বিএনপি ক্ষমতায় আসার প্রথম ছয় মাস পার হলেও বৈশ্বিক পরিস্থিতির প্রভাব, অর্থনৈতিক চাপ ও জ্বালানিসংকট সামলাতে এখনো তাদের হিমশিম খেতে হচ্ছে। কিন্তু এরই মধ্যে সরকারকে এমন কিছু রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত নিতে দেখা যাচ্ছে, যা দীর্ঘ মেয়াদে অনাস্থার পরিবেশ তৈরির দিকে নিয়ে যেতে পারে। অর্থনৈতিক ও জ্বালানিসংকটের অজুহাত হিসেবে যুদ্ধ ও বিগত দেড় দশকের স্বৈরশাসনকে দাঁড় করানোর সুযোগ থাকলেও রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে এ ধরনের অজুহাত দেওয়ার সুযোগ নেই।
কয়েকটি উদাহরণ দেওয়া যাক। জুলাই সনদ মূলত রাজনৈতিক সমঝোতার দলিলে পরিণত হয়েছে। বাংলাদেশের ইতিহাসে দীর্ঘ আলোচনা ও সংলাপের মাধ্যমে গণতান্ত্রিক রূপান্তরের এমন একটি রূপরেখা তৈরি করতে সক্ষম হওয়াটা এক বড় অর্জন এবং রাজনৈতিক সাবালকত্বেরও লক্ষণ। এতে প্রস্তাবিত সংস্কারের পক্ষে গণভোটে প্রায় ৭০ শতাংশ ভোটও পড়েছে। সরকারের মন্ত্রীরা একাধিকবার জুলাই সনদ ‘অক্ষরে অক্ষরে’ বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, যদিও বাস্তবে তার প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে না।
সনদে কিছু বিষয়ে বিএনপির নোট অব ডিসেন্ট ছিল, আবার কিছু বিষয়ে বিএনপিও সর্বসম্মত ঐকমত্য জানিয়েছিল। গণভোট বিএনপির এই নোট অব ডিসেন্টকে খারিজ করে দেয় কি না, আপাতত এ প্রশ্ন মুলতবি রেখে দেখা যেতে পারে, যেসব বিষয়ে বিএনপি নিজেরাও সায় দিয়েছিল, সেগুলোর কী হাল?
যেমন জুলাই সনদে সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় প্রতিষ্ঠার বিষয়ে স্পষ্ট বলা হয়েছিল, ‘নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগকে কার্যকরভাবে পৃথকীকরণের লক্ষ্যে সুপ্রিম কোর্টের নিজস্ব সচিবালয় থাকবে এবং এ জন্য প্রয়োজনীয় আইন প্রণয়ন করা হবে।’ এ বিষয়ে বিএনপিসহ সব রাজনৈতিক দল একমত হয়েছিল। অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এ-সংক্রান্ত একটি অধ্যাদেশও জারি করেছিল। অথচ ক্ষমতায় এসে বর্তমান সরকার সংসদে সেই অধ্যাদেশ বাতিল করে দিল।
মনে রাখা দরকার, আমাদের রাজনীতিতে আস্থার সংকটই প্রবল। একদিকে কোনো রাজনৈতিক দলই অপরকে ন্যূনতম কোনো বিষয়ে বিশ্বাস করে না। অন্যদিকে জনগণের মধ্যেও প্রবল বিশ্বাস রয়েছে, ক্ষমতায় গিয়ে কেউই প্রতিশ্রুতি রক্ষা করবে না। এমন পরিস্থিতিতে সদ্য গড়ে ওঠা কোনো সমঝোতার প্রতি আস্থা তৈরির মূল দায় বর্তায় সরকারি দলের ওপর।
আবার ধরুন, সংসদের স্থায়ী কমিটির সভাপতির বিষয়ে সনদে উল্লেখ করা হয়েছিল, ‘জাতীয় সংসদের সরকারি হিসাব কমিটি, প্রিভিলেজ কমিটি, অনুমিত হিসাব কমিটি ও সরকারি প্রতিষ্ঠান কমিটির সভাপতি পদে বিরোধীদলীয় সদস্যরা দায়িত্ব পালন করবেন। এ ছাড়া জাতীয় সংসদে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি পদে সংসদে আসনের সংখ্যানুপাতে বিরোধী দলের মধ্যে নির্বাচন করা হবে।’ এ বিষয়েও বিএনপির সম্মতি ছিল। এমনকি বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহারেও এ প্রতিশ্রুতি ছিল।
কিন্তু বাস্তবে দেখা গেল আরেক চিত্র। সংসদে ৫০টি কমিটির মধ্যে বিরোধী দলের মোট ১৪টি কমিটির সভাপতি পদ পাওয়ার কথা। কিন্তু শুধু সরকারি হিসাব কমিটির সভাপতি পদটি বিরোধী দলকে দেওয়া হয়েছে। সরকারি দল বলছে, এই অনুপাতে সভাপতির পদ দিতে তারা সাংবিধানিকভাবে বাধ্য নয়, ইতিহাসেও এমন নজির নেই। আবার তারা এ-ও বলছে, বিরোধী দল সংবিধান সংশোধনের প্রক্রিয়ায় অংশ নিলে তারা এই পদগুলো দিতে রাজি হবে।

এই যে দুটি বিষয় বলা হলো, এগুলো নিয়ে খোদ বিএনপিও ঐকমত্য জানিয়েছিল। এখন তারা বলতেই পারে, তারা আগে সংবিধান ‘সংশোধন’ করবে, পরে এসব করবে। যেমন সম্প্রতি জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম দাবি করেছেন, জুলাই সনদ ‘বাস্তবায়ন করতে হলে সংবিধান সংশোধন’ প্রয়োজন (প্রথম আলো, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬)।
‘সংস্কার’ ও ‘সংশোধন’-এর সূক্ষ্ম পার্থক্য এড়িয়ে গিয়েও বলা যায়, সনদের সংস্কার প্রস্তাবগুলো মূলত দুই ভাগে বিভক্ত। প্রথমত, কিছু প্রস্তাব ছিল সংবিধান সংশোধন সাপেক্ষে; আর দ্বিতীয়ত, কিছু প্রস্তাব ছিল আইন, অধ্যাদেশ, বিধি ও নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে বাস্তবায়নযোগ্য। সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় প্রতিষ্ঠার প্রস্তাবটি ছিল এই দ্বিতীয় অংশে। অর্থাৎ, এই সংস্কারের জন্য সংবিধান ‘সংশোধন’ করাও লাগবে না।
একইভাবে সংসদীয় কমিটির সভাপতি কোন দল থেকে দেওয়া হবে, তা যেহেতু সংবিধান বা সংসদের কার্যপ্রণালি বিধির কোথাও নির্ধারণ করা নেই, সেহেতু সনদের এ প্রস্তাব এখনই বাস্তবায়ন করা সম্ভব বলেও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা মনে করেন। আবার এটা একটা মনোভঙ্গিরও বিষয়।
সরকার সনদের বিভিন্ন বিষয়কে এখন দর-কষাকষির উপাদানে পরিণত করতে চাইছে: আপনি যদি আমার এ দাবি মানেন, তাহলে আমরা এই দাবি মানব। প্রথমত, সরকারের দেওয়া প্রতিশ্রুতিতে আস্থা রাখা হবে কীভাবে? শপথ গ্রহণের দিনেই সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ না নিয়ে এবং ‘সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় অধ্যাদেশ, ২০২৫’ বাতিল করার মধ্য দিয়ে সরকার তার অবস্থান ও মনোভাব অনেকটাই স্পষ্ট করেছে।
দ্বিতীয়ত, গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানকে শক্তিশালী করার বিষয়গুলো কখনোই কোনো দর-কষাকষির উপাদান হতে পারে না। ইতিমধ্যে দীর্ঘ সংলাপের মধ্য দিয়ে তৈরি হওয়া সমঝোতার বিষয়গুলোকে দর-কষাকষির উপাদানে পরিণত করা আলামত হিসেবেও শুভ নয়।
অন্যদিকে সমঝোতার বিষয়গুলোকে পাশ কাটাতে সরকার যে বিদ্যমান ‘সংবিধান’–এর দোহাই দিচ্ছে, অন্যান্য ক্ষেত্রে সরকারকে আবার অসাংবিধানিক পদক্ষেপ নিতেও দেখা যাচ্ছে। সম্প্রতি দুদকের চেয়ারম্যান পদে সুপ্রিম কোর্টের এক সাবেক বিচারপতিকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে, যা সংবিধানের বিধিনিষেধের স্পষ্ট লঙ্ঘন (প্রথম আলো, ১৯ আগস্ট ২০২৬)।
অর্থাৎ রাজনৈতিক সমঝোতা এড়ানোর বাহানা হিসেবে ‘সংবিধান’কে সামনে আনা হলেও প্রয়োজনমতো সেই সংবিধানকেই উপেক্ষা করা হয়। জনগণ যখন দেখে রাজনৈতিক সমঝোতা ও তাদের রায়কে উপেক্ষা করার জন্য বারবার ‘সংবিধান’কে ব্যবহার করা হচ্ছে, তখন তাদের কাছে খোদ সংবিধানের গুরুত্বই লঘু হতে থাকে।
এই যে বিষয়গুলো আলাপ করা হলো, তা সনদের ভেতরকার। অর্থাৎ যে বিষয়গুলো নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে ভিন্নমত ছিল, সেগুলোকে সংলাপের মাধ্যমে একটা ন্যূনতম ঐকমত্যে নিয়ে আসার প্রয়াসের সঙ্গে এটা জড়িত। কিন্তু এর বাইরে আরও কিছু বিষয় নিয়ে নাগরিক সমাজ ও সর্বসাধারণের মধ্যে প্রবল ঐক্য ছিল এবং তারা আশাও করেছিল, সরকার এই বিষয়গুলো মানবে। সেগুলোও মানা হচ্ছে না। যেমন গুম ও মানবাধিকার বিষয়ে মৌলিক প্রশ্নগুলোকে এড়িয়ে যাওয়া হয়েছে।
বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাস মূলত রাজনৈতিক শ্রেণির সমঝোতা ভাঙার ইতিহাসও বটে। কোনো বিশেষ ঘটনার পর যখন রাজনৈতিক সমঝোতা গড়ে ওঠে, সেটা ভেঙে যাওয়ার উপক্রম হলে দুই স্তরে সংকট দেখা দিতে থাকে। প্রথমত, রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে এবং দ্বিতীয়ত, সরকার ও জনগণের মধ্যে অনাস্থা তৈরি হয়। এই ছয় মাসে দুটিরই আলামত পাওয়া যাচ্ছে।
মনে রাখা দরকার, আমাদের রাজনীতিতে আস্থার সংকটই প্রবল। একদিকে কোনো রাজনৈতিক দলই অপরকে ন্যূনতম কোনো বিষয়ে বিশ্বাস করে না। অন্যদিকে জনগণের মধ্যেও প্রবল বিশ্বাস রয়েছে, ক্ষমতায় গিয়ে কেউই প্রতিশ্রুতি রক্ষা করবে না। এমন পরিস্থিতিতে সদ্য গড়ে ওঠা কোনো সমঝোতার প্রতি আস্থা তৈরির মূল দায় বর্তায় সরকারি দলের ওপর।
গণতান্ত্রিক রাজনীতিতে আস্থাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এই ‘আস্থা’র কোনো লিখিত দলিল বা চুক্তিনামা থাকে না। তবে এটাই যে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার অন্যতম প্রধান শর্ত, ইতিহাসের বিভিন্ন সময়ে আস্থার সংকটের পরিণতি দেখলে আমরা বুঝতে পারি। সরকার যদি শুরুতেই সমঝোতার রূপরেখা থেকে পিছু হটে, তবে তা বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক রূপান্তরের জন্য বিপদ ডেকে আনবে।
● সহুল আহমদ লেখক ও গবেষক
* মতামত লেখকের নিজস্ব
শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা। ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে। সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।” জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর। সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।
বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে। চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে। দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।
কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন
২০২৬–২৭ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে নটর ডেম কলেজে ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীদের কাগজপত্র ১৮ সেপ্টেম্বর জমা নেওয়া হবে। আজ বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) কলেজের ওয়েবসাইটে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।একাদশে ক্লাস শুরুর তারিখ পেছাল১৮ সেপ্টেম্বর ভর্তি ফরমসহ অন্যান্য কাগজপত্র কলেজে জমা নেওয়া হবে। ফরম জমা দেওয়ার সময় ভর্তি পরীক্ষার প্রবেশপত্র, এসএসসি পরীক্ষা পাসের নম্বরপত্রের প্রিন্ট কপি, স্কুলের প্রশংসাপত্রের ফটোকপি, এসএসসি পরীক্ষার মূল প্রবেশপত্র, জন্মনিবন্ধন সনদের ফটোকপি (বাংলা/ইংরেজি) ও সাম্প্রতিক তোলা এক কপি পাসপোর্ট সাইজের রঙিন ছবি সঙ্গে আনতে হবে। কাগজপত্র জমা প্রদান সাপেক্ষে ওই দিন কলেজ থেকে ইউনিফর্মের জন্য কাপড়, ব্যাগ ও খাতা–কলম ইত্যাদি দেওয়া হবে। বিজ্ঞপ্তিতে শিক্ষার্থীদের নির্ধারিত সময় ও বুথ/কক্ষ নম্বর অনুসরণ করতে বলা হয়েছে।বিনা মূল্যে এআই প্রশিক্ষণ, দিনে ভাতা ২০০, যাঁরা আবেদনের যোগ্য
আড়াই লক্ষ কোটি টাকা ব্যয় তিনটি মেট্রোরে প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে যাচ্ছে সরকার। একনেক সবাই দুটি মেট্রোরেল প্রকল্পের ব্যয় বাড়ানো হয়েছে। বিস্তারিত বিশ্লেষণে...
অ্যাডভান্সড কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসি (এসিআই) তাদের স্টেশনারি ব্যবসায়ের জন্য জনবল নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। প্রতিষ্ঠানটিতে ‘ব্র্যান্ড প্রমোশন অফিসার’ পদে কর্মী নেওয়া হবে। আগ্রহী যোগ্য প্রার্থীরা অনলাইনে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আবেদন করতে পারবেন।সংক্ষিপ্ত তথ্য প্রতিষ্ঠানের নাম: অ্যাডভান্সড কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসি (এসিআই)।পদের নাম: ব্র্যান্ড প্রমোশন অফিসার (স্টেশনারি বিজনেস)।চাকরির ধরন: ফুলটাইম (অফিস)।কর্মস্থল: ঢাকা।শিক্ষাগত যোগ্যতা: যেকোনো স্বীকৃত প্রতিষ্ঠান থেকে উচ্চমাধ্যমিক (এইচএসসি) পাস।অভিজ্ঞতা: সর্বোচ্চ এক বছরের অভিজ্ঞতা। ম্যানুফ্যাকচারিং ও টয়লেট্রিজ খাতের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন প্রার্থীরা অগ্রাধিকার পাবেন। নতুনরাও আবেদন করতে পারবেন।বয়সসীমা: সর্বোচ্চ ২৮ বছর।অন্যান্য যোগ্যতা: যোগাযোগ ও আন্তব্যক্তিক দক্ষতা, রিলেশনশিপ ম্যানেজমেন্ট, দর–কষাকষি ও প্ররোচনা দেওয়ার দক্ষতা এবং ফলাফলভিত্তিক কাজের মানসিকতা থাকতে হবে।বেতন: আলোচনা সাপেক্ষে।সিভিতে যেসব দক্ষতা থাকলে চাকরি পাওয়ার সম্ভাবনা ৪২ শতাংশ পর্যন্ত বেড়ে যায়প্রধান দায়িত্বগুলো স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়, কোচিং সেন্টারসহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রচারণামূলক ক্যাম্পেইন ও পণ্যের প্রদর্শনী পরিচালনা করা। কোম্পানির স্টেশনারি পণ্যের প্রসারে সম্ভাব্য বাজার, রিটেইল ও মডার্ন ট্রেড আউটলেট, পরিবেশক ও পাইকারি বিক্রেতাদের কাছে যাওয়া। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, শিক্ষক, প্রশাসক ও খুচরা বিক্রেতাদের সঙ্গে সুসম্পর্ক গড়ে তোলা ও বজায় রাখা। প্রোডাক্ট স্যাম্পলিং, অ্যাকটিভেশন প্রোগ্রাম, প্রদর্শনী ও প্রচারণামূলক ইভেন্টের আয়োজন করা। গ্রাহকের পছন্দ, প্রতিযোগীদের কার্যক্রম ও মূল্যসংক্রান্ত বাজার তথ্য সংগ্রহ করা। রিটেইল আউটলেট ও ইভেন্টের স্থানে পণ্যের যথাযথ ডিসপ্লে নিশ্চিত করা এবং প্রচারণামূলক কার্যক্রম ও বাজারের প্রতিক্রিয়ার ওপর নিয়মিত প্রতিবেদন তৈরি করা।সমাজসেবায় ১৪৮৫ পদে নিয়োগ: আবেদনকারী কত, পরীক্ষার তারিখ কবেআবেদনের প্রক্রিয়া ও সময়সীমা আগ্রহী প্রার্থীরা অনলাইনের মাধ্যমে নির্ধারিত প্রক্রিয়ায় আবেদন করতে পারবেন।আবেদনের শেষ তারিখ: ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬।অস্ট্রেলিয়ায় বিদেশি শিক্ষার্থীদের সঙ্গে পরিবার আনার সুযোগ বন্ধের প্রস্তাব