জাতীয়

‘আরেক ফাল্গুন’ পাঠে ভাষা আন্দোলনের সাহস ও আত্মত্যাগের গল্প

News সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২৬ 0
‘আরেক ফাল্গুন’ পাঠে ভাষা আন্দোলনের সাহস ও আত্মত্যাগের গল্প
‘আরেক ফাল্গুন’ পাঠে ভাষা আন্দোলনের সাহস ও আত্মত্যাগের গল্প

জহির রায়হান ছিলেন বাংলাদেশের অন্যতম প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক, ঔপন্যাসিক, সাংবাদিক ও চলচ্চিত্র নির্মাতা। তিনি ভাষা আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনার সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত ছিলেন। তাঁর রচিত উপন্যাস ‘আরেক ফাল্গুন’ নিয়ে পাঠচক্রের আসর করেছে জামালপুর বন্ধুসভা। সম্প্রতি আশেক মাহমুদ কলেজ প্রাঙ্গণে এই আসর বসে।

‘আরেক ফাল্গুন’ জহির রায়হানের একটি বিখ্যাত উপন্যাস। পটভূমি ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন। তখন পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী বাংলাকে রাষ্ট্রভাষার মর্যাদা দিতে অস্বীকৃতি জানায়। এর প্রতিবাদে বাংলার ছাত্র-তরুণ ও সাধারণ মানুষ আন্দোলনে নেমে পড়ে। মাতৃভাষার অধিকার রক্ষার জন্য তাঁরা নিজেদের জীবন পর্যন্ত দিতে প্রস্তুত ছিল।

উপন্যাসে সেই সময়ের ছাত্রসমাজের দেশপ্রেম, সাহস, প্রতিবাদ, ভালোবাসা ও আত্মত্যাগের চিত্র খুব সুন্দরভাবে ফুটে উঠেছে। তাঁরা শুধু নিজের জন্য নয়, ভবিষ্যৎ প্রজন্ম যেন নিজের ভাষায় কথা বলতে পারে এবং নিজের ভাষার মর্যাদা নিয়ে বাঁচতে পারে—এই চিন্তা থেকেই আন্দোলন করেছিল। আন্দোলনের কারণে অনেককে গ্রেপ্তার হতে হয়েছে, নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছে; তবু তাঁদের মধ্যে ভয় কাজ করেনি।

পাঠচক্র শেষে জামালপুর বন্ধুসভার বন্ধুরা।

জহির রায়হান এই উপন্যাসে ভাষা আন্দোলনকে শুধু একটি রাজনৈতিক ঘটনা হিসেবে দেখাননি। তিনি আন্দোলনের সঙ্গে জড়িত তরুণ-তরুণীদের ব্যক্তিগত জীবন, আবেগ, সম্পর্ক, ভালোবাসা, স্বপ্ন এবং মানসিক দ্বন্দ্বও তুলে ধরেছেন। তাই বইটি পড়লে মনে হয়, আমরা শুধু ইতিহাস পড়ছি না—বরং সেই সময়ের মানুষগুলোর সঙ্গে তাঁদের জীবনের একটি অংশ অনুভব করছি।

উপন্যাসের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করার সাহস। শাসকগোষ্ঠীর চাপ ও ভয়ের মধ্যেও তরুণেরা নিজেদের অধিকার থেকে পিছিয়ে যায়নি। তাঁদের কাছে বাংলা শুধু একটি ভাষা ছিল না; বাংলা ছিল তাদের পরিচয়, অস্তিত্ব ও আত্মমর্যাদার অংশ।

‘আরেক ফাল্গুন’ নামটির মধ্যেও একটি গভীর প্রতীকী অর্থ রয়েছে। ফাল্গুন মানে বসন্ত—নতুন জীবন, নতুন আশা ও জাগরণের প্রতীক। ‘আরেক ফাল্গুন’ যেন বোঝায়, একুশের সেই আন্দোলন ও জাগরণ এখানেই শেষ নয়। ভবিষ্যতেও নতুন প্রজন্ম অন্যায়ের বিরুদ্ধে জেগে উঠবে এবং নিজেদের অধিকার রক্ষায় সংগ্রাম করবে।

পাঠ আলোচনায় অংশ নিয়েছেন সাধারণ সম্পাদক কামরুল ইসলাম খান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আমির হামজা, স্বাস্থ্য ও ক্রীড়া সম্পাদক জোবাইর আহম্মদ, মুক্তিযুদ্ধ ও গবেষণা সম্পাদক মো. হৃদয় ও কার্যনির্বাহী সদস্য মো. বায়েজিদসহ অন্য বন্ধুরা।

পাঠাগার ও পাঠচক্র সম্পাদক, জামালপুর বন্ধুসভা

Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

ব্যাটিং বিপর্যয়ে দিন শুরু, লড়াইয়ে ফিরতে মরিয়া টাইগাররা

কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন

জাতীয়

View more
দুদক পুনর্গঠন করে এনসিপি ও বিরোধী দলকে টার্গেট করা হচ্ছে: নাহিদ ইসলাম
দুদক পুনর্গঠন করে এনসিপি ও বিরোধী দলকে টার্গেট করা হচ্ছে: নাহিদ ইসলাম

সাত মাস পর দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) পুনর্গঠন করে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ও বিরোধী দলকে টার্গেট করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন এনসিপির আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম। ক্ষমতাসীন বিএনপি সরকারকে চ্যালেঞ্জ করে তিনি বলেন, সাহস থাকলে ২০০১ থেকে ২০০৬ সালের দুর্নীতির অভিযোগ তদন্ত করা হোক।জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন পাস, বিরোধী মত দমন এবং নাগরিকের মৌলিক অধিকার হরণের অভিযোগ তুলে এনসিপি আয়োজিত মানববন্ধনে এসব কথা বলেন নাহিদ ইসলাম। আজ শুক্রবার বিকেলে রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে জাতীয় সংসদ ভবনের সামনে এই মানববন্ধন করা হয়।বিএনপি সরকার দুদককে ধ্বংস করেছে এবং শেখ হাসিনার সরকারের মতোই প্রতিষ্ঠানটি ব্যবহার করছে বলে অভিযোগ করেছেন নাহিদ ইসলাম। একই সঙ্গে পুলিশ সংস্কার কমিশন না করা এবং পুলিশকে বিরোধী দল দমনে প্রস্তুত করার অভিযোগও করেন তিনি। নির্বাচন কমিশনকে ‘ভুলুণ্ঠিত’ করা হচ্ছে বলেও মন্তব্য করেন এনসিপির নেতা।নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘গণতন্ত্র তারেক রহমানের হাতে সুরক্ষিত নয়, মানবাধিকারও তারেক রহমানের হাতে সুরক্ষিত নয়।’ তিনি অভিযোগ করে বলেন, তারেক রহমান ‘নতুন স্বৈরাচার’ হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন। তাঁর ভাষ্য, তারেক রহমান শেখ হাসিনার মতো স্বৈরাচারের পথে হাঁটলে তার আগেই দেশের মানুষ রাজপথে আন্দোলন করে তা প্রতিহত করবে। নাহিদ ইসলাম আরও বলেন, বিএনপি গত ১৬ বছর গণতন্ত্রের জন্য লড়াই করেছে; কিন্তু ক্ষমতায় এসে জনগণের রায়কে অবজ্ঞা করছে এবং মানবাধিকার হরণ করছে।গণতন্ত্র ও মতপ্রকাশের অধিকার রক্ষায় দেশের মানুষকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান নাহিদ ইসলাম। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে দ্রুত ‘সঠিক পথে’ ও গণতন্ত্রের পথে আসতে হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।মানববন্ধনে সরকারের বিরুদ্ধে গুম ও মানবাধিকার লংঘনের অভিযোগ–সংবলিত ফেস্টুন নিয়ে দাঁড়ান জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতা–কর্মীরা। আজ শুক্রবার বিকেলে রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে নাহিদ ইসলাম আরও বলেন, তারেক রহমানের বিরুদ্ধে কথা বলা, তাঁকে নিয়ে ‘মিম’ (ব্যঙ্গ) করা কিংবা তাঁকে গালি দেওয়া সন্ত্রাস নয়। প্রধানমন্ত্রীর নামে খারাপ ভাষা ব্যবহার ও কটূক্তিকে তাঁরা সমর্থন করেন না, এ কারণে দলীয়ভাবেও ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তবে এ ধরনের ঘটনায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা দিয়ে মানুষের কথা বলার অধিকার বন্ধ করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন তিনি। একই সঙ্গে তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, ‘তারেক রহমান কি বাংলাদেশের নতুন বিগ ব্রাদার?’নাহিদ ইসলাম বলেন, গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন, এসআরবি এবং সামনে যে সাইবার সুরক্ষা আইন আনা হচ্ছে, এসব আইন নিয়ে তাঁদের উদ্বেগ রয়েছে। তিনি বলেন, গুমের অভিযোগের তদন্ত যদি যে বাহিনীর বিরুদ্ধে অভিযোগ, সেই ধরনের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর মাধ্যমেই করা হয়, তাহলে স্বাধীন তদন্ত সম্ভব নয়। আবার কোনো অভিযোগ ভুল প্রমাণিত হলে অভিযোগকারীর শাস্তির বিধান রাখায় মানুষ গুমের ঘটনায় অভিযোগ করতেও ভয় পাবে।‘মানুষের কথা বলা বন্ধ করতে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের প্রয়োগ’এনসিপি আহ্বায়কের দাবি, বিএনপি বিরোধী দলে থাকার সময় গুমের ঘটনায় আন্তর্জাতিক তদন্তের দাবি করলেও সরকারে এসে জাতীয় পর্যায়েও স্বাধীন তদন্তের সুযোগ রাখছে না। মানবাধিকার কমিশনকেও সরকারি প্রতিষ্ঠানে পরিণত করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।নাহিদ ইসলাম বলেন, পাঁচ মাস ধরে মিরাজ শেখের (বাগেরহাটের জেলে) কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না, অথচ সরকারের মন্ত্রীরা গত সাত মাসে একটি গুমও হয়নি বলে বক্তব্য দিচ্ছেন। তাঁর অভিযোগ, মিরাজ শেখের পরিবার থানায় মামলা করতে গেলে তা নেওয়া হয়নি; পরে সাধারণ ডায়েরি নেওয়া হলেও সেখানে কোস্টগার্ডের নাম লিখতে দেওয়া হয়নি।একইভাবে এনসিপির সাবেক নেতা গাজী সালাউদ্দিন তানভীর ও গাজীপুরের সিফাতের (প্রধানমন্ত্রীসহ সরকারসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের কটূক্তির অভিযোগে গ্রেপ্তার সিফাত আবদুল্লাহ) বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেন নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেন, সরকার মানুষের কথা বলা বন্ধ করতে এই আইন ব্যবহার করছে। হবিগঞ্জে পুলিশ ও বিএনপির নেতা–কর্মীদের সঙ্গে সংঘর্ষে ছাত্রশক্তির কর্মী আলিফের চোখ হারানোর কথাও উল্লেখ করেন তিনি।জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) আয়োজিত মানববন্ধনে বক্তব৵ দেন দলের সদস্যসচিব আখতার হোসেন। আজ শুক্রবার বিকেলে রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে  জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দিতে সোমবার নিউইয়র্কে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ কথা উল্লেখ করে নাহিদ ইসলাম বলেন, বিএনপির নেতারা গত ১৬ বছর জাতিসংঘ ও বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠনের কাছে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ নিয়ে গেছেন। এখন দেশে এসব আইন করার পর তারা বিশ্ববাসীর সামনে কী জবাব দেবেন, সেটিই তাঁর প্রশ্ন। তিনি বলেন, বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক অধিকার ও মানবাধিকার এখন ‘ভুলুণ্ঠিত’ হচ্ছে। তাঁর দাবি, গুমের সঠিক তদন্ত, মানবাধিকার কমিশনের স্বাধীন তদন্ত এবং সাইবার সুরক্ষা আইনের মাধ্যমে মতপ্রকাশের অধিকার যাতে হরণ না হয়, তা নিশ্চিত করতে হবে।মানববন্ধনে এনসিপির সদস্যসচিব আখতার হোসেন অভিযোগ করে বলেন, সরকার শক্তিশালী আইন করার কথা বললেও সংসদে এমন আইন এনেছে, যাতে অপরাধ দমন বা বিচারব্যবস্থা শক্তিশালী হওয়ার বদলে অপরাধীরা সুবিধা পাবে এবং বিচারপ্রক্রিয়া দুর্বল হবে। গুমের ঘটনায় স্বাধীন তদন্ত না হলে এবং মানবাধিকার কমিশন সরকারের ইচ্ছেমতো গঠিত হলে মানুষের অধিকার সুরক্ষিত হবে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন নিয়ে আখতার হোসেন বলেন, ‘যে মানবাধিকার কমিশন আইন তারা পাস করেছে, সেখানে সরকারি দলকে সব ধরনের সুযোগ দেওয়া হয়েছে।’ তিনি এই আইন বাতিল করে অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে করা মানবাধিকার কমিশনসংক্রান্ত অধ্যাদেশ ফিরিয়ে এনে একটি শক্তিশালী ও স্বাধীন কমিশন প্রতিষ্ঠার দাবি জানান। একই সঙ্গে গুম প্রতিরোধসংক্রান্ত আইন বাতিল, র‍্যাবের মতো বাহিনী যাতে নতুন করে গড়ে উঠতে না পারে তা নিশ্চিত করা, সাইবার নিরাপত্তা আইনে নাগরিকের বাক্‌স্বাধীনতা হরণ করে, এমন কোনো বিধান না রাখা এবং গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবি জানান।জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) আয়োজিত মানববন্ধনে বক্তব৵ দেন দলের মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। আজ শুক্রবার বিকেলে রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে  এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, সংস্কার কমিশনসহ বিভিন্ন পক্ষের সুপারিশের পরেও সরকার আইনের ফাঁকফোকর ব্যবহার করে পুরোনো কাঠামো নতুন মোড়কে ফিরিয়ে এনেছে। এ আইন সংশোধনের দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, বাংলাদেশে আর কাউকে গুমের শিকার হতে দেওয়া হবে না। গুমসংক্রান্ত আইনে ভুক্তভোগী ও তাঁদের পরিবারের অধিকার যথাযথভাবে নিশ্চিত হয়নি উল্লেখ করে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, কাউকে গুম করা হলে সেই ঘটনায় তদন্তের ক্ষমতা সংশ্লিষ্ট সংস্থার কাছেই রাখা হয়েছে এবং ভুক্তভোগীর পরিবার তদন্তের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির কাছ থেকে জবাবদিহি আদায়ের সুযোগ পাবে না। নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, গুমের ঘটনায় স্বাধীন ও নিরপেক্ষ তদন্ত, ভুক্তভোগীদের ক্ষতিপূরণ এবং তদন্তকারী সংস্থার জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে।মানববন্ধনে এনসিপির যুবসংগঠন যুবশক্তি এবং ছাত্রসংগঠন ছাত্রশক্তির নেতা–কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

News সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২৬ 0
রাজধানীতে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৫৬৪, মামলা ৫৮

রাজধানীতে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৫৬৪, মামলা ৫৮

সেই এলিটা কিংসলে এখন কোচ

সেই এলিটা কিংসলে এখন কোচ

সৌদি আরবকে এফ-৩৫ দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র, কেন বিতর্কিত এ চুক্তি

সৌদি আরবকে এফ-৩৫ দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র, কেন বিতর্কিত এ চুক্তি

টানা পাঁচ জয়ের অপেক্ষায় চুল কাটেননি ভক্ত, দুই বছরেও জিততে পারল না ইউনাইটেড
টানা পাঁচ জয়ের অপেক্ষায় চুল কাটেননি ভক্ত, দুই বছরেও জিততে পারল না ইউনাইটেড

ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড টানা পাঁচ ম্যাচ জিতলেই চুল কাটবেন। ব্যস, এই পণ করেই ২০২৪ সালের ৫ অক্টোবর শেষবার কাঁচির নিচে বসেছিলেন ফ্র্যাঙ্ক আইলেট নামের এক ভক্ত। এরপর কেটে গেছে প্রায় দুই বছর। মাথার চুল লম্বা হতে হতে এখন প্রায় ১৪ ইঞ্চি। কিন্তু ইউনাইটেডের টানা পাঁচ জয়ের দেখা নেই। আর কদিন পর দুই বছর পূর্ণ হতে চললেও এই মুহূর্তে ‘শূন্য’তে দাঁড়িয়ে আছে ইউনাইটেড, সঙ্গে আইলেটও।গত মৌসুমের শেষ দিকে নটিংহাম ফরেস্ট ও ব্রাইটনের বিপক্ষে জিতে ইউনাইটেডের সামনে সুযোগ এসেছিল টানা পাঁচ জয়ের চ্যালেঞ্জ পূরণের। এবার ২০২৬–২৭ মৌসুমের প্রথম তিন ম্যাচে জিতলেই চক্র পূরণ হয়ে যেত। প্রতিপক্ষও ছিল অপেক্ষাকৃত সহজ—হাল সিটি, ইপসউইচ টাউন ও এভারটন। এর মধ্যে হাল সিটি ও ইপসউইচ চ্যাম্পিয়নশিপ থেকে প্রমোশন পাওয়া দল, এভারটন গত লিগ শেষ করেছিল ১৩তম হয়ে। কিন্তু অপ্রত্যাশিতভাবে প্রথম ম্যাচেই হাল সিটির কাছে ২–০ গোলে হেরে বসে ইউনাইটেড। View this post on Instagram A post shared by Frank Ilett (The United Strand) (@theunitedstrand) পরের ম্যাচেই অবশ্য ইপসউইচকে ৫–২ গোলে হারিয়ে আবার জয়ের ধারা শুরু করে ইউনাইটেড। কিন্তু এরপর এভারটনের সঙ্গে ২–২ ড্র। এরপর ম্যানচেস্টার ডার্বিতে সিটির কাছে ১–০ গোলে হার টানা পাঁচ জয়ের স্বপ্নকে আরও দীর্ঘায়িত করে দেয়। বড় ধাক্কাটা দিয়েছে এরপর ব্রাইটন ম্যাচ। কারাবাও কাপে ম্যাচের প্রথম ১০ মিনিটেই ২–০ গোলে এগিয়ে গিয়েও শেষ পর্যন্ত ৩–২ গোলে হার ইউনাইটেডের।যার অর্থ, টানা পাঁচ জয়ের হিসাব আবার এক থেকে শুরু করতে হবে আইলেটকে, এই মুহূর্তে যা শূন্য। রোববার লিগে ফুলহামের বিপক্ষে খেলবে ইউনাইটেড। এরপর দুই সপ্তাহের আন্তর্জাতিক বিরতি শেষে দলটির পরের ম্যাচ ১০ অক্টোবর টটেনহামের বিপক্ষে।অর্থাৎ, এর আগেই আইলেটের চুল কাটার অপেক্ষার দুই বছর পার হয়ে যাবে। ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড সর্বশেষ টানা পাঁচ ম্যাচ জিতেছিল ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে।আইলেটের ইউনাইটেডের টানা পাঁচ জয়ের চ্যালেঞ্জ অবশ্য শুধুই মজার ঘটনা নয়। চুল কাটার অপেক্ষার পাশাপাশি তিনি অর্থ সংগ্রহ করছেন লিটল প্রিন্সেস ট্রাস্টের জন্য। ক্যানসারে আক্রান্ত শিশুদের জন্য পরচুলা তৈরি করে সংস্থাটি।ফুটবলে টানা ম্যাচ জয়ের বিশ্ব রেকর্ড, ওভারে ৬ ছক্কা এবং আরও ৮ প্রশ্ন

News সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২৬ 0
পানি চায় দুর্বৃত্তরা, ঘরের দরজায় খুলতেই ছেলেকে জিম্মি করে মাকে দলবদ্ধ ধর্ষণ

পানি চায় দুর্বৃত্তরা, ঘরের দরজায় খুলতেই ছেলেকে জিম্মি করে মাকে দলবদ্ধ ধর্ষণ

অনাথাশ্রমে থেকেই পেল জিপিএ-৫, বিসিএস ক্যাডার হতে চায় অংক্যথুই

অনাথাশ্রমে থেকেই পেল জিপিএ-৫, বিসিএস ক্যাডার হতে চায় অংক্যথুই

৯৯৯-এ স্ত্রীর ফোন, ফ্ল্যাটের দরজা ভেঙে নারীসহ পুলিশ কর্মকর্তাকে নেওয়া হলো থানায়

৯৯৯-এ স্ত্রীর ফোন, ফ্ল্যাটের দরজা ভেঙে নারীসহ পুলিশ কর্মকর্তাকে নেওয়া হলো থানায়

বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে ব্যবসায়ীকে পুড়িয়ে হত্যার হুমকির অভিযোগ
বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে ব্যবসায়ীকে পুড়িয়ে হত্যার হুমকির অভিযোগ

ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দেওয়ায় ব্যবসায়ী গোবিন্দ চন্দ্র মণ্ডলকে পুড়িয়ে হত্যার হুমকির অভিযোগ উঠেছে বিএনপি নেতা ফরিদ উদ্দিন গাজীর বিরুদ্ধে। বিস্তারিত ভিডিও প্রতিবেদনে…

News সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২৬ 0
গাছের ডালে ঘুমানোর সময় পাখি কেন পড়ে যায় না

গাছের ডালে ঘুমানোর সময় পাখি কেন পড়ে যায় না

২৮ বছর পর বাবার ঋণ শোধ করতে পাওনাদারের খোঁজে সন্তান

২৮ বছর পর বাবার ঋণ শোধ করতে পাওনাদারের খোঁজে সন্তান

‘আরেক ফাল্গুন’ পাঠে ভাষা আন্দোলনের সাহস ও আত্মত্যাগের গল্প

‘আরেক ফাল্গুন’ পাঠে ভাষা আন্দোলনের সাহস ও আত্মত্যাগের গল্প

0 Comments