জাতীয়

বিচ্ছেদের গুঞ্জনের মাঝেই ছেলের জন্মদিনে এক ফ্রেমে রাজ-শুভশ্রী

News সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬ 0
Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

ব্যাটিং বিপর্যয়ে দিন শুরু, লড়াইয়ে ফিরতে মরিয়া টাইগাররা

কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন

জাতীয়

View more
জিন্নাহর ছবি ছেঁড়ার পর গোলাম আজমের ছবি টাঙানো নিয়ে নতুন বিতর্ক
জিন্নাহর ছবি ছেঁড়ার পর গোলাম আজমের ছবি টাঙানো নিয়ে নতুন বিতর্ক

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) সংগ্রহশালায় পাকিস্তানের প্রতিষ্ঠাতা মুহাম্মদ আলী জিন্নাহর ছবি ছিঁড়ে ফেলার পর সেখানে জামায়াতে ইসলামীর সাবেক আমির গোলাম আজমের ছবি টাঙানোর ঘটনা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এ বিষয়ে ডাকসুর সাধারণ সম্পাদক (জিএস) এস এম ফরহাদ জানিয়েছেন, গোলাম আজমের ছবিটি কে বা কারা সংগ্রহশালায় রেখেছে, তা তিনি জানেন না। সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সংগ্রহশালায় গোলাম আজমের ছবি থাকার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমি ছবি দেখিনি। কারা করেছে, সেটা ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং করে তাদের কাছে জিজ্ঞাসা করতে পারেন।’ আরও পড়ুন ডাকসুর সংগ্রহশালায় জিন্নাহর ছবি ছিঁড়ে ফেললেন ঢাবি শিক্ষার্থী সংগ্রহশালায় গোলাম আজমের ছবিটি রাখা হবে কি না-এমন প্রশ্নের জবাবে ডাকসুর জিএস বলেন, ‘এটি ডাকসুর বডির সিদ্ধান্তের বিষয়।’ তিনি আরও বলেন, সংগ্রহশালা সংস্কারের পর এক সপ্তাহের মধ্যে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে পাওয়া বিভিন্ন মতামত, সংযোজন-বিয়োজন ও সংশোধনের প্রস্তাব নিয়ে ডাকসুর আনুষ্ঠানিক সভায় আলোচনা করা হবে। এরপর এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। ডাকসুর জিএসের ভাষ্য, বর্তমানে সংগ্রহশালাটিকে তারা সম্পূর্ণ বা চূড়ান্ত বলে দাবি করছেন না। বরং শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের গঠনমূলক পরামর্শের ভিত্তিতে সংগ্রহশালাটিকে আরও সমৃদ্ধ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর আগে, ডাকসু সংগ্রহশালায় পাকিস্তানের প্রতিষ্ঠাতা মুহাম্মদ আলী জিন্নাহর ছবি সংযোজন নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়। পরে ঢাবির সাবেক শিক্ষার্থী ও ডাকসুর সাবেক ভিপি প্রার্থী আবু তৈয়ব হাবিলদার সংগ্রহশালায় থাকা জিন্নাহর ছবি ছিঁড়ে ফেলেন। এরপর সেখানে গোলাম আজমের ছবি টাঙানোর বিষয়টি নতুন করে আলোচনার জন্ম দেয়। আরটি/এমএএইচ/

News সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৬ 0
শব্দদূষণ যেভাবে আমাদের শ্রবণশক্তি কমাচ্ছে

শব্দদূষণ যেভাবে আমাদের শ্রবণশক্তি কমাচ্ছে

দোকানের মালিকানা নিয়ে দুই হলের শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষ, আহত ৯

দোকানের মালিকানা নিয়ে দুই হলের শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষ, আহত ৯

চুয়াডাঙ্গায় মাদক মামলায় এক ব্যক্তির ১০ বছরের কারাদণ্ড

চুয়াডাঙ্গায় মাদক মামলায় এক ব্যক্তির ১০ বছরের কারাদণ্ড

পোশাকখাতে ব্যবসা বাড়াতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সহায়তা চায় বিজিবিএ
পোশাকখাতে ব্যবসা বাড়াতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সহায়তা চায় বিজিবিএ

আন্তর্জাতিক বাজারে দেশের গার্মেন্টস সোর্সিং ও ব্যবসার সুযোগ বাড়াতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতা চেয়েছে বাংলাদেশ গার্মেন্টস বায়িং হাউজ অ্যাসোসিয়েশন (বিজিবিএ)। সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলামের সঙ্গে এক বৈঠকে বিজিবিএ নেতারা এ সহায়তা চান। বৈঠকে বিজিবিএ সভাপতি মো. আবদুল হামিদের নেতৃত্বে সংগঠনের পরিচালনা পর্ষদের সদস্যরা অংশ নেন। এসময় বিদেশে বাংলাদেশের দূতাবাসগুলোর মাধ্যমে বায়িং হাউজগুলোর ব্যবসায়িক যোগাযোগ ও নতুন বাজার তৈরিতে সহযোগিতা, বিভিন্ন দেশের বাজারসংক্রান্ত তথ্য ও প্রতিবেদন সরবরাহ এবং বাজার সম্প্রসারণে সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়ার বিষয়ে আলোচনা হয়। এছাড়া আন্তর্জাতিক ব্যবসায়িক কাজে বিদেশ ভ্রমণের ক্ষেত্রে ভিসা-সংক্রান্ত সুপারিশ ও সহযোগিতা দেওয়ার বিষয়েও আলোচনা করা হয়। আরও পড়ুন ইতালির ‘রেডি টু শো’ সোর্সিং মেলায় বাংলাদেশের ১৪ প্রতিষ্ঠান বিজিবিএ নেতারা বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশের বায়িং হাউজ খাতের কার্যক্রম আরও বিস্তৃত করতে সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে সমন্বয় বাড়ানো প্রয়োজন। এ ক্ষেত্রে বিদেশে থাকা বাংলাদেশি মিশনগুলো ব্যবসায়িক যোগাযোগ তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। বৈঠকে বাজার উন্নয়নে কমার্শিয়াল কাউন্সেলরদের আরও সক্রিয়ভাবে সম্পৃক্ত করার বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হয়। বিজিবিএ জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশের পোশাক ও সোর্সিং খাতের সুযোগ বাড়াতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট সরকারি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সহযোগিতা আরও জোরদার করতে চায় সংগঠনটি। ইএইচটি/একিউএফ

News সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৬ 0
শেখ হাসিনাকে স্বাগত জানিয়ে নোয়াখালীতে মিছিল, গ্রেফতার ৩

শেখ হাসিনাকে স্বাগত জানিয়ে নোয়াখালীতে মিছিল, গ্রেফতার ৩

জিন্নাহর ছবি ছিঁড়ে ফেললেন ঢাবি শিক্ষার্থী, যে ব্যাখ্যা দিলেন ফরহাদ

জিন্নাহর ছবি ছিঁড়ে ফেললেন ঢাবি শিক্ষার্থী, যে ব্যাখ্যা দিলেন ফরহাদ

তিনতলা ভবন আছে, শ্রেণিকক্ষও আছে, কিন্তু শিক্ষক আছেন মাত্র দুজন

তিনতলা ভবন আছে, শ্রেণিকক্ষও আছে, কিন্তু শিক্ষক আছেন মাত্র দুজন

কোকোনাট সাবুদানা পুডিং বানাবেন যেভাবে
কোকোনাট সাবুদানা পুডিং বানাবেন যেভাবে

পুডিং আমাদের মিষ্টান্নের তালিকায় বেশ জনপ্রিয় একটি খাবার। ডিমের পুডিং থেকে শুরু করে নানা স্বাদের পুডিং এখন ঘরেই তৈরি করছেন অনেকে। ডাবের পুডিংও এরই মধ্যে বেশ পরিচিত ও পছন্দের ডেজার্ট। তবে একই স্বাদের পুডিং খেতে খেতে যদি একটু ভিন্ন কিছু খেতে ইচ্ছে করে, তাহলে এবার তৈরি করে দেখতে পারেন ট্রেন্ডি থাই ডেজার্ট সাগু কোকোনাট পুডিং। এটি তৈরি করতে খুব বেশি ঝামেলা বা উপকরণের প্রয়োজন হয় না। অল্প কিছু উপকরণেই বাড়িতে সহজে বানিয়ে নিতে পারেন এই সুস্বাদু থাই ডেজার্ট। আসুন জেনে নেওয়া যাক বাড়িতে কীভাবে সাগু কোকোনাট পুডিং করবেন- উপকরণ সাবুদানা আধা কাপ নারিকেলের দুধ ২ কাপ জেলটিন ১ চা চামচ ডাবের পানি ২ কাপ চিনি ১/২ কাপ লবণ ১ চিমটি পানি পরিমাণমতো নারিকেলের খোল বা বাটা পরিবেশনের জন্য  প্রস্তুত প্রণালি প্রথমে সাবুদানা ভালো করে ধুয়ে পর্যাপ্ত পানিতে ১০-১৫ মিনিট ভিজিয়ে রাখুন। এবার একটি পাত্রে পানি দিয়ে জেলটিন ফুটিয়ে নিন। পানি ফুটে উঠলে ভেজানো সাবুদানা দিয়ে দিন। মাঝারি আঁচে অনবরত নাড়তে থাকুন, যতক্ষণ না সাবুদানাগুলো একদম স্বচ্ছ বা কাঁচের মতো হয়ে আসে। সাবুদানা সিদ্ধ হয়ে গেলে একটি পাত্রে ঢেলে নিন। এরপর গোল মোল্ডে ঢেলে ঠান্ডা হতে দিন। অন্যদিকে একটি প্যানে ঘন ডাবের পানি, জেলটিন, দুধ, চিনি ও এক চিমটি লবণ একসঙ্গে মিশিয়ে নিন। এবার প্যানটি চুলায় বসিয়ে মাঝারি আঁচে বলক আসা পর্যন্ত নাড়তে থাকুন। চিনি সম্পূর্ণ গলে মিশ্রণটি কিছুটা ঘন ও ক্রিমি হয়ে এলে চুলা থেকে নামিয়ে নিন। এরপর সেই দুধের মিশ্রণটি সাবুদানার তৈরি গোল মোল্ডে ঢেলে দিন। কিছুক্ষণ ঠান্ডা করে ফ্রিজে রেখে সেট হতে দিন। আরও পড়ুন কমলার মতো দেখতে মিষ্টি, রেসিপি জানলে আজই বানাবেন অন্যদিকে একটি পাত্রে ডাবের পানি, দুধ ও চিনি দিয়ে ফুটিয়ে নিন। এরপর ডাবের নরম আঁশ বা শাঁস দিয়ে কিছুক্ষণ ফুটিয়ে নিন। মিশ্রণটি তৈরি হয়ে গেলে চুলা থেকে নামিয়ে ঠান্ডা হতে দিন। আরও পড়ুন তাল দিয়ে আইসক্রিম বানাবেন যেভাবে এবার একটি নারিকেল অর্ধেক করে কেটে ভেতরের অংশটি পরিষ্কার করে বাটির মতো করে নিন। নারিকেলের খোলের ভেতর প্রথমে তৈরি করে রাখা সাবুদানার বলগুলো সুন্দর করে সাজিয়ে রাখুন। এর ওপর তৈরি করে রাখা সুস্বাদু দুধের মিশ্রণটি ঢেলে দিন। সবশেষে ফ্রিজে রেখে একদম ঠান্ডা হতে দিন। ঠান্ডা হলে পরিবেশন করুন মজাদার কোকোনাট সাবুদানা পুডিং। এসএকেওয়াই

News সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৬ 0
চাকরির লোভে দুই বোনকে ভারতে পাচার, আসামীকে ১০ বছরের কারাদণ্ড

চাকরির লোভে দুই বোনকে ভারতে পাচার, আসামীকে ১০ বছরের কারাদণ্ড

পণ্যের দাম ওঠানামার ঝুঁকি কমাতে হেজিং সুবিধা চালু করল বাংলাদেশ ব্যাংক

পণ্যের দাম ওঠানামার ঝুঁকি কমাতে হেজিং সুবিধা চালু করল বাংলাদেশ ব্যাংক

সাত ধাপে ইউপি নির্বাচন, প্রথম ধাপের সম্ভাব্য তারিখ ১২ নভেম্বর

সাত ধাপে ইউপি নির্বাচন, প্রথম ধাপের সম্ভাব্য তারিখ ১২ নভেম্বর

0 Comments