জাতীয়

বাংলাদেশ অত্যন্ত সম্ভাবনাময় একটি বাজার: রেক্স লি

News সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৬ 0
বাংলাদেশ অত্যন্ত সম্ভাবনাময় একটি বাজার: রেক্স লি
বাংলাদেশ অত্যন্ত সম্ভাবনাময় একটি বাজার: রেক্স লি

রেক্স লি আসুসের ভাইস প্রেসিডেন্ট ও এশিয়া প্যাসিফিক কমার্শিয়াল বিজনেসের মহাব্যবস্থাপক। তিনি ২০০৭ সালে আসুসে যোগ দেওয়ার পর এশিয়া ও ইউরোপজুড়ে প্রতিষ্ঠানটির বৈশ্বিক কৌশল ও বাজার সম্প্রসারণে নেতৃত্ব দিচ্ছেন তিনি। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তানির্ভর কম্পিউটার, টেকসই প্রযুক্তি উদ্যোগ এবং বিভিন্ন আঞ্চলিক বাজার সম্প্রসারণে কাজ করা রেক্স লি বাংলাদেশে এসেছিলেন আসুসের নতুন ল্যাপটপ উন্মোচন করতে। অনুষ্ঠান শেষে প্রথম আলোকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে রেক্স লি বাংলাদেশের জন্য আসুসের ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা তুলে ধরেছেন। সাক্ষাৎকারটি নিয়েছেন মো. আতিফুজ্জামান

কম্পিউটার ব্যবসার জন্য বাংলাদেশের বাজার কেমন?

রেক্স লি: বাংলাদেশের বিশাল জনসংখ্যা রয়েছে, ১৭ কোটিরও বেশি মানুষ। একই সঙ্গে কয়েক বছরে আমরা ৭ থেকে ৮ শতাংশ হারে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি দেখতে পাচ্ছি। আমার মনে হয়, এটি খুবই ইতিবাচক একটি সংখ্যা। বিশ্বের কয়টি দেশে প্রতিবছর এ ধরনের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি হচ্ছে? তাই আমরা বাংলাদেশকে অত্যন্ত সম্ভাবনাময় একটি বাজার হিসেবে দেখি। হয়তো বর্তমানে এখানকার বাজারের আকার খুব বড় নয়, কিন্তু আমরা বিশ্বাস করি, আগামী কয়েক বছরে এটি অনেক বড় হবে।

বাংলাদেশের প্রযুক্তি খাতের কোন কোন ক্ষেত্র আসুসের কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ?

রেক্স লি: বর্তমানে মানুষ বাণিজ্যিক কম্পিউটারের বাজারের দিকে তাকাচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে সরকারি প্রতিষ্ঠান, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, করপোরেট এবং ছোট ও মাঝারি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান। আমরা সব ক্ষেত্রেই কাজ করতে চাই। কারণ, আমাদের লক্ষ্য হলো বাজারে বাণিজ্যিক কম্পিউটারের শীর্ষ ব্র্যান্ড হওয়া। তাই সরকারি প্রতিষ্ঠান, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, করপোরেট এবং ছোট ও মাঝারি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান—সব ক্ষেত্রেই আমরা কাজ করছি। একই সঙ্গে বাজারে আমাদের বিপণন ও বিক্রয় কার্যক্রমও আরও সম্প্রসারণ করছি।

বাংলাদেশে আসুসের পণ্য উৎপাদন বা সংযোজনের কোনো পরিকল্পনা আছে কি?

রেক্স লি: এই মুহূর্তে আমাদের এমন কোনো পরিকল্পনা নেই।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা কম্পিউটার বাজারে বড় ধরনের পরিবর্তন আনছে। বাংলাদেশে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসম্পন্ন পিসির চাহিদা সম্পর্কে আসুস কী প্রত্যাশা করছে?

রেক্স লি: আমরা মনে করি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এখন মানুষের উৎপাদনশীলতা অনেক বাড়িয়ে দিচ্ছে। আমি নিজেও প্রতিদিন অনেক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক প্রযুক্তি ব্যবহার করি। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে কার্যকরভাবে ব্যবহার করতে হবে। একই সঙ্গে অনেক মানুষ ব্যক্তিগত তথ্যের গোপনীয়তা নিয়েও উদ্বিগ্ন। তাই আমরা এখন যন্ত্রভিত্তিক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সমাধান নিয়ে কাজ করছি। এ ক্ষেত্রে ব্যবহারকারীরা যন্ত্রের ভেতরে সরাসরি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, যন্ত্র ও অনলাইনভিত্তিক ব্যবস্থার সমন্বিত পদ্ধতি অথবা অনলাইনভিত্তিক ব্যবস্থা, এগুলোর মধ্য থেকে বেছে নিতে পারবেন। আমরা আমাদের গ্রাহকদের জন্য সম্পূর্ণ সমাধান দিতে চাই। আমি মনে করি, আপনারা এ কথা অনেকবার শুনেছেন। যাঁরা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করবেন, তাঁরা যাঁরা এটি ব্যবহার করবেন না, তাঁদের তুলনায় এগিয়ে থাকবেন। তাই আমরা আমাদের পণ্যের মাধ্যমে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বিকাশকে এগিয়ে নিচ্ছি।

বাংলাদেশে অনেক শিক্ষার্থী ও তরুণ পেশাজীবীর জন্য উন্নত ল্যাপটপ এখনো ব্যয়বহুল। আসুস কি আরও সাশ্রয়ী মূল্যে উচ্চক্ষমতার যন্ত্র বাংলাদেশে আনার পরিকল্পনা করছে?

রেক্স লি: সম্প্রতি র‍্যাম ও এসএসডির দাম অনেক বেড়ে গেছে। এটি একটি বৈশ্বিক প্রবণতা। তবে কোনোভাবে আমাদের সদর দপ্তর কিছু ডিডিআর৪ র‍্যাম মজুত নিশ্চিত করতে পেরেছে। তাই আমরা এখন সেগুলো বাজারে পাঠাচ্ছি। চতুর্থ প্রান্তিক ও পরবর্তী বছরের প্রথম প্রান্তিকে আমরা এগুলো বাজারে আনব। এতে মেমোরির মূল্যবৃদ্ধির চাপ কিছুটা কমাতে সহায়তা করবে বলে আমরা মনে করি।

আগামী ৩ থেকে ৫ বছরে বাংলাদেশে বিনিয়োগ ও ব্যবসা সম্প্রসারণ নিয়ে আসুসের কী লক্ষ্য রয়েছে?

রেক্স লি: আমরা বাংলাদেশে আমাদের ব্যবসা আরও বাড়াতে চাই। এ জন্য জনবল বাড়ানোর পাশাপাশি আমাদের কার্যালয় আরও বড় জায়গায় স্থানান্তরের পরিকল্পনাও রয়েছে। তাই বিনিয়োগের ক্ষেত্রে আমরা বাংলাদেশে আমাদের ব্যবসা আরও সম্প্রসারণ করে যেতে চাই।

প্রযুক্তি খাতে সফল ক্যারিয়ার গড়তে বাংলাদেশের তরুণদের কোন দক্ষতাগুলো শেখা উচিত বলে আপনি মনে করেন?

রেক্স লি: আমি মনে করি, বর্তমানে আমরা প্রোগ্রামিং এবং বিভিন্ন ধরনের সৃজনশীল কাজের ক্ষেত্রে বেশ শক্তিশালী। এই দক্ষতাগুলোকে আরও এগিয়ে নিতে হবে। অবশ্যই আমাদের নিয়মিত নতুন কিছু উদ্ভাবন করতে হবে এবং নতুন ধারণা নিয়ে কাজ করতে হবে। শুধু অন্যদের মতো একইভাবে চললে হবে না। নতুন ধারণা নিয়ে কাজ করা বাজারে এগিয়ে যাওয়ার একটি ভালো উপায়। বর্তমান শক্তির জায়গাগুলোকে কাজে লাগাতে হবে।

ধন্যবাদ।

রেক্স লি: ধন্যবাদ

Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

ব্যাটিং বিপর্যয়ে দিন শুরু, লড়াইয়ে ফিরতে মরিয়া টাইগাররা

কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন

জাতীয়

View more
‘চলে আসলি এই পুলিশ কিচ্ছু করতে 
পারবে না’, অডিও ভাইরালের পর ওসি প্রত্যাহার
‘চলে আসলি এই পুলিশ কিচ্ছু করতে পারবে না’, অডিও ভাইরালের পর ওসি প্রত্যাহার

শেখ হাসিনা দেশে ফিরলে পুলিশ কিছুই করতে পারবে না—এমন বক্তব্যের একটি অডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর রাজধানীর ক্যান্টনমেন্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রাকিবুল হাসানকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।পুলিশের একাধিক সূত্র অডিওর কণ্ঠটি তাঁর বলে প্রাথমিকভাবে শনাক্ত করার কথা জানিয়েছে। তবে আজ বৃহস্পতিবার জারি করা ডিএমপির আদেশে প্রত্যাহারের কারণ হিসেবে ‘প্রশাসনিক কারণ’ উল্লেখ করা হয়েছে।ডিএমপি কমিশনার মোসলেহ উদ্দিন আহমদের সই করা ওই আদেশে রাকিবুল হাসানকে ডিএমপির সদর দপ্তর ও প্রশাসন বিভাগের কেন্দ্রীয় সংরক্ষণ দপ্তরে সংযুক্ত করা হয়েছে। আদেশটি আজ থেকেই কার্যকর হবে। এ বিষয়ে তাঁর বক্তব্য জানতে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁকে পাওয়া যায়নি।গতকাল বুধবার রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অডিওটি ছড়িয়ে পড়ে। এতে ওসি পরিচয়ে এক ব্যক্তিকে সরকার, প্রশাসন, সেনাবাহিনী ও পুলিশ বাহিনীর সমালোচনা করতে শোনা যায়। পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা এবং ওসি পদায়নে টাকা লেনদেনের অভিযোগও করেন তিনি।অডিওতে ওই ব্যক্তিকে বলতে শোনা যায়, ‘জানি যে শেখ হাসিনা ডিসেম্বরে আসতেছে। কিচ্ছু হবে না আসলে, কিচ্ছু হবে না। আপনারা তো চিন্তা করতে পারছেন, রাস্তার পুলিশ কত দুর্বল। ভয়ানক দুর্বল। আসা উচিত। ডিসেম্বর দেরি হয়ে গেছে। এই মাসে আসা উচিত ছিল। চলে আসলি এই পুলিশ কিচ্ছু করতে পারবে না।’অডিওতে ওই পুলিশ কর্মকর্তাকে বলতে শোনা যায়, ‘সিনিয়র অফিসার সব বিএনপি করতেছে। আমরা তো বিএনপি করতেছি না। সব সিনিয়ররা বিএনপি করতেছে, আমরা বিএনপি করতেছি না। এই করার জন্য তো আমরা ডিপার্টমেন্টে আসি নাই। তোমরা খাবা-দাবা, … নিয়ে থাকবা, আর আমরা এখানে বসে বসে কাজ করব, তা তো হবে না।’মনির নামে পুলিশের ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তার গাড়িচালক থানার ওসি পদায়ন করছেন বলেও বলা হয় ওই অডিওতে। অডিও তাঁকে বলতে শোনা যায়, ‘এগুলো সহ্য করা যায়? আর কী বলব? যারা পেস্টিং পাইতেছে তার (মনির) কাছে টাকা দিচ্ছে, সকাল বেলা পেস্টিং হইতেছে।’ওই ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে উদ্দেশ করে অডিওর বক্তা বলেন, তাঁর লজ্জা থাকা উচিত। তাঁর চাকরি ছিল না। এখন যে পদে আছেন, সেখানে এক বছর থাকতে পারলে ১০০ কোটি টাকা এমনিতেই হবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।ওসি পদায়ন নিয়ে অডিওতে ওই ব্যক্তিকে আরও বলতে শোনা যায়, ‘আওয়ামী লীগের (বর্তমানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ) কমিশনার যারা ছিল, তারা ওসি পেস্টিংয়ে টাকা নেয় নাই। যত ওসি বেনজীরের আমলে ছিল, টাকায় কোনো সময় বদলি হয় নাই।’ এখানে তিনি সাবেক আইজিপি ও ডিএমপি কমিশনার বেনজীর আহমেদের প্রসঙ্গ উল্লেখ করেন।  অডিওতে এই পুলিশ কর্মকর্তাকে আরও বলতে শোনা যায়, ‘ডিএমপি, ঢাকা, বাংলাদেশের রাজধানী, ক্যাপিটাল সিটি। এখানকার ওসিরা টাকা দিতে যাবে কেন? এখানে ওসিরা এমনিই যাবে। তোমাদের কাজ করে নিয়ে তোমরা টাকা উঠিয়ে নিবা।’ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কীভাবে কাজ করে দিয়েছেন, সেই অভিজ্ঞতার বিষয়ে ওসি রাকিবুলকে বলতে শোনা যায়, ‘আমি ভাটারায় একটা কাজ করে দিছি এক স্যারকে। স্যার এক কোটি টাকা নিছে। আমি তো জানতাম না।... (অস্পষ্ট কথা) আমার সাথে শুধু সম্পর্কটা আছে। এই হলো অবস্থা! এইভাবে চাকরি করা যাবে নাকি? অযোগ্য লোকগুলোরে কোন জায়গা ঢুকায় (পদায়ন দেয়) আর যোগ্য লোকগুলোকে চিপা-চাপায় রাখছে।’

News সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৬ 0
চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেলখ্যাত লাস্কার পুরস্কার পেলেন যাঁরা

চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেলখ্যাত লাস্কার পুরস্কার পেলেন যাঁরা

অভিভাবকদের যে ত্যাগ, সন্তানদের তার মূল্য দিতে হবে

অভিভাবকদের যে ত্যাগ, সন্তানদের তার মূল্য দিতে হবে

পড়াশোনার পাশাপাশি ফুটবলে আলো ছড়াচ্ছে ষষ্ঠ শ্রেণির মানিক

পড়াশোনার পাশাপাশি ফুটবলে আলো ছড়াচ্ছে ষষ্ঠ শ্রেণির মানিক

হোম লোন নিয়ে প্রচলিত ভুল ধারণা, যেগুলো জানা জরুরি
হোম লোন নিয়ে প্রচলিত ভুল ধারণা, যেগুলো জানা জরুরি

বাস্তবে হোম লোন শুধু একটি ‘ঋণ’ নয়, এটি দীর্ঘমেয়াদি আর্থিক পরিকল্পনার অংশ নিজের একটি বাড়ি বা ফ্ল্যাট কেনার পরিকল্পনা করছেন। কয়েক বছর ধরে সঞ্চয় করেছেন, পছন্দের একটি প্রকল্পও হয়তো দেখে রেখেছেন। এবার ভাবছেন, বাকিটা হোম লোনে হয়ে যাবে। কিন্তু ব্যাংকে যাওয়ার আগেই চারপাশ থেকে আসতে শুরু করল নানা পরামর্শ। কেউ বললেন, ৩০ থেকে ৪০ লাখ টাকা হাতে না থাকলে হোম লোনের কথা ভাববেন না। কেউ বললেন, একবার ঋণ নিলে সারা জীবন কিস্তি দিতেই হবে। আবার কেউ মনে করিয়ে দিলেন—সিআইবি রিপোর্টে সামান্য সমস্যা থাকলেও ঋণ পাওয়া যায় না…ইত্যাদি।এমন ধারণার কিছু কিছু সত্য হলেও বেশির ভাগই ভুল। ফলে অনেকেই প্রয়োজনের সময়ও হোম লোন নেওয়ার সিদ্ধান্ত থেকে পিছিয়ে যান, আবার কেউ কেউ পর্যাপ্ত তথ্য না জেনেই এমন আর্থিক দায় নেন, যা পরে সামলানো কঠিন হয়ে পড়ে।বাস্তবে হোম লোন শুধু একটি ‘ঋণ’ নয়, এটি দীর্ঘমেয়াদি আর্থিক পরিকল্পনার অংশ। তাই ইএমআই, ডাউন পেমেন্ট, এলটিভি, সিআইবি, সুদের হার কিংবা ঋণের মেয়াদ—এসব বিষয়ে প্রাথমিক ধারণা থাকলে সিদ্ধান্ত নেওয়াও সহজ হয়।ইএমআই: শুধু মাসিক কিস্তি নয়, মাসিক বাজেটেরও অংশ হোম লোনের ক্ষেত্রে সবচেয়ে পরিচিত শব্দগুলোর একটি হলো ইকুয়েটেড মান্থলি ইনস্টলমেন্ট বা ‘ইএমআই’। সহজভাবে বললে, ঋণের মূল অর্থ ও মুনাফা মিলিয়ে প্রতি মাসে যে নির্দিষ্ট কিস্তি পরিশোধ করা হয়, সেটিই ইএমআই।অনেকেই মনে করেন, যত কম ইএমআই হবে, ততই ভালো। বিষয়টি সব সময় এতটা সরল নয়। মাসিক কিস্তি কমাতে ঋণের মেয়াদ দীর্ঘ করলে পুরো সময় শেষে মোট সুদের পরিমাণ বেড়ে যেতে পারে। আবার ঋণের মেয়াদ কম হলে কিস্তির চাপ বাড়ে। তাই নিজের আয়, নিয়মিত ব্যয় এবং ভবিষ্যতের আর্থিক পরিকল্পনার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ইএমআই নির্ধারণ করাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।ডাউন পেমেন্ট: সব সঞ্চয় একসঙ্গে খরচ করার প্রয়োজন নেই হোম লোন নিয়ে সবচেয়ে প্রচলিত ভুল ধারণাগুলোর একটি হলো—বাড়ি কিনতে হলে সম্পত্তির অর্ধেক মূল্য আগে থেকেই হাতে থাকতে হবে। বাস্তবে বিষয়টি এমন নয়।বাংলাদেশ ব্যাংকের বর্তমান গৃহঋণ নীতিমালায় ঋণ ও নিজস্ব অর্থের অনুপাত সর্বোচ্চ ৭০:৩০ নির্ধারণ করা হয়েছে। অর্থাৎ ব্যাংক সাধারণভাবে সম্পত্তির মূল্যের সর্বোচ্চ ৭০ শতাংশ পর্যন্ত অর্থায়ন করতে পারে। বাকি অন্তত ৩০ শতাংশ অর্থ গ্রাহককে নিজস্ব উৎস থেকে দিতে হয়।তবে এই ৩০ শতাংশ জোগাড় করতে গিয়ে নিজের সব সঞ্চয় ব্যয় করে ফেলাও বুদ্ধিমানের কাজ নয়। কারণ, বাড়ি কেনার পর নিবন্ধন, ফিট-আউট, স্থানান্তর কিংবা জরুরি প্রয়োজনের জন্যও কিছু অর্থ সংরক্ষণ করা জরুরি।লোন টু ভ্যালু রেশিও (এলটিভি): ব্যাংক কতটা ঝুঁকি নেবে? ধরুন, আপনি ৮০ লাখ টাকা দামের একটি ফ্ল্যাট কিনতে চান। অনেকের ধারণা, পুরো অর্থই ব্যাংক ঋণ হিসেবে দেবে। বাস্তবে ব্যাংক সম্পত্তির মূল্য, গ্রাহকের আর্থিক সক্ষমতা এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের নীতিমালা বিবেচনা করে ঋণের পরিমাণ নির্ধারণ করে।বর্তমান নীতিমালায় ব্যাংকগুলো সর্বোচ্চ ৭০:৩০ ঋণ-ইকুইটি অনুপাত অনুসরণ করে। অর্থাৎ সম্পত্তির মূল্যের একটি অংশ গ্রাহকের নিজেরই বিনিয়োগ করতে হয়। এতে ঋণগ্রহীতার নিজস্ব অংশগ্রহণ নিশ্চিত হয় এবং ঋণের ঝুঁকিও তুলনামূলকভাবে কমে।সিআইবি: ঋণ নেওয়া নয়, ঋণ পরিশোধের অভ্যাসটাই গুরুত্বপূর্ণ সিআইবি নিয়ে অনেকের মধ্যে অকারণ ভয় কাজ করে। অনেকেই মনে করেন, আগে কোনো ব্যাংকঋণ নিলেই ভবিষ্যতে নতুন ঋণ পাওয়া কঠিন হয়ে যায়।মূলত বাংলাদেশ ব্যাংকের ক্রেডিট ইনফরমেশন ব্যুরো (সিআইবি) একজন গ্রাহকের ঋণ পরিশোধের ইতিহাস সংরক্ষণ করে। সময়মতো কিস্তি পরিশোধ করলে সেটি ইতিবাচক রেকর্ড হিসেবেই বিবেচিত হয়। তবে ঋণখেলাপি হওয়া বা দীর্ঘদিন কিস্তি বকেয়া থাকলে নতুন ঋণ অনুমোদনের ক্ষেত্রে সেটি প্রভাব ফেলতে পারে।এসব বিষয়ে প্রাইম ব্যাংকের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম নাজিম এ চৌধুরী প্রথম আলোকে বলেন, নতুন গ্রাহকদের জন্য হোম লোনের ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো নিজের আয়, মাসিক কিস্তি পরিশোধের সক্ষমতা, সুদের হার, ঋণের মেয়াদ এবং মোট পরিশোধযোগ্য অর্থ সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা রাখা। তিনি আরও বলেন, অনেকেই শুধু সুদের হার বা ঋণের পরিমাণ দেখেন, কিন্তু দীর্ঘমেয়াদে মাসিক কিস্তি ও অন্যান্য খরচও সমান গুরুত্বপূর্ণ। প্রাইম ব্যাংকের হোম লোনে গ্রাহকের প্রয়োজন অনুযায়ী ফ্ল্যাট কেনা বা বাড়ি নির্মাণের জন্য বিভিন্ন ধরনের ঋণসুবিধা রয়েছে, যার মেয়াদ সর্বোচ্চ ২৫ বছর পর্যন্ত।এম নাজিম এ চৌধুরী বলেন, ‘হোম লোন নিয়ে প্রচলিত ভুল ধারণাগুলোর একটি হলো এটি মানেই অতিরিক্ত আর্থিক চাপ ও জটিল প্রক্রিয়া। আমরা গ্রাহকদের সঠিক তথ্য ও প্রয়োজনীয় পরামর্শের মাধ্যমে তাঁদের উপযুক্ত সিদ্ধান্ত নিতে সহায়তা করি। প্রাইম ব্যাংকের ফিন্যান্সিয়াল লিটারেসি উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো গ্রাহকদের আর্থিক জ্ঞান বাড়িয়ে তাঁদের আরও সচেতন ও দায়িত্বশীল সিদ্ধান্ত গ্রহণে সক্ষম করে তোলা।’হোম লোন দীর্ঘমেয়াদি আর্থিক পরিকল্পনার অংশ। তাই নিজের আর্থিক সক্ষমতা ও ভবিষ্যতের পরিকল্পনা বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়াই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। প্রয়োজনীয় বিষয়গুলো আগে থেকেই বুঝে নিতে পারলে হোম লোন নিয়ে অযথা দুশ্চিন্তা কমে, আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে সিদ্ধান্ত নেওয়াও সহজ হয়।

News সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৬ 0
ক্ষমতার পালাবদলের খেলা নিয়ে ফিরছেন বীরেন্দর শেবাগ

ক্ষমতার পালাবদলের খেলা নিয়ে ফিরছেন বীরেন্দর শেবাগ

‘কথায় কথায় মারধর, খুন্তির ছ্যাঁকা, আটকে রাখা হতো টয়লেটে’

‘কথায় কথায় মারধর, খুন্তির ছ্যাঁকা, আটকে রাখা হতো টয়লেটে’

ফেডের নীতি সুদহার বাড়লে বাংলাদেশসহ উন্নয়নশীল দেশে কীভাবে প্রভাব পড়ে

ফেডের নীতি সুদহার বাড়লে বাংলাদেশসহ উন্নয়নশীল দেশে কীভাবে প্রভাব পড়ে

এবার কলেজে শিক্ষার্থীর জন্য হাহাকার, যে ১০ কলেজে সর্বোচ্চ আবেদন
এবার কলেজে শিক্ষার্থীর জন্য হাহাকার, যে ১০ কলেজে সর্বোচ্চ আবেদন

২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির ক্ষেত্রে অনেক কলেজ ও মাদ্রাসায় শিক্ষার্থী পেতে হাহাকার দশা শুরু হয়েছে। দেশের ১১টি কলেজে ভর্তির জন্য কোনো শিক্ষার্থীই আবেদন করেনি। আবার আবেদন করেও কোনো শিক্ষার্থী পায়নি ৪১৬টি কলেজ। এর বাইরে প্রায় ৮০০ কলেজ-মাদ্রাসায় এবার মাত্র ১ থেকে ১০ জনের মতো শিক্ষার্থী পেয়েছে। ফলে অনেক কলেজেই শিক্ষার্থীর সংকট দেখা দিয়েছে।তবে পরিচিত কিছু কলেজে ঠিকই ব্যাপক চাহিদা দেখা গেছে। এসব কলেজে ভর্তি হতে আসনের চেয়ে কয়েক গুণ বেশি আবেদন করেছে ভর্তি-ইচ্ছুক শিক্ষার্থীরা। সবচেয়ে বেশি আবেদন পড়েছে ময়মনসিংহের আনন্দ মোহন কলেজে। কলেজটিতে একাদশ শ্রেণিতে ৯৮১টি আসনের বিপরীতে আবেদন করেছে ৩২ হাজার ৬৭৮ জন শিক্ষার্থী। এর মধ্যে আসনসংখ্যা অনুযায়ী ৯৮১ জনকে ভর্তির জন্য নির্বাচিত করা হয়েছে।সিলেটে এসএসসি পরীক্ষার ফলাফল পাওয়ার পর আনন্দ-উল্লাসে মেতে উঠে সিলেটের মিরেরময়দান এলাকার ব্লু-বার্ড স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থীরা। এই শিক্ষার্থীরা একাদশে ভর্তি হবেআবেদনের সংখ্যার দিক থেকে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে ঢাকার আদমজী ক্যান্টনমেন্ট কলেজ। কলেজটিতে ২ হাজার ৩৭৯টি আসনের বিপরীতে আবেদন করেছে ৩২ হাজার ৬৪০ জন। তৃতীয় অবস্থানে থাকা ঢাকা সিটি কলেজে ৪ হাজার ২৮০টি আসনের বিপরীতে আবেদন করেছে ৩১ হাজার ৯৫১ জন।আবেদনের দিক থেকে শীর্ষ ১০ কলেজের তালিকায় আরও রয়েছে সরকারি বাঙলা কলেজ, বিএএফ শাহীন কলেজ-ঢাকা, রাজশাহী সরকারি সিটি কলেজ, রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, চট্টগ্রাম সরকারি সিটি কলেজ, বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ পাবলিক কলেজ ও সরকারি তোলারাম কলেজ।২,২০৫ শিক্ষার্থী আবেদন করেও কলেজ পায়নি এবার সারা দেশে কলেজ ও মাদ্রাসা মিলিয়ে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তিযোগ্য আসন রয়েছে প্রায় ২৫ লাখ। অন্যদিকে, এবার এসএসসি পরীক্ষায় পাসের হার ১৯ বছরের মধ্যে সবচেয়ে কম। ফলে আগেই আশঙ্কা করা হয়েছিল, এবার বিপুলসংখ্যক আসন খালি থাকবে। একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির প্রথম ধাপের ফল প্রকাশের পর সেই চিত্রই সামনে এসেছে।এবার একাদশ শ্রেণিতে ভর্তিযোগ্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ৮ হাজার ১৮০টি। গত ১০ আগস্ট এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হয়। ১১টি শিক্ষা বোর্ডে এবার মোট পরীক্ষার্থী ছিল ১৮ লাখ ২৯ হাজার ৪৮৫ জন। এর মধ্যে পাস করেছে ১১ লাখ ৪৪ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী। তাঁদের মধ্যে পৌনে দুই লাখের বেশি শিক্ষার্থী একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির জন্য আবেদনই করেনি।আবেদনের দিক থেকে সেরা ১০ কলেজ হলো ময়মনসিংহের আনন্দ মোহন কলেজ, ঢাকার আদমজী ক্যান্টনমেন্ট কলেজ, ঢাকা সিটি কলেজে, সরকারি বাঙলা কলেজ, বিএএফ শাহীন কলেজ-ঢাকা, রাজশাহী সরকারি সিটি কলেজ, রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, চট্টগ্রাম সরকারি সিটি কলেজ, বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ পাবলিক কলেজ ও সরকারি তোলারাম কলেজ।একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির জন্য এবার মোট আবেদন করেছে ৯ লাখ ৯৫ হাজার ২৩০ জন শিক্ষার্থী। তাঁদের মধ্যে ভর্তির জন্য নির্বাচিত হয়েছে ৯ লাখ ৮০ হাজার ৮১৫ জন। অর্থাৎ আবেদন করেও ভর্তির জন্য কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আসন পায়নি ১৪ হাজার ৪১৫ জন। তাঁদের মধ্যে জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থী রয়েছে ২ হাজার ২০৫ জন।শিক্ষার্থী না পাওয়া কলেজগুলোর কী হবে এবার ভর্তির জন্য কোনো আবেদন না পাওয়া ১১টি কলেজের মধ্যে ৯টিই বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের অধীন। এর মধ্যে কদভানু মেমোরিয়াল সেকেন্ডারি গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ এবং কাঠালিয়া সেকেন্ডারি গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজে যোগাযোগ করা হলে প্রতিষ্ঠান দুটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, তারা আগেই আবেদন করে উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ে পাঠদান বাতিল করেছে।কদভানু মেমোরিয়াল সেকেন্ডারি গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রধান শিক্ষক শামীমা নাসরীন মুঠোফোনে প্রথম আলোকে বলেন, ‘এটি স্কুল অ্যান্ড কলেজ। এর মধ্যে বছর দুয়েক আগে কলেজে পাঠদান বাতিল করা হয়েছে।’ তবে আবেদন করেও কোনো শিক্ষার্থী পায়নি ৪১৬টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। যেমন কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের অধীন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার তিতাস মডেল কলেজে একাদশ শ্রেণিতে আসন ছিল ৪৫০টি। কিন্তু এসব আসনের বিপরীতে একজন শিক্ষার্থীও ভর্তির জন্য বরাদ্দ পায়নি।শিক্ষার্থীরা এসএসসির ফলাফল মুঠোফোনে দেখছেআবার প্রায় ৮০০ কলেজ ও মাদ্রাসায় আসনের তুলনায় খুবই কমসংখ্যক শিক্ষার্থী নির্বাচিত হয়েছে। যেমন বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের অধীন বরগুনার আমতলীর টিয়াখালী কলেজে একাদশ শ্রেণিতে আসন রয়েছে ৩০০টি। সেখানে ভর্তির জন্য নির্বাচিত হয়েছে মাত্র চার শিক্ষার্থী।এসব কলেজের বিষয়ে জানতে চাইলে আন্তশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান প্রথম আলোকে বলেন, যেসব কলেজ-মাদ্রাসায় শিক্ষার্থী পায়নি বা নগণ্যসংখ্যক শিক্ষার্থী পেয়েছে, সেগুলোর বিষয়ে করণীয় নির্ধারণে তথ্যগুলো মন্ত্রী ও সচিবের সামনে তুলে ধরে মতামত চাওয়া হবে। সে অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।যেভাবে ভর্তি, ক্লাস যখন এবারও এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলের ভিত্তিতে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি করা হচ্ছে। কোনো ভর্তি পরীক্ষা নেওয়া হয়নি। কেন্দ্রীয়ভাবে অনলাইনে আবেদন নেওয়া হয়েছে। শিক্ষার্থীদের ফলাফল, পছন্দক্রম এবং প্রযোজ্য ক্ষেত্রে কোটা বিবেচনায় নিয়ে ভর্তির জন্য প্রতিষ্ঠান নির্ধারণ করা হয়েছে।কয়েক বছর ধরেই এসএসসি ও সমমানের ফলের ভিত্তিতে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি করা হচ্ছে। নির্ধারিত ফি দিয়ে ভর্তি-ইচ্ছুক শিক্ষার্থীদের সর্বনিম্ন ৫টি এবং সর্বোচ্চ ১০টি কলেজ বা সমমানের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পছন্দক্রম দিয়ে অনলাইনে আবেদন করতে হয়।অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান, চেয়ারম্যান, ঢাকা শিক্ষা বোর্ড যেসব শিক্ষার্থী আবেদন করেও কলেজ পায়নি বা আবেদন করতে পারেনি, তাদের জন্য আরেক দফায় সুযোগ দেওয়া হবেবাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) কারিগরি সহায়তায় ঢাকা শিক্ষা বোর্ড কেন্দ্রীয়ভাবে একাদশ শ্রেণির অনলাইন ভর্তি কার্যক্রম পরিচালনা করে। এই পদ্ধতিতে দেশের কলেজ ও মাদ্রাসায় ভর্তি কার্যক্রম পরিচালিত হয়। তবে কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীন প্রতিষ্ঠানগুলোয় ভর্তি হয় পৃথক প্রক্রিয়ায়। ঢাকার নটর ডেম কলেজসহ কয়েকটি প্রতিষ্ঠান ছাড়া দেশের প্রায় সব কলেজ ও মাদ্রাসায় এই পদ্ধতিতে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি করা হয়।প্রথম ধাপের ফলাফলে নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের নিশ্চায়ন ও মাইগ্রেশন শেষে ২০ থেকে ২২ সেপ্টেম্বর তিন দিন ভর্তির কাজ হবে। ভর্তির কাজ শেষ করে ২৪ সেপ্টেম্বর থেকে একাদশ শ্রেণিতে ক্লাস শুরু হবে।ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান বলেন, যেসব শিক্ষার্থী আবেদন করেও কলেজ পায়নি বা আবেদন করতে পারেনি, তাদের জন্য আরেক দফায় সুযোগ দেওয়া হবে। প্রথম ধাপের ভর্তি শেষে ক্লাস শুরু হওয়ার পর আরেক দফায় আবেদনের সুযোগ দেওয়া হবে।

News সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৬ 0
১২ দেশের বর্জনের মুখে ইসরায়েল, আন্তর্জাতিক চাপে থামবেন কি নেতানিয়াহু

১২ দেশের বর্জনের মুখে ইসরায়েল, আন্তর্জাতিক চাপে থামবেন কি নেতানিয়াহু

ক্রাউন প্লাজা ঢাকা গুলশানে দ্বিতীয়বারের মতো আয়োজিত হতে যাচ্ছে ওয়াও মার্কেট।

ক্রাউন প্লাজা ঢাকা গুলশানে দ্বিতীয়বারের মতো আয়োজিত হতে যাচ্ছে ওয়াও মার্কেট।

জার্মানির প্রথম দল ঘোষণাতেই ক্লপের চমক, চার ম্যাচের জন্য দুই স্কোয়াড

জার্মানির প্রথম দল ঘোষণাতেই ক্লপের চমক, চার ম্যাচের জন্য দুই স্কোয়াড

0 Comments