিই প্রথমে মেসেজ করেন? আপনিই কি দেখা করার বা সব ‘আস টাইমের’ পরিকল্পনা করেন?২. প্রতিটি ঝগড়ার পর আপনিই কি ‘সব ঠিক’ করার দায় অনুভব করেন? ভুল না করেও ক্ষমা চান? গবেষণা বলছে, দ্বন্দ্বের সময় সরে যাওয়া সম্পর্কের মানের জন্য বেশি ক্ষতিকর। আসল কথা, কী নিয়ে ঝগড়া হচ্ছে তা নয়, উভয় পক্ষ সেটি মেটানোর ব্যাপারে কতটা আন্তরিক, সেটি বেশি গুরুত্বপূর্ণ।৩. আপনি থামলে কি যোগাযোগও থেমে যায়? কথোপকথনে সব সময় তাঁর কথাই উঠে আসে আর আপনার দিনটা কেমন গেল, তা জিজ্ঞাসা করে না? উত্তর ‘হ্যাঁ’ হলে এভাবেই সম্পর্ক নীরবে একতরফা হয়ে যায়।৪.বারবার কি আপনিই ছাড় দিচ্ছেন? সময়, পরিকল্পনা, পছন্দ বা প্রয়োজনের ক্ষেত্রে আপনাকেই কি নিয়মিত মানিয়ে নিতে হচ্ছে?৫. সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ লক্ষণ, সম্পর্কের মধ্যে থেকেও একা লাগা। প্রতিদিন কথা হয়, দেখা হয়, তবু ভেতরে একটা শূন্যতা থেকে যায়। একসঙ্গে থাকা আর আবেগগতভাবে সংযুক্ত থাকা এক কথা নয়।ব্যস্ত জীবনসঙ্গীকে নিয়ে সুন্দর দাম্পত্য সম্পর্ক টিকিয়ে রাখার ৫ কার্যকর টিপসতাহলে কি সম্পর্ক শেষসব সময় নয়। একজন বেশি মেসেজ করেন, অন্যজন কম, এতেই সম্পর্ক একতরফা হয় না। দেখতে হবে ধরন (প্যাটার্ন)। গত কয়েক মাসে প্রায় সব উদ্যোগ কি আপনার? আপনার প্রয়োজন কি বারবার উপেক্ষিত হচ্ছে? যদি উত্তর বারবার ‘হ্যাঁ’ হয়, তাহলে খোলামেলা কথা বলার সময় এসেছে।ভালোবাসা মানে সমান হিসাব নয়, সমান উপস্থিতি ভালোবাসা কোনো হিসাবের খাতা নয়। সবার প্রতিটি দিন একরকম যায় না। আপনার দিনে আপনি নিজের সেরাটা দিলেন। কিন্তু আপনার খারাপ দিনে তিনি নিজের সবটা দিয়ে পাশে আছেন তো? এই একটি জায়গায় হিসাব জরুরি, সম্পর্কে দুজনেই উপস্থিত তো? ভালোবাসা একটু কমবেশি হোক, ভারসাম্য আছে তো? কেননা দিন শেষে সম্পর্ক কখনো যেকোনো একজনের দায়িত্বে টেকে না।সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়াসম্পর্কে ‘কম্প্যাটিবিলিটি টেস্ট’ করবেন কীভাবে? মিলিয়ে নিন ৫ বৈশিষ্ট্য

News সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৬ 0
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান দিবস উদ্‌যাপন

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান দিবস উদ্‌যাপন

তাপপ্রবাহ কমতে পারে, পাঁচ দিনের পূর্বাভাসে ঝড়বৃষ্টির আভাস

তাপপ্রবাহ কমতে পারে, পাঁচ দিনের পূর্বাভাসে ঝড়বৃষ্টির আভাস

বেতপণ্যের শতবর্ষী ব্যবসা টিকিয়ে রাখার চেষ্টা

বেতপণ্যের শতবর্ষী ব্যবসা টিকিয়ে রাখার চেষ্টা

সাভারে এসআই আলতাফ হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের গ্রেপ্তারের নির্দেশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
সাভারে এসআই আলতাফ হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের গ্রেপ্তারের নির্দেশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

সাভারের আমিনবাজারে সন্ত্রাসীদের হামলায় নিহত স্পেশাল ব্রাঞ্চের (এসবি) উপপরিদর্শক (এসআই-নিরস্ত্র) আলতাফ হোসেনের হত্যাকাণ্ডে জড়িত সব আসামিকে দ্রুত গ্রেপ্তারের নির্দেশ দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।মন্ত্রীর সঙ্গে আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তাঁর অফিসকক্ষে নিহত ব্যক্তির পরিবারের সদস্যরা সাক্ষাৎ করতে আসেন। তিনি সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তাদের তখন এ নির্দেশনা দেন। সাক্ষাৎকালে মন্ত্রী শোকসন্তপ্ত পরিবারটিকে দ্রুত বিচার নিশ্চিত করার সর্বাত্মক আশ্বাস দেন।স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।মন্ত্রী জানান, নিহত পুলিশ কর্মকর্তার পরিবারের সার্বিক কল্যাণে ইতিমধ্যে পুলিশ অধিদপ্তরের কল্যাণ তহবিল থেকে ছয় লাখ টাকার আর্থিক অনুদান দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া নিহত এসআইয়ের পারিবারিক ব্যবসা সচল রাখার সুবিধার্থে ‘কমিউনিটি ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড’ থেকে প্রয়োজনীয় ঋণসহ সার্বিক সহায়তার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে কর্মজীবনে আলতাফ হোসেনের নৈতিকতা ও সাহসিকতাপূর্ণ কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ তাঁকে মরণোত্তর ‘পুলিশ পদক (পিপিএম)’ দেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নির্দেশ দেন মন্ত্রী।৫ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে সাভারের আমিনবাজারের বরদেশী পশ্চিমপাড়ায় একটি অটোরিকশা রাখা নিয়ে সৃষ্ট তর্ক-বিতর্ক থামাতে গিয়ে সন্ত্রাসীদের হামলার মুখে পড়েন এসআই আলতাফ হোসেন। প্রাণ বাঁচাতে তিনি তাঁর বড় ছেলের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে আশ্রয় নিলে সন্ত্রাসীরা দেশি অস্ত্র, রড, পাইপ, হাতুড়ি ও লাঠি নিয়ে সেখানে হামলা চালান। বাবাকে বাঁচাতে গিয়ে তাঁর ছোট ছেলে আরিফুল ইসলামও ধারালো অস্ত্রের আঘাতে গুরুতর জখম হন। পরে স্থানীয় লোকজন তাঁদের উদ্ধার করে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক এসআই আলতাফ হোসেনকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় আলতাফ হোসেনের স্ত্রী শিউলী পারভীন বাদী হয়ে ১৫ জনকে আসামি করে সাভার মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা করেন।প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আলতাফ হোসেন ১৯৮৬ সালে সিরাজগঞ্জ জেলা থেকে কনস্টেবল পদে বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীতে যোগদান করেন। দীর্ঘ ৪০ বছরের কর্মজীবনে তিনি ডিএমপি, রাঙামাটি, আরআরএফ রাজশাহী, আরএমপি ও বরিশাল জেলায় অত্যন্ত সততা, নিষ্ঠা ও পেশাদারত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেন। ২০১১ সাল থেকে মৃত্যু পর্যন্ত তিনি এসবি, ঢাকায় কর্মরত ছিলেন।

News সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৬ 0
এবার দক্ষিণ কোরিয়ার কাছে ৬ গোল হজম বাংলাদেশের

এবার দক্ষিণ কোরিয়ার কাছে ৬ গোল হজম বাংলাদেশের

মেঘনার চরে সংকটাপন্ন ১৪ প্রজাতির পাখি

মেঘনার চরে সংকটাপন্ন ১৪ প্রজাতির পাখি

সংসদীয় স্থায়ী কমিটি: প্রতিশ্রুতি থেকে পিছু হটলে আস্থা থাকবে কীভাবে

সংসদীয় স্থায়ী কমিটি: প্রতিশ্রুতি থেকে পিছু হটলে আস্থা থাকবে কীভাবে

0 Comments